প্রভাষক, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
১৬. কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয়ই বোঝায়?
ক. কেতা √খ. টো
গ. গাছি ঘ. গুলিন
১৭. ‘অন্তরীপ’ কোন বহুব্রীহি সমাসের সমাপদ?
ক. প্রত্যায়ান্ত বহুব্রীহি √খ. নিপাতনেসিদ্ধ বহুব্রীহি
গ. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি ঘ. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
১৮. বিদেশি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
ক. প্রহার √খ. খাসকামরা
গ. আগ্রহ ঘ. উপকার
১৯. ধাতু কিংবা প্রাতিপদিকের সঙ্গে যুক্ত হলে প্রত্যয়ের যে অংশ লোপ পায় তাকে কী বলে?
ক. উপধা খ. গুণ
গ. বৃদ্ধি √ঘ. ইৎ
২০. কোনটিতে অপত্য অর্থে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
ক. আগ্নেয় √খ. দাশরথি
গ. হৈমন্তিক ঘ. সৌর
২১. “আমরা তখন রোজ সকালে নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম।” এটি-
ক. পুরাঘটিত বর্তমান √খ. নিত্যবৃত্ত অতীত
গ. ঘটমান অতীত ঘ. পুরাঘটিত অতীত
২২. কোন কালে বাংলা অনুজ্ঞা ব্যবহার নেই?
ক. বর্তমান √খ. অতীত
গ. ভবিষ্যৎ ঘ. ঘটমান অতীত
২৩. “আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।”-এখানে ‘আমারে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্তৃকারকে শূন্য খ. কর্মকারকে শূন্য
√গ. কর্মকারকে ২য়া ঘ. করণ কারকে ৬ষ্ঠী
২৪. “শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়।”-এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
খ. অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
√গ. করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
ঘ. অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি
২৫. “খিলিপান দিয়ে ওষুধ খাবে।”-খিলিপান দিয়ে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
√ক. অধিকরণে ৩য়া খ. কর্তায় ৩য়া
গ. কর্মে ৩য়া ঘ. করণে ৩য়া
২৬. তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো কী সৃষ্টি করে?
ক. বাহুল্য দোষ খ. দুর্বোধ্যতা
√গ. গুরুচণ্ডালী দোষ ঘ. কোনোটিই নয়
২৭. গঠন অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার?
ক. দুই প্রকার √খ. তিন প্রকার
গ. চার প্রকার ঘ. পাঁচ প্রকার
২৮. কোনটি ঐতিহাসিক বর্তমান কালের উদাহরণ?
ক. সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়
খ. আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই
√গ. বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ূন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন
ঘ. চার আর তিনে সাত হয়
২৯. কোনো বাচ্যের ক্রিয়া অকর্মক হলে তাকে কোন বাচ্য বলে?
ক. কর্মবাচ্য খ. কর্তৃবাচ্য
√গ. ভাববাচ্য ঘ. কর্তৃকর্মবাচ্য
৩০. তোমাকে নিয়ে কী মুশকিলেই না পড়লাম। -এ বাক্যটিতে কী অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
ক. বিরক্তি √খ. বিড়ম্বনা
গ. ক্ষোভ ঘ. ঘৃণা
ডহসাববিজ্ঞান
এইচ. এম. মতিউর রহমান
সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা), পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পটুয়াখালী।
হিসাব
[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]
১২. হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ অনুযায়ী হিসাব-পাঁচ প্রকার।
১৩. ভূমি, দালানকোঠা, বিনিয়োগ, সুনাম ইত্যাদি
-ব্যবসায়ের সম্পদ।
১৪. মালিকানা স্বত্ব হিসাব হলো-মূলধন ও উত্তোলন হিসাব।
১৫. পাওনাদার, ঋণ, বকেয়া খরচ ইত্যাদি হলো
-দায়বাচক হিসাব।
১৬. ক্রয়, বেতন, ভাড়া, মনিহারি, পরিবহণ ইত্যাদি হলো -ব্যয় বাচক হিসাব।
১৭. কাগজ, কলম, পেন্সিল, পিন, ক্লিপ ইত্যাদি ক্রয় লিপিবদ্ধ হয়-মনিহারি হিসাবে।
১৮. বিক্রয়, প্রাপ্তসুদ, প্রাপ্ত ভাড়া, প্রাপ্ত বাট্টা ইত্যাদি আয়বাচক হিসাব।
১৯. অগ্রিম প্রাপ্ত আয়কে গণ্য করা হয়-অনুপার্জিত আয় হিসাবে।
২০. ঘড়ি, স্টাপলার, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি-অফিস সাপ্লাইজ হিসাব।
২১. মালিকের দাবি বা পাওনা নির্দেশ করে-মূলধন হিসাব।
২২. বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিছু ক্রয় করলে লিপিবদ্ধ করা হয় -ক্রয় হিসাবে।
২৩. নির্দিষ্ট হিসাব কাল শেষে ক্রয়কৃত পণ্যের অবিক্রিত অংশ-মজুদ পণ্য।
২৪. পোস্টার, প্রচারণা, বিনামূল্যে পণ্য বিতরণ প্রভৃতি- বিজ্ঞাপন হিসাব।
২৫. দেনাদার থেকে পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের জন্য অর্থ ছাড় দেওয়াকে বলে-প্রদত্ত বাট্টা।
২৬. পাওনাদারকে দেনা পরিশোধের সময় অর্থ ছাড় পাওয়াকে বলে-প্রাপ্ত বাট্টা।
২৭. কম্পিউটার, এসি, ফটোকপি, মেশিন, প্রিন্টার ইত্যাদি -অফিস সরঞ্জাম।
২৮. ব্যবহারজনিত কারণে স্থায়ী সম্পদের মূল্য হ্রাস হচ্ছে -অবচয়।
২৯. সুবিধা পাওয়ার পূর্বেই মূল্য পরিশোধ করা হলে হয়
-অগ্রিম খরচ হিসাব।
৩০. যে দ্রব্যের মূল্য অপেক্ষাকৃত কম কিন্তু ব্যবহার উপযোগিতা দীর্ঘ তা-অফিস সাপ্লাইজ হিসাব।
৩১. হিসাব প্রস্তুত করতে অপরিহার্য-ডেবিট-ক্রেডিট নির্ধারণ।
৩২. ডেবিট শব্দের অর্থ-বাম এবং ক্রেডিট শব্দের অর্থ- ডান।
৩৩. হিসাবের বামদিক ডেবিট এবং ডানদিক ক্রেডিট যা
-হিসাব বিজ্ঞানের রীতি।
৩৪. প্রতিটি হিসাবের ডেবিট দিক প্রভাবিত হলে
-আরেকটি ক্রেডিট দিক প্রভাবিত হয়।
৩৫. মূলধন আনয়ন ও আয় অর্জিত হলে বৃদ্ধি পায়
-মালিকানা স্বত্ব।
৩৬. মালিকানা স্বত্ব হ্রাস পায়-মালিকের উত্তোলন ও ব্যয় সংঘটিত হলে।
৩৭. সম্পদ ও ব্যয় বৃদ্ধি পেলে-ডেবিট হয়।
৩৮. সম্পদ ও ব্যয় হ্রাস পেলে-ক্রেডিট হয়।
৩৯. দায়, মালিকানাস্বত্ব ও আয় হ্রাস পেলে হয়-ডেবিট।
৪০. দায়, মালিকানাস্বত্ব ও আয় বৃদ্ধি পেলে হয়-ক্রেডিট।
৪১. চলমান জের ছকে টাকার কলাম-৪টি।
৪২. লেনদেনে লিপিবদ্ধের পরেই উদ্বৃত্ত নির্ণীত হয়
-চলমান জের ছকে।


