সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 624

কুয়েতে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুয়েতের সুবহান সেনানিবাসের বিএমসি সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্ট টু কুয়েতের উদ্যোগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়।

রোববার (২১ নভেম্বর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. আশিকুজ্জামান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

এছাড়াও কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে, বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কমান্ডার বিএমসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল মজিদ, এনডিসি, পিএসসি স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ এর তাৎপর্যতা এবং বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে গৌরবময় বন্ধুত্বপূর্ণ ইতিহাসের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

দিবসটিতে বিএমসির সদস্যদের মনোমুগ্ধকর ব্যান্ড প্রদর্শনী, মনোজ্ঞ শরীরচর্চা ও কুচকাওয়াজ আমন্ত্রিত অতিথিদের মনোমুগ্ধ করে।

এর পাশাপাশি ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও ১৯৯১ সাল থেকে বিএমসির ক্রমধারার ওপর একটি দর্শনীয় চিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়; যা আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য ছিল একটি বিশেষ আকর্ষণ।

অন্যদিকে বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করার জন্য বিএমসি ম্যাগাজিন-২০২১ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন আফিদ্রির ‘প্রেমিকা’ সেই ভারতীয় অভিনেত্রী

সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আফগানিস্তান বংশোদ্ভূত ভারতী মডেল-অভিনেত্রী আরশি খান। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে ফিরলেন তিনি।

দিল্লির মালব্য নগরের শিবালিক রোডে তার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেলেও বুকে আঘাত পেয়েছেন আরশি। গাড়িতে থাকা এক সহযোগীও আহত হয়েছেন। দু’জনকেই দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা না পেলেও আরশি খান ভারতে ব্যাপক পরিচিত অভিনেত্রী। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করে তুমুল বিতর্ক বাধিয়ে দেন আরশি।

নিজেকে আফ্রিদির প্রেমিকা দাবি করে সে সময় টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, ‘আফ্রিদির সঙ্গে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার কাছে সম্পর্কটা ছিল ভালবাসার।’

এর মাস খানেক পর তার গর্ভে আফ্রিদির সন্তান রয়েছে বলেও দাবি করেন আরশি। যদিও আরশির সেই দাবি ধোপে টেকেনি। সেই টুইট নিয়েও আফ্রিদি কোনো মন্তব্য করেননি।

সম্প্রতি কোনো টুইট না করেই ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হন আরশি খান। আফগানিস্তানে তালেবানদের পুনরুত্থানের পর তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পরে তিনি জানান, তার শরীরে আফগানি রক্ত। তার পরিবার ইউসুফ জহির পাঠান গোষ্ঠীর।

প্রসঙ্গত, অভিনয়, মডেলিংয়ের পাশাপাশি ভারতের রাজনীতিতেও সক্রিয় আরশি। মুম্বাই কংগ্রেস দলের সদস্য তিনি। ‘বিষ’, ‘সাবিত্রী দেবী কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল’-এর মতো সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন আরশি। দ্য লাস্ট এমপারোর নামে একটি বলিউড সিনেমায় কাজ করেছেন আরশি খান।

৬ কারণে হতে পারে ফুসফুসে ক্যান্সার

আমাদের শ্বাস নিতে কাজ করে এমন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিই হচ্ছে ফুসফুস। আর এটির সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বর্তমান বিশ্বে ফুসফুসের ক্যান্সার সবচেয়ে মারাত্মক হয়ে উঠেছে। আর এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি।

কিছু কিছু জিনিস আছে, যা ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এগুলোকে রিস্ক ফ্যাক্টর বলা হয়। তবে রিস্ক ফ্যাক্টর থাকার মানে এই নয় যে, আপনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন। আবার রিস্ক ফ্যাক্টর না থাকার মানে এই নয় যে, আপনার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই।

এ জন্য আজ জেনে নিন ফুসফুস ক্যান্সারের ৬ রিস্ক ফ্যাক্টর সম্পর্কে—

১. ধূমপান
ধূমপান হচ্ছে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ। আপনি যত বেশি ধূমপান করবেন, আপনার ঝুঁকি তত বেশি। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জনই পাওয়া যায় ধূমপায়ী বা প্রাক্তন ধূমপায়ী। আর অল্প বয়সে ধূমপান শুরু করলে এ ঝুঁকি আরও বেশি থাকে।

