শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 604

দিনের প্রথম সাফল্য এনে দিলেন তাইজুল

সফরের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিলেন বাবর আজম।

তিন টি-টোয়েন্টি ও এক টেস্টের পর বাংলাদেশ ছাড়ার আগে সফরের শেষ ম্যাচে গিয়ে টস জিততে পারলেন তিনি।

জেতার পর ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন পাক অধিনায়ক। তার এই সিদ্ধান্তের সুবিচার করেছে দলের দুই ওপেনার।

সাকিব, তাইজুল, এবাদতদের প্রথমে সমীহ করে খেলেন তারা। এরপর থিতু হয়েই বেশ কয়েকটি বাউন্ডারি হাঁকান।

১৫তম ওভারের প্রথম বলে তাইজুলকে ছক্কা হাকিয়ে দলীয় রান অর্ধশতক ছাড়িয়ে নেন ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক।

অবশেষে সেই তাইজুলের ঘূর্ণিতেই কাটা পড়লেন শফিক। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে শফিককে সরাসরি বোল্ড করে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

প্রথম ঘণ্টা উইকেটশূন্য থাকার পর ৫৯ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। ২ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৫০ বলে ২৫ রানে সমাপ্তি ঘটে আবদুল্লাহ শফিকের ইনিংসের।

এ রিপোর্ট লেখার সময় ২০ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।

৬ বাউন্ডারিতে ৬৭ বলে ৩৮ রানে ব্যাট করছেন ওপেনার আবিদ আলি। ব্যাট হাতে নেমেছেন আজহার আলি।

নীলফামারীতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়ি ঘেরাও

নীলফামারী সদর এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শনিবার ভোর থেকেই নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পুটিহারি মাঝাপাড়া এলাকার ওই বাড়িটি ঘেরাও করে রাখে র‌্যাব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নীলফামারী সদরের মাঝাপাড়া পুটিহারি এলাকারও ওই বাড়িটি আজ ভোররাত থেকেই ঘিরে রাখা হয়। ঘটনাস্থলে র‌্যাবের পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য উপস্থিত রয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয় থানা পুলিশের সদস্যরা আশপাশে অবস্থান নিয়েছেন।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি বলেন, আমরা এখনও বাড়ি মালিকের নাম জানতে পারিনি। আমাদের চৌকস টিম এখানে অবস্থান করছেন। রংপুর থেকে র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল নীলফামারী সদরের ঘটনাস্থলে রয়েছে।

এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

ছাত্রীকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৫) তুলে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ মো. নয়ন মৃধা (২২) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপরই অভিযুক্ত নয়নকে গ্রেফতার করা হয়।

নয়ন ফরিদপুর কোতোয়ালী ভাজনডাঙ্গা গ্রামের মৃত জামাল মৃধার ছেলে।

বিষয়টি শনিবার যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী সদর থানার ওসি মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন।

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা জানান, তার মেয়ে রাজবাড়ীর একটি মাদ্রাসায় ১০ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। গত ৩০ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মেয়ে মাদ্রাসা যাবার জন্য বের হয়। মেয়েটি রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের লাকির দোকান এলাকায় পোঁছালে মো. নয়ন মৃধা জোর করে একটি পিকআপ ভ্যানে তুলে মেয়েটির মুখ বেঁধে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে তার মেয়েকে অন্য একটি স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে নয়ন মেয়েটিকে খানখানাপুরের ফৈজদ্দিন মাতুব্বরপাড়ার একটি বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, মামলার আসামি নয়ন মৃধাকে গ্রেফতার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

১০৪ বছর বয়সে লেখাপড়া শিখলেন কুট্টিয়াম্মা

লেখাপড়ার যে কোনো বয়স নেই তা আবারও প্রমাণ করলেন ভারতের ১০৪ বছর বয়সি এক বৃদ্ধা।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালার কুট্টিয়াম্মা নামের এ শতবর্ষী বৃদ্ধা শেষপর্যন্ত নিজের নাম লেখা এবং পড়া শিখলেন।খবর বিবিসির।

ছোটবেলায় তার খুবই স্কুলে যাওয়ার শখ ছিল। কিন্তু বাল্যবিয়ে এবং সংসারের কাজের চাপে আর স্কুল যাওয়া হয়নি তার। কিন্তু তাই বলে থেমে থাকেননি তিনি। দেশটির বয়স্কদের জন্য সরকারি শিক্ষা কর্মসূচি চালু হলে তাতে ভর্তি হন কুট্টিয়াম্মা।

অবশেষে ১০৪ বছর বয়সে তিনি লিখতে এবং পড়তে শিখলেন। তার আজীবন লালিত স্বপ্নপূরণ হলো শতবর্ষ পরে।

আরও অবাক করা বিষয় হচ্ছে তিনি বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৯ পেয়েছেন।

টিকটকারদের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বাদাম গানের সেই গায়ক

অবশেষে থানায় মামলা করলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচণ্ডভাবে ভাইরাল হওয়া বাদাম-বাদাম গানের গায়ক ভারতের বীরভূম জেলার সেই বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর।

সম্প্রতি প্রবল জনপ্রিয় হয়েছে তার— ‘বাদাম বাদাম, দাদা কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম’ গানটি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

অল্প সময়ের মধ্যে গোটা বিশ্বের কয়েক লাখ মানুষ গোগ্রাসে দেখেছেন-শুনেছেন। ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্ট্রাগ্রাম খুললেই বেজে উঠছে ‘বাদাম-গান’।

গানটি গেয়েছেন ভুবন বাদ্যকর। বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা তিনি। পেশায় বাদাম বিক্রেতা। নেশা সুর নিয়ে খেলা।

ভুবন এখন পড়েছেন আজব সমস্যায়। তারই গান গেয়ে নেটমাধ্যমে বাহবা কুড়োচ্ছেন বহু মানুষ। কিন্তু গানের আদত স্রষ্টা কোনও ভাবেই অর্থ পাচ্ছেন না।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারেও থাকছে না তার নাম। ভুবনের অভিযোগ, এই গান নেচে-গেয়ে অনেকেই লাখ লাখ রোজগার করছেন। কিন্তু তার হাত খালি। এবার তা নিয়ে দুবরাজপুর থানায় গিয়ে মামলা করলেন ‘বাদাম-গানের’ স্রষ্টা ভুবন।

ভুবনের দাবি, তার গান ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। নেটমাধ্যমে সেই গান আপলোড করে প্রচুর টাকা রোজগার করছেন অনেকে। সে কারণেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

ভুবন বলেন, ‘গানটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রচুর মানুষ বাড়িতে ভিড় করছেন। সবাই আমার গান ভিডিও করতে চান। তার পর সেই গান নেটমাধ্যমে ছেড়ে অনেক টাকা আয়ও করছেন। অথচ আমার হাত খালি।’

ইউটিউবে তার গানের স্বত্ব ‘সংরক্ষিত’ হিসাবে দেখাচ্ছে। অথচ ভুবন বলছেন, ‘আমার কোনও ইউটিউব অ্যাকাউন্টই নেই!’

ভুবনের দাবি, পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত করে প্রাপ্য টাকা তাকে পাইয়ে দিক।

অন্য দিকে, গান জনপ্রিয় হওয়ায় রীতিমতো খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়ে গিয়েছেন বাদাম বিক্রেতা ভুবন। রাতারাতি তারকার মর্যাদা পাচ্ছেন। রাস্তায় বেরোলেই অনেকেই ছুটে এসে ছবি তোলার আবদার করছেন।

তাতেই বেজায় ভয় পেয়ে গেছেনন ভুবন। এই কারণে শুক্রবার থানায় যাওয়ার সময় মাথায় হেলমেট পরে বাড়ি থেকে বেরোন তিনি। যাতে কেউ চিনতে না পারেন।

ভুবনের সন্দেহ, কেউ তাকে অপহরণ করতে পারে। থানায় পৌঁছেও জনপ্রিয়তার মাসুল গুনতে হয়েছে তাকে। সেখানেও অনেকেই ভুবনকে চিনতে পেরে ছবি তোলার আবদার করেন। হাসিমুখে অবশ্য সে আবদার মেটান ভুবন বাদ্যকর।

রোডমার্চ, ঢাকা চলোসহ জেলায় সমাবেশ

দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে ফের কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি। তবে দলীয় প্রধানের স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমঝোতার পথ খোলা রেখে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায় হাইকমান্ড।

এ ইস্যুতে আগামীতে আন্দোলন কর্মসূচির একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এতে আপাতত জেলায় জেলায় সমাবেশ, মানববন্ধন, অনশন, লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির কথা রয়েছে। ঢাকার বাইরে কর্মসূচি জোরালো করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে মত দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে বিভাগীয় ‘লংমার্চ, চলো চলো ঢাকা চলো’র মতো কর্মসূচি রয়েছে খসড়ায়।

এছাড়া অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচি পালন করা যায় কিনা-তাও ভেবে দেখার পরামর্শ রয়েছে সেখানে। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মতামত নিয়ে এ খসড়া তৈরি করা হয়। দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে কর্মসূচির এ খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা খসড়া তৈরির বিষয়টি স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, আগামী দিনে কি কি কর্মসূচি নেওয়া যায় এজন্য দায়িত্বশীল নেতাদের একটি খসড়া করতে বলা হয়েছিল। তৃণমূলসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া তৈরি করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত কিছু নয়। এতে সংযোজন-বিয়োজন করা হবে। চূড়ান্ত করবে জাতীয় স্থায়ী কমিটি।

এই মূহূর্তে খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে জেলায় জেলায় সমাবেশ, মানববন্ধন, অনশনের মত গঠনমূলক কর্মসূচি থাকতে পারে। এ ধরনের কর্মসূচি উপজেলা-পৌর-ইউনিয়ন পর্যায়ে পালন করা হবে। দু-এক দিনের মধ্যে এসব কর্মসূচি চূড়ান্ত করে ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ধীরে ধীরে কঠোর আন্দোলনের ব্যাপারে খসড়ায় প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের টানা আট দিনের কর্মসূচি শেষ হচ্ছে আজ। এদিন সারা দেশে ছাত্রদলের উদ্যোগে সমাবেশ কর্মসূচি রয়েছে। বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক জানান, খালেদা জিয়া জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। তাকে বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে টানা কর্মসূচি চলছে। কিন্তু তারপরও বিদেশে পাঠানের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় দলীয় নেতাকর্মীরা কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তবে এখন গঠনমূলক কর্মসূচি দিয়ে ধীরে ধীরে কঠোর আন্দোলনের দিকে যেতে চায় হাইকমান্ড। যা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। তবে এখন আবারও সমাবেশ, অনশন, মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণের মতো গণতান্ত্রিক কর্মসূচির ঘোষণা হতে পারে।

এক্ষেত্রে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে কর্মসূচি জোরালো করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা, উপজেলা, থানা, পৌর থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। এভাবেই সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে জনমত গঠনের পর কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার চিন্তা রয়েছে। এটি নির্ভর করবে পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর। তবে কোন ধরনের হঠকারী কর্মকাণ্ড বা কারও ফাঁদে পা না দিতেও নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাচ্ছি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হোক। এটা ন্যূনতম একটা দাবি, কোনো দয়ামায়া নয়। এটা একজন নাগরিকের সাধারণ অধিকার। দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবী-সবাই বলছেন দেশনেত্রীকে বাইরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। তার যে রোগ হয়েছে, এভাবে যদি চলে তাহলে বেশিদিন বাঁচবেন না। বাংলাদেশে তার চিকিৎসার তেমন সুযোগ নেই। লিভার সিরোসিসের চিকিৎসা আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও জার্মানিতে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু সরকার বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিচ্ছে না। দেশনেত্রীকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে আমাদের কর্মসূচি চলছে। এজন্য যা যা করা দরকার আমরা করব।

বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আমরা অপেক্ষা করছি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে যা যা কর্মসূচি পালন করার দরকার তা বিএনপি করবে। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পরও যদি সরকার দেশনেত্রীকে বিদেশে না পাঠায় তাহলে সরকার পতনের আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কূটনৈতিক তৎপরতাও চালাচ্ছেন বিএনপি নেতারা। ইতোমধ্যে দুজন সিনিয়র নেতা ঢাকার বেশ কয়েকটি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর মধ্যে বিশ্বের প্রভাবশালী পাঁচটি দেশ ও কয়েকটি সংস্থার কূটনীতিকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। তাদের বিএনপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার অবস্থা ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের ব্যাপারে অবহিত করা হয়।

আরও জানা গেছে, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির কর্মসূচিতেও খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবির বিষয়টি সামনে থাকবে। এ উপলক্ষ্যে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আয়োজনে সভা-সেমিনার করা হবে। সেখানেও দলীয় প্রধানের বিষয়টি থাকবে মূল ফোকাস।

জানতে চাইলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো না হলে সরকারের পরিণতি ভয়ংকর হবে। এ কর্মসূচি সরকার পতনের কর্মসূচিতে রূপ নেবে।

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে সমাবেশ করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশ শুরু হয়।

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সহসভাপতি হাফিজুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম জাকির, আশরাফুল আলম ফকির, মামুন খান, পার্থ দেব মণ্ডল, মাজদুল ইসলাম, কেএসএম মুসাব্বির শাফি, ওমর ফারুক কাওসার, পাভেল শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, শাহ নাওয়াজ, মহিন উদ্দিন, তানজিল হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক সুলতানা জেসমিন জুই, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সদস্য সচিব আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

পরিকল্পিত এলাকায় ভবনের আয়তন বাড়ানোর চিন্তা

পরিকল্পিত এলাকায় ভবনের আয়তন বাড়ানোর চিন্তা করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা সংশোধিত বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) এটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এটি বিদ্যমান ফ্লোর এরিয়া রেশিওর (এফএআর) আয়তন অনুযায়ী হতে পারে।

কোনো কারণে সেটা না হলে এফএআরের চেয়ে আয়তন কিছুটা কম হতে পারে। তবে সরু সড়ক ও অপরিকল্পিত এলাকার জন্য খসড়া ড্যাপে ঘোষিত বিধিমালা প্রযোজ্য হবে। তারই আলোকে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, সংশোধিত ড্যাপ প্রণয়ন কমিটির কাছে প্রস্তাব ছিল ঢাকার জনসংখ্যার রাশ টেনে ধরার একটা অনুশাসন দেওয়া। সংশোধিত ড্যাপে সে বিষয়ে অনুশাসন প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সড়ক, জমির আয়তন অনুযায়ী এফএআরের কী বিধিবিধান রাখা হচ্ছে, সেটা এখনও পরিষ্কারভাবে আমরা জানি না। সামনে এ সংক্রান্ত সভা আছে। সেই সভায় হয়তো জানা যাবে। তখন এ বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত তুলে ধরব।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত এলাকা, সড়কের প্রশস্ততা অনুযায়ী যদি ভবনের আয়তন নির্ধারণ করা হয় তাহলে এ সিদ্ধান্ত সর্বজনীন হওয়া উচিত। আবাসন প্রকল্প, অভিজাত এলাকার ক্ষেত্রে এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া হলে সেটা ঠিক হবে না। সংশোধিত ড্যাপ এবার সবার মতামত নিয়ে করার প্রচেষ্টা চলছে। আমরা বিশ্বাস করি, এবারের ড্যাপে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন যুগান্তরকে বলেন, রাজউকের সংশোধিত ড্যাপে ভবনের আয়তন কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা চূড়ান্ত হলে অন্তত ৫০ লাখ লোককে মূল ঢাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। এ তালিকায় থাকবে নিম্ন আয়ের মানুষেরা। যেমন-দিনমজুর, গাড়ি চালক, কাজের বুয়া, স্বল্প বেতনের চাকরিজীবী। এদের বাদ দিয়ে একটি শহর চলতে পারে না। এটা রাজউককে ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব আমরা।

তিনি বলেন, ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় রাজউকের নেতৃত্বে বা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যেসব আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে সেগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান গড়ে উঠেনি। এ কারণে সেসব এলাকায় যেতে চাপাচাপি করলেও মানুষ সেখানে যাবে না। কারণ সেখানে গেলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় ও কর্মঘণ্টা বেশি নষ্ট হবে। আর একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে- মূল ঢাকার সঙ্গে কোনো এলাকার দূরত্ব যেন ২০ মিনিটের বেশি না হয়।

এক প্রশ্নের উত্তরে রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট বলেন, বিদ্যমান ড্যাপ ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় ফ্লোর এরিয়া রেশিওর (এফএআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক বিশিষ্ট ৫ কাঠা জমির ভবনের আয়তন পাওয়া যায় ১৩ হাজার ৫০০ বর্গফুট। সংশোধিত খসড়া ড্যাপের প্রস্তাবনা অনুযায়ী একই শর্তের আওতাভুক্ত ৫ কাঠা জমিতে আয়তন পাওয়া যাবে ৯ হাজার বর্গফুট। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে আমরা রাজউকের সেমিনারে এবং সরাসরি প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে সভা করে অবহিত করেছি।

এ বিষয়ে রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ এবং সংশোধিত বিশদ নগর অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) প্রকল্প পরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সংশোধিত ড্যাপ চূড়ান্ত হলে ঢাকা থেকে ৫০ লাখ লোক চলে যেতে হবে এমন কথার কোনো ভিত্তি নেই। কেননা, বিদ্যমান ড্যাপে আমরা ঢাকার বিদ্যমান জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে বিন্যস্ত করার প্রস্তাব করেছি। এটা চূড়ান্ত হলে কোনো মানুষকে ঢাকা ছেড়ে যেতে হবে না। তবে ঢাকার মূল শহর এবং রাজউক আওতাভুক্ত এলাকায় বসবাসযোগ্যতা বিবেচনা করে মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করতে বিধিবিধান রাখা হচ্ছে। সেটা চূড়ান্ত হলে ঢাকার বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং নগরবাসীও কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবেন।

তিনি বলেন, সংশোধিত ড্যাপের খসড়ায় জনসংখ্যার বিষয়ে যে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, পরিকল্পিত এলাকার ক্ষেত্রে সেটা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আবাসন খাত সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা এ বিষয়ে সংশোধিত ড্যাপের খসড়ার সেমিনারে আপত্তি জানিয়েছে। পরে তারা বিষয়টি নিয়ে রাজউকে এসেছিলেন এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলেছেন। পরিকল্পিত এলাকায় ভবনের আয়তনের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সড়ক ও জমির আয়তনসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রাজউক সূত্রে জানা যায়-সড়ক, উন্মুক্ত স্থান এবং পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্যুয়ারেজসহ সেবা সরবরাহের সামর্থ্য বিবেচনায় নতুন ভবনের উচ্চতা নির্ধারণ করার সুপারিশ করেছে রাজউক। জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ করতেই মূলত এ ধরনের সুপারিশ করা হয়েছে। এই ড্যাপের মেয়াদকাল ২০১৬-২০৩৫ এর পরিবর্তে ২০২১-২০৪১ পর্যন্ত করা হতে পারে। আর ২০ বছর মেয়াদি এই মাস্টারপ্ল্যান প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সংশোধন করা হবে।

২০১৬ সাল থেকে ড্যাপ সংশোধনের কাজ করছে রাজউক। ধাপে ধাপে সময় বাড়িয়ে সবশেষ ২০২০ সালের মধ্যে এ ড্যাপ গেজেট আকারে প্রকাশ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিল রাজউক। কিন্তু, নানা জটিলতায় সে সময়েও ড্যাপের গেজেট প্রকাশ করতে পারেনি সরকার। এরপর চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়।

এ সময়ের মধ্যে রাজউক সংশোধিত ড্যাপের গেজেট প্রকাশ করতে চায়। সে লক্ষ্যে এ মাস্টারপ্ল্যানের খসড়াও প্রস্তুত করেছে। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সেমিনারও করেছে রাজউক। যদিও এখনো জনঘনত্ব বিতর্কের বিষয়ে আরোপিত বিধানের মানদণ্ড কী হবে, সেটা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

রাজউকের ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে জনঘনত্বের বিবেচনায় কেন্দ্রীয়, বহিস্থ ও অন্যান্য-এ তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হচ্ছে। এখানে কেন্দ্রীয় এলাকা বলতে ঢাকার মূল এলাকাকে বোঝানো হয়েছে। এ এলাকায় ওয়ার্ড ভিত্তিক জনঘনত্বের ব্যাপারে দিকনির্দেশনা থাকবে। আর বহিস্থ এলাকা বলতে রাজধানী শহরের খুব কাছের এলাকাকে বোঝানো হয়েছে, যেসব এলাকা দ্রুততম সময়ে নগরায়ন ঘটবে। এসব এলাকা সিটি করপোরেশনভুক্ত হলে ওয়ার্ড ভিত্তিক জনঘনত্ব নির্দেশনা থাকবে।

আর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা হলে ইউনিয়ন ভিত্তিক জনঘনত্ব এবং ভবনের উচ্চতার ব্যাপারে নির্দেশনা থাকবে। আর অন্যান্য এলাকা বলতে কেন্দ্রীয় ও বহিস্থ এলাকার বাইরের এলাকাকে বোঝানো হয়েছে। এসব এলাকা মূলত রাজউকভুক্ত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা। এসব এলাকার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ভিত্তিক ভবনের উচ্চতা ও জনঘনত্বের ব্যাপারে নির্দেশনা থাকবে।

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা যায়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়ার চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রথমে নিম্নচাপ ও পরে গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ৩০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ।

ফরিদপুরের বরেণ্য আলেম ও কওমি মাদ্রাসা নিয়ে নতুন বই

ফরিদপুরের বরেণ্য আলেমদের সংক্ষিপ্ত জীবনী ও অঞ্চলটির প্রসিদ্ধ কওমি মাদ্রাসাগুলোর সংক্ষিপ্ত তথ্য বিবরণীসংবলিত বই ‘ফরিদপুরের বরেণ্য আলেম ও প্রসিদ্ধ কওমি মাদ্রাসা’ প্রকাশিত হয়েছে।

বইটির লেখক ও সংকলক তরুণ আলেম ও গণমাধ্যমকর্মী বেলায়েত হুসাইন। তত্ত্বাবধান ও সম্পাদনা করেছেন মারকাযুদ দিরাসাহ আল ইসলামিয়্যাহ ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মামুন আব্দুল্লাহ কাসেমী।

বইটি বাংলাবাজারের আনোয়ার লাইব্রেরি, রাহে জান্নাত কুতুবখানা, মারকাযুদ দিরাসাহ আল ইসলামিয়্যাহ ঢাকা এবং ফরিদপুরের লাইব্রেরিসমূহে বইটি পাওয়া যাবে।

মজলিসে তাহাফফুজে ফিকরে দেওবন্দ নামের আধ্যাত্মিক একটি সংগঠন থেকে প্রকাশিত বইটির খুচরা মূল্য ১৫০ টাকা।

ব্যতিক্রমী এ বই রচনার কারণ সম্পর্কে লেখক বলেন, ‘জীবদ্দশায় বুজুর্গদের থেকে নানাভাবে আমরা উপকৃত হই। তাদের নির্মল জীবনাচারে এমন সুন্দর গুণাবলি থাকে মৃত্যুর পরও যা জাতি আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে চায়। কিন্তু কালের অতল গহ্বরে আমরা অনেক মনীষীর জীবনী নানা কারণে হারিয়ে ফেলি। আমাদের ফরিদপুরেও এমন অসংখ্য মহামনীষীর জন্ম হয়েছে, যারা তাদের পরবর্তী উম্মাহর কাছে আদর্শ। তাদের জীবনীতে আমাদের জন্য শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা রয়েছে। আমরাও তাদের জীবনী হারাতে চাই না। আমরা চাই মৃত্যুর শত শত বছর পরও তারা অমর থাকুক সবার মাঝে। এ উদ্দেশ্যেই এই বইয়ের জন্ম। আমরা সবার কাছে দোয়া কামনা করি। সবার দোয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা ও অনুপ্রেরণা।’