টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নেমেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইংল্যান্ডকেও হারাল তারা।
কিন্তু লাভ হলো না তাতে। হাসি ফুটল অ্যারন ফিঞ্চদের মুখে। দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল অসিরা।
কারণ ইংল্যান্ডকে ১৩১ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারলেই সেমিফাইনালের দুয়ার খুলত প্রোটিয়াদের।
কিন্তু তা আর হয়নি। কাগিসো রাবাদাকে ১৬তম ওভারে ছক্কার হ্যাটট্রিক হাঁকিয়ে প্রোটিয়াদের সেই স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দেন লিয়াম লিভিংস্টোন। তার দ্বিতীয় ছক্কার পরই ১৩১ পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড। নিশ্চিত হয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সঙ্গী হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
এর পর থেকে বাকিটা সময় ছিল আনুষ্ঠানিকতার। আর সেই আনুষ্ঠানিকতা রাবাদা সাড়লেন প্রতিশোধ নিয়ে।
ছক্কার হ্যাটট্রিকে তুলোধোনা হওয়ার পর নিজের শেষ ওভারে উড়িয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের তিন উইকেটে। টানা তিন বলে।
ভয়ংকর হয়ে ওঠা ক্রিস ওকসকে ফেরালেন, এরপরের দুই বলে ইয়ন মরগান আর ক্রিস জর্ডানকেও।
রাবাদার এই হ্যাটট্রিকের কারণে থমকে যায় ইংলিশদের ইনিংস। শেষ ওভারের প্রয়োজনীয় ১৪ রান আর তুলতেই পারল না তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার ছোড়া ১৯০ রানের লক্ষ্য পার করতে গিয়ে ৮ উইকেটে ১৭৯ রানে থামে ইংল্যান্ড। ১০ রানে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
যে জয় হতাশার কিংবা সান্ত্বনার। তবুও প্রাপ্তি রাবাদার ওই হ্যাটট্রিক।


