সোমবার ,৪ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 691

মিশিগানে মোটর সিটি শিরোপা জিতেছে এশিয়া ইউনাইটেড

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যে মোটর সিটি চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এশিয়া ইউনাইটেড। সোমবার জমকালো আয়োজনে ড্রেটুয়েট সিটির লাস্কি স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। মিশিগান চিতাসকে ১৭ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জিতে নেয় এশিয়া ইউনাইটেড।

প্রথমে ব্যাট করে এশিয়া ইউনাইটেড নির্ধারিত ২০ ওভারে ১০ উইকেটে ১৪৮ রান করে। জবাবে মিশিগান চিতাস ১৭ ওভার ৩ বলে সব উইকিটে হারিয়ে ১৩১ রান তুলতে সমর্থ হয়।
টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন চ্যাম্পিয়ন দলের মাসুদ হক। সেরা উইকেট কিপার এবং সেরা ফিল্ডারের দুটো পুরস্কার জিতেছেন রানার্সআপ দলের ফয়েজ লিংকন। পরে জমজমাট অনুষ্ঠানের মধ্যমে ট্রফি ও কৃতী খেলোড়াদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রশনি চসমাওয়ালা ও রোম্মান আহমেদ স্বাগত।

অনুষ্ঠানে ট্রফি এবং প্রাইজমানি তুলে দেন মোটর সিটি চ্যাম্পিয়নশিপের প্রেসিডেন্ট মোশাররফ চৌধুরী লিটু ও সেক্রেটারি তায়েফুর রহমান বাবু। এ সময় পাশে ছিলেন এমসিসির জগলুল হুদা মিতু, ইফতেখার হোসাইন, হাসান খান, জুয়েল হুদা, অনুপম শর্মা, শাহদাত হোসেন মিন্টু, সায়েল হুদা প্রমুখ।
এছাড়া টুর্নামেন্টের খবর কাভার করায় প্রবাসী সাংবাদিক তোফায়েল রেজা সোহেলসহ ১২ জন সাংবাদিককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৮ অক্টোবর টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়। ৪টি ভেন্যুতে খেলা পরিচালিত হয়। টুর্নামেন্টে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে থেকে ১০টি ক্লাব অংশ নেয়। বিগ বাজেটের টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি ছিল ৩৫ হাজার ডলার। টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর করছে ক্রিকেট একাডেমি অব ডেট্রয়েট। প্রাইম টাইম এস্টেট পরিচালিত টুর্নামেন্টের প্লাটিনাম স্পন্সর করেছে জেএমজি কার্গো।

এক প্রবাসীর আর্থিক সহায়তায় দেশে ফিরছেন আরেক প্রবাসী

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদের আর্থিক সহায়তায় দেশে ফিরছেন জগন্নাথপুরের তেরা মিয়া (৪৯)। ১৭ অক্টোবর ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন তিনি।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মৃত উমর আলীর পুত্র তেরা মিয়া (৪৯) ২০১৮ সালে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় দালালের প্ররোচনায় সমুদ্রপথে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে বৈধ হতে বিভিন্নজনের কাছে টাকা দিয়েও বৈধ হতে পারেননি। অবৈধ গ্লানি মাথায় নিয়ে তেরা মিয়া লুকিয়ে লুকিয়ে কাজ করলেও করোনাকালে জুটেনি তার কাজ। এমতাবস্থায় কাজ না থাকায় নানা কারণে ভেঙে পড়েন তেরা মিয়া। ঘরে বসেই দিন কাটছিল তার। এতে তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, দেখা দেয় বিভিন্ন রোগ।

আগস্টের শেষদিকে একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর সহায়তায় সুঙ্গাইভুলু হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা চলে টানা দেড় মাস। অক্টোবরের প্রথম দিকে ডাক্তার বলেন তার কিডনিতে পাথর ধরা পড়েছে, অপারেশন করাতে হবে। অপারেশন করতে হলে তার অনেক টাকার প্রয়োজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তেরা মিয়ার বিষয় নিয়ে হাসপাতাল থেকে যোগাযোগ করে হাইকমিশনের সঙ্গে। হাইকমিশন থেকে কোনো সহায়তার আশ্বাস না পাওয়ায় একটি ইসলামিক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সংস্থা যোগাযোগ করে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদের সঙ্গে। মনির বিন আমজাদ হাসপাতালে চিকিৎসারত তেরা মিয়ার খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। মনির বিন আমজাদ দায়িত্ব নিয়ে তাকে সুস্থ করে তুলতে।

এরই মাঝে তেরা মিয়া জানান, তিনি মালয়েশিয়ায় অপারেশন করাবেন না, দেশে চলে যাবেন। সিদ্ধান্ত হয় দেশে পাঠানোর। দেশে পাঠাতে হলে দরকার ট্রাভেল পাস। হাসপাতাল বলছে হাইকমিশনে যোগাযোগ করে কোনো রেসপন্স পাওয়া যায় না। টিএন্ডটি নাম্বারে ফোন করেও লাভ হয়নি। যেহেতু তেরা মিয়ার পাসপোর্ট নেই তাকে দেশে পাঠাতে হলে অবশ্যই হাইকমিশনের সহায়তা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে আবারো ফোন করা হয়। ওপর প্রান্ত থেকে কোনো উওর নেই। শেষমেশ হাইকমিশনের লেবার কাউন্সিলর (২য়) হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডলের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বারে ফোন করা হয়। বিস্তারিত তাকে অবগত করা হয় তেরা মিয়ার বিষয়ে। হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল তেরা মিয়ার নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে তার নামে ট্রাভেল পাস ইস্যু করেন। ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করতে এসে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদের আর্থিক সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় তেরা মিয়া অগামী রোববার দেশে ফিরছেন।

এদিকে করোনার শুরু থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদ কুড়িয়েছেন প্রশংসা। সংকটে তার এ সহায়তায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সবার সহায়তায় সংকটে থাকা প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করছেন বলে জানান মনির বিন আমজাদ।

বাচ্চা বিছানায় প্রস্রাব করলে করণীয়

ঘুমের মধ্যে বিছানায় বাচ্চার প্রস্রাব করা তথা বেডওয়েটিং নিরাময় যোগ্য একটি রোগ। সাত বছর বয়সের পর বাচ্চাদের এ ধরনের সমস্যা থাকে না; এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। এরপরও সাত বছরের পর বেড ওয়েটিং সমস্যার সমাধান না হলে চিকিৎসা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএসএম নওশাদ উদ্দিন আহমেদ।

কোনো বাচ্চা যদি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন করে টানা তিন মাস তার অজান্তে রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে, তাহলে এটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। এটা একটা ইন ভলান্টারি মেথড। বাচ্চা তার নিজের অজান্তেই বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। এক্ষেত্রে বাচ্চার কোনো কন্ট্রোল থাকে না।

সাধারণত আমরা জানি, পাঁচ বছরের একটা বাচ্চা তার প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে রাতের বেলায়। পাঁচ থেকে সাত বছর বয়সের মধ্যে বাচ্চা যদি বিছানায় প্রস্রাব করে রাতের বেলায়, তখন সেটাকে আমরা বেডওয়েটিং বলি। সাত বছর বয়সের মধ্যে বেশিরভাগ বেডওয়েটিং বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু কিছু বাচ্চার সাত বছরের পরেও এ ধরনের সমস্যা থেকে যায়। এক্ষেত্রে অব্যাহত বেডওয়েটিং হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। আমাদের কাছে যখন কোনো রোগী আসে, আমরা তার হিস্ট্রি নিয়ে তার শারীরিক-পরীক্ষা এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকি।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর যদি আমরা নিশ্চিত হই এটা প্রাইমারি লেভেল, তখন সেক্ষেত্রে আমরা অভিভাবক এবং বাচ্চাকে কাউন্সেলিং করতে পারি। আর যদি সাত বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বাচ্চার বেডওয়েটিং হচ্ছে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া রয়েছে, তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বাচ্চা যদি বারবার বেশি পরিমাণে প্রস্রাব করে এবং প্রস্রাবের রঙ যদি হলুদ বা লাল হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে।

এক্ষেত্রে আমরা প্রথমে শিশুর ডিটেইলস হিস্ট্রি নিয়ে থাকি। তার ফ্যামিলিতে এ ধরনের হিস্ট্রি আছে কিনা সেটা জানার চেষ্টা করি। যদি বাচ্চার মা-বাবার বেডওয়েটিং হিস্ট্রি থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চার ৪৪ থেকে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত বেডওয়েটিং হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আর যদি মা-বাবার এ ধরনের হিস্ট্রি না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চার ১৫ পার্সেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারপরে দেখি বাচ্চা পানি কেমন পরিমাণে খায়। বাচ্চা দিনের বেলায় বেশি প্রস্রাব করে না কি রাতের বেলায় বেডওয়েটিং করে। বাচ্চার শরীর ভেঙে যাচ্ছে কিনা। কারণ, ডায়াবেটিস থাকলে শরীর ভেঙে যেতে পারে। বাচ্চার প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া আছে কিনা- এ সকল বিষয় দেখার পরে আমরা বাচ্চার পরীক্ষা করি।

