শনিবার ,১৫ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 391

শিশুর কিডনি রোগের লক্ষণ, কী করবেন?

সুস্থতার জন্য কিডনির সুস্থতা জরুরি। শিশুদের অনেকেই এখন কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার যে কোনো গুরুতর অসুখ অথবা ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণেও শিশুদের কিডনি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই শিশুর কিডনির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

রক্তের মধ্যে জমে থাকা দূষিত পদার্থ বের করা ও প্রয়োজনীয় পদার্থ ধরে রাখা; শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা; বিভিন্ন হরমোন তৈরি করা ও তৈরিতে সাহায্য করা; রক্তের কণিকা তৈরিতে সাহায্য ও শরীরের হাড়কে সুস্থ রাখা ইত্যাদি কাজ করে কিডনি। প্রতিটি কাজই মানব শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কিডনি সুস্থ না থাকলে এসব কাজে বিঘ্ন ঘটে ও শারীরিক বিপর্যয় দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুদের ঝুঁকি বেশি।

শিশুদের কিডনি সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স অ্যান্ড নিউনেটোলজি ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং কো-অর্ডিনেটর ডা. সাবিনা সুলতানা।

শিশুর কিডনি রোগের লক্ষণ

ঘন ঘন প্রস্রাব করা, প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া; ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা, বিছানায় প্রস্রাব করা (৬ বছরের অধিক বয়সে), প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, প্রস্রাবের সময় তলপেট/কোমর ব্যথা করা, শরীরে পানি আসা/ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া, কিডনিতে পানি জমা হওয়া, কিডনি ছোট-বড় হওয়া, উচ্চরক্তচাপ দেখা দেওয়া, কিডনিতে জম্মগত ত্রুটি থাকা- এসব লক্ষণ দেখা গেলে, পরিবারের কারও কিডনি রোগ থাকলে, শিশু সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে, জন্মের পর শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

শিশু যদি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা সিকেডিতে আক্রান্ত হয়, কিডনি পুরোপুরি অক্ষম হয়, ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয় তবে চিন্তার কিছু নেই। দেশেই এখন কিডনি রোগের সুচিকিৎসা সম্ভব। এছাড়া নিয়মিত ফলো-আপ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক চর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব।

শিশুর জন্মগত কিডনি রোগ আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ধরা পড়ে। মূত্রনালি ও মূত্রাশয়ের গঠনগত সমস্যা; মূত্রপথের ভাল্বের কার্যক্রমে বাঁধা; কিডনি থাকা না থাকা; বিভিন্ন আকারে অর্থাৎ ছোট-বড় থাকা; ঠিক জায়গা মতো না থাকা; কিডনি ফোলা থাকা ইত্যাদি সমস্যা সম্পর্কে আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়।

শিশুর মূত্রনালির সংক্রমণ (ইউটিআই) শিশুদের অন্যতম প্রধান একটি রোগ। অনেক ক্ষেত্রেই এ রোগের সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে অবহেলা করা হয়। ফলে বার বার সংক্রমণের দরুন শিশুর কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসার অভাবেই শিশুদের কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট হয়।

এসব বিষয়ে অভিভাবকদের বেশি সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের প্রস্রাবের সংক্রমণ অবহেলা না করে সঠিক সময়ে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণে কিডনির রোগ প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

শিশুদেরও কি ডায়াবেটিস হয়?

ডায়াবেটিস সর্বগ্রাসী রোগ। এ রোগ একবার কারো হলে শরীরে নানা জটিলতা বাড়তে থাকে। মধ্যবয়সে সাধারণত ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। তবে বর্তমানে তরুণ বয়সেও অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। শিশুদেরও ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি আছে কিনা এমন প্রশ্ন জনে জনে।

মূলত মানসিক দুশ্চিন্তা, ওজন বেড়ে যাওয়া, কায়িক শ্রমের ঘাটতি, বংশীয় কারণ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবন পদ্ধতির পরিবর্তন এসব কারণে ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। ডায়াবেটিস ধরা পড়ার আগেই সতর্ক থাকতে হয়।

শিশুদের ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইটি অব বাংলাদেশের অধ্যাপক ডা. মনজুর হোসেন।

