বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 721

দেশটা কি এমনি এমনি এগিয়ে গেল

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা একটি বহুমাত্রিক সমাজে বসবাস করি, এখানে বিতর্ক থাকবে সমালোচনা থাকবে, কিন্তু এটির পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও হতে হয়। ভালো কাজের যদি প্রশংসা না হয় তাহলে যারা ভালো কাজ করে তারা কখনো উৎসাহ পাবে না।

তিনি বলেন, সরকারে থাকলে সবই যে খারাপ সেটি বিশেষ করে বিএনপিসহ কেউ কেউ মনে করে। তারা সরকারে থাকলে সব ভাল, আমরা সরকারে থাকলে সব খারাপ। দেশটা কি এমনি এমনিতে এগিয়ে গেল?

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত সাড়ে বার বছরে মানুষের যে উন্নয়ন হয়েছে তা কল্পনাতীত, আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে এই এগিয়ে যাওয়া।

বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সমাজে এমন অনেক বিষয় আছে, সমাজ সেদিকে তাকায় না। রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ানো পাগলেরও পেছনেও কিছু একটা গল্প আছে, ফ্যালফ্যাল করে তাকানো মানুষটার কিছু বেদনা আছে, সেই বেদনা শোনার সময় সমাজের নাই, সমাজ তাকে জিজ্ঞেস করে না, একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিক সেটি অনুসন্ধান করে সমাজের সামনে তুলে ধরতে পারে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকরা লেখনীর মাধ্যমে সমাজকে উজ্জীবিত করতে পারেন, একজন সাংবাদিকের অনেক ক্ষমতা, সেই ক্ষমতা হয়তো নিজে অনুভব করে না। একজন সাংবাদিক যার মুখে ভাষা নেই তাকে ভাষা দিতে পারে। যে কথা বলতে ভুলে গেছে কিংবা ভয় পায় তার মুখে ভাষা দিতে পারে। যে স্বপ্ন দেখতেও ভুলে গেছে, স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়, তাকে স্বপ্ন দেখাতে পারে। অব্যক্তদের পক্ষে কথা ব্যক্ত করতে পারে। সাংবাদিকরা ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে।

২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে কঠোর লকডাউন শুরু

ঈদুল আজহার সময় মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছিল সরকার।

ADVERTISEMENT

এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হলো কঠোর লকডাউন। এ লকডাউন বহাল থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ঈদের আগেই।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, যত দিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় তত দিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ঈদের পরের লকডাউন কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।

আগের লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা থাকলেও এবার সবকিছু বন্ধ। কঠোর লকডাউনের আওতায় আসবে সারাদেশ। বন্ধ থাকবে গার্মেন্টস, শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে আজ ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

২৩ দফা নির্দেশনা

১. ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি বন্ধ থাকবে।

৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮ ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোডিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশাকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩. বন্দরসমুহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে।

১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

কঠোর লকডাউনে যা করা যাবে, যা যাবে না

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সারা দেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। যা আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত।

ADVERTISEMENT

এ সময় কী করা যাবে, কী করা যাবে না তা নিয়ে গত ১৩ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে— আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত আবার কঠোর লকডাউন শুরু হবে।

এই সময়ে যেসব বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে—

-সব সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

-সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) সব প্রকার যানবাহন বন্ধ থাকবে। শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

-সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

-সব প্রকার শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে।

-জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক [বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), পিকনিক, জন্মদিন, পার্টি ইত্যাদি], রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

-বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি থাকবে।

-ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

-সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করবেন।

-আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা, যেমন কৃষিপণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাকসেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদান সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

-বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলাপর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

-জরুরি পণ্য পরিবহণে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি— এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

-কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিক্রয় করা যাবে।

-অতিজরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকাগ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

-খাবারের দোকান, হোটেল সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেক ওয়ে) করতে পারবে।

-আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।

-স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

-‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠপর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয়সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

-ম্যাজিস্ট্রেট জেলাপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ এবং টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন।

-জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

-স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

ফ্রিজে কোরবানির মাংস কতদিন সংরক্ষণ করা যায়?

বছর ঘুরে ত্যাগের মহিমা নিয়ে চলে আসলো কোরবানির ঈদ। কোরবানির মাংস সঠিক নিয়মে বিলি-বণ্টনের পর নিজের ভাগে যতটুকু মাংস থাকে তা সংক্ষরণ নিয়ে আগে বেশ ঝামেলা পোহাতে হতো। বড় বড় পাতিলে জ্বাল দিয়ে রাখা হতো সেই মাংস।

তবে বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে আজকাল অনেকের বাসায় ফ্রিজার কিংবা রেফ্রিজারেটর আছে। তাই মাংস সংরক্ষণের ঝক্কি এখন অনেকটাই কমেছে। তবে প্রশ্ন উঠতে পারে ফ্রিজে কতদিন ভালো থাকে মাংস?

মার্কিন খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) তালিকা অনুযায়ী, কাঁচা মাংস ফ্রিজারে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। এই সময়ের মধ্যে মাংসের পুষ্টিগুণে খুব একটা হেরফের হয় না। তবে এর চেয়ে বেশি সময় মাংস সংরক্ষণ করলে পুষ্টিগুণ আর স্বাদ-দুইই কমে যেতে পারে।

তবে ফ্রিজারে মাংস সংরক্ষণের সময় সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং ফ্রিজারের তাপমাত্রার বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। সংরক্ষণের আগে মাংস ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে জিপলক বায়ুরোধক ব্যাগে ভরে রাখা উচিত।

এছাড়া ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে রাখা উচিত বলে জানিয়েছে এফডিএ। এই তাপমাত্রায় মাংসের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ইস্টসহ জীবাণুগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

 

যেভাবে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা চালাচ্ছিলেন শিল্পার স্বামী

পর্ন ছবি তৈরির ব্যবসায় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে ৮ থেকে ১০ কোটি রুপি বিনিয়োগ করেছিলেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা।

ভারতের মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, বহু দিন ধরেই পর্নোগ্রাফি তৈরির সঙ্গে যুক্ত।

রাজের পর্ন ছবি তৈরির ব্যবসায় বিনিয়োগের খবর পুলিশ উমেশ কামাথ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর জানতে পারে। ইংল্যান্ডে থেকে এই ব্যবসা চালাচ্ছিলেন উমেশ। তিনি এর আগে রাজের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এই বছরের শুরুতেই অভিনেত্রী গহেনা বশিষ্ঠ-সহ নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তখন থেকেই এই কেসে তদন্ত চালাচ্ছে মুম্বাই পুলিশ।

পুলিশ গহেনার ই-মেইল থেকে বেশকিছু পর্নোগ্রাফির ভিডিও পায়। এসব পর্নোগ্রাফি যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল। একেকটি পর্নোগ্রাফির জন্য দেওয়া হতো দুই থেকে আড়াই লাখ রুপি। রাজ এই চক্রের প্রধান ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার রাতে পর্ন ফিল্ম তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় রাজ কুন্দ্রাকে। পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই শিল্পার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে মুম্বাই পুলিশ।

এবারও কোরবানির ছাগল কিনলেন বিদ্যা সিনহা মিম

গতবারের মতো এবারবো পশু কোরবানি দিচ্ছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। এবার একটি ছাগল কিনেছেন তিনি। নিয়ম মেনে পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে তার বাড়িতে পশুটিকে কোরবানি দেওয়া হবে।

মূলত দুজন গৃহকর্মী, গাড়িচালকের জন্য কোরবানি দিচ্ছেন মিম। তার বাড়ির এই তিন বিশ্বস্ত সহযোগী গত ১০ বছর ধরেই কাজ করছেন। করোনাকালীন সময়ে ঈদের দিন তাদের মুখে হাসি ফোঁটাতে কোরবানির জন্য এই ছাগল উপহার দিলেন মিম।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একটি ছবি শেয়ার করেন মিম। সেখানে দেখা যায়, কোরবানির জন্য কেনা ছাগলকে তিনি পাতা খাওয়াচ্ছেন।

ক্যাপশনে এ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমার পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ মোবারক। এই পবিত্র উৎসবে সামিল হতে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগে, যখন দেখি দিন-রাত আমার পরিবারের সেবা করা মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটে।’

এ নায়িকা বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে যারা কাজ করেন, তারা প্রত্যেকেই মুসলিম। তারা তো আমাদের পরিবারই অংশ। পূর্ণ আনন্দ নিয়ে তারাও যেন ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেজন্যই পশুটি কিনেছি।’

এই পোস্টের পর পরই প্রশংসায় ভাসছেন মিম। অন্য ধর্মীয় রীতি এবং বাড়ির সহযোগীদের আনন্দ-আবেগ নিয়ে মিমের ভাবনা সবার প্রশংসা পাচ্ছে।

ছবিটি পোস্ট দেয়ার পর মাত্র ১৪ ঘণ্টাতেই এক লাখ ৪ হাজারের বেশি রিয়েক্ট জমা পড়েছে। মন্তব্য জমা পড়েছে প্রায় ৬ হাজার!

