দেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ফ্যাসিস্টলীগের নেতারা কর্মীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না, যা সংগঠনের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।
কর্মীদের অভিমত
অনেক কর্মী বলছেন, “ঈদ তো সবার জন্যই আনন্দের, কিন্তু নেতারা যদি কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেন, তাহলে আমাদের কেমন লাগে?” তারা মনে করেন, নেতাদের সহযোগিতা না থাকলেও অন্তত খোঁজখবর রাখা উচিত।
একজন দীর্ঘদিনের কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা মাঠে থেকে অনেক কিছু সহ্য করেছি, কিন্তু এখন নেতারা এমন আচরণ করছেন যেন আমাদের চিনেন না।”
নেতাদের অবস্থান
বিদেশে পলাতক নেতারা যদিও ঈদ উদযাপন করতে পারছেন, তবে তারা কর্মীদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। কর্মীদের ভাষ্য, নেতারা একসময় যে সংগঠনের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন, এখন সেটিকেই উপেক্ষা করছেন।
ফ্যাসিস্টলীগের ভবিষ্যৎ
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “যদি নেতৃত্ব মাঠের কর্মীদের ছেড়ে দেয়, তাহলে সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়বে।” দীর্ঘদিনের কর্মীরা হতাশ হলেও, নতুন নেতৃত্ব গঠনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
বর্তমান বাস্তবতায়, ফ্যাসিস্টলীগের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে, তা নির্ভর করছে নেতৃত্বের ওপর—তারা কি কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন করবেন, নাকি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন?