সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুলের ভুল তথ্যের ব্যাখ্যা

0
302

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে একটি ভুলের ব্যাখ্যা দিয়েছে দলটি।

মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিবের লিখিত বক্তব্যের একপর্যায়ে একটি তথ্য ভুলভাবে পরিবেশিত হয়েছে। ভুলবশত ৯ লাখের বদলে ৯ মিলিয়ন বলা হয়েছে।
২০০৪-০৬ সাল পর্যন্ত তিন বছরে লবিস্ট নিয়োগের জন্য প্রকৃত খরচ ৯ লাখ মার্কিন ডলার, ৯ মিলিয়ন ডলার নয়।

অনিচ্ছাকৃত ওই ভুলের জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকালের সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, একজন প্রবাসী বাংলাদেশির লবিস্ট নিয়োগের বিষয়টি সরকার বিএনপির ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার তাদের সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতে, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং দুঃশাসনকে প্রলম্বিত করতে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের কৌশল নিয়েছে। আমরা বলতে চাই— দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে যদি প্রবাসীরা কোনো পদক্ষেপ কোথাও নেন, দেশের প্রতি তার ভালোবাসার জন্য যদি কিছু করেন, সে পদক্ষেপের দায়িত্ব তার, বিএনপির নয়। ওই পদক্ষেপকে নৈতিক সমর্থনের দায়িত্ব বাদে অন্য কোনো দায়দায়িত্ব বিএনপি বহন করে না। তবে বিশ্বের দেশে দেশে প্রবাসীদের গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার রক্ষার জন্য এ ধরনের দেশপ্রেমিক পদক্ষেপকে বিএনপি সাধুবাদ জানায়। তাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।

এ সময় মানবাধিকার রক্ষায় বিদেশে লেখা তার কয়েকটি চিঠি উপস্থাপন করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে কথা বলছেন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী। আমার চিঠি দেখিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। দেখুন ওই চিঠি কাকে লেখা হয়েছিল এবং বিষয়বস্তু কি ছিল। বিএনপি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার সব ব্যক্তিবর্গের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের সবচেয়ে বড় ভ্যানগার্ড। আর তাই, বিএনপি তার আন্দোলন-সংগ্রামের অংশ হিসেবেই দেশের ডেভেলপমেন্ট পার্টনারদের সমর্থন চায়। মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ চায়। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে দেশি-বিদেশি সব অংশীদারদের এই সরকারের সব অপকর্ম সম্পর্কে অবগত করে রাখতে চায়। বিদেশ লেখা আমার ওই চিঠিগুলো কোনো লবিস্ট নিয়োগের বিষয় নয়, মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান মাত্র!

মির্জা ফখরুল দাবি করেন, ২০০৫ থেকে ২০০৭ সালের তিন বছরে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সংশ্লিষ্টতায় ৯০ লাখ (৯ মিলিয়ন) ডলার খরচ করে লবিস্ট নিয়োগ করেছিল বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে। যার প্রমাণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েব পেজে আছে। বিএনপি জানতে চায়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের ওই টাকার উৎস কী ছিল, কীভাবে ওই টাকা বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় গিয়েছিল?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here