রবিবার ,১৬ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 408

যেসব লক্ষণে বুঝবেন কোলোরেক্টাল ক্যান্সার

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার একটি জটিল রোগে। খাদ্যাভ্যাস ও জীবনপদ্ধতির পরিবর্তনসহ নানা কারণে এই ক্যান্সার হয়।

এপেনডিক্স, পায়ুপথ ও বৃহদান্ত্রের ক্যানসারকে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার বলা হয়।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি ও উপসর্গ নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বৃহদান্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

বয়স : কোলোরেক্টাল ক্যান্সার যে কোনো বয়সেই হতে পারে। তবে এ রোগে আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের ৫০ বছর বা এর চেয়ে বেশি বয়সে এ রোগ হতে পারে।

লিঙ্গ : পুরুষ ও মহিলা উভয়েই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

ধূমপান ও অ্যালকোহলের ব্যবহার : ধূমপায়ীরা অধূমপায়ীদের চেয়ে ৩০-৪০ ভাগ বেশি কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। অ্যালকোহল ব্যবহারকারীদের মধ্যেও এ রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
অন্ত্রের অন্যান্য অসুখ : আগে থেকেই অন্ত্রের অন্য কোনো অংশে থাকা ক্যান্সার বা পলিপ অথবা অন্ত্রের অন্যান্য রোগ, যেমন মলাশয়ে আলসার তৈরি করে এমন প্রদাহ, অন্ত্রের প্রদাহ এ রকম কিছু কারণে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বংশগত : বংশগত কারণেও কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। মা-বাবা, ভাইবোনের কারোর ৬০ বছর বয়সের নিচে অন্ত্রের পলিপ বা ক্যান্সার থাকলে অথবা যে কোনো বয়সে যে কোনো দুজনের এ ধরনের সমস্যা থাকলে আপনি কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।

লক্ষণ : মলত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন। ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা পর্যায়ক্রমে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য। মলের সঙ্গে রক্ত মিশে থাকে। ওজন কমে যায়। দুর্বলতা। পেটে অস্বস্তিভাব যেমন- গ্যাস, পেট ফুলে থাকা, পেট ভর্তি ভাব, কামড়ানো প্রভৃতি। রক্তশূন্যতা। রোগের শেষপর্যায়ে মলত্যাগ করতে না-পারা বা অন্ত্রনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া।

মনিজা রহমান স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষের কারণে ফরম পূরণ হয়নি, ছাত্রীদের বিক্ষোভ

রাজধানীর মনিজা রহমান গার্লস স্কুল ও কলেজের ছাত্রীরা বৃহস্পতিবার গেণ্ডারিয়া থানায় বিক্ষোভ করেছে। প্রতিষ্ঠানের এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হয়নি। আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নিবন্ধনও করা যায়নি। ইতোমধ্যে ফরম পূরণ ও নিবন্ধনের সময় শেষ হয়েছে। এ খবর পেয়ে ফুঁসে ওঠেছে ছাত্রীরা।

খবর পেয়ে পুলিশ অধ্যক্ষকে থানায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে ছুটে যান অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। সেখানে তাকে ঘেরাও করে রাখা হয়। সমস্যা সমাধানে পুলিশের আশ্বাস পেয়ে ছাত্রীরা ফিরে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক লুৎফুন্নাহার একইসঙ্গে দুটি কলেজের অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এর একটি হচ্ছে মনিজা রহমান গার্লস স্কুল ও কলেজ, অপরটি টাঙ্গাইলের ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজ। ২০২০ সালে নিয়োগ পাওয়ার পর অন্তত দেড় বছর তিনি উভয় পদে দায়িত্ব চালিয়ে যান। বিষয়টি জানার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু ওই কমিটি কাজ শেষ করেনি। এ নিয়ে ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তাদের দিকে অভিযোগের তির।

পরে ঢাকা বোর্ডে অভিযোগ যায় যে, দুই জায়গায় চাকরি করছেন শিক্ষক লুৎফুন্নাহার। পাশাপাশি তিনি দেড় বছর ধরে এমপিও নিচ্ছেন আগের প্রতিষ্ঠান থেকে। পরে ঢাকা বোর্ডের তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বলা হয়, নীতিমালা অনুযায়ী একইসঙ্গে একাধিক পদে চাকরি করা বিধিবহির্ভূত। তাছাড়া প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক জায়গায় চাকরি করা সত্ত্বেও আরেক জায়গায় নিয়োগ দেওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের (মনিজা রহমান গার্লস স্কুল ও কলেজ) পরিচালনা কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয়, শিক্ষা বোর্ড নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও আগের কমিটি রহস্যজনক কারণে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলা সম্ভব হয়নি অধ্যক্ষের সঙ্গে। দুজন শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা কথা বলেননি। তবে জানতে চাইলে পরিচালনা কমিটির তৎকালীন (লুৎফুন্নাহারকে নিয়োগকালীন) সভাপতি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী শামসুজ্জোহা যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা নিয়োগ দেওয়ার পর আগের স্থান থেকে প্রক্রিয়া শেষ করে আসার জন্য ৩ মাস সময় নেন অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার। এজন্য তিনি ভাড়া বাবদ কিছু টাকা নিয়েছেন। এছাড়া এখান থেকে কোনো বেতন নেননি। কিন্তু আগের কলেজ থেকে বেতন নিয়েছেন কিনা সেটা আমরা জানি না। বোর্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ও ব্যবস্থা নেওয়ার চিঠি পেয়েছি। তবে তিনি এ নিয়ে রিট মামলা করেছেন। তার পক্ষে রিটের রায় আছে।’

বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমানে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, তদন্তে একজন ব্যক্তির একইসঙ্গে দুই জায়গায় চাকরি করার সত্যতা পাওয়া গেছে। এটা একটা সাংঘাতিক অপরাধ। ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদন মাউশিতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নিয়োগে এ কেলেংকারির কারণে আগের কমিটি অনুমোদন করেনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এর পরিবর্তে ঢাকা জেলা প্রশাসনের একজন এডিসি সভাপতি হিসেবে কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার যুগান্তরকে জানান, তদন্তে নিয়োগে সমস্যাসহ আরও কিছু ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হলেও তারা নিশ্চুপ ছিল। বোর্ড ব্যবস্থা হিসেবে ওই স্কুলের দাপ্তরিক কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। যে কারণে সার্ভার শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ বা নিবন্ধনের তথ্য নেয়নি। তবে এই সমস্যা থাকবে না। মোট দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ এবং নিবন্ধনের কাজ আটকে আছে। বিশেষ বিবেচনায় তাদের কাজ করে দেওয়া হবে। এখন অনিয়মের ব্যাপারে স্কুল কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

গেণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাঈদ আল মামুন বলেন, বোর্ডের নিবন্ধন না হওয়ার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করছিল। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ এবং ছেলেমেয়েরা আসছিল। ছাত্রী ও অভিভাবকদের বুঝিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

জবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসনের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু যে অবিসংবাদিত নেতা তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। বঙ্গবন্ধু শিক্ষকদের যে শুধু সম্মানের আসনে তুলে ধরেছেন তাই নয় বরং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ছাত্রত্বও হারিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তিনি কখনো কারও সঙ্গে কটু কথা বলেননি, কারও সঙ্গে ঝামেলা করেননি। সংগঠন করেছেন নেতৃত্ব দিয়েছেন, কখনো চাঁদাবাজি করেননি। তিনি সব সময় মেহনতী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং মানুষের জন্য কাজ করেছেন- এটাই বঙ্গবন্ধু।

আলোচনা সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, শুধু মুখেই না অন্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে যেগুলো বাস্তব জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে দৃশ্যমান করতে হবে।

এ সময় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরও উচ্চতর গবেষণার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার ও বঙ্গবন্ধু রিচার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।

আলোচনা সভায়- জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সকল অনুষদের ডিন, শিক্ষক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান উপচার্য। পরবর্তীতে একে একে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, নীল দল, হল প্রভোস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা কর্মচারী সমিতি শ্রদ্ধা জানায়।

মিউজিক ভিডিওর নায়িকা সাবিলা নূর

বর্তমান সময়ের টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর প্রথমবার কোনো মিউজিক ভিডিওর নায়িকা হলেন। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমানের গাওয়া ‘তুমি আমি’ শিরানামের গানের দৃশ্যায়নে তাদের দেখা যাবে। সম্প্রতি এটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।

কবির বকুলের লেখায় এটির সুর-সংগীত করেছেন ইমরান নিজেই। আর কণ্ঠ দিয়েছেন যৌথভাবে ইমরান ও লাবিবা। গানটির গল্পনির্ভর রোমান্টিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। এটি মুক্তি পাচ্ছে আসছে ঈদে সিএমভির ব্যানারে।

এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, আসছে ঈদের জন্য এটা আমার সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট। আমি মনে করি ঈদ উপহার হিসেবে ভক্তরা এমন কিছুই আশা করে আমাদের কাছে। জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী সাবিলা নূরের প্রথম মিউজিক ভিডিও এটি। ভিডিওতে সহশিল্পী হিসেবে তাকে পেয়ে বেশ ভালো লাগছে। আশা করছি দর্শক- শ্রোতারা আমাদের অভিনয় রসায়ন পছন্দ করবেন।

এতে কাজ করা প্রসঙ্গে সাবিলা নূর বলেন, অসংখ্য অফার এলেও আগে কখনো মিউজিক ভিডিওর মডেল হইনি। কিন্তু এই গানটি শুনে ভালো লাগল। ভাবলাম এবার নতুন কিছু করা যেতেই পারে। সবকিছু ব্যাটে-বলে মিলে যাওয়ায় কাজটি করেছি। খুব সুন্দর গল্পে ভিডিওটি নির্মিত হয়েছে। আশা করছি সবার ভালো লাগবে।

এদিকে আগামী ঈদের নাটকে অভিনয় নিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সাবিলা নূর।

বাপ্পা মজুমদারের ইউটিউব চ্যানেলে ‘এ কোন দ্বিধায়’

কণ্ঠশিল্পী হিসেবে ব্যস্ততার পাশাপাশি সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও বাপ্পা মজুমদার ব্যস্ত থাকেন। এসবের পাশাপাশি বাপ্পা মজুমদারের রয়েছে একটি ইউটিউব চ্যানেল।

‘বিএম’ নামের এই চ্যানেলে সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে পেন্টাগন ব্যান্ডের গায়ক আলী সুমনের গান ‘এ কোন দ্বিধায়’। মারুফ হাসানের কথায় গানটির সুর করেছেন বাপ্পা মজুমদার।

এ গান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আলি সুমন আসলেই চমৎকার একটি কাজ করেছেন। আমি অবশ্যই সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব আমার ইউটিউব চ্যানেলে গিয়ে অনন্য এই গানটি শোনার জন্য। শ্রোতাদের ভালো লাগলেই পরিশ্রম সার্থক হবে।

এদিকে পর্যায়ক্রমে আরও কিছু গান প্রকাশ হবে এই চ্যানেলটিতে। অন্যদিকে বাপ্পা মজুমদার একাধিক নতুন গানের প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এছাড়া ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ নামের সিনেমার সংগীত পরিচালনা করছেন।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েদের শুভ সূচনা

সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপে শুভ সূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

ভারতের জামশেদপুরে অনূর্ধ্ব-১৮ চ্যাম্পিয়নশিপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের মেয়েদের বিপক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশের মেয়েরা।

এ ম্যাচটিতে নেপালকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ। হিমালয়ের কন্যাদের বাংলার মেয়েরা হারিয়েছে ৪-২ গোলের বড় ব্যবধানে।

বাংলাদেশের হয়ে ম্যাচটিতে প্রথমটি গোলটি করেছেন আফ্রিদা। ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র ৪৬ সেকেন্ডের মাথায় বল জালে জড়াতে সমর্থ হন। বলা যায় নেপালের খেলোয়াড়রা ঠিকমতো প্রস্তুত হওয়ার আগেই লাল-সবুজের প্রতিনিদিদের এগিয়ে নেন আফ্রিকা।

বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন আকলিমা খাতুন। তিনি ৩৩ মিনিটের সময় বল জালে জড়ান। অবশ্য দ্বিতীয় গোলটি করার আগে বাংরাদেশ একটি গোল হজম করে বসেছিল।

এরপর ৩৫ মিনিটের সময় ইতি খাতুন দলের তৃতীয় গোলটি করেন। প্রথমার্ধের শেষ মূহুর্তে দলের চতুর্থ গোলটি করেন শাহেদা আক্তার রিপা।

বাংলাদেশ তাদের চারটি গোলের সবগুলোই পায় ম্যাচের প্রথমার্ধে। দ্বিতীয়ার্ধে নেপালীদের জাল ভেদ করতে পারেননি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। নেপাল শেষ দিকে আরেকটি গোল করে ব্যবধান কমায়।

এদিকে বাংলাদেশ তাদের পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে। স্বাগতিক ভারত নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৭-০ গোলের ব্যবধানে হারায়।

২০ বছরের খরা ঘুচবে কি এবার?

২০ বছর দীর্ঘ সময়। এতদিনেও দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন সংস্করণের ক্রিকেটের একটিতেও কোনো জয় নেই বাংলাদেশের। অপেক্ষা আরও দীর্ঘ করাটা বোধহয় উচিত হবে না। তাই বলে শুধু এই আশাটুকু করেই আজ সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ওডিআইতে খেলতে নামবেন না তামিম ইকবালরা।

এর চেয়েও বেশি কিছু বাতাস দিচ্ছে তাদের আশার পালে। গত জানুয়ারিতে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে যে ‘অসম্ভব’ সম্ভব হয়েছে, সেটিই বাংলাদেশের জন্য অনুপ্রেরণা। যদিও সেটি ছিল লাল বলের ক্রিকেট। তবুও নিউজিল্যান্ডে প্রথম জয়ই (তা-ও আবার আট উইকেটে) প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ভালো করার অনুপ্রেরণা।

সিরিজের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ওয়ানডে যথাক্রমে ২০ ও ২৩ মার্চ। এরপর দুদল দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে। প্রথম টেস্ট ডারবানে ৩১ মার্চ ও দ্বিতীয় টেস্ট ৮ এপ্রিল শুরু হবে পোর্ট এলিজাবেথে।

এই বিশাল পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়াটা খুবই সহজ। জীবনের মতো ক্রিকেটেও এই গূঢ় বাস্তবতা প্রাসঙ্গিক। পরাজয় যেমন জীবনের অংশ, জয়ও তেমনই বন্ধু হওয়ার জন্য হাত বাড়ায় কখনো কখনো। এবার তাহলে নয় কেন।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওডিআই সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে যখন শুরু হবে, বাংলাদেশে তখন বিকাল ৫টা। দিবারাত্রির ম্যাচ। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, নিজেদের কন্ডিশনে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘোরায়। গত জানুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাভুমাদের জন্য হতে পারে বড় অনুপ্রেরণা।

সেই সিরিজ জয়ই এই সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘অক্সিজেন’। গেল বছর পাকিস্তানের কাছে হোম সিরিজ হেরে আয়ারল্যান্ডে অ্যাওয়ে সিরিজ ড্র এবং শ্রীলংকার সঙ্গে হার প্রোটিয়াদের জন্য ধাক্কা হয়ে এসেছিল। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয় সেই ক্ষতে প্রলেপ দিয়েছে।

বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের সলতেও বাড়িয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ডে প্রথম জয়। সে কথা আগেই বলা হয়েছে। তাসমানিয়ান পারের দেশে যদি খরা ঘোচানো সম্ভব হয়, তাহলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি দক্ষিণ আফ্রিকায় নয় কেন?

আশান্বিত হওয়ার এক নয়, একাধিক কারণ রয়েছে। স্বাগতিকদের মতো সফরকারী দলও শক্তিতে পিছিয়ে নেই। যাব-না-যাব ধারাবাহিকের শেষ পর্বে সাকিব আল হাসান যাওয়ায় পূর্ণতা পেয়েছে দলের শক্তি। বলাই তো হয়, সাকিব হলেন ‘একে তিন’।

দলে ভারসাম্যের শেষ কথা। তামিম পেয়ে গেছেন পাঁচজন সম্মুখসারির বোলার। ৭ ও ৮ নম্বরে মেহেদী হাসান মিরাজ ও আফিফ হোসেনের উইলো হাতে নামা ব্যাটিং লাইনআপে গভীরতা বাড়াবে।

লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের সাম্প্রতিক জাজ্বল্যমান পারফরম্যান্স বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া দেবে। মুশফিক বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার, দক্ষিণ আফ্রিকায় যার সেঞ্চুরি রয়েছে।

২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর প্রথম ওডিআইতে হার না-মানা ১১০ রান করেছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংবান্ধব উইকেটে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম হতে পারেন ‘বাতিঘর’।

রইল টস প্রসঙ্গ। সুপারস্পোর্ট পার্কে টস জিতে ব্যাট করাটা সব সময় সুফল বয়ে আনে না। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে চারটি হারের নজির রয়েছে। সুতরাং…।

শেষে ছোট্ট একটা পরিসংখ্যান-সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২১টি ওয়ানডে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। জয় মাত্র চারটি। ১৭টিতে হার। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান ৩৯৭ সাকিবের। সবচেয়ে বেশি উইকেটও তার, ১৩টি।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পূর্ব ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোরে।

নিহতরা হলেন- নবীপুর গ্রামের আবু হাশেম মিয়ার স্ত্রী জমিলা আক্তার (৬৫) ও লাপাং গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী হেনা বেগম ৬০।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমিলা আক্তার বৃহস্পতিবার ভোরে শবেবরাতের রোজা রাখার উদ্দেশ্যে রান্না করতে গেলে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের দুই বোনকে ঢাকায় নেওয়ার পথেই তাদের মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলম বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে বড় বোন ও ঢাকা নেওয়ার পথে ছোট বোনের মৃত্যু ঘটে। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই বোনের শরীর ঝলসে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস লিকেজের ফলেই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান নুরু আজ্জম বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই বোনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারা ভোরে শবেবরাতের রোজা রাখার জন্য রান্না বসালে এ ঘটনা ঘটে।

চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫ আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ও পূর্ব বড় ভেওলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪জন জুয়াড়ি ও একজন মাদকাসক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

চকরিয়া থানাধীন মাতামুহুরি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আবদুল জব্বার বলেন,
বৃহস্পতিবার ভোররাতে চকরিয়া উপজেলার ভেওলা মানিকচর ইউনিয়নের বাক্কার পাড়া, বহাদ্দারকাটা স্কুল ষ্টেশন ও পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে একজন মাদকাসক্ত ও ১৪জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানান আইসি আবদুল জব্বার।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের ১৮৬৭ সনের প্রকাশ্যে জুয়া আইনের ৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউইয়র্কের স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে সোয়া লাখ শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির স্কুল থেকে নানা কারণে গত ৫ বছরে ঝরে পড়েছে সোয়া লাখ শিক্ষার্থী।

পাবলিক স্কুলের চ্যান্সেলর ডেভিড সি ব্যাংকস এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমান ও কোভিড সময়কালীন সমস্যা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া, ক্লাসে মাস্ক ম্যান্ডেট তুলে দেওয়া, যেসব শিক্ষার্থীর ওপর কোভিডের বিরূপ প্রভাব পড়েছে সেখান থেকে তাদের বের করে আনতে হবে।

নিউইয়র্ক পাবলিক স্কুলসমূহে রূপান্তর ও আস্থা গড়ে তোলার দর্শন নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন চ্যান্সেলর। পাশাপাশি গত পাঁচ বছরে যেসব শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে ঝরে পড়া রোধ করে তাদের উপযুক্ত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে স্কুলগুলোকে সহায়তাদানে মনোনিবেশ করা, জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত উচ্চমানের প্রযত্ন ও শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রমাণিত ধ্বনিবিজ্ঞান সাক্ষরতার শিক্ষা নির্দেশনা ব্যবহার করা, যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী তৃতীয় গ্রেডে পড়তে সক্ষম হয়।

শৈশবকালে ডিসলেক্সিয়া এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত অবস্থা শনাক্ত করতে নতুন যাচাই পদ্ধতির ব্যবহার করা, যেন আমরা অধিকতর কার্যকরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি। প্রাইভেট ও অলাভজনক সেক্টরের পার্টনারদের সাথে নতুন এবং গভীর সহযোগিতা তৈরি, যা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি অঙ্গীকার করা, যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী ডিপ্লোমাসহ হাইস্কুল গ্র্যাজুয়েট হয় এবং একটি ভালো চাকরি ও পেশার পথ পায়।

তিনি বলেন, ৩ জানুয়ারি যেদিন আমি দায়িত্ব নিই, সেদিন স্কুলে উপস্থিতির হার ছিল ৬৫ শতাংশ। আর ১ মার্চ তা ছিল ৮৯ শতাংশ। বিশ্ব মহামারির কারণে দীর্ঘ সময় যাবৎ যখন স্কুল বন্ধ ছিল, তখন ছেলেমেয়েদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এটা শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আমরা এ সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। ক্লাসরুম ও হলগুলোতে উদ্যম ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, স্কুলগুলো শুধু কোভিডের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে না। বিগত পাঁচ বছরে স্কুলগুলো ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থী হারিয়েছে। তিনি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থী হারানোর যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বের হয়ে আসার আহবান জানান