পরীক্ষায় আমরা দেখি তার কিডনি এবং মূত্রথলিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা। অনেক সময় পিঠে মেরুদণ্ডের নিচে টিউমার জাতীয় কিছু থাকতে পারে, তো সেটা দেখে আমরা কিছুটা সন্দেহ করতে পারি। এছাড়া বাচ্চার কোষ্ঠকাঠিন্য আছে কিনা সেটাও জানার চেষ্টা করি। কারণ বাচ্চার কনস্টিপেশন বা পায়খানা কষা থাকার কারণেও বেডওয়েটিং হতে পারে।

এসব হিস্ট্রি নেওয়ার পর আমরা বাচ্চার কিছু ল্যাবরেটরি ইনভেস্টিগেশন করে দেখি যে, বাচ্চার কোনো প্রস্রাবে ইনফেকশন আছে কিনা। তার ব্লাড সুগার টেস্ট করে দেখি ডায়াবেটিস আছে কিনা। তার কিডনি, মূত্রথলির আলট্রাসনোগ্রাম বা ইমেজিং পরীক্ষা করে দেখি যে, প্রস্রাবের রাস্তায় কোনো সমস্যা আছে কিনা। এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা তার চিকিৎসা শুরু করে থাকি।

এছাড়া বেডওয়েটিং রোগের ক্ষেত্রে আমাদের অভিভাবকদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে। যখন বাচ্চার মা-বাবা অন্য রোগের কারণে তাদেরকে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন, তখন প্রসঙ্গক্রমে এটাও বলে যে বাচ্চা বিছানায় প্রস্রাব করে। বাচ্চাটা তখন সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম সাফার করে, যখন তার মা-বাবা, ভাই-বোন বলে, সে বিছানায় প্রস্রাব করে। তখন বাচ্চাটা নিজেকে গুটিয়ে রাখে, সে স্ট্রেস ফিল করে। এবং এই স্ট্রেস ফিল করার কারণে বেডওয়েটিং প্রবলেম আরও বেড়ে যায়।

এছাড়া বেডওয়েটিংয়ের কারণে মা-বাবা হয়তো মাঝে-মাঝে বাচ্চাদের মারধরও করে। সেক্ষেত্রে বাচ্চাদের এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়‌। কারণ এই বেডওয়েটিং বাচ্চারা নিজে থেকে করে না।

সুতরাং এই বেডওয়েটিং বন্ধ করার জন্য মা-বাবাদের কিছু সঠিক ব্যবহার এবং ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাচ্চাকে সঠিক পরিচালনার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে উত্তরণ করতে হবে।

কনটেন্ট ক্রেডিট: ডক্টর টিভি

বয়স্কদের সুস্থ থাকতে ৬ সুপারফুড

সুস্থ থাকতে হলে সুষম খাবার খাওয়া খুবই জরুরি।  আর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের গুরুত্বও আরও বেড়ে যায়।  বিশেষ করে প্রবীণদের শক্তি, হাড়ের ভারসাম্য এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য সঠিক নিয়মে খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আর প্রবীণদের এ প্রয়োজন মেটাতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বিভিন্ন সুপারফুড। যেসব খাবার প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে তাকেই সুপারফুড বলে।  আমাদের পরিচিত ও সাধারণ কিছু খাবারও সুপারফুড হতে পারে।

আসুন জেনে নিই ৬টি সুপারফুড সম্পর্কে—

১. সবুজ শাকসবজি
বিভিন্ন গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এ কারণে এগুলো ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও ক্যান্সারসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।  এ ছাড়া এসব শাকসবজিতে ভিটামিন কে বেশি থাকে বলে তা রক্তজমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং হাড়কে অস্টিওপোরোসিস থেকে রক্ষা করে। এ বিষয়ে ওরিও স্টেট ইউনিভার্সিটি ভেক্সনার মেডিকেল সেন্টারের নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ এবং ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ লরি চোং বলেন, পুষ্টিকর সুপারফুডগুলো ক্যারোটিনয়েড সরবরাহ করে, যা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এগুলো চোখের অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে বিশেষভাবে সুরক্ষা দেয়।

২. সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এটি প্রোটিনের একটি বড় উৎস হওয়ায় প্রবীণদের পেশির ভর ও শক্তি বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।

৩. ডিম
ডিম প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হওয়ার পাশাপাশি এতে কোলিন নামে একটি উপাদান থাকে। আর কোলিন হচ্ছে একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান এবং নিউরোট্রান্সমিটার যা বয়স্কদের স্মৃতি এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে।

৪. বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার
বাদাম এবং বিভিন্ন বীজ হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অনেক ভালো উৎস। তাই এগুলো প্রবীণদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে। তবে এসব খাবারে ক্যালরি থাকে বলে তা পরিমিত খেতে হবে।

৫. পানি
পানি মানবশরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই প্রবীণদের সুস্থ থাকতে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত।

৬. মটরশুটি ও ডাল
মটরশুটি ও ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। আর ফাইবার ক্যান্সার, ওজন বৃদ্ধি, কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা করে। এ কারণে প্রবীণদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে বেশি করে মটরশুটি ও ডাল খেতে হবে।

তথ্যসূত্র: ইউএস নিউজ ডটকম

দুশ্চিন্তা-উদ্বেগ দূর করবেন কীভাবে?

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তা  কখনও কখনও জীবনকে ঘিরে ধরে।  এগুলো মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।  দীর্ঘসময় উদ্বেগময় পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে গেলে মানসিক চাপ তৈরি হয়, নানা রোগ বাসা বাধে শরীরে।

এ সময় স্নায়ুর রোগ, উত্তেজনা, হৃদকার্যক্রম বেড়ে যাওয়া এবং বুকে ব্যথা হওয়ার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়।

উদ্বেগ বেড়ে গেলে অনেক শারীরিক সমস্যা যেমন— রক্তচাপ কমবেশি, থাইরয়েড বৃদ্ধিসহ আরও অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

প্রাকৃতিক উপায়েও উদ্বেগ দুশ্চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসা যায়। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে—

১. ব্যায়াম
কোনো বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়লে ব্যায়াম করার মাধ্যমে তা দূর করতে পারেন। ব্যায়াম হচ্ছে উদ্বেগ কমানোর একটি দুর্দান্ত উপায়।  এ ছাড়া ব্যায়াম করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যায়। আর ধূমপান করা ছেড়ে দিতে অনেক সময় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এমন সমস্যাতেও অনেক কার্যকর হতে পারে ব্যায়াম।

২. লেখালেখি
আপনার উদ্বেগের সঙ্গে ভালোভাবে লড়তে চাইলে কিছু লেখার অভ্যাস করতে পারেন। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, জার্নালিং এবং অন্যান্য ধরনের লেখা মানুষকে উদ্বেগের সঙ্গে আরও ভালোভাবে মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে। এমনভাবেই ২০১৬ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, সৃজনশীল লেখা শিশুদের এবং কিশোর-কিশোরীদের উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৩. সময় ব্যবস্থাপনা
আপনি যখন একসঙ্গে অনেক কিছু করতে যাবেন, তখন আপনার সবকিছু এলোমেলো হয়ে গিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই আপনার প্রয়োজনীয় কাজের পদক্ষেপের জন্য একটি পরিকল্পনা থাকা এবং সেই অনুযায়ী সময় ব্যবস্থাপনা করলে তা উদ্বেগকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। আর এর মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন বলে আপনার সেই কাজটিও অনেক ভালো হবে।

৪. অ্যারোমাথেরাপি
বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি আপনার মনের ওপরে প্রভাব ফেলে চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সহায়তা করতে পারে। এর জন্য ব্যাবহার করা হয় বিভিন্ন সুগন্ধি তেল। আর এতে বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে ল্যাভেনডার তেল।  ২০১২ সালের একটি গবেষণায় ৪৫-৫৫ বছর বয়সি নারীদের অনিদ্রা সমস্যার কারণে ল্যাভেন্ডার তেল দিয়ে অ্যারোমাথেরাপির মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে জানা যায় যে, অ্যারোমাথেরাপি স্বল্পমেয়াদে হৃদস্পন্দন হ্রাস করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ঘুমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আর এ দুটি কমে গেলে আপনার উদ্বেগও কমাতে পারে।

