শনিবার ,২ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 720

দুবাইতে স্ত্রী ও ১৭ বছরের সন্তান আছে সালমানের! যা বললেন ‘বলি ভাইজান ’

বলিউড ভাইজান’ সালমান খানের বয়স ৫৫ পেরিয়েছে। কিন্তু এখনও বিয়ে করার নাম নেই। একের পর এক প্রেমের গুঞ্জন চলে তার। কিন্তু সংসার পেতে থিতু হয়েছেন এমনটি আর হচ্ছে না। যে কারণে বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর বলা হয় এ সুপারস্টারকে।

এখনও কেন বিয়ে করেননি, চিরকুমারই থেকে যাবেন? -ভক্তদের মুখে এ সব প্রশ্ন শুনতে শুনতে কান পেকে গেছে সালমানের।

অবশ্য তিনি কখনও রাগেন না। মজার ছলে জবাব দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান সবসময়।

কিন্তু এবার ঘটল উল্টোটা। গুঞ্জন উঠল, সালমান নাকি বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে লুকিয়ে রেখেছেন দুবাইয়ের কোনো এপার্টমেন্টে। তার নাকি ১৭ বছরের সন্তানও আছে!

এমন সব কথা শুনে রীতিমতো ক্ষেপে গেলেন সালমান। বললেন, সব বাজে কথা।

গত ২১ জুলাই এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন বলি সুলতান। তার ভাই আরবাজ খানের টক শো ‘পিঞ্চ’-এর একটি পর্বে অংশ নেন সালমান।

শোয়ের একটি পর্বে সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান সালমান। এতে একজন নেটিজেনের মন্তব্য পড়ে শোনান আরবাজ খান।

প্রশ্নসহ মন্তব্যটি ছিল – ‘কোথায় লুকিয়ে আছো ভীতু? ভারতের সবাই জানে যে, তুমি দুবাইতে নিজের স্ত্রী নূর এবং ১৭ বছরের সন্তানের সঙ্গে আছো। ভারতের মানুষকে কত দিন মুর্খ বানিয়ে রাখবে?’

এটা প্রশ্নটা শুনে সালমান প্রথমে জানতে চান, ‘কাকে উদ্দেশ্যে এটা বলা হয়েছে?’ আরবাজ জানান, অবশ্যই তোমাকে নিয়ে।

তখন জবাবে সেই নেটিজেনকে ধুয়ে দেন সালমান খান। বলেন, ‘এসব মানুষ খুবই জ্ঞানী! একদম বাজে কথা এটা। আমি জানি না, এগুলো কে বলেছে বা কোথায় লেখা হয়েছে, তারা কী মনে করে এইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমি তাদের গুরুত্ব দেব? ভাই, আমার কোনও বউ নেই। আমি ভারতেই থাকি, আর গোটা ভারত জানে আমি কোথায় থাকি সেই ৯ বছর বয়স থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। আমি এইসব লোকজনের প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না।’

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

রাতদিন সিএনজি চালিয়ে ছেলেকে ক্রিকেটার বানিয়েছেন বিপ্লবের বাবা

ক্রিকেটভক্ত আবদুল কুদ্দুস ছোট ছেলের নাম রাখলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের খেলা খুব পছন্দ ছিল তার।

পরে ছেলের এই নামের সঙ্গে জুড়ে যায় বিপ্লব। এখন সবাই লেগস্পিন অলরাউন্ডার বিপ্লব নামেই চেনে। বিপ্লবের ক্রিকেটে ক্যারিয়ার গড়তেও রীতিমত বিপ্লব করতে হয়েছে জীবনের সঙ্গে। বাবা আবদুল কুদ্দুস পেশায় সিএনজি অটোরিকশাচালক।

রাতদিন সিএনজি অটোরিকশা চালিয়েই ছেলের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। জাতীয় দলের হয়ে বিপ্লবের অভিষেক ঘটেছে অনেকদিন আগেই।
কিছুদিন দলের বাইরে ছিলেন। এবার জিম্বাবুয়ে সফরে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে রয়েছেন আমিনুল। তবে সফরে কোনো ম্যাচ না খেলেই ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার ক্রিকেটভক্ত প্রিয় বাবা ইন্তেকাল করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন আবদুল কুদ্দুস। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

ছেলেকে ক্রিকেটার বানাতে কম কষ্ট করতে হয়নি আবদুল কুদ্দুসের। রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ছোট্ট একটি ফ্ল্যাটে ৫ সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। সিএনজি চালিয়ে সংসারের ভরনপোষণই দায়, সেখানে ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর স্বপ্ন বিলাসিতা।

পাড়ার লোকজনের মুখেও কম কথা শুনেননি আবদুল কুদ্দুস।

বেশ কিছুদিন আগে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সে কথা।

আবদুল কুদ্দুস বলেছিলেন, আমার বন্ধুরা বলতো ছেলে দুটারে পড়ালেখা করায় কি হবে? গাড়ি চালানো শেখা। দিনে ২ হাজার টাকা আয় করব। আমি বলছি তোমাদের হিসাব তোমাদের কাছে। আমি বিপ্লবকে ক্রিকেটার বানিয়েছি। সিএনজি চালিয়ে সংসারের পাশাপাশি ছেলের ক্রিকেটের পেছনে অর্থ ব্যয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তখন স্ত্রী ঘরের কাজ শেষে করে কুটিরশিল্পের নানা জিনিস বানিয়ে বিক্রি করে সহযোগিতা করেছে। এরপরও আমি এখনও আড়াই লাখ টাকা ঋণে ডুবে আছি।

আমিনুল ইসলাম বুলবুল কি করে বিপ্লব হলেন সে ইতিহাস বলতে গিয়ে আবদুল কুদ্দুস জানান, বিপ্লব নামটি দিয়েছেন ক্রিকেটার আশরাফুলের গুরু ওয়াহিদ গনি। তিনি জানালেন, বুলবুল নাম দিলে হবে না। তখন তাকে ছোট বুলবুল বলবে সবাই। ওর আলাদা পরিচয়-নাম দরকার। তখন তিনিই নাম দেন বিপ্লব।

এক সাক্ষাতকারে বিপ্লব জানিয়েছিলেন তার ক্রিকেটার হয়ে ওঠার গল্প।

তিনি বলেছিলেন, ছোটবেলায় আমাকে বাবা ওয়াহিদুল গনি স্যারের একাডেমিতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন । সিএনজি চালিয়েই আমার কোচিংয়ের খরচ জোগাতেন বাবা। মোহাম্মদ আশরাফুলের কোচের তত্ত্বাবধানে ২০০৮ সালে পল্লীমা ক্রিকেট একাডেমিতে ক্রিকেট দীক্ষা নেওয়া শুরু হয় আমার। ২০১২ সালে বিকেএসপিতে ভর্তি করিয়ে দেন বাবা। ধীরে ধীরে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের ধাপ পেরিয়ে সুযোগ পাই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলে।

আশরাফুলের কোচ ওয়াহিদ গনির সঙ্গে কিভাবে সাক্ষাত হলো সে বিষয়ে বিপ্লব জানান, ২০০৮ সালে তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে একটি টুর্নামেন্টে খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। ম্যাচে একজনের অনুপস্থিতির কারণে আমাকে নেওয়া হয়। ওই ম্যাচে আমার খেলা খুব পছন্দ করেন ওয়াহিদ স্যার। এরপর তার পল্লীমা ক্রিকেট একাডেমিতে অনুশীলন শুরু করি।

মূলত বাবার নিরলস শ্রম আর অনুপ্রেরণাতেই ক্রিকেটার হতে পেরেছেন বিপ্লব। জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন।

বাবা বেঁচে থাকাকালীন সেই সাক্ষাতকারে বিপ্লব বলেন, আমার সবচেয়ে বড় সুবিধা, বাবা ক্রিকেট বেশ ভালো বোঝেন। মাঝে কিছুদিন রান করতে পারছিলাম না। তখন বাবা আমাকে বোঝাতেন, পরিশ্রমের পাশাপাশি ধৈর্য ধরতে বলতেন। আমার আব্বু রিয়াদ ভাইয়ের (মাহমুদউল্লাহ) খেলা খুব পছন্দ করেন। তিনি সব সময় বলেন, একজন ব্যাটসম্যানকে সব ধরনের শট খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

সিএনজি অটোরিকশাচালিয়ে তিল তিল শ্রম দিয়ে ছেলেকে ঠিকই ক্রিকেটার বানালেন। স্বপ্ন পূরণের পথের শুরুটা দেখেও গেলেন। কিন্তু বেশিদিন পারেননি। হৃদরোগে ভুগে অনেক আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

২১ বছর বয়সি লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব বাংলাদেশের পক্ষে ৭ টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৭.৬০ গড়ে উইকেট পেয়েছেন ১০ টি।

দুর্দান্ত ক্যাচ নিলেন চাঁদপুরের শামীম, যেন জন্টি রোডস

যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের খেলোয়াড় চাঁদপুরে ছেলে শামীম হোসেন পাটওয়ারী সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় দলে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাটে-বলের পরীক্ষা শুরু হয়নি এখনো।

তবে ফিল্ডার হিসেবে তিনি যে দূরন্ত তা প্রথমবারের মতো মাঠে নেমেই জানান দিলেন।

বৃহস্পতিবার হারারেতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নামার সুযোগ হয়েছিল শামীমের। আর নেমেই নিজের জাত চেনালের। লং অনে বাউন্ডারি ঘেষে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। এ যেন তরুণ জন্টি রোডস মাঠে নেমেছে।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে যেখানে নিশ্চিত বাউন্ডারি ভেবেছিলেন জিম্বাবুইয়ের ব্যাটসম্যান রায়ান বার্ল, সেখানে আউট হয়ে ফিরলেন প্যাভিলিয়নে।

আউটের খাতার বোলার সাইফউদ্দিনের নাম লেখা থাকলেও অনেকে পুরো কৃতিত্বই দিতে চান শামীমকে।

চিতার গতিতে অনেকটা পথ দৌড়ে এসে বাজপাখির মতো শূন্যে ভেসে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল তালুবন্দী করেন শামীম।

এতেই শেষ নয়, গতি থাকায় শরীরটা লেগে যাচ্ছিল বাউন্ডারি লাইনে। বলসহ নিজেই চার হয়ে যাচ্ছিলেন। সেটাও সামলে নিলেন শামীম।

সব কিছু মিলে অনন্য এক এথলেট প্রদর্শন দেখল ক্রিকেটপ্রেমীরা। মনে করিয়ে দিল জন্টি রোডসের কথা!

লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কুমিল্লার লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন স্বাক্ষরিত কমিটি।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা পাশাপুর এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম।

ঘোষিত কমিটিতে লাকসাম উপজেলায় আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বাদল, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম খোকন ও সদস্য সচিব হাজী নুর হোসেন।

লাকসাম পৌরসভায় আহ্বায়ক আবুল হাসেম মানু, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক গোলাম ফারুক ও সদস্য সচিব আবুল হোসেন মিলন।

আর অপরদিকে মনোহরগঞ্জ উপজেলায় আহ্বায়ক শাহ সুলতান খোকন, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শরীফ হোসেন ও সদস্য সচিব সরওয়ার জাহান দোলন।

তিনটি সাংগঠনিক ইউনিটে ৪১

মান্তাদের নৌকায় নৌকায় ঈদ

ডাঙার ঘরে ঘরে ঈদ। পশু কোরবানি, রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়ার ধুম। কিন্তু রাঙ্গাবালীর জলেভাসা মান্তা জনগোষ্ঠীর নৌকায় সেই আয়োজনের ছোঁয়াও লাগেনি।

অবশেষে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন তাদের নৌকায় ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে মুসলিম চ্যারিটি নামের একটি সংস্থা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই সংস্থার অর্থায়নে এসএমকেকের বাস্তবায়নে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের স্লুইসের ঘাটের ১২৫টি পরিবারের জন্য পাঁচটি গরু কোরবানি দেওয়া হয়। প্রত্যেকটি নৌকায় নৌকায় পৌঁছে দেওয়া হয় কোরবানির গরুর মাংস।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাংস পেয়ে কোনো নৌকায় রান্নাবান্না চলছে। আবার কোনো নৌকায় রান্নাবান্না শেষে চলছে খাওয়া দাওয়ার প্রস্তুতি।

মান্তা নৌকার বহরে থাকা মতিজান বিবি (৭০) বলেন, ‘আমরা নৌকায় থাকি মাছ ধরি, ঈদের দিন মাংস খাইতে মন চাইলেও আমরা কই পামু, আমরাতো কোরবানি দেই না। আমাগো কেউ কোরবানি দেয় না। তরে (ডাঙায়) গ্রামে যারা কোরবানি দেয়, আমরা তাদের কাছে যাই না। আর গেলেও তেমন ভালো চোখে দ্যাহে না।’

রুস্তুম সরদার (৭৫) বলেন, এই দুই বছর ধরে আমাগো জন্য হেরা (মুসলিম চ্যারিটি) ঈদে নৌকায় মাংস দিতাছে। তারা এই মাংস না দিলে আমরা টেরই পাইতাম না ঈদ কহন আয়, আর কহন যায়।

বিয়ের খাবার না খেয়েই নতুন বউ নিয়ে লঞ্চের ছাদে যাত্রা

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বলতে আকদ পর্যন্ত হয়েছে। লকডাউনের কারণে আর আতিথেয়তার সম্ভব হয়নি। বিয়ের খাবার না খেয়েই ছুটতে হয়েছে কর্মস্থলের জন্য। নতুন বউ নিয়ে অন্তত লঞ্চের কেবিনে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল রাসেলের। তাও হলো না। অস্বাভাবিক যাত্রীর চাপে শেষে লঞ্চের ছাদেই ঠাঁই হয়েছে নবদম্পতির।

বরিশাল নদীবন্দরে কথা হয় নববিবাহিত রাসেলের বোন পারভিনের সঙ্গে। জেলার উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে তাদের বাড়ি।

পারভিন বলেন, বিয়ের কথাবার্তা ঠিক ছিল গত ঈদে। কিন্তু তখন লকডাউন পড়বে দেখে বিয়ের আয়োজন করা হয়নি। এরপর উভয় পরিবার মিলে সিদ্ধান্ত নেয় কুরবানির ঈদে। আমরা ভেবেছিলাম আগের ১৪ দিন লকডাউন দেওয়ায় কুরবানির পর লকডাউন দিবে না। এজন্য ঈদের পরদিন বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গতকালও জানতাম না আগামীকাল শুক্রবার থেকে আবার লকডাউন দিবে। আজ দুপুরে শুনেছি তখন কেবল আকদ হয়েছে। আয়োজন ছিল খাবারের। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পরপরই খাওয়া-দাওয়া না করেই নতুন বউ নিয়ে ঢাকা রওয়ানা দিয়েছি। যেতে কষ্ট হবে। কিন্তু কিছু করার নেই।

 

রাসেল ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যানের কাজ করেন। নব পরিণীতা স্ত্রীর বাড়ি পাশের ইউনিয়নে বললেও নাম বলেননি রাসেল।

রাসেল বলেন, চেষ্টা করছি লঞ্চে একটি কেবিন সংগ্রহ করার। কিন্তু পাচ্ছি না। নতুন বউ নিয়ে এভাবে খোলা আকাশের নিচে যেতে কেমন দেখায়! আর একটা দিন পরে লকডাউন দিলে আর সমস্যা হত না। না পারলাম কোরবানির মাংস খেতে, না পারলাম বিয়ের অনুষ্ঠানটা করতে। প্রসঙ্গত, আজ বরিশাল নদীবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ১০টি বিলাসবহুল লঞ্চ ছেড়ে যায়। এরমধ্যে পারাবত-১০ লঞ্চের ছাদে ঠাঁই হয়েছে নবদম্পতির।

 

শিল্পার শখ পূরণে যত সম্পদ গড়েছেন রাজ কুন্দ্রা

পর্নো ভিডিও তৈরি ও অ্যাপের মাধ্যমে সেগুলো সরবরাহ করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পী শেঠির স্বামী ও ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা।

পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।

এদিকে শিল্পা শেঠির ধনকুবের স্বামীর পর্নো আইনে গ্রেফতারের ঘটনা বলিউডের টক অব দ্য টাউনে পরিণত।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ, প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপির সম্পদ গড়েছেন রাজ কুন্দ্রা! অথচ তিনি ছিলেন ব্রিটেনের সামান্য এক বাস কন্ডাক্টরের ছেলে। যিনি অর্থাভাবে কলেজের পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।

তবে কী করে এতো কম সময়ে অঢেল সম্পত্তির রাজ্য গড়েছেন? আর সেই রাজ্যের রানীকে দিয়েছেন কি পরিমাণ সম্পদ?

রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতারের পর এসব তথ্যের খোঁজ নিয়েছে ভারতের সাংবাদিকরা।

আর তাদের হাতে যে তথ্য এসেছে জমা হয়ে তা শুনে তাজ্জব বনে যাবেন যে কেউ।

বিবিসি ও ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০০৯ সালের নভেম্বরে ভারতে বিয়ে করেন এ জুটি। মুম্বাই থেকে কিছুটা দূরে খান্ডালায় শিল্পার এক বন্ধুর ফার্ম হাউজে অনুষ্ঠিত হয়েছিল তাদের বিয়ে। ওই দিন শিল্পাকে ৩ কোটি রুপি দামের একটি আংটি দিয়েছিলেন রাজ। একই বছর জমজমাট ফ্রাঞ্চাইজি লিগ আইপিএল দল রাজস্থান রয়্যালসের ১১.৭ শতাংশ শেয়ার কিনে নেন রাজ। শিল্পা ক্রিকেট পছন্দ করেন বলেই এমনটা করেন রাজ।

মুম্বাইয়ের সমুদ্র তীরে ভিলার খুব শখ শিল্পার। স্ত্রীর শখ শুনতেই ম্যাক্সিমাম সিটিতে একটি বিলাসবহুল ভিলা কেনেন রাজ। একেবারে সমুদ্র লাগোয়া সেই ভিলা। সমুদ্রের গর্জন শোনায় যায়, ঢেউ দেখা যায় সেখান থেকে। সেখানেই তারা বসবাস করছেন। বিলাসবহুল ওই বাড়ির ছবি মাঝেমধ্যেই শেয়ার করেন শিল্পা-রাজ।

শুধু ভারতে বিলাসবহুল বাড়িই নয়, শিল্পার শখ পূরণে পৃথিবীর সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফাতেও ফ্ল্যাট কিনেছিলেন রাজ। দুবাইয়ের মেঘ ছোঁয়া বিস্ময়কর এই ইমারতের ১৯তম ফ্লোরে ছিল রাজ-শিল্পার ফ্ল্যাটটি ছিল। তবে ফ্ল্যাটটি আকারে ছোট হওয়ায় পরবর্তীতে তা বিক্রি করে দেন রাজ।

আর ইংল্যান্ডে তো রাজের অঢেল সম্পত্তি আছেই। যার অনেক কিছুই শিল্পার ভোগবিলাসের উপকরণ। সারে ওয়েইব্রিজ এলাকায় সাত বেডরুমের একটি বিলাসবহুল বাংলো রয়েছে রাজের। তার নাম ‘রাজমহল’। অবকাশ যাপনে রাজকে সঙ্গে নিয়ে প্রায়ই সেই বাংলোতে থেকে আসেন শিল্পা।

শিল্পা ও রাজের রয়েছে একটি প্রাইভেট জেটও রয়েছে। টুইটারে সেই জেটের ছবি ও ভিডিও প্রায়শই আপলোড করেন শিল্পা।

মিডিয়া জগতেও শিল্পার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছেন রাজ।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএসের মতে, শিল্পা যোগ প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাজ কুন্দ্রা। সিনেমেশন মিডিয়া ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠানটি গড়েছেন।

এছাড়া রাজের রয়েছে, বাস্তিয়ান হসপিটালিটি, কুন্দ্রা কন্সট্রাকশন্স, জে.এল স্ট্রিম, অ্যাকুয়া এনার্জি বেভারেজেস, ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ, হোল অ্যান্ড থিম সাম প্রাইভেট লিমিটেড এবং ক্লিয়ারকম প্রাইভেট মিডিয়ায়।

তথ্যসূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া, এএনআই

রাশিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের বাড়িতে সোনার টয়েলেট

রাশিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের এক আঞ্চলিক প্রধানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাদের চোখ ছানাবড়া।

দুর্নীতিবাজ কিছু পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক তদন্তের অংশ হিসেবে রুশ ইনভেস্টিগেটিভ কমিটি (এসকে) দক্ষিণাঞ্চলীয় স্টাভরোপল প্রদেশের ট্রাফিক বিভাগের প্রধান কর্নেল অ্যালেক্সই সাফোনভের বাড়িতে তল্লাশি চালায়।

সেখানে তারা প্রাসাদোপম বাড়ি, বিলাসবহুল গাড়ি, দামী আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, এমনকি সোনায় মোড়া টয়লেটও দেখতে পায়। খবর মস্কো টাইমসের।

দুর্নীতির অভিযোগ কর্নেল সাফোনভ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এরা ঘুষের বিনিময়ে ব্যবসায়ীদের কাছে ট্রাফিক পারমিট বিক্রি করতো।

এই পারমিট ব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে বহন করা খাদ্য এবং নির্মাণ সামগ্রী পুলিশের চেকপোস্টের ভেতর দিয়ে পার করতো বলে তদন্ত কর্মকর্তারা অভিযোগ করছেন।

তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও কোন বক্তব্য দেননি।

উত্তর ককেশাস অঞ্চলের পুলিশ এই দুর্নীতির তদন্তে ৮০টির বেশি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে।

এসকে হলো অনেকটা যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইয়ের আদলে গঠিত তদন্ত সংস্থা।

এর কর্মকর্তারা বলছেন, সাফোনভ গ্যাংয়ের সদস্যরা গত কয়েক বছর ধরে ১৯ মিলিয়ন রুবলেরও বেশি অর্থ পকেটস্থ করেছে।
বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে কর্নেল সাফোনভের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

এই অভিযানে সাফোনভের পূর্বসূরি কর্মকর্তা অ্যালেকজান্ডার আরঝানুখিনকেও আটক করা হয়েছে।

স্ত্রীর বেশ ধরে ফ্লাইটে উঠলেন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি

নিজের স্ত্রীর বেশ ধরে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে চড়েছেন করোনা আক্রান্ত এক ইন্দোনেশিয়ান ব্যক্তি। তবে তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। ফ্লাইট অবতরণের পরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

সিটিলিংকের জাকার্তা থেকে টার্নেটগামী একটি ফ্লাইট রোববার এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

এপি জানায়, হিজাব ও বোরকা পরে আপাদমস্তক ঢেকে হালিম পেরদানা কাসুমা বিমানবন্দরে আসেন ওই ব্যক্তি। এরপর ভুয়া পরিচয়পত্র ও করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট দেখিয়ে বিমানে উঠেন। ফ্লাইট উড্ডয়নের পর এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট টয়লেটে ওই ব্যক্তির পোশাক পাল্টানোর বিষয়টি খেয়াল করেন।

টার্নেট পুলিশ প্রধান আদিত্য লাকসিমাদা বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তি যে সব কাগজপত্র দেখিয়েছেন সব তার স্ত্রীর নামে। স্ত্রীর পিসিআর পরীক্ষার ফল নেগেভিট এসেছে। সেই রিপোর্টটি নিয়ে আসেন ওই ব্যক্তি। সঙ্গে স্ত্রীর ভ্যাকসিন নেওয়ার কার্ড আনেন।

লাকসিমাদা আরো জানান,গ্রেফতারের পর ওই ব্যক্তির করোনা পরীক্ষায় করানো হয়। এতে ফল পজিটিভ এসেছে।
তাকে সেল্ফ-আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তিনি কেন এমনটা করেছেন তার তদন্ত করছে পুলিশ।

ইন্দোনেশিয়ায় করোনার সংক্রমণ ফের উর্ধ্বগতি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ঈদুল আজহার ছুটিতে ভ্রমণে বিধিনিষেধ কঠোরতা আরোপ কার হয়েছে। কেবল করোনা নেগেটিভ রিপোর্টধারীরাই ঘুরতে পারবেন।

কঠোরতম বিধিনিষেধে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়

করোনার সংক্রমণরোধে শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হচ্ছে কঠোরতম বিধিনিষেধ। চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। আগামী রোববার থেকে ব্যাংকগুলো তাদের শাখা খোলা রাখবে।

এই সময়ে ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলবে বলে গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে আরও বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই সময়ে মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জরুরি বিভাগসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে ব্যাংকগুলো। শাখা খোলা রাখার ব্যাপারে বলা হয়েছে, নিজ বিবেচনায় খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে হিসাবে নগদ/ চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/ পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ—এসব সেবার পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির ভাতা/ অনুদান বিতরণ ইত্যাদি সেবা মিলবে। এ ছাড়া একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা–সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং এসব সুবিধা–বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন–সংক্রান্ত সেবা পাবেন গ্রাহকেরা।

এই সময়ে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক সেবা চালু রাখতে হবে।