বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 654

মেহেরপুরে নির্বাচনি সহিংসতায় ২ ভাই নিহত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন প্রতিপক্ষ মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাথুলী ইউনিয়নের রাধাগোবিন্দপুর ধলা গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান মেম্বার ও সাবেক মেম্বারের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

নিহত দুই ভাই হলেন— একই এলাকার সাহারুল হোসেন ও জাহারুল ইসলাম।

গ্রামবাসী জানান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী গাংনী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান ও আওয়ামী লীগ সমর্থক আজমাইন হোসেন টুটুলের সমর্থকরা গ্রামে ভোট চেয়ে ফিরছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি পর্যায়ে যায়। পরে দুপক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

আতিয়ার পক্ষের লোকজনের ধারালো অস্ত্রের কোপে ঘটনাস্থলেই দুই ভাই মারা যায়। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন কমবেশি আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং বামুন্দির কয়েকটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। লাশ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

জ্যাকেটের পকেটে বোমা, বিস্ফোরণে উড়ে গেল আ.লীগ নেতার হাত

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় বোমা বিস্ফোরণে শাহাজাদা মোল্যা (৪০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার ডান হাত উড়ে গেছে।

রোববার রাত ৮টার দিকে কুন্দশী সিঅ্যান্ডবি চৌরাস্তা জামে মসজিদের সামনে লোহাগড়া-কালনা সড়কের ওপর এ ঘটনা ঘটে।

আহত শাহাজাদা মোল্যা মল্লিকপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মঙ্গলহাটা গ্রামের আকবর মোল্যার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে কুন্দশী সিঅ্যান্ডবি চৌরাস্তা মসজিদের সামনে বিকট শব্দে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখা যায়, বিস্ফোরিত বোমায় শাহাজাদা মোল্যার ডান হাতের কনুইয়ের নিচ থেকে হাড় মাংস উড়ে গেছে।

এ সময় তাকে মঙ্গলহাটা গ্রামের মামুন মোল্যা ও তোফায়েল শিকদার দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ ও উপস্থিত লোকজন তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করেন।

টহলরত পুলিশের এএসআই কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের ভ্যান গাড়ি নিয়ে পার হওয়ার মাত্র ২০ গজ দূরে এলে বিকট শব্দ হয়। এ সময় গাড়ি থেকে নেমে দেখি আহত শাহাজাদাকে দুজন যুবক অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর চেষ্টা করছে। সেখান থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে আসি।

এদিকে আহত শাহাজাদা দাবি করেছেন, তিনি মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় কে বা কারা তার ওপর বোমা হামলা করেছে।

লোহাগড়া থানার ওসি আবু হেনা মিলন জানান, আহত যুবক জ্যাকেটের পকেটে হাতে করে নিজেই বিস্ফোরিত বোমাটি বহন করছিল। পুলিশের গাড়ি দেখে আতংকিত হয়ে পালাতে গিয়ে তার পকেটে থাকা বোমাটি বিস্ফোরিত হয়ে ডান হাত উড়ে যায়। তাকে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।

দুই ইসরাইলি গোয়েন্দাকে অপহরণ

গোপন মিশনে থাকা ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে অপহরণের দাবি করেছে অজ্ঞাত একটি সংস্থা।

আলজাজিরায় শুক্রবার মধ্যরাতে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনে অজ্ঞাত ওই সংস্থাটির বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। খবর আরব নিউজের।

এতে সংস্থাটির দাবি করে, বিদেশে গোপন মিশনে থাকা দুই ইসরাইলি এজেন্টকে আটক করে তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

এ সময় আটক দুই ইসরাইলির ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়। এতে একজন নিজেকে ডেভিড বেন রৌসি এবং আরেকজন নিজেকে ডেভিড পেটি হিসেবে পরিচয় দেন।

সংগঠনটি এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও দুই ইসরাইলি সেনাকে অপহরণের দাবি করেছিল। তবে এ ব্যাপারে ইসরাইল এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হতে যাচ্ছে তুরস্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাত প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজের (এসএসবি) নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠান তুরস্ককে অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর পাশাপাশি বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশগুলোর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশে সহযোগিতা করছে।

এসএসবির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংস্থাটির প্রধান ইসমাইল দেমির এসব কথা বলেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

তুরস্কের প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজের প্রধান ইসমাইল দেমির বলেন, তুরস্কে ২০০২ সালে মাত্র ৬২টি প্রতিরক্ষা প্রকল্প চলমান ছিল। বর্তমানে তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ৭৫০টি প্রকল্প পরিচালনা করছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে শুরু হয়েছে এগুলোর অর্ধেকের মতো প্রকল্প। আগে প্রজেক্ট ভলিয়ম ছিল মাত্র ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকটের পর এসএসবিকে রাষ্ট্রীয় সংস্থায় রূপান্তর করা হয়।

অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা খাত এবং তার্কিশ আর্মড ফোর্সেসের (টিএসকে) আধুনিকায়নে ১৯৮৫ সালে তুরগুত ওজাল তুরস্কের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এসএজিইবি) প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানটি কাঠামো পরিবর্তন করে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্সি অব ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজের প্রধান বলেন, এরপর ২০০৪ সালের মে মাসে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তখন বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশীয় এবং জাতীয় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট ছিল।

এসএসবির প্রধান বলেন, সাইপ্রাসে তুরস্কের অভিযানের পর থেকে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ও অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাড়তে থাকে। এ সময় স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা খাতের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।

দেমির বলেন, তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প দেশের নিরাপত্তার জন্য স্থল, আকাশ, সমুদ্র, মহাকাশ এবং সাইবার স্পেসের ক্ষেত্রে কাজ করে চলেছে। আমরা বেশ কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বের নেতৃত্ব দেওয়া দেশের একটি এবং আমরা প্রতিযোগিতামূলক পণ্য উৎপাদন করছি।

‘যদিও আমরা সব সময় বলে আসছি, আমাদের লক্ষ্য প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া। ভিন্ন অর্থে যদি বলা হয়, যে প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত আমরা সেটিই অর্জন করতে চাই’, যোগ করেন দেমির।

দেমির বলেন, মাত্র পাঁচ বছর আগেও তুরস্কের কাছে বলার মতো আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ‍কুরকুট, সানগার, হিসার এ+, হিসার ও+ ব্যবস্থা সার্ভিসে রয়েছে। আমরা নিজেদের প্রযুক্তির সাহায্যে মিলগেম জাহাজ, উভচর জাহাজ, সিসমিক গবেষণা জাহাজসহ বিভিন্নর ধরনের জাহাজ উৎপাদন করছি। সম্প্রতি উদ্ভাবনের তালিকায় যোগ হয়েছে এটিএকে-২ হেলিকপ্টার। আমরা মিসাইল প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা করেছি।

দেমির বলেন, এমএএম-সি এবং এমএএম-এল স্মার্ট যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি তেবার, এমএএম-টি, কেজিকে, এইচজিকে এবং এলজিকে-এর মতো নতুন যুদ্ধাস্ত্র সংযোজনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ মানবহীন যুদ্ধবিমান (ইউসিএভি) আরও কার্যকর করা হয়েছে।

‘আমরা শুধু ড্রোন প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছি তা নয়, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তিতে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি। আমরা পোর্টেবল যুদ্ধাস্ত্র সিস্টেম, এরগনোমিক গ্রেনেড সরঞ্জাম, ফোল্ডেবল মাইন ডিটেক্টর এবং ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের (আইইডি) বিরুদ্ধে কার্যকর মিক্সার-ব্লান্টিং সিস্টেমসহ মাঠে আমাদের সৈন্যদের ব্যবহারিক সমাধান দিয়েছি।’

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চলছে।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

এদিন বেলা ১১টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে ডিএসইএক্স সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৬ হাজার ৮৬৮ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪৪৬ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৬০৪ পয়েন্টে।

এ পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪১টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ১৬২টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৬টির।

অপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

জলবায়ু খাতে কমেছে বরাদ্দ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যাকবলিত হচ্ছে; অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টিসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের তাণ্ডব বেড়েছে। এতে অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি ও জীবিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি এবং ৩০ শতাংশ খাদ্য উৎপাদন হারিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শহর অঞ্চলে অতি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা প্রবল। ফলে নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এছাড়া আবাদযোগ্য জমি কমে যাওয়ার ফলে গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের ঘরবাড়ি ও জায়গা জমি ছেড়ে দিয়ে বাধ্য হয়ে শহরের বস্তিতে বসবাস শুরু করবেন। এতে রাজধানীসহ অন্যান্য অঞ্চলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় বর্তমানে প্রতিবছর ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হচ্ছে। আর এ বিনিয়োগের কারণে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমেছে। জানা গেছে, আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ এসব খাতে ৫১ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।

মহামারির প্রভাব পড়েছে চলতি বাজেটে। সোমবার যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বাজেটের ৭ দশমিক ২৬ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায়। এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট ২৫টি মন্ত্রণালয়কে। এটি গত দুই অর্থবছরে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলায় বরাদ্দের তুলনায় কিছুটা কম। মূলত করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। ফলে এ খাতে বরাদ্দের হার কমানো হয়েছে। এ বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিসংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা খাতকে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের প্রতিটি দেশে নানা রকম ঝুঁকি বাড়লেও উন্নত দেশগুলো ঝুঁকি মোকাবিলায় যে ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো সে ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে না। এ অবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অন্যান্য সমস্যায় উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনে সিভিএফের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর অবদান নগণ্য, বিষয়টি বহুল আলোচিত। এ অবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলো যাতে সিভিএফের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে, তা বহুদিন ধরে আলোচিত হচ্ছে। চলমান বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনেও এ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্ববাসী আশাবাদী বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের আগামী দিনগুলোর আলোচনায়ও এ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। অতীতে লক্ষ করা গেছে, উন্নত দেশগুলো এ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেসব রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। এ অবস্থায় সিভিএফের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে দাবি আদায়ে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। একইসঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের সাধ্যমতো পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে এ খাতের বরাদ্দের সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না হলে উন্নত দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ ছাড়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে কিনা সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যায়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মলনে উন্নত দেশগুলোর প্রতিনিধিরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়টি বারবার উল্লেখ করেছেন। কাজেই দেশের যে কোনো প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিএনপির রাজনীতি মেরুদণ্ডহীন ও দূরনিয়ন্ত্রিত: সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে নালিশ আর প্রকাশ্যে বিভিন্ন দূতাবাসের কাছে সাহায্য চাওয়া বিএনপির মেরুদণ্ডহীন রাজনীতির সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। বিএনপির কাছে দেশ নিরাপদ নয়। তাদের রাজনীতি দূরনিয়ন্ত্রিত। আওয়ামী লীগের রাজনীতি জনগণ দ্বারা চালিত। দেশ পরিচালনায় নতজানু হওয়ার নজির আওয়ামী লীগের নেই। নতজানু হওয়ার নজির রয়েছে বিএনপির।

রাজধানীতে নিজ বাসভবনে রোববার আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ৭ নভেম্বর প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বরের হত্যাযজ্ঞের ওপর ভর করে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেন। তিনি বলেন, সৈনিকদের ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের রক্তের ওপর দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় প্রত্যাবর্তনের ভিত্তি রচনা করেন জিয়াউর রহমান। একই সঙ্গে এই রাতের (৭ নভেম্বর) দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পদায়ন করেন বিভিন্ন স্থানে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীদের নিষ্ঠুরভাবে যারা হত্যা করেছেন, তাদের বিচারপ্রক্রিয়াও রুদ্ধ করে দেন জিয়াউর রহমান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এজন্যই ৭ নভেম্বরকে রাজনৈতিক রং দিয়ে ‘জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করা হয় জিয়াউর রহমানের নির্দেশে। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট নিয়মিত দিনটিকে উদযাপন করে আসছে। অথচ এটি বাঙালি জাতির ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় দিন, শোকের দিন, কান্নার দিন।

‘বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে’-বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এসডিজি অগ্রগতির জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতিসংঘে পুরস্কার পায়। উন্নয়ন-অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সারা দুনিয়ায় প্রশংসিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বলা হাস্যকর।

‘দেশের সব মেগা প্রকল্প ঋণনির্ভর’-বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলটি (বিএনপি) দিনরাত মিথ্যাচারের জবাব দিতে ইচ্ছা না হলেও দু-একটি কথা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বলতে হয়। কারণ তারা না জানলেও দেশের মানুষ জানে, বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছে সরকার। সেতুমন্ত্রী বলেন, আসলে বিএনপি পদ্মা সেতু নির্মাণ বন্ধের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা চায়নি এ দেশে মেগা প্রকল্প হোক।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির রাজনীতি উন্নয়নবিমুখ, প্রতিহিংসামূলক। তারা উন্নয়ন চায় না। তারা চায় দেশ স্থবির হয়ে থাকুক। বিএনপি চায় সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ুক।

সরকার দেশে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে: মির্জা ফখরুল

সরকার দেশে একটা ‘ভয়ংকর’ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানুষের বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই। ৩৫ লাখের বেশি মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত গুম ও খুনের ঘটনা ঘটছে। সরকার পুরোপুরিভাবে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করেছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিনে (৭ নভেম্বর) আমরা শপথ গ্রহণ করেছি এদেশের সব রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ফ্যাসিস্ট সরকারকে পরাজিত করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব, দেশে ফিরিয়ে আনব তারেক রহমানকে। বাংলাদেশকে আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একটা স্বাতন্ত্র শক্তি নিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের আন্দোলন করব।

শেরে বাংলা রোববার নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে তিনি এ কথা বলেন। ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। ১৯৭৫ সালে ৭ নভেম্বর অভ্যুত্থান-পালটা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অতিষ্ঠিত হন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। বিএনপি এই দিনকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসাবে পালন করে আসছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস এবং জাসদ সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবস হিসাবে পালন করে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ও চেতনার মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম সেই আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত করার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে। ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র-স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহত করতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম। আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফিরে পেয়েছিলাম, মুক্ত অর্থনীতি একটি সমাজ নির্মাণ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে- সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আবার রুখে দাঁড়িয়েছিল, সংবাদপত্রের ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছিল। সর্বোপরি বাংলাদেশে স্বাতন্ত্র্য নিয়ে, পরিচয় নিয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। আমরা বারবার এ দিনটিকে স্মরণ করি এবং দিনটি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী-ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের সব স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। রাষ্ট্রের সব স্তম্ভগুলোকে তারা নিজের হাতে নির্মমভাবে ধ্বংস করেছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।

এর আগে সকালে বিএনপি মহাসচিব দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নজরুল ইসলাম খানকে নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজারে যান। তারা সেখানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন এবং তার (জিয়াউর রহমান) আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এ সময়ে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলম, আবদুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, খন্দকার আবু আশফাক ছাড়াও অঙ্গসংগঠনের আফরোজা আব্বাস, সাইফুল আলম নিরব, হেলেন জেরিন খান, আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, সাদেক আহমেদ খান, আমিনুল হক, শাহ নেসারুল হক, হেলাল খান, আবুল কালাম আজাদ, রফিকুল ইসলাম মাহতাব, আবদুর রহিম, জাকির হোসেন রোকন, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, নুরুল ইসলাম নয়ন, ফজলুর রহমান খোকন, ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের পর যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, ওলামা দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ভোরে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়সহ সারা দেশে দলের অফিসে বিএনপির পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন পোস্টার ও গণমাধ্যমে ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে বিএনপি।

বিএনপির অস্তিত্ব টিকে থাকা নিয়ে সন্দেহ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক দল হিসেবে ভবিষ্যতে বিএনপির অস্তিত্ব টিকে থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, অস্ত্র চোরাচালান, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামির নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দল টিকে থাকবে কীভাবে?

রোববার যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব অস্ত্র চোরাচালান ও দুর্নীতির পাশাপাশি হত্যা মামলায়ও সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কেবল আমাদেরই (সরকার) না, খালেদা জিয়ার ছেলেদের করা এই দুর্নীতি আমেরিকার এফবিআইয়ের করা তদন্তেও উঠে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা (সরকার) বিদেশ থেকে তাদের পাচার করা কিছু অর্থ দেশে ফেরত আনতে সক্ষম হয়েছি।

বিচারপতি সিনহার ঋণ জালিয়াতি মামলার রায় মঙ্গলবার

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে করা ঋণ জালিয়াতির মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার। ২১ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম রায় ঘোষণার জন্য ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

১৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়। তবে সেদিন বিচারক অসুস্থ হয়ে ছুটিতে থাকায় তা হয়নি।

এসকে সিনহা ছাড়া মামলার বাকি আসামিরা হলেন— ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

গত ২৯ আগস্ট একই আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাত আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই ঋণ জালিয়াতি ও চার কোটি টাকা আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগে এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১-এ মামলা করা হয়। মামলার বাদী দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

গত ২৪ আগস্ট আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ওই দিন তার জেরা শেষ হওয়ায় আদালত আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেন। এ মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে সবার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।