বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 665

স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে বাধা নেই: ফখরুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি থেকে কেউ প্রার্থী হলে দলীয়ভাবে তাকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের তাঁতীপাড়ায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে করাটা সঠিক নয়। তাই বিএনপি এ নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশ নিচ্ছে না। তবে বিএনপি থেকে কেউ স্বতন্ত্র হয়ে অংশ নিলে সেখানে বাধা নেই।

আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে নির্বাচনব্যবস্থা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার যদি না থাকে, তবে নির্বাচন কমিশন কিছুই করতে পারে না। এ সরকার কারও মতামত গ্রহণ করে না। নিজের মতো করে নির্বাচন করার জন্য তারা সব কিছু সাজিয়ে নেয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও তার দলের চেহারা আয়নায় দেখার পরামর্শ দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের জনগণের ভাষা বোঝা উচিত।

এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীনসহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

রাত-দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে

সারা দেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে আরও জানা যায়, পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। খবর বাসসের।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি। শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

গত সোমবার চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, তামিলনাড়ু উপকূলের অদূরে শ্রীলংকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে কমরিন ও এর আশপাশে শ্রীলংকা উপকূলে অবস্থান করছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আজ জেলহত্যা দিবস

কলঙ্কময় জেলহত্যা দিবস আজ। বাঙালি জাতির জীবনে এক বেদনাবিধুর দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে (৩ নভেম্বর) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিভৃত প্রকোষ্ঠে বন্দি অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মুনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। মধ্যরাতে কারাগারের ভেতরে এমন জঘন্য ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ওই ঘটনায় দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব স্তম্ভিত হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর খুনি মোশতাক-জিয়াচক্র কারান্তরালে চার নেতাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। জাতীয় এই চার নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ও চেতনাকে নির্মূল করা। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ সুদীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনিচক্র এবং তাদের হত্যার রাজনীতিকে পরাজিত করেছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, ৩ নভেম্বর জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান বন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদতবরণ করেন। তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি এখনো নানাভাবে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এই অপশক্তির যে কোনো অপতৎপরতা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ধারা সমুন্নত রাখা এবং সবাই মিলে জাতির পিতার স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের সুদৃঢ় অঙ্গীকার।

দিবসটি উপলক্ষ্যে এক ভিডিওবার্তায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়, কোনো ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ড নয়, বাঙালিকে নেতৃত্বশূন্য করে স্বাধীন বাংলাদেশকে আবার নব্য পাকিস্তানে রূপান্তর করাই ছিল স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্র যে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়, তারই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তার নির্দেশিত পথে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে জাতীয় চার নেতা যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন, সেই অবদান কোনোদিন ভোলার নয়।

বিচার কার্যক্রম : জেল হত্যার পরদিন তৎকালীন উপ-কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তবে দীর্ঘ ২১ বছর এ বিচার প্রক্রিয়াকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর এ মামলায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মতিউর রহমান মামলার রায় দেন। রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফত আলী শাহ (পলাতক) ও এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে (পলাতক) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেওয়া হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ২০০৮ সালে মোসলেমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তবে মৃত্যুদণ্ডের দুই আসামি মারফত আলী ও হাসেম মৃধাকে খালাস দেন। কিন্ত ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়। ফাঁসির তিন আসামির মধ্যে শুধু দুজনকে খালাস দেওয়ায় রায়ের ওই অংশটির বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১৩ সালে চূড়ান্ত রায় দেন। এতে খালাস পাওয়া দফাদার মারফত আলী ও এলডি দফাদার আবুল হাসেম মৃধার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর ওই রায়ের ২৩৫ পৃষ্ঠার অনুলিপি প্রকাশ পায়।

