শুক্রবার ,১৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 571

সব মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি লটারির মাধ্যমে

দেশের সরকারি ও বেসরকারি সব মাধ্যমিক স্কুলে এখন থেকে লটারির মাধ্যমে ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে এবং তদবির বন্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রোববার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা জানান।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির ডিজিটাল লটারির উদ্বোধন করেন দীপু মনি।

করোনার মধ্যে গত বছর মহানগরীতে মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী লটারি করে ভর্তি করা হয়েছিল। বিষয়টি প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটা যেহেতু চালু হয়েছে, প্রতি বছরই এটা থাকবে। গত বছর করা হয়েছিলে মহানগরে। এবার জেলা পর্যায়ে লটারি করা হয়েছে। উপজেলাগুলো লটরির আওতায় আনিনি। আগামীতে সব প্রতিষ্ঠান লটারির আওতায় আসবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে আগে আমরা যা দেখতাম, সেটা ভর্তিযুদ্ধ। এই রকম যুদ্ধ থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। যেসব নেতিবাচক চর্চাগুলো রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে ইতিবাচক চর্চার চেষ্টা করছি।’

তিনি মনে করেন, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা শিশুদের ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ তৈরি করে। ফলে একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এর মধ্যে একটি অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক রকম তদবিরের চাপ থাকে। এসব বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির ফলে কোচিং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে দাবি করে শিক্ষমন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলে ভর্তিযুদ্ধ তো হয়ই, আমাদের ওপরও যুদ্ধ চলে আসে। সবকিছু পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে যদি স্কুলে ভর্তি হতে হয়, তাহলে স্কুলের কৃতিত্বটা কী? কম নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে সে বেশি নম্বর পেলে সেটাই শিক্ষকের কৃতিত্ব।’

সব খরচ নিয়োগকর্তার, মালয়েশিয়ায় যেসব সুবিধা পাবেন বাংলাদেশি শ্রমিকরা

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রম বাজার নিয়ে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ চুক্তিতে সই করেন।

রোববার (১৯ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরে এ চুক্তি সই হয়। এ সময় উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রান্তের সব খরচ নিয়োগকর্তা বহন করবেন।

যেমন রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়োগ, মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া, তাদের আবাসন, কর্মে নিয়োজিত করা এবং কর্মীর নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ বহন করবেন। নিয়োগকর্তা নিজ খরচে মালয়েশিয়ান রিক্রুটিং এজেন্ট নিযুক্ত করতে পারবেন।

এতে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় আসার পর বাংলাদেশি কর্মীর ইমিগ্রেশন ফি, ভিসা ফি, স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ, ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত খরচ, করোনা পরীক্ষার খরচ, কোয়ারেন্টিন–সংক্রান্ত খরচসহ সব ব্যয় মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি বহন করবে। নিয়োগকর্তা কর্মীর মানসম্মত আবাসন, বিমা, চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করবেন।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং প্রত্যাবাসনে আদর্শ কাঠামো প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মসংস্থান একটি অন্যতম সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং পারস্পরিকভাবে উপকারী বলে উভয় দেশ বিশ্বাস করে।

দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া। সব সেক্টরে কর্মী নেওয়ার অনুমোদন দেয় দেশটির মন্ত্রী পরিষদ।

বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি। চুক্তি সই সম্পন্ন হওয়ায় এসব খাতে বাংলাদেশি কর্মীরা দেশটিতে যেতে পারবে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার চেষ্টা বারবার ব্যাহত করেছে ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি। তাদের তৈরি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে এ বাজার দখলের চেষ্টায় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এটি বন্ধ হয়ে যায়।

ওই সময় প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ করে দেয় দেশটি।

জানা গেছে, আগের চেয়ে এবারের সমঝোতা স্মারকে বেশকিছু বিষয়ে পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জিটুজি প্লাস পদ্ধতি উল্লেখ থাকছে না; যুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সি; থাকছে কর্মীদের বাধ্যতামূলক বিমা; কর্মীদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা ও খরচ বহন করবে নিয়োগদাতা; চুক্তি মেয়াদে কর্মীদের দায়িত্ব নিতে হবে মালয়েশিয়ার রিক্রুটিং এজেন্সিকেও; বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত।

চমক দেখাল বাংলাদেশি পাঁচ কিশোর

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ২০০৭ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে। আইওএএ -এর লক্ষ্য সারা বিশ্বের তরুণ শিক্ষার্থীদের জ্যোতির্বিদ্যা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহী করে তোলা। বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু ২০১৮ থেকে। সে বছর আইওএএ-এর অনুমতিক্রমে জাতীয় অলিম্পিয়াড কর্তৃপক্ষ হিসাবে বাংলাদেশ দল নির্বাচনের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ অলিম্পিয়াড অন অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স কমিটি (বিডিওএএসি)।

এবার ছিল আইওএএ-এর ১৪তম আসর। কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটাতে এটি অনুষ্ঠিত হয়। আট দিনব্যাপী (১৪-১৯ নভেম্বর) চলা এ আয়োজনে বিশ্বের ৫৩টি দেশ থেকে বাছাইকৃত প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকেও অংশ নেয় পাঁচ শিক্ষার্থী। রাজধানীর নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী তূর্য রায় ও ইমদাদুল্লাহ রাজি, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সৈয়দ শাফাত মাহমুদ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের আদনান বিন আলমগীর এবং সিলেটের মুরারি চাঁদ কলেজের শিক্ষার্থী জাকিয়া তাজনুর চৌধুরী। এর মধ্যে আদনান বিন আলমগীর গড়েন এক অনন্য কীর্তি। সবাইকে চমকে দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানে ব্রোঞ্জপদক জয় করেন। এ ছাড়া দলের বাকি সদস্যরা সম্মানসূচক পুরস্কার লাভ করেন। নিজের অর্জন, অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে একরাশ উচ্ছ্বাস দেখা গেল আদনানের চোখে মুখে। তার মতে, ব্যক্তিগত কোনো পাওয়া নয়, এ অর্জন দেশ ও দশের। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, এটি ছিল সত্যিই জীবনের মোড় ঘুরানো এক অভিজ্ঞতা। এ সময়ের অনুভূতি রূপকথার গল্প থেকে কোনো অংশে কম নয়।

বাংলাদেশ জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে তিনটি ধাপে সূক্ষ্ম মাপকাঠিতে প্রতিযোগীদের বিচার করা হয়।

এবার বছরের শুরুর দিকে ৪র্থ বাংলাদেশ জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের স্থানীয় কার্যক্রম শুরু হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক এ আয়োজনে প্রথম রাউন্ডে অংশগ্রহণ করে ৪০০-এর অধিক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী। সেখান থেকে ১২০ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল রাউন্ড। এরপর ৩৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গত জুনে শুরু হয় ক্যাম্প। যেখানে বিডিওএএ-এর অভিজ্ঞ এস্ট্রোনমি ট্রেইনারদের সহযোগিতায় শুরু হয় প্রবলেম সলভিং এবং অনুশীলনের পালা; জ্যোতির্বিজ্ঞানের হাতেখড়ি থেকে কীভাবে স্কুল-কলজের জ্ঞান দিয়ে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন ঘটনার ব্যাখ্যা করতে হয় তা শেখানো হয় শিক্ষার্থীদের। ন্যাশনাল ক্যাম্পের দেড় মাসের ক্লাসের পর চূড়ান্ত ১৫ জন সুযোগ পায় এক্সটেন্ডেড ক্যাম্পে অংশগ্রহণের। দুই মাস এ ক্যাম্পে তারা শিখে জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের সব উচ্চতর বিষয়। সেপ্টেম্বরে শেষ পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করা হয় পাঁচ প্রতিযোগীকে, যারা ১৪তম আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পায়। উল্লেখ্য, কোভিড বিবেচনায় প্রায় পুরো আয়োজনই এবার অনলাইনে সম্পন্ন হয় এবং সর্বশেষ পর্যায়ে প্রতিযোগীরা আইইউবির (ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ) কম্পিউটার ল্যাব থেকে অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

এবারের আসরে বাংলাদেশ দলের টিম লিডার হিসাবে ছিলেন সাবেক আইওএএ প্রতিযোগী ও ফাহিম রাজিত হোসেন ও মোঃ মাহমুদুন্নবী। ২০১৮ থেকে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা। অন্যদের মধ্যে পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে অর্ণব চৌধুরী এবং সুপারভাইজার হিসাবে নূর মোহাম্মদ ইমরান ও হাসনাত মোহাম্মদ নাঈম সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

থার্ড পার্টি অ্যাপস ব্লক হোয়াটসঅ্যাপে

মেটার মালিকানাধীন মেসেজিং প্ল্যাটফরম হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়। সম্প্রতি প্ল্যাটফরমটিতে আসছে বিভিন্ন ধরনের নতুন ফিচার। এ নতুন ফিচারের মাধ্যমে সেসব অ্যাপস ব্লক করে দেওয়া হবে, যাদের ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপের লাস্ট সিন এবং অনলাইন স্টেটাস চেক করা হয়। হোয়াটসঅ্যাপ প্রাইভেসি বজায় রাখার জন্য ব্লক করতে চলেছে এ ধরনের সব থার্ড পার্টি অ্যাপস।

ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব থার্ড পার্টি অ্যাপস হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীদের সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করে। এর জন্য ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়ার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্লক করে দেবে এসব থার্ড পার্টি অ্যাপস। হোয়াটসঅ্যাপ অনেক আগে থেকেই তাদের ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফিচার লঞ্চ করেছে। হোয়াটসঅ্যাপ ওয়ার্কিং প্রফেশনালদের জন্য লঞ্চ করেছে গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। যার মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে গোপন করে রাখতে পারবে লাস্ট সিন ইনফরমেশন। হোয়াটসঅ্যাপ প্রথমে এ ফিচার বেটা ভার্সনের জন্য চালু করলেও, বর্তমানে এ ফিচার সব হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্য চালু করা হয়েছে।

শীতকালে কানটুপি পরে সিজদা দিলে নামাজ আদায় হবে কি?

প্রশ্ন: শীতকালে আমাদের এলাকায় কানটুপি পাওয়া যায়, যা পরিধান করলে সাধারণত কপাল ঢেকে যায়। প্রশ্ন হলো— কানটুপি পরে কপাল ঢাকা অবস্থায় সিজদা করলে সিজদা আদায় হবে কি?

উত্তর: টুপি ইত্যাদি দ্বারা কপাল আবৃত অবস্থায় সিজদা করা অনুত্তম। নাফে (রহ.) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) পাগড়ির পেঁচ (কপাল থেকে) না সরিয়ে তার ওপর সিজদা করা অপছন্দ করতেন। (আলআওসাত ৩/৩৪৩)

ইবরাহিম নাখায়ি (রহ.) বলেন, (সিজদার সময়) কপাল খুলে রাখা আমার কাছে বেশি পছন্দনীয়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস: ২৭৭৬)

তাই নামাজের আগে এ ধরনের টুপি কপাল থেকে সরিয়ে নেওয়া উচিত। অবশ্য এভাবে সিজদা করলেও তা সহিহ হবে এবং নামায আদায় হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র: আদ্দুররুল মুখতার ১/৫০০; শরহুল মুনইয়াহ ২৮৬-২৮৭; আলমুহিতুল বুরহানি ২/৮৩; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৫৯

ঢাকায় আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন ২৪ ডিসেম্বর

রাজধানী ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

কুরআন তিলাওয়াত সংস্থা ইক্বরার উদ্যোগে ওই ক্বিরাত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহন করবেন মিসরের বিশ্ববিখ্যাত ক্বারী শাইখ ত্বহা আন-নো’মানী, ইরানের বিখ্যাত ক্বারী হামেদ আলীযাদেহ, আফগানিস্তানের প্রখ্যাত ক্বারী আলী রেযা রেযায়ী এবং ফিলিপাইনের প্রখ্যাত ক্বারী নাযীর আসগর।

সম্মেলন শুরু হবে সকাল ৯টায়। আসরের পূর্ব পর্যন্ত তিলাওয়াত করবেন আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থা (ইক্বরা) এর সদস্য এদেশের শীর্ষস্থানীয় ক্বারীগণ এবং মা’হাদুল ক্বিরাত বাংলাদেশের দেশি এবং বিদেশি ছাত্ররা। আসরের পর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মেলনের মূল পর্ব আরম্ভ হবে।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন ইক্বরার সভাপতি ও বিশ্বখ্যাত বাংলাদেশের ক্বারী শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল-আযহারী।

বাংলাদেশে শ্রম অভিবাসনের জন্য প্রয়োজন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন

প্রতি বছর বাংলাদেশে থেকে ৪ লক্ষাধিকেরও বেশি মানুষ শ্রম অভিবাসনের জন্য বা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে যায় (আইএলও)। কাজেই তাদের সমস্যাগুলোর ওপর নজর দেওয়া জরুরি।

জাতিসংঘের সব সদস্যভুক্ত দেশ ১৮ ডিসেম্বর “আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস” হিসেবে পালন করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯০ সালের এই দিনে সব অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক কনভেনশনের ওপর এই প্রস্তাবটি পাশ করে।

বিশ্বব্যাপী মানব অভিবাসন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- ভৌগোলিক অঞ্চল ভেদে স্থায়ীভাবে বা অস্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের অভিপ্রায়ে মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বলেন, শ্রম-অভিবাসন বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আমাদের অভিবাসী কর্মীরা দেশের জন্য আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স, অবদান রাখছেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে। অপরদিকে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে তারা দেশের সুনাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার অভিবাসন ব্যবস্থায় সুশাসন, গুণগত মানসম্পন্ন বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকেরা দেশ থেকে শুরু করে নানা পর্যায়ে, নানা ধরনের শোষণ, বঞ্চনা, প্রতারণা, লাঞ্ছনা ও হয়রানির শিকার হন। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়া বাংলাদেশি অভিবাসন প্রত্যাশীদের অনেককেই জীবন বা সম্পদ বাজি রেখে বিদেশে পাড়ি জমাতে হয়। অভিবাসন, অভিবাসী ও তাদের পরিবার পরিজনকে নিয়ে হৃদয় ছোয়া অনেক প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়।

অভিবাসন ও অভিবাসীদের সেবা ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করার কোনো দৃশ্যমান প্রবণতা নেই। নেই সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহের একসাথে কাজ করার কোনো টেকসই উদ্যোগ। বাংলাদেশে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনে সরকারের নানাবিদ প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত করা উচিত।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো অভিবাসীদের নিয়ে তথ্যনির্ভর কোন সিদ্ধান্ত নিতে প্রায়শ সহায়ক হয়ে থাকে। তা সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকম চটকদার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে অনেক সময় অভিবাসন প্রত্যাশীদের প্রতারণা করার ও খবর পাওয়া যায়। নিয়মতান্ত্রিক, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য বাংলাদেশে একটি যুগোপযোগী আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

বৈশ্বিক শ্রমবাজারে কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় অনেক অভিবাসী ইতোমধ্যে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন এবং অনিশ্চিত জীবনযাপন করেছেন। তাদের চাহিদা নিরূপণ করে পুনর্বাসনের জন্য জুরুরি কিছু কার্যক্রম নেওয়া দরকার।

বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা নাগরিক ঝামেলার বিষয় হতে পারে। যার কারণে নিজ বাড়ি থেকে সরে যাওয়া ব্যক্তি বা বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি হিসাবে তাদের বর্ণনা করা যেতে পারে বা নিজ দেশে অভ্যন্তরীণ ভাবে ও বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি হতে পারে কেউ কেউ । যে ব্যক্তি অন্য দেশে আশ্রয় চায় সে যদি স্বদেশ ত্যাগের কারণ হিসেবে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনো ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়, তাহলে সে দেশে আশ্রয় চাওয়ার একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে পারে যাকে সাধারণত আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বর্ণনা করা হয়। যদি এ ধরনের আবেদনটি সফল হয় তবে ওই ব্যক্তির আইনগত মর্যাদা হয় শরণার্থীর মতো। সাধারণত এ চলাচল প্রায়শই দীর্ঘ দূরত্বে এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে ঘটে থাকে। তবে অভ্যন্তরীণ অভিবাসন প্রকৃতপক্ষে এটি বিশ্বব্যাপী মানব অভিবাসনের প্রভাবশালী একটি রূপ।