শিশুদের মধ্যেও ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। বেশিরভাগ শিশু শৈশবে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। আগে চিকিৎসকরা জানতেন যে বাচ্চারা কেবল টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয় এবং একে দীর্ঘকাল ধরে কিশোর ডায়াবেটিস (Juvenile Diabetes) নামে নামকরণ করা হতো। শিশুদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের একক প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত ওজন। যখন কোনো শিশুর ওজন খুব বেশি বেড়ে যায়, তখন তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা দ্বিগুণ হয়।

শিশুদের টাইপ-১ ডায়াবেটিস অবস্থায় শরীরে ইনসুলিন উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে বেঁচে থাকার জন্য ইনসুলিনের দরকার পড়ে। ইনসুলিনের ঘাটতি বা অভাবকে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন বা পাম্পের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কারণ ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ধ্বংসের কারণে এমনটি হয়। কেন এমনটি ঘটে তা সঠিকভাবে কেউ জানেন না, তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটা জিনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। টাইপ-১ ডায়াবেটিস সম্ভবত ভাইরাসের সংক্রমণের কারণেও হয়ে থাকে। অন্যদিকে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে, অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন তৈরিতে কোনো ব্যাঘাত হয় না। তবে শরীর এক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে সাড়া দেয় না বা প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স্ (Insulin Resistance)-এর কারণে এ সমস্যা দেখা দেয় যখন গ্লুকোজ কোষগুলোতে প্রবেশ করতে পারে না এবং শক্তি সরবরাহ করার সক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে পর্যায়ক্রমে অগ্ন্যাশয় আরও বেশি বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে সচেষ্ট হয়। অবশেষে, এক সময় অগ্ন্যাশয় রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন করতে ধীরে ধীরে অক্ষম হয়ে পরে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য বাচ্চাদের ঝুঁকির তিনটি কারণ-

* পরিবারের একজন সদস্যের টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকলে।

* মায়ের গর্ভকালীন ডায়াবেটিসসহ (গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস) জন্ম নেওয়া শিশুদের।

* যদি সন্তানের ওজন বেশি হয় এবং ওপরের দুটি ঝুঁকির কারণ থাকে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণ : রক্তে উচ্চমাত্রার শর্করার জন্য ঘনঘন প্রস্রাব হয় এবং খুব তৃষ্ণার্ত থাকে বিধায় প্রচুর পানি পান করতে হয়। ক্লান্তি বা অবসাদ বোধ থাকে। কারণ শরীর শক্তির জন্য গ্লুকোজ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু এবং কিশোরদের ক্ষুধা বাড়তে পারে তবে ক্ষুধার্ত কোষগুলোকে জ্বালানি সরবরাহ করার প্রয়াসে শরীর পেশি ভেঙে ফ্যাট সংরক্ষণ করে যার জন্য ওজন হ্রাস পায়।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসা : শিশুর টাইপ-১ বা টাইপ-২ ডায়াবেটিস আছে কিনা তা নির্ণয় করা আবশ্যক। কারণ ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসা টাইপের ভিত্তিতে পৃথক হয়। মেটফরমিন নামে একটি ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। এটি এবং ইনসুলিন হলো ১৮ বছরের চেয়ে কম বয়সি শিশুদের জন্য রক্তে শর্করার হ্রাসকারী দুটি ওষুধ মাত্র।

চিকিৎসা অর্থাৎ লক্ষণগুলো হ্রাস করার জন্য ভালো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ এবং শিশু যাতে স্বাভাবিকভাবে তার শারীরিক, মানসিক, সংবেদনশীলতা বজায় রেখে সামাজিক বৃদ্ধি এবং বিকাশে সম্ভব হয়। আর এর জন্য, বাবা-মাকে লক্ষ রাখতে হবে শিশুর রক্তের শর্করার মাত্রা যতটা সম্ভব লক্ষ্য সীমার মধ্যে রাখা।

ডায়াবেটিসের কোনো নিরাময় নেই, ডায়াবেটিসের জন্য আজীবন চিকিৎসা প্রয়োজন। টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু-কিশোররা তাদের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিদিন ইনসুলিন ইনজেকশন বা ইনসুলিন পাম্পের ওপর নির্ভর করে। শিশুদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে লক্ষণ ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে এবং প্রথম দিকে কোনো লক্ষণই থাকে না। কখনো নিয়মিত চেক-আপের সময় এই ব্যাধিটি শনাক্ত করা হয়।

ডায়াবেটিস থেকে জটিলতা

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভবিষ্যতে হৃদরোগ, অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে এবং কিডনি অকার্যকর হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যায়। এছাড়া ডায়াবেটিসে পরবর্তী জীবনে সরু রক্তনালি, উচ্চরক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। স্নায়ু বা নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতিরোধ

তরুণদের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সমস্যা বাড়ছে। বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ভয়াবহ অবস্থার প্রতিরোধ সম্ভব। স্থূলতা বা যাদের ওজন বেশি-বিশেষ করে যদি তাদের পেটের চর্বি বেশি থাকে-তাদের ইনসুলিন অকার্যকর বা প্রতিরোধ (Insulin Resistance) হওয়ার আশংকা বেশি থাকে, তাই টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য ইনসুলিন প্রতিরোধ একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না, যদিও কিছু বাচ্চার ত্বকে ঘন, গাঢ়, কাল মখমল প্যাঁচ তৈরি হয় যাকে অ্যাক্যানথোসিস নিগ্রিকানস (Acanthosis Nigracans) বলা হয়, সাধারণত ঘাড়ের পেছনে বা বগলের মতো শরীরের ক্রিজ এবং ভাঁজগুলোতে।

অ্যাসেম্বলি চলাকালে হলিক্রস কলেজের এক ছাত্রীর মৃত্যু

কলেজে অ্যাসেম্বলি চলার সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন রাজধানীর হলিক্রস কলেজের এক ছাত্রী।

তার নাম শ্যারেন সুসান্ন মল্লিক। নবম শ্রেণিতে পড়তেন তিনি।

জানা গেছে, রোববার সকালে কলেজে অ্যাসেম্বলিতে অংশ নেন শ্যারেন। এ সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পার্শ্ববর্তী বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মেয়েটি দুরারোগ্য রোগে ভুগছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

তার বাবা কাজল ডোমেনিক মল্লিক গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৯ সাল থেকে আমার মেয়ে অসুস্থতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। দুরারোগ্য রোগে ভুগছিল সে। তার জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। ভারতে নিয়েও তাকে চিকিৎসা করা হয়েছিল।

একই তথ্য দিয়েছেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান।

তিনি বলেন, খবর পেয়েই দ্রুত পুলিশ হলিক্রস কলেজে যায়। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন ছাত্রীটি দুরারোগ্য রোগে ভুগছিলেন।

নিজ প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীর এমন মৃত্যুকে খুবই দুঃখের বিষয় উল্লেখ করেন হলিক্রসের সহকারী প্রধান শিক্ষক সিস্টার কল্পনা।
তিনি বলেন, আজ সকালে অ্যাসেম্বলি চলার সময় ছাত্রীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কলেজ সংলগ্ন একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ছাত্রীটিকে সুস্থ করার জন্য চিকিৎসকেরাও চেষ্টা করেছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ছাত্রীটির বাবা-মাও চলে আসেন। তার বাবা-মার সামনেই চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। ছাত্রীটি অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিল। তার বাবা-মাও বলেছিলেন, এই রোগ থেকে ভালো হওয়া সম্ভব নয়।

সিকৃবিতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাল চলচ্চিত্র উৎসব

অনলাইনে আন্তর্জাল চলচ্চিত্র উৎসবের দ্বিতীয় আসর শুরু হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে আন্তর্জাল চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে।

এতে উপস্থিত থাকবেন অংশগ্রহণকারী চলচ্চিত্র নির্মাতাসহ সংগঠনটির উপদেষ্টা ও সদস্যরা।

তিন দিনব্যাপী উৎসবটিতে মোট ২৫টি নির্বাচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনলাইনে প্রদর্শন শেষে আগামী বুধবার সমাপ্ত হবে।

এছাড়া তরুণ নির্মাতাদের নিয়ে একটি ওয়েবিনার ও অতিথিদের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের সব আয়োজন প্রতিদিন সন্ধ্যার পর চলচ্চিত্র সংসদের ফেসবুক পাতা (facebook.com/saufsofficial) থেকে সরাসরি উপভোগ করা যাবে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি সব্যসাচী নিলয় জানান, আন্তর্জাল চলচ্চিত্র উৎসবটি একটি অনলাইনভিত্তিক আয়োজন। মূলত বাংলাদেশি চলচ্চিত্রগুলো এ উৎসবে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। আশা করি, গত বছরের মতো এবারো উৎসবটি দর্শকদের মনকে ছুঁয়ে যাবে।

এবারের আসরে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোক্তাদির ইবনে সালাম ও নির্মাতা রহমতউল্লাহ তুহিন। উৎসব শেষে জুরি সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সেরা তিন চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারিকালীন ঘরবন্দি মানুষকে বিনোদন দিতে এবং তরুণ সৃজনশীল নির্মাতাদের উৎসাহ দিতে অনলাইনে আন্তর্জাল চলচ্চিত্র উৎসবের যাত্রা শুরু করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ।

হাসপাতালে পরীমনি

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার (২৭ মার্চ) পরীমনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওই পোস্টে পরী হাসপাতালে চিকিৎসারত নিজের হাতের একটি ছবি প্রকাশ করেন। যাতে দেখা যায়- তার হাতে স্যালাইন লাগানো। জরুরি চিকিৎসায় তার শরীরে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। ছবির ক্যাপশনে নায়িকা লেখেন- ‘একটি দুর্ঘটনা’। এছাড়া জানান, তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

পরীমনি কীভাবে আহত হয়েছেন? সেটার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।

গত ১১ মার্চ মুক্তি পেয়েছে পরীমনি ও শরিফুল রাজ অভিনীত সিনেমা ‘গুণিন’। এ সিনেমার কাজ করতে গিয়েই তারা একে-অপরের প্রেমে পড়েন এবং ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বিয়ে করে ঘর বাঁধেন। পরীমনি এখন অন্তঃসত্ত্বা। প্রথমবারের মতো সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

‘মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে জিততে না পারলে খেলা ছেড়ে দেওয়া উচিত’

মঙ্গলবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে মঙ্গোলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ফুটবল দল।

রোববার বাংলাদেশ দলের ডিফেন্ডার ইয়াছিন আরাফাত বলেন, মালদ্বীপে যেমন খেলা হয়েছে আমাদের, অবশ্যই তা হতাশাজনক। আমরা আশা করিনি হারব।

২৪ মার্চ মালদ্বীপের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের কারণ খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের এই ডিফেন্ডার বলেন, আমরা হয়তো ভালো খেলিনি। কোনা নির্দিষ্ট বিভাগ নয়, আমরা একটা টিম হিসেবেই খেলতে পারিনি। ওটাই মূল বিষয়। আমরা আরেকটু আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেললে বা আরেকটু ভালো খেললে ভালো করতাম।

ইয়াছিন আরও বলেন, গত কিছুদিনে আমাদের তিনজন কোচ ছিলেন। তবে অস্কার আর কাবরেরা আমার মতে একই রকম। দুজনই স্প্যানিশ। কাজেই আমার কাছে কোনো বদল মনে হয়নি। আসলে আমরা কোচের ভাবনা মাঠে বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এটা খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গোলিয়ার এই দলটির সঙ্গে আমরা কখনো খেলিনি। তবে আমরা মনে করি প্রতিটি দল শক্তিশালী। ওরা লাওসের সঙ্গে ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলে (১–০ গোলে হেরেছে লাওস) বাংলাদেশে এসেছে। আমাদের কোচ ওদের ভিডিও দেখিয়েছেন। কোথায় দুর্বলতা, কোথায় ওরা ভালো সব…। আমরা ঘরের মাঠে খেলব এটা শক্তি হিসেবে কাজ করবে। আশা করি দর্শক মাঠে আসবে এবং আমাদের সমর্থন দেবে। আমি মনে করি, আমরা জিতব মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে।

এই ডিফেন্ডার বলেন, মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে জিততে না পারলে খেলাই ছেড়ে দেওয়া উচিত আমাদের ফুটবলারদের। ২০০১ সালে সৌদি আরবে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মঙ্গোলিয়াকে আমরা ৩–০ গোলে হারিয়েছিলাম। আরেকটি ম্যাচ ২–২ গোলে ড্র হয়েছিল। সেই দলে আমিও ছিলাম। ২১ বছর পর এসে যদি মঙ্গোলিয়ার সঙ্গেও জয় পেতে এত ভাবতে হয়, তাহলে আর কী বলার আছে! আমাদের ফুটবলারদের নিজেদের প্রমাণ করার সময় এখন।

তাসকিনকে যে পরামর্শ দিলেন মাশরাফি

দক্ষিণ আফ্রিকায় ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে অনন্য অবদান রাখেন তাসকিন আহমেদ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম খেলায় ২০ বছর পর আফ্রিকায় প্রথম জয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তাসকিন।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ। তার গতির মুখে পড়ে ১৫৪ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নে সেদিন ৯ উইকেটের বিশাল জয়ে আফ্রিকার মাঠে ২০ বছরে চতুর্থবারের চেষ্টায় প্রথমবার সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

আফ্রিকা সফরে নান্দনিক পারফরম্যান্স করে রীতিমতো উড়ছেন তাসকিন। টকশো থেকে শুরু করে চায়ের আডডায়ও প্রশংসা হচ্ছে তাসকিনের। উড়তে থাকা এই তারকা পেসারকে এই পারফরম্যান্সের ধারা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

রোববার মিরপুরে মাশরাফি বলেন, তাসকিন যে কঠোর পরিশ্রম করেছে সেটির ফল মিলছে। এখন ওর মূল সময় যাচ্ছে। এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো সে কীভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবে। এই যেমন আপনারা আমাকে প্রশ্ন করছেন ওকে নিয়ে, দেশে ফেরার পর ওকে নিয়ে অন্যরকম আবহ তৈরি হবে। মিডিয়া তার পেছনে থাকবে, লোকজন থাকবে। এসবকে নিয়ন্ত্রণ করা ও মাটিতে পা রেখে ঠিক কাজগুলো বারবার করে যাওয়া, তার কাজ যে শুধু মাঠেই, বাইরে নয়, এসবকে ক্রমাগত বুঝে চলা, তার জন্য গুরুত্বপূণ।

ঢাকা লিগে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলা মাশরাফি আরও বলেন, আমি নিশ্চিত, সে পারবে। ক্যারিয়ারের শুরুতে ৫ উইকেট নিয়েছিল, তারপর সেটব্যাক ছিল। সেখান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অনুধাবন করতে পেরেছে বলে এ পর্যন্ত এসেছে। আশা করি, এটা চলতে থাকবে।

আ.লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশের মানুষ শান্তিতে রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ‘মাস্টার মাইন্ড’ জিয়াউর রহমান ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

রোববার দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুরের চন্দননগর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশের মানুষ শান্তিতে রয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে। যুবলীগের যারা দায়িত্ব পাবেন, তাদের জনগণের পাশে থেকে কল্যাণের জন্য রাজনীতি করতে হবে।

চন্দননগর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শীষ মোহাম্মদের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিমান কুমার রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবেদ হোসেন মিলন, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ারুজ্জামান সাগর, সাধারণ সম্পাদক মোত্তালিব হোসেন বাবর।

আলোচনা সভা শেষে আগের কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও নতুন কমিটির কারো নাম ঘোষণা ছাড়াই শেষ হয় কাউন্সিল। পরবর্তীতে নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া সভাপতি ও সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানান বক্তারা।

কালোবাজারে টিসিবির পণ্য বিক্রি, কাউন্সিলরের বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ

টিসিবির পণ্য কালোবাজারে বিক্রির ঘটনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশন ৩৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও গাছা জোনের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডলের বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে।

রোববার সকালে ‘৩৫নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ’র ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও শহরের রাজবাড়ী সড়ক দফায় দফায় অবরোধ করা হয়। পরে পুলিশ এসে অবরোধকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন- ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন এমএ, গাছা থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তারেক বিন রশিদ প্রিমাদ, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা ইসরাফিল টিক্কা, আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইকবাল হোসেন, ৩৩নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাজী শাওন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল হত্যা, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন, ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রায় তিন ডজনের অধিক মামলার আসামি।

তাকে ‘তেল-চিনি-ডাল চোর’ আখ্যা দিয়ে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আইনের আওতায় এনে কাউন্সিলর পদসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের দাবি জানানো হয় মানববন্ধনে।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে গাছা থানার বোর্ডবাজারে একজন ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে টিসিবির পণ্য জব্দ করে পুলিশ। এসব পণ্য ৩৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডলের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নির্ধারিত কার্ডধারীদের মাঝে বিতরণ করার কথা ছিল।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন মণ্ডল বলেন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তিকারী জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রের পদ ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে আমার নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বহিষ্কৃত মেয়র আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। রোববার বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম কিছু লোকজন দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করিয়েছেন।

জাহাঙ্গীর আলমের কয়েকজন ব্যক্তিগত কর্মচারী ও অনুসারী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রমাণ আছে দাবি করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে আমি এর বিচার চাই। যারা টিসিবির পণ্য কালোবাজারে বিক্রি করেছে তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

‘সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে রয়েছে বিদেশি হাত’

অনাস্থা ভোটের মুখে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান রোববার এক ঐতিহাসিক সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

ওই সমাবেশে ইমরান খান দাবি করেছেন, বিরোধী দল পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে তার জোট সরকারকে উৎখাতের জন্য বিদেশি শক্তি ‘ষড়যন্ত্রে’ জড়িত। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ট্রিবিউন রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই দাবির প্রমাণ হিসেবে একটি ‘চিঠির’ প্রসঙ্গ তুলে ইমরান খান বলেন, ‘দেশের বৈদেশিক নীতি সংশোধন করার জন্য’ বিদেশি শক্তি স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও অর্থ ব্যবহার করেছে।

পাকিস্তানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিদেশি শক্তি জড়িত উল্লেখ করে ইমরান খান আরও বলেন, আমি খুব কমই লিখিত বক্তব্য দেই….তবে আজ আমি আমার বক্তব্য লিখে এনেছি যেন আমি আবেগতাড়িত হয়ে না যায় এবং এমন কিছু বলে না ফেলি, যা আমাদের বৈদেশিক নীতিতে প্রভাব ফেলে।

ইসলামাবাদের ‘ঐতিহাসিক’ সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, পদ থেকে সরে যেতে হলেও তিনি ‘দুর্নীতিবাজ নেতাদের’ ছাড়বেন না ।

এদিকে, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির আগে তার দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অন্তত ৫০ জন মন্ত্রীকে রাজনৈতিক দৃশ্যপটে দেখা যাচ্ছে না।

বিরোধী দলের আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি শুক্রবার পার্লামেন্টে ওঠার কথা থাকলেও স্পিকার অধিবেশন মুলতবি করায় তা পিছিয়ে যায়। সেটি এখন সোমবার অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে এবং এর ওপর সাত দিন বিতর্কের পর চূড়ান্ত ভোটাভুটি হবে।

ইমরান খানের সরকারের জোটে থাকা তিনটি বড় শরিক দল ইঙ্গিত দিয়েছে, পার্লামেন্টের অনাস্থা ভোটে তারা বিরোধী দলের পক্ষে থাকতে পারে, যা সরকারের পতন ঘটাতে যথেষ্ট।

বিরোধী নেতারা এমন দাবিও করেছেন যে, ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের ডজনখানেক সদস্যও অনাস্থার পক্ষে সমর্থন দিতে পারেন। দলটির অন্তত ডজনখানেক আইনপ্রণেতা মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে না পারার জন্য নেতার দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

পাকিস্তানে কোনো প্রধানমন্ত্রীর পুরো মেয়াদ ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড নেই। ইমরান যদি আস্থা ভোটে উৎরাতে ব্যর্থ হন, সেই রেকর্ড আরও দীর্ঘায়িত হবে।

ক্রিকেট মাঠ থেকে রাজনীতিতে এসে প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া ইমরান অবশ্য পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখান করেছেন। তার দাবি, বিরোধীদের কর্মকাণ্ডে তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে।