মঙ্গলবার ,৫ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 675

মেদ কমিয়ে যেভাবে শরীরকে ঝরঝরে করে ব্ল্যাক কফি

আমাদের অনেকেরই কফি অনেক পছন্দের পানীয়। এটি শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে।  সেই সঙ্গে কফির রয়েছে অনেক উপকারিতাও।  তবে মনে রাখতে হবে— কফি খেতে হবে পরিমিত।

শরীরকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি কফি চিন্তাশক্তি ও দক্ষতার উন্নতি ঘটায়। এ ছাড়া হতাশার ঝুঁকি ও ডিমেনশিয়া এবং পারকিনসন্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও উপকারী এটি।

আপনি ওজন কমাতে চাইলে কফি বিশেষভাবে আপনার উপকার করতে পারে।  হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চার কাপ কফি পান করলে তা ৪ শতাংশ পর্যন্ত শরীরের চর্বি কমাতে পারে।

যেভাবে ওজন কমিয়ে শরীরকে ঝরঝরে করে তোলে কফি

১. ব্ল্যাক কফিতে ক্যালরি
ব্ল্যাক কফিতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকে। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) মতে, এক কাপ নিয়মিত ব্ল্যাক কফিতে মাত্র ক্যালরির পরিমাণ থাকে মাত্র দুই। আর ব্ল্যাক এক্সপ্রেসোতে সেই ক্যালোরির পরিমাণ নেমে আপসে পারে এক এ। তাই এ পানীয়টি আপনাকে স্বতেজ করার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।

২. ব্ল্যাক কফির উপাদান
ব্ল্যাক কফিতে কোরোজেনিক অ্যাসিড নামে একটি পদার্থ থাকে, যেটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ উপাদানটি রাতে খাবারের পরে শরীরে গ্লুকোজ তৈরি করতে বিলম্ব করে এবং নতুন ফ্যাট কোষের গঠন হ্রাস করে।  ফোর্টিস হাসপাতালের ডা. সিমরান সাইনির মতে, কফিতে থাকা ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে।

৩. ব্ল্যাক কফি ক্ষুধা কমায়
ব্ল্যাক কফি পান করলে তা হঠাৎ ক্ষুধা লাগাতে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এ ছাড়া ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন ক্যাফিন হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক উদ্দীপক, যা আমাদের মস্তিষ্ক ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় এবং মনোযোগী রাখতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শক্তির স্তরের উন্নতিতেও সহায়তা করে।

৪. শরীরে ফ্যাট বার্ন করে
কফি বিন আমাদের শরীরের ফ্যাট বার্ন এনজাইম নিঃসরণ করে ও ফ্যাট বার্ন করে। এ ছাড়া এটি লিভারের জন্য প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। এটি লিভারকে পরিষ্কার করে এবং খারাপ কোলেস্টেরল ও অপ্রয়োজনীয় লিপিড দূর করে, যা আমাদের বিপাককে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

৫. শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে
ব্ল্যাক কফি শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে কোনো বিপজ্জনক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না করেই এটি ওজন কমাতে পারে।

লিভার সুরক্ষিত রাখতে খান ৭ খাবার

লিভার আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি আমাদের শরীরে ৫০০টিরও বেশি কাজ করে থাকে। শরীরে রক্ত পরিশোধন, শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া, হজমের জন্য পিত্ত উৎপন্ন করা, শরীরে ভিটামিন এ, ডি, ইসহ বিভিন্ন উপাদান ধরে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে লিভার।

ক্যালিফোর্নিয়ার হেলথউইনস কোচিং অ্যান্ড কনসালটিংয়ের মালিক ও নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ান এবং পুষ্টিবিদ জানা মোয়ারার বলছেন, কার্যত শ্বাস নেওয়া ছাড়া শরীরের সব কিছু করতে লিভার গুরুত্বপূর্ণ।

তাই নিজেকে সুরক্ষিত ও সুস্থ রাখতে লিভার ভালো রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  আজ জানুন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো আপনার লিভার ভালো রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

১. কফি
কফি আমাদের লিভারের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে।  ডায়েটিশিয়ান জেমি হিকির বলছেন, কফি দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগ, সিরোসিস— এমনকি লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে চিনি ছাড়া ও ব্ল্যাক কফি খেলে এটি চর্বি এবং কোলাজেন উৎপাদনে বাধা দিয়ে লিভারকে সাহায্য করে।

২. বেরিজাতীয় ফল
বিভিন্ন বেরিজাতীয় ফল যদিও আমাদের দেশে অতোটা প্রচলিত না, তার পরও এখন এসব ফলের দেখা মেলে বাজারে। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাম্পবেরি ইত্যাদি। এসব ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও পানি থাকে।  এ কারণে এসব ফলগুলো লিভারের জন্য অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে।

৩. চর্বিযুক্ত মাছ
মাছের ফ্যাট বা চর্বি লিভারের জন্য অনেক উপকারী।  এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় তা লিভারের জন্য অনেক ভালো।  ট্যাম্পার গ্যাস্ট্রো এমডির সহকারী চিকিত্সক কাইল হ্যারিস বলছেন, রাতের খাবারে চর্বিযুক্ত মাছ লিবারের জন্য অনেক উপকারি হতে পারে।

৪. পানি
পানি আমাদের কাছে অনেক সাধারণ মনে হলেও এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে এটি লিভারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পানি আমাদের শরীরে খাবারকে হজম করতে সাহার্য করে এবং লিভারকে তার কাজ ভালোভাবে করতে সহায়তা করে।

৫. অলিভ ওয়েল
যদিও আমাদের দেশে খাবারের জন্য অলিভ ওয়েল অতোটা প্রচলিত না, তবে এটি লিভারের জন্য অনেক উপকারী। এতে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যেটি লিভার ও শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

৬. বাদাম ও শশ্য
বিভিন্ন বাদাম ও মটরশুটি, মশুর ডাল, চিনাবাদাম ইত্যাদি শশ্যের মিশ্রণে ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে।  এ কারণে এগুলো লিভারের জন্য উপকারী হওয়ার পাশাপাশি হার্টেরও অনেক উপকার করে বলে বলছেন হিকি।

ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির ২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুসারে জানা যায়, আখরোট জাতীয় বাদাম লিভারের রোগে আক্রান্তদের সুস্থতায় বেশ সাহায্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: ইউএস নিউজ ডটকম

বঙ্গমাতার নামে হবে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নীতিগত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণের প্রস্তাব করেন। এর প্রেক্ষিতে আধাসরকারি পত্র দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সিন্ডিকেট সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সোমবার সকালে সিন্ডিকেটের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা হয়।

নতুন নামকরণসহ একাধিক এজেন্ডা সামনে রেখে সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌহাট্টাস্থ অস্থায়ী ক্যাম্পাসের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় সিন্ডিকেট সভা। সভায় উপস্থিত ছিলেন- সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, জাতীয় অধ্যাপক ডা. শাহলা খাতুন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান, আর টি এম. ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা ড. আহমদ আল-কবির, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাখাওয়াত হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সিন্ডিকেট সদস্য।

সভার শুরুতেই সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট’ নামকরণের প্রস্তাব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী। এই প্রস্তাবের সঙ্গে সভায় উপস্থিত সব সিন্ডিকেট সদস্য সম্মতি প্রকাশ করলে নতুন নামকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণের প্রস্তাব করেন
সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণের প্রস্তাব করেন

এ সময় সভায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট’ নামকরণের বিষয়টি মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করায় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব এবং এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আধাসরকারি পত্র দেওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সিন্ডিকেটের সদস্যরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী যুগান্তরকে জানান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর নামে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণের বিষয়টি সিন্ডিকেটে উত্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নাম পরিবর্তনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই সিলেটবাসীর দাবি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের। এ জনদাবিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর অনুমোদন হয় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

‘নদীর গতিপথ পরিবর্তনে উৎপাদন কমছে ইলিশের’

ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ পৃথিবীতে প্রথম। বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ইলিশের মোট উৎপাদন ধরে রাখাটাই চ্যালেঞ্জ বলে আশঙ্কা করেছেন গবেষকরা।

গত ৫০ বছরের পদ্মা নদীর গতি পরিবর্তন ও সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ‘আমেরিকান জার্নাল অব ক্লাইমেট চেঞ্জ’ জার্নালে প্রকাশিত ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যানথ্রোপজেনিক ইন্টারফিয়ারেন্স ফর দ্য মরফোলজিক্যাল চেঞ্জেস অব দ্য পদ্মা রিভার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ও বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিরি) ৬ জন গবেষক যৌথভাবে এ গবেষণাটি করেন। গবেষণাটির প্রধান গবেষক হিসাবে ছিলেন বাকৃবির অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম, সহযোগী গবেষক হিসাবে বাকৃবির অধ্যাপক ড. কাইজার আহমেদ সুমন, বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বিএফআরআইয়ের ইলিশ জোরদারকরণ প্রকল্পের প্রধান মো. আবুল বাশার, বিরির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মিলন ও বাকৃবির স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী সিরাজুম মুনীর।

গবেষকরা তিন বছরের এ গবেষণায় দেখেন যে, গত ৫০ বছরে পদ্মা নদীর পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এ সময়ে অতিবৃষ্টি, উষ্ণায়ন, পলি পড়ার মাত্রা বৃদ্ধি ও দখল-দূষণসহ নানাবিধ কারণে পদ্মা নদী তার চিরচেনা চেহারা প্রায় হারিয়ে ফেলছে। নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার বেশ কিছু কারণও চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা।

গবেষকদের ভাষ্যমতে, নদী গতিপরির্বতনের সঙ্গে তাপমাত্রার পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি ও পলি জমে যাওয়ার কারণে পদ্মায় এখন আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না। মাছের বংশ বিস্তারে তাপমাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে মাছের ডিম ছাড়ার সময়। এর মধ্যে সামান্যতম তারতম্য হলে তা মাছের বংশ বিস্তারে ব্যাপক প্রভাব ফেলে বলেও জানান তারা।

প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণ বিশেষ করে নানা অবকাঠামোগত প্রকল্প এবং দখল-দূষণ নদীটিকে পরিবেশগতভাবে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে। সাম্প্রতিককালে পদ্মা নদীতে ভাঙনের মাত্রা আগের চেয়ে বেড়েছে, যা নদীতীরবর্তী জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। স্থানে স্থানে নদী সংকুচিত হয়ে পড়ায় মাছের পরিমাণ ক্রমেই কমছে।

(বিশেষ করে ইলিশের উৎপাদন যে হারে বাড়ার কথা ছিল, সে হারে তো বাড়েনি বরং কমেছে। স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিতেও দেখা যাচ্ছে এ নদীর চ্যানেল অস্বাভাবিক হারে পরিবর্তিত হয়েছে। )

গবেষকরা আশঙ্কা করেছেন যে হারে পদ্মা নদী পরিবর্তিত হচ্ছে তা চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ইলিশ উৎপাদনের ওপর ব্যাপকহারে প্রভাব ফেলবে। আর এ কারণে গবেষকরাও নতুন করে পদ্মা নদী থেকে শুরু থেকে ইলিশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত নদীগুলোকে বাঁচানোর তাগিদ দিয়েছেন।

গবেষক দলের প্রধান বাকৃবির অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, পদ্মা মূলত সর্পিল নদী, একেঁবেঁকে চলাই এর প্রধান কাজ। কিন্তু আবহাওয়া এবং নদীর ক্ষয় ও পলি জমার কারণে এটি অনেকটা চুলের বিনুনির আকার ধারণ করেছে, অর্থাৎ অনেক শাখা নদী সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে জোয়ারের উচ্চতা থাকে বেশি। একই সঙ্গে উজান থেকে নিচের দিকে পানির প্রবাহও বেশি থাকে। সামনের দিনগুলোয় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি, বন্যার পানির তীব্রতা ও উচ্চ তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে উজানের পানিপ্রবাহেও পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে পলি জমা ও পাড় ক্ষয়ের কারণে বন্যার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এ নদীকে ঘিরে মানুষের জীবনযাত্রার নানা বৈশিষ্ট্যও খুঁজে দেখা হয়েছে। একই সঙ্গে এ নদীর অন্যতম প্রধান মাছ ইলিশের আবাসস্থল ও মাছ কেন্দ্র করে স্থানীয়দের জীবনযাত্রার স্বরূপও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণার তথ্যগুলো ব্যবহার করে সরকার ও ইলিশ উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

