শনিবার ,২ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 727

১২ শিশুকে পরীক্ষা, সবার শরীরেই ডেলটা ভেরিয়েন্ট

চট্টগ্রামে কোভিড-১৯ আক্রান্ত শিশুদের করোনার জিনোম সিকোয়েন্সে শতভাগের শরীরেই ভারতীয় ধরন ‘ডেলটা ভেরিয়েন্ট’ শনাক্ত হয়েছে। গত জুন থেকে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ১২জন শিশুর শরীর নমুনা সংগ্রহ করার পর এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে আসে।

এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় নবজাতক থেকে ১৬ বছর বয়সী (স্কুলগামী) কোভিড-১৯ আক্রান্ত শিশুদের।

গবেষণায় প্রাপ্ত সিকোয়েন্স-ডেটা জার্মানি থেকে প্রকাশিত ভাইরাসের আন্তর্জাতিক তথ্যভাণ্ডার সংস্থা ‘গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা’-তে গৃহীত হয়েছে।

রোববার রাতে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের প্রধান ডা. আবদুর রব মাসুম যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে আগত এবং ভর্তিকৃত ১২ জন শিশুর নমুনার জিনোম সিকুয়েন্সে শতভাগের শরীরে ‘ডেলটা ভেরিয়েন্ট’ শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের ৮০ ভাগেরই বয়স ১০ বছরের নিচে। সর্বনিম্ন আট মাস বয়েসের শিশুর মাঝে ডেলটা ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

এই গবেষকদলের অন্য গবেষণা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক কোভিড-১৯ রোগীদের মাঝে ৮০ ভাগ রোগী পুরুষ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। মেয়ে শিশুরাও সমানভাবে এই ভেরিয়েন্টে সংক্রমিত ও আক্রান্ত হচ্ছে। ৫০ ভাগ ছেলে শিশু এবং ৫০ ভাগ মেয়ে শিশুর মধ্যে এই ভেরিয়েন্ট এর উপস্থিতি দেখা গেছে। ৯৫ ভাগ শিশুর মাঝেই জ্বরের লক্ষণ এবং ৭০ ভাগ শিশুর সর্দি ও কাশি ছিল। এর মধ্যে একজন শিশু পুরোপুরি উপসর্গহীন ছিল।

গবেষণায় নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এইচএম হামিদুল্লাহ মেহেদী ও ডা. আবদুর রব মাসুম এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চিকিৎসক ও অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কান্তি বিশ্বাস ও ডা. নাহিদ সুলতানা। সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. আদনান মান্নান।

গবেষকদলে আরও ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মিনহাজুল হক, রাজদীপ বিশ্বাস ও আকরাম হোসেন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. ফাহিম হাসান রেজা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) ভাইরোলজি বিভাগের গবেষকদল। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মুস্তাফিজুর রহমান এবং ড. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।

লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হচ্ছে আরাফাতের ময়দান

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্মেলন পবিত্র হজের মূলপর্ব শুরু হয়েছে। লাখো মুসল্লির কণ্ঠে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়মাতা লাকা ওয়াল মুলক। লা শারিকা লাক’ (আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার) ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সৌদি আরবের মক্কার আরাফাতের ময়দান।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় বছরের মতো সীমিত পরিসরে হজ পালিত হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে এবারে শর্তসাপেক্ষে বেশি সংখ্যক মানুষজনকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ১৫০ দেশের মাত্র ৬০ হাজার মানুষ এবারে হজ করার অনুমতি পেয়েছেন। তবে শর্ত থাকে যে করোনার দুই ডোজ টিকা নেওয়া থাকতে হবে।

গত শনিবার থেকে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। গতবারের মতো এবারও সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হজ পালন করা হচ্ছে।

আজ সকালে মুসল্লিরা সমবেত হয়েছেন বিদায় হজের স্মৃতিজড়িত আরাফাতের ময়দানে। এখানে হাজির না হলে হজ পূর্ণ হয় না।

আরাফাত থেকে মিনায় ফেরার পথে সন্ধ্যায় মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ পড়বেন মুসলমানরা। মুজদালিফায় রাতে খোলা আকাশের নিচে থাকবেন তারা। এ সময় তারা সাতটি পাথর সংগ্রহ করবেন, যা মিনার জামারায় শয়তানকে উদ্দেশ্য করে ছোড়া হবে।

মঙ্গলবার সকালে মিনায় ফিরে সেই পাথর তারা প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে ছুড়বেন। এরপর কুরবানি দিয়ে ইহরাম ত্যাগ করবেন। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হচ্ছে হজ। আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান মুসলিমদের ক্ষেত্রে জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ। করোনা মহামারি শুরু হওয়ার আগে প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ মানুষ হজ করতে ইসলাম ধর্মের পবিত্র দুটি পবিত্র স্থানে যেতেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা হজ পালন করবেন তাদের সবাইকে টিকা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বয়স ১৮-৬৫ বছর। গত বছর মাত্র ১০ হাজার সৌদি নাগরিক এবং বাসিন্দা হজ পালন করার অনুমতি পেয়েছিল।

গত পাঁচ বছরে যারা হজ পালন করেননি এ বছর সেসব ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া হজ করেননি ৫০ বছর বয়সী বা তার চেয়ে বেশি বয়সী ব্যক্তিদেরও অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এ বছর। এমনকি এবারই প্রথমবারের মতো পুরুষ অভিভাবক ছাড়া হজের নিবন্ধন করার সুযোগ পেয়েছেন সৌদি নারীরা।

গিনেস রেকর্ড ভাঙল ৬৭ ফুট উঁচু বালির প্রাসাদ

৬৭ ফুট উঁচু বালির প্রাসাদ বানিয়ে গিনেস রেকর্ড ভেঙেছে ডেনমার্ক। ৫ হাজার টন বালি দিয়ে তৈরি এই প্রাসাদকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বালির প্রাসাদ তৈরির খেতাব ছিল জার্মানির। ৫৮ ফুট উঁচু ওই প্রাসাদটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু প্রাসাদ হিসেবে ঠাঁই করে নিয়েছিল গিনেস বুকে। ডেনমার্কের এই প্রাসাদ ওই প্রাসাদের চেয়েও তিনগুণ বড়।

ডেনমার্কের এই বালির প্রাসাদ তৈরি করা হয়েছে মিসরের পিরামিডের আদলে। প্রাসাদের উপরে করোনার মডেল মুকুট হিসেবে পরানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলমান করোনার রাজস্ব বোঝাতে এই মুকুট পরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পীরা।

প্রাসাদটি তৈরি করেছেন ডাচ শিল্পী উইলফ্রেড স্টিগার। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন ৩০ জন বালি শিল্পী।

বালির তৈরি প্রাসাদের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কারণ অস্থায়ী কিছু বোঝাতে সাধারণত বালির বাঁধ কিংবার বালির প্রাসাদের উদাহরণ টানা হয়। তবে এই প্রাসাদের স্থায়িত্ব বাড়াতে বালির সাথে কাদা ও আঠার প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। এই প্রাসাদ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব ঋতুতেই যেন ঝড়-ঝাপটা সামলাতে পারে এজন্য বালির সাথে ১০ ভাগ কাদা ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে দেওয়া হয়েছে আঠার প্রলেপ।

ইনডোর প্লান্টের যত্ন

ইট-পাথরের নাগরিক জীবনে আমরা এক টুকরো সবুজের ছোঁয়া পেতে চাই। এ কারণে অনেকেই ব্যালকনিতে কিংবা ঘরের ড্রয়িং রুমের কোণায় টবে বিভিন্ন গাছের চারা লাগান; যা বর্তমানে অনেকের শখ কিংবা রুচিশীলতার পরিচয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু শুধু চারা লাগালেই হবে- সেগুলোর প্রয়োজন যথাযথভাবে যত্ন নেওয়া।

এখানে ড্রয়িং রুমে কিংবা ব্যালকনিতে শখের ইনডোর প্লান্ট সতেজ রাখার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো।

# অনেক পাতার আগার অংশ খয়েরি বা নিচের অংশ হলুদ হয়ে পড়ে। এমন হলে বুঝতে হবে গাছে অতিরিক্ত পরিমাণে পানি দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় প্রথমে টবের সম্পূর্ণ মাটি শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গাছের সব জায়গায় পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। তবে গাছের গোড়ায় ঘন ঘন পানি দেওয়া যাবে না।
#অতিরিক্ত পানি দিলে যেমন গাছের ক্ষতি হয়, একইভাবে কম পানি দিলে গাছের সজীবতা নষ্ট হয়ে যায়। এমন হলে গাছের পাতার সামনের দিকটা হলুদ হয়ে যায় এবং পরে পাতা শুকিয়ে ঝরে যায়। তখন গাছের টবের অংশ একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে রাখুন এবং কিছু সময় পরে সেটা তুলে ফেলুন। এ সময়ে কয়েক দিন গাছে ঘন ঘন পানি দিন।

# গাছের ফুল বা পাতার রং হালকা হয়ে গেলে গাছটি ঠাণ্ডা বা আলো কম পৌঁছায় এমন জায়গায় রাখুন। কারণ অতিরিক্ত আলো ও তাপের সংস্পর্শে এসে গাছের পাতা ও ফুলের রং হালকা হয়ে যায়। তবে গাছের নতুন চারা ঠিকমতো না বাড়লে তখন টব বারান্দায় রাখুন। আলো-বাতাস পেলে গাছ ঠিকমতো বড় হবে এবং ফাংগাস জন্মাবে না।

# ইনডোর প্লান্টে গাছের চারা অনেক সময় ঠিকমতো বাড়লেও কাণ্ড হলুদ হয়ে যায়। সাধারণ গাছের গোড়ায় অতিরিক্ত সার দেওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। তাই এমন কিছু হলে বেশ সময় নিয়ে গাছের গোড়ায় বেশি করে পানি দিন। পানিতে সার ধুয়ে গেলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

# পাতার আগার অংশ অনেক সময় কুকড়ে শুকিয়ে যায়। রুমের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এ সমস্যা হয়। তাই এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে গাছ সরিয়ে ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন।

# সারারাত গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকতে দেবেন না। তাহলে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে। প্রতিদিন পানি না দিলেও চলবে। খেয়াল রাখতে হবে টবের মানি যেন একেবারে শুকিয়ে না যায়। গাছে পানি দেওয়ার আগে টবের মাটি হাতে দিয়ে চেপে চেপে দেখুন। ভেজা ভাব থাকলে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গরমকালে বেশি পানি দেবেন, শীতকালে কম পানি দেবেন। ধীরে ধীরে পানি দিতে হবে। একবার পানি দেওয়ার পর মাটি শুকিয়ে গেলে তবেই পরেরবার পানি দিতে হবে।

# পোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ রক্ষা করতে মাঝে মাঝে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে।

# বেশি রোদে গাছ রেখে দেবেন না। গাছের পাতায় পানি ছিটকে রোদের তাপে পাতায় স্পট তৈরি হতে পারে। এমন হলে গাছটি কিছু সময় ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন, স্পট মিলিয়ে যাবে। গাছ ভালো থাকবে।

টুকিটাকি:

১. গাছের পাতায় ধুলা বা ঝুল জমলে শুকনো নরম সুতি কাপড় বা হালকা স্পঞ্জ দিয়ে গাছের পাতা মুছতে পারেন। দুধ ও সমপরিমাণ পানির মিশ্রণ দিয়ে গাছের পাতা পরিষ্কার পারেন। তুলি দিয়েও পরিষ্কার করতে পারেন।
২. মাটি ভেজা থাকলে লিকুইড প্লান্ট ফুড দিন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্লান্ট ফুড দেবেন না। গাছের জন্য তা ক্ষতিকারক। নাইট্রোজেন, ফসফেট ও পটাশ আছে এমন লিকুইড প্লান্ট ফুডই ইনডোর প্লান্টের জন্য আদর্শ।

৩. একসঙ্গে অনেক গাছ পরিষ্কার করতে চাইলে শাওয়ারের নিচে গাছগুলো রাখুন। তবে হালকা পানি ব্যবহার করবেন। গাছের গোড়ার অংশ ও তার চারদিক প্লাস্টিক বা পলিথিন দিয়ে র্যাপ করে দেবেন। এতে গাছের সব মাটি ধুয়ে নষ্ট হয়ে যাবে না।

৪. ঝরেপড়া ফুল বা শুকনো পাতা টবের ভেতর থেকে ফেলে দেবেন। তাহলে গাছ ভালো থাকবে। গাছে কুঁড়ি দেখা দিলে গাছ ঘরের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে রাখবেন না। এ সময় টব বারবার এদিক-ওদিক সরালে গাছের কুঁড়ি ঝরে পড়তে পারে।

মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রবাসীরা

মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এলমা সার্ভিসের প্রায় ৮৩ হাজার রিংগিতে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি টাকা বকেয়া পরিশোধ না করে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাহক এখন গা-ঢাকা দিয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ক্রেতাই বাংলাদেশি। এছাড়া নেপাল এবং পাকিস্তানি প্রবাসীও রয়েছেন।

এ ঘটনায় কুয়ালালামপুরে বালাই পুলিশের কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বকেয়া টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এবং গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এলমা সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী মো. ইব্রাহিম মিয়া ও ম্যানেজার মালয়েশিয়ান নাগরিক নন্দ কুমার কুয়ালালামপুরের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে শুক্রবার রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। এ সময় নন্দ কুমার বলেন, ২০১৭ সাল থেকে এলমা সার্ভিস রাজধানীর আমপাং এ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মুদির দোকান পরিচালনা করে আসছেন।

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দাউদকান্দির ইব্রাহিম মিয়া জানান, ২০১৭ সাল থেকে আমার ব্যবসা শুরু করি। ২১০৯ থেকে প্রবাসীদের মাঝে বাকি দেওয়া শুরু করি তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ২ বছরের ৮৩ হাজার রিংগিত বাকি পড়ে যায়।

এ সময় প্রায় অর্ধশতাধিক ক্রেতা বিভিন্ন সময়ে বকেয়া নিয়ে সেটা পরিশোধ না করেই তারা আত্মগোপন চলে যান। আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছি এবং এতদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে পুলিশ রিপোর্ট করে মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের অবহিত করে আমার পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রবাসী ফজলুল হক জানান, মুদি দোকানের ব্যবসা করতে গিয়ে বাকি দিতেই হয়। আর সেটা করতে গিয়ে সে ৮৩ হাজার রিংগিত এখন হারাতে বসেছে। প্রবাসীরা কুয়ালালামপুরে একসাথে ১০ জন ২০ জন করে ম্যাচে খাবার খায়। এভাবে জিনিসপত্র নিয়ে মাস শেষে বেতন পেয়ে টাকা পরিশোধ করে দেয়। একটা সময় যখন বিল বেশি হয়ে যায় তখন টাকা পরিশোধ না করেই পালিয়ে যায়।

স্পেনে আবারো করোনা সংক্রমণ বাড়ছে

স্পেনের করোনাভাইরাস প্রবণতা একদিনে আরও ৩২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, ১ সপ্তাহে ২৬৩৯০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে।বার্সেলোনা সবচেয়ে খারাপ প্রভাবিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে একটি। ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রথমদিকে স্পেন সংক্রমণের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করেছিল; সেখান থেকে সরকারের কঠোর তদারকিতে দেশটির অবস্থান বর্তমানে ১১।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল কাতালোনিয়ায় গত ১৪ দিনে প্রতি ১ লাখ জনগণের মাঝে ১২৫২ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫৮টি পৌরসভায় কারফিউর অনুমোদনের জন্য চেষ্টা করছে, ইতোমধ্যে ৪৭% জনগোষ্ঠী এখন কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণরূপে টিকা প্রয়োগ করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- প্রতি ১০০০০০ জনে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ১৪ দিনের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান ২.৭৫৭৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা ভাইরাসটির তৃতীয় তরঙ্গের সময়ে ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ দেখা গেছে।

স্পেনে মহামারিটি ধরা পড়ার পর থেকে মোট ৪,১০০,২২২ জনের মাঝে করোনাভাইরাস সংক্রমণ করতে সক্ষম হয়েছে, আর মারা গিয়েছেন ৮১,০৯৬ জন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের ঘোষণা অনুযায়ী, স্পেনে ২৬ জুন থেকে বাইরে গেলে মাস্ক পরার আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

কুরবানির বিকল্প কোনো ইবাদত নেই

বিশ্বময় মহামারি করোনার এ দিনে আমাদের সামনে উপস্থিত হচ্ছে ঈদুল আজহা। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেকেই হয়তো ভাবছেন এবার কুরবানি না দিলে কি এমন ক্ষতি হবে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, সামর্থ্যবানদের অবশ্যই কুরবানিতে অংশ নিতে হবে। কেননা ইসলামে ঈদুল আজহার দিনে কুরবানি করার গুরুত্ব অপরিসিম।

রাসুল করিম (সা.) ‘ঈদুল আজহিয়া’ উপলক্ষে নিজেও কুরবানি করতেন এবং তার সাহাবিদেরকেও কুরবানি করার জন্য তাগিদ দিতেন। এ ব্যাপারে হাদিসে অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে।

যেমন হজরত আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) হিজরতের পর মদিনায় দশ বছর অবস্থান করেন এবং তিনি প্রতি বছরই ‘ঈদুল আজহিয়া’ উপলক্ষ্যে মদিনায় কুরবানি করতেন (তিরমিজি)।

শুধু তাই নয়, ঈদুল আজহার কুরবানির প্রতি রাসুলের (সা.) এতদূর খেয়াল ছিল যে, ওফাতের পূর্বে তিনি তার জামাতা ও পিতৃব্য পুত্র হজরত আলীকে (রা.) ওসিয়ত করেন, তার ওফাতের পর যেন মহানবীর (সা.) পক্ষে ঈদুল আজহিয়া উপলক্ষ্যে সর্বদা কুরবানি করা হয়। হজরত আলীও (রা.) তাই করেছিলেন যা মহানবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছিলেন।

হাদিসে বর্ণিত রয়েছে, হজরত হাবসা (রা.) বলেন, তিনি হজরত আলীকে (রা.) দেখলেন ঈদুল আজহায় দু’টি দুম্বা কুরবানি করছেন। হজরত আলীকে (রা.) তিনি জিজ্ঞেস করলেন, দু’টি দুম্বা কোরবানি করার উদ্দেশ্য কী? এতে হজরত আলী (রা.) বললেন, আমাকে মহানবী (সা.) ওসিয়্ত করেছেন, আমি যেন মহানবীর (সা.) পক্ষে তার ওফাতের পরেও কুরবানি করতে থাকি। এজন্য তিনি হজরত রাসুলের (সা.) পক্ষে কুরবানি করেন (আবু দাউদ) ।

ঈদুল আজহার দিন কোরবানি করা মহানবীর (সা.) শুধু ব্যক্তিগত কর্মই ছিল না, বরং তিনি তার সাহাবাদেরকেও এর আদেশ দিতেন।

হাদিসে বর্ণিত আছে, হজরত বারা (রা.) বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) ঈদুল আজহার দিন খুতবা প্রদান করেন এবং বলেন, এ দিন প্রথমে মানুষ ঈদের নামাজ পড়বে এবং তারপর কুরবানি করবে। সুতরাং যে এমন করে, সে তার সুন্নতকে লাভ করেছে (বোখারি ও মুসলিম)।

আরেক স্থানে তিনি (সা.) বলেন, যার আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্বেও ঈদুল আজহিয়া উপলক্ষ্যে কুরবানি করে না, সে কেন আমাদের ঈদগাহে এসে নামাজে শামিল হয়? (মুসনাদ আহমদ)।

মহানবীর (সা.) এই আদেশকে সাহাবারা (রা.) খুব ভালভাবেই স্মরণ রেখেছিলেন আর সাধ্যমত তারা কুরবানি করতেন।

বর্ণনায় এসেছে, একবার এক ব্যক্তি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, ঈদুল আজহার কুরবানি কি জরুরী? এতে তিনি বললেন, মহানবী (সা.) নিজে কুরবানি করতেন এবং তার অনুবর্তিতা রূপে সাহাবাগণও কুরবানি করতেন।

ওই ব্যক্তি তার প্রশ্নটি পুনরুত্থাপনপূর্বক বললেন, কুরবানি কি ওয়াজিব? হজরত আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা.) বললেন, তুমি কি আমার কথা বুঝতে পার না? আমি স্পষ্ট করে বললাম, মহানবী (সা.) নিজেও কুরবানি করতেন এবং তার অনুবর্তীতায় অন্য মুসলমানরাও করতেন (তিরমিজি)।

ঈদুল আজহার দিন কোরবানি করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ। যেমন হাদিসে বর্ণিত আছে, হজরত জায়েদ বিন আরকাম (রা.) বলেন, সাহাবায়ে কেরামরা মহানবীর (সা.) কাছে নিবেদন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! ঈদুল আজহার এই যে কুরবানি, এটি কেন করা হয়?

এতে মহানবী (সা.) বললেন, এটি তোমাদের প্রধান পূর্ব পুরুষ ইব্রাহিমের প্রবর্তিত রীতি বা সুন্নত। এরপর সাহাবারা (রা.) নিবেদন করলেন, আমাদের জন্য এতে লাভ কী? তখন তিনি (সা.) বললেন, কুরবানির জন্তুর প্রত্যেকটি লোম কোরবানিকারীর জন্য এক একটি পুণ্য, যা তাকে আল্লাহতায়ালার কাছে পুরস্কার লাভের যোগ্য করে তুলবে (ইবনে মাজা)।

এ থেকে সহজেই উপলব্ধি করা যায়, ঈদুল আজহায় কুরবানির গুরুত্ব কত ব্যাপক। কুরবানির আদেশ রয়েছে বলে, যে কোন ধরনের পশু কুরবানি করলেই কিন্তু চলবে না।

মনে রাখতে হবে, কুরবানির পশু নিখুঁত হওয়া চাই। এব্যাপারে বিভিন্ন হাদিসেও উল্লেখ রয়েছে। হজরত আলী (রা.) বলেন, তিনি (সা.) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন, আমরা যেন কুরবানির পশুর চোখ, কান ভালভাবে দেখে নেই। যে পশুর কানের শেষ ভাগ কাটা গিয়েছে অথবা যার কান গোলাকার ছিদ্র করা হয়েছে বা যার কান পেছনের দিক থেকে ফেরে গিয়েছে তা দিয়ে আমরা যেন কোরবানি না করি (তিরমিজি)।

হজরত আলী (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) শিং ভাঙ্গা ও কান কাটা পশু দিয়ে আমাদেরকে কোরবানি করতে নিষেধ করেছেন (ইবনে মাজাহ)। তাই এ বিষয়টির ওপর খুব গুরুত্ব দিতে হবে।

বর্তমান যেহেতু করোনাকাল চলছে, অনেক খেটে খাওয়া ও দরিদ্র মানুষ অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন, তাই এই ঈদে তাদের কথা চিন্তা করে আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সকলকে প্রকৃত অর্থে ঈদুল আজহার গুরুত্ব উপলব্ধি করে তার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে কুরবানি করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

এবার হজের খুতবা দেবেন শায়খ ড. বানদার বালিলাহ

চলতি বছর আরাফাতের ময়দানে হজে অংশগ্রহণকারী মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে খুতবাহ দেবেন শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ। আগামী ৯ জিলহজ (১৯ জুলাই) সোমবার আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবাহ দেবেন তিনি।

সম্প্রতি সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এক রাজকীয় ফরমানে তাকে আরাফাতের মহান দিনে খুতবা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দেন।

২০১৩ সালে মক্কার মসজিদে হারামে তারাবির নামাজ পড়ানোর মাধ্যমে (কাবা শরিফে) ইমামতি শুরু করেন শায়খ বালিলাহ। একই বছরে মসজিদুল হারামের স্থায়ী ইমাম হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

২০১৯ সাল থেকে তিনি মসজিদে হারাম তথা কাবা শরিফে ইমামতির পাশাপাশি খতিব হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২০ সালে সৌদি সরকার তাকে সৌদী আরবের সিনিয়র স্কলার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন।

পবিত্র কাবা শরিফে ইমামতির পাশাপাশি তিনি তায়েফ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

চমৎকার কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য বিশ্বব্যাপী শায়খ ড. বানদার বালিলাহর সুনাম রয়েছে। অসাধারণ চেহারা আর বাচনভঙ্গির দরুণ তিনি বেশ জনপ্রিয়।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির মধ্যে গতবছরের মতো এবারও সীমিত পরিসরে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

শনিবার থেকে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সৌদি আরবে থাকা ১৫০টি দেশের নাগরিকসহ এবারের হজে ৬০ হাজার মানুষ অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

আগামী ১৯ জুলাই (৯ জিলহজ) আরাফার দিন পালিত হবে পবিত্র হজ। পরদিন পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে মূল কার্যক্রম।

সাইবার বুলিং প্রতিরোধে পাশে দাঁড়ান

বুলিং বলতে সাধারণত দুজন ব্যক্তির মধ্যে তর্ক বা কথা কাটাকাটির জেরে একজন ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে সবার সামনে দোষারোপ বা খারাপ ভাষায় আক্রমণ করা বোঝায়। আবার একজনের ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে অনলাইনে তুলে ধরাও বুলিংয়ের মধ্যে পড়ে। ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে দেখলেন যে, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করে অন্য আরেকজনকে আঘাত করছে। অথবা আপনার প্রিয় কারও গোপন তথ্য ফাঁস করে হুমকি দিচ্ছে। ইন্টারনেটকেন্দ্রিক এ ধরনরের কর্মকাণ্ডকে সাইবার বুলিং বুলিং বলা যায়।

অনেকেই ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত হচ্ছেন। নারীরা ও শিশুরা এর প্রধান শিকার। কিশোর-কিশোরীরাই প্রথম দিকে এ ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছিল। এখন মধ্যবয়সিরাও এ ফাঁদে পা দিচ্ছেন।

ইউনিসেফের এক জরিপ অনুযায়ী, সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া ৩৮ শতাংশ মানুষের বয়স ১০ থেকে ১৩ বছর; ৩৬ শতাংশের বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছর এবং ২৫ শতাংশের বয়স ১৬ থেকে ১৭ বছর। ঢাকায় অনলাইনে হয়রানির শিকার নারীদের ৭০ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে? বাংলাদেশসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের ওপর চালানো এক জরিপের বরাত দিয়ে ২০১৭ সালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়- এসব দেশে সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এবং নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে বুলিংয়ের।

আপনি যদি একজন অভিভাবক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার সন্তানের ডিজিটাল বিহেভিয়ার লক্ষ করুন। অস্বাভাবিক আচরণ প্রত্যক্ষ করলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

লক্ষ রাখুন

সন্তানের বা পরিবারের কোনো ছোট সদস্যের মেজাজ খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে কিনা খেয়াল রাখুন। এ মেজাজ খারাপের সঙ্গে তার ডিজিটাল ডিভাইসের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা বোঝার চেষ্টা করুন।

কথা বলুন

কথা বলে জানার চেষ্টা করুন কী ঘটেছে। কোনো ক্লু পেলে কীভাবে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটল, কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত জানার চেষ্টা করুন।

প্রমাণ রাখুন

কোথায় কী ঘটছে তার রেকর্ড রাখুন। সম্ভব হলে ক্ষতিকর পোস্ট বা কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা বলে যে বুলিং সংঘটিত হয় এমন একটি অপরাধ; সুতরাং আপনি রেকর্ড রাখার সুযোগ নিশ্চয়ই পাবেন।

সাপোর্ট করুন ভিক্টিমকে

বুলিংয়ের শিকার কোনো ভিকটিমের জন্য সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সাপোর্ট। পরিবারের জুনিয়র সদস্যটির অস্বাভাবিক আচরণে ক্ষুব্ধ না হয়ে তার সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করুন। কীভাবে সে এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারবে সে ব্যাপারে তাকে সাহায্য করুন। সাহস জোগান, মনোবল অটুট রাখতে উৎসাহিত করুন।

প্রতিকারের চেষ্টা

অনলাইনে সহিংসতা ও সাইবার হয়রানির শিকার হলে আইনি সহায়তা নেওয়ার জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সাইবার পুলিশ সেন্টার, হ্যালো সিটিঅ্যাপ, রিপোর্ট টু র‌্যাব অ্যাপ, ৯৯৯ এবং প্রতিটির ফেসবুক পেজেও অভিযোগ করতে পারেন। শিশুদের সহায়তায় ১০৯৮ নম্বরে, নারী ও শিশুদের সহায়তায় ১০৯ হটলাইনে ফোন করেও সেবা নেওয়া যায়।

ফোন নাম্বার ছাড়াই একাধিক ডিভাইসে চলবে হোয়াটসঅ্যাপ

ফেসবুক মালিকানাধীন মেসেজিং প্লাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপের সেবা ওয়েব বা অন্য কোনো ডিভাইসে ব্যবহার করতে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে সচল ফোন সংযোগ প্রয়োজন হয়। এবার এ বিষয়টি থেকে সরে আসতে চাইছে মেসেজিং প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, কোনো ফোন ছাড়াই ব্যবহারকারীদের একাধিক ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে তারা।

সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, সীমিত পরিসরে উন্নত একাধিক ডিভাইস সক্ষমতার পাবলিক বেটা টেস্টিং শুরু করছে তারা। এ আপডেটের ফলে প্রথমবারের মতো ‘ফোন নয়’ এমন চারটি ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা।

হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে এক ব্লগ পোস্টে জানানো হয়, প্রত্যেকটি ডিভাইস স্বাধীনভাবে হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হবে। বর্তমানে বিশ্বে মোট হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা দুইশ কোটিরও বেশি। অনেক আগে থেকেই ব্যবহারকারীদের অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন সেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

একজন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় এবং মেসেজের এনক্রিপশন/ডিক্রিপশনের কাজগুলো সম্পন্ন হয়। শুরুতে সীমিত পরিসরে পরীক্ষা শুরু করলেও আগামীতে আরও উন্নত কর্মক্ষমতা আনতে এবং আরও ফিচার যোগ করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ টিম।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উইল ক্যাথকার্ট এবং ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ এক সাক্ষাৎকারে অ্যান্ড-টু-অ্যান্ড এনক্রিপশন বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছিলেন।

অন্যদিকে নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য কী কী করতে হচ্ছে, সে বিষয়টিও সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে তুলে ধরেছেন ক্যাথকার্ট।