সোমবার ,১৫ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 422

যুক্তরাষ্ট্রে করোনার মাঝেও বাড়ছে অভিবাসীর সংখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রে মহামারি করোনার মাঝেও দিন দিন বাড়ছে অভিবাসীর সংখ্যা। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শিথিল নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ঘটনা ব্যাপক হারে বেড়েছে। শুধুমাত্র গত বছরই যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছে ১০ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী। যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বংশোদ্ভূত জনসংখ্যার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

গত আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ-অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা এখন ৪৬ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি। এ সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ১০ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি। সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি বংশোদ্ভূত জনসংখ্যা এখন আদমশুমারি দ্বারা গণনা করা দেশের সব লোকের ১৪.২ শতাংশ, যা ১১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এর আগে ১৮৯০ সালে অভিবাসীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ১৪.৮ শতাংশ এবং ১৯১০ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। অভিবাসী বৃদ্ধির বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ডকে অতিক্রম করতে পারে। গত বছরের বেশির ভাগ সময় ধরে বেআইনি অভিবাসন শিরোনাম প্রাধান্য পেয়েছিল। কারণ ওই সময় প্রায় দুই মিলিয়ন অভিবাসী মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তাদের জেরার মুখোমুখি হয়েছিল। আরও অনেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য শনাক্তকরণ এড়িয়ে গেছেন।

বাইডেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসী আগমনের প্রবাহকে ধীর করার অনেক প্রচেষ্টা ভেঙে দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম একটি প্রচেষ্টা- সীমানা প্রাচীর নির্মাণ বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া এন্ট্রি এবং নির্বাসন উভয় নীতি উঠিয়ে দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বংশোদ্ভূতদের নতুন রেকর্ডের একটি চালিকাশক্তি হিসেবে এই পরিবর্তনটিকে তুলে ধরা হয়। ফেডারেল কর্মকর্তারা বলেন, বাইডেনের দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস আগে থেকেই অভিবাসীদের ঢেউ শুরু হয়।

সিআইএসের রিপোর্টে বলা হয়, অভিবাসী জনসংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে, আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এবং তারপরে প্রতি মাসে বৃদ্ধি পেতে থাকে। বেশ কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যে বাইডেনের অভিবাসীপন্থি নীতিকে চ্যালেঞ্জ করেছে। উদাহরণস্বরূপ- ২ মার্চ বুধবার অ্যারিজোনার অ্যাটর্নি জেনারেল মার্ক ব্রনোভিচ সুপ্রিম কোর্টের সামনে যুক্তি দিতে যাচ্ছেন যে, প্রশাসনকে কেবল তাদের জন্য বিশেষ অভিবাসন মর্যাদা দেওয়ার একটি দশকব্যাপী নীতি পুনরায় শুরু করা উচিত, শুধু যাদের দেশে বেঁচে থাকার জন্য কল্যাণ ব্যবহার করতে হবে না এবং ২০১৬ সালের প্রচারণায় সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ট্রাম্পও বাইডেনের নীতির নিন্দা করেছেন।

অল্প অল্প জ্বর কেন হয়?

জ্বরের রকমফের আছে। অনেকের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। আবার কারও ছেড়ে ছেড়ে জ্বর আসে। অনেক সময় হালকা জ্বর থাকে গায়ে, যেটির যন্ত্রণা বেশ কয়েক দিন বইতে হয়।

জ্বরের মাত্রা বহু রোগের নির্দেশ করে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আজিজুর রহমান।

জ্বর নিজে কোনো রোগ নয়, অনেক রোগ প্রকাশ পায় জ্বর রূপে। সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৯৮.৬ ফারেনহাইট। যখন শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তাকে জ্বর বলে। অল্প অল্প জ্বর বলতে যখন শরীরের তাপমাত্রা থার্মোমিটারে ৯৯ থেকে ১০১ ফারেনহাইটের মধ্যে থাকে।

শরীরে দীর্ঘদিন (দুই সপ্তাহের বেশি) অল্প অল্প জ্বর থাকতে পারে যে রোগে—

যক্ষ্মা – লিস্ফোমা – কালাজ্বর, ম্যালেরিয়া – এইচআইভি ইনফেকশন -শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোড়া যেমন- ফুসফুসে ফোড়া, লিভারের ফোড়া – কানেকটিভ টিস্যু রোগ যেমন রিউমাটয়েড আর্থ্রাটিস, এসএলই – থাইরয়েড রোগ যেমন- হাইপারথাইরয়জ্জিম – কৃত্রিম জ্বর – ওষুধজনিত জ্বর – আরও অন্যান্য কারণে যেমন- ফুসফুসে ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, কিডনি ক্যান্সার।

দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে তার অন্তর্নিহিত কারণ জানার জন্য রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত ইতিহাস নিতে হবে, জ্বর কখন আসে, কীভাবে আসে, কীভাবে চলে যায়, দিনের কোনো ভাগে বেশি জ্বর থাকে, জ্বরের সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কিনা।

যেমন— দীর্ঘদিনের অল্প অল্প জ্বর, বিকালের দিকে আসে, রাতে থাকে, সকালে কমে যায়, ঘাম দিয়ে জ্বর ভালো হয়ে যায়, সঙ্গে দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকে, কখনও কখনও কাশির সঙ্গে রক্ত যায়, শরীরের ওজন কমে যায়, খাবারে অরুচি থাকে, যক্ষ্মা রোগীর সঙ্গে বসবাসের ইতিহাস থাকে, তা হলে সন্দেহ করা হয় তার যক্ষ্মা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের জ্বরের ইতিহাসের সঙ্গে রাতে শরীর ঘামানোর ইতিহাস, ক্ষুধামন্দা, শরীরে চুলকানি, জন্ডিসের ইতিহাস, শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গ্লান্ড ফুলে যাওয়ার ইতিহাস থাকলে লিস্ফোমা সন্দেহ করা হয়। অল্প অল্প জ্বরের সঙ্গে ডান দিকের ওপরের পেট ব্যথা, মাঝে মধ্যে পাতলা পায়খানার ইতিহাস, পরীক্ষা করে যদি জন্ডিস, লিভার বড় পাওয়া যায় তা হলে সন্দেহ করা হয় লিভারে ফোড়া হয়েছে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, ঘাম দিয়ে জ্বর কমা, দুর্গন্ধযুক্ত হলুদ রঙের কাশি থাকলে সন্দেহ করা হয় ফুসফুসে ফোড়া হয়েছে।

দীর্ঘ দিনের জ্বরের সঙ্গে যদি খাবারে রুচি স্বাভাবিক থাকাসত্ত্বেও ওজন কমে যায়, যে স্থানে জ্বর হয়েছে সেখানে বসবাসের ইতিহাস, মাটির ঘরে মেঝেতে থাকার ইতিহাস, পাশে গরুর ঘর থাকার ইতিহাস থাকলে এবং পরীক্ষা করে রক্তশূন্যতা, পেটের উপরিভাগে চাকা থাকলে সন্দেহ করা হয় কালাজ্বর।

দীর্ঘদিনের জ্বরের ইতিহাসের সঙ্গে গিঁটে গিঁটে ব্যথা এবং সকালে ঘুম থেকে জাগার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা বেড়ে যায় এবং মুখে ঘা, গায়ে লাল লাল দাগের ইতিহাস থাকলে কানেকটিভ টিস্যু রোগ যেমন- রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, এসএলই হয়েছে সন্দেহ করা হয়। তাই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে সঠিক ইতিহাস দিয়ে এবং সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করে বেশিরভাগ জ্বর ভালো করা সম্ভব।

প্রদাহজনিত আর্থাইটিস হলে করণীয়

ইনফ্লামেটরি আর্থাইটিস বা প্রদাহজনিত বাত হলে বিশ্রাম নিলে বেড়ে যায়। আবার কাজকর্ম শুরুর সাথে সাথে ব্যথাও কমে যায়। তরুণদের এটি বেশি হয়।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ঈশিতা বিশ্বাস।

তিনি বলেন, অনেক সময় প্রদাহজনিত বাতের সাথে এক্সট্রা আর্টিকুলার মেনুফেসটেশন হতে পারে। যেমন, অনেকের পায়ের তলায় ব্যথা করে, অনেক সময় অ্যাঙ্কেল জয়েন্টের পেছনের রগে ব্যথা হয়। অনেকের চোখ লাল হয়ে যায়।

পরিবারে কারও এ সমস্যা থাকলে অন্যদেরও হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। লক্ষণগুলো দেখা গেলে দেরি না করে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সাধারণত চিকিৎসক প্রদাহজনিত বাত-ব্যথার জন্য ওষুধের সাথে কিছু শরীর চর্চা দিয়ে থাকেন। এ ধরনের ব্যথা উপশমে শরীর চর্চা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন, অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ব্যথার ওষুধের সাথে ডিজিজ মডিফায়িং বা ডিএমআরডি নামে একটি ওষুধ দেন চিকিৎসকরা। সেটি নিয়মিত সেবন করলে আশা করি উপকার পাবেন।

তবে ইনফ্লামেটরি আর্থাইটিসকে কোনো সময় হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। রোগটি সারাতে একটি সঠিক ডায়াগনসিস যেমন দরকার, তেমনি সঠিক ফলোআপও দরকার। এজন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে গেলে পুরুষের যেসব সমস্যা হয়

পুরুষত্বের স্থায়িত্ব কে না চায়। হরমোনের তারতম্যের কারণে অনেক সময় পুরুষের গোপন ক্ষমতা কম বেশি হয়।

পুরুষত্বের জন্য দায়ী মূল হরমোন হচ্ছে টেস্টোস্টেরন। পুরুষদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। টেস্টোস্টেরন শরীরে কমে যাওয়ার কারণে অ্যান্ড্রোপজ হয়।

টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে গেলে পুরুষদের যেসব সমস্যা দেখা দেয় সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দিন একরাম।

পুরুষদের বেলায় পুরুষত্বের জন্য দায়ী হরমোনের মাত্রা হঠাৎ কমে যায় না। কিন্তু ধীরে ধীরে এর মাত্রা কমতে থাকে এবং এই পরিবর্তন কয়েক বছর ধরে চলে।

একপর্যায়ে পুরুষত্বের অনেক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে যায়। অধিকাংশ চিকিৎসা বিজ্ঞানীই পুরুষত্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ লোপ পাওয়াকে অ্যান্ড্রোপজ বলে থাকেন।

টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌন চাহিদা, মানসিক শক্তি ইত্যাদি ক্রমশ পরিবর্তিত হতে থাকে। গড়ে ৩০ বছর বয়স হওয়ার পরে এর মাত্রা প্রতিবছর ১% করে কমে; সাধারণত ৭০ বছর বয়স্ক পুরুষের শরীরে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক কমে যায়। কারও কারও এ মাত্রা আরও কমে যেতে পারে।

টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে নানা রকম লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়। যেমন-

* পুরুষের স্বাভাবিক যৌনাচরণের পরিবর্তন। অনেকের অণ্ডকোষ দুটি আকারে-আকৃতিতে ছোট হয়ে যায় এবং যৌন দুর্বলতা দেখা দেয়।

* মানসিক পরিবর্তন : কর্মস্পৃহা অনেক কমে যায়। কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি অনেকে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। যৌবনের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা, মনের জোর, সব জয় করার এক উদগ্র বাসনা; টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমার ফলে তা কোথায় যেন উবে যায়। অনেকে কোনো কাজে একভাবে মনঃসংযোগ করতে পারেন না, স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসে; এমনকি অনেকে বিভিন্ন মাত্রার বিষণ্ণতায় ভুগতে পারেন।

অনেক সময় অন্যান্য শারীরিক অসুখ যেমন- থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, বিষণ্ণতা রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান ইত্যাদি কিংবা ওষুধ সেবনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও এ রকম হতে পারে। সুতরাং একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যুক্তিসঙ্গত।

*পুরুষের পরিণত বয়সে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার ফলে পুরুষত্বের ইতি বা অ্যান্ড্রোপজও কোনো অসুখ নয়। এটি জীবনের একটি পরিবর্তিত ধাপ বা পর্যায় মাত্র। এটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে জীবনের এই নতুন পর্যায়টিকে উপভোগ করা এবং আনন্দমুখর করে তোলা লক্ষ্য হওয়া উচিত। শেষ বয়সে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পুনরায় টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখা উপকারী

* চিকিৎসকের সঙ্গে এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলা উত্তম। সমস্যাগুলো যদি বয়স বাড়ার কারণে না হয়ে অন্য কোনো অসুখ-বিসুখ কিংবা ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণে হয়, তাহলে তার সমাধান করা যেতে পারে।

* জীবনাচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেমন- স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীর চর্চা করা ইত্যাদি। সুস্থ জীবনাচরণ শারীরিক শক্তি ও মানসিক উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।

* বিষণ্ণতার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে পুরুষের কর্মস্পৃহা, মানসিক উৎসাহ-উদ্দীপনা হ্রাস পায়। বিষণ্ণতার কারণে অনেকের মেজাজ খিট খিটে হয়ে যায়, নিঃসঙ্গ থাকতে পছন্দ করেন এবং সামাজিক কর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত কাজ করার প্রবণতা, অতিরিক্ত নেশা করা কিংবা বিপজ্জনক কাজকর্ম করাও বিষণ্ণতার কারণে হতে পারে।

* টেস্টোস্টেরন প্রতিস্থাপন চিকিৎসায় অনেকে উপকৃত হয়ে থাকেন। তবে এর কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

ঢাবিতে মারধরের শিকার সাংবাদিক, এসবি কর্মকর্তা বরখাস্ত

রাস্তা পার হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইংরেজি দৈনিকের রিপোর্টার। তার নাম রায়হানুল ইসলাম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের এক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোতাহার হোসেন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আব্দুর রব পুলিশের বিশেষ শাখার (স্পেশাল ব্রাঞ্চ-এসবি) সহকারী উপ-পরিদর্শক।

মারধরের শিকার শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান হোসেন ডেইলি সানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র থেকে সংবাদ সংগ্রহ শেষে হলের দিকে যাচ্ছিলেন। মোতাহার ভবনের সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অভিযুক্ত আব্দুর রব তার মোটরসাইকেল দিয়ে রায়হানকে ধাক্কা দেন। এ সময় রায়হান কারণ জিজ্ঞাসা করলে ‘বিনা উসকানিতেই’ তাকে ‘মারধর’ শুরু করেন আব্দুর বর। এতে রায়হানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয় ও তার পরনের শার্ট ছিঁড়ে যায়।

একপর্যায়ে রায়হান কৌশলে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে মোড়ে অবস্থিত পুলিশ বক্সে আটকে রাখেন। এ সময় বিভিন্ন হল থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সেখানে ভিড় করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুর রহিম এবং পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর পুলিশি নিরাপত্তায় অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।

পরে পুলিশ কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। ইতোমধ্যেই এসবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা আমাকে অভিযুক্তকে (আব্দুর রব) বরখাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। এখন বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীর বেপরোয়া আচরণ বহিষ্কারের দাবি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করতে আসা শিক্ষার্থী ডোমেন জোসেফের বেপরোয়া আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শহিদ মীর আব্দুল কাইয়ূম ইন্টারন্যাশনাল ডরমেটরির শিক্ষার্থীরা। তার বিরুদ্ধে ডরমেটরির ওয়ার্ডেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

গবেষকরা তার আবাসিক সুবিধা বাতিল ও বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত জোসেফ রাবির ফোকলোর বিভাগের পিএইচডি ফেলো। তিনি ডরমেটরির ৩০৫ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। ডরমেটরির শিক্ষার্থীরা জানান, জোসেফ সবার সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছেন। মানসিক বিকারগ্রস্তদের মতো তার আচরণ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারেন তিনি। তার বেপরোয়া আচরণে ডরমেটরির গবেষকরা ভীত ও শঙ্কায় রয়েছেন। ব্যক্তিগত ঘটনা থেকে বিষয়টি আন্তর্জাতিক রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি গবেষক ডোমেন জোসেফ অপর গবেষক তাপস কুমার রায়ের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। তার কক্ষ তছনছ করেন। ডরমেটরিতে অবস্থানরত গবেষকদের সঙ্গে তিনি উদ্ভট আচরণ করেই যাচ্ছেন।

নিয়মের ধার ধারেন না জোসেফ। তার বেপরোয়া আচরণের বিচার চেয়ে ১৪ গবেষক প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ডরমেটরির উপরেজিস্ট্রারের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন জোসেফ। এরপর ডরমেটরির ওয়ার্ডেনের কক্ষে ঢুকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে তলব করা হয়।

সেখানে জোসেফকে সতর্ক করা হয়। এতে তার কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি, বরং তার উগ্র আচরণ দিনদিন বাড়ছে। অভিযোগের বিষয়ে জোসেফ বলেন, ভুল বোঝাবুঝি থেকে এমনটা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর হবে না। ডরমেটরির ওয়ার্ডেন প্রফেসর ড. আশাদুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, জোসেফ যা করছে, তা একজন গবেষকের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাবি উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তার।

আলমগীর-মিতিল জুটির অনবদ্য অভিনয়

ভিন্ন ধরনের গল্পে অনবদ্য অভিনয়ের কারণে নাটকপ্রেমী দর্শকসহ সবধরনের দর্শকের প্রশংসায় ভাসছেন নিলয় আলমগীর-মিতিল জুটি। কাজী শাহিদুল ইসলাম রচিত ও সম্রাট জাহাঙ্গীর পরিচালিত গ্রামের প্রেম ভালোবাসানির্ভর গল্পের নাটক ‘প্রেম কলঙ্কেও মালা’নাটকে অভিনয়ের জন্য নিলয় ও মিতিল দর্শকের প্রশংসার ভাসছেন।

নাটকটি গেল ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নিলয় আলমগীরের নতুন ইউটিউব চ্যানেল নাফ নিলয় আলমগীর ফিল্মসে প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই গল্প এবং বিশেষত নিলয় ও মিতিলের অনবদ্য অভিনয়ের কারণে নাটকটি দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। এরইমধ্যে নাটকটি নতুন ইউটিউব চ্যানেলে ১৫ লাখেরও বেশি ভিউয়ার্স উপভোগ করেছেন। প্রতিদিনই নাটকটির ভিউ বেড়েই চলেছে। প্রতিনিয়ত নানান মাধ্যমে নিলয় ও মিতিল নাটকটিতে অভিনয়ের জন্য যেমন সাড়া পাচ্ছেন ঠিক তেমনি দর্শকের কাছ থেকে দুজনের জুটি হয়ে কাজ করার জন্যও বিশেষভাবে অনুরোধ আসছে।

এ প্রসঙ্গে নিলয় আলমগীর বলেন, আমি আর মিতিল প্রথম একসঙ্গে নাটকে অভিনয় করি সালাহ উদ্দিন লাভলু ভাইয়ের পরিচালনায় ধারাবাহিক নাটক প্রিয়দিন প্রিয় রাতে। এ নাটকে অভিনয়ের জন্যই বেশ সাড়া পেতে শুরু করি। পরবর্তীতে বোয়াল মাছের মাথা-নাটকে অভিনয় করেও অভূতপূর্ব সাড়া পাই আমরা দুজন। তবে প্রেম কলঙ্কের মালার জন্যও অনেক সাড়া পেতে শুরু করি।

ভালোবাসা দিবসের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিনই নাটকটির জন্য সাড়া পাচ্ছি। যেহেতু সব সময় কমেডি ঘরানার কিংবা শহুরে গল্পের নাটকে কাজ করা হয়ে থাকে। দর্শকের অনুরোধেই জুটি হয়ে গ্রামীণ পটভূমিতে প্রেমের গল্পের নাটকে আমরা দুজন এবার অভিনয় করেছি। মিতিলও ভালো করার চেষ্টা করেছে।

মিতিল বলেন, প্রেম কলঙ্কের মালা-র জন্যও যে এতো সাড়া পাব, বুঝতে পারিনি। দিন যতো যাচ্ছে দর্শকের কাছ থেকে অনেক বেশি সাড়া পাচ্ছি। গল্পটা অনেক ভালোলাগারা মতো, তাই দর্শকও নাটকটি দেখছেন। আর সহশিল্পী হিসেবে নিলয় আলমগীর ভীষণ সহযোগিতা পরায়ণ। একটি দৃশ্যে অভিনয় করার আগে আমরা দৃশ্যটি বেশ ভালোভাবে বুঝে নিয়ে চর্চা করে অভিনয় করি।

নিলয় আলমগীর জানান, এরই মধ্যে তারা দুজন মেহেদী হাসান হৃদয়ের ‘ঘরের কথা’নাটকে অভিনয় করেছেন। সম্রাট জাহাঙ্গীরের পরিচালনায় ‘বোয়াল মাছের মাথা’সিক্যুয়াল নাটকও প্রস্তুত প্রচারের জন্য। ২০১৪ সালের সেরা নাচিয়েতে টপ সেভেনে ছিলেন মিতিল।

পরীমনির রান্নার প্রশংসায় শাশুড়ি

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনির রান্নার প্রশংসা করেছেন স্বয়ং শাশুড়ি মা। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনের নানান বিষয় নিয়েও খবরের শিরোনাম হয়ে থাকেন নায়িকা পরীমনি।

বুধবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বিনোদন কেন্দ্রে পরীমনি ও শরিফুল রাজ অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘গুণিন’র জমকালো প্রিমিয়ারের আয়োজন করা হয়। যে সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই প্রেম, বিয়ে এবং সন্তানের বাবা-মা হতে যাচ্ছেন রাজ-পরী। অনুষ্ঠানে বর-কনে সেজে হাজির হয়েছিলেন এই দম্পতি। সঙ্গে ছিলেন রাজের মা জাহানারা বেগম এবং পরীমনির নানা শামসুল হক।

প্রিমিয়ার শেষে ফটোসেশন পর্বে পুত্রবধূ পরীমনিকে প্রশংসায় ভাসান শাশুড়ি জাহানারা বেগম। তিনি জানান, পরীমনি তাকে রান্না করে খাওয়ান এবং এই অভিনেত্রীর হাতের গরুর মাংস ও চিংড়ি মাছ তার অনেক প্রিয়।

পরীমনির শাশুড়ি জাহানারা বেগম বলেন, আমার পুত্রবধূ (পরীমনি) আমাকে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়ায়, অনেক মায়া-মহব্বত করে। আমাকে আম্মু বলে ডাক দেয়, আদর-যত্ন করে আবার অনেক খেয়ালও রাখে। এক কথায় সে অনেক ভালো। আমিও তার অনেক খেয়াল রাখি।

প্রিমিয়ারে পরীমণি, শরিফুল রাজ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- অভিনেতা ইরেশ যাকের, নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম ও চরকি’র প্রধান নির্বাহী রেদওয়ান রনিসহ শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই।

ব্যক্তিগত কাজ শেষে দেশে ফিরলেন সাকিব

ব্যক্তিগত কাজ শেষে দেশে ফিরলেন সাকিব আল হাসান। বৃহস্পতিবার রাতে দুবাই থেকে দেশে ফেরেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

তিনটি ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আগামীকাল শুক্রবার সকালে আফ্রিকাগামী বিমান ধরবে বাংলাদেশ দল।

আসন্ন এ সফরকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষিত সেই দলে ছিলেন সাকিব আল হাসান।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে রোববার হঠাৎ করে দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন সাকিব। তার আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে সাকিব বলেন, আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে যে অবস্থায় আছি, মনে হয় না আমার পক্ষে এ মুহূর্তে (দক্ষিণ আফ্রিকায়) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সম্ভব।

সাকিবের এমন কর্মকাণ্ডে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বুধবার সাকিবকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ছুটি দেয় বিসিবি।

পাকিস্তানের সুইমিং পুলে পড়ে গেলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা

পাকিস্তানের সুইমিং পুলের পাশ দিয়ে অসতর্কতাবশত হাঁটতে গিয়ে পুলে পড়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ক্রিকেটার অ্যালেক্স ক্যারি।

অ্যালেক্স ক্যারি সুইমিং পুলের পাশে পেছনে ফিরে হাঁটতে হাঁটতে সতীর্থের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুলে পড়ে যান। তার কাঁধে ব্যাগ ও আর পকেটে মোবাইল ছিল। পুলে অবশ্য বেশি পানি ছিল না।

তেমন কোনো সমস্যা না হলেও অ্যালেক্স ক্যারি ভিজে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়- পুল থেকে উঠে পকেটে থাকা ভেজা ফোন বের করছেন অ্যালেক্স ক্যারি। পুরো বিষয়টির ভিডিও করেছেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। সেটা তিনি ইনস্টাগ্রামে শেয়ারও করেছেন।

পাকিস্তান সফরে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে ড্র করেছে অস্ট্রেলিয়া। শনিবার করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি। টেস্ট সিরিজ শেষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে আর একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া।