বৃহস্পতিবার ,৩০ এপ্রি, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 747

রূপগঞ্জের ঘটনা অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা: ওবায়দুল কাদের

রূপগঞ্জে আগুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকার তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, মালিকসহ কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি। আটজন গ্রেফতার হয়েছে। কঠোর বার্তা দিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের ঝুঁকিতে রেখে ব্যবসা করছে, তাদের জন্য রূপগঞ্জের ঘটনা সতর্ক বার্তা। যেসব মালিক এভাবে অবহেলা করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন, প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন- আপনারা সাবধান হন। এখান থেকে আপনাদের শিক্ষা নিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত করোনা সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি রোববার দুপুরে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। রূপগঞ্জের ঘটনায় আওয়ামী লীগ দায়ী- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের উত্তরে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল হয়তো কোনো এক সময় বলবেন বজ্রপাতে কেউ মারা গেলে তার জন্যও আওয়ামী লীগ দায়ী। যত দোষ নন্দ ঘোষ আওয়ামী লীগ।

করোনা মহামারিতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিরোধী দল সমালোচনা করলেও তারা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল মানুষের পাশে নেই। আওয়ামী লীগই একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, গ্রাম ও শহরে কোথাও সতর্কতা নেই। অসাবধানতার জন্য করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। তাই নিজের সুরক্ষার জন্য সঠিকভাবে ও শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

কারফিউ সমাধান নয়, মানুষকে খাবার দিন: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারকে উদ্দেশে করে বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি কোনো সমাধান নয়। সাধারণ মানুষের জন্য যদি অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারেন, খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারেন- তা হলে এ ধরনের অপরিকল্পিত লকডাউন কোনো সঠিক সমাধান আনতে পারবে না। দেশে পরপর লকডাউন হলেও সামাজিক-শারীরিক দূরত্ব সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। লকডাউনে কি দেখা যাচ্ছে? মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে। অনেকে খাদ্যাভাবে কষ্ট পাচ্ছেন।

রোববার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পরামর্শ কমিটির কারফিউ জারির পরামর্শ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। শনিবার অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ওই সভা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, লকডাউনের লক্ষ্যটা হচ্ছে- মানুষকে মানুষের কাছ থেকে দূরে রেখে, দূরত্ব সৃষ্টি করে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা। সেটার জন্য তো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোথায় সেই সচেতনতা? খালি ধমক দিয়ে আর গরিব মানুষকে জেলের মধ্যে পুরে দিলে তো হবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, আজকে ‘দিন আনে দিন খায়’ মানুষ কোনো রকমের সহযোগিতা পাচ্ছেন না। ইনফরমাল সেক্টর তো এমনিতেই ছোট ছোট পুঁজি নিয়ে কাজ করে। দুবার লকডাউনের ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা তাদের পুঁজি হারিয়ে ফেলেছেন। তারা নিঃস্ব হয়ে গেছেন, পথে বসে গেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কয়েকদিন আগে পত্রপত্রিকায় বেরিয়েছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, কী পরিমাণ টাকা তারা করোনায় ব্যয় করছেন। একটা টেস্টের জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা ব্যয় করছেন। তারা যে হিসাব দিয়েছেন তাতে এই কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। অথচ দেখা যাচ্ছে যে, কোথাও কোনো রকমের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ নেই, অক্সিজেন নেই, সিলিন্ডার নেই, বেড নেই। চরম অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি। যার ফলে আজকে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।’ ঢাকা জেলার সব হাসপাতালে সাংবাদিকদের করোনা সংক্রান্ত কোনো তথ্য না দিতে সিভিল সার্জনের সার্কুলার জারির নিন্দা জানান বিএনপি মহাসচিব।

জিলহজ মাসের রোজা রাখার আহ্বান জানালেন অভিনেত্রী এ্যানি খান

জিলহজ মাসের রোজা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামের টানে অভিনয় জগতকে বিদায় জানানো অভিনেত্রী এ্যানি খান।

রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।

এ্যানি খান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১২ জুলাই (সোমবার) থেকে পহেলা যিলহজ্ব শুরু। যারা এই মাসের ৯টি রোজা রাখবেন তারা রোববার রাতেই সেহরি খাবেন। সোমবার থেকে রোজা।

গত বছরের জুনে অভিনয় জগত থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী এ্যানি খান। ধর্মকর্মে মনোনিবেশ করার কথা বলে অভিনয় থেকে সরে যান।

এর পর থেকেই তাকে আর কোনো অভিনয় করতে দেখা যায়নি। পোশাকেও এনেছেন পরিবর্তন। পরেন বোরকা ও হিজাব। বর্তমানে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

এবার চীন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নিল তালেবান

তাজিকিস্তান সীমান্ত এলাকা দখলের পর আফগানিস্তানের তালেবান গোষ্ঠী চীনের পাশে দেশটির একমাত্র সীমান্ত শহর ‘ওয়াখান’ এর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।

আফগানিস্তানের বাদাখশান প্রদেশের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য আব্দুল্লাহ নাজি নাজারি এ খবর জানিয়েছেন।খবর আল জাজিরা ও ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোকে তিনি রোববার জানিয়েছেন, বাদাখশান প্রদেশে তালেবান তাদের অগ্রাভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং তারা চীনের সিন কিয়াং প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় পৌঁছে গেছে।

তিনি বলেন, ওয়াখান জেলায় মোতায়েন আফগান সরকারি সেনারা তাজিকিস্তানে পালিয়ে গেছে এবং শহরটি বিনাযুদ্ধে দখল করে নিয়েছে তালেবান।

হিন্দুকুশ পর্বতমালায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯২৩ মিটার উঁচুতে অবস্থিত দুর্গম পাহাড়ি পথ ওয়াখজির পাস হচ্ছে আফগানিস্তান এবং চীনের মধ্যে যাতায়াতের একমাত্র পথ।

আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী জেলা ওয়াখানের পর পাকিস্তান ও তাজিকিস্তানের মধ্যবর্তী এই গিরিপথটি অবস্থিত যেটিকে ওয়াখান করিডোরও বলা হয়।চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের প্রান্তসীমায় এটির অবস্থান বলে এটির নিরাপত্তা বেইজিং-এর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালেবান এর আগে আফগানিস্তান-তাজিকিস্তান সীমান্তের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে দু’টি স্থলবন্দর এবং পাকিস্তানের সঙ্গে একটি স্থলবন্দর দখল করে নিয়েছে।

একইসঙ্গে তুর্কমেনিস্তান সীমান্তের নিয়ন্ত্রণও গ্রহণ করেছে তালেবান। সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তানের শতকরা ৮৫ ভাগ এলাকা নিজেদের দখলে নেয়ার দাবি করেছে তালেবান যদি কাবুল সরকার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

৭ আন্তর্জাতিক খেতাব জিতেও এখন তাকে রাস্তায় দাঁড়াতে হয়!

মুসলিম মা এবং হিন্দু পাঞ্জাবী বাবার সন্তান নাজ। তবে বাবা এখনও কথা বলেন না তার সঙ্গে। মা-ও সুযোগ পেলেই গঞ্জনা দেন।

নাজ জানিয়েছেন, রূপান্তরকামী হিসেবে অনেকরকম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তাকে। এর সঙ্গে পরিবারকে পাশে না পাওয়া আরও বেদনাদায়ক।

ভারতের প্রথম রূপান্তরকামী সুন্দরী তিনি। ভারত ছাড়া বিদেশেও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক খেতাব জিতেছেন। একবার নয় সাত বার। তবু উপার্জনের জন্য এখনও নিয়মিত রাস্তায় দাঁড়াতে হয় তাকে।খবর আনন্দবাজান পত্রিকার।

নাজ জোশী একজন রূপান্তরকামী। তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজির (এনআইএফটি) ছাত্রী। পোশাক ডিজাইনিংয়ে স্নাতক। নিজের ব্যাচে শীর্ষ স্থানাধিকারী ছিলেন নাজ।

তবে নিজের পড়াশোনার খরচ চালাতে বারে নাচতে হয়েছে। এমনকি যৌনকর্মীর কাজও করেছেন নাজ।

ছোটবেলাতেই বাবা-মা তাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তার মেয়েলি হাবভাবে লজ্জায় পড়তেন তারা। প্রতিবেশীদের ভয়ে মুম্বইয়ের এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাকে। সেখানেই মানুষ হন নাজ।

তবে নিজের খরচ বরাবর নিজেই বহন করেছেন। পড়াশোনার ইচ্ছে ছিল প্রবল। ১২ বছর বয়স থেকে বারে নাচছেন। তাতে অবশ্য নাজের কোনও অসুবিধা হয়নি। বরং মেয়েদের মতো পোশাক পড়তে পেরে, মেক আপ করার সুযোগ পেয়ে ভালই লাগত তার।

এ ভাবেই উপার্জন করে আইএমটি থেকে এমবিএ-ও করেছেন নাজ। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন সংক্রান্ত অস্ত্রোপচারের খরচও জোগাড় করেছিলেন নিজেই।

মডেলিং করবেন কখনও ভাবেননি। বরং ডিজাইনার হওয়ারই ইচ্ছে ছিল। পেশায় মডেল এক চাচাতো বোনের মাধ্যমে মডেলিংয়ের দুনিয়ায় আসা তার। পরে সেই বোনেরই অকাল মৃত্যুতে মডেলিংকে পেশা হিসেবে নেওয়ার কথা মাথায় আসে নাজের।

২০১২ সাল থেকে মডেলিং এজেন্সির কাজ করতে শুরু করেন। ২০১৪-এ প্রথম সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন নাজ। তার সাম্প্রতিক সাফল্য এমপ্রেস আর্থের খেতাব জয়।

 

ভারতের হয়ে এ বছরের মে মাসে এই আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন নাজ। গত ১ জুন সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হন। ওই প্রতিযোগিতায় নাজ একাই ছিলেন রূপান্তরকামী।

আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় নারীদের সঙ্গে টক্কর দিয়ে সেরা সুন্দরীর খেতাব ছিনিয়ে নেওয়া রূপান্তরকামী তিনিই প্রথম। তবে নাজকে তার জন্য অনেক গঞ্জনা সহ্য করতে হয়েছে। এমনকি কমবয়সিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ায় বয়স নিয়েও কুমন্তব্য শুনতে হয়েছে তাকে।

মোট ১৫টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। নাজ জানিয়েছেন, একজন রূপান্তরকামীর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে জেনে অনেকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। তবে এই সব অপমান গায়ে মাখেননি নাজ। তিনি তার সেরাটা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এবং সেরার খেতাবটি ছিনিয়ে নিয়েছেন।

নাজের সঙ্গে শেষ পাঁচে ছিলেন, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, ব্রাজিল এবং স্পেনের সুন্দরীরা। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হন কলম্বিয়ার প্রতিযোগী ভ্যালেন্টিনা। তৃতীয় স্থানে ছিলেন মেক্সিকোর অলিভিয়া। দু’জনেই নাজের বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করেছেন।

নাজ অবশ্য এর আগেও আরও বহু আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছেন। ২০২০ সালে মিস ইউনিভার্স ডাইভারসিটির খেতাব পেয়েছেন। ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত পর পর তিন বার মিস ওয়ার্ল্ড ডাইভারসিটির মুকুট উঠেছে তার মাথায়।

এ ছাড়া মিস রিপাবলিক ইন্টারন্যাশনাল সৌন্দর্য রাষ্ট্রদূত হয়েছেন। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সৌন্দর্য দূত হিসাবে নির্বাচিত করা হয় তাকে।

তবে আন্তর্জাতিক খেতাব পেলেও ব্যক্তিগত জীবনে এখনও বেশ অসহায় নাজ। স্থায়ী উপার্জনের রাস্তা নেই। ফ্যাশন ডিজাইনের টপার, আইএমটি থেকে এমবিএ করা নাজ বহু চেষ্টা করেও একটি চাকরি পাননি।

নাজ জানিয়েছেন, এর কারণ তিনি একজন রূপান্তরকামী আর সমাজ এখনও একজন রূপান্তরকামীকে আলাদা চোখেই দেখে।

পালিয়ে আসা যুগলদের ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হয় যেখানে

ভারতের একটি রাজ্যে পালিয়ে আসা যুগলদের ধুমধাম করে আয়োজন করে বিয়ে দেওয়া হয়! সেখানে ভাড়া পাওয়া যায় বিয়ের সাজ, গহনা। সুযোগ থাকে ছবি তোলার। শুধু তাই নয়, আইনজীবীর মাধ্যমে সার্টিফিকেটও পাওয়া যায়।

বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে আনন্দবাজার জানিয়েছে, হরিয়ানায় মাতা মনসা দেবী মন্দিরের রাস্তার সামনে তৈরি হয়েছে একাধিক দোকান। তাদের কাজ পালিয়ে বিয়ে করতে আসা যুগলদের বিয়ের আয়োজন করে দেওয়া।

