দক্ষিণ আফ্রিকায় সদ্য শেষ হওয়া ডারবান ও পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে ৫৩ ও ৮০ রানে অলআউটের লজ্জায় পড়া বাংলাদেশ ম্যাচ হারে ২২০ ও ৩৩২ রানের বড় ব্যবধানে।
টানা দুই টেস্টে একশ রানের নিচে অলআউট হওয়ার পর থেকেই কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে মুমিনুল হকের নেতৃত্বাধীন দলটি। আর সেই সমালোচনার স্রোতে পলায়নপর না হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন অধিনায়ক।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে বুধবার দেশে ফিরেছেন মুমিনুলসহ বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার। এদিন বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে মুমিনুল বলেন, আমি যদি নেতিবাচক চিন্তা করি, আমার কাছে মনে হবে আমি ভীরু। আমি যদি ভীতু হতাম বা আমার মধ্যে যদি ভয়-ভীতি থাকত, এই সিরিজের পর প্রেস কনফারেন্সে আসতাম না।
দেশের এই টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান আরও বলেন, আমার কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ, এই সিরিজে যে ভুল করেছি, পরের সিরিজে যেন না করি। পুনরাবৃত্তি হলে সেটা দেখার বিষয়। ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা তো অবশ্যই আছে। সবাই চিন্তা করে এসব নিয়ে। এমন না যে এই প্রথম আমরা এই পরিস্থিতিতে পড়েছি। আগেও অনেক পড়েছি। বেরও হয়েছি এখান থেকে। আমরা জানি কীভাবে এখান থেকে বের হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, টেস্টে যদি উন্নতির কথা বলেন, আগামী দুই বছর না, সারা জীবন খেললেও টেস্টে উন্নতির শেষ নেই। টেস্ট খেলা ওয়ানডের মতো নয়, এখানে পাঁচদিনে সব জায়গায়, সব বিভাগে, ব্যাটিং হোক বা বোলিং, প্রতিটি জায়গা প্রতিটি দিন গুরুত্বপূর্ণ। ভালো জায়গায় বল করা, সেশন ধরে ব্যাট করা, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করা… টেস্টে আমাদের অনেক উন্নতি করা লাগবে।
৫১ টেস্টে অংশ নিয়ে ১১টি সেঞ্চুরির সাহায্যে ৩ হাজার ৫১৪ রান করা মুমিনুল আরও বলেন, খেলায় হারি বা জিতি, প্রত্যেক সিরিজেই কিন্তু শেখার অনেক কিছু থাকে। আপনি যদি শেখা বাদ দেন, তাহলে উন্নতি করতে পারবেন না। আমাদের শেখার অনেক কিছুই আছে। স্পিন সামলাতে না পারলে আমরা কীভাবে ঘুরে দাঁড়াব!