বৈশ্বিক প্রায় ৫০০টি দেশের আইওএমের অফিস এবং সাব-অফিস রয়েছে। সরকারি, আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় নাগরিক সমাজের অংশীদারদের দ্বারা মাইগ্রেশন সংক্রান্ত ইভেন্টগুলো সংগঠিত হয়। তাদের সমর্থিত বৈশ্বিক ইভেন্টটি মাইগ্রেশন থিম, সামাজিক সংহতি, মর্যাদা, শোষণ ও অভিবাসনের জন্য নির্দেশিত সংহতির বিস্তৃত পরিসরে পরীক্ষা করে। এই নীতির দ্বারা যে মানবিক এবং সুশৃঙ্খল অভিবাসন যা সমাজকে নানাভাবে উপকার করে।

স্পেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিজয় দিবস উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর শুভক্ষণে এবারের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান দুটি পর্বে ভাগ করে উদযাপন করা হয়।

প্রথম পর্ব শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টায়। দূতাবাসের সব সদস্যের উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ এনডিসি। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ২য় পর্ব শুরু হয় বিকাল ৬টায়। এ বছর মহান বিজয় দিবস উদযাপনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ পাঠ।

নতুন প্রজন্মসহ সর্বস্তরের জনগণকে জাতির পিতার আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে দূতাবাসে উপস্থিত সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে- দূতালয়প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মণ্ডল, কমার্শিয়াল কউন্সিলর রেদোয়ান আহমেদ, প্রথম (সচিব শ্রম) মুতাসিমুল ইসলাম, কউন্সিলর দীন মোহাম্মদ ইনামুল হক।

আলোচনা সভায় বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলার ওপর স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশি সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন- স্পেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এস আর আইএস রবিন ও সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, সহ-সভাপতি একরামুজ্জামান কিরণ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েসন ইন স্পেনের সাধারণ সম্পদক কামরুজ্জামান সুন্দর, স্পেন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাহাদুল সুহেদ, স্পেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান দিদার, আজম কাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল কামালী, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট তারেক হোসাইন বেলাল আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা হানিফ মিয়াজী এবং দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, সেখানে কবিতা আবৃত্তি, দেশের গান ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং অতিথিদের রাতের খাবারের আপ্যায়ন করা হয়।

মানসিক চাপ কমাবেন যেভাবে

মন ভালো থাকলে শরীরও ভালো থাকে। দীর্ঘমেয়াদে অবসাদ, ক্লান্তি ও একঘেয়ে জীবন চাপ সৃষ্টি করে মনের ওপর। আবার পারিপার্শিক অবস্থার কারণেও অনেক সময় মানসিক চাপ তৈরি হয়। এই চাপ দীর্ঘসময় বয়ে বেড়ালে বড় বিপদ হয়ে যেতে পারে।

মানসিক চাপ থেকেই রক্তচাপে হেরফের দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে হৃদরোগের কারণও মানসিক চাপ।

মানসিক চাপ কাটানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন।

* প্রথমত জানতে হবে মানসিক চাপের কারণে যেসব লক্ষণ দেখা দেয় তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য, আমাদের নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয় এবং এটি প্রাকৃতিক ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এতে ঘাবড়ে গেলেই বিপদ। তাই মানসিক চাপ তাৎক্ষণিক মোকাবিলা করার মনোবল রাখতে হবে। কেউ দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়, সেগুলো শনাক্ত করতে হবে এবং সেগুলোর ক্ষতিকারক প্রভাব কমানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

* দ্বিতীয়ত যেসব সমস্যার কারণে মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে যেসব সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করতে হবে। সেক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করে ধীরস্থির হয়ে, বিচক্ষণতার সঙ্গে সমস্যার সমাধান করতে হবে। প্রয়োজনে পেশাদার কারো সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

* শ্বাসের ব্যায়াম করতে হবে। শরীর প্রশান্ত করতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী পদ্ধতি। নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রেখে মুখ দিয়ে ছাড়তে হবে। এ প্রক্রিয়া চলাকালীন সম্পূর্ণ মনোযোগ শ্বাস-প্রশ্বাসের গতিবিধির ওপর দিতে হবে। ১০ মিনিট করে দৈনিক ৩/৪ বার এই ব্যায়ামটি করতে হবে।

* মেডিটেশন মনে প্রশান্তি আনে। মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন মানুষকে অপ্রয়োজনীয় চিন্তা থেকে সরিয়ে কাঙিক্ষত লক্ষ্যে মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে, ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে ভাবতে শেখায়, নিজেকে ক্ষমা করতে শেখায়, নিজেকে জানতে এবং ভালোবাসতে শেখায়। মেডিটেশন মাংসপেশিকে শিথিল করে।

* নির্দিষ্ট সময়ে, নিয়মিত ৪৫ মিনিট বিভিন্ন প্রকার শরীরচর্চা যেমন- হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো ইত্যাদি করলে মস্তিষ্ক এন্ডরফিন নামক একপ্রকার হরমোন নিঃসরণ করে যা শরীরকে উদ্দীপ্ত রাখে, কাজ করার শক্তি জোগায়।

* নিয়মিত, পর্যাপ্ত ঘুম শরীর এবং মনের ক্লান্তি দূর করে, শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলোকে সচল রাখতে সহায়তা করে।

* যাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকে, প্রয়োজনে পাশে থাকার সঙ্গী থাকে, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় থাকে তাদের ওপর মানসিক চাপের নেতিবাচক প্রভাব খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না। কারণ তাদের অক্সিটোসিন হরমোন বেশি নিঃসরণ হয়, যা উদ্বেগ কমায় এবং মনকে শান্ত রাখে। তাই সুস্থ থাকতে হলে প্রকৃত বন্ধুর সংখ্যা বাড়াতে হবে, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে হবে। যদি ঘনিষ্ঠ কারও সঙ্গে সমস্যা তৈরি হয় এবং তা মানসিক চাপের কারণ হয় তাহলে সেই সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে চেষ্টা করতে হবে।

* আমরা অনেকেই হয়তো যেভাবে জীবনকে পরিচালিত করতে চাই, জীবনে যতটা সফল হতে চাই তা হতে পারি না। সেক্ষেত্রে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার মতো দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে হবে, অন্যকে এবং নিজেকে ক্ষমা করার জন্য গুণাবলী অর্জন করতে হবে। জীবনের যে কোনো অবস্থায় নিজেকে ভালোবাসতে হবে। নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

* নিয়মিত, পরিমিত পরিমাণে সুষম খাদ্য খেতে হবে। ফল, শাক-সবজি, প্রোটিন বেশি করে খেতে হবে। পানি প্রচুর পরিমাণে পান করতে হবে। তেলে ভাজা, ঝাল, শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার, সিগারেট, কফি, এলকোহল ইত্যাদি যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে।

* নিয়মিত প্রার্থনা ও দোয়া-দরুদ ধর্মপ্রাণ মানুষের মনোবল বাড়ায়, মনে শান্তি আনে।

* বই পড়ে, গান শুনে, বাগান করে বা অন্য কোনো শখের কাজ করে এ কেউ কেউ মানসিক চাপমুক্ত হতে পারেন।

* সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে হবে। কখনও কখনও নিজের ইচ্ছাকে দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করতে হবে।

অফিসার নেবে মধুমতি ব্যাংক

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মধুমতি ব্যাংক লিমিটেড। এতে প্রকিউরমেন্ট বিভাগে ‘অফিসার’ পদে লোক নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: অফিসার (প্রকিউরমেন্ট)
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৩ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান
বয়স: অনির্দিষ্ট
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের ঠিকানা— https://career.modhumotibank.net/JobCircular/JobDetails?jobId=8lvooZYXrbDlcVc9Trn+WA==

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২২