স্টেজে সপ্রতিভ আঁখি আলমগীর

বাংলা গানের চলতি সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে স্টেজ অনুষ্ঠানে ফিরছেন।

গত ২২ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি সর্বশেষ গান গেয়েছেন। উপস্থিত শ্রোতাদের গানের মাধ্যমে বিমোহিত করেন এই শিল্পী। এছাড়া চলতি মাস এবং আগামী একাধিক স্টেজ অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে আছে।

এ প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর ‍যুগান্তরকে বলেন, ‘ করোনাভাইরাসের কারনে সংগীতাঙ্গনের সবাই স্টেজে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম। তাছাড়া স্টেজ অনুষ্ঠান আমাদের উপার্জনের বড় একটি মাধ্যম। অনুষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। এখন করোনার সংক্রমণ কম থাকায় স্টেজ অনুষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থা চলমান থাকলে অতীতের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যাবে বলে আমি মনে করছি।’

এদিকে নতুন একাধিক অডিও গানে কণ্ঠ দেয়ার কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন এই কণ্ঠশিল্পী। এসবের পাশাপাশি নিজের নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন তিনি। শুধু এই চ্যানেলের জন্যই একটি নতুন গান তৈরি করছেন আঁখি আলমগীর। শিগগিরই গানটি তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত মৌসুমী হামিদের ছবি

নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত মৌসুমী হামিদ। করোনাকালেও নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি। ৩ বছর আগে গাজী রাকায়েতের পরিচালনায় ‘গোর’ নামের একটি সরকারি অনুদানের ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত ছবিটি গত বছরের ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

এরপর দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয় ছবিটি। সেখানে বাংলা ও ইংরেজি- দুই ভাষার দর্শকই বেশ আগ্রহ নিয়ে ছবিটি দেখেন। এরপর একাধিক আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্লাটফর্মে দেখা যাচ্ছে ছবিটি। প্রতিনিয়তই ছবিটির দর্শক বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে মৌসুমী হামিদ বলেন, একজন অভিনয়শিল্পীর সার্থকতা তখনই যখন তার অভিনয় দর্শক আগ্রহ নিয়ে দেখেন। আমি ছবিটিতে করোনাকাল আসার অনেক আগেই অভিনয় করেছিলাম। শুটিং চলাকালেই মনে হয়েছিল যে এটি প্রশংসিত হবে। এটি নিয়ে দর্শকের উচ্ছ্বাস দেখে ভালো লাগছে। আশা করছি অনেকদিন টিকে থাকবে ছবিটি।

এদিকে হৃদি হকের পরিচালনায় সরকারি অনুদানের ছবি ‘১৯৭১ সেইসব দিন’-এ অভিনয় করছেন এই অভিনেত্রী। এছাড়া তিনি একক ও ধারাবাহিক নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে যাচ্ছেন।

শোয়েব মালিককে দেখে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ স্লোগান

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শোয়েব মালিকের খেলারই কথা ছিল না।

প্রথমে চূড়ান্ত স্কোয়াডে ছিল না তার নাম। পরে শোয়াইব মাকসুদের চোটে ভাগ্য খুলে তার।

সেই ভাগ্য এতোটাই সুপ্রসন্ন শোয়েবের যে ইতিহাস রচনায় মাঠের সাক্ষী হয়ে গেলেন।

বিশ্বকাপে ভারতকে প্রথমবারের মতো হারানোর ঐতিহাসিক দিনে খেললেন।

রোববার অধিনায়ক বাবর আজম আর রিজওয়ানের কারণে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ না পেলেও ফিল্ডিংয়ে দেখা গেছে তাকে।

আর বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিংরত অবস্থায় মধুর এক অভিজ্ঞতা উপভোগ করলেন এ অলরাউন্ডার।
গ্যালারি থেকে তার উদ্দেশে ভারতীয় দর্শকরা চিৎকারে করতে থাকেন ‘জিজাজি’ ‘জিজাজি’ ( দুলাভাই)।

এক পর্যায়ে এই ‘দুলাভাই’ সম্বোধন স্লোগানে পরিণত হয়। শোয়েব মালিকও বাধ্য হন গ্যালারির দিকে ঘুরে তাকিয়ে তার ভারতীয় ‘শ্যালক-শ্যালিকাদের’ দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিতে।

এদিকে ঘটনাটি ছুঁয়ে গেছে শোয়েব মালিকের স্ত্রী ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে।

আবেগে আপ্লুত হয়ে টুইটারে সে মুহূর্তের একটা ভিডিও শেয়ার করে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকেছেন তিনি। আর সেই ভিডিও মুহূর্তে ভাইরাল।

এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে।
ঘটনাটিকে ভারত-পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন অনেক ভারতীয়।

আবার ‘একজন পাকিস্তানি’কে ‘দুলাভাই’ ডাকায় দুবাইয়ের গ্যালারির ওই নির্দিষ্ট অংশের দর্শকদের ধুয়ে দিচ্ছেন কেউ কেউ। রীতিমতো বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন তারা।

শোয়েব মালিককে ভারতীয় দর্শকদের ‘দুলাভাই’ ডাকার সেই ভিডিওটি দেখুন –

১৪ হাজার কোটি টাকায় নতুন ২ দল আইপিএলে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে যখন বিশ্বকাপের লড়াইয়ে ব্যস্ত ১২ দেশ তখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দল বাড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

সোমবার দুবাইয়ে বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৬ ঘণ্টা ধরে চলা এক নিলামে বিক্রি হয়েছে নতুন দুটি দলের মালিকানা।

আগামী মৌসুম থেকেই যুক্ত হচ্ছে লক্ষনউ ও আহমেদাবাদভিত্তিক দল দুটি।

এ দুটি দলে বিক্রয়মূল্য শুনলে যে কেউ আঁতকে উঠবে। দল দুটো বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার ৫০০ ভারতীয় রুপি যা বাংলাদেশি মূদ্রায় প্রায় ১৪ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা!

লক্ষনউভিত্তিজ দলটি কিনেছে আরপিএসজি নামের কলকাতার এক বহুজাতিক কোম্পানি।

এর জন্য তারা খরচ করেছে প্রায় ৭ হাজার রুপি ( ৭ ৯৮২ কোটি টাকা!)

এ দলটি ব্যবহার করবে ২০১৮ সালে তৈরি হওয়া প্রায় ৫০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার অটল বিহারি বাজপেয়ি স্টেডিয়াম।

দলটি মালিক ধনকুবের সঞ্জীব গোয়েঙ্কা এর আগেও আইপিএলে দল কিনেছিলেন।

রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট নামের একটি দল ছিল তার কোম্পানির মালিকানায়। পরে তা ভেঙে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

ফের আইপিএলে যুক্ত হতে পেরে খুব খুশি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।

ক্রিকইনফোকে তিনি বলেছেন, ‘আইপিএলে ফিরতে পেরে খুশি। আমাদের এখন ভালো একটা দল গড়ে মাঠের লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে।’

অন্যদিকে আহমেদাবাদভিত্তিক দলটি ৫ হাজার ২০০ রুপিতে কিনে নিয়েছে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকাভিত্তিক সিভিসি নামের আরেকটি কোম্পানি।

তাদের ঘরের মাঠ হবে ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল, যান চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের একটি পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন চান্দগাঁও আবাসিক অংশে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চান্দগাঁও থানার ওসি মঈনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের ফাটলের বিষয়টি সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) জানানো হয়েছে।

এছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের নতুন চান্দগাঁও আবাসিক অংশে ওপরে ও নীচে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে অন্য পাশ দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নিজস্ব অর্থায়নে ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ফ্লাইওভারটি নির্মিত হয়। গত ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণকাজ চলাকালে ২০১২ সালের নভেম্বরে গার্ডার ধসে ১৪ জন নিহত হয়। এরপর নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্ব পায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এ এ ফ্লাইওভারটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

হবিগঞ্জে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ চালক নিহত

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সাহেববাড়ি গেইট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকামুখী ও সিলেটমুখী দুটি ট্রাক মহাসড়কের সাহেববাড়ি গেইট এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুই ট্রাকচালক ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাক দুটি হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে।