রবিবার ,১৬ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 404

ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণের সময় বেঁধে দিল রাশিয়া

ইউক্রেনের খারকিভসহ বিভিন্ন শহরে চলছে তীব্র লড়াই। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মারিওপোলে ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণের জন্য স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে রাশিয়া। আর রাশিয়াকে মোকাবিলায় ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেছে তুরস্ক।

রোববার জেলেনস্কি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের খারকিভ শহরে দেশটির সেনাবাহিনী ও রুশ বাহিনীর মধ্যে চলমান তীব্র লড়াইয়ের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। খবর বিবিসির।

ওই ভিডিওতে মলদোভা সীমান্তের কাছাকাছি রাশিয়ার ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়। একই দিন দোনবাস থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে বিতাড়িত করার দাবি করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

দপ্তরের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সেখানে সরকারি বাহিনীর কয়েকটি ট্যাংক, যুদ্ধযান ও মর্টার ধ্বংস করা হয়েছে।

এ অবস্থার মধ্যেই মারিওপোলে স্থানীয় সেনাসদস্যদের আত্মসমর্পণের জন্য পাঁচ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে শহরটিতে আটকেপড়া বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে মানবিক করিডর চালু রাখার কথা জানায় মস্কো। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মানুষ সেখান থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। এ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থল, আকাশ ও পানিপথে ইউক্রেনে হামলা চালানো হচ্ছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীও প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ৩০ লাখ ইউক্রেনীয়। আজ ২৬তম দিনে গড়িয়েছে এ যুদ্ধ।

সন্ধ্যায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গভীর নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের জেরে সোমবার থেকে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়াও। আজ আন্দামানে আছড়ে পড়তে পারে চলতি বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়।

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ মঙ্গলবার উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে উত্তর মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞানী আরকে জানামনি জানান, বঙ্গোপসাগরের ওপরে তৈরি নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে উত্তর দিকে এগোচ্ছে। যাত্রাপথেই আরও শক্তি বাড়াবে নিম্নচাপটি। এর জেরে সকাল থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, সোমবার সকালের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরের ওপরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর শক্তিও বাড়তে থাকবে, বিকালের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। যদি আবহাওয়ার হঠাৎ কোনো বড় পরিবর্তন না হয়, তবে সন্ধ্যার মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড়ের আকার ধারণ করবে।

এর আগে শনিবার বিকালে আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব আন্দামান সাগরের ওপরে অবস্থান করা নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে উত্তর দিকে এগোতে শুরু করেছে। প্রতি ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার বেগে এগোচ্ছে নিম্নচাপটি।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

নড়বড়ে নৌপথের অগ্নিনিরাপত্তা

আগুন নেভাতে ব্যবহার হয় পানি। সেই পানিতেই কিনা ঘটছে অগ্নিকাণ্ড। পুড়ছে জলযান, মারা যাচ্ছেন মানুষ। অথচ পানির অন্যতম বড় উৎস নদীতে থেকেও আগুন নেভাতে পানির ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

ডাকলেই পাওয়া যাচ্ছে না ফায়ার সার্ভিসকে। কারণ দেশের ছয় হাজার কিলোমিটার নৌপথে মাত্র ১৩টি নদী ফায়ার স্টেশন। পর্যাপ্ত জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে সেগুলোও চলছে খুঁড়িয়ে। ফলে পানিতে আগুন লাগলে স্থলের ফায়ার স্টেশনগুলোর কর্মীদের ডাকতে হচ্ছে।

এতে লেগে যাচ্ছে দীর্ঘ সময়। এর মধ্যে বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া জলযানগুলোর নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার দুর্বলতাও রয়েছে। গেল ৩১ বছরে দেশে ৬৪১টি অভ্যন্তরীণ নৌযান দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও অনেক। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন তিন হাজার ৮৮১ জন, আহত হয়েছেন ৭০৫ এবং নিখোঁজ হয়েছেন ৫০৪ জন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নদী আছে কমবেশি ৪০৫টি। মোট নৌপথ ২৪ হাজার কিলোমিটার।

এর মধ্যে নৌপরিবহণযোগ্য নৌপথের পরিমাণ প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার। এটা বর্ষাকালের হিসাব। শুষ্ক মৌসুমে তা তিন হাজার ৮০০ কিলোমিটারে নেমে আসে।

২০২১ সালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বিস্তীর্ণ এই নৌপথে অন্তত ১৪ ধরনের ১৪ হাজার ৮০৫টি নৌযান চলছে। এসব নৌযানের মধ্যে রয়েছে-যাত্রীবাহী, মালবাহী, তেলবাহী, বালিবাহী, ড্রেজার, বার্জ, টাগ, স্পিডবোট, ফেরি, ওয়ার্ক বোট ও পরিদর্শন বোট।

এর বাইরেও অনিবন্ধিত অনেক জলযান চলছে নৌপথে। বিশাল এই নৌপথের জন্য মাত্র ১৩টি রিভার ফায়ার স্টেশন রয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ বাস্তবায়নের চিন্তা করছে।

তখন নৌ-অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। কারণ এ ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতি পর্যাপ্ত নয়। ফায়ার সার্ভিসের চলমান দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে ছয়টি স্থল কাম নদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন করা হবে।

আরও তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩টি স্থল কাম নদী স্টেশন করার চিন্তা করছে তারা। চলমান ও পরিকল্পনায় থাকা প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলেও তা মোট নদীপথের তুলনায় খুব সামান্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল যুগান্তরকে বলেন, নৌযানে অগ্নিদুর্ঘটনার মূলে কাজ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর তদারকির অভাব।

মালিকপক্ষ অনেক সময় সরকারি সংস্থাগুলোকে ‘ম্যানেজ করে’ ত্রুটিপূর্ণ নৌযান চালায়। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে উভয়পক্ষই সেই ত্রুটির পক্ষে সাফাই গায়। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নৌযানের আধুনিকায়ন হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত রয়ে গেছে।

কিছু অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম থাকলেও নৌযানের কর্মীরা তা ব্যবহার করতে পারেন না। ফলে ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে নৌযান নির্মাণের ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের আন্তরিক ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসকেও নৌযানের নিরাপত্তার জন্য ঢেলে সাজাতে হবে। বাড়াতে হবে রিভার ফায়ার সাজাতে হবে। বাড়াতে হবে রিভার ফায়ার স্টেশন।

নৌ-অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো এতটাই নাজুক যে নদীবিধৌত বেশির ভাগ জেলায় এখনো নদী স্টেশন করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্থল স্টেশনগুলোর ওপর নির্ভর করতে হয় তাদের।

পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও জনবলের অভাবে তারাও অনেক সময় জলযানের আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। কিছু দিন পরপরই নদীপথে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ৪০ মিনিটে কুতুবদিয়ায় মাঝ সাগরে হঠাৎ বে-ওয়ান জাহাজে আগুন লাগে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত নদী ফায়ার স্টেশন থাকলে কেবল নৌ-অগ্নিদুর্ঘটনা নয়, সব ধরনের নৌ-দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যেত। নৌপথে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অগ্নিদুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর।

সেদিন রাতে ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৪৮ জনের মৃত্যু হয়। আজীবনের জন্য আগুনের ক্ষত বয়ে চলছেন আরও শতাধিক ব্যক্তি। সেই আগুনে বেশির ভাগ মানুষ এমনভাবে পুড়ে যায় যে, তাদের মরদেহও চিহ্নিত করা যায়নি।

জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, নৌযানগুলোর নিজস্ব অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কোনো বিকল্প নেই।

এটি নিশ্চিত করা গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অনেকাংশেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে নৌযান নির্মাণের সময় অগ্নিনিরাপত্তার সব দিক বিবেচনা করেই ডিজাইন করতে হবে।

স্থপতিদের ভূমিকা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসকেও নৌপথের অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রস্তুত করা হচ্ছে। কয়েকটি নদী কাম ফায়ার স্টেশন চালুর প্রক্রিয়া চলমান। আরও বেশি কয়েকটি নির্মাণের পরিকল্পনা আছে।

দেশে চালু থাকা নদী ফায়ার স্টেশনগুলো হলো-ঢাকার সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশন, নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশন, নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন নদী ফায়ার স্টেশন, মুন্সীগঞ্জের কমলাঘাট স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশন, ভৈরব নদী ফায়ার স্টেশন, চট্টগ্রাম সমুদ্রগামী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ও চাঁদপুর নদী ফায়ার স্টেশন।

আরও রয়েছে-সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী নদী ফায়ার স্টেশন, খুলনা নদী ফায়ার স্টেশন, বরিশাল নদী ফায়ার স্টেশন, পটুয়াখালী নদী ফায়ার স্টেশন, মানিকগঞ্জের আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশন এবং খুলনা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশন।

চালু থাকা এসব স্টেশনের চারটির কোনো পন্টুন কিংবা জেটি নেই। ফায়ার ফ্লোট নেই সাতটির। নদীতে দ্রুত চলাচলে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যান স্পিডবোটও নেই সাতটি স্টেশনে। ফায়ার পাম্প নেই দুটি স্টেশনে।

তবে তিনটি স্টেশনে তিনটি করে এবং ছয়টি স্টেশনে দুটি করে ফায়ার পাম্প রয়েছে। ওয়াটার বাইক নেই ১১টি স্টেশনে। নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনে জেনারেটরও নেই। তবে অন্য ১২টিতে রয়েছে। চারটি ফায়ার স্টেশনের নেই ‘ফায়ার টেন্ডার’।

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে যে একাদশ নিয়ে নামবে বাংলাদেশ

ক্রিকেটে তিন সংস্করণের কোনোটিতেই এতদিন দক্ষিণ আফ্রিকায় কোনো জয় ছিল না বাংলাদেশের। জয়খরা ঘুচল অবশেষে।

সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ওডিআইতে বাংলাদেশ ৩৮ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

সেই জয়ের রেশ মিলিয়ে না যেতেই আজ জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ওয়ানডে। আজ দুপুর ২টায় স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে তামিম বাহিনী। আজ জয় পেলে সিরিজ বাংলাদেশের মুঠোয়।

সেই আশায় মাঠে নামবেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দলের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজের কণ্ঠেও সিরিজ বিজয়ের আশা। রঙধনুর দেশে প্রথম ম্যাচ জেতার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। তা হলে সিরিজ জয় নয় কেন?

কোটিভক্তের চোখ এখন ওয়ান্ডারার্সে। জোহানসবার্গের এই ওয়ান্ডারার্স ক্রিকেট গ্রাউন্ড রীতিমতো ব্যাটিং স্বর্গ। একদিনের ক্রিকেটে ৪০০ ছাড়ানো সংগ্রহ আছে তিনটি ম্যাচ। ৩০০ ছাড়ানো ইনিংস আছে সাকুল্য ১৯টি। তবে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে ওয়ান্ডারার্সের উইকেটের চরিত্র।

সেসব চিন্ত করে এ ম্যাচে কেমন একাদশ নিয়ে নামবেন তামিম বাহিনী? ব্যাটিংয়ে সাকিব, লিটন, মুশফিক, রিয়াদ, আফিফ তো আছেনই, প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং-ফিল্ডিং করা নবাগত ইয়াসির আলী রাব্বিকেও বসিয়ে রাখা যাবে না। ওদিকে স্পিন-অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ তো দলের অপরিহার্য। আবার দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্সি পিচে তিন পেসার ছাড়া মাঠে নামা বোকামিই হবে।

প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত বল করা তাসকিন আহমেদ থাকছেন। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান সেভাবে জ্বলে না উঠলেও তার বিকল্প নেই আপাতত।

তবে প্রথম ম্যাচে পেসার শরিফুল ইসলাম চোট পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য তিনি ফিট রয়েছেন। তাই তিনিও থাকছেন হয়তো।

অর্থাৎ সিরিজ জয়ের মিশনে এ ম্যাচে টাইগার একাদশে পরিবর্তন না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। উইনিং কম্বিনেশন না ভেঙে আগের ম্যাচের একাদশই মাঠে নামাবে সফরকারী শিবির।

এক নজরে বাংলাদেশ দলের সম্ভাব্য একাদশ—

তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলি রাব্বি, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।

বাংলাদেশের বিপক্ষে যে দুশ্চিন্তা নিয়ে মাঠে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা

ঘরের মাঠে শক্তিশালী ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা এখন বিপদে পড়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে।

প্রথম ওয়ানডেতে ৩৮ রানে হেরে এখন সিরিজ হারানোর শঙ্কায় ভুগছে প্রোটিয়ারা। সেই শঙ্কা নিয়েই আজ জোহনসবার্গের ওয়ান্ডারাসে টাইগারদের মুখোমুখি হবেন টেম্বা বাভুমার দল।

এ ম্যাচ হারলে আবার ওয়ানডে সুপার লিগে পয়েন্ট হারিয়ে খাদের আরও কিনারায় পড়ে যাবে আফ্রিকার দলটি। এখন পর্যন্ত সুপার লিগে ১১ ওয়ানডেতে মাত্র ৩টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে দশ নম্বরে।

সেরা আট দলের মধ্যে থাকতে না পারলে ভারতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে না দক্ষিণ আফ্রিকা। বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসতে হবে।

সবমিলিয়ে রোববার বড় দুশ্চিন্তা নিয়ে তামিম-সাকিবদের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।

এ বিষয়ে প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা বললেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলছি বলেই পয়েন্ট পেয়ে যাব, এমন গ্যারান্টি নেই। আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা যেমন খেলতে জানি, সেটা দেখাতে হবে। পয়েন্টের দিক থেকে ভাবলে, আমি নিশ্চিত নই এটা আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে। আমরা কেবল জানি, রোববারের ম্যাচটি আমাদের বাঁচামরার লড়াই। আমাদের সব ডিপার্টমেন্টে সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। যদি সেটা করতে পারি, তবে যে পয়েন্ট দরকার সেটাও পেয়ে যাব।’

সৈকতে ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ

এবার কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে দরিয়ানগর পয়েন্ট পর্যন্ত যতদূর চোখ যায় শুধু মাছ আর মাছ। ঢেউয়ের তোড়ে এসব মাছ বালিয়াড়িতে উঠে আসছে। তবে সবই মৃত এবং ছোট প্রজাতির।

শনিবার বিকালে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে দরিয়ানগর পয়েন্ট পর্যন্ত লাখ লাখ মৃত মাছ ভেসে আসতে দেখেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।

এর পর মৃত মাছ দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় নামে সৈকতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ব্যাপারটি।

সৈকতের ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, আমি এ প্রথম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ মৃত মাছ ভেসে আসতে দেখেছি, যা এক কথায় অবিশ্বাস্য।

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক সেবায় নিয়োজিত বিচকর্মী মাহাবুবুর রহমান জানান, ঢেউয়ের সঙ্গে হঠাৎ বিপুল পরিমাণ ছোট মরা মাছ ভেসে আসে। ভেসে আসার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের সমাগম হয়। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন জানান, দুপুর থেকে ঢেউয়ের সঙ্গে মৃত মাছ ভেসে আসার খবর শুনেছি। এ মাছগুলো কোথায় থেকে এসেছে সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না।

এর আগে সমুদ্রসৈকতে থেকে ভেসে এসেছিল কয়েকটি মৃত তিমি এবং কয়েক হাজার টন বর্জ্য।

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের ধাক্কায় ছিটকে সড়কে, ২ বাইক আরোহী নিহত

দিনাজপুর সদর উপজেলায় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা লেগে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে কাউগাঁও মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— দিনাজপুর সদর উপজেলার তাজপুর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫) ও দিনাজপুর শহরের বড়বন্দর এলাকার জোতিষ চন্দ্রের ছেলে নবমুসলিম কৃষ্ণ চন্দ্র ওরফে আনারুল ইসলাম (৪২)।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ভোরে মোটরসাইকেল নিয়ে দুজনে দিনাজপুর শহর থেকে ফুলবাড়ীর দিকে যাচ্ছিলেন।

ভোর সাড়ে ৫টায় তারা দিনাজপুর শহরের কাউগাঁও মোড় এলাকার রাজাপুকুর নামক স্থানে একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকার একটি বিকল ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে দুজনই ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

নিহতদের লাশ বর্তমানে পুলিশ হেফাজতেই আছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ব্রিটেনে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে মুসলিম নারীকে খুন

ব্রিটেনে জোবাইদা নামে এক মুসলিম নারীর হত্যা মামলা তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে এলো কাহিনি।

নিহত ওই নারীর মোবাইল চুরি করে সেই ফোন থেকে তার স্বামী নিজাম স্ত্রীর মিথ্যা পরকীয়ার কথা জানিয়ে নিজের মোবাইলে একটি মেসেজ পাঠায়।

তাতে লেখা ছিল— আমার সঙ্গে আর যোগাযোগ রেখো না, আমার একটি বয়ফেন্ড আছে এবং তার সঙ্গে দ্রুত আমি এই এলাকা থেকে পালিয়ে যাচ্ছি। আমার জীবন থেকে তুমি চলে যাও, তোমাকে আর আমার প্রয়োজন নেই।

২০২০ সালে ব্রিটেনের ব্রোমসগ্রোভ শহরে পিজার দোকানদার নিজাম সালাঙ্গি (৪৪) তার স্ত্রী জোবাইদাকে খুন করেন। খবর আরব নিউজের।

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগেই তিনি জোবাইদার মোবাইল থেকে ওই কাল্পনিক কাহিনি সাজিয়ে মেসেজটি পাঠান, যা পরে আদালতে জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়ে।

পরিকল্পিত ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজামের দুই ভাই মোহাম্মদ ইয়াসিন (৩৩) ও রামিমকেও (৩১) এ হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে যান নিজাম ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে নিজামকে আটক করে জেলখানায় পাঠায় পুলিশ।

সম্প্রতি আদালতের জেরার মুখে হত্যাণ্ডের ঘটনা স্বীকার করেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

ইসরাইলের পার্লামেন্টে আজ ভাষণ দেবেন জেলেনস্কি

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আজ ইসরাইলি পার্লামেন্টে ভাষণ দেবেন।

রোববার ভিডিওকলের মাধ্যমে এ ভাষণ দেবেন তিনি। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কি তার ভাষণে ইহুদিবাদের আহ্বান জানাবেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে তার দেশ যেভাবে লড়াই করছে, তাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জার্মানির নাৎসি বাহিনীর হামলার সঙ্গে তুলনা করবেন।

ইসরাইল ইউক্রেনের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে পাশে থাকতে অনাগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। কারণ দেশটি রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার এবং সংঘর্ষে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই সংঘর্ষে ইসরাইল তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড রুশ আগ্রাসনের নিন্দা করলেও প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করছিলেন। এখন স্পষ্টতই সে কাজ থেকেও বিরত রয়েছেন।

এর আগে জেলেনস্কি ইউক্রেনকে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

ইসরাইলের পার্লামেন্টে অবকাশ চলছে। পার্লামেন্ট ভবনে সংস্কারকাজ হচ্ছে। এ কারণে বিশেষভাবে সংরক্ষিত জুমকলে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করবেন জেলেনস্কি। এ ছাড়া তেলআবিবে বড়পর্দায় তার ভাষণ সম্প্রচার করা হবে।

আরএডিপিতে কমল সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা

প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ২ লাখ ৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি জানান, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লাখ ৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক খাত থেকে ৭০ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

এর আগে চলতি অর্থবছরে এডিপিতে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে সংশোধিত এডিপিতে কমেছে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা।