শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 566

ইমোতে নারীকণ্ঠে অনৈতিক কাজের প্রলোভন, ব্ল্যাকমেইলের শিকার প্রবাসীরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমোতে নারীকণ্ঠে কথা বলে অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় একটি চক্র। দেড় শতাধিক সদস্যের এই চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। চক্রটির প্রধান টার্গেট প্রবাসীরা। নারীকণ্ঠে অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীদের ইমো আইডি হ্যাক করে ব্ল্যাকমেইল করে চক্রটি।

গ্রেফতাররা হলেন- হুসাইন আলী (১৯), সুমন আলী (২৩), তরিকুল ইসলাম (২১), শান্ত আলী (১৯) ও সাদ্দাম হোসেন (১৯)। গেল বুধবার রাতে রাজধানীর আশুলিয়া ও নাটোর জেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির সাইবার ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কামরুল আহসান এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নাটোর-রাজশাহীকেন্দ্রিক কিছু কিশোর ও যুবক ইমো হ্যাকিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাদের কাছে এটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রবাসী পুরুষদের ইমোতে অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এমন পাঁচজনকে গ্রেফতারের পর আমরা তাদের বিশাল একটা নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছি। চক্রের দেড় শতাধিক সদস্য এমন প্রতারণার কাজে জড়িত।

কামরুল আহসান বলেন, তারা প্রথমে আইডি সার্চ দিয়ে প্রবাসীদের খুঁজে বের করেন। এরপর নারী সেজে নানা গল্প-কথায় এগোতে থাকেন। একপর্যায়ে অনৈতিক কাজ করার প্রস্তাব দেন। এ সময় ভিকটিম রাজি হলে জানান, ঘণ্টায় কাজ করতে হলে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা দিতে হবে। এরপর টাকায় রাজি হলে মোবাইলের রেয়ার ক্যামেরায় অন্য কোনো কিশোরী বা নারীর ভিডিও চালু করে দিয়ে আড়ালে নারীকণ্ঠে প্রতারকরা কথা বলতে থাকেন। এতে ভুক্তভোগী প্রবাসীর কাছে আসল নারী মনে হতে থাকে। এভাবে একসময় আরও ক্লোজ হতে হতে প্রবাসীর ইমো আইডি হ্যাক করে নেয়, ওটিপি কোড হাতিয়ে নেয়। এই প্রতারকরা প্রথমতো পুরুষ হয়েও নারী সেজে কথা বলে টাকা বাগিয়ে নিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, তারা ইমো হ্যাক করে ইমো মালিকের কোনো অনৈতিক ছবি বা ভিডিও পেলে সেটি দিয়ে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেখেছি নাটোরের লালপুর এলাকায় এ ধরনের প্রতারকদের আধিপত্য বেশি। তাদের সঙ্গে আরও এক থেকে দেড় শতাধিক সদস্য কাজ করছে। তারা সবাই একটি নেটওয়ার্কে কাজ করলেও চার-পাঁচজনের গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতারণা করে।

তাদের টার্গেট কেন প্রবাসীরা- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রবাসীরা দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন। এ জন্য তারা মাঝে মাঝে বিনোদনের খোঁজে ইমোতে যান। আর সেখানেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

যে ২২ হাসপাতালে বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

দেশের ২২টি বিশেষায়িত হাসপাতালে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। ২০১৮ সাল থেকে এই সুযোগ তিন বছরের জন্য করা হয়েছিল। এবার আরও ৫ বছরের জন্য এটি নবায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নবায়ন হয়েছে। এটি আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়টির পক্ষে সচিব খাজা মিয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পক্ষে সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সমঝোতা অনুযায়ী, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনা মূল্যে দেশের ২২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা পাবেন। চিকিৎসাসেবার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- চিকিৎসা পরামর্শ, বিভিন্ন টেস্ট, ওষুধ, বেড, পথ্য এবং নার্সিং সেবা।

চলতি বছরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের নীতিমালায় সংশোধনী এনেছে। এতে সরকারি হাটবাজারগুলোর ইজারালব্ধ আয়ের চার শতাংশ অর্থ ব্যয় নীতিমালায় বলা হয়, মন্ত্রণালয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালসহ, মেডিকেল কলেজ ও ২২টি বিশেষায়িত হাসপাতালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিনা মূল্যে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসাসেবা দিতে পারবে।

যে ২২ বিশেষায়িত হাসপাতালে এই চিকিৎসাসেবা পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সেগুলো হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ), ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর), জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ফাউন্ডেশন-ঢাকা এবং বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

শীতকালে সাধারণত তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকে এবং আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। আর এ সময়টায় দেখা দেওয়া সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে— ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

এ সময়টায় অনেকের উজ্জ্বল ত্বকও গ্রীষ্মের রোদের মতো শুকনো ও খিটখিটে ত্বকে রূপান্তরিত হয়। আর এমন ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাতে চুলকানি এবং লালভাবও দেখা দিতে পারে।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু শুধু এটুকুতেই যথেষ্ট নয়। ত্বককে ভালো রাখতে জানুন কেন ত্বক শুষ্ক হয় আর সেই অনুযায়ী কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনেই আপনার ত্বক আরও ভালো থাকতে পারে। শীতকালে যে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক তা নিয়েই রইল আজকের টিপস—

১. অতিরিক্ত ত্বক ধোয়ার কারণে
আপনার মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে ধোয়ার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর হারিয়ে যায়। আর এটি পরবর্তী ছয় ঘণ্টা ত্বকে আর ফিরে আসে না। ত্বক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়, তা হলে আপনার ত্বক তার সব প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে ফেলতে পারে, যা এটিকে টানটান ও শুষ্ক করে তোলে।

তাই আপনার যখন প্রয়োজন শুধু তখনই ত্বক পরিষ্কার করুন। আর ত্বক পরিষ্কারের পরে অবশ্যই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে।

২. গরম পনি দিয়ে গোসল করলে
শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করা আরামদায়ক হলেও এটির একটি খারাপ দিক রয়েছে। আর তা হচ্ছে অত্যধিক গরম পানি আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং শীতকালে ত্বক শুষ্ক রাখতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার ত্বককে লাল, ফ্ল্যাকি এবং সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

৩. ত্বকে রাসায়নিকের ব্যবহার
ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা দূর করতে এক্সফোলিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেশি পরিমাণে স্ক্রাব বা রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই ত্বকে যতটা সম্ভব কম রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে আর স্ক্রাব বা পরিষ্কার করার পরেই ময়শ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।

৪. পর্যাপ্ত পানির অভাবে
শীতকালে আপনি কী পরিমাণে পানি পান করছেন তার ওপর নজর রাখতে হবে। কারণ সঠিক হাইড্রেশন না হলেও ত্বকের শুষ্কতা বেশি দেখা দিতে পারে ও ত্বক ক্র্যাক করতে থাকে। তাই ত্বকের সুরক্ষার জন্য হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৫. ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং
শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অনেক সময় কমে যেতে পারে। তাই এ সময় ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ময়শ্চারাইজিং করলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে লক করতে সাহায্য করতে পারে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

দৈনন্দিন জীবনের কিছু সাইকোলজিক্যাল হ্যাক

প্রথমেই আমরা জেনে নেব সাইলোজিক্যাল হ্যাক কী? সাইকোলজিক্যাল হ্যাক আসলে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে কাউকে হারানোকেই বোঝায়।

আরও সহজ করে বলা যায়, মস্তিষ্ককে ধোঁকা খাওয়ানো, কথার চতুরতা ইত্যাদি। অনেকটা ব্রেইন গেমের মতো। কাউকে মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে সাইকোলজিক্যাল হ্যাক কাজে লাগে।

আজ আমরা এমন কিছু সাইকোলজিক্যাল হ্যাক সম্পর্কে জানব, যা আপনার জীবন চলার পথে আরও সুগম করবে। আপনার ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনে যা মেনে চললে বা প্রয়োগ করলে অনেক লাভবান হবেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক—

১. কথা বলার সময় শ্রোতার মনোযোগ ধরে রাখতে চান? কিংবা কাউকে প্রশ্ন করে সত্য উদ্ঘাটন করতে চান?

তার চোখের দিকে তাকিয়ে আপনার প্রতিবিম্ব লক্ষ্য করে কথা বলুন, সে সম্মোহিত হয়ে যাবে। নার্ভাস ফিল করবে। যথাযথ জবাব দেবে। তবে এটা কেবল স্থির দণ্ডায়মান এবং আলোর বিপরীতে থাকলেই সম্ভব হয়।

২. কাউকে কোনো কাজের জন্য জিজ্ঞেস না করে অনুরোধ করুন।

যেমন ধরুন আমরা সচরাচর এমনভাবে প্রশ্ন করে থাকি, আপনি কি আমার এই কাজটি করে দিতে পারবেন? না, এভাবে প্রশ্ন করবেন না। সরাসরি অনুরোধ করবেন যে, দয়া করে আপনি আমার এই কাজটি করে দিন। দেখবেন তখন আর সে আপনাকে না করতে পারবে না। তাই কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়ার এই সাইকোলজিক্যাল হ্যাকটা অনেক কার্যকারী।

৩. অবহেলাকারীর সঙ্গে আই কন্টাক্ট করুন।

যখন আপনি কারও সঙ্গে একটানা কথা বলেন এবং সে আপনার কথায় মনোযোগী না হয় অর্থাৎ আপনাকে ইগনোর করার চেষ্টা করে তখন কিছুক্ষণের জন্য কথা বলা থামিয়ে দিন। তার দুই চোখে চোখ রাখবেন। চোখ নামাবেন না। ফলে সে ইতস্তত বোধ করবে এবং আবার আপনার কথায় মনোযোগী হবে।

