জাবিতে সাবেক নেতাকে পেটাল ছাত্রলীগ কর্মীরা

0
214

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রলীগের কর্মীদের কাছে মারধরের শিকার হয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের সামনে আল বেরুনী হলের ৪৫ ও ৪৬তম ব্যাচের ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে মারধর করে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ দিয়েছেন প্রক্টর বরাবর।

ঘটনার বিচার দাবি করে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ফয়সাল বলেন, আমাকে ডেকে নিয়ে বর্তমান ছাত্রলীগের কর্মীরা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। এছাড়া আমার সাথে থাকা বান্ধবীকেও তারা হেনস্থা করেছে।

ফয়সাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৩তম ব্যাচ ও আল বেরুনী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী কমিটির উপ ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন তিনি ।

লিখিত অভিযোগে ফয়সাল মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত করেন- পরিসংখ্যান বিভাগের ৪৫ তম ব্যাচের নওশাদ হোসেন সুজন, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৪৫ তম ব্যাচের অভিক ব্যানার্জি ও ৪৬ তম ব্যাচের সোহেল রানা, ইতিহাস বিভাগের মোহাইমিনুল ইসলাম, পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের জোবায়েদ আশিক, সুজন মাহমুদ, শহিদুল রনি, মোফাজ্জল হোসেন কাওসার এবং দর্শন বিভাগের আব্দুর রহিম ও রাজিবুল হক পান্থ।

ভুক্তভোগী ফয়সাল হক সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রত্ব শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েক মাস আগে আমি হল ছেড়ে দিয়েছি। এরপর হলের এনামুল হক (পাবলিক হেলথ এন্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের ৪৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী) আমাকে নানাভাবে হুমকি দেয় যেন ক্যাম্পাসে আমি না আসি। এর আগে একবার ক্যাম্পাসে আসায় এনামুল আমার মোটরসাইকেল আটকে রাখে। সেই জেরেই আজ ক্যাম্পাসে এসেছি বলে তার অনুসারীদের দিয়ে আমাকে পিটিয়েছে।

তবে এনামুল হকের দাবি, তিনি ও তার অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মীদের কেউ এ ঘটনার জড়িত নয়। এনামুল হক বলেন, ফয়সাল হল থেকে আগেই বিতাড়িত হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু ঘটনার কারণে সে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত। এসব কারণে সে আমাদের উপর দোষারোপ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, মারধরের ঘটনার অভিযোগপত্র পেয়েছি। নিয়মানুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here