এমন উদ্যোগের বিষয়ে মিম এক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আগে তাদেরকে জামা-কাপড় দিতাম। পরে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ভাবনা আসে তাদের জন্য কোরবানির পশু কিনলে কেমন হয়! এরপর থেকেই এ কাজটা করছি। আসলে তাদের সঙ্গে আনন্দটা ভাগাভাগি করে নিতে ভালো লাগে। মনে প্রশান্তি কাজ করে।’

মিঠুনকে দলে নেওয়ার কারণ জানালেন তামিম

ব্যাটসম্যান থেকে যদি প্রয়োজনীয় সময়ে রানই না পাওয়া যায় তবে একাদশে তার ঠাঁই পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।

মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে এমনই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে বাজেশট খেলে আউট হয়েছেন মিঠুন।

প্রথম দুই ম্যাচে আলগা শটে আউট হয়ে চাপে ফেলেছিলেন দলকে। একটিতে করেছেন ১৯ অন্যটিতে মাত্র ২ রান।

ব্যাটিংয়ে এমন দৈন্যদশা দেখে তৃতীয় ওয়ানডেতে মিঠুনের বদলে মোহাম্মদ নাঈম বা অন্য কাউকে দেখা যাবে বলে ধারণা ছিল বিশ্লেষকদের।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে একাদশে মিঠুনকে দেখা গেছে। কিন্তু আজও সুযোগের তেমন একটা সদ্ব্যবহার করতে পারলেন না মিঠুন।

যদিও ম্যাচে অনেকটা সময় ক্রিজে থেকেছেন, ৫৭ বল খরচে ৩০ রান করেছেন। কিন্তু ভুগেছেন টাইমিং পেতে। ৫৭ বলের ইনিংসে বাউন্ডারি কেবল একটি।

তাই মঙ্গলবার তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে শেষে মিঠুনকে একাদশে কেন রাখা হলো প্রশ্নটা আরো জোরাল হয়েছে।

এর জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

তামিম বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, সবাইকেই সুযোগ দেওয়া উচিত। মিঠুন শেষ দুই-তিনটা ম্যাচে হয়তো খুব একটা ভালো করতে পারেনি। কিন্তু আপনি যদি নিউ জিল্যান্ডের কথা মনে করেন, সেখানে যে ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিত ছিল, সেটায় ওর সবচেয়ে বড় অবদান ছিল।

এরপর তামিম বলেন, ‘আসলে পাঁচ ও ছয় নম্বরে আমরা এখনও হয়তো মন মতো কাউকে পাইনি। কিন্তু আমরা সবাইকে সুযোগ দিচ্ছি। আজ সোহানের ইনিংসটা দুর্দান্ত ছিল। এখন বাংলাদেশ দলে দুই-তিন জন আছে যারা একটি জায়গার জন্য লড়াই করছে। আমাদের জন্য এখনকার ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কমপ্লিট একটা দল হিসেবে বিশ্বকাপে যেতে চাই।’

টাইগারদের ‘আমরা করব জয় গানে’ মুখরিত ড্রেসিংরুম

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটালেন তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের ছোড়া ২৯৯ রানের লক্ষ্য ১২ বল বাকি থাকতেই পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ।

আর এই জয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান অধিনায়ক তামিম ইকবালের। ৮৭ বলে তার ঝড়ো সেঞ্চুরিটি বাংলাদেশ দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেয় অনায়াসে।

ইতিহাস বলছে, ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন তামিম। ১২ বছর আগের ওই ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ৩১২ রান টপকে ৪ উইকেটের জয় পেয়েছিল টাইগাররা। তামিমের ব্যাট থেকে আসে ১৩৮ বলে ১৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

শেষ ম্যাচ জয়ে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে উচ্ছ্বসিত তামিম। গোটা দলই যারপরনাই উচ্ছ্বসিত।

বিষয়টি বোঝা গেল ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারে ও ড্রেসিংরুমের আনন্দমুখর পরিবেশে।

তামিম বলেন, হ্যা এমন জয়ে তো অবশ্যই খুশি। আমার কাছে মনে হয়, দল হিসেবে আমরা আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। বিশ্বকাপের আগে আমাদের আরও ১২টা ম্যাচ আছে। এই ম্যাচগুলো আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কমপ্লিট একটা দল হিসেবে বিশ্বকাপে যেতে চাই।

আর ড্রেসিংরুমে তো বাঁধভাঙা উল্লাস। আমরা করব জয় গানে সুর মিলিয়েছে সকলেই।

ক্রিকেটার নাঈম শেখ নিজের ফেসবুকে সেই ভিডিও আপলোড করেছেন। যেখানে দেখা গেছে, সাকিব, রিয়াদ, মেহেদী, সোহান, মিঠুন, রুবেল, আফিফ, নাঈমসহ বাংলাদেশ স্কোয়াডের প্রায় সবাই একজন আরেকজনের কাঁধে হাত রেখে একতাবদ্ধ হয়ে আমরা করব জয় গানটি গাইছে। সেখানে বাদ যাননি কোচিং স্টাফরাও। হেড কোপ রাসেল ডমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ প্রিন্সও গাইলেন বাংলায় – আমরা করব জয়।

রাজশাহীতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১৮ জনের

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনায় চারজন ও উপসর্গে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে রাজশাহীর আটজন, নাটোরের চারজন, পাবনা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুইজন করে, নওগাঁ ও কুষ্টিয়ার একজন করে।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ জন। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ৪৩৭ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪৫৪টি।

ভারতফেরত ৭১৯ জনের ঈদ হোটেলে

কোয়ারেন্টিনে থাকার বাধ্যবাধকতার কারণে এবার যশোরে ৭১৯ জন ভারতফেরত বাংলাদেশির ঈদ কাটছে হোটেলে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈদের দিন তাদের জন্য সেমাই, পোলাও ও মাংসসহ উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

এর আগে এর আগে, ঈদুল ফিতরেও যশোরের হোটেলে ঈদ কাটিয়েছিলেন ভারতফেরত ৬২২ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী।

জানা যায়, করোনা প্রাদুর্ভাবে সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে বিশেষ অনুমতি নিয়ে ২৬ এপ্রিল থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেন আটকে পড়া বাংলাদেশিরা। দেশে ফেরার পর সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধির অংশ হিসেবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে তাদের হোটেলগুলোতে অবস্থান করতে হচ্ছে।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, ভারতফেরত যশোর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও পিটিআইতে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে অবস্থানরত ২৫০ জনের জন্য ঈদের দিন সকাল এবং দুপুরে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় উন্নতমানের খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। অতিথিদের সকালে পরটা, ভাজি, ডিম এবং সেমাই বিতরণ করা হয়। দুপুরের খাবারের তালিকায় থাকছে পোলাও, মুরগির রোস্ট, খাসির মাংস, মুগডাল ও সালাদ।

তিনি আরও জানান, ভারত থেকে ফেরত ৪০০ যাত্রী বেনাপোলের বিভিন্ন হোটেলে ঈদ করবেন। শার্শার সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন কোয়ারেন্টিনে থাকা যাত্রীদের সকালে খাবার সরবরাহ করবেন। তার পক্ষ থেকে সকালে খিচুড়ি, মুরগি ও ডিমভুনা দেয়া হয়। দুপুরে খাবার সরবরাহ করবেন পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন। তিনি যাত্রীদের জন্য চিকন চালের সাদা ভাত, ডিম, খাসির মাংস, বুটের ডাল দিয়ে খাসির চর্বির ব্যবস্থা করবেন। রাতে হোটেল মালিকরা বিনামূল্যে খাওয়াবেন।

কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, এছাড়া ঝিকরগাছার গাজীর দরগাহে এ মুহূর্তে ভারতফেরত ৬৯ জন অবস্থান করছেন। এছাড়া সেখানে ১৩ জন সাপোর্টিং স্টাফও রয়েছেন। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদেরকে বুধবার উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। ঈদের সকালে খিচুড়ি, মুরগির মাংস ও সেমাই দেয়া হয়। এছাড়াও তাদের জন্য দুপুরে খাবারে পোলাও, মুরগির রোস্ট, খাসির রেজালা, সালাদ, মিষ্টি দই থাকছে।