কর্মসূচি : প্রতিবারের মতো এবারও বাঙালি জাতি সশ্রদ্ধচিত্তে যথাযথ মর্যাদা ও বেদনার সঙ্গে শোকাবহ এ দিবসটি স্মরণ করবে। দিনটি উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্য উদয়ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে সংগঠনের সব স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৮টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতাকর্মীরা যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে নিহত সব শহিদ ও কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় নেতাদের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহিদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও মোনাজাত করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বেলা ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ আলোচনাসভা করবে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে দলের সব সাংগঠনিক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও সব সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বস্তরের জনগণকে যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলহত্যা দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

জনবল নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘মেডিকেল অফিসার’ পদে ৬ জনকে নিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কোনো ফি ছাড়াই আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: মেডিকেল অফিসার

পদ সংখ্যা: ৬ জন

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যে কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি এবং মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের নিবন্ধন থাকতে হবে। এ ছাড়া পদটিতে আবেদনের বিস্তারিত দেখা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখা যাবে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে— https://erecruitment.bb.org.bd/

বেতন: ২২,০০০/- থেকে ৫৩,০৬০/-

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

এতে নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন, https://erecruitment.bb.org.bd/

আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২১

হৃদরোগীদের দাম্পত্য জীবন কেমন হবে

হৃদরোগ জীবনযাত্রার বহু কিছুই বদলে দেয় কিন্তু এজন্য আমরা চাই না যৌন সংসর্গ ও বেশি পরিমাণ ও বেশি দিন বাধাগ্রস্ত হোক। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রভুত উন্নতিতে দ্রুত ও সময়মতো রোগ নির্ণয়, জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা এবং ভালো কার্যকর ও কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পন্ন ওষুধ আবিষ্কারের ফলে হাজার হাজার হৃদরোগীরা হার্ট অ্যাট্যাকের পরও স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবনযাপন এমনকি যৌনমিলনও করতে পারছে। যদিও হৃদরোগীদের শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন দুশ্চিন্তা ও চাপ নিবিড় যৌন সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব ফেলে তাই পারস্পরিক ধৈর্য ও বোঝাপড়া খুবই জরুরি। কোনো ব্যক্তি পুরুষ বা মহিলা যেই হোক না কেন যিনি হৃদরোগে ভুগছেন, যৌনক্রিয়া অবশ্যই মানসম্মত জীবনাচরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

এ বিষয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মেডিনোভা সার্ভিসেসের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মো. তৌফিকুর রহমান।

বিভিন্ন কারণ নিবিড় যৌন সম্পর্কের বাধা হতে পারে। যৌনমিলনের সংখ্যা ও গুণগতমান কোনো মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল। হৃদরোগের অনেক উপসর্গ যেমন বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট বা দম বন্ধ হয়ে আসা বা অতিরিক্ত বুক ধড়ফড় করা যৌনমিলনের যথাযথ আনন্দকে কমিয়ে মাটি করতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহ না হলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা যৌন দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। যদিও মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনীপথের উত্তেজনা ও যথাযথ পিচ্ছিলকরণের জন্য এখানে রক্ত সরবরাহের কোনো সম্পর্ক নেই। তাছাড়া উচ্চরক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও ডিপ্রেসন যথাযথ যৌন আকাঙ্ক্ষা ও সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করতে পারে।

হৃদরোগে ব্যবহৃত কিছু কিছু ওষুধও যৌন আকাঙ্ক্ষা ও চরম যৌন সুখের অনুভূতিতে বা ওরগ্যাজমে ব্যাঘাত করতে পারে। হৃদরোগ বা হার্ট ফেইলুরের জন্য দেয়া কোনো ওষুধ চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই পরিবর্তন বা বাদ দেয়া যাবে না, এ আশংকায় যে এই ওষুধগুলো যৌন দুর্বলতা করছে বা যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিচ্ছে, কারণ সব কিছুর ওপরে সুস্থ হার্ট বা হৃদ স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। পরিপূর্ণ আনন্দময় যৌন জীবনের জন্য অবশ্যই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে হবে।

স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে সব চেয়ে বেশি সমস্যা হয় বাইপাশ সার্জারি করার পর, যদিও স্বাভাবিক কাজকর্ম, চাকরি বা পেশায় বা সামাজিক জীবনে ফিরতে তেমন সমস্যা হয় না। অপারেশন পরবর্তী অস্বচ্ছন্দ অনুভব করা, নিজের বুকের মাঝখানের কাটা দাগ এবং বিপরীত যৌন অংশীদারের অহেতুক ও অমূলক আশংকা ও ভয় স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে বাধা। কিন্তু যারা বাইপাশ অপারেশন পরবর্তী সময়ে কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে ও নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করে তারা খুবই দ্রুত এমনকি কয়েক মাসের মধ্যেই স্বাভাবিক যৌন সম্পর্কে ফিরতে পারে, এমনকি তাদের যৌন তৃপ্তির মাত্রাও বেশি হয়।

হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর বা হার্ট এট্যাক হলে বা কোনো হার্ট ফেইলুর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসার পর যে ভয়টা সবচেয়ে বেশি কাজ করে যে, নিবিড় যৌন সম্পর্কের সময় নতুন করে হার্ট এট্যাক হয় কিনা বা পুনরায় শ্বাসকষ্ট শুরু হয় কিনা বা হঠাৎ মৃত্যু হয় কিনা। যদিও সিনেমা বা মিডিয়াতে যা দেখান হয়, বাস্তবে যৌন সংসর্গের সময় রোগীর হার্ট এট্যাক হওয়া খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায় কারণ যৌনমিলনের সময় যে শারীরিক পরিশ্রম হয় তা খুব কম সময় ব্যাপী। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ও পরিচিত যৌন পার্টনার বা অংশীদারের সঙ্গে তাই যৌনক্রিয়ার সময় হার্ট এট্যাকের ঘটনা খুবই কম। শারীরিক পরিশ্রমের দিক বিবেচনা করলে যৌনমিলন অল্প থেকে মাঝারি ধরনের শারীরিক ব্যায়াম যা হালকা গৃহকর্মের সমান বা দুই ধাপ সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠার সমান।

তবে হৃদরোগীদের যাদের হৃদযন্ত্রের করোনারী ধমনীতে ব্লক আছে তাদের কারও কারও যৌনমিলনের কয়েক মিনিট বা ঘণ্টার পর বুকে মৃদু ব্যথা হতে পারে, তবে যারা নিয়মিত ব্যায়ামের সময় কোনো বুকে ব্যথা অনুভব করেন না তাদের ক্ষেত্রে এটা খুবই কম হয়। হৃদরোগীদের জন্য এ সতর্ক বার্তা যে, যারা বুকে ব্যথার জন্য নিয়মিত নাইট্রেট জাতীয় ওষুধ খান তারা অবশ্যই ইরেকটাইল ডিসফাংশন বা যৌন দুর্বলতার জন্য ব্যবহৃত সিলডেনাফিল বা টাডালাফিল জাতীয় ওষুধ পরিহার করবেন।

যেসব হৃদরোগীদের বুকে ইমপ্লান্টেড কার্ডিয়াক ডিফিব্রিলেটর মেশিন লাগান আছে তারা বা তাদের যৌন পার্টনার অনেক সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে যে, নিবিড় ভালোবাসাবাসির সময় মেশিন কোনো ইলেকট্রিক শক দেয় কিনা আর শক দিলেও যৌন পার্টনার সাধারণত কোনো ব্যথা পান না বা তার কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু কেউ যদি শক পায়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

যাদের হৃদরোগ আছে ও তা নিয়ন্ত্রণে আছে তাদের যৌনমিলনে কোনো সমস্যা নেই। যদিও অধিকাংশ হৃদরোগীদের যৌনমিলনে কোনো সমস্যা হয় না তারপরও বিশেষ করে হার্ট এট্যাকের পর বা হার্ট ফেইলুর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর হাসপাতাল থেকে ছুটি শেষে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার পর যৌনমিলনে উপযুক্ততা সাপেক্ষে যৌনমিলনে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে। যেসব হৃদরোগীরা উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন যেমন অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ, আনস্ট্যাবল বা অস্থিতিশীল এনজাইনা বা গুরুতর হার্ট ফেইলুর রোগীদের ক্ষেত্রে যৌন সংসর্গ এড়িয়ে চলতে হবে এবং যথাযথ চিকিৎসা ও কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশনের পর রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে তখন যৌনমিলন করা যাবে।

হৃদরোগীদের জন্য যৌন পার্টনারের সঙ্গে নিবিড় ভালোবাসা করা এক ধরনের ইমোশনাল চ্যালেঞ্জ বা প্রতিকূলতা। নিজের চিকিৎসক ও নিজের যৌন অংশীদারের সঙ্গে যথাযথ আলোচনার মাধ্যমে তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব। নিজের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসক আপনাকে প্রয়োজনীয় শিক্ষণীয় জিনিসপত্র বা ক্ষেত্র বিশেষে আপনার ও আপনার জীবন সঙ্গীকে প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং বা পরামর্শ প্রদান করবেন যা আপনাকে স্বাভাবিক যৌন জীবনে ফিরতে সাহায্য করবে।

হৃদরোগীদের জন্য হৃদরোগ নির্ণয়ের পর সফলভাবে যৌন জীবন শুরু করার জন্য কতিপয় পরামর্শ হল-

* এমন এক সময় বের করতে হবে যখন দুজনই বিশ্রামে ও রিল্যাক্সড। সাধারণত কোন বেলার খাবার খাওয়ার কমপক্ষে ২ ঘণ্টার পর হলে ভালো।

* এমন জায়গা পছন্দ করা উচিত যা পরিচিত, ঘরোয়া, ব্যক্তিগত ও আরামপ্রদ।

* যৌনমিলনের পূর্বে আপনার চিকিৎসক আপনাকে কোন ওষুধের পরামর্শ করলে তা গ্রহণ করতে হবে।

* আলিঙ্গন ও আদর বা সোহাগের মাধ্যমে শুরু করা যেতে পারে যা অধিক আরামপ্রদ। যদি কোনো বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট না হয় তবে আরও অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।

* যৌনমিলনের সময় নিজেদের পারস্পরিক অবস্থান হবে আরামপ্রদ ও অভ্যাস মতো। সতর্ক থাকতে হবে যে যিনি উপরে অবস্থান করবেন তার অধিক শক্তির প্রয়োজন।

* যদি কোনো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা থাকে তা জীবন সঙ্গীকে অবহিত করতে হবে, পরস্পরের আবেগ অনুভূতিকে মূল্যায়ন বা সম্মান দিতে হবে।

অনলাইনের প্রেম-বিয়েতে হতে পারে যে বিপদ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। আজকাল অনলাইনে দুজন অচেনা মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক বন্ধুত্ব, প্রেম থেকে করে বিয়ে অবধি গড়াতে পারে। কিন্তু শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হওয়া দুটি মানুষের এক ছাদের নিচে বসবাসের সিদ্ধান্তটা কী সঠিক? এ নিয়ে তর্ক থাকতে পারে। তবে সম্প্রতি এক মার্কিন সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনে পরিচয়ের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

মার্কিন ম্যারেজ ফাউন্ডেশনের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, অনলাইনে পরিচয়ের পর যাদের বিয়ে হয়েছে, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা অনেকটা বেশি। বিয়ের প্রথম তিন বছরে এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা ১২ শতাংশ। অন্য দিকে, যারা পরিবার, আত্মীয় বা বন্ধুর সূত্রে পরিচিত হয়েছেন, তাদের বিচ্ছেদের আশঙ্কা মাত্র ২ শতাংশ।

বিয়ের সাত বছর বাদে এই অনলাইনে আলাপ হওয়ার পর বিয়ে করা দম্পতির বিচ্ছেদের আশঙ্কা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ শতাংশে, বাকি ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা ১০ শতাংশ।

এই সমীক্ষায় মোট ২ হাজার দম্পতির তথ্য নেওয়া হয়েছিল। তাদের প্রত্যেকেরই বয়স ৩০ এর উপরে। ওইসব দম্পতিদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ঠিক কোথায় তারা তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে প্রথম দেখা করেছিলেন। সেখানে দেখা যায়, শেষ দু’বছরে যে যুগলের বিয়ে হয়েছে, তাদের ৩২ শতাংশের প্রথম আলাপ হয়েছে কোনো ডেটিং অ্যাপ বা অন্য কোনো অ্যাপের মাধ্যমে।

পাশাপাশি সমীক্ষায় দেখা গেছে, অনলাইনে সাক্ষাৎ হওয়া যুগলদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের আশঙ্কা বেশি থাকে। ১০ বছরের বেশি বিবাহিতদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, যে যুগলদের কর্মক্ষেত্রে আলাপ হওয়ার পর বিয়ে হয়েছে, তাদের মধ্যে ২৪ শতাংশকে বিচ্ছেদের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। সেখানে অনলাইনে আলাপ হওয়ায় যুগলদের মধ্যে বিচ্ছেদের পরিমাণ ২০ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা জানান, অনলাইনে আলাপ হওয়া যুগলদের বিচ্ছেদের মুখে পড়ার কারণ আসলে তারা প্রাথমিক ভাবে একে অপরের ‘অপরিচিত’। যাদের নিজেদের মধ্যে পারিবারিক সূত্রে বা বন্ধু বৃত্তের সূত্রে কোনো যোগ নেই, তারা একে অপরের অভ্যাস ও বিভিন্ন দিক সম্পর্কে স্পষ্ট জানতে পারেন না। তাদের একে বারে প্রথম থেকে শুরু করতে হয়। তাতে সমস্যা বাড়তে থাকে। তবে বিচ্ছেদের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে প্রথম তিন বছরের মধ্যে। পরের পাচ, সাত ও দশ বছরের ক্ষেত্রে এই বিচ্ছেদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কম।

শ্রীলংকার বিপক্ষে ২৬ রানে জয় পেল ইংল্যান্ড

শ্রীলংকার বিপক্ষে ২৬ রানে জয় পেল ইংল্যান্ড। ১৬৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৩৭ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলংকার ইনিংস। ইনিংসের তৃতীয় বলেই উইকেট হারায় শ্রীলংকা। দলীয় ২৪ ও ৩৪ রানে ফেরেন চারিথ আসালঙ্কা ও কুশাল পেরেরা। এরপর ৫৭ রানে ফেরেন আভিস্কা ফার্নান্দো। ১০.৫ ওভারে ৭৬ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে।

এর আগে ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস শেষ করে ফেরেন জস বাটলার। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরিপূর্ণ করেন এ ওপেনার। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ১৬৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য শ্রীলংকাকে ১৬৪ রান করতে হবে। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ইংল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় শ্রীলংকা ক্রিকেট দল।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে যায় ইংলিশরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন ওপেনার জেসন রয়। ১.২ ওভারে দলীয় ১৩ রানে লংকান লেগ স্পিনার ওয়ানেন্দু হাসারঙ্গার লেগ স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন জেসন রয়। দলীয় ৩৫ রানে ফেরেন তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা ডেভিড মালান। তিনি দুশমন্ত চামিরার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। এরপর স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। ৩৫ রানে প্রথম সারির ৩ উইকেট হারিয়ে চাপের মধ্যে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। এরপর অধিনায়ক ইয়ন মরগানকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ বলে ১১২ রানের জুটি গড়েন ওপেনার জস বাটলার।

১৮.২ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে সজোরে ব্যাট চলাতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন মরগান। সাজঘরে ফেরার আগে ৩৬ বলে এক চার ও ৩ ছক্কায় ৪০ রান করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। অধিনায়ক মরগান ফিরে গেলেও ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে যান জস বাটলার। ইনিংস ওপেন করতে নেমে খেলেন শেষ বল পর্যন্ত। ইনিংসের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাটলার। ৬৭ বলে ৬টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১০১ রান করেন এ তারকা ব্যাটসম্যান। সংক্ষিপ্ত স্কোর ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬৩/৪ (জস বাটলার ১০১*, ইয়ন মরগান ৪০, ওয়ানেন্দু হাসারঙ্গা ৩/২১)। শ্রীলংকা: ১৮.৬ ওভারে ১৩৭/১০ (ভানুকা রাজাপক্ষে ৭৬, আভিস্কা ফার্নান্দো ৫৭ , কুশাল পেরেরা ৩৪)

যে সমীকরণে সেমিফাইনালে যেতে পারে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলমান আসরের প্রথম ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে পরাজয়ে মিশন শুরু ভারতের। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও স্রেফ উড়ে যায় কোহলিরা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৫১/৭ রানে ইনিংস গুটানো ভারত হেরে যায় ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে ১১০/৭ রানে থেমে যাওয়া ভারত ম্যাচ হারে ৮ উইকেটে।

পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাজেভাবে হারের কারণে ভারতের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশা কার্যত শেষ।

নিজেদের শেষ তিন ম্যাচে আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে আফগানিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিকেও। সেই ম্যাচে আফগানিস্তান যদি নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় তাহলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এমন ফলাফল হলে পাকিস্তানের পরে রানার্স আপ লড়াই হবে ভারত, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানের মধ্যে। তখন রানরেটে যারা এগিয়ে থাকবে তারা সেমিফাইনালের যাবে।

পায়রা সেতুতে ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে স্কুলছাত্র নিহত

পটুয়াখালীর লেবুখালী-পায়রা সেতুতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ সময় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় পায়রা সেতুর দক্ষিণ পাশের ঢালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রায়হান পটুয়াখালী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান শাহরিয়ারের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রঙ সাইড দিয়ে বেপরোয়াগতির একটি মোটরসাইলের সঙ্গে বিপরীত দিকের অপর একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে মোটরসাইকেল দুটি (ঢাকা মেট্রো হ- ৪৭-২০২০) ও (পটুয়াখালী হ- ১২-৩০৪৭) দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে উভয় মোটরসাইকেলের চালকসহ চার আরোহী আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে রাইয়ানের অবস্থার অবনতি ঘটলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাইয়ান মারা যায়।

পায়রা সেতুর টোলপ্লাজায় টহল পুলিশের ইনচার্জ এসআই উত্তম কুমার ভাট বলেন, সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সেতুর লেবুখালী প্রান্তের টোল পয়েন্টের একটু উত্তর পাশে দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। চারলেনের পায়রা সেতুর মধ্যে বিভাজন থাকলেও একটি মোটরসাইল রঙ সাইড দিয়ে অতিক্রম করছিল।

নিহত রাইয়ানের পরিচয় পাওয়া গেছে, কিন্তু অপর তিন আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে ৫ জন আক্রান্ত

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কেউ মারা যায়নি। তবে এই সময়ে পাঁচজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১১৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্ত সবাই নগরের বাসিন্দা।

একদিনে অ্যান্টিজেন টেস্টসহ ১০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ২৩৪ জন। এর মধ্যে নগরের ৩ হাজার ৯৭৪ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার ২৮ হাজার ২৬০ জন।

এ ছাড়া মোট মারা যাওয়া ১ হাজার ৩২৭ জনের মধ্যে ৭২৩ জন নগর এবং ৬০৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।