ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল আগামী ৩ ডিসেম্বর। জাপান সফর শেষে এদিন দেশে ফিরবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে সেদিন তার সম্মেলনে অংশ নেওয়া সম্ভব হবে না। ফলে আগামী ৮ ডিসেম্বর সম্মেলনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এদিন আবার চলমান এইচএসসির ৪টি পরীক্ষা।
পরীক্ষা হলেও ৩ ডিসেম্বর সম্মেলন করবে ছাত্রলীগ। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কামাল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি বলেন, আগামী ৮ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলন হবে বলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কামাল খান নিজের ফেসবুকেও পোস্ট দিয়েছেন।
জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা রুটিন অনুসারে কেবলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত উচ্চতর গণিত ২য় পত্র ও ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র। পরীক্ষা। দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত-গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র ও সংস্কৃত ২য় পত্র পরীক্ষা।
সম্মেলন হলে পরীক্ষার কি হবে, এ বিষয়ে ছাত্রলীগ বা তাদের নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আগামী ২৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান যাচ্ছেন। ফেরার দিন ছাত্রলীগের সম্মেলন। তাই সেদিনের বদলে ডিসেম্বরের অন্য কোনো দিন সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের নির্দেশনা দেন তিনি।
তাই ৩ ডিসেম্বরের দিন পিছিয়ে সম্মেলন ৮ ডিসেম্বর নিয়ে যায় ছাত্রলীগ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংগঠনটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। সেখানে সম্মেলনের তারিখ নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ৮ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলনের ইঙ্গিত দেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
বুধবার (১৬ নভেম্বর) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে চলছে লেনদেন। বুধবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বুধবারের লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১২ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১৩৪৫ ও ২১৭৯ পয়েন্টে রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বুধবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলো শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির, কমেছে ৩৯টির। আর অপরির্বতিত রয়েছে ১১৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো- জেনেক্স, সামিট অ্যালায়েন্স, বসুন্ধরা পেপার, অরিয়ন ফার্মা, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক, নাভানা ফার্মা, কেডিএস অ্যাসোসিয়েট, সিনোবাংলা, ইস্টার্ন হাউজিং ও স্কয়ার ফার্মা।
এর আগে দিনের লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ২ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচকের গতি নিম্নমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২১৬ পয়েন্টে অবস্থান করে।
অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৪৭৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট। এসময়ের ৯টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ১০টি কোম্পানির দর। অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানি শেয়ারের দর।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি জিতেছেন এবং ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো সমর্থন তার রয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজে বুধবার দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। গত ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনার পর এটিই তার গণমাধ্যমে প্রথম কথা বলা। খবর ফোর্বসের।
পরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে দেওয়া পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী নির্বাচনের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, ২০২৪? আমি এখনই বলতে পারছি না, তবে আমাদের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা সে ব্যাপারে তিনি বলেন, এটি বলার এখনও সময় আসেনি। ট্রাম্প বেশ গর্বভরে বলেন, আমি হচ্ছি ইমপিচ হওয়া একমাত্র ব্যক্তি, যার প্রতি জনসমর্থন বাড়ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দলের নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, রিপাবলিকান দলের লোকজন নিতান্তই ভদ্র, তারা শুধু নিজেদের দলের লোকের ওপর আঘাত হানতে পারেন।
গত নির্বাচনে ২৩২ ইলেকট্রোরাল ভোট পান ট্রাম্প, আর জো বাইডেন ৩০৬ ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। নির্বাচনে হেরেও বেশ জলঘোলা করেন ট্রাম্প। নির্বাচনে ভরাডুবির পরও নিজেকে জয়ী দাবি করে আসছেন তিনি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো (এনজিও) দেশের গরিব মানুষদের কাছ থেকে বেশি সুদ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) ই-সেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
এনজিওগুলোর এসব কাজ ‘নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য’ নয় জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘সেবা করার জন্য এনজিও প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি। তবে কেন এত উচ্চ চার্জ নেওয়া হচ্ছে? গরিবরা বেশি সুদ দিচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণে নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে হবে।’
এনজিওগুলোকে লাভের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার তাগিদ দিয়ে গভর্নর বলেন, সুদ হার কমানোর বিকল্প নেই।
সারা দেশে বতর্মানে এমআরএ নিবন্ধিত ৮৮১টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ৭৪৭টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ২২ হাজার শাখার মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এনজিওগুলোর ঋণ আদায়ের হার ৯৮ ভাগের বেশি। দেশের ৩ কোটি ৫২ লাখের বেশি পরিবার ক্ষুদ্রঋণ পরিসেবার আওতায় রয়েছে। পরিবার প্রতি গড়ে চারজন ধরা হলে প্রায় ১৪ কোটি মানুষ অর্থাৎ দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষুদ্রঋণে সম্পৃক্ত।
এনজিওগুলোর জোট ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (সিডিএফ) তথ্যমতে, গ্রামীণ অর্থায়নের প্রায় ৭৩ শতাংশ জোগান আসে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশ কৃষি এবং ৩১ শতাংশ বিনিয়োগ হয় ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে। জিডিপিতে ক্ষুদ্রঋণের অবদান ১৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
বিজনেস বাংলাদেশ / bh
হঠাৎ করে স্বামী অসুস্থ হয়ে পরায় আছিয়া বেগমের পরিবারে নেমে আসে অভাব-অনটন। ওই সময় তার চার ছেলে-মেয়েও ছিল নাবালক। এমতাবস্থায় পরিবারের হাল ধরতে আছিয়া বেগম ২০১০ সালে ঋণ করে পাড়ি জমান মালদ্বীপে। তার স্বপ্ন ছিল স্বামীর চিকিৎসা ও পরিবারের স্বচ্ছতা ফেরানোর। সুখের নাগাল ধরার মুহূর্তে এসে আছিয়া তার স্বপ্ন নিয়েই পুড়ে মারা গেলো মালদ্বীপের আগুনে।
বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) রাতে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে একটি বাড়িতে আগুন লেগে আছিয়াসহ ১০ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আছিয়া বেগম (৫০) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের পীরপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি একই উপজেলার কুমারগাতা গ্রামে।
জানা যায়, অপ্রাপ্ত বয়সে দিনমজুর ইসমাইলের সঙ্গে বিয়ে হয় আছিয়া বেগমের। বিয়ের কয়েক বছর পর আছিয়ার স্বামী ইসমাইল হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় তাদের ঘর আলো করে চার ছেলে-মেয়ের জন্ম হয়। ইসমাইল হোসেন অসুস্থ থাকায় দিনমজুরের কাজ শুরু করেন আছিয়া বেগম। কোনও দিশকুল না পেয়ে এক পর্যায়ে আছিয়া বেগম এক লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ করে ২০১০ সালে মালদ্বীপে পাড়ি জমান।
মালদ্বীপে আছিয়া কাজ নেন গৃহকর্মীর। দীর্ঘ এই সময়ে আছিয়া স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে সংসারে স্বচ্ছতা ফেরাতে পারেননি। তবে চার ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দিতে পেরেছেন। দুই ছেলেকে বিয়ে করানোর পর তারা পৃথক হন। বর্তমানে আছিয়ার বড় ছেলে রিকশা চালক ও ছোট ছেলে ইটভাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। ছেলেরা পৃথক হওয়ায় স্বামীর দেখাশোনা করতে আছিয়া তার দুই মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে বাড়িতেই রেখেছেন।
গত ১০ নভেম্বর সকাল ১০টায় হঠাৎ করে বড় মেয়ে নুর নাহারের মোবাইলে কল আসে মালদ্বীপ থেকে। সেসময় তাকে তার মায়ের মৃত্যুর খবরটি জানানো হয়। তখনই থমকে যান মেয়ে নুর নাহার। কান্নায় ভেঙে পড়েন নুর নাহার। নুর নাহারের কান্নার শব্দে পুরো বাড়িতেই মুহূর্তে নেমে আসে শোকের ছায়া। মুহূর্তেই আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠে পুরো এলাকা।
মৃত আছিয়া বেগমের মেয়ে নুর নাহার বলেন, ‘আমার বাবা অসুস্থ থাকায় পরিবারের হাল ধরতে মা মালদ্বীপে যান। তার স্বপ্ন ছিল বাবার চিকিৎসা ও পরিবারের স্বচ্ছতা ফেরানোর। কিন্তু আমার মায়ের স্বপ্নটা মালদ্বীপের আগুনে পুড়ে গেছে। কখনও ভাবিনি এভাবে মায়ের মৃত্যু হবে। মায়ের স্বপ্নটা আর পূরণ হলো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের লাশটা ফেরত চাই। মায়ের মুখটা শেষবারের মতো দেখতে চাই। হয় তো একদিন পরিবারের স্বচ্ছতা ফিরে আসবে কিন্তু মাকে আর কখনও ফিরে পাবো না।
আছিয়া বেগমের স্বামী ইসলাইল হোসেন বলেন, ‘সব দোষ আমার। আমার জন্যই সে বিদেশে গিয়েছিল। বিদেশে না গেলে আজ হয় তো এভাবে তার মৃত্যু হতো না। আমার স্ত্রীর লাশটা দেখতে চাই। তার লাশটা নিজ হাতে কবর দিতে চাই।
আছিয়া বেগমের ছোট ভাই তাজমল হোসেন বলেন, ‘অল্প বয়সে আমার বোনকে বিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তার সংসারে নেমে আসে অভাব-অনটন। স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর আপা নিজেই দিনজমুরের কাজ করতো। স্বামী অসুস্থ ও ছেলে-মেয়ে ছোট থাকায় আপা নিজেই সংসারের হাল ধরতে মালদ্বীপে যান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মালদ্বীপে নিহত আছিয়ার লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। তার পরিবার খুবই দরিদ্র। তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তার জন্য চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলা হবে।’
প্রসঙ্গত, গত ১০ নভেম্বর মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে একটি বাড়িতে আগুন লেগে বাংলাদেশিসহ ১০ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। মালের মাফান্নু এলাকার ওই বাড়িতে থাকতেন তারা। যেখানে আগুন লেগেছিল এটি ঘনবসতি এলাকা হিসেবে পরিচিত।
বিজনেস বাংলাদেশ / bh