যারা ধূমপান করেন না, তাদেরও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে, তবে তাদের ঝুঁকি অনেক কম।

২. প্যাসিভ স্মোকিং
অন্য লোকের সিগারেটের ধোঁয়া নিলে বা ধোঁয়ার মধ্যে শ্বাস নিলে তাকে প্যাসিভ স্মোকিং বা সেকেন্ড-হ্যান্ড ধূমপান বলে। আর এটি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা আপনি নিজে ধূমপান করলেও এর চেয়ে ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

৩. বয়স
বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার বেশি দেখা যায়। ১০ জনের মধ্যে চারজনেরও বেশি এমন রোগীকে দেখা যায় যাদের বয়স ৭৫ বা তার বেশি। তবে ফুসফুসের ক্যান্সার অল্পবয়সিদেরও প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু ৪০ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে তা বিরল।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে
অসুস্থতা বা চিকিত্সার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

৫. পারিবারিক ঝুঁকি
যাদের পরিবারে বাবা-মায়ের ফুসফুসের ক্যান্সার থাকে, তাদের এটি হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকে। এ ছাড়া ভাই বা বোনের ফুসফুসের ক্যান্সার যদি অল্প বয়সে ধরা পড়ে, তাদেরও ঝুঁকি বেশি থাকে।

৬. বায়ুদূষণ
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বায়ুদূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে। তবে জায়গাভেদে ও পৃথক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বলাটা একটু কঠিন।

তথ্যসূত্র: ম্যাকমিলান ক্যান্সার সাপোর্ট

স্বার্থের সংঘাতে জ্বলছে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

মানবসেবার ব্রত নিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়তে এলেও বিভিন্ন সময় স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা। কাগজে-কলমে বেশিরভাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ। কিন্তু প্রায় কেউই তা মানছে না। রাজনৈতিক সংগঠনগুলো কলেজ ক্যাম্পাসে সক্রিয়। এরসঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা।

এদের অনেকেই জড়িয়ে পড়ছেন সংঘাতে। এতে একদিকে যেমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে স্বার্থ ও সংঘাত এ দুইয়ের কবলে পড়ে ভবিষ্যতে যোগ্য চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন ঘোলাটে হয়ে পড়ছে।

জানতে চাইলে মুগদা মেডিকেল কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর যুগান্তরকে বলেন, মেডিকেল ছাত্রদের উদ্দেশ্য হবে মানুষের কল্যাণে কাজ করা। লেখাপড়া করে দক্ষ চিকিৎসক হওয়ার প্রতিযোগিতা করা। কিন্তু দিন দিন তাদর মধ্যেও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় বাড়ছে। এগুলো আমাদের সেবার মতো মূল জায়গা থেকে পিছিয়ে দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। এজন্য প্রয়োজন মেডিকেল শিক্ষায় আরও বেশি জোর দেওয়া। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেডিকেল ইথিকস মেইনটেইন, নীতিবোধ জাগ্রত ও নৈতিকতার চর্চা বড়াতে হবে। শিক্ষার্থী নিজে, তার পরিবার, কলেজ কর্তৃপক্ষ, সমাজ, রাষ্ট্র সবাইকে এ ব্যাপারে দায়বদ্ধতার মধ্যে আনতে হবে।

দেশের ৩৬টি সরকারি হাসপাতালে নানা সময়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হচ্ছে। এজন্য সবসময় প্রতিপক্ষ হিসাবে অন্যদলের প্রয়োজন হয় না। একই দলের দুগ্রুপের মধ্যেও সংঘর্ষ হচ্ছে হরহামেশা। এতে মেধাবী অনেক শিক্ষার্থীর জীবন প্রদীপ নিভে যাচ্ছে। কেউ গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ চিকিৎসা নিচ্ছেন। সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)। চট্টগ্রাম মহানগরে শাসক দলের এক নেতার অনুসারীরা প্রায় ৩৩ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণ করছে চমেক। এ অধিপত্য খর্ব করে নিজেদের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করতে প্রায় দুই বছর আগে থেকে সক্রিয় অপর এক নেতার অনুসারীরা।

এ দুবছরে অন্তত ৮-১০ বার সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিবদমান দুটি গ্রুপ। সর্বশেষ ২৯ ও ৩০ অক্টোবর তিন দফা সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ সময় মাথায় গুরুতর চোট পান এমবিবিএস ৬২তম ব্যাচের মাহাদী জে আকিব। চিকিৎসকরা তার মাথার খুলি অস্ত্রোপচার শেষে সাদা ব্যান্ডেজে জুড়ে সেখানে লিখে দেন, ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না।’ নিচে একটা বিপজ্জনক চিহ্নও এঁকে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দুপক্ষ থানায় পৃথক তিনটি মামলা করে। এসব মামলায় প্রায় ৪০ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র দুজন। এছাড়া অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধের পর ২৭ নভেম্বর খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

চমেকে দুগ্রুপের সংঘর্ষের পর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যেও বিভক্তি দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) সক্রিয়। এটি এক নেতার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে। এ কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ১৫ নভেম্বর অপর নেতার অনুসারীরা ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ (ইচিপ) নামে নতুন কমিটি গঠন করে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, পালটাপালটি কমিটির কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যেও দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

সূত্র আরও জানায়, ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর চমেক ছাত্রাবাসে পিটুনির শিকার হয়ে মারা যান আবিদুর রহমান আবিদ। তিনি ‘ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি’ তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। স্বজনদের অভিযোগ, ছাত্রদলের কমিটি গঠনের চেষ্টা করায় তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতারা কয়েক দফা পিটিয়েছিলেন আবিদকে। ওই নির্যাতনের দুদিন পর ২১ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবিদ। বারবার সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ ও রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলেও তা কেউ মানছে না। সর্বশেষ চলতি বছরের ২ মার্চ মারামারির ঘটনায় দ্বিতীয় দফা রাজনীতি নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সাহেনা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, মেডিকেলে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা স্বার্থের রাজনীতি বা মারামারিতে জাড়াচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। যারা হিউম্যান বিং নিয়ে কাজ করবে, তাদের উগ্র মানসিকতা অবশ্যই খারাপ। এ ব্যাপারে ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টরাসহ সমাজ, রাজনৈতিক নেতা, যারা আড়ালে থেকে প্রশ্রয় দেয় কেউই দায় এড়াতে পারে না। মূলত ক্যাম্পাসের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বারবার এসব ঘটনা ঘটছে। ফলে মেডিকেল কারিকুলামে বিহেভিয়ারাল কোর্স যুক্ত জরুরি হয়ে পড়ছে। যাতে রোগীর সঙ্গে আচরণ শেখা ছাড়াও নিজেদের নৈতিকতা সম্পর্কে সচেতন হবে।

২১ নভেম্বর ক্রিকেট খেলা নিয়ে গোপালগঞ্জে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইটের আঘাতে সদর থানার ওসি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ও সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি হলে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার ওপর নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। সহপাঠীদের হাতেই নির্মমতার শিকার হন এএসএম আলী ইমাম নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক। তার কোমর থেকে পা পর্যন্ত রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করাসহ হাঁটুর নিচের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে কলেজ ছাত্রলীগ এবং ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। ওই শিক্ষার্থী সেদিন বেঁচে ফিরলেও জীবন রক্ষায় ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তার শিক্ষাজীবন।

২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে একটি ছাত্র সংগঠনের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় ক্যাম্পাস সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কর্তৃপক্ষ ২৬ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক কার্যক্রম ও ছাত্রাবাস থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ, মিছিল, ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন লাগানোসহ সব ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। কিন্তু বর্তমানে তারা আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট খুলনা মেডিকেল কলেজে দুপক্ষের সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। সংঘর্ষে জড়িত চার শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ। সংঘর্ষের ঘটনায় ছয়টি মামলা হয়।

বাউবির এসএসসি পরীক্ষা শুক্রবার থেকে

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ আগামী ২৬ নভেম্বর শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৩০৩টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বাউবির তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. আফম মেসবাহ উদ্দিন মঙ্গলবার জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে সর্বমোট ৮৩ হাজার ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এবার পুরুষ পরীক্ষার্থী ৫২ হাজার ৫২৬ জন এবং নারী ৩০ হাজার ৬০৮ জন। প্রতিবারের মতো এবারো প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এছাড়াও বাউবি থেকে ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে। এ পরীক্ষা শুধুমাত্র শুক্র ও শনিবার দিনগুলোতে সকাল ও বিকালে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর ২০২১ পরীক্ষা শেষ হবে।

রোনাল্ডোর গোলে নকআউট পর্বে ম্যানইউ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ত্রাতা হলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোই। তার গোলেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নকআউট পর্বে উঠল ম্যানচেস্টারের দলটি।

ভারপ্রাপ্ত কোচ মাইকেল কেরিকের অধীনে মঙ্গলবার রাতে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

দলকে প্রথম লিড এনে দেন রোনাল্ডোই। শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ান জর্ডান সাঞ্চো।

আগের ম্যাচে ওয়ার্ডফোর্ডের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হেরেছিল ইউনাইটেড। তবে ম্যাচে দলের হয়ে একমাত্র গোল করেছিলেন রোনাল্ডোই।

মঙ্গলবারের ম্যাচেও গোল পেলেন। যদিও প্রথমার্ধে প্রশংসা করার মতো কোনো পারফরম্যান্স দেখাননি সিআর সেভেন।

প্রথমার্ধে দুই দলই কিছুটা অগোছালো ফুটবল খেলে। সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই। গোলশূন্য স্কোর রেখে বিরতিতে যায় দু দল।

দ্বিতীয়ার্ধে নেমেও জালের দেখা পাচ্ছি না দুই দলের কেউ। ৬৬ মিনিটে বদলি হিসেবে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও মার্কোস রাশফোর্ডকে নামান কেরিক। আক্রমণে ধার বাড়ে ইউনাইডের। ৭৮ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন রোনাল্ডো।

বক্সের বাইরে থেকে তার জোড়ালো শট ভিয়ারিয়ালের জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্রুনো ফার্নান্দেজের পাসে ব্যবধান বাড়ান সাঞ্চো।

২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড। গত বছরের অক্টোবরে পিএসজিকে হারানোর পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচ জিতেছে ইংলিশ ক্লাবটি।

মাহমুদউল্লাহকে প্রশংসায় ভাসালেন সাকলাইন মুশতাক

বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ধবলধোলাই হয়েছেন মাহমুদউল্লাহরা। তবে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বল্প পুঁজি নিয়েও লড়াই করে হেরেছে টাইগাররা।

খেলাকে শেষ ওভার পর্যন্ত নিয়ে গেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে অনিয়মিত বোলার মাহমুদউল্লাহ ছিলেন অসাধারণ।

কুড়িতম ওভারে নিজেই বল হাতে নিয়ে কারিশমা দেখান তিনি। প্রথম তিন বলে পর পর ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড়ই ঘুরিয়ে দেন। শেষ বলটিতেও স্টাম্প ভেঙে দেন। যদিও সেই আউটটি হয়নি। কারণ ব্যাটার নওয়াজ প্রস্তুত নন বলে জানালে বলটি ডেড বলে সিগনাল দেন আম্পায়ার।

মাহমুদউল্লাহ চাইলে আবেদন করতেই পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি না করে ফের বল করেন। তাতে চার মেরে তৃতীয় ম্যাচটিও জিতে নেয় পাকিস্তান।

এভাবে পরিস্থিতি বেশ ভালোভাবে সামাল দেওয়ার কারণে মাহমুদউল্লাহর প্রশংসা করলেন পাকিস্তানের হেড কোচ সাকলাইন মুশতাক।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে। আমাদের ছেলেরা তাদের স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমি বাংলাদেশকে কৃতিত্ব দিতে চাই। বিশেষ করে মাহমুদউল্লাহকে, শেষ ওভারে ও যেভাবে বোলিং করেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।’

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলায় তৃতীয় ম্যাচে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে পাকিস্তান দল। শেষ ম্যাচে একাদশে একাধিক পরিবর্তন আনে পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট। বেশ কয়েকজন পরীক্ষিত পারফর্মারকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশে রাখা হয়েছিল সুযোগ না পাওয়া খেলোয়াড়দের।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের হেড কোচ বলেন, ‘দলে এই ধরণের গভীরতা থাকা পাকিস্তানের জন্য একটি দুর্দান্ত জিনিস, বেঞ্চের ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করছে এবং দলে জায়গা পেতে একে অপরকে চাপ দিচ্ছে, আপনি এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারবেন না।’

আবারো বিচারক হচ্ছেন ফাতেমা-তুজ-জোহরা

গানের বাইরে খুব বেশি কর্মকাণ্ড নেই নজরুল সংগীত শিল্পী ফাতেমা-তুজ-জোহরার। তবে অভিনয়ে মাঝে-মধ্যে দেখা যায় তাকে। এছাড়া সংগীত বিষয়ক অনুষ্ঠানে গান গাওয়ায় পাশাপাশি সংগীত প্রতিযোগিতায় এর আগে বিচার কার্য পরিচালনা করেছেন তিনি।

সেই ধারাবাহিকতায় আবারো বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। এটিএন বাংলার আয়োজনে এটির নাম ‘আগামীর তারকা’। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ আয়োজনের দ্বিতীয় সিজন শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এবারো এই প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন ফাতেমা-তুজ-জোহরা।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংগীতের যে কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে ভালো লাগে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীত প্রতিভাদের সঙ্গে পরিচয় ঘটবে, যা খুবই ভালোলাগার বিষয়। আশা করছি এবারও এর মাধ্যমে প্রকৃত মেধাবীরাই উঠে আসবে।

আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে এটির বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে। এদিকে সম্প্রতি ‘জীবন পাখি’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন এ সংগীতব্যক্তিত্ব।

অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন আফিদ্রির ‘প্রেমিকা’ সেই ভারতীয় অভিনেত্রী

সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আফগানিস্তান বংশোদ্ভূত ভারতী মডেল-অভিনেত্রী আরশি খান। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে ফিরলেন তিনি।

দিল্লির মালব্য নগরের শিবালিক রোডে তার গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেলেও বুকে আঘাত পেয়েছেন আরশি। গাড়িতে থাকা এক সহযোগীও আহত হয়েছেন। দু’জনকেই দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা না পেলেও আরশি খান ভারতে ব্যাপক পরিচিত অভিনেত্রী। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করে তুমুল বিতর্ক বাধিয়ে দেন আরশি।

নিজেকে আফ্রিদির প্রেমিকা দাবি করে সে সময় টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, ‘আফ্রিদির সঙ্গে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার কাছে সম্পর্কটা ছিল ভালবাসার।’

এর মাস খানেক পর তার গর্ভে আফ্রিদির সন্তান রয়েছে বলেও দাবি করেন আরশি। যদিও আরশির সেই দাবি ধোপে টেকেনি। সেই টুইট নিয়েও আফ্রিদি কোনো মন্তব্য করেননি।

সম্প্রতি কোনো টুইট না করেই ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হন আরশি খান। আফগানিস্তানে তালেবানদের পুনরুত্থানের পর তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

পরে তিনি জানান, তার শরীরে আফগানি রক্ত। তার পরিবার ইউসুফ জহির পাঠান গোষ্ঠীর।

প্রসঙ্গত, অভিনয়, মডেলিংয়ের পাশাপাশি ভারতের রাজনীতিতেও সক্রিয় আরশি। মুম্বাই কংগ্রেস দলের সদস্য তিনি। ‘বিষ’, ‘সাবিত্রী দেবী কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল’-এর মতো সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন আরশি। দ্য লাস্ট এমপারোর নামে একটি বলিউড সিনেমায় কাজ করেছেন আরশি খান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক গাড়ি

ঘনকুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ছয় শতাধিক যানবাহন। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ।

দৌলতদিয়া বিআইডব্লিউটিসি ও ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভোর থেকে পদ্মায় কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। কুয়াশার ঘনত্বের বৃদ্ধির কারণে নৌপথ সম্পূর্ণরূপে অস্পষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় ফেরি চলাচল করলেও দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে বলে সকাল ৬টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় প্রায় ৬ শতাধিক যানবাহন ফেরিপারের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে যাত্রী ও যানবাহন চালকদেরও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মহিউদ্দীন রাসেল যুগান্তরকে বলেন, ঘনকুয়াশার কারণে ফেরি চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে আমরা বুধবার ভোর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছি। কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।