বৃহস্পতিবার ,১৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 582

সুইডেনে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা

স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে স্কোগোস ব্যাডমিন্টন রেন্জারস ক্লাব সুইডেন ১১ ডিসেম্বর ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
টুর্নামেন্ট কমিটির পরিচালক নাজমুল হাছান খান এবং গাজী মহিউদ্দিনের পরিচালনায় ১৪ জন খেলোয়াড় ৭টি দলে অংশগ্রহণ করেন।

রেফারি ছিলেন নিকি হাছান খান এবং এডি আমিন, লাইনম্যান ছিলেন কিরণ ও ফারিন।
এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় কমলা দলের জিকু-শরিফ এবং রানার্সআপ হয় সবুজ দলের মাহবুব-মাহমুদ।

খেলা শেষে এক জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধান অতিথি বিশিষ্ঠ লেখক, কলামিস্ট ও বীর মুক্তিযাদ্ধা মোর্শেদ চৌধুরী সবার মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানটি সবাই উপভোগ করেন আনন্দঘন পরিবেশে। বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ও সুইডেনের জাতীয় পতাকা দিয়ে হলঘর সাজানো হয়েছিল।

ইন্টারন্যাশনাল আইকন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ডা. তাওহীদা

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ-ইউএই ফ্রেন্ডশিপ ফেস্টিভ্যাল ২০২১।

বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য তারকা অংশ নিয়েছিলেন এ অনুষ্ঠানে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন বিএম জামাল হোসেন।

এ অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল আইকন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ডার্মাটোলজিস্ট ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন। শারজা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ইউএই ফ্রেন্ডশিপ ফেস্টিভ্যাল ২০২১-এ তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন বলেন, এটি আমার জন্য বিশাল একটি প্রাপ্তি; যা আমার কর্মস্পৃহা এবং সম্মান বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণে। যেহেতু বাংলাদেশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ উৎসব এবং সেই সঙ্গে আমার পুরস্কার প্রাপ্তি, তাই এ পুরস্কারটি দুই দেশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে আমাকে গৌরবান্বিত করেছে।

অন্যের প্রতি সম্মান ভালোবাসা ও আত্মত্যাগই হোক বিজয়ের মাসের উপলব্ধি

বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা, সাহস, মনোবল ও শক্তির সূচনাই ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। ভাষার দাবিতেই মূলত পাকিস্তানিদের সাথে আমাদের আন্দোলনের সূচনা। আমরা বাংলাদেশিরা ভালোবাসতে জানি, ভালোবাসাতেও জানি । বাংলাদেশিরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে জানি আবার অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিতে আনতেও পারি। আমরা প্রতিবাদী হলেও সম্মানশীল।

আমরা শান্তিপ্রিয় মুসলমান কিন্তু মৌলবাদী বা জঙ্গি নই। আমাদের দেশে মুসলমান, হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলীর মানুষ পাশাপাশি তাদের ধর্ম উৎসব গুলো যুগের পর যুগ ধরে পালন করে আসছে শান্তিপূর্ণ ভাবে যা পৃথিবীর ইতিহাসে অতুলনীয়। যেমন আমাদের পুরান ঢাকা।

বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠতা মুসলমান হলেও সব ধর্মাবলীদের জন্য আমাদের দেশে সরকারি ছুটির ব্যবস্থা যা উদারতার দিক থেকে হার মানায় আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশ গুলোকে যেখানে এখনও মুসলমান, হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলীদের জন্য কোন সরকারী ছুটি দেওয়া হয় না।

মেধায় আমাদের বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা আজ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে সুনামের সাথে নিজেরদের স্থান করে নিয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দেশ, গণতন্ত্রের প্রথম শুরু হওয়া দেশ, দুইশ বছর ভারতবর্ষ শাসন করা দেশ ইংল্যান্ড যেখানে আজ সংসদ সদস্য পদে রয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণীরা।

এছাড়াও ব্যাপক সাফল্যতায় রয়েছে কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া সহ ইউরোপের সকল দেশে। এগুলো সবই আমাদের দেশের গর্ব। কিন্তু পক্ষান্তরে আমাদের মাতৃভূমি যা আমাদের দিবে সামনে এগিয়ে চলার প্রেরণা অথচ আমরা প্রবাসীরা নিজের দেশ নিজের মাতৃভূমি নিয়ে হচ্ছি হতাশাগ্রস্ত। কিন্তু কেন? শুধুই কি নিজ কেন্দ্রিক চাহিদা মেটাতে আমাদের দেশের অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশটাকে চিড়ে চিড়ে শেষ করে দিবে?

স্বাধীনতার ৫০ বছর হয়ে গেছে তবুও কি ছাড়বে না অসাধু রাজনৈতিকরা আমাদের দেশটাকে? রাজনীতির অন্তরালে রাজনীতি বাংলাদেশে। পৃথিবীর মানচিত্রে যত উন্নত দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে তার মূলে রয়েছে রাজনীতি। তবে ঐ রাজনীতি মানুষের জন্য নিজের জন্য নয় এই বিশ্বাসেই তারা পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এছাড়াও রয়েছে মানুষের মানব অধিকার রক্ষায় অধিকতর সোচ্চার। আর পৃথিবীর যত গরিব অনুন্নত দেশগুলো রয়েছে তার মূলেই রয়েছে রাজনীতিক প্রতিহিংসা, দুনীতি ও মানব অধিকার লঙ্ঘন।

ঠিক তেমন আমাদের বাংলাদেশেও একই সমস্যা ,নাই কোন নীতি, নাই কোন শুদ্ধ রাজনীতি হচ্ছে মানব অধিকার লঙ্ঘন প্রতি পদে পদে, নাই বাক স্বাধীনতা, নাই নিরাপত্তা, নাই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, মায়া, সম্মান ও ভালোবাসা।

কিন্তু কেন? শুধু কি শিক্ষার অভাবে এই মানসিকতা? না, আমাদের দেশে তো এখন শিক্ষার হার অনেক ভালো। তাহলে সমস্যা কোথায়?

সমস্যা কোথায়? সমস্যা একটাই পেশা হিসেবে রাজনীতিক ব্যবসা চলছে খোলামেলা, ঐ দিন তথা ৭১-এর মুক্তির আন্দোলনের আবেগ তা তো খেয়ে ফেলেছে অশুভ মহল, সেই আবেগ যেই আবেগ জাগিয়েছিলও পুরোটা জাতিকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সেই সাড়া আর আমাদের ১০০ বছরেও আসবে না।

বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্তত ১ জন সংসদ সদস্যও সৎ খুঁজে পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশের মানুষ আজ বন্দি রাজনীতিক নেতাদের কাছে জানিনা সেই স্বপ্নের দেশ কবে গড়তে পারব। তবে শুনে রাখো অসাধু নেতারা কোটি কোটি যুবক এখনো বাংলাদেশসহ বহি:বিশ্বে ছড়িয়ে আছে যারা জাগবেই কোনো না কোনো দলের হয়ে।

গত কয়েক দশকে দেশ ও জাতি আশা করেছিল কয়েক জন তরুণদের কাছে তারা হয়তো একটা পরির্বতন দেশে আনতে হয়তো সক্ষম হবে কিন্তু হতাশ দেশবাসী সেই সব তরুণরাও বাণিজ্য করে নিল ও নিচ্ছে যার যার স্থান থেকে।

