শনিবার ,১৩ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 451

পুতিনের ঘোষণার পর ইউক্রেনের ৩ জায়গায় বিস্ফোরণ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া দেশটির আরও দুটি স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। মস্কোর হামলার আশঙ্কার মধ্যেই রাজধানীসহ তিনটি স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

বিবিসির সাংবাদিক পল অ্যাডামস ইউক্রেনের কিয়েভে থেকে জানান, কিছুক্ষণ আগে সেখানে তিনি পাঁচ থেকে ছয়টি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।

তিনি নিশ্চিত করেছেন, তারা রাজধানী কিয়েভের পাশাপাশি দোনেস্ক ও ক্রামতোর্স্কে বিকট শব্দ শুনেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দেওয়া ভাষণে ইউরোপে যে কোনো সময় রাশিয়া বড় ধরনের একটি যুদ্ধ শুরু করতে পারে বলে সতর্ক করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার নাগরিকদের এ যুদ্ধের বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, পুতিনকে ফোন করেও কথা বলতে পারেননি তিনি।

ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে তাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু এর উত্তরে নীরবতা ছাড়া কিছুই পাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের সীমান্তে রাশিয়া প্রায় দুই লাখ সেনা ও হাজার হাজার সামরিক যানবাহন মোতায়েন করে ফেলেছে।

রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেন প্রস্তুত জানিয়ে ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়া যদি হামলা করে, তারা যদি আমাদের এই দেশ, আমাদের স্বাধীনতা, সাধারণ মানুষ ও শিশুদের জীবন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তা হলে আমরা নিজেদের রক্ষা করার চেষ্টা করব।’

রাশিয়ার হামলা প্রতিহত করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘আপনারা হামলা করলে পিঠ নয়, বরং আমাদের মুখই দেখতে পাবেন।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পূর্ব ইউক্রেনে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে রুশ সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর পরই সীমান্তে সেনা পাঠানোর কথা জানায় রাশিয়া। এর মধ্যে জেলেনস্কি এ ভাষণ দিলেন।

রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে: ইউক্রেন

ইউক্রেনের অবকাঠামো ও সীমান্ত রক্ষীদের ওপর রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। খবর রয়টার্সের।

রুশ প্রেসিডেন্টের সামরিক অভিযানের ঘোষণার পর ইউক্রেনে পাঁচটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এমতাবস্থায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন আক্রমণের মধ্য দিয়ে রাশিয়া আগামী দিনগুলোয় ইউরোপে একটি বড় যুদ্ধের সূচনা করতে পারে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, তারা ইউক্রেইনের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানোর কথা স্বীকার করেছে, তবে কোনো শহরের ওপর হামলা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বৃহস্পতিবার ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টোলেনবার্গ ইউক্রেনে রাশিয়ার বেপরোয়া হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

এক টুইট বার্তায় ন্যাটো মহাসচিব বলেন, হামলার কারণে মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

তিনি বলেন, ন্যাটোর মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার নতুন হামলা নিয়ে আলোচনায় বসবে।

এক বছরের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন চালু: অর্থমন্ত্রী

১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। বিদেশ থাকা বাংলাদেশিদের জন্যও একই সুযোগ রাখা হচ্ছে।

আগামী ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে এ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। শুরুর দিকে এ ব্যবস্থা ঐচ্ছিক রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে এটাকে বাধ্যতামূলক করা হবে।

বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, পেনশন ব্যবস্থার আওতায় গঠিত তহবিলে যারা যে পরিমাণ চাঁদা দেবেন, ওই তহবিলে একই পরিমাণ চাঁদা সরকারও দেবে। এটি ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। পেনশন তহবিল বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করবে এই কর্তৃপক্ষ। বিনিয়োগ থেকে যে মুনাফা আসবে, তা–ও পেনশনধারীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

এ ব্যবস্থা কবে থেকে চালু হবে, তা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যেই সেটা করা সম্ভব। তার আগে আইন প্রণয়ন ও বিধি প্রণয়ন এবং আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে।

প্রতি মাসে কত টাকা জমা দিতে হবে এবং কত টাকা করে পেনশন পাওয়া যাবে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়গুলো এখনো একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। কর্তৃপক্ষ এগুলো ঠিক করবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ ধরনের কার্যক্রম যেভাবে চালায়, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা হবে।

করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব

করপোরেট কর কমিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদরা। একইসঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে অটোমেশনে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে বুধবার প্রাক-বাজেট আলোচনায় করব্যবস্থা সংস্কারে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আলোচনায় অংশ নেয় বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, পলিসি রিসার্স ইন্সটিটিউট (পিআরআই), সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি), প্রাইস ওয়াটার হাউজকুপারস (পিডব্লিউসি)। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর সদস্য (কাস্টমস নীতি) মাসুদ সাদিক।

পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমাদের করপোরেট কর হার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এটি কমিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বর্তমানে দেশের করপোরেট কর হার ৩০ শতাংশ। আর শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। অথচ চীন, ভারত ভিয়েতনামসহ আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোর করপোরেট কর হার ক্ষেত্রবিশেষ ১৫ শতাংশেরও নিচে। তাই ব্যবসায়ীদের কর কমানোর দাবিকে যৌক্তিক দাবি বলে মনে করেন তিনি।

পিডব্লিউসির ম্যানেজিং পার্টনার মামুন রশিদ বলেন, আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থার কাছ থেকে ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ হারে কর নেওয়া হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে আসার উৎসাহ পান না। এই কর কমানো উচিত।

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, পরোক্ষ করের (ভ্যাট) বোঝা দরিদ্র, প্রান্তিক, নিæবিত্ত, মধ্যবিত্তদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। এতে তা দারিদ্র্য-বৈষম্য হ্রাস না করে উল্টো আরও বাড়িয়ে দেয়। সে কারণে পরোক্ষ করের তুলনায় প্রত্যক্ষ করের (আয়কর) বেশি নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কর-রাজস্ব ও করবহির্ভূত রাজস্ব আয়ের সেসব খাত ও ক্ষেত্রকে অনুসন্ধান করা উচিত। যেখান থেকে আয়করের কথা কখনো ভাবা হয় না, যেমন- সম্পদ কর, অতিরিক্ত মুনাফার ওপর কর, কালো টাকা উদ্ধার, পাচার করা অর্থ উদ্ধার থেকে কর আদায় করা যেতে পারে। এসব খাতে কর প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেক। একটু সাহসী ও উদ্যমী হলে সহজেই কর-রাজস্ব ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা যায়।

এদিকে বিকালে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সভাপতিত্বে প্রাক-বাজেট আলোচনায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নেতারা অংশ নেন।

সভায় বিটিএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, বর্তমানে সুতার ওপর কেজিপ্রতি ছয় টাকা ভ্যাট দিতে হয়। এটি তিন টাকা করা দরকার। এছাড়া বস্ত্র উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সব শিল্প প্রতিষ্ঠানের আয়কর হার আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১৫ শতাংশ বহাল রাখার প্রস্তাব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব বাজারে ম্যান মেড ফাইবার দিয়ে তৈরি পোশাকের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। একইসঙ্গে রিসাইকেলড ফাইবারেও ব্যবহার বাড়ছে। রিসাইকেলড ফাইবার দিয়ে তৈরি সুতায় পোশাক অত্যন্ত আরামদায়ক, ফ্যাশনেবল, বৈচিত্র্যময় ও তুলনামূলক মূল্য সাশ্রয়ী। ফলে দেশি-বিদেশি ক্রেতার কাছে এই ধরনের পোশাক সমাদৃত। ভবিষ্যতে এর সম্ভাবনা রয়েছে। তাই রিসাইকেলড ফাইবার আমদানিতে শুল্ক-কর মওকুফের দাবি জানান তিনি।

বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রপ্তানির বিপরীতে প্রদত্ত নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। শিল্পের স্বার্থে এটি প্রত্যাহার করা দরকার। এছাড়া করপোরেট কর ১২ শতাংশ ও সবুজ কারখানার জন্য ১০ শতাংশ বহাল রাখার প্রস্তাব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবলের ন্যূনতম ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ করলে প্রদেয় করের ৫ শতাংশ রেয়াত প্রদানের বিধান রয়েছে। কিন্তু এত কর্ম উপযোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়ার জন্য পাওয়া যায় না। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনবলের ন্যূনতম ১ শতাংশ, ২ শতাংশ, ৩ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ করলে ওই করদাতাকে প্রদেয় করের যথাক্রমে ২, ৩ ও ৪ শতাংশ কর রেয়াতের সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছে ইসলামি দলগুলো

করোনাভাইরাস রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন নেতারা।

তবে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় অধিকাংশ দল। এ ইস্যুতে পরিবেশ-পরিস্থিতি বুঝে রাজপথের কর্মসূচি দেওয়ার কথাও ভাবছে তারা। একই সঙ্গে চলছে জোট গঠনে নানা তৎপরতা। বেশ কয়েকটি ইসলামি দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানা গেছে।

আরও জানা যায়, মামলা-হামলার ভয়েই মূলত রাজপথে ইসলামি দলগুলোর তৎপরতা কমে গেছে। তবে তারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সময়-সুযোগমতো রাজপথেও নামবে। সেই লক্ষ্য সাংগঠনিকভাবেও নিজেদের নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। নীরবে ঘর গোছাচ্ছে তারা। জাতীয় ও রাজনৈতিক ইস্যুতে শিগগিরই প্রকাশ্যে তৎপরতা শুরুর পরিকল্পনা করছেন।

জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান যুগান্তরকে বলেন, মার্চজুড়ে সারা দেশে দাওয়াত ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি চলবে। পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ আরও কিছু দাবিতে ঢাকায় সমাবেশ করার চিন্তা আছে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা মাঠে আছি, থাকব। বাস্তবতা হচ্ছে-দেশে দলীয় সরকারের অধীনে কখনোই সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি। অতএব আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি-নির্বাচনকালীন একটি গ্রহণযোগ্য সরকার লাগবে। জাতীয় সরকারের দাবি করছি, যাতে সব নাগরিকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, ভোটের পরিবেশ ফিরে আসে, ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়। আগামী দিনে এ দাবিতে আমাদের কর্মসূচি থাকবে।

জোট গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। সামনে সব ইসলামি শক্তিকে নিয়ে যাতে নির্বাচনে যেতে পারি-এমন চিন্তাও রয়েছে। তবে সেটা কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় হবে-এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যতীত বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হয় না। এই সরকার ১২ বছর ধরে তা তাদের আচরণে প্রমাণ করেছে। কাজেই মধ্যরাতের নির্বাচন আর বিনা ভোটের নির্বাচন-এগুলোর হাত থেকে জাতিকে উদ্ধার করতে হবে। এজন্য কেয়ারটেকারের মাধ্যমে নির্বাচন দিতে হবে। এই দাবির পক্ষে জামায়াতে ইসলামী বক্তব্যের মাধ্যমে জাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। আগামী দিনে এ ব্যাপারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জামায়াত রাজনৈতিক কর্মসূচি দেবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও দলীয় ইস্যু এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুইভাবে জামায়াতে ইসলামী কথা বলছে। একটা হলো অফিশিয়াল বিবৃতি, আরেকটা হলো যেসব কর্মসূচি জনগণকে সম্পৃক্ত করে করা দরকার, সেসব কর্মসূচি জামায়াত দিচ্ছে, পালন করছে। কাজেই জামায়াত মাঠে আছে, কর্মসূচিও আছে।

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৩৯। এর মধ্যে ইসলামি বা ইসলামপন্থি দল ১০টি। নিবন্ধনের বাইরে ইসলামি দল বা সংগঠন কতগুলো, এর কোনো পরিসংখ্যান নেই। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ইসলামি দলগুলো হচ্ছে-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, জাকের পার্টি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে খেলাফত মজলিস ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (একাংশ)। আর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটে রয়েছে তরিকত ফেডারেশন। ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস একসময় বিএনপির জোটে ছিল। বর্তমানে তারা স্বতন্ত্র অবস্থানে। যদিও এখনো খণ্ডিত একটি অংশ ২০ দলে রয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও জাকের পার্টিও স্বতন্ত্রভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বর্তমানে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী চরমোনাই পিরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠন শক্তিশালীকরণে জোর দিচ্ছেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম। দলীয় সরকারের অধীনে হওয়ায় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি দলটি। তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে প্রার্থী দেয়। অনিয়মের অভিযোগে নির্বাচনের দিন ভোট বর্জন করে। বর্তমানে ইসলামী আন্দোলন বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠে সরব।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জামায়াতে ইসলামী। শীর্ষ থেকে তৃণমূলের প্রায় সব নেতাকর্মী মামলায় জর্জরিত। দলের সেক্রেটারিসহ শীর্ষ বেশ কয়েকজন নেতা এখনো কারাগারে রয়েছেন। সূত্র জানায়, দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা কমবেশি সবাই আত্মগোপনে থাকলেও পিকনিক, মিলাদ মাহফিলের মতো বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রয়েছে জামায়াত।

গ্রেফতার ও সরকারের নজরদারি এড়াতে এ কৌশলে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে দলটি। এমনকি সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। সারা দেশে অর্ধশতাধিক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাদের প্রার্থী জয়লাভও করে। আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির ঢাকা মহানগরীর এক নেতা বলেন, সরকার আমাদের মাঠে নামতে দিচ্ছে না। তবে আমরা কৌশলে দলকে শক্তিশালী করছি। সময়মতো রাজপথে নামব।

হেফাজতে ইসলাম ‘অরাজনৈতিক’ সংগঠন হলেও নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। সংগঠনটি গত বছরের শুরু থেকেই সরকারের চাপে রয়েছে। গ্রেফতার হয়ে এখনো কারাগারে আছেন শীর্ষ পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান অনেক নেতা। আগামী নির্বাচনে এ সংগঠনটির ভূমিকা কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই মুহূর্তে তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। জানতে চাইলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদরিস যুগান্তরকে বলেন, এখন দলের নেতারা যারা কারাগারে আছেন, তাদের মুক্তির বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

এছাড়া দলের কমিটিগুলো যেহেতু বিলুপ্তি করা হয়েছে, নতুন করে এসব কমিটি করার জন্য চেষ্টা চলছে। আমরা নির্বাচনমুখী নই। আমাদের দলের সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। সাংগঠনিকভাবে রাজনীতি করার সুযোগ নেই, করবও না। যদিও আমাদের অনেকেই রাজনীতি করেন, তাদের ভিন্ন দল আছে। তারা তাদের দলের সিদ্ধান্ত নেবেন।

খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মুহম্মদ ইসহাক বলেন, আমরা স্বাধীন দল। আমরা ক্ষমতাসীন অথবা অন্য দলেরও সহযোগী হব না। তবে বিরোধী দলের পক্ষে আমাদের অবস্থান। আমাদের দাবি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এটা জনগণও চায়। আমরা জনগণের পক্ষে। এই দাবিতে আমরা আলাপ-আলোচনা করে কর্মসূচি ঠিক করব।

ইসলামি দলগুলোর নেতারা আরও জানান, কোনো পরিস্থিতিতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীন ও স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিকূলতা আরও বেশি। তবে তাদের মতে, বর্তমানে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো জনসম্পৃক্ততা তৈরি করা। জনগণকে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর সঙ্গে বেশি বেশি সম্পৃক্ত করা।

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন বিএনপি নেতারা

সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে রাজপথের কর্মসূচি দিতে যাচ্ছে বিএনপি। করোনার বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের কর্মসূচি থেকে দূরে ছিল দলটি। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় আবারও আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখতে চান বিএনপি নেতারা।

কর্মসূচির দিন ঘোষণা দিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। দলের চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ এই সংবাদ সম্মেলন করবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার রাতে এই সংবাদ সম্মেলনের তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

আজ কর্মসূচির দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে। কর্মসূচির ধরন ঠিক করতে মঙ্গলবার রাতে বৈঠক করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এতে আরও অংশ নেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সভায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোর দাবিতে কর্মসূচি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আগামী সপ্তাহে দেশব্যাপী মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে। একইসঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মূল্য হ্রাসের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হাট সভা ও হ্যান্ডবিল বিতরণের কর্মসূচিও পালন করবে দলটি। এছাড়া মহান স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে আগামী মার্চ মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জায়েদ খান-নিপুণ দ্বন্দ্ব: রুলের শুনানি আজ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, এ মর্মে জারি করা রুলের শুনানি আজ।

বুধবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেন।

আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। আর চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।

এর আগে মঙ্গলবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর দিন প্রাথমিক ফলে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনি আপিল বোর্ডের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ।

আপিল বোর্ড সমাজসেবা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠায়। পরিপ্রেক্ষিতে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তর এক চিঠিতে জানায়, আপিল বোর্ড এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে।

এ অবস্থায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও আপিল বোর্ডের ৫ ফেব্রুয়ারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন জায়েদ খান। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। রুলে ২ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

একই সঙ্গে হাইকোর্ট ২ ফেব্রুয়ারির চিঠির কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পাশাপাশি ২ ও ৫ ফেব্রুয়ারির চিঠি ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আর রুল শুনানির জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন রাখেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টে আদেশের বিরুদ্ধে নিপুণের করা আবেদনের ওপর ৯ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানি হয়। সেদিন চেম্বার বিচারপতি আদেশ দেন। চেম্বার বিচারপতির আদেশে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে নিপুণের আবেদন ১৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।

একই সঙ্গে শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে ওই সময়ে দুই পক্ষকে (নিপুণ ও জায়েদ) স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই আদেশ চলমান থাকবে উল্লেখ করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চ নিপুণের আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন।

নিপুণের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে ১৪ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। ঘোষিত আদেশে আপিল বিভাগ বলেন, দুপক্ষ (জায়েদ ও নিপুণ) উপস্থাপন করেছে যে হাইকোর্টে বিষয়টি (রুল শুনানি) ১৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। এ অবস্থায় আবেদনটি (নিপুণের করা) নিষ্পত্তি করা হলো। চেম্বার বিচারপতি যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা চলমান থাকবে।

১৫ ফেব্রুয়ারি আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে নিপুণের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, উনারা (জায়েদ খান) একটি কপি দিয়েছেন। হলফনামা করে এর জবাব দিতে হবে। এ জন্য এক সপ্তাহ সময় চাচ্ছি।

জায়েদের পক্ষে আইনজীবী নাহিদ সুলতানা বলেন, শুনানি শুরু হয়ে যাক। পরে সময় দেওয়া যেতে পারে।

তখন রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আজ সাড়ে ১০টায় কপি দিয়েছে। আদালত বলেন, তা হলে তো সময় দিতে হবে। রুলসও পারমিট করে। আগামী মঙ্গলবার (আজ) বিষয়টি কার্যতালিকার শীর্ষে থাকবে।

সবার দৃষ্টি বঙ্গভবনে

নির্বাচন কমিশন গঠনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির প্রস্তাবিত তালিকা থেকে ১০ জনের নাম বাছাই করেছেন সার্চ কমিটি। সেই তালিকা আজ রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবেন তারা। তাই আজ সবার দৃষ্টি বঙ্গভবনে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ তালিকা থেকে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চারজন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগ দেবেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন গণমাধ্যমকে জানান, একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতিকে সহায়তা করতে সংক্ষিপ্ত তালিকা করার দায়িতপ্রাপ্ত সার্চ কমিটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের বাছাই করা তালিকা হস্তান্তর করবেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২-এর আলোকে তালিকা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং চারজন নির্বাচন কমিশনারের নাম চূড়ান্ত করবেন।

