নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট চেয়েছেন।
আমি নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জবাসীর সঙ্গে কথা বলে আমার মনে হয়েছে তারা তাদের মেয়র প্রার্থীর খোঁজ পেয়ে গেছেন।
রাজধানীসংলগ্ন নারায়ণগঞ্জ মহানগরীকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি (পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী) উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করে বলেছেন, আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে কথা দিচ্ছি এই নগরীকে আমি বোসযোগ্য হিসাবে গড়ে তুলব।
এই নগরীকে আমি সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তিত করব। নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি খালি জায়গায় রোপণ করা হবে সারিবদ্ধ গাছ। ভবনের ছাদে বাগান করাকেও উৎসাহিত করব। গণসংযোগ করার সময় তিনি বলেন, যারা ছাদবাগান করবেন তাদের হোল্ডিং ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাতি মার্কার এই প্রার্থী নগরীর ১৭ ও ১৮নং ওয়ার্ডে প্রচার চালান। দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোট ও দোয়া চান। এ সময় তার সঙ্গে জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অঙ্গসংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
শাসক দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর করা বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দেন তৈমুর আলম খন্দকার। ট্যাক্স বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি যা বলি কাগজে-কলমে বলি। তথ্য ছাড়া কোনো কিছু বলি না। সিটি করপোরেশনের অনেক তথ্য আমার হাতে। এখানে যারা ট্যাক্স দেন তারা জানেন ট্যাক্স কতটা বেড়েছে, করোনাকালে সবকিছু কমলেও নাসিকে ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। আমি জনগণের প্রার্থী। এখানে গণবিপ্লব হতে যাচ্ছে।
জনগণেরই জয় হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচনি প্রচারে আসবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তৈমুর বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা এলে অবশ্যই নারায়ণগঞ্জবাসী তাদের স্বাগত জানাবে। দলের মহাসচিব সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন আমার জন্য কাজ করতে, এর চেয়ে বড় মেসেজ আর কী হতে পারে। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জেই যথেষ্ট নেতা আছে। আর আমিই তো আল্লাহর রহমতে জাতীয় পর্যায়ের নেতা।
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বিএনপির আশীর্বাদপুষ্ট তৈমুর আলম বলেন, নারায়ণগঞ্জের জনগণ আমার পাশে থাকলেই চলবে। এই নগরীর নেতাদেরই আমি যথেষ্ট মনে করি।
নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে তৈমুর বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বোবা এবং অন্ধ হলে চলবে না। তাদের চোখ-কান খোলা রেখে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে।
তবেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যেখানেই আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সেটা প্রতিহত করা। নয়তো আচরণবিধি লঙ্ঘন হতেই থাকবে।
সরকারি দল তো আমলাদের একটা সুবিধা পায়।


