বুধবার ,২৯ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 764

পৃথিবী মমতাহীন হয়ে যেন না যায়

কবি জীবনানন্দ দাশ লিখেছেন, ‘পৃথিবীর এখন ভীষণ অসুখ।’ কবিদের চোখ আর সবার চোখের চেয়ে আলাদা। সবাই যা দেখে না কবিরা তা দেখেন। সবার চোখে যা হীরে, কবির চোখে তাই কয়লা। সবাই যা ছাই বলে এড়িয়ে যায়, কবি সেটাকেই উড়িয়ে অমূল্য রত্নের সন্ধান পান। জীবনানন্দ দাশ দেখলেন, দুনিয়ায় এখন আর মেধার কদর নেই, সেই সত্যের আদর। সর্বত্রই মিথ্যা এবং মূর্খতার জয়জয়কার। সত্য কাজে কেউ রাজি না হয়েও নামাজি-হাজী লকব লাগিয়ে নিপাট ভদ্রলোক সেজে সমাজের মধ্যমণি হয়ে বেড়ানো মানুষগুলোর কালো চেহারা দেখে আঁতকে উঠেছেন কবি। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে লিখেছেন, পৃথিবীর এখন ভীষণ অসুখ। আজ আবার করোনার থাবায় ক্ষতবিক্ষত, জর্জরিত মানব গ্রহটি। আক্ষরিক অর্থে পৃথিবীর এখন ভীষণ অসুখই বটে। কিন্তু হৃদয়ে যাদের আলো আছে, কলব যাদের জারি আছে তারা দেখেন কলবের চোখ দিয়ে। সবার চেয়ে ভিন্নভাবে। কলবের চোখধারী ব্যক্তির কাছে করোনা পৃথিবীর বড় অসুখ নয়। এমনকি করোনা আল্লাহর গজবও নয়। আশ্চর্য হলেও কথাটি পুরোপুরি সত্যি। ভারতের বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ তরজুমানুল কোরআনে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমের ব্যাখ্যায় লিখেছেন- কোনো গজবই প্রকৃত অর্থে গজব নয়। প্রতিটি গজবের ভিতরও রহমান নামেরই খেলা চলে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন, আমরা যাকে গজব বলি বা গজব হিসেবে দেখি, তা মূলত বান্দাকে সতর্ক করার এবং তাকে আখেরাতের কঠিন শাস্তি থেকে বাঁচানোর উপকরণ। বান্দা গজব দেখে পাপের পথ ছেড়ে নেকের পথে আসবে এটাই গজবের উদ্দেশ্য। যা বান্দাকে নেকের পথে নিয়ে আসে তা কীভাবে গজব হয়। এ তো গজবের সুরতে রহমতেরই বর্ষণ। মাওলানা আরও বলেছেন, পৃথিবীতে যত বিপর্যয় ঘটে, তা মানুষের কার্যকলাপের মাধ্যমে ঘটে। আল্লাহতায়ালা পৃথিবীকে মেরামত করার জন্য সাময়িক যে ঝাঁকুনি দেন তা আমাদের চোখে গজব হিসেবে ঠেকে। কিন্তু সেই ঝাঁকুনি দিয়ে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় না রাখলে মানুষ ও জীববৈচিত্র্য যে এক মুহূর্তও বাঁচতে পারত না তা কি ভেবে দেখেছি! ঠিক একই কথা খাটে মহামারী করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রেও। করোনাভাইরাস আল্লাহ দিয়েছেন বান্দাকে সাবধান ও সতর্ক করার জন্য। পাশাপাশি প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতির ভারসাম্যের যে ব্যাঘাত ঘটেছে তা ঠিক করার জন্যও করোনাভাইরাস পৃথিবীবাসীর জন্য রহমত হয়ে নেমে এসেছে। গজবের সুরতে যেমন রহমত আসতে পারে তেমনি ‘রহমত’ও গজবের রূপ ধরে বান্দার দুনিয়া আখেরাত ল-ভ- করে দিতে পারে। করোনা এসেছে মানুষকে হেদায়াত ও আল্লাহর পথে নিয়ে যেতে। পাপের জীবন ছেড়ে আখেরাতমুখী জিন্দেগির সবক দেওয়ার জন্য এসেছে করোনাভাইরাস। কিন্তু কী হয়ে গেল আমাদের! আমরা যেন উল্টো গো ধরে বসেছি, কবে মরে যাই ঠিক নেই। যতটুকু সময় বেঁচে আছি আরও বেশি পাপ, আরও বেশি হারাম কামিয়ে নিই। হায় আল্লাহ! এ কথা লিখতেও তো কলম কেঁপে উঠছে। তুমি বান্দাকে ভালোবেসে হেদায়াতের জন্য আলামত পাঠিয়েছ অথচ বান্দা সে আলামত দেখে গুনাহর কাজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। চোখের সামনেই কোটিপতি শূন্য হাতে বিনা চিকিৎসায় কবরে চলে যাচ্ছে, তবুও আমরা টাকার নেশায় চূড়ান্ত বেপরোয়া হয়ে পড়েছি। যা হওয়া উচিত নয়।

লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মুফাসসির সোসাইটি।

ধৈর্যশীলদের প্রতি আল্লাহর রহমত

করোনাকালে দুনিয়াবাসী ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছে। আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মোমিনরা! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে তোমরা সাহায্য কামনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ সুরা বাকারা, আয়াত ১৫৩। এ আয়াতে আল্লাহ সালাতের আগে ধৈর্যের কথা বলেছেন এবং আল্লাহর সাহায্যলাভের উপায় হিসেবে সালাতের পাশাপাশি ধৈর্যশীলতাকে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা তিন ভাগে বিভক্ত- ক. বিপদের সময় ধৈর্য খ. আল্লাহর নির্দেশ পালনের ক্ষেত্রে ধৈর্য গ. পাপ থেকে বিরত থাকার ক্ষেত্রে ধৈর্য।’ ইমান সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করলে তিনি এক কথায় বলেছিলেন, ‘ইমান হচ্ছে ধৈর্যধারণ।’ তাই ধৈর্যশীলরা চরম সংকট ও বিপদের সময়ও ইমানের ওপর অটল থেকে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মোমিনের ব্যাপারটাই আশ্চর্যজনক। তার প্রতিটি কাজই তার জন্য কল্যাণকর। এ সৌভাগ্য মোমিন ছাড়া আর কারও জীবনে হয় না। সে দুর্দশাগ্রস্ত হলে ধৈর্য ধারণ করে, তা তার জন্য কল্যাণকর। সুদিন দেখা দিলে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, তা-ও তার জন্য কল্যাণকর।’ মুসলিম। যারা বিপদাপদে ধৈর্য বজায় রাখে তারা আল্লাহর কাছে পুরস্কৃত হবে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুসলিম ব্যক্তির যে কোনো রোগব্যাধি, দৈহিক শ্রান্তি, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও পেরেশানি আসে, এমনকি তার দেহে কাঁটা বিঁধলেও এসবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন।’ বুখারি। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পছন্দ করেন তাই তিনি ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই থাকেন। জীবনে সমস্যা-সংকট ও বাধা-বিপত্তি আসবেই। ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে এসব সমস্যা-সংকট থেকে মুক্তির পথ বের করে জীবনে লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে হবে। ধৈর্যশীলদের প্রতি কোরআনে উল্লিখিত প্রতিশ্রুতি হলো, ‘আল্লাহ কষ্টের পর স্বস্তি দেবেন।’ সুরা তালাক, আয়াত ৭। এ আয়াতের শিক্ষা হচ্ছে, কষ্ট ও বিপদের সময় অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে; তাহলে জীবনের কাক্সিক্ষত সুখ-শান্তি আসবেই। তবে ধৈর্যধারণের কাজটি যে অত সহজ নয় তা-ও কোরআন উল্লেখ করেছে, ‘তোমার ওপর যে বিপদ আসে তাতে ধৈর্য ধারণ কর। নিশ্চয় এগুলো অন্যতম দৃঢ়সংকল্পের কাজ।’ সুরা লুকমান, আয়াত ১৭। ধৈর্যধারণের মতো কঠিন কাজের পুরস্কারও অপরিসীম। আল্লাহ বলছেন, ‘নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের অগণিত পুরস্কার দেওয়া হবে।’ সুরা জুমার, আয়াত ১০। মানব জীবনের সফলতার সোপান হলো ধৈর্য। আল্লাহ বলছেন, ‘হে ইমানদাররা! ধৈর্য ধারণ কর এবং মোকাবিলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর, আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা সফলতা লাভে সমর্থ হতে পার।’ সুরা আলে ইমরান, আয়াত ২০০। সুতরাং জীবনের উন্নতি, সফলতা ও আল্লাহর নৈকট্যলাভের একটি বড় মাধ্যম হচ্ছে ধৈর্য। আল্লাহ আমাদের সব অবস্থায় ধৈর্যশীল হওয়ার তৌফিক দান করুন।

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক।

দ. কোরিয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৫২ ঘণ্টা কর্মসময় চালু

দক্ষিণ কোরিয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় কমিয়ে সাপ্তাহিক ৫২ ঘণ্টা করা হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে যেসব প্রতিষ্ঠানে পাঁচ থেকে ৪৯ জন কর্মী কাজ করে থাকেন, সে সব প্রতিষ্ঠানে এ নিয়ম চালু করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার একজন শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকার বায়ান্ন ঘণ্টা কর্ম সময় বাস্তবায়ন করেছে। একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের শিল্প-কারখানায় শ্রমিক নিয়োগ সহজীকরণসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে।

২০১৮ সালের জুলাইয়ে এ কার্যক্রম শুরু হলেও দক্ষিণ কোরিয়ায় বায়ান্ন ঘণ্টা সাপ্তাহিক কর্ম সময় কার্যকরের আহ্বান জানানো হয়।

অপরদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার নতুন কর্মী নিয়োগের পর কর্মসংস্থানের মান বজায় রাখতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই বছর পর্যন্ত প্রতিমাসে ১.২ মিলিয়ন ওন ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে।

দেশটির অর্থমন্ত্রী হিয়ং নাম কি এসব ব্যাপারে বলেন, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাপ্তাহিক কর্মসময় প্রকল্পের আওতায় আনার জন্য চেষ্টা করবে। যেসকল শিল্প প্রতিষ্ঠানে বা বিভিন্ন প্রদেশে অবস্থিত শিল্প কারখানায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে জটিলতা রয়েছে, সেগুলোতে কর্মী দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিচ্ছে সরকার।

 

শিশুর শারীরিক বৃদ্ধির জন্য যা খাওয়াবেন

বেশিরভাগ শিশুই খাওয়ার ব্যাপারে উদাসীন। তাদেরকে জোর করে খাওয়াতে হয়। আর পুষ্টিকর খাবার না পেলে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিও ধীর গতিতে হয়। তাই আপনার শিশুকে কোন ধরনের খাবার নিয়মিত দিলে সে দ্রুত বেড়ে উঠবে, তা জেনে নেয়া জরুরি। পর্যাপ্ত পুষ্টি পেলে শিশুর শরীরের গ্রোথ হরমোন নির্গত হয়, এর ফলে তার বৃদ্ধি হয় দ্রুত। শিশুদের যেসব খাবার নিয়মিত খাওয়াবেন-

ডিম: প্রচুর প্রোটিন থাকে ডিমে, যা শরীরের মাংসপেশী ও কোষ গড়ে উঠতে সহায়তা করে। ডিমে যে ভিটামিন ডি থাকে,তা শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে ভূমিকা রাখে। এতে শিশুর হাড় গড়ে উঠে ও বৃদ্ধি হয়।

দই: প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও অন্য সব পুষ্টি উপাদান থাকে দইয়ে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক্স পাকস্থলী ভালো রাখে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণে সহায়তা করে।

সবজির বীজ: সয়া সবজির বীজ, শিমের বীজ সহ বিভিন্ন সবজির বীজে প্রচুর প্রোটিন থাকে, যা হাড় তৈরিতে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়ামের খুব ভালো উৎস এসব বীজ। তাই শিশুকে স্বাস্থ্যকর বীজ খাওয়ান।

খাদ্য শস্য: বিভিন্ন খাদ্য শস্যে অ্যামাইনো এসিড, ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম, সেলিনিয়াম, জিংক, আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা শিশুর শরীর গঠনে খুব সহায়ক।

শুকনো ফল: শুকনো ফলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। এতে আঁশ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে অনেক, যা শিশুর শরীর বৃদ্ধি করতে পারে।

শাকসবজি: সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন সি, কে, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে। তাই শাকসবজি হাড় মজবুত করে ও শরীর সুস্থ রাখে। তাই শিশুকে শাক সবজি খাওয়ান নিয়মিত।

গাজর: গাজর খুব পুষ্টিকর এক সবজি। এতে ভিটামিন বি, সি, কে, বায়োটিন, নিয়াসিন, মলিবডেনাম, ফসফরাস ও আঁশ থাকে প্রচুর। এসব উপাদান শরীর সুস্থ রাখে ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

