রবিবার ,১৭ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 258

নাকের সৌন্দর্যে রাইনোপ্লাস্টি কতটা নিরাপদ

মানুষের সৌন্দর্য ফুটে উঠে নাকে। চ্যাপ্টা নাক মুখায়ববের সৌন্দর্য ম্লান করে দেয়। খাড়া ও আকর্ষণীয় সুন্দর নাকের অধিকারী কে না হতে চায়?

নাকের সৌন্দর্যবর্ধনে রাইনোপ্লাস্টি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিন।

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মানুষের নাকের আকৃতি পরিবর্তন করা সম্ভব। রাইনোপ্লাস্টির মাধ্যমে বোঁচা, থ্যাবড়ানো বা বসে যাওয়া নাক যেমন খাড়া করা যায়। তেমনি বেঁকে যাওয়া নাক, কুঁকড়ানো নাক সোজা করা যায়। আবার অস্বাভাবিক খাড়া নাক, পাখির ঠোঁটের মতো নিচের দিকে বাঁকানো নাক-ও স্বাভাবিক আকৃতিতে আনা যায়।

মোটা নাককে করা যায় সরু, আর সরু বা বন্ধ নাককে করা যায় প্রসারিত, তাই নাকের সৌন্দর্য রক্ষায় ও সৌন্দর্যবর্ধনে রাইনোপ্লাস্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

নাকের এই আকৃতিগত বিকৃতি যেমন জন্মগতভাবে হতে পারে, তেমনি নাকে বিভিন্ন ধরনের আঘাত অথবা তথাকথিত কবিরাজি বা হারবাল চিকিৎসার কারণে হয়ে থাকে। বিনা অপারেশনে নাকের পলিপ, মাংস বৃদ্ধি, রক্তপড়া রোগের নিরাময়ের মিথ্যা প্রলোভনে নির্বিচারে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ (যেমন-অ্যাসিড) নাকে সরাসরি প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা নাকের স্থায়ী মারাত্মক ক্ষতির কারণ। যেমন— নাকের ছিদ্র আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া, নাক বসে যাওয়া ইত্যাদি।

রাইনোপ্লাস্টি অপারেশন শুধু নাকের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যই করা হয় না; বরং অভ্যন্তরীণ বিবিধ সমস্যার সমাধান-ও এই অপারেশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

নাক, কান, গলা (ইএনটি) সার্জন এবং প্লাস্টিক সার্জনেরা রাইনোপ্লাস্টি সার্জারি করে থাকেন, যাদের রাইনোপ্লাস্টির ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ করা থাকে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর কৃমি, কী করবেন?

শিশুরা প্রায় সময়ই পেট ব্যথার কথা বলে থাকে। অনেক সময় চুলকানির কথাও বলে থাকে। কৃমির সমস্যার কারণে এমন হয়ে থাকে।

শিশুর কৃমির লক্ষণ ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী।

খাদ্যে অরুচি, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমি বমি ভাব, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি সমস্যাগুলো প্রায়ই শিশুদের মাঝে দেখা যায়। এগুলো কৃমির লক্ষণ।

সংক্রমণের কারণ : অস্বাস্থ্যকর টয়লেট ব্যবস্থা, অপরিষ্কার ঘরবাড়ি, দূষিত পানির ব্যবহার, টয়লেট শেষে ভালোভাবে হাত না ধোয়া, খাবার তৈরি বা গ্রহণের আগে হাত পরিষ্কার না করা, হাতের নখ বড় রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাটা ইত্যাদি।

কৃমির প্রকারভেদ ও স্বাস্থ্য সমস্যা : বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে গোলকৃমি, ফিতা কৃমি ও গুঁড়া কৃমির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। কখনও কখনও গোলকৃমি শিশুর নাক-মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।

