বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মিয়ানমার সিমানায় জিতলো আরাকান আর্মি

0
118

আরাকান আর্মি গত রোববার একযোগে বিজিপির তাউং পিও (বাম) চৌকি এবং তাউং পিও (ডান) সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়। ওই দিনই সেনা ঘাঁটিটি দখলে নেয় তারা। এর পর থেকে লড়াইয়ে টিকতে না পেরে তিন শতাধিক মিয়ানমারের সেনাসদস্য ও বিজিপি পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।তিন দিনের তীব্র লড়াইয়ের পর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) শক্ত ঘাঁটি তাউং পিও (বাম) দখলে নিয়েছেন আরাকান আর্মির যোদ্ধারা। মঙ্গলবার মংডু শহরের এই চৌকি তাঁরা দখলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে মঙ্গলবার রাখাইন রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি শহর—ম্রাউক-উ, কিয়াউকতাও, রামরি, আন ও মিবোন শহরে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির লড়াই চলেছে। ১০ দিনের মধ্যে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে জান্তা বাহিনীর আরও দুটি ঘাঁটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন আরাকান আর্মির যোদ্ধারা।

চীনের মধ্যস্থতায় মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে শান রাজ্যে আক্রমণ বন্ধ রেখেছিলেন বিদ্রোহীরা। তবে ১০২৭ অভিযানের অংশ হিসেবে ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইন রাজ্য ও পাশের চিন রাজ্যের পালেতাওয়া শহরে বড় মাত্রায় আক্রণ চালিয়ে আসছে আরাকান আর্মি। এই লড়াইয়ে আরাকান আর্মি এখন পর্যন্ত জান্তা বাহিনীর ১৭০টি চৌকি এবং ৩টি শহর দখলে নিয়েছে। তাদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়া শহরগুলো হলো রাখাইনের মিনবিয়া ও পাউকতাও এবং চিন রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী পালেতাও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here