শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 469

সার্চ কমিটির সঙ্গে বিশিষ্টজনদের শেষ দফার বৈঠক বিকালে

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে গঠিত সার্চ কমিটির সঙ্গে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে শেষ দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ।

রোববার বিকাল ৪টায় সুপ্রিমকোর্টের জাজেস লাউঞ্জে এ বৈঠকে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রিতদের মধ্যে রয়েছেন— সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অব.) জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার আবদুল মোবারক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির (বীরপ্রতীক), প্রজন্ম ৭১-এর আসিফ মুনির তন্ময় এবং ডা. নুজহাত চৌধুরী, সাংবাদিক ও লেখক হারুন হাবীব, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি নুরুল আলম, শিক্ষাবিদ ড. আইনুন নিশাত, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের গোলাম কুদ্দুস, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের মফিদুল হক, অধ্যাপক জাফর ইকবাল, কবি ও সাহিত্যিক মহাদেব সাহা, গীতিকার ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল কবির চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম আবদুল আজিজ, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

এর আগে শনিবার সকাল ও দুপুরে দুই দফায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে মোট ৩৭ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর মধ্যে ২৫ জন অংশ নেন। সভাশেষে বিশিষ্ট নাগরিকরা সাংবাদিকদের কাছে তাদের প্রস্তাবগুলোর কথা জানান।

‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ অনুসারে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে সার্চ কমিটি গঠন হয়। ৫ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণভাবে নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হচ্ছে।

জায়েদ-নিপুনের শুনানি আজ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে আজ রোববার।

জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তার উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদটি আপাতত শূন্য রয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার আদালত ওই পদে স্থিতাবস্থা জারি করে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন। সেখানেই চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।

ফলে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে কে আসীন হচ্ছেন এ নিয়ে সবার দৃষ্টি এখন সুপ্রিমকোর্টের দিকে।

২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। নিপুণ আক্তার পান ১৬৩ ভোট। এরপর টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ একাধিক অভিযোগ আনেন নিপুণ।

পরে নির্বাচনি আপিল বোর্ডে জায়েদ খান ও কার্যকরী পরিষদের সদস্য চুন্নুর পদ বাতিলের আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে করণীয় জানতে আবেদন করেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান।

সে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে আপিল বোর্ডকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার দায়ে বিজয়ী প্রার্থী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন। একই সঙ্গে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন।

এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন জায়েদ খান। ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন নিপুণ। ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত।

আদালতে নিপুণের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান। অন্যদিকে জায়েদ খানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, আহসানুল করিম, নাহিদ সুলতানা ও মজিবুল হক ভূঁইয়া।

আইনজ্ঞরা জানান, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে থাকে। তবে রায়ে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করার সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে রায় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।

আইস ও গাঁজার গাছসহ ৫৩ জনকে গ্রেফতার

আইস, গাঁজার গাছ এবং বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক বিক্রি ও সেবনে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। শনিবার ভোর ৬টা থেকে রোববার ভোর ৬টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৬৮.৫ গ্রাম ১৫৩ পুরিয়া হেরোইন, ৯৯৪৬ পিস ইয়াবা বড়ি, ১৪ কেজি ৭৫ গ্রাম ১১০ পুরিয়া গাঁজা, ৩টি গাঁজার গাছ ও ৫০০ গ্রাম আইস জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪২ টি মামলা করা হয়েছে।

আইপিএল নিলাম দেখবেন যেভাবে

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৫তম আসরের নিলাম। আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে শুরু হবে নিলাম, যা চলবে রোববারও।

বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন সেখানেই প্রিয় তারকাকে কোন দল কত দরে কিনে নেয় সেটিই আলোচনার বিষয়। এবারের আইপিএল নিলাম নিয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদেরও আগ্রহের শেষ নেই। কারণ নিলামে পাঁচ বাংলাদেশি তারকার নাম উঠেছে।

বিশেষ করে সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্যের তালিকায় ঠাঁই পাওয়া সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান কোন দলে ভিড়েন।

তা সেটি দেখতে হলে চোখ রাখতে হবে স্টার স্পোর্টস টিভি চ্যানেলে। নিলাম অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেলটি।

এ ছাড়া ডিজনি-হটস্টারের অ্যাপে দেখা যাবে লাইভ। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে। নিলাম শুরু হবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে।

এবারের নিলামে ৫৯০ ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৩৭০ ভারতীয় ক্রিকেটার ও ২২০ জন বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন।

দুই কিস্তিতে অনুষ্ঠিত হবে নিলাম। প্রথম দিন তথা শনিবার ১৬১ ক্রিকেটারের নিলাম আয়োজন করা হবে। বাকিদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে পরের দিন তথা ১৩ ফেব্রুয়ারি।

নিলামের আগেই তিনজন করে খেলোয়াড়ের নাম জমা দিয়ে রেখেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। তবে আজ শুরুতেই জানা যাবে, সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপির ক্রিকেটারদের মূল্য ও দল।

এসব ক্রিকেটার হলেন— ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ার, ব্যাটার শিখর ধাওয়ান, স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন, পেসার মোহাম্মদ শামি, প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডি কক, পেসার কাগিসো রাবাদা, ব্যাটার ফাফ ডু প্লেসিস, অসি তারকা ব্যাটার ডেভিড ওয়ার্নার, পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ও অলরাউন্ডার প্যাট কামিন্স।

এবারের আইপিএলে যোগ দিতে চলেছে দুটি নতুন দল যোগ। দল দুটির নাম— লখনৌ সুপার জায়ান্টস ও গুজরাট টাইটান্স। সব মিলিয়ে ১০ দলের টুর্নামেন্ট হবে এবার।

কোন কোন তারকাকে নিয়ে দল দুটি নিজেদের গুছিয়ে নেয় তা নিয়ে আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।

রেলিং ভেঙে বাস ব্রিজের নিচে, নিহত ২

দিনাজপুর
ছবি: যুগান্তর
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিং ভেঙে হানিফ পরিবহণের বাস ব্রিজের নিচে পড়ে সুপারভাইজারসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ যাত্রী।

শনিবার ভোর সাড়ে ৫টায় দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কে চিরিরবন্দর ও সদর উপজেলার সংযোগ স্থান আত্রাই নদীর মোহনপুর ব্রিজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বিজুল গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে ও বাসের সুপারভাইজার আব্দুল জলিল (৫০) এবং দিনাজপুর সদর উপজেলার মজিবর রহমানের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৪৫)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হানিফ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে দিনাজপুর আসছিল। ভোর সাড়ে ৫টায় বাসটি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মোহনপুর ব্রিজে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে রেলিং ভেঙে বাসটি নদীর ধারে পড়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ১০ যাত্রী। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

চিরিরবন্দর থানার ওসি বজলুর রশিদ জানান, সারারাত বাস চালিয়ে হয়তো চালক ভোরে ঝিমিয়ে পড়েছিল। এ কারণেই হয়তো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকচাপায় যুবদল নেতা নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন একজন।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড্ডা-সরাইগাছি সড়কের জিনারপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বুলবুল (৩০) শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়ন যুবদলের ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ইউনিয়নের বালুচর গ্ৰামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

আহত আরিফ (৩২) একই উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের হাজারবিহী ভোলাভারী গ্ৰামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রাত ৯টার দিকেআড্ডা-সরাইগাছি সড়কের জিনারপুর নামক স্থানে ট্রাকচাপায় ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী বুলবুল মারা যান। আহত হন আরেক মোটরসাইকেল আরোহী।

গোমস্তাপুর থানার এসআই অমিত শাহ জানান, নিহতের সুরতহাল শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মসজিদের ভেতর পাওয়া গেল আরেক প্রাচীন মসজিদ

ইরাকের মসুল শহরের বিখ্যাত আল নুরি মসজিদটি আইএসআইএসের সদস্যরা ২০১৭ সালে ধ্বংস করে দেয়।

এরপর মসজিদটি আবার পুনরায় নির্মাণ করার কাজ হাতে নিয়ে ইরাকি সরকার ও ইউনেস্কো। এই নির্মাণ কাজে সহায়তা করছে আরব আমিরাত।

১২০০ শতকে নির্মিত মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করতে গিয়ে মসজিদের নিচেই আরেকটি পুরনো মসজিদের খোঁজ পেয়েছেন নির্মাণকারীরা।

ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া মসজিদটির ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে নিচ থেকে এটি খোঁড়া হচ্ছিল। তখনই মাটির নিচে পাওয়া যায় প্রাচীন মসজিদটি।

মসুলের প্রত্নতত্ত্ববিদ খায়রেদ্দিন নাসের যিনি মসজিদটি নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি গণমাধ্যম এএফপিকে জানিয়েছেন, খোঁড়ার সময় মাটির নিচে নামাজের একটি বড় ঘর ও ওযুর চারটি ছোট ঘর আবিষ্কার করেন তারা। ঘরগুলো প্রাচীন যুগের টাইলস দিয়ে বাঁধানো ছিল।

খয়রেদ্দিন নাসের জানান, মসুলের প্রাচীন শহর যে মাটির নিচে এখনো অবস্থিত আছে তা মসজিদের ভেতরই আরেকটি প্রাচীন মসজিদের সন্ধান পাওয়ায় জোরালো হলো।

সূত্র: মিডল ইষ্ট আই

কানাডার নাগরিকদের দ্রুত ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ

কানাডার নাগরিকদের দ্রুত ইউক্রেন ত্যাগের নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেলানি জয় শুক্রবার রাতে এ নির্দেশনা জারি করেন।

মেলানি জয় বলেছেন, যে কোনো সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। তাই ইউক্রেনে অবস্থানরত কানাডার সব নাগরিককে দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। খবর আনাদোলুর।

এক বিবৃতিতে মেলানি জয় বলেন, আমরা খুব নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

আমাদের কূটনীতিকরা সাধারণ নাগরিকদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য ইউক্রেনে অপেক্ষা করছেন।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইসরাইল তাদের নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরত নিয়ে গেছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ায় রাশিয়া।

সীমান্তে এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন করার পরও ইউক্রেনে কোনো আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনার কথা বারবার অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।

তবে প্রতিবেশী বেলারুশের সঙ্গে বড় আকারের সামরিক মহড়া শুরু করেছে মস্কো।

রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের সঙ্গে ইউক্রেনের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। বেলারুশ রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ইউক্রেনের সঙ্গে দেশটির দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

এ সামরিক মহড়া উপলক্ষ্যে বেলারুশে যে সৈন্য সমাবেশ করেছে, রাশিয়া তাকে স্নাযুদ্ধের পর বৃহত্তম মহড়া বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রেমিট্যান্স নির্ভরতায় ঝুঁকি বাড়ছে অর্থনীতিতে

দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এতে সার্বিক অর্থনীতিতে ঝুঁকির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে-এমন মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, বৈদেশিক বাণিজ্যের ঘাটতি, আমদানিতে ঘাটতি অর্থায়নে প্রধান ভূমিকা রাখছে রেমিট্যান্স।

পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা রক্ষা ও টাকার প্রবাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও রয়েছে এর অগ্রণী ভূমিকা। এছাড়া শুধু রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে অর্থনীতির অনেক সূচক সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবার রেমিট্যান্স হঠাৎ করে কমতে থাকলে অর্থনীতির নানা সূচকে চাপ বেড়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের আরও অভিমত-অতীতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য শ্রীলংকা রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভর করে এখন সংকটে পড়েছে। চীন ও কানাডা রপ্তানির ওপর নির্ভর করে ২০০৭ সালের বৈশ্বিক মন্দায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশকে এখন বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য এককভাবে রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর না করে বহুমুখী উৎস বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। কোনো কিছুতেই বেশিদিন একক নির্ভরশীলতা ভালো নয়।

তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্সের অর্থ ভোগবিলাসে ব্যয় না করে উৎপাদন খাতে ব্যয় করতে হবে। সরকারকে সেদিকে নজর দিতে হবে। তাহলে শিল্প হবে, উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলবে। ফলে আরও বেশি সুফল পাওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের অর্থনীতির আকার বড় হচ্ছে। আমদানি বাড়ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোরও কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু রেমিট্যান্সের পাশাপাশি অন্যান্য উৎস যেমন-রপ্তানি, বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেবা প্রদান, পরামর্শক বাবদ ফি আয় বাড়ানো উচিত। তা না হলে হঠাৎ করে রেমিট্যান্স কমে গেলে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়ে যায়। যেটা বাংলাদেশে ২০০১ সালে হয়েছে। বর্তমানেও হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে তা বেড়ে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ছয় বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে আগের বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার ছিল আড়াই শতাংশ নেতিবাচক। ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

সূত্র জানায়, রেমিট্যান্স বাড়ায় দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে টাকার প্রবাহ বেড়েছে, দরিদ্রতা কমেছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, বাজারে ভোগের চাহিদা তৈরি হয়েছে, এতে বেড়েছে উৎপাদন। সব মিলে জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে এর অবদান বেড়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখতেও ভূমিকা রাখছে রেমিট্যান্স। আমদানির ঘাটতির অর্থায়নে রেমিট্যান্সের অবদান বেড়েছে।

এদিকে রেমিট্যান্স ছাড়া সরকারিভাবে এগুলো করা খুব কঠিন। দেশের বিভিন্ন সংকটে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অর্থনীতিতে ভারসাম্য রক্ষা করেছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) রেমিট্যান্সের অবদান ছিল ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এর আগে আরও বেশি ছিল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা কমে ৫ দশমিক ১১ শতাংশে নেমে আসে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা আরও কমে নেমে আসে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপিতে রেমিট্যান্সের অবদান সামান্য বেড়ে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আরও বেড়ে ৪ দশমকি ৮৭ শতাংশে ওঠে। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে ৬ দশমিক ০৩ শতাংশ অবদান রেখেছে।

দেশের রপ্তানি আয় দিয়ে আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হয় না। ফলে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি থাকে। রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি বাড়ায় এ ঘাটতি আরও বাড়ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৩ হাজার ৯৭২ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ৬ হাজার ৬৮ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে আমদানি বেড়েছে ২ হাজার ৯৬ কোটি ডলার বা ৫৩ শতাংশ।

একই সময়ে রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৩৪৪ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ডলার হয়েছে। আলোচ্য সময়ে আয় বেড়েছে ৫৩২ কোটি ডলার বা ১৬ শতাংশ। ওই সময়ে রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেড়েছে প্রায় চারগুণ বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি হয়েছিল ৬২৭ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে ঘাটতি বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৯২ কোটি ডলার।

আমদানি ব্যয়ের তুলনায় রপ্তানি আয় কম বাড়ায় আমদানিতে ঘাটতি অর্থায়ন করতে হচ্ছে রেমিট্যান্স থেকে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট আমদানির ৩৭ দশমিক ৪২ শতাংশ ঘাটতি রেমিট্যান্স থেকে মেটানো হয়েছিল। গত অর্থবছরে ৪০ দশমিক ৮৩ শতাংশ আমদানির ঘাটতি মেটানো হয়েছে রেমিট্যান্স থেকে।

রেমিট্যান্স থেকে আমদানি ব্যয়ের ৪০ দশমিক ৮৩ শতাংশ মেটানোর পর বাকি ৫৯ শতাংশ দেশের রিজার্ভে যোগ হচ্ছে। এতে হু-হু করে বেড়েছে রিজার্ভ। ২০১৬ সালের জুনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার কোটি ডলার। এখন তা বেড়ে ৪ হাজার ৫৪৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশাল আমদানি ব্যয় মেটানোর পরও রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে রিজার্ভ বেড়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি হলে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ডলার উদ্বৃত্ত থাকে। কম হলে ঘাটতি দেখা দেয়। এ হিসাবে ঘাটতি হলে টাকার মান ধরে রাখার ওপর চাপ পড়ে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল ৩৭১ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে উদ্বৃত্ত কমে ঘাটতি হয়েছে ৪৫৭ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে এ ঘাটতি আরও বেড়ে ৮১৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মূলত রেমিট্যান্স কম আসায় এ হিসাবে ঘাটতি বেড়েছে। ফলে টাকার মানে চাপ পড়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হিসাবে গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে গড়ে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে আড়াই থেকে সাড়ে ৩ শতাংশ। এতে ডলারের দাম বেড়েছে। ফলে আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। আমদানি পণ্যের মূল্য বাড়ছে। এতে মূল্যস্ফীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ২০০১ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছিল। তখন এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের বা আকুর (বাংলাদেশসহ নয়টি দেশ বাকিতে পণ্য আমদানি রপ্তানি করে দুই মাস পর পর দায়দেনা সমন্বয় করে) দেনা পরিশোধ করতে পারেনি। সোয়াপ পদ্ধতিতে (আকু থেকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়ে দেনা সমন্বয় করেছিল।

বাজারে প্রচুর ফুল তবুও দাম চড়া

বাজারে বাহারি রঙের প্রচুর ফুল। তারপরও দাম চড়া। পাইকারি বাজারে প্রতিটি গোলাপ মান ভেদে ৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জারবেরা ১৫ থেকে ২৫ টাকা, গ্লাডিওলাস ৮ থেকে ২০ টাকা ও রজনীগন্ধা ৫ থেকে ১০ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে।

এ ছাড়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে এক হাজার গাঁদা ফুল। আর খুচরা বাজারে একই ফুল বিক্রি হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে।

খুচরা বাজারে প্রতিটি গোলাপ ২০ থেকে ৩০ টাকা, জারবেরা ২০ থেকে ৪০ টাকা, গ্লাডিওলাস ২০ থেকে ৩০ টাকা ও রজনীগন্ধা প্রতি স্টিক ১০ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে। গাঁদা ফুলের মালা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফুল দিয়ে সাজানো তোড়া বিক্রি হচ্ছে ৩শ থেকে দুই হাজার টাকায়।

মঙ্গলবার সরেজমিন রাজধানীর শাহবাগের পাইকারি ও খুচরা ফুলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ধরনের ফুল দোকানে তুলেছেন। বিভিন্ন স্থানের স্থায়ী ও ভাসমান ফুল ব্যবসায়ীরা ভিড় করছেন শাহবাগের দোকানগুলোতে। ব্যবসায়ী ছাড়াও সাধারণ মানুষ আগে থেকে ফুল কিনতে এসেছেন। এর মধ্যে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।

রাজধানীর ধানমন্ডি ১৫ থেকে আসা মৌসুমি ফুল বিক্রেতা মো. সালাউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে আগে থেকেই ফুল সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিক্রি হবে কিনা জানি না। তবে লোকজন যদি রাস্তায় বের হয় তাহলে বিক্রি ভালো হওয়ার আশা করছি। তিনি বলেন, ‘বাজার ঘুরে দেখছি। দামে পছন্দ হলে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ফুল কিনব।’

কয়েক বছর আগেও দেশে ফুলের বাজারে হাতেগোনা কয়েক ধরনের ফুল পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ বেশি হওয়ায় ও আমদানি করায় বাহারি রঙের ফুল পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে জারবেরা, গ্লাডিওলাস, অর্কিড, কসমস, ডালিয়া, টিউলিপ, কালো গোলাপ, ঝুমকা লতা, গাজানিয়া, প্লামেরিয়া, চন্দ্রমল্লিকা অন্যতম। দামও হাতের নাগালে। কিন্তু বিশেষ দিনগুলোতে ফুলের চাহিদা থাকায় অতি মুনাফার লোভে বেশি দামে ফুল বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাহবাগের অনন্যা পুষ্প বিতানের মালিক লোকমান হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীর শাহবাগসহ অন্যান্য ফুল বাজারে ট্রাকভর্তি ফুল আসতে শুরু করেছে। কিন্তু বিধিনিষেধের কারণে বেচাবিক্রি নিয়ে শঙ্কায় আছি। তিনি বলেন-পহেলা ফাগুন, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে সাধারণত ফুল বেচাকেনাও জমে উঠত। করোনার কারণে গত বছর ফুল ব্যবসা ভালো যায়নি। এ এবারও ব্যবসা ভালো না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম যুগান্তরকে বলেন, সারা বছর ফুল বিক্রি ভালো হয়। তবে পুরো বছরের তুলনায় এ তিন দিবস- বসন্তবরণ, বিশ্ব ভালোবাসা ও মাতৃভাষা দিবসে ফুল বিক্রি বেড়ে যায়। মূলত এ তিন দিবস ঘিরে ফুল বাণিজ্য চাঙা হয়ে ওঠে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর দেশে ফুলের উৎপাদন ভালো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গত দুই বছরও ফুল উৎপাদন ভালো হয়েছে। কিন্তু বিক্রি ভালো হয়নি। পাশাপাশি দেশে আবার করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তাই এবারও এই তিন দিবস ঘিরে ফুল বাণিজ্য নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে ভিড় এড়িয়ে চলাচলের কথা বলা হয়েছে। এ কারণে এবার লোকসমাগম কতটা হবে, তা বলা যাচ্ছে না। তবে তিন দিবস ঘিরে ফুল বাণিজ্যের প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।

তিনি জানান, সর্বশেষ ২০১৯ সালে বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে কৃষক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দেশে মোট ২০০ কোটি টাকা ফুল বাণিজ্যের টার্গেট ধরা হয়েছিল। এ বছরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় কোনো বিক্রির টার্গেট ধরা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের আগে শুধু যশোরের গদখালি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে এ দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ফুল বাণিজ্য হতো। বাকি ১৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য রাজধানীর শাহবাগ ফুলের বাজারসহ দেশের অন্যান্য স্থান পূরণ করত।