কুমিল্লার সহিংসতার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি চার দফা সুপারিশ করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক পরবর্তী তারা চার দফা সুপারিশ সম্বলিত একটি স্মারক লিপি দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির চার দফা সুপারিশ হলো-
১। হামলার সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তা তদন্ত করা। এ ক্ষেত্রে কারও কোনো অবহেলা কিংবা শিথিলতা থাকলে তা চিহ্নিত করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
২। হামলার ঘটনায় নিহতদের পরিবার, ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ, আশ্রম, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
৩। এ ধরনের ঘটনাসমূহ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বিধায় দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার করা।
৪। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের নামে যেকোনো সহিংসতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী যেকোনো অপতৎপরতা রোধে সর্বাত্মক সতর্কতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা।
স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো নিজামুল হক ভূইয়া, সিন্ডিকেট সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান আবুল মনসুর আহমেদ, সিন্ডিকেট সদস্য হুমায়ুন কবির, প্রক্টর গোলাম রব্বানীসহ প্রমুখ।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির একটি টিম কুমিল্লা ও চৌমুহনীতে হামলার শিকার পূজামণ্ডপ, মন্দির, আশ্রম, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে এবং আক্রান্ত পরিবার, বিভিন্ন সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তারা এই চার দফা সুপারিশ প্রস্তুত করেছেন।