খরচ সামান্যই। ৫ হাজার ১০০ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকার প্যাকেজ নিতে পারেন যে কেউ। খরচ কম, কারণ এই দোকানগুলোতে তৈরিই থাকে বিয়ের সামগ্রী।

যার যখন যেমন প্রয়োজন, তখন তেমন ব্যবহারে কাজে লাগানো। ছবি তুলে তারপর ফেরত দিলেই হল। তারপর সোজা মন্দির। সেখানে আশির্বাদ গ্রহণ করে নতুন জীবনের পথে পা বাড়াতে পারবেন নবদম্পতি।

যুক্তরাজ্যের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলকে তলব করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনের কিছু অংশে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করায় রোববার তাকে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘গৃহবন্দি’ মন্তব্য করা বিভ্রান্তিমূলক বলে ব্রিটিশ দূতকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) ফাইয়াজ মুরশিদ কাজীর দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলকে তলব করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অধ্যায়ে এমন কিছু বিষয়ের অবতারণা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশকে হতাশ করেছে। বিশেষ করে করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থানকে ‘হাউস অ্যারেস্ট’ (গৃহবন্দি) মন্তব্য করা চরম বিভ্রান্তিমূলক। খালেদা জিয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারকে জানানো হয়েছে, তাঁর ভাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফৌজদারি দণ্ডবিধি-১৮৯৮ অনুসারে তার কারাদণ্ড স্থগিত করে গত বছরের ২০ মার্চ তাঁকে (খালেদা জিয়া) মুক্তি দেওয়া হয়। খালেদা জিয়া বিদেশ যাবেন না, দেশে চিকিৎসা নেবেন এই শর্তে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের জন্য কারাদণ্ড স্থগিত করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর ও ২০২১ সালের মার্চে দুই দফায় তাঁর কারাদণ্ড স্থগিত করে মুক্তির আদেশের সময়সীমা বাড়ানো হয়।

খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থানের বিষয়ে নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি থাকলে যুক্তরাজ্যের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার যাতে বাংলাদেশ সরকার কিংবা সরকারি দল আওয়ামী লীগের বিষয়ে কটাক্ষমূলক ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকে, সেটি তলবের সময় ব্রিটিশ দূতকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়।

যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে মন্তব্য নিয়েও সরকার উদ্বেগ জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রতিবেদনে বাংলাদেশে অবস্থানের ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের যেভাবে অভিহিত করা হয়েছে, তা যেমন আন্তর্জাতিকভাবে ঠিক নয়, তেমনি তা বাংলাদেশের আইনেও স্বীকৃত নয়।

যুক্তরাজ্যের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয়গুলো তার দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরবেন বলে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানান, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। মানবাধিকার ও সুশাসন নিয়ে দুই দেশ বিদ্যমান কাঠামোর আওতায় ইতিবাচকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জাভেদ প্যাটেল বাংলাদেশকে পরিপক্ব গণতন্ত্র হিসাবে অভিহিত করে বলেছেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের কোনো দলের পক্ষ নেবে না বা কারও বিরোধিতা করবে না।

সর্বাত্মক লকডাউন বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত আজ

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারন করেছে। রোববার দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এদিন সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৮৭৪ জন নতুন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২১ হাজার ১৮৯ জনে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোববারের বুলেটিনে আরও জানানো হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ হাজার ৪১৯ জনের মৃত্যু হলো।

সর্বাত্মক লকডাউন দিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না পরিস্থিতি। মানুষের চলাচল সেইভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

এদিকে সর্বাত্মক লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১৪ জুলাই। সামনে কোরবানির ঈদ। এমতাবস্থায় কঠোর লকডাউন আরও বাড়ানো হবে কিনা সেই প্রশ্ন এখন মুখে মুখে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন রোববার জানান, সোমবার রাতে এ সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সে অনুযায়ী ১৩ জুলাই বিধিনিষেধ সংক্রান্ত আদেশ জারি হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

দেশের করোনা সংক্রমণ রোধে আরও এক সপ্তাহ চলমান ‘কঠোর লকডাউন’ বা কঠোর বিধিনিষেধ বাড়ানো হতে পারে বলেও এসময় ইঙ্গিত দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা ও কোরবানির হাট- এ দুটোই নিয়ন্ত্রণ করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব পরিস্থিতি সুনিয়ন্ত্রিতভাবে মোকাবিলা করতে চায় সরকার।

এদিকে লকডাউন নিয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী একই দিন বলেছেন, ১৪ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ আছে। সরকারের পরামর্শক কমিটি আছে। তারা যদি মনে করে চলমান বিধিনিষেধ এগিয়ে নেয়া দরকার, তাহলে এগিয়ে নিতে হবে। তবে সবকিছু পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

এবার যেভাবে বেচাকেনা হবে কোরবানির পশুর হাটে

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঊর্দ্বমুখী। সর্বাত্মক লকডাউন দিয়েও সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। মানুষের চলাচল কাঙিক্ষত মাত্রায় কমেনি। সড়ক, হাঁটবাজারে লোকজনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।

সরকার ঘোষিত দ্বিতীয় দফার সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় পর্ব শেষ হচ্ছে ১৪ জুলাই। কঠোর লকডাউন বাড়বে কিনা সেই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

২১ জুলাই ঈদুল আযহা। ১৪ জুলাইয়ের পর মাত্র ৬ দিন থাকে ঈদের আগে। এই সময়ে কোরবানির পশুর হাট কীভাবে পরিচালিত হবে সেটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারি ও সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে রোববার প্রশ্ন করা হয় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এবার করোনা এমনভাবে ছড়িয়েছে যা ভয়াবহ। এ প্রক্রিয়া (চলমান কঠোর বিধিনিষেধ) অব্যাহত রাখতে হবে। ঈদ ও কোরবানির পশুরহাট একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এটা সুনিয়ন্ত্রিতভাবে মোকাবিলা করতে চায় সরকার। ডিজিটাল পশুরহাটের পাশাপাশি সারা দেশে স্বাভাবিক হাটও বসবে। করোনার কারণে বাউন্ডারিযুক্ত খোলা মাঠে পশুরহাট বসানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

পশুর হাট বসবে জানিয়ে তিনি বলেন, ১৫ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এই ৬ দিন হাট বসবে। হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সবাইকে আসতে হবে। হাটের ৩টি পথ থাকবে। এর একটি দিয়ে পশুসহ প্রবেশ করবে। একটি দিয়ে ক্রেতা প্রবেশ করবে এবং অপরটি দিয়ে ক্রেতা বের হয়ে যাবে। মৃত্যু ও সংক্রমণ মাথায় রেখেই হাটে আসতে হবে। হাটের সংখ্যা ও পরিস্থিতি বিশেষজ্ঞ কমিটি যেভাবে সুপারিশ করবে সেভাবেই সরকার ব্যবস্থা নেবে।

বিধিনিষেধ বাড়ানোর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতবার ঈদে গ্রামে এত সংক্রমণ ছিল না। এবার গ্রামে সংক্রমণ বেশি। তাই সবাইকে ঈদে গ্রামে যেতে নিরুৎসাহিত করা হবে। নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে আমাদের সবাইকে সর্বোচ্চ সর্তক থাকতে হবে। এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সোমবার রাতে এ বিষয়ে বৈঠক হবে, তারপর জানানো হবে। সংক্রমণ কমানোর চেষ্টা চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য কঠোরতা থাকবেই। সংক্রমণ ৫ শতাংশের মধ্যে না আসা পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। যারা অকারণে বের হবে তাদের জরিমানাসহ গ্রেফতার করা হবে।

পোশাক শ্রমিকদের ঈদে বাড়ি ফেরার বিষয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, স্বল্প সময়ের জন্য তাদের ছুটি দিতে ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। এবার ঈদে যেন তারা গ্রামে না যায়, সে ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। করোনা কমাতে গ্রামে গ্রামে কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডিএসইতে সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন গেইনার বা দর বাড়ার শীর্ষে রয়েছে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর ৪৫.৪৫ শতাংশ বেড়েছে।

ডিএসইর সপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আলোচ্য সময়ের মধ্যে শেয়ারটি সর্বমোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা লেনদেন করে। যা গড়ে প্রতিদিন ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা।

গেইনারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রেনউক যজ্ঞেশ্বর লিমিটেড। এরপর রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স।

তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- আমান ফিড, সিভিও পেট্রো কেমিক্যাল রিফাইনারি, অ্যাপোলো ইস্পাত, ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্কস, বিকন ফার্মা, আইটি কনসালটেন্টস ও সিলকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড।