শুক্রবার ,৮ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 594

বাবুর্চি থেকে ইমাম সবাই নির্যাতনের শিকার

নিজস্ব স্টাফদের উঠতে-বসতে গালি, কাপ-প্লেট ছোড়া, চড়-থাপ্পড় দেওয়া ছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের নিত্যদিনের কাজ। এসব কারণে অগ্রাধিকার স্টাফের বেশির ভাগ সদস্যই তার সঙ্গে টিকতে পারেননি।

বেতন-ভাতা ভালো থাকলেও শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নের কারণে তারা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রণালয় ও বাইরে বিভিন্ন সূত্রে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

মন্ত্রিসভার একজন সদস্য হিসাবে পিএস, এপিএস, পিআরও, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, অফিস সহায়ক, বাবুর্চি, অর্ডারলি, জমাদার, ড্রাইভারসহ অনেক ধরনের লোক নিতে পারেন। মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়ে পুরো সেট লোকজন নিলেও ৯৮ শতাংশ তার সঙ্গে টিকতে পারেনি। কিছুদিন পরপরই ব্যক্তিগত স্টাফরা তাকে ছেড়ে গেছেন। একই পদে আট-দশবার করে মুখ বদল হয়েছে।

সদ্য পদত্যাগী প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের মুখের গালির নমুনা কেমন হতে পারে, এর প্রত্যক্ষ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু তার সঙ্গে যারা কাজ করেছেন, তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের চিত্র কেউ দেখেননি। পদে থাকায় এতদিন তার বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ মুখ খুলেননি। ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানোর পর মন্ত্রণালয় ও বাইরে এসব বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। তার বাবুর্চি পদে ২০১৯ সালের ১৯ মে যোগ দিয়েছিলেন তার আত্মীয় ফরহাদ হোসেন তরফদার।

কিন্তু অত্যাচারে টিকতে না পেরে বছর ঘুরার আগেই বিদায় নিয়েছেন টিম থেকে। বুধবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে যুগান্তরকে বলেন, দুর্ব্যবহারের কারণে টেকা যায়নি। নিজেদেরই তো ভাই, কী আর করা। এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি ডা. মুরাদের বয়সে বড় ফরহাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডা. মুরাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন রেজুয়ান আল হোসাইন। তিনিও মানসিক নির্যাতনের কারণে টিকতে পারেননি। একই বছরের ৩০ জুন তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে যান।

বর্তমান বেতন কাঠামোয় ১০ম গ্রেডের চাকরি যথেষ্ট লোভনীয় হওয়ার পরও কেন ছেড়ে গেলেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রেজুয়ান জানান, এসব অতীত ইতিহাস আর মনে করতে চাই না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার চার মাস পর একবার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম। তখন গ্রহণ করেননি প্রতিমন্ত্রী। এরপর দ্বিতীয়বার পদত্যাগ করে চলে আসি। তিনি বলেন, সেখানে কাজ করার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তাই চলে এসেছি।

ডা. মুরাদের দুর্ব্যবহার থেকে রেহাই পাননি মসজিদের ইমামও। প্রথমে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বেইলি রোডের মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে উঠেছিলেন ডা. মুরাদ। এর পাশেই সুগন্ধা জামে মসজিদ।

সেখানে জুমার নামাজ পড়তে গেলে ইমাম তাকে সালাম দেননি। ইমাম কেন বয়ান থামিয়ে তাকে সালাম দেননি, এজন্য তাকে গালাগাল শুনতে হয়েছে। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সেদিন মসজিদে উপস্থিত একজন বলেন, পরের দিন ইমামকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী। এ তথ্য জেনে মসজিদ কমিটির সদস্যরাও সেখানে যেতে আগ্রহী হন।

তারা ভাবেন, প্রতিমন্ত্রী হয়তো মসজিদের উন্নয়নমূলক কোনো কাজের কথা বলবেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে গালাগালের সম্মুখীন হওয়ায় সবাই তাজ্জব বনে যান। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বুধবার রাজধানীর বেইলি রোডের সুগন্ধা জামে মসজিদে গেলে ইমামকে পাওয়া যায়নি। এ সময় মসজিদ কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এটা এমন একটা বিষয়, যা নিয়ে কথা বলা যায় না। দয়া করে এ বিষয়ে আর প্রশ্ন করবেন না। আমি কিছু বলতে পারব না।

প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনজন জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) তাকে ছেড়ে গেছেন। একান্ত সচিব হিসাবে দুজন দায়িত্বে এলেও কয়েক মাস পরই তারা চলে যান। এরপর থেকে আর কোনো অফিসার তার পিএস হিসাবে যোগ দিতে রাজি হননি। তিনজন এপিএস নিয়োগ দিলেও শেষ পর্যন্ত কেউ তার সঙ্গে টিকতে পারেননি। কিছুদিন আগেও তাকে ছেড়ে গেছেন এক কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি বেসরকারি একটি ব্যাংকে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

তার ব্যক্তিগত সহকারীদের মধ্যে নিসারউল হক, মো. সাকের, রায়হান কামাল, সিদ্দিকুর রহমান কয়েক মাস কাজ করেই তাকে ছেড়ে গেছেন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে।

নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরাও। ডা. মুরাদের জন্য আর্থিকভাবেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন পরিবহণ পুলের ড্রাইভারও। গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গাড়ির ক্ষতি হওয়া প্রতিমন্ত্রী খ্যাপে গিয়ে ড্রাইভারের বিরুদ্ধে পরিবহণ অফিসে অভিযোগ করে সেই গাড়ির মেরামত খরচ ড্রাইভারের কাছ থেকে নেওয়ার সুপারিশ করেন।

পরিবহণ পুলের ড্রাইভার মাহবুবুর রহমানও প্রতিমন্ত্রীর ড্রাইভার হিসাবে বেশিদিন টিকতে পারেননি। এরপর থেকে পরিবহণ পুল থেকে তার কাছে ড্রাইভারও আসে না। এ পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারিভাবে আরও আট-দশজন ড্রাইভার বদল হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র যুগান্তরকে জানায়। এসব অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানার চেষ্টায় বুধবার সকালে তাকে একাধিকবার ফোন করলেও সদ্য পদত্যাগী প্রতিমন্ত্রী রিসিভ করেননি। পরিচয় দিয়ে মেসেজ দিলেও সারা দেননি। প্রতিবেদন লেখার শেষ সময়ে চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক

ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াতের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস.জয়শংকরের কাছে পাঠানো এক শোকবার্তায় ড. মোমেন হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত জেনারেল বিপিন রাওয়াত, তার স্ত্রী মাধুলিকা রাওয়াত এবং সহযাত্রীদের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি তাদের সকলের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে, বাড়তে পারে দিনের

আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

এছাড়া সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেতে পারে।

এছাড়া আগামী ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের শেষার্ধে রাতের তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। খবর বাসসের।

আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে আগত লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুর বিভাগের তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মঙ্গলবার টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মাইজদীকোর্টে ১৭ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩ মিলিমিটার।

ইমনের মোবাইল ফোনকে ধন্যবাদ দিয়ে যা লিখলেন ওমর সানী

অশালীন ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্যের জেরে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ খোয়ালেন ডা. মুরাদ হাসান।

তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এর আগে মঙ্গলবারের ডা. মুরাদকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নির্দেশনার পরে মঙ্গলবার দুপুরে সাড়ে ১২টায় পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠান ডা. মুরাদ হাসান।

মুরাদ হাসানের পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। সেখানে হালের চিত্রনায়ক ইমনের মোবাইল ফোনকে ধন্যবাদ জানান ওমর সানী।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগছে। ইমনের ফোনটাকে ধন্যবাদ, ইমনকে নয়, আর মাহি ওই মুহূর্তে কী-ই বা করার থাকে কী-ই বা বলার থাকে বলুন, আল্লাহ ছাড় দেন ছেড়ে দেন না। আমি একজন শিল্পী।’

প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর করা অশ্লীল মন্তব্য ঘিরে কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছিল। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডা. মুরাদের ফোনালাপের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে দেখা না করলে মাহিকে হুমকিও দেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়েও তিনি আপত্তিকর বক্তব্য দেন মুরাদ। ডা. মুরাদের এসব লাগামহীন বক্তব্য ও অডিও ফাঁস নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এরপরই তাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোবাইল সচল রাখতে

দুর্যোগের সময় বিদ্যুতের গোলযোগ ঘটে এ সময় ফোনে চার্জ না থাকলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না। ঝড়ের প্রভাবে ভেঙে পড়ে একাধিক টাওয়ার। যার ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এ সমস্যা থেকে মুক্তি কীভাবে? খুব সাধারণ কিছু নিয়ম মানলেই ঝড় বা প্রবল বর্ষণেও নিজের ফোনটিকে চালু রাখতে পারবেন।

ফোন এবং পাওয়ার ব্যাংকে চার্জ ফুল রাখুন

প্রযুক্তিগত দিকে অনেক উন্নতি হওয়ার ফলে বর্তমানে আগে থেকেই আবহাওয়ার খবর জানা সম্ভব হয়। সেক্ষেত্রে, ঘূর্ণিঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হওয়ার আগেই ফোনে সম্পূর্ণ চার্জ দিয়ে রাখা দরকার। প্রয়োজনে সঙ্গে একটি পাওয়ার ব্যাংক রাখা গেলে তা আরও ভালো। এবং সেটিও যেন সম্পূর্ণ চার্জ থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় ৪জি বন্ধ রেখে ২জি চালু করুন। কারণ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় শুধু টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে বজায় থাকে সেদিকে নজর দেওয়াই জরুরি। ৪জি ব্যবহার করলে ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ যদি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে, তাহলে ফোন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাবে। ফলে অন্য কোনো জায়গায় ফোনে যোগাযোগ রাখা সম্ভব হবে না। সে কারণে এসব ক্ষেত্রে ২জি ব্যবহার করাই ভালো। যাতে বেশিদিন ফোনে চার্জ থাকে।

গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ক্লাউডে সেভ রাখুন

বর্তমানে যেহেতু প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাই ফোনেই থাকে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তাই সে ক্ষেত্রে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে সেসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কোনো ক্লাউড ড্রাইভে সেভ করে রাখা উচিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কোনো কারণে ফোনটি নষ্ট হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাতে পাওয়া যায় তার জন্যই এ কাজটি করা দরকার।

তিনি-ই অবকাশ দেন…

দিনের পর দিন আমরা গোপনে বা প্রকাশ্যে নানান পাপ কাজ করি। আমাদের পাপের কারণে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাৎক্ষণিক পাকড়াও করেন না বরং কখনো অবকাশ দিয়ে থাকেন।

অবকাশ দেওয়ার অর্থ এটা নয় যে, তিনি আমাদের পাপের জন্য আর কখনই পাকড়াও করবেন না। বরং তিনি এজন্যই অবকাশ দেন আমরা যেন আমাদের ভুল বুঝতে পেরে তাওবা করে সহজ সরল পথে চলার অঙ্গীকার করি।

আসলে আল্লাহ তার বান্দাকে শাস্তি প্রদানে অবকাশ দিতে থাকেন। আল্লাহতায়ালা যদি সর্বপ্রকার শাস্তি তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োগ করতেন তাহলে পৃথিবীর মানুষ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। পাপের কারণে মানুষ অকালে শেষ হয়ে গেলে জীবজন্তু ও পশুপাখি বেঁচে থাকারও কোন প্রয়োজন থাকতো না।

মানুষের প্রয়োজনেই এদের সৃষ্টি। তাই মানুষের বিলুপ্তির সাথে সাথে অন্যান্য জীবজন্তুও নিশ্চিহৃ হয়ে যেতে। এক কথায় এ পৃথিবীই থাকতো না আল্লাহ হয়তো নতুন পৃথিবী এবং মানব সভ্যতাকে নতুন করে সৃষ্টি করতেন।

যেভাবে আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন: ‘আল্লাহ যদি মানুষকে তার অন্যায় কাজের কারণে তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতেন তাহলে কোন প্রাণীকেই তিনি এ পৃথিবীতে জীবিত ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন। তবে তাদের শাস্তির নির্ধারিত মেয়াদ যখন এসে পড়ে তখন তারা এক মুহূর্ত পিছনেও থাকতে পারে না এবং সামনেও এগুতে পারে না।’ (সুরা নাহল: আয়াত ৬১)

তবে কোন জাতির শাস্তির নির্ধারিত সময় যখন উপস্থিত হয় তখন তা প্রতিহত, বিলম্বিত বা স্থগিত করা যায় না। শাস্তি যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়ে যায় তখন তাকে কেউ আর প্রতিহত করার শক্তি রাখে না।

যেভাবে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন: ‘আর প্রত্যেক জাতির জন্য একটি সময় নির্ধারিত আছে। অতএব তাদের নির্ধারিত সময় যখন এসে যায় তখন তারা তা থেকে এক মুহূর্ত পিছিয়েও থাকতে পারে না বা এগুতেও পারে না।’ (সুরা আরাফ: আয়াত ৩৪)

এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ জালিমকে অবকাশ দেন, তারপর যখন পাকড়াও করেন তখন আর কোনো ছাড় দেন না।’ (মুসলিম)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে অবকাশ দিচ্ছেন বলে আমরা যা ইচ্ছে তা করে যাব তা মোটেও ঠিক নয়। আমাদের উচিত সময় থাকতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।

জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষায় আমরা আল্লাহর কাছে সবিনয়ভাবে এই দোয়া পড়ব-‘রাব্বানা আতিনা ফিদদুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্বিনা আজাবান নার।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২০১)

অর্থ : ‘হে পরওয়ারদেগার! আমাদেরকে দুনয়াতেও কল্যাণ দান কর এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাদেরকে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা কর।’

মহানবী (সা.) যে দোয়া সব সময় করতেন সেই দোয়াটিও আমরা প্রতিনিয়ত করব, যাতে আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে ক্ষমা করে তার কৃপার চাদরে আবৃত করে নেন।

তিনি (সা.) এ দোয়া পড়তেন-‘আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি, ওয়াল ফাকরি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবিল কাবরি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা।

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমাকে শারীরিক সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান কর। হে আল্লাহ! আমার শ্রবণে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান কর। আমার দৃষ্টিতে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান কর। তুমি ব্যতিত কোনো ইলাহ নেই। হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি কুফুরী ও দারিদ্র্য থেকে। হে প্রভু-প্রতিপালক! আমি তোমার কাছে পানাহ চাই কবরের আজাব থেকে। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।’ (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)

তাই আসুন, আল্লাহতায়ালার কাছে নিজেদের পাপের জন্য তাওবা, ইস্তেগফার করে ক্ষমা চাই। হে দয়াময় প্রভু! আপনি আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে আপনার সন্তুষ্টির চাদরে আবৃত করে নিন, আমিন।

লেখক: ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট
masumon83@yahoo.com

মিশিগানে হবিগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসীদের সংগঠন হবিগঞ্জ জেলা অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগানের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৫ ডিসেম্বর বিকালে হ্যামট্রামিক সিটির অফিসে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের ২০২২-২৩ সময়কালের জন্য ২১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির সভাপতি হয়েছেন শাহীন আহমেদ, সেক্রেটারি শেখ তাজউদ্দিন এবং অর্থ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান শাহীন। এই ৩টি পদে গত ২১ নভেম্বর লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে একজন উপদেষ্টা জানিয়েছেন।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হলেন লুৎফুর রহমান শেলু, মো.আব্দুস সোবহান, মিজান মিয়া জসিম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম আযম, বিপ্লব চন্দ্র রায়, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন রফিকুল ইসলাম।

এছাড়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলা প্রতিনিধির পদ পেয়েছেন মঈন উদ্দিন চৌধুরী, লাখাই প্রতিনিধি আতাউর রহমান, শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি আয়াত আলী, বানিয়াচং প্রতিনিধি আশরাফ হোসেন খান সুমন, আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি নিপলু রহমান, চুনারুঘাট প্রতিনিধি ছায়েদুল হক ও বাহুবল প্রতিনিধি হয়েছেন সৈয়দ আব্দুল মোছদ।

অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্যে রাখেন- উপদেষ্টা আলী আকবর খান, কাপ্তান চৌধুরী, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, মোস্তফা কামাল, নয়া কমিটির সভাপতি শাহীন আহমেদ, সেক্রেটারি শেখ তাজউদ্দিন প্রমুখ।

নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট কার্যালয় পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এসএম নাজমুল হাসানসহ কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাকে স্বাগত জানান।

কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কনস্যুলেটের সব কার্যক্রম সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতি বা ডিজিটালাইজড করার পরামর্শ দেন। আলোচনাকালে তিনি কনস্যুলার সেবাগ্রহীতাদের সুবিধার্থে এবং অধিকতর সেবা প্রদানের নিমিত্তে কনস্যুলেটের নিজস্ব ভবন ক্রয়ের ব্যাপারেও গুরুত্বারোপ করেন।

ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এসএম নাজমুল হাসান মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কনস্যুলেটের বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কনস্যুলেটের বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কনস্যুলার সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব কনস্যুলেটের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান।

কনস্যুলেট সফরকালে তার সহধর্মিণী সরকারের সাবেক সচিব মিজ্ কামরুন নাহারও উপস্থিত ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এসএম নাজমুল হাসান মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কনস্যুলেট সফরের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কিডনির রোগীরা কী খাবেন না?

দিন দিন কিডনি রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মানুষের জীবন যাপনে পরিবর্তন, খাদ্যে ভেজাল ও নানাবিধ কারণে এই সমস্যা হচ্ছে। অনেকের অল্প বয়সেই কিডনি বিকল হয়ে যাচ্ছে।

কিডনি সমস্যা দেখা দিলে জীবন যাপনে বদল আনতে হবে। খাবার খেতে হবে হিসাব করে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধিকে ধীর গতিতে রাখার জন্য সঠিক খাবার খাওয়া জরুরি।

সঠিক পথ্য মেনে চললে রক্তে ক্রিয়েটিনের মাত্রাকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। রোগী ভেদে কিডনির পথ্য নির্ধারণে ভিন্নতা থাকে। রক্তে ইলেকট্রোলাইটসের পরিমাণ, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, ইউরিয়া ও ইউরিক এসিডের পরিমাণ, রক্ত ও ইউরিনে এলবুমিনের পরিমাণ এবং ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ভেদে পথ্যকে সাজাতে হয়।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বিআরবি হাসপাতালের পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান।

সবজি

রক্তে পটাশিয়াম, ইউরিক এসিডের মাত্রা, ফসফরাস ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে সবজি হিসাব করা হয়। কিডনি সমস্যা দেখা দিলে অতিরিক্ত পিউরিন ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি, পিচ্ছিল ও গাঢ় লাল রঙের শাকসবজি এড়িয়ে যেতে হবে। কিডনি রোগীদের জন্য চালকুমড়া, চিচিঙ্গা, ঝিংগা ইত্যাদি পানীয় সবজি উপকারী। উপকারী হলেও এগুলোর পরিমাণ মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা সবজির সালাদ, সবজি স্যুপ ইত্যাদি কিডনি রোগীদের এড়িয়ে চলতে হয়।

ফল

অনেকেই কিডনি রোগ হলে ফল খাওয়া বন্ধ করে দেন। যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এ ক্ষেত্রে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বিবেচনা করে ফল নির্ধারণ করতে হবে। তবে কিডনি রোগীদের ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হয়। অক্সালিক এসিড, ইউরিক এসিড, পটাশিয়াম, রক্তচাপ ছাড়াও আরও অনেক কিছু বিবেচনা করে ফল নির্ধারণ করা হয়। তিন চারটি ফল রোগী ভেদে সীমিত আকারে দেওয়া হয়। যেমন : আপেল, পাকা পেঁপে, পেয়ারা ইত্যাদি।

লবণ

লবণ বা সোডিয়াম নিয়ন্ত্রিত পথ্য কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি। রক্তচাপ, রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা, ইডিমা বা শরীরের পানি পরিমাপের ওপর ভিত্তি করে লবণের পরিমাপ করা হয়। সাধারণত দুই থেকে পাঁচ গ্রাম লবণ নির্ধারণ করা হয় যা নির্ভর করবে আপনার শারীরিক অবস্থা ও ডায়েটেশিয়ানের ওপর। আলাদা লবণ গ্রহণ পরিহার করতে হবে এবং অতিরিক্ত সোডিয়ামযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন : চিপস, পাপড়, চানাচুর, আচার ইত্যাদি। যা শুধু কিডনি রোগীর চিকিৎসায় নয়, কিডনি রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

তরল বা পানীয়

কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে তরল খাবার নিয়ন্ত্রণ জরুরি। চা, দুধ, পানি সব মিলিয়ে তরলের হিসাব করা হয়। কোন রোগীকে কতটুকু তরল বরাদ্দ করা হবে তা নির্ভর করবে রোগীর অবস্থার ওপর। খুব গাঢ় করে জাল দিয়ে দুধ পান করা যাবে না। শরীরের ইডিমা, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, সোডিয়ামের মাত্রা, ইজিএসআর- এসবের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে এক থেকে দেড় লিটার, কখনও কখনও দুই লিটার পর্যন্ত তরল বরাদ্দ হয়। অনেকেই্ অসুস্থ কিডনিকে সুস্থ করার জন্য অতিরিক্ত পানি খায়, এটি ভুল।

দীর্ঘ মেয়াদি ক্রনিক কিডনি রোগী এ ধরনের খাবারের পরামর্শ মেনে চললে কিডনিকে মারাত্মক জটিলতার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়। একঘেয়েমি হলেও ধৈর্যের সঙ্গে সঠিক পথ্য ব্যবস্থাপনা মেনে চলা প্রত্যেক কিডনি রোগীর জন্য জরুরি।

কিডনি রোগীরা যেদিকে দৃষ্টি দেবেন

চিচিঙ্গা, লাউ, করলা, বিচি ছাড়া শশা, সজনা, ডাঁটাশাক, লালশাক, কচুশাক, ঝিংগা, পেঁপে, হেলেঞ্চা শাক ইত্যাদি শাক-সবজি খাবেন।

যেসব সবজি খাবেন না

ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালংশাক, কচু, মুলা, পুঁইশাক, ঢেঁড়স, গাজর, কাঁঠালের বিচি, শিমের বিচি, মুলাশাক ইত্যাদি।

প্রাণিজ আমিষ, যেমন- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি সীমিত পরিমাণে খাবেন।

ডাব, কলা, আঙুর একেবারেই খাবেন না, কেননা, এতে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি। কিডনি রোগীদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়তে থাকে।

কম পটাশিয়ামযুক্ত ফল যেমন- আপেল, পেয়ারা, পাকা পেঁপে, নাসপাতি ইত্যাদি।

রোগীর খাদ্যতালিকায় প্রোটিন রাখতে হবে রোগের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে। যেমন- রোগীর রক্তের ক্রিয়েটিনিন, শরীরের ওজন, ডায়ালাইসিস করেন কিনা, করলেও সপ্তাহে কয়টা করেন তার ওপর নির্ভর করে প্রোটিনের মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে।

যেমন- কিডনি রোগ শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিকেজি দৈহিক ওজনের জন্য প্রোটিনের প্রয়োজন ০.৫-০.৮ গ্রাম। গুরুতর রোগীর জন্য ০.৫ গ্রাম।

এসব নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্যতালিকা তৈরি করে খাবার খেলে কিডনি রোগ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে চাকরি

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। তিন পদে ৯ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। তবে শুধু খুলনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে ডাকযোগে।

 

পদের নাম: আর্ডারলি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ৫ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: নিরাপত্তাপ্রহরী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

পদের নাম: মালি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

আবেদনের বয়স: এসব পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীর বয়স ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর হিসেবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চে যাদের বয়স সর্বোচ্চ ৩০ হয়েছে, তারাও আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি/প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://www.khulnadiv.gov.bd/ -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করতে পারবেন। পরে আবেদন ফরম ডাকযোগে পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায়। এ ছাড়া নিয়োগের বিস্তারিত দেখা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

আবেদনের ঠিকানা: বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ ডিসেম্বর ২০২১