শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 477

কমছে আমানত, বাড়ছে ঋণের চাহিদা

দেশের সার্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে অপ্রত্যাশিত ‘অস্বাভাবিকতা’ দেখা দিয়েছে। বড় ধরনের দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ ও মহামারির সময় অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক কিছুটা বেসামাল হয়ে পড়ে। কিন্তু সেটি সাময়িক। চলতি অর্থবছরসহ ২০২০ সাল থেকে দফায় দফায় করোনার আঘাতে অর্থনীতি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে লকডাউন চলাকালে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়ে মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবসাবাণিজ্যসহ সবকিছু। কিন্তু যখন আমানত কমার কথা, তখন বেড়েছে; আবার যে সময়ে এসে আমানত বাড়ার কথা, তখন কমে যাচ্ছে। বিপরীতে বাড়ছে ঋণের চাহিদা। এছাড়া এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।

সেটি হলো মহামারির সময় যে হারে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে মানুষের হাতে রাখার কথা ছিল, সেটি হয়নি। তাহলে ওই সময় বেশির ভাগ মানুষ যে অর্থ খরচ করেছে তার একটি বড় অংশের উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। সূত্রমতে, মহামারি করোনা সংক্রমণের পর থেকে এখন পর্যন্ত অর্থনীতির সূচকে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন হচ্ছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবাহ অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে গেছে। একই মাত্রায় বেড়েছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহও। ওদিকে ব্যাংকবহির্ভূত মুদ্রার প্রবাহ কমে গিয়ে এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে। তবে কমে গেছে আমানতের প্রবৃদ্ধি, যা উদ্বেগজনক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে শুরুতে সবকিছু স্থবির থাকায় অর্থনীতির সব সূচকেই নেতিবাচক চিত্র দেখা দেয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবকিছুতেই চাহিদা বাড়ছে। এ কারণে এখন সূচকগুলোও লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে অস্বাভাবিকতা থাকতে পারে। কিন্তু তদারকি রাখতে হবে যাতে কোনো নেতিবাচক দিকে এই উল্ফন ব্যবহৃত না হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সময়ে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বরে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবাহ কমেছিল ৪৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে ঋণ বেড়েছে ৮২ দশমিক ১৯ শতাংশ। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হলে ৭ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত হয়। কমে গেলে ১ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত নেতিবাচক হতে পারে।

সার্চ কমিটির আজকের বৈঠকে যেসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে

দ্বিতীয় দফায় আজ আবারও বসছে সার্চ কমিটি। বিকাল সাড়ে ৪টায় সুপ্রিমকোর্টের জাজেস লাউঞ্জে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে নাম সুপারিশের জন্য গঠিত অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির প্রথম বৈঠক হয় ৬ ফেব্রুয়ারি।

আজকের বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের। হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন এবং কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হকের আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পেতে প্রায় একশজন আগ্রহী ইতোমধ্যে নাম জমা দিয়েছেন। সার্চ কমিটি আহবানের একদিনের মধ্যেই বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। সোমবার প্রথম দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এবং সচিবালয়ের গেটে এসে জীবন বৃত্তান্তসহ নিজেদের নাম জমা দেন তারা।

আগ্রহীদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আলাদাভাবে চিঠি দিয়ে বা টেলিফোন করে নাম চাওয়া হতে পারে। আজকের বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

এছাড়া আগামী শনি ও রোববার কমিটি তিন দফায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বসবেন। যাদের সঙ্গে সভা হবে তাদের নামও আজ চূড়ান্ত হতে পারে। তবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিথি তালিকা ছোট রাখা হবে।

ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেফতার ৫১

বিপুল ইয়াবা বড়ি, হেরোইন এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্যসহ রাজধানী থেকে ৫১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও বেচাকেনায় জড়িত সন্দেহে তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

সোমবার ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে যেসব মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে— ৩১৫৬১ পিস ইয়াবা বড়ি, ১১৫ গ্রাম হেরোইন, ৪০ লিটার দেশি মদ, ৯ কেজি ৪৩৫ গ্রাম গাঁজা।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৭ মামলা করা হয়েছে।

বৃহদন্ত্রের ক্যান্সারে কী করবেন?

বৃহদন্ত্রের ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। সঠিক চিকৎসা না নিলে এই রোগে বহু কষ্ট করতে হয়। অনেক সময় মৃত্যুও হয়।

মলাশয়ের ক্যান্সার সাধারণত পায়ুপথে রক্তক্ষরণ এবং মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। মলত্যাগের বেগ এলে রোগী তড়িঘড়ি করে টয়লেটে যায় ও শ্লেষ্মাযুক্ত রক্ত মলদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসে। পায়ুপথে রক্তক্ষরণ, মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা পাতলা পায়খানা উপসর্গগুলো যে ক্যান্সারেরও উপসর্গ সেটা অনুধাবন করতে রোগীর অনেক দেরি হয়ে যেতে পারে।

বৃহদন্ত্রের ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

রেক্টাম বা মলাশয় এবং কোলন অথবা বৃহদন্ত্রের ক্যান্সারের জন্য ল্যাপারস্কপি পদ্ধতিতে অপারেশনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পেট না কেটে ও মলদ্বার অপসারণ না করে ক্যান্সারটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবচ্ছেদ করে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব হয়।

আগের দিনে সচরাচর পায়ুপথ বা মলদ্বার ফেলে দিয়ে পেটের ডান বা বাঁয়ের যে কোনো একপাশে কৃত্রিম মলদ্বার বানিয়ে সেখানে ব্যাগ লাগিয়ে দেয়া হতো। মল ওই ব্যাগে জমা হতো এবং রোগীকে সময়মতো মাঝে মাঝে ব্যাগ পরিষ্কার করে নিতে হতো। এ স্থায়ী ব্যাগ লাগানো অনেক রোগীর কাছে অগ্রহণযোগ্য, সামাজিকভাবে অমর্যাদাপূর্ণ, অরুচিসম্মত হিসেবে গণ্য করে এবং সে পরিপ্রেক্ষিতে যেভাবেই হোক রোগী স্থায়ী ব্যাগ পরিহার করার চেষ্টা করে।

মলাশয় অথবা মলদ্বারের সাধারণ অসুখ যেগুলো ক্যান্সারের মতো মারাত্মক নয় যেমন- ফিশার, পাইলস, ইত্যাদির উপসর্গ এবং ক্যান্সারের উপসর্গ একই রকম হতে পারে। রোগীর ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং কলনস্কপি ও বায়োপসি করে রোগ নির্ণয়ের পর সিটি এবং এমআরআই দ্বারা স্টেজিং করার পরই চিকিৎসা প্রণালি নির্ধারণ করে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টা থেকে থেকে আবেদন শুরু হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২ টা পর্যন্ত চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার ৮০৭ জন এবং নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২ হাজার ৩৫৬ জন শিক্ষক নেওয়া হবে। আবেদনকারীকে আবশ্যিকভাবে এনটিআরসিএ কর্তৃক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিবন্ধনধারী এবং সমন্বিত মেধা তালিকাভুক্ত হতে হবে। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত সর্বশেষ জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রার্থীদের কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

শাবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জহীর উদ্দিনকে অব্যাহতি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রোববার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আমিনা পারভীনকে নতুন ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয় তাতে।

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়, শাবিপ্রবি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ অসুস্থ হওয়ার কারণে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালকের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আমিনা পারভীনকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক দায়িত্বভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রাপ্য হবেন। এ আদেশ তার যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

এদিকে গত ১৬ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি দায়িত্বপালনে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ এবং প্রক্টর ড. আলমগীর কবীরের পদত্যাগ দাবি করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্যতম মুখপাত্র শাহরিয়ার আবেদীন এ বিষয়ে বলেন, গত প্রায় ৪ সপ্তাহ যাবত শাবি শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন চালিয়ে আসছে তার মূল দাবি ছিল ১৬ জানুয়ারির নারকীয় পুলিশি হামলার নির্দেশ-দাতা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ বা অপসারণ। এর পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক এবং অথর্ব প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণ। কিছুক্ষণ আগে আমাদের নজরে এসেছে দায়িত্ব পালনে আপাদমস্তক ব্যর্থ ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক জহীর উদ্দিন আহমদকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তিনি বলেন, তবে শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসের প্রায় ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত আমাদের ওপর ঝুলে থাকা মিথ্যা মামলাসমূহ প্রত্যাহার করা হয়নি। এছাড়াও বহু শিক্ষার্থীর বিকাশ, নগদসহ বহু মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত বন্ধ আছে; যা খুলে দেওয়ার কোনো দৃশ্যমান প্রচেষ্টা এখনো আমাদের চোখে পড়েনি। এ সমস্ত বিষয়ে আমরা অতিসত্বর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

শাহরিয়ার আবেদীন বলেন, সর্বোপরি আমাদের মূল দাবি এখনো পূরণ হয়নি। কাজেই উপাচার্যের পদত্যাগ বা অপসারণের আগপর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব।

শিগগিরই সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন রণবীর-আলিয়া

শীতের শুরু হতেই বলিউডে একের পর এক বিয়ের খবর প্রকাশ হচ্ছে। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন লাভ-বার্ডসখ্যাত রণবীর-আলিয়া।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শোনা যাচ্ছে— কাপুর পরিবার এবং ভাট পরিবারের এক হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে রণবীর-আলিয়ার বিয়ে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। প্রায় চার বছরের বেশি সময় ধরে অর্থাৎ ২০১৮ সাল থেকে সম্পর্কে আছেন রণবীর কাপুর এবং আলিয়া ভাট। তাদের সম্পর্কের কথা ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কারও কাছেই অজানা নেই। গত কয়েক বছর ধরে প্রকাশ্যেই দেখা যায় তাদের।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শোনা যাচ্ছে— চলতি বছরের এপ্রিল মাসে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন এই জুটি। শুধু তাই নয়, কাপুর ও ভাট পরিবারে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে, এ হাইপ্রোফাইল বিয়ের প্রস্তুতি।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, রণবীর-আলিয়া দুজনেই বিয়ের জন্যই বেছে নিয়েছেন রাজস্থানের রণথম্বোর পার্ককে।

ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, এমনিতেই রণথম্বোরকে দারুণ পছন্দ করেন রণবীর-আলিয়া। তারা দুজনেই নাকি এখানে মাঝেমধ্যেই ছুটি কাটাতে যান। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত উভয়ের তরফেই কোনো সম্মতি মেলেনি। তবে কিছু দিন আগে জানা যায় আপাতত ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করার প্ল্যান বাতিল করে দিয়েছেন এই জুটি।

জানা যাচ্ছে অন্য কোথাও নয় বানিজ্য নগরী মুম্বাইতেই সাত পাক ঘুরবেন। অত্যন্ত সাদামাটাভাবে বিয়ে সারবেন তারা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলিয়া ভাটের বাবা মহেশ ভাট এবং রণবীর কাপুরের কাকা রণধীর কাপুরের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তাই তাদের কথা ভেবেই মুম্বাইতেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দুজনেই। তাজ ল্যান্ডস এন্ডে সম্পন্ন হতে চলেছে এই প্রোফাইল বিয়ে।

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার কারণ জানালেন রোজিনা-আলীরাজ

অবশেষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির শপথ অনুষ্ঠান আয়োজিত হলো। যদিও বির্তকের শেষ হলো না।

রোববারের শপথ অনুষ্ঠানে মিশা সওদাগরের সরব উপস্থিতি দেখা গেল পাওয়া যায়নি তার প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্যদের।

সহসভাপতি পদে জয়ী খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য অভিনেতা আলীরাজ, চিত্রনায়িকা রোজিনা ও মৌসুমী শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেননি।

অবশ্য রোজিনা ও আলীরাজ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তারা শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না।

রোববার সন্ধ্যায় এফডিসিতে শপথ অনুষ্ঠান হয়। ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণদের শপথ পাঠ করান গত মেয়াদের কমিটির সভাপতি মিশা সওদাগর।

এর আগে দুপুরে রোজিনা সাংবাদিকদের জানান, ব্যক্তিগত ব্যস্ততার জন্য শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন না তিনি। বিষয়টি সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে রাতেই জানিয়ে দিয়েছেন।

কারণ উল্লেখ না করে আলীরাজও সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনিও শপথ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না।

শপথ না নিলে কমিটিতে থাকবেন কি না প্রশ্নে রোজিনা বলেন, আমি কমিটিতে থাকি কিংবা না থাকি-এটা কোনো ব্যাপার না। আমি চলচ্চিত্রের মানুষ। চলচ্চিত্রের বিষয়ে আমি কাজ করব। কমিটির বাইরে থাকলেও চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য আমি কাজ করে যাব। যদি কখনও কেউ ডাকে, যদি আমি অবসর থাকি কাজ করব।

আলীরাজ বলেন, শিল্পী সমিতির যখন সমঝোতার মাধ্যমে সবকিছু সুন্দরভাবে হবে, সুন্দরের মধ্যে আমি অবশ্যই থাকব।

ডিপজল, রুবেল ও মৌসুমীর শপথ গ্রহণ না করার বিষয়ে জানা গেছে, নির্বাচনে তারা মিশা-জায়েদের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু নির্বাচন শেষে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করার কারণে শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন তার প্যানেলের বিজয়ীরা। বয়কটের তালিকায় রয়েছেন ডিপজল, রুবেল ও মৌসুমী।

এফডিসিপাড়ার গুঞ্জন, নিজ প্যানেলের বিজয়ী প্রার্থীদের নিয়ে আলাদা শপথের আয়োজন করবেন জায়েদ খান। সেখানে দেখা যেতে পারে এ তিন তারকাকে।

তবে রোববার শপথগ্রহণ না করার বিষয়ে ডিপজল, রুবেল ও মৌসুমীর কারও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ভোটের পর প্রকাশিত ফলে চিত্রনায়িকা নিপুণকে ১৩ ভোটে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন জায়েদ খান। তবে সে ফল না মেনে জায়েদের বিরুদ্ধে ভোট কেনাসহ অনিয়মের অভিযোগ তোলেন নিপুণ।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেন। এর তদন্ত শেষে গত শনিবার জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিপুণকে জয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ড।

যদিও আপিল বোর্ডের কার্যকারিতা আর নেই দাবি করে এই সিদ্ধান্ত মানছেন না জায়েদ খান। আইনিব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন পর পর দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা এ নায়ক।

এদিকে জায়েদ খান না মেনে নিলেও নিপুণের জয়কে স্বীকার করে নিয়েছেন তার প্যানেলের সভাপতি পদে লড়াই করা মিশা সওদাগর।

লিলের জালে পিএসজির ৫ গোল

ফরাসি কাপে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। তবে লিগ ওয়ানে স্বরূপে ফিরল মেসির দল।

রোববার রাতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লিলকে বড় ব্যবধানে হারালেন তারা। লিলের জালে গুনে গুনে পাঁচ গোল জমা করেছেন ফরাসি জায়ান্টরা। জবাবে লিল শোধ করতে পেরেছে মাত্র একটি গোল।

দলের ফেরার দিনে স্বরূপে ফিরলেন লিওনেল মেসিও। নিজে একটি গোল করেছেন, একটি গোল করিয়েছেন। মেসির মতো একটি করে গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও প্রেসনেল কিম্পেম্বে।

তবে এদিন জোড়া গোল করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন দানিলো পেরেইরা।

লিলকে এভাবে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টেবিলে ১৩ পয়েন্টে এগিয়ে গেল মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল। লিগ ওয়ানে এ নিয়ে টানা ১৪ ম্যাচে অপরাজিত রইল প্যারিসের দলটি।

ম্যাচে দশম মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম গোলটি পায় পিএসজি। বাঁ দিক থেকে মার্কিনিয়োসের শটে বল ধরে রাখতে পারেননি লিলের গোলরক্ষক। কাছ থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠান পেরেইরা।

২৮তম মিনিটে লিলকে সমতায় ফেরান বোটমান। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে সতীর্থের বাড়ানো বলে এই ডাচ ডিফেন্ডারের ভলি দোন্নারুম্মার হাত ছুঁয়ে জালে জড়ায়।

এর তিন মিনিট পরই আবার লিড নেন ফরাসিরা। মেসির কর্নারে দূরের পোস্টে হেডে ফাঁকা জালে বল পাঠান ডিফেন্ডার কিম্পেম্বে।

৩৮তম মিনিটে গোলের দেখান পানি মেসিও। লিলের এক ডিফেন্ডারের ভুলে বল পান মেসি। ডি-বক্সে ঢুকে সহজেই গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন রেকর্ড সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা।

লিগ ওয়ানে পিএসজির হয়ে ১৩ ম্যাচে এটি মেসির দ্বিতীয় গোল। ৩-১ স্কোরলাইলে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের নেমে ৫১তম মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন পেরেইরা। গোলটি পেতে পারতেন মেসি। তার শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। লেয়ান্দ্রো পারেদেসের কাছ থেকে বল পেয়ে পেরেইরার শট প্রতিপক্ষের একজনের গায়ে লেগে জালে জড়ায়।

৬৭তম মিনিটে স্কোরবোর্ডে নিজের নাম উঠান এমবাপ্পে। মার্কো ভেরাত্তির পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকেই ডান পায়ের বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে বল জড়িয়ে দেন এমবাপ্পে।

স্কোরলাইন হয় ৫-১।

বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে বড় ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।

২৩ ম্যাচে ১৭ জয় ও ৫ ড্রয়ে পিএসজির পয়েন্ট হলো ৫৬। সমান ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে মার্সেই। এক পয়েন্ট কম নিয়ে তিনে নিস।

৩২ পয়েন্ট নিয়ে ১১ নম্বরে আছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন লিল।

সালাহকে হারালেন মানে, ইতিহাস গড়ল সেনেগাল

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো ফাইনালে। টান টান উত্তেজনার টাইব্রেকারে শেষ হাসি ফুটল সেনেগালের। সালাহর মিসরকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল সেনেগাল।

ক্যামেরুনের ওলেম্বে স্টেডিয়ামে রোববার রাতে খেলা গড়ায় নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এর পরও খেলা গোলশূন্য থাকলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

সেখানে ৪-২ গোলে জিতে প্রথমবারের মতো আফ্রিকান নেশনস কাপের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়েছে সেনেগাল।

আফ্রিকার এ আসরে এর আগে সেনেগালের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি ছিল রানার্সআপ হওয়া। ২০১৯ সালে রানার্সআপ ছিল তারা।

খেলায় সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য বিষয় ছিল মিসরের মোহামেদ সালাহ ও সেনেগালের সাদিও মানের খেলায়।

ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলা দুই বন্ধু এদিন মাঠের শত্রুতে পরিণত হন।

দেশের টানে ভুলে যান একে অপরকে। আর সেই লড়াইয়ে সালাহকে হারালেন মানে। অবশ্য ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মানে।

তবে টাইব্রেকারে ঠিকই গোল দিয়ে দলকে জিতিয়ে দেন মানে।

ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে সেনেগাল। বল দখল কিংবা শট সব জায়গায়ই এগিয়ে ছিল সাদিও মানের দল।

সেনেগালের ক্ষুরধার সব আক্রমণ রুখে দিয়ে শেষ অবধি জালকে সুরক্ষিত রাখেন মিসরের গোলরক্ষক মোহামেদ আবু গাবাল। শুরুতেই সাদিও মানের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন তিনি।

দলকে টাইব্রেকার অবধি নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি আর।