রবিবার ,১৪ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 429

পাঠকের পদচারণায় মুখর মেলা প্রাঙ্গণ

পাঠকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো বইমেলায়। ছুটির দিন ছাড়াও সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে তাদের আনাগোনায় মুখর থাকছে মেলা প্রাঙ্গণ। রোববার বইমেলায় তেমনটাই দেখা গেল।

তবে আগের সপ্তাহের সাধারণ দিনগুলোর তুলনায় এদিনের ভিন্নতা হলো, বইয়ের বিক্রিও এখন বেশ ভালো। বেশিরভাগ প্রকাশকই এই বিষয়ে তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে আজ বিকালে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ : বহুমাত্রিক পরিপ্রেক্ষিত’-শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। আলোচনায় অংশ নেবেন মো. নজরুল ইসলাম খান ও মনজুরুল আহসান বুলবুল। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

রোববার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত অসংখ্য মানুষের আগমন ছিল বইমেলায়। তবে সে তুলনায় ক্রেতা অনেক না হলেও বইয়ের বিক্রির ধারা চলমান ছিল।

আগে মেলায় অনেকে ঘুরে বেড়ানো বা শুধুই আড্ডার জন্য এলেও এখন যারা মেলায় আসছেন তারা বই কেনার বিষয়টাকেও মাথায় রাখছেন। পুথিনিলয়ের প্রকাশক শ্যামল পাল যুগান্তরকে বলেন, বইয়ের বিক্রি ভালো।

করোনা পরবর্তী সময়ে পাঠকরা বইমেলাকে গ্রহণ করেছেন এজন্য আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। মানুষ যে বইকে ভালোবাসে, বইয়ের সঙ্গে থাকতে পছন্দ করে-তা দেখে আমরা মুগ্ধ। বইয়ের বিক্রি সবসময় বড় বিষয় নয়।

মানুষ বইয়ের সঙ্গে আছে কিনা সেটাই বড় ব্যাপার। যিনি মেলায় আসছেন তিনি হয়তো আজ বই না কিনলেও আগামীকাল কিনবেন। সেদিক থেকে বলতে গেলে, বইয়ের সঙ্গে মানুষের থাকার একটি আবহ তৈরি হচ্ছে দেশে।

অন্বেষা প্রকাশনীর প্রকাশক শাহাদাত হোসেন বলেন, বেচা-বিক্রিতে আমরা সন্তুষ্ট। আশা করছি সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে।

নতুন বই : রোববার বইমেলায় নতুন বই এসেছে ৪৬টি। উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশ হয়েছে ড. মোহাম্মদ আলমগীর আলমের ৫টি বই। যার মধ্যে ‘গল্পের জীবন, জীবনের গল্প’ অন্যতম। বইতে সমকালীন প্রেক্ষাপটে লেখা ২০টি ছোটগল্প স্থান পেয়েছে।

বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বাবুই প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়েছে দশটি গল্প নিয়ে মো. সাঈদ মাহাদী সেকেন্দারের প্রকাশিত প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘প্রেয়সী’।

অন্যধারা থেকে প্রকাশ হয়েছে সাইমন জাকারিয়ার ভূমিকা, সংকলন ও গ্রন্থনে ‘পুথিকাব্য : বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ। বইটিতে বাংলাদেশ ও ভারতে রচিত ও পরিবেশিত ও প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পুথিকাব্য সংকলিত হয়েছে।

আগামী থেকে প্রকাশ হয়েছে মাহবুবুল হক রচিত ‘নজরুলকে নিয়ে’। ঐতিহ্য থেকে এসেছে আতিউর রহমানের বঙ্গবন্ধুবিষয়ক ‘বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম’, জাকারিয়া পলাশের অর্থনীতি বিষয়ক ‘পাটশিল্পের ইতিহাস’, জান্নাতুল নাঈম পিয়ালের অনূদিত ‘নারীর কলমে নারী’, খালেদ চৌধুরীর গল্প ‘পাঁচ ফুট ৯ ইঞ্চি’, আগামী প্রকাশনী থেকে সাজ্জাদুর হাসানের সম্পাদনায় বঙ্গবন্ধুবিষয়ক বই ‘বাঙালির পিতার নাম : শেখ মুজিবুর’, স্বরবৃত্ত প্রকাশনা থেকে সুবর্ণা দাসের উপন্যাস ‘মা আমিও তারা হবো’, মূর্ধন্য থেকে গীতালি বারের উপন্যাস ‘বুদ্ধজায়া’।

ভুলে যাওয়া যখন রোগ, কী করবেন

বয়স হলে অনেকেই স্মৃতিভ্রম রোগে ভুগে থাকেন। জরুরি অনেক কিছুই মনে রাখতে পারেন না। আবার কেউ কেউ কিছু সময় পর সবকিছু ভুলে যান।

ডিমেনসিয়ার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ কি হবে বলা মুশকিল। সচরাচর আমরা এটাকে স্মৃতিভ্রংশতা বা বুদ্ধিভ্রংশতা বলে থাকি। এর সাহায্যে ডিমেনসিয়ার পুরো অর্থ প্রকাশ পায় না।

ডিমেনসিয়া একক কোন নির্দিষ্ট রোগ নয়। মস্তিষ্কের অন্যান্য রোগের কারণে ডিমেনসিয়া হলে নানাবিধ লক্ষণ-উপসর্গ সৃষ্টি হয়। এর ফলে চিন্তা, আচরণ এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের কাজ বিঘ্নিত হওয়ার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির সামাজিক এবং কর্মজীবন ব্যাহত হয়। ডিমেনসিয়ার প্রধান লক্ষণ হচ্ছে বোধ-শক্তি বা চৈতন্য শক্তি (কগনিশন) কমে যাওয়ার ফলে প্রাত্যহিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হওয়া।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দীন একরাম।

বোধশক্তি সংক্রান্ত দুই বা ততধিক কাজ বিঘ্নিত হলে ডিমেনসিয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। বোধশক্তি সংক্রান্ত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে : স্মৃতি ধারণ ক্ষমতা বা মনে রাখার শক্তি, ভাষা ব্যবহার করার ক্ষমতা, তথ্য উপলব্ধি করার ক্ষমতা, বিশেষ কোনো কাজ করার দক্ষতা, বিচার-বিবেচনাবোধ এবং মনোসংযোগ করার ক্ষমতা। ডিমেনসিয়াগ্রস্থ ব্যক্তি সাধারণ কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারেন না এবং মনের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। তাদের ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন ঘটে। কারও ডিমেনসিয়া হওয়ার পর আসলে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পাবে তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোনো কোনো স্থান বিনষ্ট হচ্ছে তার ওপর।

ডিমেনসিয়া হলে মস্তিষ্কের আক্রান্ত স্থানের স্নায়ু কাজ করে না, অন্য স্নায়ুর সঙ্গে সংযোগ বিনষ্ট হয়ে যায় এবং স্নায়ু কোষ মরে যায়। এটি ক্রমশ অগ্রসরমান একটি রোগ। অর্থাৎ এটা ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের লক্ষণ-উপসর্গের তীব্রতা বাড়তে থাকে।

কাদের ডিমেনসিয়া হয়

যে কোনো ব্যক্তির ডিমেনসিয়া হতে পারে। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিমেনসিয়া হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডিমেনসিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিগণ বয়স্ক; কিন্তু সব বয়স্ক ব্যক্তির ডিমেনসিয়া হয় না। স্বাভাবিক বয়স বাড়ার সঙ্গে ডিমেনসিয়া হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মস্তিষ্কের কিছু নির্দিষ্ট রোগের কারণে ডিমেনসিয়া হয়। ডিমেনসিয়া মস্তিষ্কের কিছু রোগের প্রকাশ; বয়স বাড়ার স্বাভাবিক প্রকাশ নয়। সাধারণত যাদের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে তাদের ডিমেনসিয়া হয়। এর আগে ডিমেনসিয়া যদিও বিরল, কিন্তু হতে পারে।

কতগুলো ক্ষেত্রে বংশগত কারণে ডিমেনসিয়া হতে পারে। জিনের সঙ্গে ডিমেনসিয়ার সম্পর্ক ক্ষীণ, তারপরেও পরিবারে কারও এটা থাকলে পরবর্তী বংশধরদের ডিমেনসিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্যগত কারণে এবং জীবনাচরণের জন্যও ডিমেনসিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। যেমন যাদের রক্তনালির রোগ বিশেষত উচ্চ রক্তচাপ থাকে, যারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে তেমন সক্রিয় নন তাদের ডিমেনসিয়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

ডিমেনসিয়া কেন হয়

অনেক রোগের কারণে ডিমেনসিয়া হয়। কিন্তু কি কারণে এটা হয় তা অনেক ক্ষেত্রেই জানা নেই। ডিমেনসিয়ার কতগুলো সাধারণ কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

* আলঝিমারের রোগ

* রক্তনালির রোগজনিত ডিমেনসিয়া

* লিউই বডি ডিমেনসিয়া

* ফ্রন্টো-টেমপোরাল ডিমেনসিয়া

* অন্যান্য কারণে সৃষ্ট ডিমেনসিয়া

আলঝিমারের রোগ

পৃথিবীব্যাপী ডিমেনসিয়ার প্রধান কারণ আলঝিমারের রোগ। ডিমেনসিয়ার প্রতি তিন জনের মধ্যে দুই জনই আলঝিমারের রোগে আক্রান্ত। এর ফলে ধীরে ধীরে বোধশক্তি বা চৈতন্যগত কার্যকলাপ ক্ষীণ হতে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে স্মৃতিশক্তি কমে যায়।

রক্তনালির রোগজনিত ডিমেনসিয়া

মস্তিষ্কের রক্তনালি বিনষ্ট হওয়ার কারণে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের বোধশক্তি ক্ষীণ হয়ে ডিমেনসিয়া হতে পারে। মস্তিষ্কে একবার স্ট্রোক হলেই এটা ঘটে যেতে পারে। আবার অনেকের বিভিন্ন সময়ে ছোট ছোট স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোক হওয়ার ফলে এমন হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে স্ট্রোক ছাড়াও মস্তিষ্কের রক্তনালি বিনষ্ট হয়ে ডিমেনসিয়া হতে পারে।

আলঝিমারের রোগ এবং রক্তনালির রোগজনিত ডিমেনসিয়া এক সঙ্গেও থাকতে পারে।

ডিমেনসিয়া একটি জটিল রোগ। অন্যান্য স্নায়ুরোগজনিত ডিমেনসিয়ার কারণ এবং প্রকাশ আরও জটিল।

কিছু রোগের ক্ষেত্রে ডিমেনসিয়ার মতো লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পেলেও তা আসলে ডিমেনসিয়া নয় এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো চিকিৎসা করলে নিরাময় সম্ভব। যেমন- ভিটামিনের অভাব, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা, বিষণ্ণতাজনিত রোগ, ওষুধের প্রতিক্রিয়া, মস্তিষ্কের জীবাণু সংক্রমণ, মস্তিষ্কের টিউমার ইত্যাদি। এজন্য রোগের বিস্তারিত বর্ণনা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকৃত ডিমেনসিয়া শনাক্ত করা জরুরি।

কখন ডিমেনসিয়া সন্দেহ করব

অনেক সময় ডিমেনসিয়া খুব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় এবং খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য না করলে ধরা পড়ে না। তবে কতগুলোর সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে-

* ক্রমাগত কিংবা মাঝে মাঝে স্মৃতিলোপ পাওয়া বা ভুলে যাওয়া

* মানসিক প্রমাদ বা এলোমেলো অবস্থা

* ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন

* উদাসীনতা এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়া

* প্রাত্যহিক কাজকর্ম করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলা।

ডিমেনসিয়ার সমাধান

এক কথায় ডিমেনসিয়ার সহজ সমাধান নেই। ওষুধ ব্যবহার করে এর লক্ষণ-উপসর্গের সাময়িক উপশম করা যায় বটে, একেবারে নিরাময় হয় না, এ রোগের ক্রম অগ্রগতি প্রতিরোধও করা যায় না। এজন্য ডিমেনসিয়ার মূল চিকিৎসা রোগীকে সাহায্য-সহযোগিতা করা। পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সেবাদানকারীরা রোগীকে দৈনন্দিন কাজকর্ম করার জন্য সাহায্য করলে অনেকে কিছুটা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে। সহজেই অনুমেয় এটা অত্যন্ত কষ্টদায়ক জীবন যাপন।

গর্ভপাতের পর জন্মনিয়ন্ত্রণ কি জরুরি, করণীয়

অনেক নারী নানা কারণে গর্ভপাত করেন। গর্ভপাতের পর অবশ্যই একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের প্রসূতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোসা.আফরোজা সরকার জলি।

গর্ভপাত করা হয় অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের কারণে। ফলে আবারও যদি সেই ঝুঁকি থেকে যায়, তাহলে গর্ভপাত মাতৃমৃত্যুকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

সেজন্য গর্ভপাতের পর একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত। এখন কি ধরনের পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, তা নির্ভর করে রোগীর বয়স, তার সন্তানের সংখ্যা, জীবিত সন্তানের সংখ্যা, অন্য কোনো রোগ কিংবা শারীরিক জটিলতা আছে কি না, ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। এজন্য চিকিৎসকরে সাথে কাউন্সেলিং করতে হবে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, ইনজেকশন, আইওসিটি অথবা ইমপ্ল্যান্ট— যেকোনো একটি পদ্ধতি গর্ভপাতের পর দেওয়া হয়ে থাকে। এটি কোনো নারীর দুটি সন্তান আছে, আর সন্তান নিতে না চাইলে এ পদ্ধতির যেকোনো একটি গ্রহণ করতে পারেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে না চাইলে আইওসিটি বা ইমপ্ল্যান্ট অন্ততপক্ষে ইনজেকশন দিয়ে দেওয়া হয়।

কেউ হঠাৎ কনসিভ করলে, ভবিষ্যতে আরও সন্তান নেওয়া ইচ্ছা থাকলে তাকে পিল বা ইনজেকশন দেওয়া হয়। গর্ভপাত পরবর্তী প্রত্যেক নারীর একটি চিকিৎসা বা সেবা দেওয়া হয়। এটিকে পোস্ট-পার্টাম কেয়ার বলা হয়।

গর্ভপাতেও আমাদের দেশের মাতৃমৃত্যু কম নয়। এজন্য দেশে গর্ভপাতের পরবর্তী সময় পোস্ট-অ্যাবরশন কেয়ার অর্থাৎ প্যাক নামে সেবা চালু হয়েছে। প্যাকের মধ্যে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যেমন,

১. ট্রিপেড অফ কম্প্লিকেশন অফ অ্যাবরশন অর্থাৎ গর্ভপাতের পর যেসব জটিলতা দেখা দেয়, সেগুলো চিকিৎসা।

২. পোস্ট-অ্যাবরশন কাউন্সেলিং অ্যান্ড ফ্যামেলি প্লানিং অ্যাডভাইস। অর্থাৎ তাকে কাউন্সিলিং করে একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি দেওয়া।

৩. যে অ্যাবরশনের সাথে আমাদের সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ বা পিআইডি অনেকটাই সম্পর্কযুক্ত, সেজন্য রোগীদের এ সময় পিআইডি বা এসটিডির কোনো চিকিৎসা লাগলে, তা দেওয়া।

৪. সবশেষে রিহ্যাবিলিটিশন বা পুনর্বাসন। গর্ভপাতজনিত জটিলতার কারণে সমস্যা বা অসুবিধা দেখা দিলে, রোগীর পুনর্বাসনে যা যা লাগে তা করা হয়। যেমন, আগে রেক্টোভাইজানাল ফিস্টুলা, ভেসিকোভাইজানাল ফিস্টুলা ছাড়াও নানা জটিলতা দেখা দিত। এসবের সেবা দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাবপার্টিলিটি হলে রোগী স্থায়ী পুনর্বাসন লাগে, যা প্যাক সেবার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সূত্র: ডক্টর টিভি

কুয়েটে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা

মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)।

সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে রোববার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অত্যন্ত সচেতন, সক্রিয় ও অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করতে হবে। লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই দেশ আবারো পরাজিত শক্তির হাতে চলে যাবে; এটা আমরা চাই না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. বাসুদেব চন্দ্র ঘোষ।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. আব্দুল হাসিবসহ অন্য অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক দেওয়া হয়।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন- কুয়েটের সাবেক ছাত্র বীরপ্রতীক গোলাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম কামাল উদ্দিন আহমেদ, খানজাহান আলী থানা কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম রেজওয়ান আলী, খুলনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মোহাম্মদ আলী, খুলনা জেলা ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. মাহবুবার রহমান, খুলনা মহানগর ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আলমগীর কবির।

অনুষ্ঠানে কুয়েট পরিবারের মুক্তিযোদ্ধা, খুলনা মহানগরে বসবাসরত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, খুলনা জেলা ইউনিট কমান্ড, খুলনা মহানগর ইউনিট কমান্ড, খুলনা মহানগরের বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা, খুলনা সদর থানা কমান্ড, রুপসা উপজেলা কমান্ড, ডুমুরিয়া উপজেলা কমান্ড, খালিশপুর থানা কমান্ড, সোনাডাঙ্গা থানা কমান্ড, দিঘলিয়া থানা কমান্ড, দৌলতপুর থানা কমান্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

প্রভোস্টের পদত্যাগ চেয়ে ইবির ছাত্রী হলে বিক্ষোভ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) একটি ছাত্রী হলে প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ করছেন হলের আবাসিক ছাত্রীরা। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টা থেকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে এ বিক্ষোভ শুরু হয়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। রাত সোয়া ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ও প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত হয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছেন।

জানা যায়, সন্ধ্যায় ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজিয়া সুলতানা হৃদি নামের এক ছাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তার সহপাঠীরা হল প্রভোস্ট প্রফেসর ড. নিলুফা আক্তার বানুকে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ছাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

ছাত্রীদের অভিযোগ, ওই ছাত্রী অসুস্থ হওয়ার পর হল প্রভোস্টকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘খারাপ আচরণ’ করেন। এর ১ ঘণ্টা পরে হলের আবাসিক শিক্ষক শিমুল রায় বিষয়টি অবগত হলে অসুস্থ ছাত্রীকে মেডিকেলে পাঠান।এরপর হলে আন্দোলন শুরু করেন ছাত্রীরা। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েও পরিস্থিতি শান্ত করতে পারেননি।রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্রীরা হল গেটে অবস্থান নিয়ে প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন।

এবার মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ‘মিশন এক্সট্রিম’

বহুল আলোচিত সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’ এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়।

১১ মার্চ থেকে পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলারটি কুয়ালালামপুরের টিজিভি সিনেমাস ও কেএলসিসিতে প্রদর্শিত হবে। পর্যায়ক্রমে দেশটির আরও সিনেমা হলে এটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ায় ‘মিশন এক্সট্রিম’র পরিবেশক বঙ্গজ ফিল্মস।

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার তানিম আল মিনারুল মান্নান বলেন, মিশন এক্সট্রিম দিয়েই মালয়েশিয়াতে নিয়মিত বাংলা সিনেমা প্রদর্শনের যাত্রা শুরু হচ্ছে। এই দেশে বসবাসকারী বাংলাভাষীদের অংশগ্রহণ পেলে এখন থেকে প্রতি মাসেই মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সিনেমা হলে আমরা জনপ্রিয় বাংলা সিনেমাগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করব।

তিনি আরও জানান, সিনেমাটি প্রদর্শনের সময়সূচি এবং টিকিট পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে https://www.tgv.com.my ।

এর আগে, গত ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশসহ যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া মুক্তি পেয়েছে ‘মিশন এক্সট্রিম’।

কপ ক্রিয়েশনের ব্যানারে নির্মিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এছাড়াও তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্ত রয়েছেন। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাজনুন মিজান, ইরেশ যাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, সুদীপ বিশ্বাস দীপ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমান, দীপু ইমাম প্রমুখ।

সিনেমাটির অন্যতম পরিচালক সানী সানোয়ার বলেন, মিশন এক্সট্রিম-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হওয়ায় আমরা আনন্দিত। দেশে দিন দিন সিনেমা ব্যবসার গতি স্লথ হলেও বিদেশে রয়েছে অবারিত সম্ভাবনা। আমরা সে ভরসায় এগিয়ে যাচ্ছি।

কিছুদিনের মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত ও ইতালিতে মুক্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানান সিনেমাটির অপর পরিচালক ফয়সাল আহমেদ।

কোটি ভিউ পেরোল ইমন খানের দশটি গান

মাটির মানুষের শিল্পী, বিরহী সম্রাট খ্যাত ইমন খান গানের ভূবনে প্রবেশ করেন ২০০৬ সালে। শুরু থেকেই একের পর এক উপহার দিয়ে চলেছেন শ্রোতাপ্রিয় গান। তার মায়াবী কণ্ঠের জাদু জয় করে নিয়েছে কোটি মানুষের হৃদয়। গত দুই-তিন বছরে এই গুণী শিল্পীর গাওয়া দশটি গান ইউটিউবে ইতোমধ্যে এক কোটিরও বেশি মানুষ দেখেছেন। এমন অর্জনের জন্য তার দর্শক-শ্রোতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইমন খান।

ইমন খান বলেন, আমার গাওয়া দশটি গান এক কোটির বেশি মানুষ দেখেছেন, বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমি গান করি। আমার গান মানুষ ভালোবাসেন। একজন শিল্পীর এরচেয়ে আর চাওয়া কী থাকতে পারে। দর্শক-শ্রোতাদের ভালোবায় আজ আমি ইমন খান। প্রতিটি শিল্পীই শ্রোতাদের জন্য গান করেন। যখন কোনো গান মানুষ ভালোবাসেন, তখন সেই শিল্পীর গান করা স্বার্থক হয়। গত দুই-তিন বছরে আমার দশটি গান ইউটিউবে কোটি ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। এটা নিঃসন্দেহে আমার জন্য ভালো লাগার বিষয়। আমার গান যারা ভালোবাসেন তাদের জন্য রইল বুকভরা ভালোবাসা। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, আসলে ভিউ দিয়ে কোনো গান ভালো-মন্দ বিচার করার পক্ষে আমি না। কথা, সুর ও শিল্পীর গায়কির মিশেলে যখন একটি গান তৈরি হয়, তখন মানুষ অবশ্যই সেটা গ্রহণ করেন। আমি মনে করি, ভিউ দিয়ে সবসময় গান বিচার করা ঠিক না।

ইমন খান বলেন, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে আমি বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল এবং কোম্পানির ব্যানারে নিয়মিত প্রচুর কাজ করছি। আমার একটি ইউটিউব চ্যানেল সাসপেন্ড হয়ে যাওয়ার পর খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ১৭-১৮ দিন আগে ইকে এন্টারটেইনমেন্ট (ইমন খান এন্টারটেইনমেন্ট) নামে নতুন একটি চ্যানেল খুলেছি। সেখানে কয়েকদিন আগে পদ্মাবতী শিরোনামে একটি রোমান্টিক গান আপলোড করেছি। আলহামদুলিল্লাহ ভালো সাড়া পেয়েছি। মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। ভবিষ্যতে এই চ্যানেল থেকে শ্রোতারা নিয়মিত আমার গান পাবেন। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন আপনাদের আরো ভালো ভালো গান উপহার দিতে পারি।

টিমমেটদের সঙ্গে ‘চিট’ করতে চান না সাকিব

জাতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বলেছেন, আমার প্রতি মানুষের যে প্রত্যাশা আছে, সেটা যদি আমি পূরণ করতে না পারি তাহলে দলে থাকাটা খুবই দুঃখজনক।

তিন ওয়ানডে আর দুই টেস্টের সিরিজে অংশ নিতে শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। তার আগেই হঠাৎ করে দুবাই চলে গেলেন সাকিব।

রোববার দুবাই যাওয়ার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাকিব আল হাসান বলেন, সদ্য শেষ হওয়া আফগানিস্তান সিরিজটা আমি উপভোগ করতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছি কিন্তু হয়নি। আমার মনে হয় না, এমন মানসিকতা নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ খেলাটা ঠিক হবে।

সাকিব আরও বলেন, আমি এ কথা জালাল ইউনুস (ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালক) ভাইয়ের সাথেও আলাপ করেছি। জালাল ভাই বলেছেন, দুই দিন উনিও চিন্তা করবেন। আমাকেও চিন্তা করার সময় দিয়েছেন।

সাকিব আল হাসানকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট বোর্ড। আফ্রিকা সফরে যাওয়া প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, আমার নিজের প্রতি নিজের যে প্রত্যাশা, মানুষের যে প্রত্যাশা, সেটা যদি আমি পূরণ করতে না পারি, তাহলে দলে থাকাটা খুবই দুঃখজনক হবে। এটা আমার টিমমেটদের সঙ্গে চিট করার মতো হবে।

আইপিএলে মোস্তাফিজদের খেলার সূচি

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৫তম আসরে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে খেলবেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তাকে ২ কোটি ভিত্তিমূল্যে দলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

২৭ মার্চ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করবে মোস্তাফিজদের দিল্লি ক্যাপিটালস।

এরপর ২ এপ্রিল গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলবে দিল্লি। ৭ এপ্রিল লখনউ সুপার জায়েন্টস আর ১০ এপ্রিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে খেলবে দিল্লি।

এছাড়া ১৬ এপ্রিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, ২০ এপ্রিল পাঞ্জাব কিংস, ২২ এপ্রিল রাজস্থান রয়েলসের মুখোমুখি হবে মোস্তাফিজরা।

২৮ এপ্রিল কলকাতা নাইট রাইডার্স, ১ মে লখনউ সুপার জায়ান্টস, ৫ মে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, ৮ মে চেন্নাই সুপার কিংস, ১১ মে রাজস্থান রয়েলস, ১৬ মে পাঞ্জাব কিংস আর ২১ মে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে গ্রুবপর্বের শেষ ম্যাচে অংশ নেবে দিল্লি ক্যাপিটালস।

বিয়েবাড়িতে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত

কুড়িগ্রামের পৌর এলাকায় হরিজন সম্প্রদায়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বর ও কনে পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার পুরাতন রেলস্টেশনসংলগ্ন মেথরপট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় জানা যায়নি।

জানা যায়, কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার পুরাতন রেলস্টেশনসংলগ্ন মেথর পট্টিতে হরিজন সম্প্রদায়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বর ও কনে পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই এক যুবকের মৃত্যু হয়।

কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চত করেছেন।

তিনি বলেন, নিহত যুবক বরপক্ষের ছিলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।