বঙ্গভবনের এই মুখপাত্র আরও জানান, খুব শিগগির নতুন নির্বাচন কমিশনের নামগুলো ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এর আগে সার্চ কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালনকারী মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কমিটি সম্ভাব্য ১০ জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে। তালিকায় সিইসি পদের জন্য দুজন এবং চারজন নির্বাচন কমিশনার পদের জন্য আটজনের নাম রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, সার্চ কমিটি প্রস্তাবিত নাম থেকে ১০ জনের নামের তালিকা তৈরি করেছে।

সুপ্রিমকোর্টের আপিলেট ডিভিশনের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ইসি সার্চ কমিটির অপর সদস্যরা হলেন— হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ সোহুল হোসাইন এবং লেখক অধ্যাপক আনোয়ার সৈয়দ হক।

৬২ প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে চলতি বছরই সপ্তাহে ২ দিন ছুটি

দেশের ৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চলতি বছর থেকেই সপ্তাহে দুই দিন ছুটি ভোগ করবে।

তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্য সব ক্লাসের শিক্ষার্থীরা আগের মতো একদিন ছুটি পাবে। সব ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে দুই দিন ছুটি পাবে ২০২৩ সাল থেকে।

মঙ্গলবার এ তথ্য দেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মশিউজ্জামান।

নতুন কারিকুলামের জন্য পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, ‘আমরা ৬২টি প্রতিষ্ঠানকে বলে দিয়েছি, পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় থাকা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ বছর সপ্তাহে দুই দিন ছুটি পাবে। আর অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা আগের মতোই সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করবে। সব ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে দুই দিন ছুটি পাবে ২০২৩ সালে।’

এর আগে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই দিন করে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

প্রসঙ্গত, সপ্তাহে দুদিন ছুটির ব্যাপারে প্রস্তাব দেয় এনসিটিবি। বর্তমানে সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটি ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছরে ক্লাস চলে ২১৫ দিন। শনিবারও ছুটি দেওয়া হলে ক্লাস হবে ১৮৫ দিন। নতুন শিক্ষাক্রমে ২০২৪ সাল থেকে নবম শ্রেণিতে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান বিভাগ থাকছে না।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা

ভূগোল ও পরিবেশ

দেওয়ান সামছুর রহমান

সিনিয়র শিক্ষক, গোয়ালপাড়া হাইস্কুল

সোনারগাঁ

বায়ুমণ্ডল

[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]

২৬। আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা কত ভাগ?

ক) ১-৫ ভাগ খ) ২-৫ ভাগ

গ) ৩-৭ ভাগ ঘ) ৪-৮ ভাগ

২৭। স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতকে প্রধানত কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?

ক) ৪টি খ) ৫টি

গ) ৬টি ঘ) ৭টি

২৮। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর প্রতিদিনই বিকাল বা সন্ধ্যায় কোন ধরনের বৃষ্টি হয়ে থাকে?

ক) বায়ু প্রাচীরজনিত বৃষ্টি খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি

গ) ঘূর্ণি বৃষ্টি ঘ) পরিচলন বৃষ্টি

২৯। বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে কোনটিকে?

ক) প্রচুর বৃষ্টিপূর্ণ স্থানকে খ) বৃষ্টিযুক্ত স্থানকে

গ) প্রায় বৃষ্টিহীন স্থানকে ঘ) শিলাবৃষ্টিযুক্ত স্থানকে

৩০। সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায় কোন ধরনের বৃষ্টি?

ক) বায়ু প্রাচীরজনিত বৃষ্টি খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি গ) ঘূর্ণি বৃষ্টি ঘ) পরিচলন বৃষ্টি

৩১। মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে কী ধরনের বৃষ্টি দেখা যায়?

ক) বায়ু প্রাচীরজনিত বৃষ্টি খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি গ) পরিচলন বৃষ্টি ঘ) ঘূর্ণি বৃষ্টি

৩২। ভূপৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহের দিক নিয়ন্ত্রিত হয় কোন সূত্রানুসারে?

ক) হ্যালির সূত্র খ) ফেরেলের সূত্র

গ) নিউটনের সূত্র ঘ) ফুকোর সূত্র

৩৩। নিয়ত বায়ু কয় প্রকার?

ক) দুই প্রকার খ) তিন প্রকার

গ) চার প্রকার ঘ) পাঁচ প্রকার

৩৪। বারিপাতের শ্রেণিভুক্ত কোনটি?

i. তুষার ii. তুহিন iii. বৃষ্টিপাত

নিচের কোনটি সঠিক

ক) i, ii খ) i, iii

গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii

৩৫। বৃষ্টিপাতের কারণ হলো-

i. নিুগমন ii. বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি

iii. ঊর্ধ্বগমন

নিচের কোনটি সঠিক

ক) i, ii খ) i, iii

গ) ii, iii ঘ) i, ii, iii

৩৬। গর্জনশীল চল্লিশ বলা হয়-

ক) ৪০-৪২ ডিগ্রি দক্ষিণ অঞ্চলকে

খ) ৪০-৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অঞ্চলকে

গ) ৪০-৫০ ডিগ্রি দক্ষিণ অঞ্চলকে

ঘ) ৪০-৫০ ডিগ্রি দক্ষিণ অঞ্চলকে

৩৭। পৃথিবীকে কয়টি জলবায়ু অঞ্চলে ভাগ করা যায়?

ক) ৪টি খ) ৫টি গ) ৬টি ঘ) ৭টি

৩৮। ‘মওসুম’ শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?

ক) বাংলা খ) ফারসি

গ) ইংরেজি ঘ) আরবি

৩৯। ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ুর নাম কী?

ক) সিরক্কো খ) চিনুক

গ) মিস্ট্রাল ঘ) বোরা

৪০। ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?

ক) লু খ) চিনুক গ) সাইমুম ঘ) পাম্পেরু

উত্তর : ২৬। খ ২৭। ক ২৮। ঘ ২৯। গ ৩০। ক ৩১। ঘ ৩২। খ ৩৩। খ ৩৪। ঘ ৩৫। গ ৩৬। খ ৩৭। ক ৩৮। ঘ ৩৯। গ ৪০। ক।

হিসাববিজ্ঞান

এইচ. এম. মতিউর রহমান

সহকারী শিক্ষক, পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পটুয়াখালী

মূলধন ও মুনাফা জাতীয় লেনদেন

১. ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চলমান থাকবে কতকাল ধরে?

ক. নির্দিষ্ট কাল খ. অনির্দিষ্ট কাল

গ. ১০ বছর ঘ. ৩০ বছর

২. যেসব প্রাপ্তি অনিয়মিত, টাকার পরিমাণ বড় এবং যার সুবিধা এক বছরের বেশি সময় ধরে ভোগ করা যায় তাকে

কী বলে?

ক. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি

খ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

গ. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি

ঘ. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

৩. কোনটি মুনাফা জাতীয় লেনদেনের বৈশিষ্ট্যের বহির্ভূত?

ক. স্বল্পমেয়াদি সুবিধা

খ. ছোট অঙ্কের লেনদেন

গ. অনিয়মিত লেনদেন

ঘ. নির্দিষ্ট সময় পর পর সংগঠন

৪. যে ব্যয়ের উপযোগিতা বর্তমান হিসাব বছরের সঙ্গে পরবর্তী একাধিক বছরে ভোগ করা যায় তাকে কী বলে?

ক. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি

খ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

গ. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি

ঘ. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

৫. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব প্রাপ্তির উপযোগিতা শেষ হয়ে যায় সেগুলোকে কোন জাতীয় লেনদেন বলে?

ক. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি

খ. মুনাফা জাতীয় আয়

গ. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি

ঘ. মূলধন জাতীয় আয়

৬. সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ কোন জাতীয় ব্যয় প্রযোজ্য?

ক. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

খ. পরিচালনা সংক্রান্ত ব্যয়

গ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

ঘ. নিরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয়

৭. মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে জনাব সিহাব তার ব্যবসায়ে ৪,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করেন। এটি কোন জাতীয় লেনদেন?

ক. মূলধন জাতীয় ব্যয়

খ. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি

গ. মূলধন জাতীয় আয়

ঘ. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

৮. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তির উদাহরণ হলো-

i. পণ্য বিক্রয়লব্ধ অর্থ ii. প্রাপ্ত আয় বা কমিশন iii. ব্যাংক জমার সুদ

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii খ. i ও iii গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নং প্রশ্নের উত্তর দাও।

২০১৫ সালের ২,২০০ টাকাসহ ২০১৬ সালের ভাড়া পাওয়া গেল ৫,০০০ টাকা, যার মধ্যে ২০১৭ সালের ভাড়া বাবদ প্রাপ্তি ৮০০ টাকা।

৯. মুনাফা জাতীয় আয়ের পরিমাণ কত?

ক. ২,০০০ টাকা খ. ৩,০০০ টাকা গ. ৫,০০০ টাকা ঘ. ৫,৮০০ টাকা

১০. উদ্দীপকের আয়টি-

i. নিয়মিত আদায় হয় ii. অনিয়মিত আদায় হয় iii. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই উপযোগিতা শেষ হয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii খ. i ও iii

গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii

১১. কোনো একটি হিসাব বছরে নিয়মিতভাবে আদায়কৃত অর্থকে কী বলে?

ক. মুনাফা জাতীয় আয়

খ. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি

গ. মূলধন জাতীয় আয়

ঘ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

১২. যেসব ব্যয় নির্দিষ্ট সময় পর পর সংঘটিত হয় এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই উপযোগিতা নিঃশেষ হয়ে যায় তাকে কী বলে?

ক. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

খ. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়

খ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

ঘ. মূলধনায়িত ব্যয়

১৩. স্থায়ী সম্পদ অর্জন ও ব্যবহার উপযোগী আনুষঙ্গিক খরচ কীসের অন্তর্ভুক্ত?

ক. মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি

খ. মূলধন জাতীয় আয়

গ. মূলধন জাতীয় ব্যয়

ঘ. মুনাফা জাতীয় প্রাপ্তি

১৪. মুনাফা জাতীয় হওয়া সত্ত্বেও যে ব্যয় নির্দিষ্ট হিসাব বছরে সীমাবদ্ধ থাকে না তাকে কী বলে?

ক. মূলধন জাতীয় ব্যয়

খ. মুনাফা জাতীয় ব্যয়

গ. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়

ঘ. বিক্রয় ব্যয়

১৫. বিশদ আয় বিবরণী বহির্ভূত লেনদেন হলো-

i. মুনাফা জাতীয় আয়

ii. বিলম্বিত মুনাফা জাতীয় ব্যয়

iii. মূলধন জাতীয় ব্যয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii খ. i ও iii

গ. ii ও iii ঘ. i, ii ও iii

১৬. ২০১৫ সালে মিসেস শাহিদার ভাড়া প্রাপ্তি ৫০,০০০ টাকা কিন্তু এর মধ্যে ২০১৪ সালের ৫,০০০ টাকা এবং ২০১৬ সালের ২০,০০০ টাকা ভাড়া অন্তর্ভুক্ত আছে। মুনাফা জাতীয় আয় কত টাকা?

ক. ২৫,০০০ টাকা খ. ৩০,০০০ টাকা গ. ৪৫,০০০ টাকা ঘ. ৫০,০০০ টাকা

১৭. কোনটি মুনাফা জাতীয় আয়?

ক. বিনিয়োগের সুদ

খ. বিমা প্রিমিয়াম পরিশোধ

গ. পণ্য ক্রয় ঘ. গাড়ি বিক্রয়

উত্তর : ১। খ ২। ক ৩। গ ৪। খ ৫। গ ৬। ক ৭। খ ৮। ঘ ৯। ক ১০। খ ১১। খ ১২। ক ১৩। গ ১৪। গ ১৫। গ ১৬। ক ১৭। ক।