ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে জ্বর, ডায়রিয়া, কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ওয়ার্ডে ঠাঁই পাচ্ছে না শিশু রোগীরা। বাধ্য হয়ে বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছে।
দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
বুধবার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ৪৮ রোগী ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালে কর্মরত একাধিক নার্স জানান, ইদানীং শিশু রোগী বেশি আসছে। তাদের সবারই ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা। আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। গত এক মাসে সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়তি দেখা যাচ্ছে।
শিশু রোগীর জিহাদের মা জানান, তিনি তার ১২ মাস বয়সি ছেলেকে নিয়ে তিন দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাড়িতে হঠাৎ জ্বর, কাশি আর ডায়রিয়া শুরু হয়। দোকান থেকে ওষুধ এনে দুদিন খাওয়ানোর পরও অবস্থা ভালো না হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এখন তার ছেলের অবস্থা একটু উন্নতি হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় হাসপাতালের বারান্দায় রেখেও চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. নুরুল আফসার মামুন বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে প্রতিবছরই ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। এ ধরনের রোগগুলো সাধারণত শিশুদের আক্রমণ করে। আমাদের ভাষায় আমরা এটাকে ব্রঙ্কিউলাইটিস বলি। শিশুদের এ সময় ভাইরাসজনিত জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগ আক্রান্ত করে। তবে আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।


