শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 236

হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার হবে বাংলাসহ ১৪ ভাষায়

চলতি বছরও পবিত্র হজের আরবি খুতবা অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষায়ও অনুবাদ করা হবে। গত বছর বাংলাসহ ১০ ভাষাষ এই অনুবাদ সম্প্রচার করা হয়েছিল। এবার নতুন করে আরও চারটি ভাষা যোগ হওয়ায় মোট ১৪টি ভাষায় হজের খুতবা অনুবাদ আকারে সম্প্রচার করা হবে।

আরব নিউজ জানিয়েছে, গত বছর ইংরেজি, ফরাসি, মালয়, উর্দু, ফার্সি, রুশ, চীনা, বাংলা, তুর্কি ও হাউসা ভাষায় অনুবাদ আকারে খুতবা সম্প্রচার করা হয়েছিল। এবার সে তালিকায় নতুন করে যুক্ত হওয়া চার ভাষা হচ্ছে স্প্যানিশ, ভারতীয়, সোয়াহিলি ও তামিল।

মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববির জেনারেল অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যান ড. আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিজ আল সুদাইস বলেন, আরাফাত দিবসের খুতবার লাইভ অনুবাদ পঞ্চম বছরে পদার্পণ করছে। অনুবাদ প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো বিশ্বকে ন্যায়পরায়ণতা, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা এবং মধ্যপন্থী ইসলামের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

তিনি বলেন, মানবাধিকার ও ইসলামের শিক্ষার পাশাপাশি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা দূর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সৌদি নেতৃত্ব হজযাত্রী ও দর্শনার্থীদের সেবা করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বকে ইসলামের সংযম ও সহনশীলতার বার্তা পৌঁছে দিতে আগ্রহী।

আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নেতৃত্ব সর্বাধিক সংখ্যক সম্ভাব্য শ্রোতাদের কাছে সংযম ও সহনশীলতার বার্তা দিতে চায়। মূলত এজন্যই অনুবাদ আকারে হজের খুতবা সম্প্রচারের জন্য ১৪টি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতি বছর আরবি জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত ময়দানে হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হয়। এই আরাফাতের ময়দানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে গত দুইবছর ‘সীমিত আকারে’ হজের আনুষ্ঠানিকতা পালন সৌদি আরব। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় এবার বিদেশিদেরও হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ বছর মোট ১০ লাখ মানুষ হজে অংশে নিচ্ছেন। এদের মধ্যে সাড়ে ৮ লাখ বা ৮৫ শতাংশই বিদেশি। আর দেড় লাখ সৌদির নাগরিক।

অবৈধদের নামিয়ে ১৮ ছাত্রকে হলে তুলল প্রশাসন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি)হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে অবৈধদের নামিয়ে বৈধ ১৮ শিক্ষার্থীকে হলে তোলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে এসব শিক্ষার্থীকে তাদের বরাদ্দকৃত রুমের সিটে তুলে হল প্রশাসন।

এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা বিছানাপত্র নিয়ে হলের সামনে অবস্থান নেওয়া শুরু করে। কিন্তু অবৈধ শিক্ষার্থীরা সিট না ছাড়ায় তারা হলে উঠতে পারছিলেন না।

পরে রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সব হলের প্রাধ্যক্ষদের উপস্থিতিতে অভিযান শুরু হয়। এরপর একে একে অবৈধ শিক্ষার্থীদের নামিয়ে বৈধ শিক্ষার্থীদের হলে তুলে দেওয়া শুরু হয়।

ভোর ৪টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাবি জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে।

তিনি জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে হল থেকে বের করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। অবৈধভাবে যারা বৈধ শিক্ষার্থীদের সিট দখল করেছিল তাদের নামিয়ে দিয়েছি। কারণ সিট বরাদ্দ দেওয়া হয় চলমান শিক্ষার্থী দেখে। শিক্ষাজীবন শেষ হলে স্বাভাবিকভাবে শিক্ষার্থীর সিট বাতিল হয়ে যাবে। সেখানে নবীন শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাবে এটাই চিরাচরিত নিয়ম। এরপরও কেউ থাকলে চাইলে অন্যর অধিকার খর্ব করে থাকতে হবে।

হল সূত্রে জানা গেছে, হলে সিট বরাদ্দ পাওয়া আবাসিক অন্তত ৪৪ শিক্ষার্থী হলে উঠার জন্য হল গেটে অবস্থান করেন। যারা হলে না থেকেও হলের ভাড়া দেন। অন্যদিকে অনাবাসিক ও অবৈধ শিক্ষার্থীরা ৭২টি সিট দখল করে আছেন। এরই প্রেক্ষিতে অবৈধ শিক্ষার্থীদের নামিয়ে বৈধ শিক্ষার্থীদের তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় হল প্রশাসন।

এর আগে গত ২৩ জুন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত নোটিশে জানানো হয়, হলে অবস্থান করা অনাবাসিক, বহিরাগত ও অন্য হলের শিক্ষার্থীদের ২৯ জুনের মধ্যে হল ত্যাগ করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী তার সমস্যার বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ২৮ জুনের মধ্যে অভিভাবকসহ হল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া কোনো বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে উঠতে বাধা দেওয়া হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ১৬ জুন একজন অবৈধ শিক্ষার্থীর বিছানাপত্র হল প্রশাসন জব্দ করায় হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শামীম ওসমান হলের ফটকে তালা দেন। এই নেতাও অনাবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। এরপর থেকেই হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসে এবং কঠোর অবস্থানে যায়। অবৈধ শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদে হল প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রাধ্যক্ষ পরিষদ একাধিক সভা করেছে।

ঈদুল আজহার ছুটিতে বন্ধ হচ্ছে না রাবির আবাসিক হল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ঈদুল আজহার ছুটিতে বন্ধ হচ্ছে না সকল আবাসিক হল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উপাচার্য জানান, আগামী ৭ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজশাহী বিশ্ববিধ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা। এছাড়াও জুলাইয়ের ২২ ও ২৩ তারিখ শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ২৪ জুলাই থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে।

বর্ষাকালে চর্মরোগ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ কী

প্রচণ্ড গরমের পরে বর্ষা শান্তির বারিধারা নিয়ে আসে ঠিকই তবে এই সময় গরমের দাপট একেবারে কমে যায় এমন নয়। অত্যধিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টির দাপটে বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে প্রচুর ঘাম হয়।

কি কি রোগ হতে পারে

বর্ষায় ত্বকে মূলত যে ধরনের ছত্রাকঘটিত সংক্রমণ হয় সেই সব রোগ ছাড়াও আরও কয়েকটি ত্বকের রোগ নিয়ে নিচে জানানো হল।

টিনিয়া করপোরিস

ত্বকে সাধারণত গোল গোল লিসিয়ন হয়। অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন অংশে এরা চাক বেঁধেও হতে পারে।

উপসর্গ : গোল গোল লিসিয়নে আক্রান্ত জায়গাগুলি ভীষণ চুলকায় ও জ্বালা করে। আক্রান্ত মানুষটি রোদে বেরলে সমস্যা বাড়ে।

চিকিৎসা : ফাঙ্গাসনাশক অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেলে এবং আক্রান্ত স্থানে মলম লাগালে এই রোগ সেরে যায়।

টিনিয়া পেডিস

সাধারণত পায়ের পাতায় বা আঙুলের ভাঁজে ছত্রাক জমার কারণে টিনিয়া পেডিস রোগটি হয়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।

উপসর্গ : আক্রান্ত অংশ খুব চুলকায় ও জ্বালা করে। রোগের প্রকোপ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় অবহেলা করলে পরে সংক্রমণ হয়ে গিয়ে সমস্যা জটিলতর হয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা : কিটোকোনাজোল জাতীয় ওষুধ লাগালে উপকার হয়।

পিটিরিয়াসিস ভারসিকালার

চলতি কথায় ‘ছুলি’ নামে পরিচিত। এটি একটি ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণ। ছুলি অনেক রঙের হতে পারে। যেমন, হালকা সাদা, আবছা সাদা, হালকা বা গাঢ় বাদামি ইত্যাদি। বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বেড়ে গেলে ছুলির জন্য দায়ী ছত্রাকের বংশবিস্তারে সুবিধে হয়।

উপসর্গ : গোল সাদা বা বিভিন্ন রঙের ছুলি হতে পারে। এরা ত্বকের ওপরে প্রকাশ পায়। শরীরের উপরিভাগে, বিশেষত মুখে ছুলি বেশি হয়। যে সব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে বা যাদের বংশগত প্রবণতা রয়েছে, তাদের ছুলি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

প্রতিকার : নিয়মিত চিকিৎসায় ছুলি সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে যায়। ছুলি রোধ করতে শরীর শুকনো রাখা প্রয়োজন। যেমন-বৃষ্টিতে ভিজে গেলে ভাল করে গা মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে সুতির পোশাক পরে নেওয়া উচিত।

চিকিৎসা : খাওয়ার ওষুধ হিসেবে ফ্লুকোনাজোল ট্যাবলেট অথবা কিটোকোনাজোল জাতীয় ট্যাবলেট পানিতে গুলে নির্দিষ্ট মাত্রায় খাওয়ানো দরকার। লাগাবার ওষুধ হিসেবে ক্লোটাইমাজোল, কিটোকোনাজোল অথবা জিঙ্ক পারক্সাইড জাতীয় ক্রিম লাগানো যায়। অনেক সময় মাথায় ছুলির ছত্রাক বাসা বাঁধে, তখন কিটোকোনাজোল শ্যাম্পু ব্যবহার করা যায়। মাথায় ছত্রাক সংক্রমণ হলে গ্রিসিওফালভিন সিরাপ খেলে সুফল পাওয়া যায়।

ইমপেটাইগো

ইমপেটাইগো দু’ধরনের হয়-একটি ফোঁড়া ধরনের, অন্যটি সাধারণ ইমপেটাইগো। সাধারণ ইমপেটাইগো-তে শরীরে পাতলা ফোস্কার সৃষ্টি হয়। এই ফোস্কা একসঙ্গে অনেকগুলি হয় এবং আস্তে আস্তে ফেটে গিয়ে হলদেটে রঙের হয়ে যায়।

ফোঁড়া ধরনের ইমপেটাইগোগুলি অবশ্য আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। এদের ভেতরের পুঁজ জমে ফেটে যায় এবং বাদামি আকার ধারণ করে। মুখে, ঘাড়ে এবং হাতে বা পায়ে ইমপেটাইগো বেশি হয়।

ইন্টারট্রাইগো বা ক্যানডিডাল ইনফেকশন

ছোট শিশুদের প্রায়ই এ রোগ হয়। রোগটির অন্য নাম ক্যানডিডাল ইনফেকশন। বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াই এ রোগের জন্য দায়ী। শিশুকে ঠিকমতো পরিষ্কার না রাখলেও এ রোগ হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে যেমন ঘাড় ও বিশেষ করে কুঁচকিতে ইন্টারট্রাইগো বেশি হয়। আক্রান্ত স্থান লাল আকার ধারণ করে।

ন্যাপি র‌্যাশ

ন্যাপি র‌্যাশ বা ন্যাপকিন ডার্মাটাইটিসের মূল কারণ ভিজে ন্যাপকিনের সংস্পর্শ এবং বর্ষার আদ্র আবহাওয়া। ডায়াপারের ঘষা লেগে শিশুর কচি ত্বক ছড়ে গেলে মূত্রে থাকা জীবানুরা ভিজে ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে ছড়িয়ে পড়ে।

উপসর্গ : তলপেট, কুঁচকি, থাইয়ের ওপরের অংশে এ সমস্যা বেশি হয়। তাই এ-সব জায়গা সবসময় শুকনো রাখার চেষ্টা করা উচিত। অপ্রয়োজনে ডায়াপার লাগানো উচিত নয়।

প্রতিকার : খোলামেলা ও শুকনো থাকলে ন্যাপি র‌্যাশ হয় না। থাই ও কুঁচকি সবসময় যথাসম্ভব শুকনো রাখা উচিত। শিশুরা যাতে প্রস্রাব-পায়খানার মধ্যে শুয়ে না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। বাচ্চাদের সফট্ বেবি সোপ দিয়ে গোসল করানো ভাল।

চিকিৎসা : ন্যাপি র‌্যাশ উপশমে প্রয়োজনে জিঙ্ক অক্সাইড, টাইটেনিয়াম ডাই অক্সাইড ইত্যাদি লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

স্কেবিস

বর্ষাকালে এই সমস্যা খুব স্বাভাবিক। এ সমস্যায় আক্রান্ত অংশ খুব চুলকায়। দিন থেকে রাতের দিকে চুলকানি বাড়ে। হাতের কবজি, আঙুলের ফাঁক, আঙুলের চারধার, মাথা ও দেহের খাঁজে এ সমস্যা হতে দেখা যায়। আক্রান্তস্থলে লাল দানা আকারের ক্ষত হয়।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করানো হলে মাসের পর মাস রোগী এ সমস্যায় ভুগতে পারেন। পার্মাইট ক্রিম ব্যবহারে সুফল মেলে।

লেখক : বিভাগীয় প্রধান, ত্বক ও যৌনব্যাধি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ রোগের লক্ষণ ও করণীয়

ঘুমের মাঝে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো একটি জটিল সমস্যা হলো স্লিপ এপনিয়া। স্লিপ এপনিয়া হলে ঘুমের মাঝে দশ সেকেন্ড থেকে কিছু মিনিট সময় ধরে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। আর এ সমস্যাতে ঘুমের মাঝে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আমাদের রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও কমে যায়। অক্সিজেনের অভাবে মস্তিষ্ক জেগে ওঠে এবং ঘুম ভেঙে যায়।

এ রোগে আক্রান্ত রোগীরা ঘুম ভাঙার পর শ্বাস নেয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আবার ঘুমিয়ে পড়ে। খুবই জটিল অবস্থায় সারারাতে বারবার শ্বাস বন্ধ ও ঘুম ভাঙা এ চক্রটি চলতে থাকে। ফলে ঘুমিয়েও ঘুম পূরণ হয় না। এ ঘটনাগুলো যেহেতু গভীর ঘুমের মাঝে ঘটছে তাই রোগী তার এ সমস্যা বুঝতে পারে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে হয়তো তাদের মনেও থাকে না। যেহেতু বারবার ঘুম ভাঙার ফলে ঘুমিয়ে কখনো ঘুম পূরণ না হওয়ার ফলে সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকে।

আর ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) হচ্ছে ফুসফুসের একগুচ্ছ রোগ। এ রোগের মাঝে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস ও এম্ফাসিমা দীর্ঘস্থায়ী অ্যাজমা। এটি সাধারণত আটকে থাকা বা সরু শ্বাসনালি অথবা অভ্যন্তরীণ কাঠামোর প্রদাহ অথবা ফুসফুসের বায়ু থলির ক্ষতির কারণে শ্বাসকষ্ট দেখা যায়।

দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের রোগ সিওপিডি। সিওপিডিতে শ্বাসকষ্ট ঘুমকে প্রভাবিত করতে পারে বিভিন্নভাবে। যারা সিওপিডিতে ভুগছেন, তারা বেশিরভাগ কম/বেশি ঘুমের সমস্যার অভিযোগ করেন। সামগ্রিকভাবে সিওপিডিতে আক্রান্ত ব্যক্তির ঘুমের গুণগত মান ও সময় কমে যায়, রাতে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং তারা প্রায়ই জেগে উঠতে পারেন।

এ রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন ইনজিনিয়াস পালমো ফিটের স্লিপ কনসালট্যান্ট ডা. ফাতেমা ইয়াসমিন।

ফুসফুসের জার্নালে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৬ শতাংশ পর্যন্ত সিওপিডি রোগী স্লিপ এপনিয়ায় ভোগেন। স্লিপ এপনিয়ার সঙ্গে সিওপিডি যুক্ত হলে চিকিৎসকরা এটিকে ‘ওভারল্যাপ সিনড্রোম’ হিসাবে উল্লেখ করে থাকেন। সিওপিডি রোগীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। স্লিপ এপনিয়ার সঙ্গে সিওপিডি যুক্ত হলে এটি উচ্চ রক্তচাপ, পালমোনারি হাইপারটেনশন, অ্যারিথমিয়া, হার্ট ফেইলিওর এবং চিকিৎসা না করা হলে স্ট্রোকের দিকে নিয়ে যায়। স্লিপ এপনিয়া আক্রান্ত রোগীদের পালমোনারি হাইপারটেনশন হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পালমোনারি হাইপারটেনশন হলো এক ধরনের ফুসফুসের উচ্চ রক্তচাপ। এটি ফুসফুসের ধমনিতে এবং হৃৎপিণ্ডের ডানদিকে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।

পালমোনারি হাইপারটেনশনের রোগীদের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বুকে চাপ অনুভব করে। চিকিৎসা না করালে, সিওপিডির মতো পালমোনারি হাইপারটেনশন ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খারাপ হয়। স্লিপ এপনিয়াতে সৃষ্ট প্রদাহ সিওপিডিতে প্রদাহকে আরও খারাপ করতে পারে।

ধূমপান স্লিপ এপনিয়া এবং সিওপিডি উভয়ের সঙ্গেই জড়িত। ধূমপান প্রদাহকে ট্রিগার করে, উভয় অবস্থার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত ওজন স্লিপ এপনিয়ার ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। এটি পুরুষদের মধ্যে স্লিপ এপনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া সিওপিডির রোগীদের রাতের লক্ষণগুলো সাধারণত উপেক্ষা করা হয়। রোগটি শনাক্ত করার প্রয়োজনে সিওপিডিতে আক্রান্ত ব্যক্তির মাঝে যদি কোনো রাতের উপসর্গ থেকে থাকে সেগুলো অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে অবহিত করা প্রয়োজন। এ উপসর্গগুলোর মধ্যে যে কোনো একটির উপস্থিতি যদি সিওপিডির রোগীর মাঝে থাকে তবে চিকিৎসকে জানানো প্রয়োজন :

* রাতে নাক ডাকা

* রাতে হাঁপানি বা দম বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অনুভব করা

* সকালে মাথাব্যথা

* দিনেরবেলা অতিরিক্ত ঘুম

* স্থূলতা

* দিনেরবেলা রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকা

* দিনেরবেলা কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পাওয়া

* পালমোনারি হাইপারটেনশন

* ডানদিকের হার্ট ফেইলিওর

* পলিসিথেমিয়া (রক্তে লাল রক্ত কোষের উচ্চ ঘনত্ব)

* ডায়াবেটিস, হার্ট ফেইলিউর বা স্ট্রোকের ইতিহাস

এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক ঘুমের পরীক্ষার মাধ্যমে রোগীর ঘুমের অসুবিধাগুলোর ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারবে। পলিসোমনোগ্রাফি অথবা স্লিপ টেস্ট একটি সর্বাধুনিক পরীক্ষা পদ্ধতি যার মাধ্যমে খুব সহজেই এ রোগটি নির্ণয় করা যায়। ঘুমের পরীক্ষার/স্লিপ এপনিয়া পরীক্ষা, যা পলিসোমনোগ্রাফি (PSG) নামেও পরিচিত। এটি আপনার শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা এবং ঘুমের পর্যায় এবং ঘুমের মাঝের পরিবর্তনগুলো ব্যাপকভাবে ধারণ করা হয়।

এ পরীক্ষাটি দ্বারা ঘুমের মাঝে কখন, কতবার এবং কী ধরনের শ্বাস বন্ধ হচ্ছে তা বোঝা যায়। আবার কিছু রোগীর জন্য একটি বিকল্প হলো হোম স্লিপ টেস্ট (এইচএসটি), যেখানে রোগীরা তাদের নিজের বাসায় এবং নিজের বিছানায় ঘুমাতে পারে (যদিও পরীক্ষাটি ল্যাবে করানো উত্তম)। রোগ নির্ণয়ের পর চিকিৎসার মাধ্যমে উপসর্গগুলোর তীব্রতা কমাতে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে। চিকিৎসার লক্ষ্য হলো শ্বাস-প্রশ্বাস এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা উন্নত করা এবং রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমানো।

চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার/পিএপি (PAP) থেরাপি, অক্সিজেন থেরাপি, ব্রঙ্কোডাইলেটর এবং পালমোনারি রিহাবিলেশন। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বহুল প্রচলিত চিকিৎসা হলো পিএপি (PAP) ডিভাইস এর ব্যবহার। এ মেশিনটি দ্বারা ঘুমের মাঝে শ্বাস বন্ধ সমস্যাটি দূর করা যায়। মেশিনটি দ্বারা একটি নির্দিষ্ট চাপে বাতাস প্রবাহ হয়, যা রোগীর নাক বা নাক-মুখ দিয়ে শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে এবং স্লিপ এপনিয়া হতে বাধা দেয়। রাতের ভালো ঘুম এবং জীবনের মানের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত চিকিৎসায় রোগের লক্ষণগুলো কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলোর ঝুঁকি কমায়।

স্বামী, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে থানায় অভিনেত্রী

বিয়ের তিন বছর ঘুরতে না ঘুরতেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ‘কাহানি ঘর ঘর কি’ ধারাবাহিক খ্যাত অভিনেত্রী সুরভী তিওয়ারি। স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা এবং প্রতারণার অভিযোগ করেছেন তিনি।

২০১৯ সালে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

মুম্বাইয়ের এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুরভী জানিয়েছেন, বিয়ের পরই তিনি উপলব্ধি করেন সঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে প্রবীণ বেমানান। শুধু তাই নয় বিয়ের আগে স্বামী কথা দিয়েছিলেন মুম্বইয়ে থাকবেন। কিন্তু সেই কথা তিনি রাখেননি।

তিনি আরও বলেন, দিল্লিতে থাকার কারণে আর্থিক দিক থেকে আমি উনার উপর নির্ভরশীল ছিলাম। মা হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রবীণের কোনো ইচ্ছাই ছিল না।

সুরভীর সোনার গয়না থেকে যাবতীয় অনেক কিছুই তার শ্বশুরবাড়িতে। তিনি তা ফেরত পাননি। শুধু তাই নয় স্বামী প্রবীণ আইনত বিচ্ছেদ করতে রাজি নয়। তাই অভিনেত্রী নিজেই মামলা করবেন।

‘কাহানি ঘর ঘর কি’ ছাড়াও ‘আরাধনা’ ধারাবাহিকে ‘শগুন’ চরিত্রের হাত ধরে জনপ্রিয়তা পান সুরভী তিওয়ারি।

পোশাক ছাড়াই ফটোশুট, আলোচনায় অভিনেতা

ভারতের তেলুগু সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তার তার জনপ্রিয়তা তেলেগুর গণ্ডি পেরিয়ে সমগ্র ভারত এমনকি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিজয়ের ‘অর্জুন রেড্ডি’ কিংবা ‘গীত গোবিন্দম’ সিনেমাগুলো বিপুল দর্শকের মন জয় করেছে। এবার করণ জোহর প্রযোজিত ‘লিগার’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে পা রাখতে চলেছেন এই দক্ষিণী তারকা।

জনপ্রিয় এই তারকা অভিনীত সিনেমাটি ঘিরে দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে। এবার সেই আগ্রহ নতুন মাত্রা পেল।

সিনেমাটির প্রচারে নতুন ফটোশুট করেছেন বিজয়। যেখানে তিনি কোনো পোশাক ছাড়াই ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন। সোজা কথায়, নগ্ন হয়ে ফটোশুট করেছেন। কেবল একগুচ্ছ গোলাপ দিয়ে শরীরের বিশেষ অঙ্গ ঢেকেছেন অভিনেতা।

ছবিটি নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে বিজয় লিখেছেন, এই সিনেমাটি আমার সবকিছু নিয়ে নিয়েছে। অভিনয়ের দিক থেকে, মানসিকভাবে, শারীরিকভাবে আমার সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং চরিত্র।

এদিকে, বিজয়ের এই ছবি মুহূর্তেই ইন্টারনেট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছে। বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেই ৪ ঘণ্টায় ছবিটিতে রিঅ্যাকশন পড়েছে ১১ লাখের বেশি। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।

হজ পালন করতে সৌদি আরবে মুশফিক

পবিত্র হজব্রত পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

শনিবার মক্কায় পৌঁছে কাবা শরীফের সামনে দাঁড়ানো ছবি আপলোড করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সৌদি আরবের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন মুশফিক।

হজ পালনের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাননি মুশফিক।

এর আগে ওমরাহ পালন করলেও হজ করা হয়নি মুশফকের। পবিত্র হজ পালনের জন্য দুই বছর আগে থেকেই চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে যেতে পারেননি গত দুই বছর।

তাই এবার পার্থিব সব কাজ ফেলে রেখে হজ পালনে গেলেন তিনি।

হজের জন্য দেশ ছাড়ার আগে অবশ্য ব্যস্ত সময় পার করেছেন মুশফিক।

ব্যক্তিগত কাজ, ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। এছাড়াও মেটলাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি আর নগদ ইসলামিকের শ্যুটিং করছেন তিনি। ঈদের আগে টিভিতে সম্প্রচার হবে দুটি বিজ্ঞাপনই।

ইতালির ফুটবলে প্রথম নারী রেফারি

রেফারিংয়ে নতুন একযুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে ইতালিয়ান ফুটবল। আসন্ন ২০২২-২৩ মৌসুমের জন্য সেরি-এ লিগের ইতিহাসে প্রথম নারী রেফারি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আর এর মাধ্যমে ইতিহাসে নাম লেখাতে যাচ্ছেন মারিয়া সোলে ফেরিয়েরি কাপুতি।

গত বছর প্রথম নারী রেফারি হিসাবে ইতালিয়ান কাপের একটি ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন তিনি। এবার আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পেলেন ৩১ বছর বয়সি কাপুতি।

কাপুতির রেফারিতে হাতেখড়ি হয় ২০০৭ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে। ইতালিয়ান রেফারি অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দেন সেই সময়ে। এরপরের ৮ বছর প্রাদেশিক ও আঞ্চলিক সব লিগে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন কাপুতি।

এরপর ২০১৫ সালে দেশটির চতুর্থ সর্বোচ্চ ফুটবল প্রতিযোগিতা সিরি’ডি এর ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান।

২০১৯ সালে তিনি নারী ইউরোর বাছাইপর্বের ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পান। পরের বছর তিনি সিরি’সি এর রেফারিংয়ের সুযোগ পান। সে বছরই তিনি সিরি’বি এর একটি ম্যাচ পরিচালনা করেন। এবার তার পা পড়তে যাচ্ছে সিরি’আর আঙিনায়।

বন্যার পানি কমছে ধীরগতিতে, বাড়ছে দূর্ভোগ

ভাটিতে পানির টান না থাকায় সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বন্যার পানি ধীর গতিতে কমছে আর জনদূর্ভোগ ক্রমশ বাড়ছে। পর পর তিন দফা সর্বনাশা বন্যায় ঝরে গেল তিন শিক্ষার্থী ও মহিলাসহ ১৪টি তাজা প্রাণ, ভেসে গেল ৫ সহস্রাধিক মৎস্য খামার ও পুকুরের মাছ, গবাদি পশু, ধান-চাল, কাঠখড়ি, থালাবাসন ও আসবাবপত্রসহ কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

উপজেলার প্রতিটি রাস্তা, মাঠঘাটের বেহাল দশায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন পেশাজীবীরা।

অপরদিকে বিধস্ত হওয়া জরাজীর্ণ বাড়িঘর সংস্কার করা তো দূরের কথা এ মূহুর্তে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তবে সরকারি ও বেসরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকায় হতদরিদ্র ও নিন্মে আয়ের পরিবারগুলো বন্যার রেশ কাটিয়ে উঠলেও বড়ই বিপাকে পড়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। আত্মসম্মান ও লোকলজ্জায় মুখ খুলছেন না তারা। কারো মুখাপেক্ষি না হয়ে অনাহারে অর্ধাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে নিরবে দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন তারা।

বন্যা পরবর্তী কৃষি পূনর্বাসনের জন্য নিামূল্যে ধানের চারা, বীজ ও কষি ভর্তুকি প্রদানের দাবি জানান ভূক্তভোগী কৃষি পরিবারগুলো।

এ ছাড়া বকেয়া কৃষিঋণ মওকুফ করে বিনা সুদে নতুন ঋণ প্রদান, মৎস্যজীবী ও খামারীসহ ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে গৃহনির্মাণ বাবদ বিনা সুদে চাহিদামাফিক ঋণ বিতরণে বারবার নির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক মহোদয়ের মাধ্যমে কৃষিবান্ধব সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন অভিজ্ঞজনরা।

দোয়ারাবাজারের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াংকা বলেন, বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ উন্নতি হলেও দূর্গত এলাকায় বানভাসিদের মধ্যে পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, শুকনো খাবারসহ প্রয়াজনীয় ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বেসরকারি সংগঠনগুলোও বানভাসিদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

বন্যা পরবর্তী পূনর্বাসনে তালিকা প্রণয়নের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে তা কার্যকর হবে বলে তিনি জানান।