রাজনীতিতে শেষ বলতে কোন কথা নেই তাই যেখানেই বাধা আসবে সেখান থেকেই নতুন পথে যাত্রা শুরু হবে সৎ ও আর্দশের আলোকে। সমস্ত দেশবাসীসহ তরুণদেরকে আবারো আকুল আবেদন জানাচ্ছি আসুন আমরা সুন্দর, সুস্থ, স্বচ্ছ, পরিষ্কার রাজনীতি আমাদের দেশে চালুর উদ্যোগ নেই, যেই রাজনীতিতে থাকবে না পেশা হিসেবে রাজনীতি, থাকবে না কুখ্যাত ব্যক্তিদের ভিড়, থাকবে না রাজনীতির অন্তরালে রাজনীতি।

এখনো কি আমরা একে অপরের হিংসা, ভেদাভেদ, দণ্ডতা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি? আমরা কি হতে পারবো না মালয়েশিয়া অথবা সিঙ্গাপুরের মতো একটি দেশ ?

আমাদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কী বন্ধ করা যাবে না? আমরা কি ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাগ্রত হতে পারবো না? আরেকবার অসাধু ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদদের পিছনে ফেলে দেশ প্রেমিক, আদর্শবান রাজনীতিবিদদের সামনে নিয়ে এসে দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে কি আমরা পারবো না? যে দেশে থাকবে না ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের দণ্ড, থাকবে না রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।

আমরা পারবে, আমাদের পারতেই হবে। কারণ আমাদের প্রবীণ প্রজন্মরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, তাই আমাদের জানতে হবে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কী ছিল?

এক কথায় বলতে গেলে চেতনাটি হচ্ছে নিজের জীবন থেকে অন্যের জীবনকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া। অর্থাৎ নিজে না খেয়ে অন্যকে খাওয়ানো, নিজের শান্তিতে নয় বরং অন্যের শান্তিতে তৃপ্তি পাওয়া। যেমন- ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে মানুষ নিজে না খেয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের খাইয়েছিল, নিজে না ঘুমিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের ঘুমানোর জন্য জায়গা দিয়েছিল, নিজেদের জীবন দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন রক্ষা করেছি; আর এই হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।

সবাইকে আপন করে নিয়ে মাকে অর্থাৎ দেশকে আর সন্তানকে অর্থাৎ জাতিকে রক্ষা করতে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতিকে জাগ্রত করতে হবে ।

আজ বাংলাদেশে দুর্নীতি মিশে গিয়েছে রন্ধ্রে রন্ধ্রে। যেমন- একজন রিকশাচালক তার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে সে ততটুকুই দুর্নীতি করছে, অপরিচিত বা বহিঃগত শহর থেকে আগত যাত্রীদের ভুল পথে ঘুরিয়ে ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ। আর প্রশাসন তারা তো অনেক ঊর্ধ্বে। এরকম ঘর থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত, বাজার-ঘাট সর্বত্র দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে, যেন দুর্নীতি আজ হয়ে গিয়েছে খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশপ্রেম ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এ জাতির ভিতরে পুনরায় আসা সম্ভব না।

তারপরও এর প্রতিরোধ আমাদেরই করতে হবে, যে যার স্থান থেকে। আর এই প্রতিরোধের জন্য আরেকবার আমাদের জাগিয়ে তুলতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
(লেখক ও কলামিস্ট)

দুটি বিষয় নিয়ন্ত্রণে থাকলে এড়ানো যায় কিডনি জটিলতা

বিশ্বে প্রতি বছর সাত কোটি মানুষ কিডনি রোগে মারা যায়। বাংলাদেশে এ সংখ্যা ৪০ হাজার। অথচ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে এবং সতর্ক থাকলে কিডনির জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

এ ব্যাপারে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, কিডনি রোগের প্রধান কারণ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ। এ দুটি বিষয় নিয়ন্ত্রণে থাকলে এড়ানো যায় কিডনি জটিলতা। সতর্ক থাকলে এটাকে প্রতিরোধ, প্রতিকার করা যায়।

কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক হারুন আর রশীদ বলেন, কিডনি রোগের উপসর্গ প্রাথমিকভাবে বোঝা যায় না। যখন বোঝা যায়, তখন বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়াসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায় বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার ডা. হাসিনাতুল জান্নাত বলেন, কিডনির নানা রোগের মধ্যে অন্যতম নষ্ট হয়ে যাওয়া। আরেকটি রোগ হলো, কিডনিতে প্রোটিন চলে যাওয়া। প্রোটিন আমাদের শরীরে পেশি তৈরি ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। বেশিরভাগ প্রোটিন লিভারে তৈরি হয় এবং এর প্রাথমিক উৎস হলো খাবার।

কিডনি দিয়ে প্রোটিন যাওয়ার রোগ হলে শরীর থেকে অনেক বেশি প্রোটিন বেরিয়ে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ফলে রোগীর পায়ে পানি জমে এবং প্রেসার বেড়ে যায়। এতে শরীরের মধ্যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে কলকব্জা রয়েছে, সেগুলোর কাউন্টার অ্যাকক্টিভ (বিপরীত কাজ) শুরু হয়। এতে শরীরে অ্যালবুমিন কমতে থাকে এবং প্রেসারও বাড়তে থাকে। এতে রোগী খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অ্যালবুমিন একটি অপরিহার্য প্রোটিন উপাদান, যা টিস্যু বা কলাগুলোর স্বাস্থ্যকে বজায় রাখে। রক্তক্ষরণকে প্রতিরোধ করে এবং এটি শরীরের মধ্যে তরল, রক্ত এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টিস্যুর স্বাস্থ্যকে বজায় রাখার জন্য সঞ্চালিত হয়।

অনেকেই শুধু শরীর ফোলাকে কিডনি রোগ বা কিডনি নষ্ট হওয়া বোঝেন। কিন্তু এগুলোর আরও কিছু রোগ আছে। যেগুলোতে শরীরের প্রোটিন চলে যায়, সেসব ক্ষেত্রে শরীর ফুলে যেতে পারে। এজন্য পায়ে পানি জমলে ও প্রেসার বৃদ্ধি পেলে একজন কিডনি বিশেষজ্ঞকে দেখাতে হবে।

কিডনির রোগগুলো খুব ভালো নয়। এর চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি। সাধারণত দেখা যায়, চিকিৎসায় ৩০-৫০ ভাগ রোগী ভালো থাকেন। অনেকেই ভালো থাকেন না। অনেকেই চিকিৎসা না নিলে কিডনিই নষ্ট হয়ে যায়।

কিডনি রোগের ক্ষেত্রে অনেকেই বায়োসপি না করে চিকিৎসা করাতে চান। তবে বায়োসপি করে চিকিৎসা নেওয়া অনেক ভালো। অনেক সময় ১০-১২ বছরের বাচ্চাদের পা বা শরীর ফুলে যায়। এ নিয়ে মায়েরা অনেক চিন্তা করেন। তবে সাধারণত বাচ্চাদের বায়োসপি করা হয় না। বাচ্চারা একটু বড় হলে বায়োসপি করা হয়।

এনাল ফিশার হলে কী করবেন?

মলদ্বারের ব্যথায় অনেকেই ভুগে থাকেন। ফিশার মানে মলদ্বারে ঘা অথবা ফেটে যাওয়া। এটি দুই ধরনের হয়। তীব্র (একিউট) ফিশার হলে রোগীর মলদ্বারে অসম্ভব ব্যথা হয়। দীর্ঘস্থায়ী (ক্রনিক) ফিশারে ব্যথার তারতম্য হয়। এটি যে কোনো বয়সে হতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

এনাল ফিশার হওয়ার জন্য দায়ী সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা মলত্যাগের সময় কোত দেয়া। এ ছাড়া শক্ত মল বের হওয়ার সময় মলদ্বার ফেটে যায় বলে মনে করা হয়। যারা আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের এ সমস্যাটি কম হয় বলে মনে করা হয়। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে শাকসবজি, কাঁচা ফলমূল, আলু, ছোলা, ইসবগুলের ভূসি ইত্যাদি।

চা-কফি বা মদ খাওয়ার সঙ্গে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ঘন ঘন মলত্যাগ বা ডায়রিয়া হলে ফিশার হওয়ার আশংকা বেড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা মলদ্বারের ভেতরের চাপ মেপে দেখেছেন। ফিশারে চাপ তেমন একটা বাড়ে না যদিও আঙ্গুল দিয়ে পরীক্ষা করলে মলদ্বার অতিরিক্ত সংকুচিত বলে মনে হয়।

উপসর্গ : মলদ্বারে ফিশারের প্রধান লক্ষণ ব্যথা ও রক্তক্ষরণ। এ ধরনের ব্যথা সাধারণত মলত্যাগের অব্যবহিত পরে হয় এবং কয়েক মিনিট থেকে বহু ঘণ্টা ধরে ব্যথা চলতে পারে। ‘প্রকটালজিয়া ফুগাক্স’ নামক এক ধরনের রোগেও মলদ্বারে ব্যথা হয়, কিন্তু সে ব্যথা মলত্যাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকে না।

রক্তজমাট বাধা পাইলসেও ব্যথা হয়, কিন্তু তখন রোগী মলদ্বারে চাকা আছে বলে অভিযোগ করে। এই রোগে রক্তক্ষরণের পরিমাণ সাধারণত কম। কারও কারও অতিরিক্ত রক্ত যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী (ক্রনিক) এনাল ফিশারের রোগী একটু ভিন্ন ধরনের উপসর্গের কথা বলে। তারা কখনও কখনও তাদের মলদ্বারে অতিরিক্ত মাংসপিণ্ড, পুঁজ পড়া, চুলকানি অথবা এসব একত্রে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

এ ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। ব্যথা সাধারণত তীব্র হয় না অথবা অনেক সময় ব্যথা থাকেই না। ফিশারের রোগীরা অনেক সময় প্রস্রাবের সমস্যায় ভোগেন এবং মহিলারা কখনও কখনও শারীরিক মিলনে বেদনা অনুভব করেন; যদিও রোগীরা বুঝতে পারেন কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণেই এমন হয়েছে তবুও যখন ব্যথা শুরু হয় তখন রোগী ভয়ে টয়লেটে যেতে চান না এবং মলত্যাগের বেগ হলে তাতে ব্যথার ভয়ে সাড়া দিতে চান না।

তীব্র ব্যথা সম্পন্ন ঘা (একিউট ফিশার) : এ সময় মলদ্বার পরীক্ষা করলে দেখা যায় সেটা খুবই সঙ্কুচিত অবস্থায় আছে। তীব্র ব্যথার কারণে মলদ্বারের ভেতরের ঘা-টি দেখা দুঃসাধ্য। কোনো যন্ত্রও প্রবেশ করানো যায় না। অবশ্য সরু যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করা যায়।

দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা সম্পন্ন ঘা (ক্রনিক ফিশার) : এ ক্ষেত্রে একটি মাংসপিণ্ড বা ‘গেজ’ দেখা যায়। মলদ্বারের ভেতরেও একটি মাংসপিণ্ড (ঐুঢ়বৎঃৎড়ঢ়যরবফ ধহধষ ঢ়ধঢ়রষষধ) দেখা যেতে পারে যাকে অনেকে টিউমার বলে ভুল করে। এ ক্ষেত্রে পায়ুপথের ভেতর যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করা উচিত যাতে টিউমার বা প্রদাহজনিত কারণ চিহ্নিত করা যায়। এ ফিশার সংক্রমিত হয়ে কখনও কখনও ফোঁড়া দেখা দিতে পারে এবং তা থেকে ফিস্টুলা (ভগন্দর) হয়ে পুঁজ পড়তে পারে।

প্রতিরোধ : কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে ব্যবস্থা করা উচিত এবং বেশি শক্তি প্রয়োগ করে মলত্যাগ করা উচিত নয়। বারে বারে মলত্যাগের অভ্যাস ত্যাগ করা এবং ডায়রিয়ায় দ্রুত চিকিৎসা করা উচিত।

চিকিৎসা : একিউট ফিশার শুরুর অল্পদিনের মধ্যেই চিকিৎসা শুরু হলে বিনা অপারেশনে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। সিজ বাথ নিলে উপকার হয়। এটির নিয়ম হচ্ছে আধ গামলা লবণ মিশ্রিত হালকা গরম পানির মধ্যে নিতন্ব ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হয়। স্থানিক অবশকারী মলম ব্যবহারে উপকার পাওয়া যায়। এতে যদি পুরোপুরি না সারে এবং রোগটি যদি বেশি দিন চলতে থাকে তাহলে অপারেশন ছাড়া ভালো হওয়ার সম্ভাবনা কমতে থাকে।

সার্জিক্যাল চিকিৎসা : মলদ্বারের মাংসপেশির সম্প্রসারণ করা (এনাল ডাইলেটেশন)-এ পদ্ধতিটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য বেশির ভাগ সার্জন এটির বিপক্ষে। এ পদ্ধতির জন্য কোনো কোনো রোগীর মল আটকে রাখার ক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে।

মলদ্বারের স্ফিংটারে অপারেশন : এই অপারেশনে মলদ্বারের অভ্যন্তরীণ স্ফিংটার মাংশপেশিতে একটি সূক্ষ্ম অপারেশন করতে হয়। অজ্ঞান করার প্রয়োজন নেই। দুই দিনের মধ্যেই রোগী বাড়ি ফিরে যেতে পারেন। অপারেশনের তিনদিন পর স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেন।

অফিসার নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

জনবল নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ‘অফিসার (এক্স ক্যাডার গ্রন্থাগার)’ পদে চারজনকে নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: অফিসার (এক্স ক্যাডার গ্রন্থাগার)

পদ সংখ্যা: ৪ জন

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্টে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অথবা গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞানে তিন বছর মেয়াদি স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। এ ছাড়া পদটিতে আবেদনের বিস্তারিত দেখা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

বেতন: ১৬,০০০/- থেকে ৩৮,৬৪০/-

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তারিখ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে; প্রতিবন্ধী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন, https://erecruitment.bb.org.bd/

আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

বঙ্গবন্ধুর দর্শন এখন বহুমাত্রায় অনুশীলন হচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, বিগত শতকের ষাটের দশক ছিল বাঙালির সোনালি সময়। এ সময়ে মানুষ নিজেকে গড়ে তুলেছে। নিজেকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট খুনিচক্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করলেও তার আদর্শ মুছে ফেলতে পারেনি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার দর্শন এখন বহুমাত্রায় অনুশীলন হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাওয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যান্ড হিজ লিগ্যাসি’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনার শুরু হয়েছে। রোববার উদ্বোধনী দিনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান এসব কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক জন-ইতিহাস ইনস্টিটিউট এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইন্সটিটিউটের যৌথ আয়োজনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় দুই দিনব্যাপী এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার হলে।

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার চিন্তাভাবনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের জন্য সরকার উৎপাদনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বর্তমানে বৈশ্বিক অর্জনের দিকে সরকার মনোযোগী হয়েছে। একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসার জন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, বাঙালির জাতিসত্তায় বঙ্গবন্ধু ওতপ্রোতভাবে মিশে আছেন। বঙ্গবন্ধুকে আঁকড়ে ধরে বাঙালি দুঃসময় অতিক্রম করে সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখেছে।

অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে ভারতের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার বলেন, খুনিচক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারলেও তার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু চিরঞ্জীব হয়ে আছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক জন-ইতিহাস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট এবং সেমিনারের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ফিরে দেখার জন্য, তাকে মূল্যায়ন করার জন্য এবং বঙ্গবন্ধুকে বহুমাত্রিকভাবে দেখবার জন্য এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনারের যুগ্ম আহবায়ক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. এটিএম আতিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন- ভারতের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর টেকনিক্যাল সেশনে দেশ-বিদেশের শিক্ষক, গবেষকরা তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এদিকে যথাসময় ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে সেমিনারে অংশ নেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তবে এ সেমিনারের উদ্বোধন করার কথা ছিল উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের। কিন্তু তিনি সেমিনারে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে অনলাইনে উপস্থিত হয়ে দায় সেরেছেন।

এ নিয়ে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চের পর ভিসি কখনো সশরীরে অফিস করেননি।

জাতির পিতাকে নিয়ে এমন একটি তাৎপর্যপূর্ণ সেমিনারে ভিসি কেন সশরীরে উপস্থিত হননি- এ বিষয়ে জানতে ভিসিকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে উপাচার্যের অফিসের কর্মরত একজনের কাছে ভিসি অসুস্থ কিনা জানতে চাইলে অসুস্থতার প্রশ্ন এড়িয়ে তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘ভিসি তো মনে হয় অনলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন। তিনি বের হবেন কিনা সেটাও আমি জানি না।’

নিউইয়র্কে ডাবিং নিয়ে ব্যস্ত শাকিব খান

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গলুই ছবির ডাবিং নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে নায়ক শাকিব খানের। একটানা শিডিউল দিয়ে গলুই ছবির কাজ শেষ করেছেন শাকিব। এসএ হক অলীক পরিচালিত ‘গলুই’ এ বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা। শাকিব খানের ক্যারিয়ারেও উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে ছবিটি- এটি শুধু দর্শক নয়, বিশ্বাস করেন শাকিব খানও।

গলুইয়ের শুটিং শেষ করে ১২ নভেম্বর নিউইয়র্কে এসেছিলেন নায়ক শাকিব খান। চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে অংশ নেওয়ার পর প্রায় একমাস ধরে নিউইয়র্কেই অবস্থান করছেন তিনি। সহসা ফিরবেন- এমন সম্ভাবনাও নেই।

এদিকে গলুইয়ের অন্য শিল্পীদের ডাবিং শেষ। বাকি ছিল কেবল শাকিব খানের ডাবিং। ওদিকে মুক্তির দিনও ঘনিয়ে আসছে। তাই ডাবিং নিতে শিল্পীর কাছেই ছুটলেন নির্মাতা। নিউইয়র্কের একটি স্টুডিওতে গতকাল গলুইয়ের ডাবিং করেছেন শাকিব খান। এ সময় সঙ্গে ছিলেন নির্মাতা অলীক।

নির্মাতা জানিয়েছেন, আর দু-একদিনের মধ্যেই শাকিব খানের ডাবিং শেষ হয়ে যাবে। কাজ শেষ করে ১৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার কথা আছে অলীকের। আগামী জানুয়ারিতে তিনি শুরু করবেন নতুন ছবি ‘যোদ্ধা’র শুটিং।

নির্মাতা ফিরলেও শাকিব খানের দেশে ফিরতে আরও সময় লাগবে। ইতোমধ্যে নিউইয়র্কে বসে নতুন ছবি সাইন করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রেই হবে সেটির শুটিং। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক মাস দেশে কোনো সিনেমার সেটে পাওয়া যাবে না শাকিবকে।

গলুই ছবির প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু জানিয়েছেন, এ বছরই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। সম্ভব না হলে আগামী বছরের কোনো বড় উৎসবে দেখা যাবে গলুই।

বিয়েতে যেসব প্রথা ভাঙলেন ক্যাটরিনা

আলোচিত বলিউড জুটি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের বহুল আলোচিত ও চর্চিত বিয়ে শেষ হলেও হয়ে গেছে তার রেশ। বলি পাড়া থেকে শুরু করে গণমাধ্যমগুলোতে এই রাজকীয় বিয়ে নিয়ে চলছে তুমুল চর্চা। তবে শুধু সাজগোজ, পোশাক কিংবা বিয়ের খাবারদাবার নয়, বিয়েতে এক অনন্য নজির গড়েও আলোচনায় এসেছেন ক্যাটরিনা।

নিজের বিয়েতে লিঙ্গবৈষম্য মুছে দিয়ে দারুণ এক সমতার বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাটরিনা তার ইনস্টাগ্রামে পর্যায়ক্রমে তার বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন। সোমবার তার পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, বোনদের সঙ্গে বিয়ের আসরে আসছেন ক্যাট। দীর্ঘদিন চলে আসা প্রথা অনুযায়ী, কনের মাথার উপরে ফুলের চাদর ধরেন তার ভাইয়েরা। ক্যাটরিনা সেই প্রথা ভেঙে বিয়ের আসরে এসেছেন তার বোনেদের হাত ধরে।

৯ ডিসেম্বর সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের তৈরি পোশাকে সেজে ক্যাটরিনা পা রেখেছিলেন বিয়ের মণ্ডপে। ক্যাটকে ঘিরে ছিলেন তার পাঁচ বোন। ক্যাটরিনার সব বোনের পরনে ছিল হালকা গোলাপি রংয়ের লেহেঙ্গা। তাদের হাতে ধরা ছিল ফুলের চাঁদোয়া।

ছবি ক্যাপশনে ক্যাটরিনা নিজেও লিখেছেন, বোনেরাই তার শক্তি।

তবে ক্যাটরিনা অবশ্য আরও এক জায়গায় প্রচলিত ধারায় বাইরে পা রেখেছেন। মেয়েরা সাধারণত তাদের চেয়ে বয়সে বড়, প্রতিষ্ঠিত কাউকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন। কিন্তু ক্যাটরিনা তার চেয়ে বয়সে ৫ বছরের ছোট, তুলনায় কম জনপ্রিয় ভিকিকে তিনি হাসিমুখে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ক্যাটরিনাকে যেসব উপহার দিলেন সাবেক দুই প্রেমিক

ভিকি কৌশলের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেছে ক্যাটরিনা কাইফের। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলেও আলোচনা থেমে নেই। বিয়েতে এ অভিনেত্রীর সাবেক দুই প্রেমিক সালমান খান ও রণবীর কাপুর যা উপহার দিলেন তা নাকি ভিকিকেও ছাপিয়ে গেছে!

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড লাইফ এ তথ্য জানায়।

জানা যায়, ক্যাটরিনাকে ভিকির দেওয়া বাগদানের আংটির দাম ১.৩ কোটি টাকা। কিন্তু এ অভিনেত্রীর সাবেক দুই প্রেমিক যেসব উপহার দিয়েছেন তার কাছে নাকি এ আংটির দাম একেবারেই কম।

সালমান খান নতুন এ দম্পতিকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন ৩ কোটি টাকা দামের গাড়ি। আর অপর প্রেমিক রণবীর দিয়েছেন ২.৭ কোটি টাকা দামের হিরের নেকলেস!

এর পর বাকি রইল অভিনেত্রীর অন্য অভিনেতা বন্ধুদের উপহার। আলিয়া ভাট উপহার হিসেবে দিয়েছে লাখ টাকার সুগন্ধি! অনুশকা শর্মা দিয়েছেন ৬.৪ লাখ টাকা দামের হিরের কানের দুল।

ঘর সাজাতে জুড়ি নেই শাহরুখ খানের। তিনি উপহার দিয়েছেন দেড় লাখ টাকা দামের মূল্যবান পেন্টিং।

পিছিয়ে নেই হৃতিক রোশনও। তিনি দিয়েছেন ৩ লাখ টাকা দামের দ্বিচক্র যান।

তাপসী পান্নু ভিকিকে দিয়েছেন ১.৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি প্ল্যাটিনাম কবজিবন্ধ।