রবিবার ,১৪ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 428

ইউক্রেনীয়দের নতুন প্রস্তাব দিল রাশিয়া

ইউক্রেন থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয়রা কোথায় সরে যেতে চায়, তা তাঁরা বেছে নিতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।

বেসামরিক নাগরিকদের ইউক্রেনের সংঘাতপূর্ণ এলাকা ছেড়ে যাওয়ার জন্য নিরাপদ করিডরের আহ্বান জানান জাতিসংঘের ত্রাণ বিষিয়ক প্রধান। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয়রা যা চায়, সে অনুযায়ী যেন মানবিক করিডর দেওয়া হয়।

তাঁর সেই আহ্বানের পর মস্কো প্রস্তাবটি দিয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে মানবিক করিডর দিতে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে। মস্কোর স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তারা মানবিক করিডর দিতে চায়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আরো বলা হয়েছে, মানবিক করিডর দেওয়া হবে কিয়েভ, চেরনিহিভ, সুমি, খারকিভ এবং মারিওপোল শহর থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য।

ইউক্রেনের শহরগুলো থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মস্কোর দেওয়া বেশিরভাগ রুট রাশিয়ায়। এই প্রস্তাব আগেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। তবে রাশিয়ার নতুন প্রস্তাবের ব্যাপারে ইউক্রেনের মন্তব্য এখনো জানা যায়নি।

রাশিয়া এর আগে তিনবার সাময়িক যুদ্ধবিরতি দিয়ে করিডর চালুর ঘোষণা দিয়েছে। তবে প্রত্যেকবারই তা ভেস্তে গেছে। এ নিয়ে একে অপরকে দোষারোপও করছে দেশ দুটি।

লড়াইরত এলাকা থেকে পালাতে চাওয়া বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরে যাওয়ার পথ নিশ্চিত করতে ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের ত্রাণবিষয়ক প্রধান মার্টিন গ্রিফিথস।
সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা।

ইসলামে নারীর মর্যাদা ও অধিকার

ইসলাম নারীকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। কখনো মা হিসেবে, কখনো স্ত্রী হিসেবে, কখনো মেয়ে হিসেবে, আবার কখনো বোন হিসেবে।

ইসলাম আগমনের আগে জাহিলিয়াতের অন্ধকার যুগে নারীরা ছিল চরম অবহেলিত, ঘৃণিত। তখন তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকু পর্যন্ত হরণ করা হতো।

বিজ্ঞাপন

কন্যাসন্তানকে জীবিত মাটিতে পুঁতে ফেলার নির্মম ঘটনাও ঘটেছিল সে সময়। ইসলাম এসে এই বর্বরতা রুখে দিয়েছে। ইসলাম সম্মান নিয়ে তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করেছে। একসময় নারীদের উত্তরাধিকার সম্পদ থেকে বঞ্চিত করা হতো, ইসলাম তা কঠোরভাবে বন্ধ করেছে। নারীর সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষায় ইসলাম প্রয়োজনীয় সব বিধান দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে সুরা ‘নিসা’ (অর্থ : নারী) নামে একটি সুরাও আছে।
নিম্নে ইসলামে নারীর সম্মান বিষয়ে কিছু তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।

নারী যখন মা : মহান আল্লাহ নারীকে মায়ের মর্যাদা দিয়েছেন। পবিত্র কোরআন-হাদিসে মাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমার প্রতিপালক আদেশ জারি করেছেন যে তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করো। ’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৩)

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বলেন, তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বলেন, এর পরও তোমার মা। সে বলল, তারপর কে? তিনি বলেন, তার পরও তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বলেন, এরপর তোমার পিতা। (মুসলিম, হাদিস : ৬৩৯৪)

সুবহানাল্লাহ! এতে করে স্পষ্ট হয়ে যায়, ইসলাম সর্বোচ্চ নারীকে সম্মান দেয় বলেই আল্লাহর রাসুল (সা.) তাদের সম্মানের ব্যাপারে এতটা গুরুত্বারোপ করেছেন।

নারী যখন স্ত্রী : নারী যখন স্ত্রী, তখনো তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ নারীদের তাঁর বিশেষ নিদর্শন বলে আখ্যা দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে সে সম্প্রদায়ের জন্য, যারা চিন্তা করে। ’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২১)

ইসলাম নারীকে রানির মর্যাদা দিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, তোমরা প্রত্যেকেই রক্ষক এবং তোমরা প্রত্যেকেই জিজ্ঞাসিত হবে। একজন শাসক সে তার অধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন পুরুষ তার পরিবারের রক্ষক, সে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন স্ত্রী তার স্বামীর গৃহের রক্ষক, সে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন গোলাম তার মনিবের সম্পদের রক্ষক, সে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। অতএব সাবধান, তোমরা প্রত্যেকেই রক্ষক এবং তোমরা প্রত্যেকেই জিজ্ঞাসিত হবে। ’ (বুখারি, হাদিস : ৫১৮৮)

নারী যখন মেয়ে : ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, সন্তানরা আল্লাহর নিয়ামত। আর মেয়েসন্তানরা পুণ্য। মহান আল্লাহ নিয়ামতের হিসাব নেন, আর পুণ্যের প্রতিদান দেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তিকে কন্যাসন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে, সেই কন্যাসন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড় (প্রতিবন্ধক) হবে। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১৩)

নারী যখন বোন : ইসলাম মেয়ে এবং বোনের সঙ্গেও সদাচরণ করার তাগিদ দিয়েছে। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারই তিনটি মেয়ে অথবা তিনটি বোন আছে, সে তাদের সঙ্গে স্নেহপূর্ণ ব্যবহার করলে জান্নাতে যাবে। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯১২)

নারী যখন অনাত্মীয় : নারী অনাত্মীয় হলেও তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ইসলামের সৌন্দর্য। তার নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকা সবার দায়িত্ব। ইসলামের ইতিহাসে নারীর সম্ভ্রম রক্ষায় বনু কাইনুকা গোত্রের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। এক সাহাবি তার মুসলিম বোনের সম্ভ্রম রক্ষায় জীবন দিয়ে দিয়েছেন।

আবু আওন থেকে ইবনে হিশাম বর্ণনা করেছেন, একদিন জনৈকা মুসলিম নারী বনুু কাইনুকা গোত্রের বাজারে দুধ বিক্রি করে বিশেষ কোনো প্রয়োজনে এক ইহুদি স্বর্ণকারের কাছে গিয়ে বসে পড়েন। কয়েকজন দুর্বৃত্ত ইহুদি তাঁর মুখের নেকাব খোলানোর অপচেষ্টা করে, তাতে ওই নারী অস্বীকৃতি জানান। ওই স্বর্ণকার গোপনে মুসলিম নারীটির (অগোচরে) পরিহিত বস্ত্রের এক প্রান্ত তার পিঠের ওপরে গিঁট দিয়ে দেয়, তিনি তা বুঝতেই পারলেন না। ফলে তিনি উঠতে গিয়ে বিবস্ত্র হয়ে পড়েন। এ ভদ্র মহিলাকে বিবস্ত্র অবস্থায় প্রত্যক্ষ করে নরপিশাচের দল হো হো করে হাততালি দিতে থাকল। মহিলাটি ক্ষোভে ও লজ্জায় মৃতপ্রায় হয়ে আর্তনাদ করতে লাগলেন। তা শুনে জনৈক (প্রতিবাদী) মুসলিম ওই স্বর্ণকারকে আক্রমণ করে হত্যা করেন। প্রত্যুত্তরে ইহুদিরা মুসলিম লোকটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁকে হত্যা করে।

এরপর নিহত মুসলিমটির পরিবারবর্গ চিৎকার করে ইহুদিদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের কাছে ফরিয়াদ করেন। এর ফলে মুসলিম ও বনু কাইনুকার ইহুদিদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাত বাধে। প্রায় ১৫ দিন সে গোত্রের দুর্গ অবরোধ করে রাখার পর তাদের সবাইকে বন্দি করা হয়। (ইবনে হিশাম : ২/৪৭, আর রাহিকুল মাখতুম [বাংলা] : ২৪০/২৪২)

উপরোক্ত আলোচনা থেকে অনুধাবন করা যায় যে ইসলাম নারীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার প্রতি কতটা গুরুত্ব দিয়েছে।

লিভারপুলের বিপক্ষে ইন্টারের বাঁচা-মরার লড়াই

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ রাতে মাঠে নামছে ইন্টার মিলান ও লিভারপুল। প্রথম লেগে ইতালিয়ান ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি নিজেদের ঘরের মাঠ সান সিরোয় হেরেছিল ২-০ গোলে। এবার লড়াইটা লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে।

ছন্দে থাকা লিভারপুলকে তাদের মাঠে হারানোটা কঠিন হবে পাহাড় টলানোর মতো।

গ্রুপ পর্বে টানা ছয় ম্যাচ জিতেছিল লিভারপুল। নক আউটের প্রথম রাউন্ডেও পাত্তা দেয়নি ইন্টারকে। জয়ের ধারায় থাকা মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানেদের হৃদয় ভাঙতে অভিনব কিছু করতে হবে ইন্টারকে।
পরিসংখ্যানও ইন্টারের পক্ষে নেই। ২০১০-১১ মৌসুমের পর শেষ আটে খেলা হয়নি ইতালিয়ান দলটির। তা ছাড়া দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে নক আউটে প্রতিপক্ষ দলকে বিদায় করার কীর্তি আছে একবারই। ২০১৮-১৯ মৌসুমে পিএসজির বিপক্ষে রেকর্ড গড়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইন্টার কি পারবে ম্যানইউর দেখানো পথে হাঁটতে?

রিয়ালের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অনিশ্চিত এমবাপ্পে

আগামীকাল বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সেই ম্যাচের আগে সোমবার কোচ পচেত্তিনোর অধীনে অনুশীলনে নেমেছেন লিওনেল মেসি, নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পেরা। সেই অনুশীলনই বিপদের কারণ হয়ে দাড়াল পিএসজির জন্য।

অনুশীলন করতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছেন ফরাসি তারকা এমবাপ্পে।

সতীর্থ ইদ্রিসা ঘানা গুইয়ের ট্যাকলে ইনজুরির শিকার হয়েছেন তিনি। তবে এমবাপ্পের ‍ইনজুরির মাত্রাটা কতটা মারাত্মক সেটা এখনও জানা যায়নি। ফলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তাকে একাদশে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চিয়তায় পড়েছে পিএসজি।
উল্লেখ্য, রিয়ালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে ১-০ গোলে জিতেছিল পিএসজি। সেই ম্যাচে পিএসজির জয়ের নায়ক ছিলেন এই এমবাপ্পেই। শেষ মুহুর্তে গোল করে দলকে এনে দিয়েছিলেন জয়। দ্বিতীয় লেগে তাই ড্র করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যাবে পিএসজি।

টেলিভিশন প্রযোজকদের নির্বাচনে মনোয়ার পাঠান ও সাজু মুনতাসিরের প্যানেল

১৯ মার্চ টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব) এর নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে চলছে মনোনয়নপত্র জমাদানকারীদের পরিচিতি পর্ব। এরইমধ্যে জমে উঠেছে টেলিভিশন প্রযোজক সমিতির নির্বাচন ২০২২-২০২৪।

এবার দুটি প্যানেল নির্বাচনে নেমেছে।

একটি প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি পদে মনোয়ার পাঠান ও সাধারণ সম্পাদক পদে সাজু মুনতাসির।

হবু শ্বাশুড়ির জন্মদিন পালনে রুক্মিনীকে নিয়ে মালদ্বীপে দেব

কয়েকদিন ধরেই সমুদ্র সৈকত থেকে ছবি পোস্ট করছিলেন দেব ও তাঁর কথিত প্রেমিকা রুক্মিনী মৈত্র। তবে একসঙ্গে নয় আলাদা আলাদাভাবে। যেমনটা কিছুদিন আগেই করেছেন বলিউডের কথিত প্রেমিক জুটি কিয়ারা আদভানি-সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, অনন্যা পান্ডে-ঈষাণ খাট্টাররা। তারাও গেল বছর মালদ্বীপে একসঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন।

তবে ছবি পোস্ট করেছিলেন একা একা।
তবে ‘একা একা’ এই ছুটি কাটানো বুঝে গেছেন তাঁর ভক্তরা। দক্ষিণ ভারতের দ্বীপ দেশটিতে যে দেব-রুক্মিনী একসঙ্গেই ছুটি কাটাচ্ছেন তা নিশ্চিত করে খবর প্রকাশ করেছে ওপার বাংলার বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম। কেবল দেব-রুক্মিনী নন, এই ট্যুরে আছে মডেল-অভিনেত্রীর মা-ও। জানা গেছে, কয়েকদিন আগেই ৬০তম জন্মদিন পালন করেছেন রুক্মিনীর মা। মূলত হবু শ্বশুড়ির জন্মদিন উপলক্ষেই এ সফরের আয়োজন করেছেন দেব।

অভিনেতা ও সংসদ সদস্য হবু শ্বাশুড়ির সঙ্গে ছবি পোস্ট না করলেও রুক্মিণী ঠিকই করেছেন। দিয়েছেন জন্মদিনের কেক কাটার ছবিও।

কিছুদিন আগেই দেব ও রুক্মিণী একসঙ্গে শেষ করেছেন ‘কিশমিশ’ ছবির কাজ। এই ছবির চরিত্রের প্রয়োজনে ৪০ কেজি ওজন কমিয়েছেন দেব! এপ্রিলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা। এছাড়া দেব অভিনীত ও প্রযোজিত বেশ কয়েকটি ছবি এ বছর মুক্তি পাবে।
অন্যদিকে রুক্মিণীর হাতে আছে কয়েকটি ছবি। বিদু্যাত জামওয়ালের সঙ্গে ‘সনক’ দিয়ে বলিউড অভিষেকের পর আলোচনা চলছে আরো হিন্দি ছবি ও সিরিজের।

এবার প্রথম নয় ২০২১ সালেও মালদ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন দেব ও রুক্মিনী। তখনও আলাদা আলাদা ছবি দিয়েছিলেন দুজন। তবে এবার হবু শ্বশুড়িকে সঙ্গে নেওয়ায় যোগ হয়েছে ভিন্ন মাত্রা। অনেকে মনে করছেন এরমাধ্যমে সম্পর্কের একরকম ঘোষণাই দিলেন তারা।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

শিবগঞ্জে ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

বগুড়ার শিবগঞ্জে বালু বোঝাই ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (০৮ মার্চ) সকাল ৭ টার দিকে উপজেলার মোকামতলা-সোনাতলা সড়কের দহপাড়া এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়দের সূত্রে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাব ইন্সপেক্টর মনোয়ারুল ইসলাম সবুজ জানান, মোকামতলাগামী একটি সিএনজি আরেকটি সিএনজির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দ্রুতবেগে যাওয়ার সময় সোনাতলাগামী বালু বোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির এক যাত্রী নিহত হন। নিহত ব্যক্তি ও তার স্বজনরা ঘটনাস্থলে না থাকায় তাদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। ঘাতক ট্রাকটি স্থানীয় জনগন আটক করে রেখেছে।
মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সৈয়দ আলমগীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

হঠাৎ অশান্ত বান্দরবান

হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে শান্ত জেলা হিসেবে পরিচিত বান্দরবান। গত ছয় মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার ও ভারত সীমান্ত সন্নিহিত এই জেলায় নিজেদের মধ্যে হানাহানি ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একের পর এক লাশ পড়ছে। গোলাগুলির আওয়াজে কেঁপে উঠছে পাহাড়ি গ্রামগুলো। একসময় আঞ্চলিক রাজনীতির বিরোধে জর্জরিত ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তরের জেলা খাগড়াছড়ি।

এরপর আঞ্চলিক রাজনীতির বিরোধ এবং এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখার লড়াইয়ে তছনছ হয়ে যেতে থাকে মধ্যভাগে অবস্থিত রাঙামাটি। সে সময়ে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি থেকে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জনজাতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শান্তির জায়গা হিসেবে বিবেচিত বান্দরবান চলে আসে। এখন সেই সব শান্তিপিয়াসির মধ্যেই সংঘাতের আগুন জ্বলে উঠেছে। অনেকেই নিরাপত্তার শঙ্কায় ঘর ছেড়ে জেলা সদরে ঠাঁই গেড়েছে।

জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তৃণমূলের একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘একই পাড়ায় তিন-চারটি সংগঠনের ক্যাডার রয়েছে। এ কারণে এখন পাহাড়ের প্রতিটি পাড়ায়ই জীবনযাপন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ’ তিনি বলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা তালুকদারপাড়ায়ই গত দুই-তিন বছরে সাত-আটটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। ছোট্ট এই গ্রামটি শোকের ভার আর সইতে পারছে না।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ মার্চ জনসংহতির মূল অংশের উনু মং মারমাকে গুলি করে তুলে নিয়ে গেছে কমব্যাট ইউনিফর্ম পরা ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একটি গ্রুপ। তালুকদারপাড়ার সাবেক পাড়াপ্রধান (কার্বারি) গংজক মারমার ছেলে উনু মংয়ের বিরুদ্ধে ভিন্নমতাবলম্বী একই পাড়ার একজন এবং পাশাপাশি আরেক পাড়ার একজনকে হত্যার মিশনে

নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এখন ভিন্নমতাবলম্বীদের হাতে অপহৃত হয়ে তিনি মৃত নাকি বেঁচে আছেন, তা জানা যাচ্ছে না। আশঙ্কা করছি, প্রতিশোধ-পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এই পাড়ায় আরো লাশ পড়তে পারে। ’

বিভিন্ন সূত্রে কথা বলে জানা গেছে, রাঙামাটির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণপার এবং বান্দরবানের শঙ্খ বা সাঙ্গু নদীর উত্তরপারের বিশাল অংশজুড়ে বিস্তীর্ণ জনপদ কার্যত আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ক্যাডারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই, রাজস্থলী এবং বিলাইছড়ি উপজেলাসংলগ্ন বান্দরবান সদর উপজেলা, রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলাবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে।

বান্দরবান জেলাকে কারা কী কারণে হঠাৎ করে অশান্ত করে তুলেছে—সে বিষয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অন রেকর্ডে কোনো কথা বলতে চাইছেন না। গত রবিবার সকালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার জানান, কারা কী কারণে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না তিনি। তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে চারটি সংগঠনের বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপ রয়েছে বলে জানতে পেরেছি। জননিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে আমরা নতুন করে পরিকল্পনা নিচ্ছি। ’

এদিকে বান্দরবানের একটি রাজনৈতিক সূত্র জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দুই বছর আগে রাঙামাটিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির একটি বিশেষ সভা হয়। ওই সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে র‌্যাবের একটি স্বতন্ত্র ইউনিট বান্দরবানে স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পর থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পাল্টে যায়। রাজনৈতিক কর্মসূচি বাদ রেখে আঞ্চলিক সংগঠনগুলো নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, ‘পরিস্থিতি যে অবস্থায় দাঁড়িয়েছে তাতে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের বিকল্প দেখছি না। ’

আজ থেকে ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি শুরু

করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় আগ থেকেই শুরু হয়েছে ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন। আজ থেকে শুরু হয়েছে ট্রেনে স্ট্যান্ডিং (দাঁড়ানো) টিকিট বিক্রি।

গতকাল সোমবার (৭ মার্চ) থেকে ট্রেনের আসনবিহীন টিকিট বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের পরিচালক ট্রাফিক (কমার্শিয়াল) মো. নাহিদ হাসান খাঁন এক অফিস আদেশে জানান, ঘোষণা অনুযায়ী আগামীকল (৮ মার্চ) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টদের এমন নির্দেশনা দিয়েছেন।
অফিস আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ রেলওয়েতে চলাচল করা কিছু ট্রেনে আসনবিহীন টিকিট ইস্যু করার যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, তা পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। আগামী ৮ মার্চ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১৫ জানুয়ারি থেকে দেশে আন্তঃনগর ট্রেনে মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক টিকিট বিক্রি শুরু হয়। হ্রাসকৃত টিকিটের ৫০ শতাংশ মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইনে এবং বাকিটা কাউন্টার থেকে কেনা যাবে বলে জানায় রেল কর্তৃপক্ষ। এরপর সংক্রমণ পরিস্থিতি শিথিল হলে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে সব আসনে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।

সবাইকে সহযাত্রী হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

‘টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য’ দিবসের এই প্রতিপাদ্যটিকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এক বাণীতে বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯(৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। নারীদের যথার্থ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার নারী শিক্ষার বিস্তার, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়নসহ নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে সহযাত্রী হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব গড়ার কাজে পুরুষের মতো সমান অবদান রাখার প্রত্যয় নিয়ে নারীর এগিয়ে চলা আগামীতে আরো বেগবান হবে।