রবিবার ,৩ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 713

হোয়াটসঅ্যাপে প্রোফাইল পিকচার লুকানো

জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ একের পর এক ফিচার এনে ব্যবহারকারীদের চমকে দিচ্ছে। এবার খুবই কার্যকর একটি ফিচার এনেছে প্রতিষ্ঠানটি; যেটির মাধ্যমে প্রোফাইল পিকচার গোপন রাখা যাবে। হোয়াটসঅ্যাপের ফিচার পর্যবেক্ষণকারী সাইট ওয়াবেটাইনফো জানিয়েছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আরও উন্নত করতে প্রোফাইল পিকচার গোপন করার সুবিধা আনছে হোয়াটসঅ্যাপ। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট কনট্যাক্টের কাছে স্ট্যাটাস ও লাস্ট-সিন গোপন করারও বিশেষ ফিচার আসছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে সুবিধাগুলো চালু হয়। এবার অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যও এ ফিচারের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। লাস্ট সিন, প্রোফাইল পিকচার, অ্যাবাউট ইত্যাদি সেকশনের জন্য ‘মাই কন্টাক্ট এক্সসেপ্ট’ নামের নতুন অপশন যুক্ত করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।

আইফোন ১৪-এর স্টোরেজ দুই টেরাবাইট!

সম্প্রতি বাজারে এসেছে অ্যাপলের সর্বশেষ সংস্করণের আইফোন ১৩ সিরিজ। পরে আইফোন সিরিজ বাজারে আসতে এখনো প্রায় এক বছর বাকি। কিন্তু এরই মধ্যে আইফোন ১৪ সম্পর্কে নানা গুজব শোনা যাচ্ছে, যার সর্বশেষটিতে দাবি করা হয়েছে আগামী বছরের আইফোনের স্টোরেজ দ্বিগুণ থাকবে। চলতি বছর অ্যাপল তাদের আইফোন ১৩ সিরিজের প্রো এবং প্রো ম্যাক্স মডেলে স্টোরেজ দ্বিগুণ করে সর্বোচ্চ এক টেরাবাইট স্টোরেজ দিয়েছে। আর যদি এবারের সূত্রের তথ্য সঠিক হয়, তাহলে আগামী বছরের আইফোন ১৪ লাইনআপে ২ টেরাবাইট কিউএলসি স্টোরেজ থাকবে। সূত্রটি কোনো মডেলের নাম উল্লেখ করেনি। তবে অ্যাপল যদি সত্যিই ২ টেরাবাইট স্টোরেজ দেয় তাহলে সর্বোচ্চ সেটি প্রো এবং প্রো ম্যাক্স মডেলে থাকতে পারে। অন্য মডেলগুলোতে ৫১২ গিগাবাইট থেকে এক টেরাবাইট স্টোরেজ থাকতে পারে। অ্যাপল কোনো স্টোরেজ বাড়াতে যাচ্ছে সেটি বোধগম্য নয়। তবে বাস্তবে কী থাকবে সেটি দেখতে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

সুফি কবি মাওলানা রুমি

ফার্সি সাহিত্যের একটি প্রবাদ আছে- ‘সাতজন কবির সাহিত্যকর্ম রেখে যদি বাকি সাহিত্য দুনিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়, তবু ফার্সি সাহিত্য টিকে থাকবে।’ এ সাতজন কবির তালিকায় যেমন আছেন ফেরদৌসী, হাফিজ, নিজামী, রুদাকী, সাদী ও জামী তেমনি আছেন সুফি কবি মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি।

আফগানিস্তানের বলখ শহরে ইংরেজি ১২০৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এ মহাকবি। তার পিতার নাম মাওলানা বাহা উদ্দিন ওয়ালাদ। তিনি ছিলেন একাধারে বিদ্বান, কবি, বক্তা এবং একজন সুফি দরবেশও। তিনি রুমি-এর অনুসারীদের কাছে ‘সুলতান আল-উলামা’ নামে পরিচিত।

পিতার কাছ থেকেই, মাওলানা রুমি তার প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। রুমির পিতা ছাড়াও রুমির ওপর যারা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তারা হলেন ফার্সি কবি আত্তার, সৈয়দ বুরহান উদ্দিন, শামস তাবরিজি, স্বর্ণকার সালাহ উদ্দিন ও ঘনিষ্ঠ সঙ্গী প্রিয় ছাত্র হুসাম-এ চালাবি।

কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তার (রহ.)-এর সঙ্গে রুমির সাক্ষাৎ ঘটে ইরানের নিশাপুরে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ছয় বছর। বালক জালাল উদ্দিনকে দেখা মাত্র তিনি বলেছিলেন, ‘এ বালক একজন মহাপুরুষ হবে’। রুমির প্রতি স্নেহাশিস হয়ে সুফি আত্তার তার বিখ্যাত ‘আসরারনামা’ও উপহার দিয়েছিলেন।

রুমি তার গুণগ্রাহিতা করে বলেন, ‘আত্তার হচ্ছে আত্মা’। আরেকটি কবিতাতে স্মৃতিচারণ করেছেন, ‘আত্তার ভালোবাসার সাতটি নগরই ভ্রমণ করেছেন আর আমি এখনো একটি গলির প্রান্তে অবস্থান করছি’। ১২৪৪ সালে দরবেশ শামস তাবরিজি-এর সঙ্গে রুমির সাক্ষাৎ হয়। তাবরিজের সান্নিধ্য সম্পূর্ণরূপে বদলে দেয় রুমির জীবন।

গুরুর নির্দেশ মতো সূচনা করেন জীবনের নতুন এক অধ্যায়। ফলে একজন শিক্ষক থেকে রুমি পরিণত হন একজন মহান সুফি দরবেশ ও সাধকে। রুমির প্রিয় ছাত্র হুসাম-এ চালাবি রুমির সঙ্গীর ভূমিকা পালন করেন। একদিন হুসাম রুমিকে বললেন, ‘যদি আপনি একটি বই লিখেন যেমন সানাই-এর ‘এলাহিনামা’ বা আত্তার-এর ‘মাতিক উত-তাইর’ এরমত, যেটি অনেকের সঙ্গ দেবে। তারপর-ই রুমি তার বিখ্যাত ‘মসনভী’ লিখেছেন। ‘মসনভী’-এর ছয়টি খণ্ড লিখতে বারো বছর লেগেছিল।

১৭ ডিসেম্বর ১২৭৩ সালে রুমি ইন্তেকাল করেন। তাকে তার বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। তার সমাধিফলকে লেখা আছে-‘যখন আমি মৃত, পৃথিবীতে আমার সমাধি না খুঁজে, আমাকে মানুষের হৃদয়ে খুঁজে নাও।’ মাওলানা রুমির মৃত্যুর পর শুধু মুসলমানরাই নয়, ইহুদি-খ্রিষ্টানরাও তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কেঁদেছিলেন।

একজন খ্রিষ্টানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ‘তোমরা কেন এত দুঃখচিত্তে তার কবরের পাশে কান্না করছ’? উত্তরে খ্রিষ্টান বলেছিলেন, ‘উনি আমাদের যুগের মসিহ। আমরা তাকে যুগের মুসা এবং দাউদ বলে শ্রদ্ধা করি। আমরা সবাই তার ভক্ত।’

আত্মহত্যাকারীর জানাজার নামাজ কি পড়া যাবে?

প্রশ্ন: আত্মহত্যাকারীর জানাজার বিধান কি?

উত্তর: কোনো মুসলিম ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করেন, তা হলে তার জানাজা পড়া হবে। তবে তার জানাজায় সমাজের অনুসৃত ও মান্যবার ব্যক্তিরা শরিক হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যাতে করে ‘আত্মহত্যা কবিরা গুনাহ’ হওয়ার অপরাধবোধ মানুষের অনুভূতিতে জাগ্রত থাকে।

হজরত জাবের ইবনে সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলের (সা.) সামনে আত্মহত্যাকারী এক ব্যক্তির লাশ আনা হয়, রাসুল (সা.) তার জানাজা পড়েননি।

তথ্যসূত্র- (সহিহ মুসলিম- ২২৫৮, সুনানে আবু দাউদ- হাদিস, ৩৫৩৩, সুনানে বায়হাকি- ৬৭৩৩, ফাতহুল মুলহিম ৬/৫৯, ফতোয়ায়ে কাযিখান ১/১১৬, দুররে মুখতার ৩/১০৮)

লেখক: শিক্ষক, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম হোসাইনিয়া, মিরওয়ারিশপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

মেঘের-ভেলায় বান্দরবান থেকে থানচি ভায়া নীলগিরি

ভারতের বিহারের রাস্কিন বন্ডের কথাটি মনে ধরে- পাহাড় ভ্রমণে একটি কথা খুব প্রণিধাণযোগ্য- ÔIt is always the same with mountains. Once you have lived with them for any length of time, you belong to them. There is no escape.’― Ruskin Bond, Rain in the Mountains: Notes from the Himalayas- পাহাড়ে একবার গেলে বারবার যেতে মন চায়, তাকে এড়িয়ে যাওয়ার কারও সাধ্যি নেই। বান্দরবান জেলা হচ্ছে পার্বত্য জেলা- আমাদের দার্জিলিং। বন্ডের মতো আমাকেও কাছে টানে পাহাড়-পর্বত, কাছে টানে বান্দরবানের পাহাড়।

করোনা সংক্রমণের বাড়াবাড়ি কিছুটা কম। কিন্তু তার মধ্যেই আশঙ্কা বাড়ছে তৃতীয় তরঙ্গের। এমন সময়ে বেড়াতে যাওয়াটা নিঃসন্দেহে খুব যুক্তিসঙ্গত নয়। কিন্তু পাহাড়ি পরিবেশে, যেখানে পর্যটকের সংখ্যা কম, তেমন জায়গায় যাওয়া তুলনামূলক নিরাপদ। বিশেষ করে পাহাড়ি পথে হাঁটা ও ঘোরা এ সময়ের জন্য একটু স্বস্তির।

বাংলাদেশে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় জেলা বান্দরবান। এ পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বসবাস। বাঙালি ও বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যকার সম্প্রীতির এক বিরল দৃষ্টান্ত। নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা, বগালেকের মতো অসংখ্য ট্যুরিস্ট স্পট আছে এ জেলায়। একমাত্র পাহাড়ি নদী সাঙ্গুর অনুপম দৃশ্য মন জুড়িয়ে দেয়। বান্দরবানের চমৎকার একটি স্পট নীলগীরি।

নীলগিরি টু থানচি রোড। মেঘের মধ্য দিয়ে চলেছি। বর্ষাকাল ও শরৎকালের এমন দৃশ্য রোমাঞ্চিত করে। মনে পড়ে শিলিগুড়ি টু দার্জিলিং ‘হিলকাট রোড’। তবে ওদের মতো আমাদের এ পথ গোছালো ও পরিকল্পিত নয়। শহর থেকে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি প্রায় ৮০ কিমি পথ বেয়ে থানচি।

শহর থেকে সিএনজি করে পারিবারিক ভ্রমণ শুরু করলাম। দুই মেয়েসহ আমরা চারজন। শুরু থেকেই রোমাঞ্চকর যাত্রা। উঁচু-নিচু পাহাড়ি পথ রোমাঞ্চ জাগানিয়া। একটু যেতেই মেঘপরীদের খেলা। বান্দরবান থেকে থানচি যেতে যেতে চোখে পড়ল শৈলপ্রপাত, মিলনছড়ি-নীলগিরি থেকে সাঙ্গু নদী, চিম্বুক পাহাড়ের কারিকুড়ি- সৌন্দর্য, নীলগিরি আর চারিদিকে ফুল-গাছে এঁকেবেঁকে রোমাঞ্চকর চড়াই-উতরাই পথ। আর পথে পথে আদিবাসী গ্রাম। মেঘের খেলা দেখতেই আমরা ভোরে বের হয়েছি।

বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মেঘপরীরা ক্লান্ত হয়ে যায়। খেলা কমিয়ে দিতে থাকে। ফলে আমরা প্রথমেই ৮০ কিমি দূরের থানচি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। পাহাড় মেঘ আর সবুজের মধ্য দিয়ে আমাদের গাড়ি চলতে লাগল। বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অস্থায়ী বাজার দেখা গেল। পেঁপে, আনারস, কলার আধিক্য দেখলাম। পাহাড়িদের বিচিত্র জীবনযাত্রা উপভোগ করতে করতে ছুটে চললাম গন্তব্যের দিকে। পাহাড় পথের মোড়ে মোড়ে ও উপত্যকায় ছোট ছোট গ্রাম বা বাজার চোখে পড়ল। গ্রামবাসীর বেশিরভাগই বাঁশ-মাটির বাড়ি, সহজ-সরল জীবনযাত্রা এদের। বাড়িগুলোর সুন্দর অলঙ্করণ বেশ চোখ টানে। কৌতূহলী গ্রামবাসী জিজ্ঞাসুদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে পর্যটকদের দিকে। মনে হয় খাঁচায় বন্দি এরা। ডানপিটেদের হাত নাড়ানো ও অভিবাদন মাঝে-মধ্যে দেখা মিলল। বর্ষায় এই পথজুড়ে নানা রঙের ফুল- বেশির ভাগই সাদা ও কম উজ্জ্বলের, শোভা বাড়ায় গুল্মগাছ।

মাঝে-মধ্যে পাহাড়ি শিশুদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। যাওয়ার ডান বা বাঁ-দিকে সারি সারি পাহাড়শ্রেণি। উঁচু উঁচু সবুজ পাহাড়ে মেঘ আটকে যাচ্ছে। মাঝে-মধ্যে বিভিন্ন পাখির কলতান মুগ্ধ করছে। এসব উপভোগ করতে করতেই পৌঁছে গেলাম স্বপ্নের নীলগিরি, তারপর থানচি। কী নান্দনিক দৃশ্য! আমরা অনেক উঁচুতে। আর মেঘমালা ভেসে বেড়াচ্ছে আমাদের নিচে, পাহাড়ে। দূরের সিঁড়ির মতো পাহাড়। আকাঁবাঁকা পথ- কী দারুণ দেখতে! থানচি বাজারে খেয়ে নিলাম। বাজারের কাছাকাছি সাঙ্গু মিশেছে পাহাড়ের সঙ্গে। কী অপূর্ব দৃশ্য!

এবার ফেরার পালা। ৩০-৩৫ কিমি ফিরতিপথে পাহাড়ি সাঙ্গু নদী উঁকি দিচ্ছে। কী মনোলোভা! নীলগিরির আগে থেকেই মিলনছড়ি পর্যন্ত মাঝে-মধ্যে সাঙ্গুর এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য মন ভরিয়ে দেবেই। এরপরই চিম্বুক পাহাড়। এখানে থামলাম। ২০ টাকার জনপ্রতি টিকিট কেটে উঠতে থাকলাম চিম্বুক পাহাড়ে। চিম্বুক সারা দেশের কাছে পরিচিত নাম। বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৫০০ ফুট। চিম্বুক বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। একটু উপরে উঠতেই চোখ ছানাবড়া। পাহাড় আর পাহাড়! আহা! কী সুন্দর বান্দরবান! চোখ ফেরানো যায় না! যতদূর চোখ যায়, শুধু পাহাড় আর পাহাড়। পাহাড়ে লুকিয়ে শুভ্র মেঘ। কিছু মেঘমালা ওড়াউড়ি করছে। কী যে শিহরণ জাগানিয়া দৃশ্য! না দেখলে বিশ্বাস করানোই কঠিন! চিম্বুক যাওয়ার রাস্তার দুই পাশের পাহাড়ি দৃশ্য খুবই মনোরম।

পথজুড়েই দেখলাম মেঘের খেলা। বিশেষ করে সকালের দিকে। বর্ষা ও শরতে প্রায় সবসময় এমন দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। নিচে শুভ্রমেঘের সারি আর উপরে কালোমেঘের ঘনঘটা- কী দারুণ! কী রোমাঞ্চকর পথ! বান্দরবানের পাহাড় পথ।

এরপর রওনা দিলাম শৈলপ্রপাতের উদ্দেশে। শহর থেকে ৮-১০ কিমি দূরেই এ ঝর্ণা। এখানে উপজাতীয়দের ছোট বাজারও আছে। ফলমুল ও পাহাড়ি পোশাক কেনাকাটা করতে পারবেন। কিছুদূর যেতেই সাঙ্গুর অপরূপ দৃশ্য। মিলনছড়ি পুলিশ চেকিং পয়েন্টের কাছে ছবি তুললাম। মনে মনেই বলে উঠলাম, কী সুন্দর, কী সুন্দর! সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতেই যেন আগলে রেখেছে বান্দরবানের এমন সৌন্দর্য। বিকাল ৫টা নাগাদ ফিরে এলাম বান্দরবান শহরে। হোটেলে ফ্রেশ হয়ে ও খাওয়া দাওয়া করে বান্দরবান শহর চক্র দিলাম।

মেঘ পাহাড় আর জল- বান্দরবানের ঐতিহ্য ও ইতিহাস। দেশের বড় বড় পাহাড়-পর্বত এ জেলায় অবস্থিত। বিভিন্ন ঝিরি ও জলাধার সবুজের মাঝে নান্দনিক দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। পাহাড়ি নদী সাঙ্গু ঋতুতে ঋতুতে রূপ পাল্টায়। বর্ষায় পলি নিয়ে ভরা যৌবন, শীতকালে স্রোতের বেগ কমে আসে- উঁচু থেকে উপত্যকায় যেন নীলরঙের লেক। বাঙালি ও নানারকমের উপজাতি, সবুজ পাহাড়, বন-বনানী ও পাহাড়িদের জীবনযাত্রা বান্দরবানে এক অপূর্ব সম্প্রীতির বন্ধন।

যাতায়াত:
বাসযোগে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম। ঢাকা-সিলেট-ময়মনসিংহ থেকে ট্রেনেও চট্টগ্রাম যাওয়া যাবে। এরপর বদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে এসি-ননএসি বাসে বান্দরবান। ঢাকা থেকে শ্যামলী, ইউনিক, হানিফ, সেন্টমার্টিন পরিবহনসহ বেশ কিছু বাস সকাল-রাতে সরাসরি বান্দরবান যায়। ভাড়া ৬৫০ থেকে শুরু।

থাকা ও খাওয়া:
থাকা ও খাওয়ার জন্য বান্দরবানে বিভিন্ন মান ও দামের অনেক হোটেল-রিসোর্ট পাওয়া যাবে। বাস টার্মিনালের কাছেই বেশ কিছু আবাসিক ও খাওয়ার হোটেল পাবেন।

 

গাড়ি ভাড়া:
টার্মিনালের কাছেই নীলগিরি, নীলাচল বা থানচি যাওয়ার সিএনজি, চাঁদের গাড়ি পাওয়া যাবে। থানচি যাওয়া-আসা করতে ছোট-বড় চাঁদের গাড়ি ৪০০০ টাকা থেকে শুরু। ৫-১৫ জন যাতায়াত করা যাবে। আর ২-৩ জনের জন্য সিএনজি ভাড়া পাওয়া যাবে। ভাড়া কমবেশি দুই হাজার। এ চুক্তি নীলগিরি, মিলনছড়ি, চিম্বুক পাহাড় ও শৈলপ্রপাতের প্যাকেজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। নীলাচল, মেঘলা বা শহরের কাছাকাছি ভ্রমণের জন্য কমবেশি হাজারের কাছাকাছি (স্পটপ্রতি) সিএনজি-চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ করে নিতে হবে। এক বা দুইজন হলে অন্য কোনো পার্টির সঙ্গে শেয়ার গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। নতুবা খরচ অনেক বেশি পড়বে। ঘুরতে হলে এখানে রিজার্ভ ছাড়া গাড়ি পাওয়া যায় না। তবে বান্দরবান থেকে থানচি ভায়া নীলগিরি-চিম্বুক লোকাল বাস চলে। ভাড়া ২০০ টাকা। দিনে মাত্র ৩-৪ ট্রিপ চলে। বাসে গেলে বাসেই ফিরে আসতে হবে। ঘোরাঘুরির সুযোগ একেবারেই কম পাবেন। তবে চারিদিকের মোহনীয় রূপ দেখার কমতি হবে না!

