তরুণদের ভেতরে প্রচণ্ড উৎসাহ

0
173

করোনাভাইরাস আমাদের মধ্যে অনেক ক্ষত রেখে গেছে। মানসিকভাবে আমরা অনেক চোট পেয়েছি। শারীরিকভাবেও চোট পেয়েছি। অনেক বন্ধুবান্ধব হারিয়েছি। স্নেহভাজন, শ্রদ্ধাভাজনদের হারিয়েছি। আমাদের ভেতর থেকে অনেকখানি নিঃশেষ করে নিয়েছে করোনা। মহামারির এ দীর্ঘ সময়ে বেশিরভাগ সময় আমরা ঘরে থেকেছি। এ কারণে বাইরে বেরুনোর যে আনন্দ- সেটা এখন আর হচ্ছে না। সেই হই চই ভাবটা নেই। অন্তত আমার। সেই উদ্দীপনা তরুণরা ফিরিয়ে আনতে পারবে। ফিরেও আসবে। এটিই আমি বিশ্বাস করি।

চারদিকে একটা উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। তরুণদের ভেতরে সেই প্রচণ্ড উৎসাহ দেখছি। তাদের ভেতরে লেখার প্রতিও মনোযোগ দেখছি। এ উচ্ছ্বাস সুন্দর। তবে আমি এসব থেকে অনেক দূরে। বয়সের কারণে মেলা থেকে অনেক দূরে। এরপরও অল্প সময়ের জন্য বইমেলায় কয়েকদিন গেছি। দেখেছি প্রচুর লোক বই কিনছেন। তবে কতজন বই পড়ছেন তা আমি জানি না!

অনেক নতুন লেখকের বই বেরিয়েছে। চেনাশোনা মানুষদেরও বই বেরিয়েছে। সব মিলিয়ে একজন লেখকের প্রাণই হচ্ছে বইমেলা। আমিও বারবার মেলায় যেতে চাই, পুরোটা সময় থাকতে চাই। কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠে না। তবে যখনই মেলায় যাই- বেশ খুশি লাগে। চারপাশে বইয়ের দোকান। বইগুলো ঘেঁটে ঘেঁটে দেখি।

আমার অন্য একটি উদ্দীপনার কোনো শেষ নেই। এবারের বইমেলায় ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে সৈয়দ শামসুল হকের ৩৫ খণ্ডের রচনাসমগ্র বের হয়েছে। পরিবারের একজন হিসাবে এ নিয়ে আমি ভীষণ উৎসাহিত। ভালো লাগছে, কাজটি আমার জীবদ্দশাতেই সমাপ্ত করে যেতে পারলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here