মুরগীর মাংস: মুরগীর মাংসে প্রচুর প্রোটিন থাকে। এতে অ্যামাইনো এসিড ও টরিনের মতো উপকারি উপাদান থাকে, যা হাড় তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাই শিশুকে মুরগীর মাংস দিতে ভুলবেন না।

দুধ-খেজুর একসঙ্গে খেলে যা হয়

ফুড কম্বিনেশন অর্থাৎ ভিন্ন ধরনের খাবার একসঙ্গে খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে এখন মানুষের মাঝে। এর কারণ হলো স্বাস্থ্যের জন্য ফুড কম্বিনেশন খুব উপকারি। দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে দারুণ কিছু উপকার পাওয়া যায় । খেজুর খুব স্বাস্থ্যকর খাবার। শুকনো এই ফলে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়া খেজুরে আয়রন, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,কপার, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, ফাইবার, প্রোটিন থাকে প্রচুর। এছাড়া প্রাকৃতিক চিনি ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ থাকে অনেক।

অন্যদিকে, দুধে প্রচুর ক্যালসিয়াম, রিবোফ্লোবিন, আয়রন, ভিটামিন বি টুয়েলভ, জিংক, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দুধে প্রায় ৪৪ ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকে, যার মধ্যে ১৮ ধরনের অ্যামাইনো এসিড, ৯টি মিনারেল, ১০টি ভিটামিন, ফ্যাট, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে।

দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য যেসব উপকার বয়ে আনে-

* হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়: খেজুরে প্রচুর আয়রন থাকে, যা রক্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সহায়তা করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুধে খেজুর ভিজিয়ে তা কিছুক্ষণ গরম করার পর ১৮-৫৫ বছর বয়সী কয়েকজন মানুষকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খাওয়ানোর পর ১০ দিনের মধ্যে তাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়েছে। দুধ ও খেজুরের এই কম্বিনেশন খেলে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা রোগ সেরে উঠে।

* গর্ভবতীর জন্য উপকারী: এক গবেষণায় দেখা গেছে, গরুর দুধে খেজুর ভিজিয়ে নিয়মিত খেলে গর্ভবতীদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর এই কম্বিনেশন গর্ভে থাকা শিশুর হাড় ও রক্ত তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে রাতের বেলা ৫-৬ টি খেজুর রাতভর দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে দুধের সঙ্গে খেজুরের মিশ্রণটা ভালোভাবে মিশিয়ে তার সঙ্গে একটু এলাচের গুঁড়ো ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে খেতে হবে।

বয়সের ছাপ দূর করে: খেজুর ও দুধে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে বলে এই দুই খাবার বয়স বাড়ার কারণে মুখের চামড়া কুঁচকে যে বয়সের ছাপ পড়ে, তা দূর করে। এক্ষেত্রে দুধে কয়েকটি খেজুর রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খেজুর ও দুধের মিশ্রণের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ১৫-২০ মিনিট সেই পেস্ট মুখে মেখে রাখুন। পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই পেস্ট মুখে মাখলে উপকার পাওয়া যাবে।

* জীবনীশক্তি বাড়ায়: ১০০ গ্রাম খেজুরে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ১৫ শতাংশ শক্তি পাওয়া যায়। আর দুধে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় প্রায় ৯ শতাংশ শক্তি থাকে। এ কারণে দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে আপনি এই ফুড কম্বিনেশন কতোটা হজম করতে পারছেন।

* প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়: দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে পুরুষ ও নারী দুই পক্ষেরই প্রজনন ক্ষমতা বাড়তে পারে। শক্তিশালী এই কম্বিনেশন সব বয়সী পুরুষ ও নারীর যৌনক্ষমতাও বাড়িয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে কয়েকটি খেজুর ছাগলের দুধের সঙ্গে রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ভালো করে মিশিয়ে তার সঙ্গে একটু এলাচ ও মধু যোগ করে খেয়ে নিতে হবে।

শেষ কথা: আপনি যদি দুধ ও খেজুরের কম্বিনেশন থেকে ভালো ফল পেতে চান তাহলে বাজারের ভালো খেজুরটা বেছে নিন। আর দুধে সেই খেজুর ভেজানোর আগে অবশ্যই খেজুরগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গেও কথা বলে নিতে পারেন।

আমাজনের সিইও’র পদ ছাড়লেন জেফ বেজোস

আমাজন প্রধান জেফ বেজোস গত ফেব্রুয়ারিতে ঘোষণা দিয়েছিলেন, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। ঘোষণা অনুযায়ী, আজ ৫ জুলাই সিইও’র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

আমাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স কোম্পানি। ২৭ বছর আগে নিজের বাসার গ্যারেজে এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম চালু করেন জেফ বোজেস। আমাজন তাকে এনে দিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তকমা।

পদত্যাগের জন্য ৫ জুলাই দিনটিকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে জেফ বেজোস জানান, ‘৫ জুলাই দিনটি আমার জন্য আবেগময়। ১৯৯৪ সালের এই দিনে আমাজন করপোরেশন হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ঠিক ২৭ বছর আগে।’

আমাজনের ক্লাউড কম্পিউটিং বিভাগ আমাজন ওয়েব সার্ভিসেসের প্রধান অ্যান্ডি জ্যাসি প্রতিষ্ঠানটির নতুন সিইও হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন। তিনি ২৪ বছর ধরে আমাজনে কাজ করছেন। তাঁর প্রসঙ্গে জেফ বেজোস বলেন, ‘অ্যান্ডি একজন চমৎকার নেতা হবেন এবং আমার পূর্ণ আস্থা আছে তাঁর ওপর।’

সিইও’র পদ ছেড়ে দিয়ে বেজোস এখন আমাজনের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাজনের নতুন প্রতিষ্ঠান কেনা বা বড় ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণের মতো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। অ্যান্ডি জ্যাসি সিইও হিসেবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ২০২ বিলিয়ন ডলার। তাঁর সম্পদ বাড়াতে ৯০ শতাংশ অবদান রেখেছে আমাজন। বাকি ১০ শতাংশের উৎস হলো বেজোসের স্পেস কোম্পানি ব্লু অরিজিন ও গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।

আমাজনের সিইও’র পদ ছেড়ে দেওয়া বেজোস নিজের অন্য উদ্যোগগুলোতে বেশি সময় দেবেন। ব্লু অরিজিন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও অন্যান্য আগ্রহের জায়গাতে কাজ করবেন তিনি। আগামী ২০ জুলাই নিজের স্পেস কোম্পানি ব্লু অরিজিনের রকেটে চড়ে মহাকাশ ভ্রমণে যাবেন বেজোস।

অপোর ‘ট্রাস্টি রাস্টি’ ক্যাম্পেইন

‘ট্রাস্টি রাস্টি’ নামের নতুন ক্যাম্পেইন চালু করেছে শীর্ষস্থানীয় ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপো। জীবনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ও ভালোবাসার মানুষটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এ ক্যাম্পেইন।

অপো জানায়, আসন্ন ঈদকে অপো ভক্তদের জন্য আরেকটু আনন্দময় করতে ‘ট্রাস্টি রাস্টি’ ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়েছে। ক্যাম্পেইনের আওতায় নিজের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির সঙ্গে তোলা ছবি অপোর ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে হবে। ছবির সঙ্গে অপোর কমেন্ট বক্সে লিখে দিতে হবে কেন ব্যক্তিটি আপনার পছন্দের। তারপর নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্টটি পাবলিক করে শেয়ার দিতে হবে। শেয়ারের সময় লিখতে হবে #OPPOTrustworthiness #OPPOEidHappiness। উদ্দেশ্য, পছন্দের মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। বিশ্বাসযোগ্য মানুষটির সঙ্গে সবচেয়ে সুন্দর সেরা তিনজন ছবি শেয়ারকারী পাবেন অপো এনকো ডব্লিউ১১ ওয়্যারলেস ইয়ারফোন।

এছাড়া, সম্প্রতি অপো তাদের জনপ্রিয় এফ১৯ প্রো স্মার্টফোন ও টিডব্লিউএস এনকো ডব্লিউ১১ ইয়ারফোনে ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। এফ১৯ প্রো কিনলে দুই হাজার টাকা ও অপো এনকো ডব্লিউ১১ কিনলে এক হাজার টাকা ছাড় দেওয়া হবে। আর দুটি একসঙ্গে কিনলে তিন হাজার টাকা ছাড়।

কুবিতে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ফি মওকুফ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনাকালীন সময়ের জন্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ফি মওকুফ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জুলাই) হল ফি মওকুফের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের।

রেজিস্ট্রার বলেন, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করোনাকালীন সময়ের জন্য শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ফি মওকুফ করেছে।

রেজিস্ট্রার সূত্রে আরো জানা যায, করোনাকালীন সময়ের জন্য স্নাতকোত্তরের ভর্তি ফি কমানোর শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামানকে আহ্বায়ক, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু তাহেরকে সদস্য সচিব এবং সকল অনুষদের ডিনদের সদস্য করে একটি কমিটি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে কমিটির মাধ্যমে সুপারিশ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এফসি (অর্থ কমিটি) এবং সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তরের ভর্তি ফি হ্রাস এবং আবাসিক হল ফি মওকুফ করার দাবিতে মানববন্ধন করেন এবং উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন।

 

৩১৮ দিন পর ইবির শীর্ষ ৩ পদে পূর্ণতা

দীর্ঘ ১০ মাস ১৫ দিন পর শীর্ষ তিন পদে পূর্ণতা এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি)। গত বছরের ২০ আগস্ট একইসঙ্গে আগের উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ মেয়াদ শেষ করলে ২১ আগস্ট থেকে শীর্ষ তিন পদের দুটিতে শূন্যতা শুরু হয়।

পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ করেন উপ-উপাচার্যও। পদ তিনটিতে পৃথক সময়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৩০ জুন নতুন উপ-উপাচার্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পায় প্রশাসনিক শীর্ষ পদগুলো।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট প্রথমবারের মতো উপাচার্য পদে মেয়াদ শেষ করেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। একইসঙ্গে কোষাধ্যক্ষ পদে মেয়াদ পূর্ণ করেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। ফলে ২১ আগস্ট থেকে পদ দুটি শূন্য হয়ে পড়ে।

এর এক মাস আট দিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামকে উপচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে উপাচার্য পদ পূরণ হলেও শূন্য থেকে যায় কোষাধ্যক্ষ পদ।

এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি উপ-উপাচার্য পদে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়াদ শেষ করেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। এর ফলে আবারো শীর্ষ তিন পদের দুটিতে শূন্যতা ফিরে আসে।

এ দিকে শূন্য হওয়ার ৯ মাস ১৫ দিন পর গত ৫ মে কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। এতে করে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদ পূর্ণ হলেও উপ-উপাচার্য পদে শূন্যতা থেকে যায়।

সর্বশেষ গত ৩০ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১০ মাস ১৫ দিন তথা ৩১৮ দিন পর শীর্ষ তিন পদে পুনরায় পূর্ণতা ফিরে আসে।

এদিকে, উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদ শূন্য হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও মেগা প্রকল্পের অধীন উন্নয়ন কাজে স্থবিরতা নেমে আসে। পরবর্তী সময়ে উপাচার্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে এ সমস্যা কিছুটা কাটলেও কোষাধ্যক্ষ ও উপ-উপাচার্য না থাকায় উপাচার্যের একার পক্ষে সব সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে কাজের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি হয়।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রশাসনিক শীর্ষ পদগুলোর শূন্যতা কাটায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। লকডাউন পরবর্তী সময়ে নতুন প্রশাসনের নেতৃত্বে সবাই আবারো কর্মতৎপর হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের।

ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে চান নেইমার

পেরুকে হারিয়ে চলতি আসরের প্রথম দল হিসেবে কোপা আমেরিকার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। ম্যাচের পর জয়ের অন্যতম নায়ক নেইমার জুনিয়র জানিয়েছেন তিনি ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনাকে চান।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) নেইমার বলেন, ‘আমি ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে চাই। আমি তাদের উৎসাহিত করছি। ওখানে আমার অনেক বন্ধু আছে এবং ফাইনালে ব্রাজিলই জিতবে।’

বুধবার সকালে সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে লড়বে আর্জেন্টিনা। এদিনই বোঝা যাবে নেইমারের আশা পূরণ হবে কী না। ১০ জুলাই মারাকানায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচও হারেনি দল দুটি। ব্রাজিল আর্জেন্টিনা লড়াই ছাড়াও মেসি-নেইমার লড়াই দেখতে তাকিয়ে থাকবে ফুটবল বিশ্ব।

চলতি টুর্নামেন্টে দুজনেই আছেন ফর্মে। মেসি সমান ৪টি করে গোল ও অ্যাসিস্ট; অন্যদিকে নেইমারের ২টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট।

সেমিতে পেরুকে হারানোর একমাত্র গোলের কারিগর নেইমার। ৩৫ মিনিটে বাঁ দিক থেকে পেরুর দুজন ফুটবলারকে পরাস্ত করে ডি বক্সের মাঝে থাকা পাকুয়েতার দিকে বল বাড়ান নেইমার। গোলরক্ষককে কোনো সুযোগ না দিয়ে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন পাকুয়েতা।