 

উপজাতীয় বাজার:
বান্দরবান শহরে দিন-রাতে উপজাতীয় বাজার বসে। এটা মগ বাজার নামেই পরিচিত। পাশেই বার্মিজ বাজার। এছাড়া জেলার বিভিন্ন রোড-সাইডে ছোট-বড় উপজাতীয়দের বাজার বসে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা হয়।

শরতে ত্বকের যত্ন

মেঘ রোদ্দুর খেলায় শরতের বাতাসে দেখা মিলছে কাশফুলের। সাদা মেঘের আনাগোনায় নীল আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে শুভ্র মেঘ। কখনো রাঙা রোদের সোনা আলোয় তপ্ত দুপুর হঠাৎ করেই ঝুম বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ছে গাছের পাতায় পাতায়। রূপে রঙে তাই শরতের জুড়ি মেলা ভার। তবে শরতের এই হঠাৎ পরিবর্তন শুধু প্রকৃতিতেই না পাশাপাশি আমাদের ত্বকের মাঝেও পরিবর্তন আনে। তাই এ ঋতুতে ত্বকে চাই বাড়তি যত্ন। সে ক্ষেত্রে কিভাবে ঘরে বসে নিজের যত্ন নিতে পারবেন এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন আকাঙ্খা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী এ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।

এ ঋতুতে ত্বক ঘেমে যাওয়ার সমস্যা কম-বেশি সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এ ছাড়া ত্বকে র‌্যাশ, চামড়া ওঠা কিংবা লালচে ভাব এ সময়ে প্রায়ই চোখে পড়ে। তাই ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে সানক্রিম ব্যবহার করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপর নির্ভর করে সানক্রিমের মাঝেও পার্থক্য আছে। সেনসিটিভ, ওয়েলি কিংবা রুক্ষ ত্বকসহ সব ত্বকের জন্য এক ধরনের সানক্রিম ব্যবহার করা উচিত না। এতে ত্বকে সঠিকভাবে সানক্রিম কাজ করে না। তাই ত্বক বুঝে ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই গরমে ঘামের জন্য সানক্রিম ব্যবহার করতে চান না। বরং এ সময় আরও বেশি সানক্রিম ব্যবহার করা প্রয়োজন। অন্যদিকে সানক্রিম ব্যবহার না করলে ত্বকে কালো দাগ আর তা থেকে ব্রণের মতোও সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে। অন্যদিকে সানক্রিমের পাশাপাশি ফেসিয়ালও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ত্বকের যত্নে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে দিনে দুইবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে যাতে লোমকূপে ময়লা না জমতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যাচারাল ফেসিয়াল সবচেয়ে ভালো ত্বকের যত্নে। আপনি সেনসিটিভ স্কিনের হয়ে থাকলে মুলতানি মাটি সঙ্গে নিমপাতার গুঁড়া একসঙ্গে মিক্সড করে ফেসিয়াল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া প্যাক হিসাবে মধুর সঙ্গে মুলতানি মাটি আর বেসন একসঙ্গে মিশিয়ে মাস্ক হিসাবে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শুধু মুখের ত্বকের পাশাপাশি হাতে এবং পায়ের ত্বকের ক্ষেত্রেও এ মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে পায়ের যত্নে সবচেয়ে ভালো কাজ করে পেডিকিউর। আপনি ঘরে বসেই হাতের কাছের টুকিটাকি জিনিস ব্যবহার করে পেডিকিউর করে নিতে পারে। হালকা কুসুম গরম পানিতে শ্যাম্পু আর লেবু মিক্স করে তাতে পা কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়। পেডিকিউর করার পাশাপাশি মধু, মুলতানি মাটি আর বেসনের মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে এর পরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যারা লম্বা সময় বাইরে থাকেন ত্বকে লালচে ভাব এবং ব্রণের সমস্যা প্রায়ই লক্ষ্য করেন তারা ত্বকে বরফ ব্যবহার করতে পারেন। বরফের টুকরা পাতলা একটা কাপড়ে জড়িয়ে ত্বকের সেই জায়গাতেই লালচে ভাব কিংবা ব্রণ আছে সেখানে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনি চাইলে গোলাপ জল, শসার রস কিংবা পুদিনা পাতার রস ও বরফ করে ব্যবহার করতে পারেন। ঋতুভেদে চুলের ক্ষেত্রেও যত্ন আবশ্যক। চুলের যত্নে তেলের বিকল্প নেই। প্রতিবার শ্যাম্পু করার আগে পাঁচ মিনিট ওয়েল ম্যাসাজ করে নিতে হবে এতে চুলে পুষ্টি মিলে। চাইলে আপনি কন্ডিশনার করে নিতে পারেন তবে তা যেন চুলের গোড়ায় না পৌঁছে সেই দিকে লক্ষ্য রাখুন।

 

শসা হার্টের কতটা উপকারী?

শসা উপকারী উপাদান। এটিকে বিউটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শসাতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় তা আমাদের শরীরকে হাইড্রেট করে। এ ছাড়া এই ফলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন কে এবং প্রদাহ প্রতিরোধী উদ্ভিদ যৌগ, যা চোখের জন্য অনেক উপকারী।

আর ত্বকের ও ডার্ক সার্কেলের চিকিৎসায় প্রাকৃতিক উপকরণ হিসেবে শসাকে বেছে নেওয়া হয় অনেক আগে থেকেই। এ ছাড়া রক্তচাপ কমাতে ও হার্টের জন্যও অনেক উপকারী শসা।

আজ জানুন শসার কিছু উপকারী দিক সম্পর্কে—

১. রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
বেশ কয়েকটি গরেষণায় দেখা গেছে যে, শসা রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। আর রক্তে শর্করার মাত্রা কম হওয়ার অর্থ হচ্ছে তা আমাদের রক্তনালিগুলোর পাশাপাশি হার্টকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের স্নায়ুগুলোকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শসার খোসায় পুষ্টি ও ফাইবার থাকার কারণে তা রক্তে শর্করার হ্রাসসহ অনেক ডায়াবেটিস সম্পর্কিত সমস্যাতেও উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। তাই খোসাসহ খেতে পারেন এটি।

২. রক্তচাপ কমায়
শসা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, বয়স্কদের শসার রস ১২ দিন খাওয়ানোর পর তাদের রক্তচাপ কমিয়েছে। এ ছাড়া শসাতে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামও থাকায় তা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে এবং তা প্রস্রাবের মাধ্যমে সোডিয়াম নির্মূল করতে সহায়তা করে।

৩. হার্টের সুরক্ষায়
গবেষণায় দেখা গেছে, শসাতে থাকা মুক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসকে বাধা দেয় এবং ক্যান্সার ও হৃদরোগে ভালো থাকতে সহায়তা করে।

 

যেসব অভ্যাসে হতে পারে স্ট্রোক

জটিল রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্রেইন স্ট্রোক। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হলে, মস্তিষ্কের টিস্যুতে অক্সিজেন ও পুষ্টি পেতে বাধা পেলে স্ট্রোক হতে পারে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কিছু বদঅভ্যাসে ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসসহ নানা কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তাই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ও সচেতন হতে আজ জানুন এমন কয়েকটি অভ্যাস সম্পর্কে যেগুলো বাড়িয়ে তুলতে পারে ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি—

১. ধূমপান
আমাদের দেশের সবচেয়ে বেশি পরিচিত ক্ষতিকারক অভ্যাস হচ্ছে ধূমপান। কিন্তু এই অভ্যাসটি ব্রেইন স্ট্রোকসহ হার্ট ও শ্বাসকষ্টেরও অনেক ক্ষতি করে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ জন হপকিন্স বলেন, ধূমপান ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায়
দ্বিগুণ বাড়িয়ে তোলে।

২. কায়িক শ্রমের অভাব
নিষ্ক্রিয় থাকা বা শরীরকে নির্লিপ্ত করে রাখা শুধু ওজনই বাড়ায় না, এর পাশাপাশি এটি বড় ধরনের অসুখেরও কারণ হতে পারে। এটি ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেক বেশি। তাই ঝুঁকি এড়াতে নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাওয়া এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাসকে বদলাতে হবে।

৩. অ্যালকোহল গ্রহণ
এই বিষয়টি অনেকেরই জানা যে অ্যালকোহল বা মদপান করলে তা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ জন হপকিন্স বলছেন, মদপান করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে এবং এটি রক্তচাপ অনেক বাড়িয়ে দেয়।

৪. অন্যান্য কারণসমূহ
ব্রেইন স্ট্রোকের জন্য আরও বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। যেমন— উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, অ্যাট্রিয়ালফাইব্রিলেশন বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন ইত্যাদির কারণেও ব্রেইন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

জনবল নেবে পোস্টাল একাডেমি

শূন্যপদে জনবল নিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী। ৮টি ভিন্ন পদে ৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।

পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: রিসিপশনিস্ট (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: স্টোরকিপার (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে বাণিজ্য বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পাস থাকতে হবে।
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: ড্রাইভার (ভারি, গ্রেড-১৫)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৭০০/- থেকে ২৩,৪৯০/-

পদের নাম: তদন্ত সহকারী (গ্রেড-১৮)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৮,৮০০/- থেকে ২১,৩১০/-

পদের নাম: অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমানের পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: হোস্টেল অ্যাটেনডেন্ট (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: অস্টম শ্রেণি পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: বাবুর্চি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: অস্টম শ্রেণি পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছর হতে হবে; প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://paraj.teletalk.com.bd -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

 

৯৮ জনকে নিয়োগ দেবে পরমাণু শক্তি কমিশন

শূন্যপদে জনবল নিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরমাণু শক্তি কমিশন। ১৩টি পদে ৯৮ জনকে নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদন করা যাবে ডাকযোগে।

 

পদের নাম: সায়েন্টিফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট-১ (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ৭ জন
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম: টেকনিশিয়ান-১ (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম: স্টেনোগ্রফার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ২ জন
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম: লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ৩ জন
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: স্টেনোটাইপিস্ট-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৪)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
বেতন: ১০,২০০/- থেকে ২৪,৬৮০/-

পদের নাম: স্টেনোগ্রাফার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ২ জন
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম: সায়েন্টিফিক অ্যাসিস্টেন্ট-২ (গ্রেড-১৫)
পদ সংখ্যা: ১৩ জন
বেতন: ৯,৭০০/- থেকে ২৩,৪৯০/-

পদের নাম: টেকনিশিয়ান-২ (গ্রেড-১৫)
পদ সংখ্যা: ৮ জন
বেতন: ৯,৭০০/- থেকে ২৪,৪৯০/-

পদের নাম: কম্পিউটার টাইপিস্ট (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ১০ জন
বেতন: ৯,৭০০/- থেকে ২৪,৪৯০/-

পদের নাম: ল্যাবরেটরি অ্যাটেনড্যান্ট (গ্রেড-১৯)
পদ সংখ্যা: ২০ জন
বেতন: ৮,৫০০/- থেকে ২০,৫৭০/-

পদের নাম: ড্রাইভারস মেট/বাস হেলপার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: জেনারেল অ্যাটেনড্যান্ট-২ (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১৩ জন
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: সিকিউরিটি অ্যাটেনড্যান্ট-২ (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১১ জন
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: স্যানেটারি অ্যাটেনড্যান্ট-২ (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

এ ছাড়া নিয়োগের অন্যান্য বিস্তারিত জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের নিয়ম: নিয়োগের আবেদনপত্র সংগ্রহ করে তা পূরণ করে পরিচালক, সংস্থাপন বিভাগ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, পরমাণু ভবন, ই-১২/এ, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা ১২০৭ বরাবর ডাকযোগে পাঠাতে হবে। নিয়োগ দেখুন এ ঠিকানায়—
http://baec.gov.bd/

আবেদনের শেষ সময়: আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ডাকযোগে আবেদন করা যাবে।