এটি শিশুর শ্বাসনালিতেও প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া এটি শিশুর অন্ত্রে বা পিত্তনালিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। ফিতা কৃমি শিশুর অন্ত্রে লেগে থেকে রক্তপাত ঘটায়। এতে শিশু ধীরে ধীরে রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। পায়খানার রাস্তায় চুলকানির জন্য গুঁড়া কৃমি দায়ী।

কৃমি ও অপুষ্টি : কৃমির কারণে শিশু অপুষ্টিতে আক্রান্ত হয়। কৃমি অন্ত্রে রক্তপাত ঘটিয়ে একদিকে শিশুকে রক্তশূন্য করে আবার অন্ত্রে পুষ্টি উপাদানের পরিপাক ও শোষণে বাধার সৃষ্টি করে ডায়রিয়া ঘটায়।

এভাবে দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণের ফলে শিশুর খাদ্যে অরুচি হয় এবং সে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

চিকিৎসা : Albendayole বা Mebendayole অথবা Pyrental pamoate দিয়ে সাধারণত শিশুর কৃমির চিকিৎসা করা হয়। আমাদের দেশে বছরে দু’বার জাতীয় টিকা দিবস পোলিও টিকার পাশাপাশি এক বছর থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কৃমিনাশক ওষুধ (Albendyaole) খাওয়ানো হয়।

প্রতিরোধ

* গৃহস্থালির কাজে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে।

* স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

* খাবারের আগে বা টয়লেটের পরে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

* শিশুদের হাতের নখ বড় রাখা যাবে না এবং দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস পরিহার করতে হবে।

* সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

* মানুষের অপরিশোধিত মল জমির সার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

স্মার্টফোনে অধিক রিফ্রেশ রেট- স্মুথ স্ক্রলিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা

স্মার্টফোন নির্মাতারা প্রতি বছরই বাজারে নিয়ে আসছে উদ্ভাবনী ফিচারযুক্ত নিত্যনতুন স্মার্টফোন। বাজারের অন্যান্য ব্র্যান্ড থেকে এগিয়ে থাকতে নতুন মডেল আনার ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডটি নজর দিচ্ছে গ্রাহকদের চাহিদা আর স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে। ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে যুক্ত করছে চমকপ্রদ ক্যামেরা ফিচার, শক্তিশালী চিপসেট, অধিক র‌্যাম ইত্যাদি। তবে, ইদানিং এসব ফিচারের সাথে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে ফোনের রিফ্রেশ রেট।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিরামহীন স্ক্রলিং আর তরুণদের মাঝে ফোনে গেম খেলার ঝোঁক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা ও পারফরমেন্সের ক্ষেত্রে রিফ্রেশ রেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, রিফ্রেশ রেট স্মার্টফোনের একটি উল্লেখযোগ্য ফিচার হওয়া সত্ত্বেও অনেকের এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ধারণা নেই। মূলত রিফ্রশ রেট বলতে বোঝায় ফোনের ডিসপ্লে প্রতি সেকেন্ডে কতোবার আপডেট বা রিফ্রেশ হয় সেই সংখ্যাকে। সাধারণত ফোনে ৬০ হার্টজ, ৯০ হার্টজ, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট দেখা যায়। রিফ্রেশ রেট যতো বেশি হবে, ফোন ততো স্মুথ চলবে এবং ছবি ও ভিডিও ততো স্পষ্ট দেখা যাবে। অর্থাৎ, ১২০ হার্টজ, ৯০ হার্টজ বা ৬০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট যুক্ত স্ক্রিনের থেকে অধিক স্মুথ পারফরমেন্স দিবে। গেম খেলার ক্ষেত্রে ফোনের রিফ্রেশ রেট বেশি হলে আরও স্মুথ ট্রানজিশন হবে, ফলে গেমিং হবে আরও আনন্দদায়ক।

গেমিং, স্ক্রলিং আর কনটেন্ট উপভোগে অসাধারণ অভিজ্ঞতা দিতে স্যামসাং নিয়ে এসেছে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটযুক্ত স্যামসাং গ্যালাক্সি এম৩৩ ফাইভজি। সাশ্রয়ী মূল্য পরিসরের ফোনে এতো বেশি রিফ্রেশ রেট একেবারেই দেখা যায় না। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৬ ইঞ্চির এফএইচডি+ ইনফিনিটি ভি ডিসপ্লে ও স্যামসাংয়ের অন্য স্মার্টফোনগুলোর মতো ডলবি অ্যাটমস সাউন্ড সিস্টেম। এই ডিসপ্লে ও সাউন্ড সিস্টেমের সাথে অধিক রিফ্রেশ রেট থাকায় ফোনটিতে গেম খেলার পাশাপাশি ওয়েব ব্রাউজিং ও ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাও হবে অসাধারণ।

রিফ্রেশ রেট বেশি হলে স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী ব্যাটারি প্রয়োজন হবে। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে গ্যালাক্সি এম৩৩ ফাইভজিতে যুক্ত করা হয়েছে সুবিশাল ব্যাটারি। ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের সাথে ৬,০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ব্যবহারকারীকে দিন-রাত চার্জ দেয়ার চিন্তা ছাড়াই ফোন ব্যবহারের সুযোগ দিবে। মাত্র ত্রিশ মিনিটে ফোনটি ৫০ শতাংশ চার্জ হয়ে যায়। আর ফোনটির অ্যাডাপ্টিভ পাওয়ার সেভিং মোড ও অ্যাপ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ব্যবহারকারীর ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী অ্যাপ অপ্টিমাইজ করবে। তাই বিশেষ করে, যেসব তরুণরা ফোনে গেম খেলতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য একে বাজারের সেরা ফোন বলা যায়।

সুবিশাল ব্যাটারি ছাড়াও গ্যালাক্সি এম৩৩ ফাইভজি’তে রয়েছে এক্সিনস ১২৮০’র মতো শক্তিশালী প্রসেসর। ফলে, অনেক উন্নত গেমিং পারফরমেন্স যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি ৫ ন্যানোমিটার প্রসেসর হওয়ায় ফোনে হিটিং সমস্যা বা দ্রুত ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। ফোনটিতে এআই ভিত্তিক গেম বুস্টার থাকার কারণে আরও ঝামেলাহীনভাবে গেম খেলা যাবে এবং ডিসকর্ড প্রিবিল্ট থাকায় গেম খেলার সময়ে সহজে টিমের অন্যদের সাথে ভয়েস চ্যাট করা যাবে। এমনকি যেসব গেমে ভয়েস চ্যাটের সুবিধা নেই সেসব গেমেও ডিসকর্ড ব্যবহার করে ভয়েস চ্যাট করা যাবে। আর অসাধারণ পাওয়ার কুল টেকনোলজি থাকায় দীর্ঘক্ষণ গেম খেললে বা মোবাইল ব্যবহার করলেও ফোনে হিটিং ইস্যু হবে না। এছাড়া, হাইপার ফাস্ট ফাইভজি সাপোর্ট থাকায় অনলাইনে গেম খেলা বা ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে বাফারিংয়ের সমস্যা হবে না এবং সবচেয়ে দ্রুতগতির সুবিধা উপভোগ করা যাবে।

ভিড় বা হট্টোগোলের মাঝে কল আসার পর অপর পক্ষের কথা শুনতে যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য এই স্মার্টফোনে রয়েছে এআই নয়েজ ক্যান্সেলেশন ফিচার। যারা ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে ভালোবাসেন তাদের জন্য ফোনটিতে রয়েছে ৫০ মেগা পিক্সেল মেইন ক্যামেরা, ৫ মেগা পিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা, ২ মেগা পিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা ও ২ মেগা পিক্সেল ডেপথ ক্যামেরার কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। এই ক্যামেরা দিয়ে আপনি অল্প আলোতেও ঝকঝকে ছবি তুলতে পারবেন। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনাকে এগিয়ে রাখতে ফোনটিতে রয়েছে ৮ মেগা পিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।

স্যামসাংয়ের এই ফোনটি ৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি রমের ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে করপোরেট ও গেমাররা, যারা কিনা ফোনে অনেক অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তাদের জন্য আছে র‌্যাম প্লাস সুবিধা। নজরকাড়া ডিজাইনের এই ডিভাইসটি ব্লু, গ্রিন ও কপার – এই তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে। ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের পাশাপাশি বিশাল ব্যাটারির সাথে গেম বা ভিডিও উপভোগ করতে মাত্র ৩০,৯৯৯ টাকা বাজারদরে কিনে নিতে পারেন চমৎকার এই ফোনটি।

সেকেন্ডে পৃথিবীর সমান ভর গিলছে যে ব্ল্যাকহোল

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একদল জ্যোতিপদার্থবিদ মহাবিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছেন। কৃষ্ণগহ্বরটি এতই দ্রুত বর্ধনশীল যে এটি প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীর সমান মহাজাগতীয় বস্তু গিলে খাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাকহোলটির নাম দিয়েছেন জে-১১৪৪।

গবেষক দলটি ব্ল্যাকহোলটিকে ‘খড়ের গাদায় সুঁই খুঁজে পাওয়ার’ মতো ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি মানমন্দিও থেকে গবেষক দলটি ওই ব্ল্যাকহোল পর্যবেক্ষণ করেন। তারা বলছেন, ব্ল্যাকহোলটি বিগত ৯০০ কোটি বছরের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং এটির ভর আমাদের সৌরজগতের সূর্যের মতো ৩০০ কোটি সূর্যের ভরের সমান।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্ল্যাকহোলের চারপাশের গ্যাস বলয় এতই উজ্জ্বল যে তা আমাদের ছায়াপথের সব আলোর সম্মিলিত উজ্জ্বলতার চেয়েও ৭ হাজার গুণ বেশি।

জে-১১৪৪ সর্বপ্রথম দেখতে পান অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষক দলের সদস্য আদ্রিয়ান লুসি। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে পিএইচডি করছেন। ব্ল্যাকহোলটি আবিষ্কারে নেতৃত্ব দেওয়া অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ক্রিস্টোফার অনকেন বলেছেন, ‘জ্যোতিপদার্থবিদরা গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এমন একটি ব্ল্যাকহোলের সন্ধান করেছেন। কিন্তু তারা এর আগে যা পেয়েছেন সেগুলো খুবই অনুজ্জ্বল কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তারা এই উজ্জ্বল ব্ল্যাকহোলটিকেই পাশ কাটিয়ে গেছেন।’

বিজ্ঞানীদের ধারণা, বৃহৎ এই ব্ল্যাকহোলটি অন্তত দুটি বড় আকারের গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের একীভূত হওয়ার ফলে তৈরি হয়েছে। সাধারণত, অনেক বেশি ভরের নক্ষত্রগুলোর জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার পর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে নিজের ওপরই চুপসে যায়, তখন সেগুলো ব্ল্যাক হোলে পরিণত হয়। ব্ল্যাক হোলের ঘনত্ব হয় অত্যন্ত বেশি, ফলে আকারের তুলনায় ভর হয় অবিশ্বাস্য।

পদ্মা সেতুসদৃশ ক্রিমিয়ান ব্রিজ উদ্বোধনের আদ্যোপান্ত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০১৫ সালের ১৮ মে নবনির্মিত ক্রিমিয়ান সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

তিনি কের্চ শহরের দিকে ১৯ কিলোমিটার সেতু বরাবর ৩৫টি গাড়ির একটি কাফেলার বা বহরের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একটি কামাজ ট্রাকের ভিতর বসে নিজেই ট্রাকটি চালিয়ে সেতু পার হন। তিনি ব্রিজ-বিল্ডিং কোম্পানির সিইও এবং এসজিএম-মোস্ট, আলেকজান্ডার অস্ট্রোভস্কিকে তার সাথে সংক্ষিপ্ত এই যাত্রার জন্য একই ট্রাকে আমন্ত্রণ জানান।

ঐতিহাসিক কর্টেজের হাইলাইট নিবন্ধন করার জন্য পুরো ১৯ কিলোমিটার যাত্রার ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল সেতুতে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ।

১৯ কিলোমিটার সেতুর অপর প্রান্তে ক্রিমিয়ায়, পুতিন একটি সংক্ষিপ্ত ওপেন-এয়ার শোতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল সেদিন, তাই সেতু উদ্বোধনীর মাধ্যমে ওপারে কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।

ক্রিমিয়ান সেতু কের্চ পেনিনসুলাকে (ক্রিমিয়া) তামান উপদ্বীপের (ক্রাসনোদর অঞ্চল) সাথে সংযুক্ত করে, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের ক্রিমিয়ার মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন পরিবহন যোগাযোগ নিশ্চিত করবে। সেতুটি তামান উপদ্বীপ থেকে শুরু হয়েছে, বিদ্যমান পাঁচ কিলোমিটার বাঁধ এবং তুজলা দ্বীপ বরাবর চলে গেছে এবং কের্চ প্রণালি অতিক্রম করেছে। সেতুতে মোটরওয়ের সমান্তরালে একটি রেলপথও রয়েছে, যা পরবর্তীতে ২০১৯ সালে চালু করা হয়েছে ।

ক্রিমিয়ান সেতু কোন ব্যক্তিগত বিনিয়োগ প্রকল্প নয়. সেতুটি সম্পূর্ণরূপে ফেডারেল বাজেট থেকে অর্থায়ন করা হয়, এই ধরনের ক্ষেত্রে, আইন অনুসারে দেশের জনগণের স্বার্থে সেতু পারাপারে কোন টোল আদায় বা ভ্রমণের জন্য কোন অর্থ প্রদান করা হয় না বলে নিশ্চিত করেছেন এফপিইউ “আপডর” তামানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান “রোমান নোভিকভ”।

অতএব, সব ধরনের পরিবহনের জন্য ক্রিমিয়ান সেতুতে ভ্রমণের খরচ বা টোল শূন্য। দীর্ঘ ১৯ কিলোমিটার সেতুটি পাড়ি দিতে প্রায় ১৫ মিনিট সময় লেগেছে । “ক্রিমিয়ান সেতুটি রাশিয়া এবং ক্রিমিয়ার মধ্যে ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে” – মন্তব্য করেছেন ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রধান “সের্গেই আকসিওনভ “।

ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে যে, সেতুটি আজভ সাগরের ইউক্রেনীয় বন্দরে কের্চ স্ট্রেটে সব জাহাজের যাতায়াতকে সীমিত করে রেখেছে। আরো উল্লেখ করেছেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ক্রিমিয়া এবং সেভাস্তোপলকে রাশিয়া কর্তৃক অবৈধভাবে দখল করার নিন্দা অব্যাহত রেখেছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনকে কখনই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেবে না।

ভারতে আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আত্মহত্যা

ভারতের বিনোদন জগতে একের পর এক দুঃসংবাদ শোনা যাচ্ছে। কিছু দিন আগেই পল্লবী থেকে বিদিশা একাধিক অভিনেত্রীর মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই ঘটনা ঘটল। ভুবনেশ্বরে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হলো ওড়িয়া অভিনেত্রী রশ্মিরেখা ওঝার লাশ। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

ভুবনেশ্বরের নায়াপল্লী এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন ২৩ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত লাশ। পাশাপাশি সেই ঘর থেকেই উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোট। মেয়ের আত্মহত্যা কোনোমতেই মেনে নিতে পারছেন না অভিনেত্রীর বাবা। মেয়ের মৃত্যুর জন্য লিভ ইন পার্টনার সন্তোষ পাত্রকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন অভিনেত্রীর বাবা। ইতোমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশের জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে, পোস্টমর্টেমের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্টে এটি আত্মহত্যাই বলে দাবি পুলিশের।

সুইসাইড নোটে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকেই দায়ী করেননি অভিনেত্রী। রশ্মিরেখার বাবা সংবাদমাধ্যমে বলেন, তার মেয়ের মৃত্যুর জন্য তার বয়ফ্রেন্ডই দায়ী। শনিবার বাবার ফোন রিসিভ করেননি অভিনেত্রী। এর পর সন্তোষই রশ্মিরেখার মৃত্যুর খবর অভিনেত্রীর পরিবারকে জানায়।

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়েই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন রশ্মি ও সন্তোষ, এমনটিই জানান বাড়ির মালিক। ওড়িয়া ধারাবাহিকে অভিনয় করেই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন রশ্মিরেখা।

সূত্র: জিনিউজ

মৌসুমীর ‘ভাঙন’-এর নতুন খবর

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমীকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। তাকে কেন্দ্র করে ওমর সানী-জায়েদের মধ্যে দণ্ড, এর পর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, সংসার ভাঙনের গুঞ্জনসহ নানা বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল। শেষ পর্যন্ত দূরত্ব মিটিয়ে আবার এক হয়ে গেছেন সানী-মৌসুমী। আপাতত এ নিয়ে বিতর্কের কিছুটা অবসান হলেও এবার এল মৌসুমীর সিনে জীবনের নতুন খবর। সিনেমার নাম ‘ভাঙন’।এটি নির্মাণ করেছেন মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। রোববার রাতে প্রকাশ করা হয়েছে এর অফিসিয়াল পোস্টার। পোস্টারে দেখা দিয়েছেন মৌসুমী ও ফজলুর রহমান বাবু। এর মধ্যে মৌসুমীকে দেখা গেছে মাথায় একটি ঝুড়ি নিয়ে হাঁটছেন। আর বাবু বাজাচ্ছেন বাঁশি। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, সিনেমায় মৌসুমী মূলত একজন হকারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। যিনি চুড়ি-ফিতা এসব বিক্রি করেন। ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ‘ভাঙন’ সিনেমা। নির্মাতা মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, সিনেমার কাজ শেষ। শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে। হকার, পতিতা, পকেটমার, বংশীবাদকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক ও ছিন্নমূল মানুষের গল্প তুলে ধরা হবে সিনেমাটিতে। এতে মৌসুমী-বাবু ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন সাবেরী আলম, প্রাণ রায় প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরে স্বামী ওমর সানীর সঙ্গে মৌসুমীর মুখ দেখাদেখি, এমনকি কথাও বন্ধ ছিল। সানীর দাবি, এই দূরত্বের জন্য দায়ী জায়েদ খান। তিনি মৌসুমীকে বিরক্ত করতেন। এ নিয়ে শিল্পী সমিতিতেও অভিযোগ দেন সানী। শুধু তাই নয়, অভিনেতা ডিপজলের ছেলের বিয়ের আয়োজনে জায়েদ খানকে চড়ও মারেন ওমর সানী। বিপরীতে সানীকে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দেন জায়েদ। এর পর মৌসুমী এক অডিও বিবৃতিতে জানান, জায়েদ তাকে কখনও বিরক্ত করেননি। ফলে বিষয়টি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। পরে অবশ্য মৌসুমী-সানীর পুত্র ফারদিন মুখ খোলেন। তিনি পুরো বিষয়টি খোলাসা করেন এবং বাবা-মায়ের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটান।

ফিকার প্রথম নারী সভাপতি স্টালেকার

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক লিসা স্টালেকারকে ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ফিকা) নতুন সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো ক্রিকেটারদের এ আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রধান হলেন কোনো নারী।

সুইজারল্যান্ডের নিয়নে হওয়া ফিকার নির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান বিক্রম সোলাঙ্কির স্থলাভিষিক্ত হলেন স্টালেকার। এর আগে ফিকার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটসম্যান ব্যারি রিচার্ডস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার জিমি অ্যাডামস।

২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়া দলে অভিষেক হয় আগ্রাসী ব‍্যাটার স্টালেকারের। ওয়ানডেতে ছিলেন তিনি দুর্দান্ত। এই সংস্করণে ১২৫ ম্যাচ খেলে দুই সেঞ্চুরি ও ১৬ ফিফটিতে রান করেন ২ হাজার ৭২৮। তার অফস্পিন ছিল বেশ কার্যকর। ১৪৬ উইকেট নিয়ে তিনি এখনো ওয়ানডেতে সেরা ১০ উইকেট শিকারির তালিকায় আছেন।

২০১৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন স্টালেকার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফাইনালে ২০ রানে ২ উইকেট নিয়ে রাখেন বড় অবদান। ২০২১ সালে চতুর্থ নারী ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট হল অব ফেমে জায়গা করে নেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ধারাভাষ্যে ক্যারিয়ার গড়েন ৪২ বছর বয়সী স্টালেকার। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গেও কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।

এবার পুরো বিশ্বের ক্রিকেটারদের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে বেশ রোমাঞ্চিত স্টালেকার বলেন, ফিকার নতুন সভাপতি হতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও রোমাঞ্চিত। আমরা খেলাটির নতুন একটি পর্যায়ে প্রবেশ করছি, যেখানে অন‍্য যে কোনো সময়ের চেয়ে আমাদের পুরুষ ও নারী ক্রিকেটাররা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। অনেক দেশ এখন ক্রিকেট খেলছে, এটি প্রমাণ করে যে ক্রিকেট অবশ্যই একটি বৈশ্বিক খেলা হয়ে উঠছে।

দুর্ঘটনার কবলে রোনালদোর গাড়ি

পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ১৬ কোটি টাকার গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

ছুটির আমেজে থাকা রোনালদো স্পেনের মায়োরকাতে পরিবারের সঙ্গে আবকাশ যাপন করছেন। আর সেখানেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে রোনালেদোর গাড়ি।

কেউ হতাহতের শিকার হননি। গাড়ির ভেতর ছিলেন না রোনাল্ডো।

গাড়িটি নিয়ে চালক স্পেনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্থানীয় একটি বাড়ির দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারে। দেওয়ালটিও ভেঙে পড়ে। গাড়ির সামনের অংশটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে রোনালদো ও বা তার পরিবারের কেউ গাড়িতে ছিলেন না।

রোনালদোর কয়েকজন প্রতিনিধি গিয়ে ওই বাড়ির মালিকের সঙ্গে কথা বলেন। তার কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ালটি সারিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

৩ কাউন্সিলরসহ ৮ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মী কারাগারে

কুমিল্লায় ৩ কাউন্সিলরসহ ৮ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালত এর বিচারক বেগম ফারহানা সুলতানা এ আদেশ দেন।

২০১৮ সালের কুমিল্লার মুরাদনগরের বিস্ফোরক দ্রব্য মামলার হাজিরা দিতে গেলে ৪০ জনের মধ্যে ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে পাঠানো নেতাকর্মীরা হলেন- ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. একরাম হোসেন, বিষ্ণপুর মোন্সেফ কোয়ার্টার এলাকার বাসিন্দা ও ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. গোলাম কিবরিয়া, শুভপুর এলাকার বাসিন্দা ও ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. মোশারফ হোসেন, দক্ষিণ চর্থা এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন ফয়েজী, ইসহাক মিয়ার ছেলে মো. রাসেল, মোবারক আলীর ছেলে মফিজুল ইসলাম, সুলতান আহম্মদের ছেলে মান্নান মিয়া, শুভপুর এলাকার আ. অহিদের ছেলে নজির আহমেদ।