পর্তুগালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে যেসব নাগরিক ৩০ জানুয়ারি ২০২২ সালের জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানে অক্ষম, ওই সব ব্যক্তিদের জন্য আগাম ভোট প্রদানে নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেছে।
যেসব নাগরিক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং জেলখানায় আটক রয়েছেন তারা ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন। যারা আগাম ভোট দিতে ইচ্ছুক তারা ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারি ২০২২ এর মধ্যে, যেসব নাগরিক করোনা আক্রান্ত বা সংস্পর্শে আসার কারণে বাধ্যতামূলকভাবে আইসোলেশন থাকবেন অথবা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অক্ষম এবং যারা বৃদ্ধনিবাসে বসবাস করেন তারা ২০ থেকে ২৩ জানুয়ারি ২০২২ সালের মধ্যে আগাম ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।
এছাড়া যেসব পর্তুগিজ নাগরিক ভোটার হয়েছেন এবং দেশের বাইরে অবস্থান করছেন তারাও এই নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারবেন এই সংক্রান্ত একটি লিফলেট প্রকাশ করা হয়েছে। পর্তুগিজ প্রবাসী নাগরিকদের স্থানীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেট অফিসে ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্তুগিজ জাতীয় পরিচয়পত্র সহকারে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে এবং নির্দেশিকা অনুযায়ী এটি ডাকযোগে পর্তুগালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য পর্তুগিজ নির্দিষ্ট কনস্যুলেটে বা দূতাবাসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
চলতি বছরের অক্টোবর মাসে পর্তুগিজ জাতীয় সংসদে ২০২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হলে বর্তমান কোয়ালিশন সরকার তাদের সহযোগী এবং বিরোধী দল থেকেও সমর্থন হারায় অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ সোশ্যালিস্ট পর্টি বাদে বাকি শরিক দলগুলো বিই, পিসিপি, পিইভি এই বাজেটকে প্রত্যাখ্যান করে; তবে দুটি দল ভোট প্রদানে বিরত থাকে।
এমন পরিস্থিতিতে পর্তুগালে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয় এবং তা সমাধানে সব দলের সাথে আলোচনাক্রমে পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতি আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২২ সালে আগাম সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করেন।