৪. আপনার হাসিতেই অন্যকে সম্মোহিত করার শক্তি আছে, তাই হাসিটা নির্মল ও সুন্দর রাখুন।

৫. বক্তৃতা দেওয়ার সময় সঙ্গে পানির বোতল সামনে রাখুন।

অনেকে এমন আছেন যারা কোনো সমাবেশে জনসম্মুখে কথা বলতে গেলে নার্ভাস ফিল করেন। বারবার গলা শুকিয়ে যায়, কথা আটকে যায়। তারা সঙ্গে করে একটি পানির বোতল রাখতে পারেন। এতে গলা শুকিয়ে গেলে যেমন পানি পান করতে পারবেন, তেমন পানি খাওয়ার বিরতিতে আপনি ঠিক কী বলতে চান তা মনে করতে পারবেন।

তা ছাড়া পানি খাওয়ার ফলে, মুড রিফ্রেশ হবে, নার্ভ শিথিল হবে, আর আপনার বক্তৃতাও ভালো হবে। জনসম্মুখে কথা বলতে যারা নার্ভাস ফিল করেন, তারা এই সাইকোলজিটা ফলো করলে সুফল পাবেন।

৬. ডি মোটিভেশনকে মোটিভেশন হিসেবে ব্যবহার করুন।

ধরুন আপনি কাউকে দিয়ে আপনার কোনো কাজ করাবেন বা অন্য কেউ তাকে দিয়ে কোনো কাজ করাবে, তখন তাকে এভাবে বলবেন যে, ‘তুমি তো এই কাজ পারবেই না’। ‘তোমার দ্বারা হবে না, ছেড়ে দাও’।

তখন দেখবেন তার মনে কাজটা ভালো এবং সুন্দরভাবে করে দেওয়ার আগ্রহ জাগবে, সেটি জেদ করেই হোক, সে চাইবে কাজটা করে আপনাকে দেখিয়ে দিতে। আর বুঝিয়ে দিতে চাইবে— না সে পেরেছে, আপনি ভুল ছিলেন।

৭. দেহভঙ্গি দিয়ে সামনের জনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করুন।

যখন আপনি কারও সঙ্গে কথা বলবেন, তখন হালকা করে মাথা ও হাত নাড়িয়ে কথা বলবেন। এতে সামনের জন মনে করবে আপনি তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহ পাচ্ছেন বা আপনার তার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে।

এতে দেখবেন যার সাথে কথা বলবেন সে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে এবং আপনার সাথে সবকিছু শেয়ার করবে। এই সাইকোলজিক্যাল হ্যাক মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক স্থাপনে সাহায্য করে। আপনার প্রিয় ব্যক্তির সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে এই টিপস ফলো করুন।

৮. সকালে চোখের ঘুম ঘুম ভাব দূর করতে চান?

সকালে যখন ঘুম ভাঙে, তখন চোখের ঘুম ভাব দূর করতে উঠে বসে পড়ুন। অতঃপর দুই হাত এপরে তুলে জোরে বলুন ‘ইয়ে’। খেলা দেখার সময় অনেকে তাদের এক্সসাইটমেন্ট যেভাবে প্রকাশ করে সেভাবে আরকি।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটি আপনাকে সকালে রিফ্রেশ করতে অনেক কাজে দিবে। দেখবেন তৎক্ষণাৎ ঘুম ঘুম ভাব দূর হয়ে যাবে।

৯. অন্য কাজে মনোযোগী থাকা লোক দিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিন।

ধরুন, কেউ অনেক মনোযোগ দিয়ে কোন কাজ করছে। যেমন ফোনে অনেক মনোযোগ দিয়ে কারো সাথে কথা বলছে। তখন আপনি আপনার যে কোনো জিনিস তার হাতে ধরিয়ে দিতে পারবেন, যা সে মনে রাখতে পারবে না আপনি কখন দিয়েছেন। এমন করে নিজের কাজ আপনি তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে পারবেন। আবার উল্টোটাও হয় তার হাতে থাকা যে কোনো জিনিস আপনি নিয়ে নিতে পারবেন। এটিও সে মনে রাখতে পারবে না, সে কখন দিয়েছে।

১০. যখন কেউ আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে আপনি তখন তার জুতোর দিকে তাকাবেন।

রাস্তায় বা বাস গাড়িতে যখন কেউ এক দৃষ্টিতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে, তখন আপনিও এক দৃষ্টিতে তার জুতার দিকে তাকিয়ে থাকবেন। চোখ সরাবেন না। দেখবেন তার মধ্যে ইতস্তত ভাব কাজ করবে, সে লজ্জাবোধ করবে। এবং তখন আপনার থেকে চোখ সরিয়ে নিতে একপ্রকার বাধ্য হবে। রাস্তাঘাটে বিশেষ করে মেয়েরা এই ট্রিকস টা ফলো করতে পারেন।

১১. চিন্তাশক্তির মাধ্যমে ক্লান্তি দূর করুন।

যদি আপনার আগের দিন রাতে ভালো ঘুম না হয় আর আপনি অনেক ক্লান্ত থাকেন,তা হলে মনে মনে ভাববেন আপনার ভালো ঘুম হয়েছে আপনি মোটেও ক্লান্ত না।

শুনতে আজব লাগলেও, এটি কিন্তু শতভাগ কার্যকারী। কলোরাডো কলেজ একটি পরীক্ষা করে— ‘জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল সাইকোলজি’ বই এ প্রকাশ করেছেন যে, আপনি যদি মনে করেন আপনি খুব ভালোভাবে রেস্ট নিয়েছেন এবং আপনার মধ্যে কোনো ক্লান্তি নেই, তা হলে আপনার ব্রেন খুব ভালো ভাবে কাজ করে, যা ১০০ শতাংশ প্রমাণিত।

১২. প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করার সঠিক সময় কোনটি?

মানুষ সবসময় দিনের শুরুর ঘটনা এবং শেষের ঘটনা মনে রাখে। মাঝখানে সারাদিন যা হয় তা কিন্তু এত একটা মনে রাখে না। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন কারো সাথে দেখা কিংবা জরুরি কোন মিটিং, চাকরির ইন্টারভিউ সকালে বা বিকালে করতে। এতে করে আপনার সাথে থাকা মানুষ আপনাকে সর্বদা মনে রাখবে।

আর্থ্রাইটিস ব্যথায় কী করবেন?

হাড়ের জোড়ায় প্রদাহ হলে সেটিকে আর্থাইটিস বলা হয়। বাংলায় এটিকে বলে বাত। বাতের ব্যথায় অনেককে কাতরাতে দেখা যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিয়ে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বাতের কারও উপশমের উপায় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রফিক আহমেদ।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস
এটি এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী বাতব্যথা। এটিকে বলা হয় অটো-ইমিউন ডিজিস। এ ধরনের রোগে আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনাকে প্রতিরক্ষা করার পরিবর্তে আপনার দেহের কোনো একটি অঙ্গ অথবা জয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করে। আর ওই জয়েন্টে প্রদাহ হওয়ার ফলে অনুভব হয় প্রচণ্ড ব্যথা। কর্মক্ষম দেহ কলার ক্ষতিজনিত অস্বস্তিকর অনুভূতিকে ব্যথা বলা হয়।

একটি কারণ জানলাম, অটো-ইমিউন ডিজিস। এ ছাড়া কোনো কারণে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে এ রোগ হয় বলে অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা।

রিউমাটয়েড হ্যান্ড
এ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হলে হাতের আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাবে। হাতের আঙুলগুলো বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করে থাকে।

সোয়াননেক ডিফর্মিটি
হাতের আঙুল বাঁকা হয়ে রাজহাঁসের গলার মতো হয়। বাটন হোল ডিফর্মিটি সুঁচ দিয়ে কাঁথা সেলাই করতে গেলে তর্জনি আঙুল যে রূপ ধারণ করে তেমন হয়।

জেড ডিফর্মিটি
হাতের আঙুল ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর জেডের আকার ধারণ করে-আঙুলের মাংস দুর্বল হয়ে পড়ে। এই তিনটিকে একত্রে বলা হয় রিডমাটয়েড হ্যান্ড বা হাত।

অস্টিও আর্থ্রাইটিস
আমাদের দেহের যে কোনো জয়েন্টের দুটি হাড়ের মাঝখানে তরুণাস্থি থাকে। যার ফলে আমরা খুব সহজেই নড়াচড়া ও হাঁটাচলা করতে পারি। অস্টিও আর্থ্রাইটিসে তরুণাস্থি ক্ষয় হয়ে যাওয়ায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। শরীরের যে কোনো হাড়ের জয়েন্টে এ রোগ হতে পারে, তবে ভার বহনকারী জয়েন্টে হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

আর্থ্রাইটিস কেন হয়
এটির অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় বয়োবৃদ্ধি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরুণাস্থিতে পানির পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং প্রোটিনের পরিমাণ কমতে থাকে। সে জন্য তরুণাস্থিও ক্ষয় হতে থাকে। শরীরের অতিরিক্ত ওজনও একটি কারণ হতে পারে। ওজন বেশি থাকলে বিভিন্ন জয়েন্টের ওপর বেশি চাপ পড়ার কারণে এ রোগ হতে পারে। আবার জন্মসূত্রে কারও কারও এ রোগ হতে পারে।

স্পনডিলাইটিস
আমাদের মেরুদণ্ড অনেক ছোট ছোট কশেরুকা (ভার্টিব্রা) দ্বারা গঠিত। স্পনডিলাইটিস হলো মেরুদণ্ডের কশেরুকার প্রদাহ।

এ রোগের উপসর্গ হলো ঘাড়ে, কাঁধে, পিঠে, কোমরে বা মাজায় অসহ্য ব্যথা করা। ঘাড় ঘোরাতে শরীর বাঁকাতে এবং হাঁটাচলা করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হতে পারে।

এ ছাড়া হালকা জ্বর, ক্ষুধামন্দা এবং ওজন হ্রাস পাওয়া হচ্ছে এ রোগের উপসর্গ।

এ রোগ যাদের হওয়ার আশঙ্কা বেশি
এ রোগ সাধারণত ৩০ বছরের পর হয়। যারা অনেকক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করেন এবং অতিরিক্ত টেনশন যাদের নিত্যসঙ্গী, তাদের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। এ রোগ বংশগত কারণেও হতে পারে।

গাউট বা গাউটি আর্থ্রাইটিস
গাউট-অ্যাকুট হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলো পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে। ফুলে গেল, লাল হয়ে গেল। ব্যথার তীব্রতা সাধারণত শেষ রাতে অথবা সকালে বেশি হয়। ব্যথার তীব্রতায় বা যন্ত্রণায় ঘুম ভেঙে যায়। ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি অল্প অল্প ব্যথা থেকে পরে তীব্র ব্যথা হতে পারে। অন্যান্য ছোট ছোট হাতের গিরা, পায়ের গিরা বা জয়েন্ট ফুলে গিয়ে যন্ত্রণা শুরু হয়। রোগের বর্ণনা থেকেই রোগ নির্ণয় করা যায়। খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না।

বংশগত কারণে গাউট হতে পারে। আবার অন্য কারণ যেমন-যারা অতিরিক্ত মদ্য পান করে। এছাড়া যেসব খাবারে পিউরিন বেশি থাকে সেসব খাবার বেশি খেলে গাউট হতে পারে। কিডনি বিকল রোগ, ডাইউরেটিক জাতীয় ওষুধ সেবন, টিবি রোগের ওষুধ সেবন এবং আরও অন্য রোগের কারণেও গাউট হতে পারে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪০ বছরের পরে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সের পরে গাউটে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি থাকে।

গাউটে আক্রান্ত রোগীদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। যেমন- লাল মাংস-গরু, খাসি, মহিষ, ভেড়া, হরিণের মাংস না খাওয়া, ফুল কপি, বাঁধা কপি, ঘি, মাখন চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়া। গাজর, মটরশুঁটি, শিম, বরবটি, কলিজা, মগজ, কই মাছ, ইলিশ মাছ, গুঁড়া মাছ, পুঁইশাক, পালং শাক ইত্যাদি খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। যাদের বংশে আর্থ্রাইটিসের রোগী আছে, তাদের ওপরের খাবার কম খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত শর্করাজাতীয় খাবার না খাওয়া উত্তম।

শরীরব্যথা, বাতব্যথা, অনেকেই না জেনে, না বুঝে ওষুধের দোকানদারের কাছ থেকে বেদনানাশক ওষুধ কিনে খাচ্ছেন মোয়া-মুড়কির মতো। এ ওষুধ ২-৪-১০ দিন খাওয়া যেতে পারে। তাই বলে কোনো অবস্থাতেই মাসের পর মাস খাওয়া যাবে না। দীর্ঘমেয়াদি বেদনানাশক ওষুধ সেবনে কিডনি বিকল রোগ হয়। উচ্চ রক্তচাপের জন্ম হয়। গ্যাস্ট্রিক আলসারসহ বহুবিধ সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। অনেকে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সেবন করেন। ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত না খাওয়া উচিত।

বেদনানাশক ওষুধ সেবনই আর্থ্রাইটিস চিকিৎসার মূল কথা নয়। অনেক সময় অর্থপেডিক (হাড় ও জোড়া রোগ বিশেষজ্ঞ) সার্জন, নিউরোমেডিসিন ও নিউরোসার্জনের পরামর্শের প্রয়োজন হয়। প্রায় প্রতিটি মেডিকেল কলেজেই ফিজিওথেরাপি সেন্টার, ক্লিনিকগুলোতেও ফিজিওথেরাপি বিভাগ রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন রোগের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার ‘রে’-যেটিকে সাধারণ জনগণ বলেন সেঁক দেওয়া হয়। সর্বোপরি আছে একেক অঙ্গের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের ব্যায়াম। আপনার যদি কোমরব্যথা হয়, তার জন্য এক ধরনের ব্যায়াম; যদি ঘাড়ব্যথা হয় তার জন্য এক ধরনের ব্যায়াম, যা কিনা রোগের ধরন ও প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে দেওয়া হয়। আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিহার্য। আর্থ্রাইটিস যে কারণের জন্য হয়েছে সে কারণকে রোগ নির্ণয় পূর্বক চিকিৎসা করা হলে সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। চিকিৎসার পূর্বশর্ত রোগ নির্ণয় করা, রোগ নির্ণয়ের পূর্ব শর্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।

দৈনন্দিন জীবনে যে জিনিসগুলো মেনে চলবেন কীভাবে বসে কাজ করবেন? কীভাবে গাড়ি চালাবেন? কীভাবে বালিশে শোবেন? ঘরবাড়ির কাজে করণীয়, ভারি জিনিস তোলার সময় সতর্কতা : সেলুনে ম্যাসাজ একেবারেই নিষেধ। হাইহিল বিপত্তি, জুতার ফিতে বাঁধবেন কীভাবে? শিশুকে কোলে নেবেন কীভাবে, বিছানার তোশক কেমন হওয়া উচিত? এগুলো সবই প্রাকটিক্যাল বিষয়, যার সঠিক সমাধান দিতে পারেন- একজন ফিজিওথেরাপিস্ট। হালকা ব্যায়াম করুন, ওজন কমান, সুস্থ থাকুন।

আর্থ্রাইটিস নিয়ে সুস্থ থাকার কয়েকটি উপায়

* যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

* আপনার রোগের ধরন এবং নিরাময় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন।

* বেশি ব্যথার ওষুধ ব্যবহার না করে জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করুন।

* মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন।

* অতিরিক্ত বিশ্রামের পরিবর্তে কাজে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন।

* ব্যায়াম করাকে একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করুন।

* অবসর সময় প্রিয়জনের সঙ্গে অতিবাহিত করুন।

যে কয়েকটি ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন

* টেবিলে বসে ঝুঁকে পড়াশোনা করবেন না।

* বেশি নরম গদি-তোশক এবং উঁচু বালিশ ব্যবহার করবেন না।

* দেহের মেদ কমান-পুষ্টিকর খাবার খান।

* টেনশন কমান।

* প্রতিদিনই হালকা কিছু ব্যায়াম করুন।

* নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করুন।

* শীতকালে ঠাণ্ডায় এবং বর্ষায় স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বয়স্করা সাবধানে থাকবেন।

* চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দৈনন্দিন জীবনযাপন এবং ওষুধ সেবন করবেন।

* স্বাস্থ্যবান সুখী মানুষ কখনও অতীত বা ভবিষ্যতে বসবাস করে না। সে সব সময়ই বাস করে বর্তমানে।

* প্রার্থনা রোগের উপসর্গ কমায় এবং সুস্থতার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

* রাগ-ক্ষোভ, ঈর্ষা, সন্দেহ দুরারোগ্য ব্যাধি সৃষ্টি করে। এগুলো ঝেরে ফেলুন, আপনার সুস্থ থাকার সার্মথ্য বেড়ে যাবে।

উপদেশ

সম্পূর্ণ বিশ্রাম ৩-৭ দিন। মালিশ নিষেধ। এক বালিশ ব্যবহার করবেন। শক্ত ও সমান বিছানায় ঘুমাবেন। ফোম জাজিম ব্যবহার। সামনে ঝোঁকা, ভারি কাজ, গরম সেঁক নিষেধ। নামাজ চেয়ার টেবিলে পড়বেন। উঁচু কমড ব্যবহার করবেন। নিচে বসা নিষেধ, সোজা হয়ে বসবেন। মগে গোসল করবেন না, শাওয়ার ব্যবহার করবেন, কোমরে বেল্ট (করসেট) পরবেন। যার ঘাড়ে সমস্যা তারা কলার ব্যবহার করবেন।

৩৩ জনকে নিয়োগ দেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

জনবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। রাজস্ব খাতের ছয় পদে ৩৩ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম : সাঁট মুদ্রক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)
পদ সংখ্যা: ৭ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ১১,০০০/- থেকে ২৬,৫৯০/-

পদের নাম : অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম : ডটা এন্ট্রি কন্ট্রোল অপারেটর (গ্রেড-১৬)
পদ সংখ্যা: ৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাস। কম্পিউটার পরিচালনা ও লিখনে দক্ষতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,৩০০/- থেকে ২২,৪৯০/-

পদের নাম : ট্রেসার (গ্রেড-১৭)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: সিভিল ড্রাফটিংয়ে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (ভকেশনাল) পাস অথবা সিভিল ড্রাফটিংয়ে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় পাস। ২ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন: ৯,০০০/- থেকে ২১,৮০০/-

পদের নাম : সর্টার (গ্রেড-১৯)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাস। তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সার্টিফিকেট কোর্সে পাস থাকতে হবে।
বেতন: ৮,৫০০/- থেকে ২০,৫৭০/-

পদের নাম : অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১৯ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পাস।
বেতন: ৮,২৫০/- থেকে ২০,০১০/-

বয়স: আবেদনের সময়সীমা ২১ ডিসেম্বর ২০২১ হিসেবে ১৮-৩০ বছর। তবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসেবে সর্বোচ্চ ৩০ বছর হলেও আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://plandiv.teletalk.com.bd/home.php -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—

আবেদনের শেষ সময়: ১০ জানুয়ারি ২০২২ বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন কুবির ৫১ শিক্ষার্থী

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন বিভিন্ন অনুষদের মোট ৫১ শিক্ষার্থী। স্নাতক ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ এবং স্নাতকোত্তরে ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ৫১ শিক্ষার্থীকে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার বিষয়টি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ডিনস অ্যাওয়ার্ড কমিটির আহ্বায়ক এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মোকসেদুর রহমান।

স্নাতক পর্যায় থেকে আট শিক্ষাবর্ষের সর্বমোট ১৮ জনকে এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তারা হলেন— গণিত বিভাগের হুমাইরা দিল আফরোজ ও ফারহানা ইয়াসমিন, পরিসংখ্যান বিভাগের উম্মুল খায়ের সুমি ও সোনিয়া আকতার, অর্থনীতি বিভাগের মিস নয়ন তারা ও স্বর্ণা মজুমদার, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সংগীতা বসাক ও মো. রফিকুল ইসলাম শাকিলা ফেরদৌস, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের অরূপা সরকার ও রাবেয়া জামান, মার্কেটিং বিভাগের নাসরিন আকতার ঝুমুর ও তানজীনা ইয়াসমিন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের রিপা আকতার, সিএসই বিভাগের নয়ন বণিক, আইসিটি বিভাগের আমেনা বেগম, মো. কামরুল হাসান এবং পিন্টু চন্দ্র পাল।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছয়টি শিক্ষাবর্ষ থেকে মনোনীত হয়েছেন সর্বমোট ৩৩ জন। তারা হলেন— গণিত বিভাগের সামিয়া তাহের, খাদিজা বেগম, পারভীন আকতার, হুমায়রা দিল আফরোজ ও মাহিনুর আকতার, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সানজিদা হক ও অন্তরা তাজরীন তৃণা, পরিসংখ্যান বিভাগের কনকন আচার্য, রসায়ন বিভাগের শারমিন আকতার রূপা ও মো. আলাউদ্দিন হোসাইন, অর্থনীতি বিভাগের মো. মাসুদ রানা, মো. সাইফুল ইসলাম, স্বর্ণা মজুমদার ও সায়েদা সুরাইয়া সুলতানা, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইসরাত জাহান লিপা, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের মো. জাহিদ হাসান, সঙ্গীতা বসাক, মো. রফিকুল ইসলাম ও শাকিলা ফেরদৌস, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ফাহামিদা হোসাইন, তৃণা সাহা, ফাহিমুল কাদের সিদ্দিকী ও মো. কাউসার খান, মার্কেটিং বিভাগের মো. আওলাদ হোসাইন, নাসরিন আকতার ঝুমুর, খালেদা আকতার, জাহিদুল ইসলাম পাটোয়ারী ও তানজীনা ইয়াসমিন, সিএসই বিভাগের মেশকাত জাহান ও তাপসী গোস্বামী এবং আইসিটি বিভাগের আমেনা বেগম, নাবিলা মেহজাবিন ও মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, এটা সমাবর্তনের সময় দেওয়ার কথা ছিল। সমাবর্তনের প্রোগ্রাম সংক্ষিপ্ত করার জন্য তখন দেওয়া হয়নি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এখন দেওয়া হবে। এটি চলমান থাকবে এবং প্রতি বছর সমাবর্তনের সময় দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে স্থগিত হওয়া এই সম্মাননা আগামী ২ জানুয়ারি দেওয়া হবে। সম্মাননা হিসেবে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের একটি করে ক্রেস্ট এবং সনদপত্র দেওয়া হবে।

রাবিতে প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে বিশেষ সুবিধা চালু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি সুবিধা চালু করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের ৫০৯তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. আজিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ড. আজিজুর রহমান জানান, রাবির প্রতিটি বাসে ৫টি সিট প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে, একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবনসহ অন্যান্য ভবনের মূল প্রবেশপথে সিঁড়ির একপাশে র্যাম্প প্রস্তুত করা হবে, আবাসিক হলসমূহের নিচতলায় ১ম বর্ষের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের আবাসন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় ঘণ্টায় ন্যূনতম ১০ মিনিট বৃদ্ধি ও শ্রুতিলেখক নিয়োগ সহজীকরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

বিচ্ছেদ নিয়ে ট্রলের জবাব দিলেন সামান্থা

নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে সামান্থার। ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ায় সামান্থাকে অনেক কটু কথা শুনতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমালোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ বলছেন, বিচ্ছেদের সময় বড় অঙ্কের টাকা নিয়েছেন, তিনি এখন সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেম।

২ অক্টোরব বিচ্ছেদের খবর দেওয়া এই দক্ষিণী অভিনেত্রী সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন। তবে সেটি আক্রামণাত্মক নয়, খুবই স্বাভাবিক। খবর পিঙ্ক ভিলা ও ইন্ডিয়া টুডের।

পছন্দের মানুষ চৈতন্যকে ২০১৭ সালে সাতপাকে বেঁধেছিলেন সামান্থা। বিয়ের পর তাদের সময়টা ভালোই যাচ্ছিল। দুজনের ফেসবুকে আপ করা অন্তরঙ্গ ছবি দেখে তাই মনে হয়েছে। কিন্তু দুজনের সংসার চার বছরের বেশি টিকল না। গত ২ অক্টোবর বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা। তবে বিচ্ছেদের কারণ জানাননি সামান্থা।

কিন্তু নেটিজেনরা তো আর বসে নেই। তারা সামান্থার পিছু লেগেই আছে। কামারালি দোকানদার নামে এক টুইটার ব্যবহারকারী সম্প্রতি সামান্থাকে নিয়ে ট্যাগ দেন যে, ভদ্রলোকের কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা আদায় করে বিচ্ছেদ নিয়ে সেকেন্ড হ্যান্ড আইটেমে পরিণত হয়েছেন দক্ষিণী নায়িকা। এই সমালোচনার জবাব শান্তভাবে দেন সামান্থা। তিনি লেখেন— কামারালি দোকানদার ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন। নেটিজেনরা সামান্থার এই জবাবের প্রশংসা করেছেন।

এদিকে বিচ্ছেদ যাতনা কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন দক্ষিণী নায়িকা। দুই ভাষার একটি চলচ্চিত্রে কাজ করছে তিনি। বলিউডে একজন নতুন নায়কের সঙ্গে সামান্থার আরেকটি সিনেমার কাজ শিগগিরই শুরু হবে।

এসব নিয়ে খোশমেজাজেই রয়েছেন নায়িকা। সম্প্রতি একটি গান আপলোড করে নিচে লেখেছেন— আমি ভালো খেলতাম, আবার খারাপও খেলতাম। আমি কৌতুক করি, আবার সিরিয়াসও থাকি। আমি একটি চ্যাট শোর উপস্থাপনাও করেছি। আমি কাজের জায়গায় নিবেদিত। চরিত্রের জন্য আমি যে কোনো কিছু করতে পারি। ভবিষ্যতে আমি আবেদনময়ী হিসেবে ধরা দেব।

নোরা ফাতেহির সঙ্গে বিতর্কিত সেই ব্যবসায়ীর গোপন কথোপকথন ফাঁস!

ভারতের বিতর্কিত ব্যবসায়ী সুকেশ চন্দ্র শেখরের সঙ্গে বলিউডের একাধিক নায়িকার ঘনিষ্ঠতার তথ্য পাওয়া গেছে। তার সঙ্গে গোপন যোগাযোগ ছিল বলিউড কুইন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও নোরা ফাতেহির। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে বলিউডপাড়ায়।

নতুন খবর হচ্ছে— নোরা ফাতেহির সঙ্গে সুকেশের গোপন যোগাযোগের একাধিক চ্যাট ফাঁস হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চ্যাটিংয়ে দামি গাড়ি আদান-প্রদান নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, নোরা ফাতেহিকে দামি গাড়ি ও উপহারসামগ্রী দিয়ে সম্পর্ক গড়েন ধনকুবের সুকেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চ্যাটিংয়ের একপর্যায়ে নোরাকে বিলাসবহুল রেঞ্জ রোভার গাড়ির ছবি পাঠিয়ে পছন্দ হয়েছে কিনা জানতে চান সুকেশ। প্রতিউত্তরে নোরা হ্যাঁ সূচক জবাব দেন। বলেন, গাড়িটি সুন্দর, যেটি নিয়ে যে কোনো স্থানে যাওয়া যায়। গাড়িটি অভিজাতদের।

আরেকটি চ্যাটে সুকেশকে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। গাড়ি উপহার নিয়ে তদন্ত সংস্থা নোরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন তিনি। উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে নোরাকে সুকেশ বলেন, কোনো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে তোমাকে আমি এই উপহার দিচ্ছি না। যদি কেউ কাউকে পছন্দ করে সে তাকে যে কোনো কিছু উপহার দিতেই পারে।

সুকেশ চন্দ্র শেখরের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগের মধ্যে একটি হচ্ছে— তিনি জেলখানায় থেকে চাঁদাবাজি করেছেন। টেলিফোন করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২০০ কোটি রুপি চাঁদা নিয়েছেন।

এর আগে নোরা ফাতেহি ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্টের (ইডি) কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে বলেন, তিনি সুকেশের কাছ থেকে বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার নিয়েছেন। আর বলিউডের আরেক নায়িকা জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজও স্বীকার করেছেন যে, তিনিও ওই ধনকুবেরের কাছ থেকে লোভনীয় উপহারসামগ্রী গ্রহণ করেছেন। এসব অভিযোগে জ্যাকুলিনের পর আবারও নোরাকে তলব করতে পারে ইডি।

নোরা ফাতেহি একজন কানাডিয়ান মডেল-অভিনেত্রী। বলিউডের একাধিক সিনেমায় আইটেম ডান্স করেছেন তিনি।