৫. ভেষজ চা
বেশ কিছু ভেষজ চা আপনার উদ্বেগ কমাতে ও ভালো ঘুম হতে সহায়ক হতে পারে। এসব চা মস্তিষ্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে উদ্বেগ হ্রাস করতে পারে। ২০১৮ সালের একটি ছোট গবেষণার ফল থেকে জানা যায় যে, ক্যামোমাইল কর্টিসলের নামের একটি স্ট্রেস হরমোন কমাতে পারে ভেষজ চা, যেটি উদ্বেগ কমাতে সহায়ক।

৬. পোষা প্রাণী
অনেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রাণী পোষে থাকেন। এসব প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটালে তা আপনার মানসিক চাপ কমাতে অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে।  ২০১৮ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিশ্চিত করেছে যে, পোষা প্রাণী বিভিন্ন ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য ও উদ্বেগের সমস্যা কমানোসহ মানুষের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে।

তথ্যসূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে ডটকম

আমেরিকায় বিজ্ঞাপনের কাজ করলেন হাসান জাহাঙ্গীর ও শাহনূর

ব্যক্তিগত ও পেশাগত কিছু কাজ নিয়ে গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন নিউইয়র্কে।

সেখানে বিজ্ঞাপন নির্মাণে ব্যস্ত আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এ মুহূর্তে সাতটি বিজ্ঞাপনের কাজ তার হাতে রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে রেস্টুরেন্ট, খাদ্যপণ্য, পোশাক ও রিয়েল এস্টেট। বিজ্ঞাপনগুলো পরিচালনার পাশাপাশি এতে অভিনয়ও করছেন হাসান জাহাঙ্গীর। এর মধ্যে রেস্টুরেন্টের একটি বিজ্ঞাপনে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা শাহনূর।

অনন্ত-বর্ষার ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমার মুক্তির তারিখ ঘোষণা আজ

অনন্ত জলিল ও বর্ষা অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দিন : দ্য ডে’র মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে আজ।

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাসে আজ বিকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিনেমাটির পোস্টার উদ্বোধন ও মুক্তির তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘দর্শক এ সিনেমার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।’

শেখ রাসেল দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ‘শেখ রাসেল স্মৃতি র্যা পিড দাবা টুর্নামেন্ট’ আয়োজন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় দেশের ৩০ জন কূটনীতিক অংশগ্রহণ করছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এই প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, এ বছর দেশের কূটনীতিকরাই অংশ নিচ্ছেন। সামনের বছর থেকে বিদেশি কূটনীতিকদের নিয়ে আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের চেষ্টা করব।

মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ফতুল্লার মুসলিমনগর নয়াবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চালকের নাম সুজন ফকির (৪২)। তিনি নাটোরের ভুলুদাসপুর থানার রামাগাড়ি এলাকার আমজাদ হোসেন টগরের ছেলে। সুজন ফতুল্লার নবীনগর এলাকায় শাহ আলমের বাসায় ভাড়ায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

নিহতের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, স্বামী স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে আমাদের পরিবার। স্বামীর উপার্জনে আমাদের সংসার চলে। সুজন ফকির বিসিক রহনা নামে একটি গার্মেন্টে কাজ করতেন। এরমধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। এজন্য কয়েকদিন আগে গার্মেন্টের কাজ ছেড়ে দিয়ে ইজিবাইক ভাড়ায় চালানো শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় মোবাইল ফোনে কল করে সুজন ফকিরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাত লোকজন। সকাল ৮টায় খবর পেয়েছি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে সুজন ফকিরকে হত্যা করা হয়েছে। সুজনসহ চারজন একটি ইজিবাইকে হয়তো কোথাও যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে নয়াবাজার এলাকায় সড়কে ইজিবাইক রেখে সুজনের ওপর তিনজন ফুসে ওঠে। এক পর্যায়ে সুজনের গলায় ছুরিকাঘাত করে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।

ওসি বলেন, চেষ্টা করছি তাদের খুঁজে দ্রুত গ্রেফতার করার। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীতে একদিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে করোনায় একজন ও উপসর্গ নিয়ে দুজন মারা গেছেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে রাজশাহীর দুজন ও পাবনার একজন রয়েছেন।

মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি ছিলেন ১৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনজন।