শনিবার ,১৫ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 374

আবারও সিনেমা পরিচালনায় রোজিনা

দর্শকনন্দিত চিত্রনায়িকা হিসেবেই পরিচিত রোজিনা। তবে সিনেমায় অভিনয় নিয়মিত না করলেও বেশ কিছু নাটক পরিচালনা করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে গত বছর ‘ফিরে দেখা’নামে একটি সিনেমা নির্মাণ করেন। সরকারি অনুদানে নির্মিত সিনেমাটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় আছে। ঠিক এ অবস্থায় আবারো নতুন সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন তিনি। নাম চূড়ান্ত না হওয়া সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন ঈদের পর। তার কিছুদিন পরেই এটির শুটিংও শুরু করার ইচ্ছা আছে তার।

এ প্রসঙ্গে রোজিনা বলেন, নাটক তো অনেকগুলোই বানিয়েছি। কিন্তু সিনেমা নির্মাণ নিয়ে এক ধরনের ভীতি ছিল মনে। প্রথম সিনেমাটি নির্মাণের পর সেই ভীতি কেটে গেছে। আশা করছি সব কিছু ঠিক থাকলে নিয়মিতই সিনেমা পরিচালনা করে যাব। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি সুস্থভাবে আগামীর সময়গুলো অতিক্রম করতে পারি।

এদিকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই চিত্রনায়িকা। এদিকে তার জন্মস্থান রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করেছেন তিনি। যেটি গত ১ মার্চ উন্মুক্ত হয়েছে সবার জন্য।

যে রেকর্ডে খালেদ প্রথম

যে রেকর্ডে খালেদ প্রথমসদ্য শেষ হওয়া ডারবান টেস্টে খুব বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ দল। আফ্রিকার মাঠে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও কাণ্ডজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের কারণে ২৭৪ রান তাড়ায় ২২০ রানেই হেরে যায় বাংলাদেশ। ডারবানে মাত্র ৫৩ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। এই মাঠে এর আগে ১৯৯৬ সালে ৬৬ রানে অলআউট হয়েছিল ভারত। ডারবান টেস্টে হারের জন্য ব্যাটসম্যানরাই দায়ী। বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দ্বিতীয় টেস্টে পেয়ার বা জোড়াশূন্য পেলেন খালেদ আহমেদ। টেস্টে একাধিকবার জোড়াশূন্য পাওয়া সপ্তম বাংলাদেশি তিনি। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনবার জোড়াশূন্য দেখেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার মঞ্জুরুল ইসলাম। এশিয়ার বাইরে এই প্রথম বাংলাদেশের ইনিংসের ১০টি উইকেটই পেলেন প্রতিপক্ষের স্পিনাররা। সব মিলিয়ে টেস্টে পাঁচবার বাংলাদেশ স্পিনারদের ১০ উইকেট দিয়েছে।

চোখের জলে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন টেলর

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মঞ্চে আর দেখা যাবে না রস টেলরকে। নিউজ়িল্যান্ডের হয়ে শেষ ম্যাচটি হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে তিনি খেলেছেন সোমবার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এই ম্যাচটিই তার শেষ ম্যাচ।

মাঠে নামার আগে এ দিন টেলরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেন বিপক্ষ দলের ক্রিকেটাররা। খবর স্কাই স্পোর্টসের।

ম্যাচশেষে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বিদায়বেলায় রীতিমতো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন টেলর। কোনোমতে তাকে কান্না চাপতে দেখা যায়।

এর আগে এই বছরের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজের শেষ টেস্ট খেলেন টেলর। কিন্তু নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ঘরের মাঠে খেলার জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছিলেন নিউজ়িল্যান্ডের এ কিংবদন্তি ব্যাটার।

তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে ১১২টি টেস্টে ৭৬৮৩ রান করেন টেলর। সর্বোচ্চ ২৯০, সেঞ্চুরি ১৯টি। পাশাপাশি ২৩৬টি ওয়ান ডে ম্যাচে ৮৬০৭ রান করেছেন তিনি। সেঞ্চুরির সংখ্যা ২১। আইপিএলেও একটা সময় ঝড় তুলেছিলেন টেলর।

এ দিন মাঠে ছিল টেলরের তিন সন্তান ম্যাকেঞ্জি, জন্টি ও অ্যাডিলেড। শেষ ওয়ান ডে ম্যাচে ব্যাট হাতে বাবাকে দেখতে বেশ খানিকটা সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।

শুরুতে নিউজ়িল্যান্ড ব্যাট করলেও দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ২০৩ রান হওয়ায় অপেক্ষার পালা বেড়ে গিয়েছিল। অবশেষে চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন টেলর।

তাকে ব্যাট হাতে নামতে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে করতালিতে অভিনন্দন জানান সেডন পার্কের দর্শকরা। শেষ পর্যন্ত ১৪ রান করেন টেলর। মারেন একটি ছয়ও। আবার নেদারল্যান্ডসের শেষ ব্যাটারের ক্যাচটি ধরে নিউজ়িল্যান্ডকে ১১৫ রানে ম্যাচ জিততে সাহায্য করেন বিদায়ী ব্যাটার।

টেলরকে বিদায়ী বার্তা পাঠিয়েছেন শচিন টেন্ডুলকারও। এ ক্রিকেট কিংবদন্তি গণমাধ্যমে লিখেছেন— ‘তোমার বিরুদ্ধে খেলার দারুণ অভিজ্ঞতা ভুলব না। যেভাবে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে তুমি নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছিলে, তা উঠতি ক্রিকেটার এবং খুদেদের কাছে প্রেরণা হয়ে থাকবে। অসাধারণ ক্রিকেট ক্যারিয়ারের জন্য অভিনন্দন।’

বিদায়বেলায় টেলর বলেন, ‘সবসময় চেয়েছিলাম দেশের হয়ে খেলতে। হাসিমুখে খেলে গিয়েছি। আশা করব, মাথা উঁচু করে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি।

সুজানগরে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে কাটা হচ্ছে সরকারি রাস্তার শত শত গাছ

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না, সাতবাড়িয়া, দুলাই ও নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি গ্রামের সরকারি ৮ কিলোমিটার রাস্তার পাশে লাগানো শত শত বাবলাগাছ কোনো নিয়মনীতি না মেনেই প্রকাশ্যে কেটে নেওয়া হচ্ছে।

গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য হবে প্রায় কোটি টাকা। জলবায়ুসহিষ্ণু বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার থেকে অপ্রয়োজনে গাছ না কাটা ও পতিত জমিসহ রাস্তার ধারে বেশি বেশি করে গাছ লাগানোর কথা বলা হলেও সরকারের এ নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে সাঁকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ইমান আলী নিজের স্বার্থে গাছগুলো নিধন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নাজমুল হাসান জানান, সাকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প নামে কোনো সংগঠনের এ অফিসে রেজিস্ট্রেশন করা নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা ইমান আলী বন বিভাগের বাগান মালী হিসেবে কর্মরত থেকে চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন। চাকরিকালে তার ছেলে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের একটি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত তুষারকে সভাপতি ও তিনি নিজেই নির্বাহী পরিচালক নাম ব্যবহার করে সাকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প গড়ে তোলেন। রেজিস্ট্রেশনহীন এই সংগঠনের নামে এ মূল্যবান গাছগুলি নিধন করে বিক্রি করা হচ্ছে।

এর আগে সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের হেমরাজপুর মুজিব বাধ থেকে মটপাড়া বিল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার, একই ইউনিয়নের কেস্টপুর হতে দূর্গাপুর হয়ে মতিয়ার বিল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার, সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের মুজিব বাধ হতে শ্যামনগর গ্রাম পর্যন্ত ১ কিলোমিটার, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের মুজিববাধ হতে জুঙ্গালভাঙ্গা হালট পর্যন্ত ১ কিলোমিটার, দুলাই ইউনিয়নের শান্তিপুর হতে কামারপাড়া পর্যন্ত ১ কিলোমিটার ও একই ইউনিয়নের চিনাখড়া হতে বগাজানি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার এবং খয়রান ব্রিজের মোড় হতে কাপালিপাড়া হয়ে মানিকহাট ইউনিয়নের উলাট পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তার পাশে তাদের লাগানো গাছ দাবি করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং দুস্কৃতকারীদের কবলে পরে বাগানে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে কর্তনের জন্য ইউএনও বরাবর আবেদন করেন ইমান আলী।

আবেদনপত্রে দেখা যায়, ওই সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষর। তবে নতুন রাস্তা নির্মাণ করার জন্য গাছগুলো কর্তন করা প্রয়োজন উল্লেখ করে দুলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহানের সুপারিশ সংবলিত স্বাক্ষর করা দেখা গেলেও তিনি আবেদনে উল্লিখিত সব তথ্য সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।

পত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রওশন আলী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে বনায়নের নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু সাঁকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প নামে ভুঁইফোড় ওই সংগঠনটি কোনো ধরনের সরকারি নীতিমালা না মেনেই শত শত বাবলাগাছ প্রকাশ্যে কেটে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

পাবনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাশ্যপী বিকাশ চন্দ্র সোমবার যুগান্তরকে জানান, সম্পূর্ণ অবৈধভাবে গাছগুলো কর্তন করা হচ্ছে। এ ধরনের গাছ কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট ওই সংগঠনের একটি রেজুলেশনসহ স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন করতে হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে লিখিত আকারে গাছকাটার জন্য রেজুলেশন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠাবেন। পরে পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে আবেদনটি পাবনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে (সামাজিক বন বিভাগ) এর নিকট পাঠাবেন।

এ বিষয়ে সাকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ইমান আলী জানান, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবগত করে নিয়ম মেনেই তিনি গাছ কাটছেন।

সুজানগর সামাজিক বনায়ন নার্সারী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে জীবিত ও কাটা ওই সব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে চাইলে আমরা সেটি করতে প্রস্তুত রয়েছি।

সুজানগরের ওসি আব্দুল হান্নান জানান, ভাঁয়না ইউনিয়নের দুর্গাপুরে অবৈধভাবে গাছ কাটা হচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে সাঁকো প্রতিবন্ধী সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ইমান আলীকে গাছ কাটার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলা হলেও তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রওশন আলী সোমবার জানান, রোববার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অবৈধভাবে কাটা গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। অবৈধভাবে এ গাছকাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির জানান, গাছ কাটার বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। যেহেতু এখন অবগত হলাম। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী সরকারি রাস্তার গাছ এ ভাবে প্রকাশ্যে কেটে নেওয়ায় ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান

জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ওনারস্ অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবান হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ওনারস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সম্পাদকের নেতৃত্বে অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভীন তিবরিজি কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বান্দরবান হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ওনারস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অমল কান্তি দাস, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, হোটেল মালিক পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াইচ প্রু মাস্টার, লুসাই মং মারমা, শুভ্রত দাস ঝুন্টু, জসিম উদ্দিন, রাজিব বড়ুয়া, মো. মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, হঠাৎ বান্দরবানের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে প্রবেশ করে রক্ষিত বর্ডার রেজিস্টার খাতা ও অফিসে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র টানা হেচঁড়াসহ তছনছ এবং হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে আগত পর্যটকদের হয়রানি করে আসছে ভ্যাট অফিসের মুষ্টিমেয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, হোটেল রিসোর্ট ব্যবসায়ীদের নিকট হইতে উৎকোচ দাবি করে। উৎকোচ না দিলে ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তা মানিক দত্ত ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ওয়াসিক বিল্লাহ হোটেল মালিক ও স্টাফদের ভয়ভীতিসহ মামলার দেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। যাহা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যদি ভ্যাট অফিসের অহেতুক এসব হয়রানি বন্ধ না হয়, তা হলে বান্দরবানের সব হোটেল মোটেল রিসোর্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণাও দেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

দুই সপ্তাহে ১০ হামলা প্রতিহতের দাবি ইসরাইলের

ইসরাইলের সেনাপ্রধান দাবি করেছেন, গত দুই সপ্তাহে তারা ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠনের কমপক্ষে ১০টি হামলা প্রতিহত করেছে।

সোমবার দেশটির বিমানবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে ইসরাইলের সেনাপ্রধান লে. জেনারেল আবিব কোচাবি এ তথ্য প্রকাশ করেন। খবর স্পুটনিকের।

মেজর জেনারেল টমের বারকে ইসরাইলের বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান উপলক্ষ্যে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তবে, কবে কখন এসব হামলা প্রতিহত করা হয়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি ইসরাইলের সেনাপ্রধান।

ইসরাইলে গত ফেব্রুয়ারিতে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনায় ১১ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ইসরাইলি পুলিশও রয়েছেন।

এ ঘটনার পর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

প্রথম রমজানে ফিলিস্তেনের জেনিন শহরে অভিযান চালিয়ে তিন মুসলিম যুবককে হত্যারও ব্যাখ্যা দিয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

তাদের দাবি, ফিলিস্তিনি ওই ৩ যুবক ইসলামি জিহাদ গ্রুপের সশস্ত্র সদস্য। তারা পশ্চিমতীরের জেনিন শহর থেকে ইসরাইলে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল।

ইউক্রেনে আটকেপড়া তুর্কিদের সমুদ্রপথে উদ্ধারের পরিকল্পনা

ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনে আটকেপড়া তুর্কি নাগরিকদের সমুদ্রপথে উদ্ধরের পরিকল্পনা করছে তুরস্ক।

তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার গত রোববার আঙ্কারায় এক অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে একথা বলেন। খবর স্পুনিকের।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে আটকেপড়া তুর্কি নাগরিকদের পাশাপাশি অন্য সব দেশের বেসামরিক লোকদেরও উদ্ধারের চেষ্টা করছে তুরস্ক।

আঙ্কারায় গত রোববার প্রথম রোজার ইফতার শেষে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের প্রচেষ্টায় শিগগিরই তুরস্কে আলোচনায় বসতে পারেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

এ সময় তিনি সেখানে যুদ্ধবিরতির প্রস্তার দেবেন। এ সময়ের মধ্যে আটকেপড়া নাগরিকদের উদ্ধার করে আনবে তুরস্ক।

মিলছে না নির্ধারিত দরে, ভোগান্তিতে গ্রাহক

আরেক দফা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ায় সাধারণ গ্রাহকরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। সীমিত আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি বাড়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাদের। এছাড়া খুচরা দোকানে সংকট না থাকলেও বিক্রি হচ্ছে না সরকারের বেঁধে দেওয়া দরে। এতে গত এক মাস ধরে সাধারণ গ্রাহকদের চরমভাবে নাজেহাল হতে হচ্ছে।

এদিকে রোববার বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে টানা তৃতীয় মাসের মতো দেশের বাজারে এলপিজির দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এপ্রিলের জন্য প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১১৯ টাকা ৯৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা মার্চে ১১৫ টাকা ৮৮ পয়সা এবং ফেব্রুয়ারিতে ১০৩ টাকা ৩৪ পয়সা ছিল। নতুন মূল্যহারে রান্নার কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ধরা হয়েছে ১৪৩৯ টাকা, যা মার্চে ১৩৯১ টাকা ছিল। এর আগের মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৪০ টাকা। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১৪৫০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া গ্রিন হাউজ সমিতির বাসিন্দা খুরশিদা বেগম বলেন, প্রতি মাসে দফায় দফায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে রান্নার ব্যয় বাড়ছে। ইতোমধ্যে সব খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ায় খুব নাজেহাল হতে হচ্ছে। সরকার সর্বশেষ ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৪৩৯ টাকা নির্ধারণ করলেও বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকা। দেখার যেন কেউ নাই। কেরানীগঞ্জ চুনকুটিয়া এলাকার খুচরা পর্যায়ে গ্রাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী সাফন এন্টারপ্রাইজের বাকের বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দাম বাড়তির কারণে দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেই এ দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। তবে আমরা সার্ভিস চার্জসহ ১৪৫০-১৫০০ টাকায় বিক্রি করছি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার যুগান্তরকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে সমন্বয় করা হয়েছে। সে দরেই বিক্রি করতে হবে। তবে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে, বিক্রেতারা বেশি দরে বিক্রি করছেন। এজন্য একাধিক টিম মাঠ পর্যায়ে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় বেশি দরে বিক্রির অনিয়ম পাওয়ায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিলগালা করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে। অনিয়ম পেলে দরকার হলে জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হবে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির জন্য প্রতি কেজি এলপিজি ৯৮ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০৩ টাকা ৩৪ পয়সা করেছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সে সময় ১২ কেজির দাম ১ হাজার ১৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২৪০ টাকা করা হয়েছিল। এছাড়া গত বছর ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করেছিল এ সংস্থা। এরপর থেকে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।

কোথায় যাবে মানুষ

রাজধানীর ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও নেই স্বস্তি। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা মানুষ। যানজট, চাঁদাবাজি, র্ছিনতাই, গ্যাস সংকট, দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি, সড়কে মৃত্যু, খুন, ডায়রিয়া-এমন নানা ভয়াবহ সংকট নিয়ে চলছে নগরবাসীর জীবন। কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের জীবন ওষ্ঠাগত। দুর্বিষহ এমন জীবনে এই মুহূর্তে কোথাও আশার আলো দেখছেন না তারা। সবার একটাই প্রশ্ন-যাবে কোথায় মানুষ।

এতদিন ঘরের বাইরে নানা ভোগান্তি পেরিয়ে বাসায় ফিরে অন্তত ঠিকমতো রান্নাটা করতে পারত রাজধানীর মানুষ। কিন্তু রমজান শুরুর পর থেকে ঢাকার বেশিরভাগ এলাকায় চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। রোজা রেখে বাসায় পছন্দের ইফতারিও তৈরি করতে পারছেন না অনেকে। কোথাও নির্দিষ্ট সময়ে গ্যাস এলেও অনেক এলাকায় চুলাই জ্বলছে না। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বাইরে থেকে খাবার কেনা অনেকটা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের’ মতো। বাসায় যখন গ্যাস নেই ঠিক সেই সময়ে আসে আরেক দুঃসংবাদ। ফের বাড়ানো হয়েছে এলপিজির দাম। এ নিয়ে চার মাসে অন্তত এর দাম বাড়ল চারবার।

রমজান শুরুর আগে থেকেই দ্রব্যমূল্য দফায় দফায় বাড়তে থাকে। তেলসহ কিছু পণ্য বাজার থেকে উধাও হয়ে যায়। সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই অনেকে ছুটছেন টিসিবির ট্রাকের দিকে। দ্রব্যমূল্য নিয়ে চারদিকে যখন হইচই এ সময় শুরু হয় রমজান। মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের নজর পড়ে রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের দিকে। ইফতারি তৈরির প্রতিটি পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। কয়েকদিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে একশ টাকায়। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে ইফতারি বাজারেও। পিয়াজু, বেগুনি, ছোলা থেকে শুরু করে হালিম সব আইটেমের দাম চড়া। ইফতারিতে ফলমূল সবারই প্রিয়। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য তা হয়ে উঠেছে দুষ্প্রাপ্য। রমজানকে কেন্দ্র করে সব ফলের দাম বেড়েছে। টেনে চালানো সংসারে ইফতার পণ্যের অতিরিক্ত খরচে দিশেহারা মানুষ।

জীবন সংসার চালাতে দিনের শুরুতেই মানুষকে পড়তে হচ্ছে সীমাহীন যন্ত্রণায়। রাজধানীর যানজট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে ঘর থেকে বের হলেই তা শুরু। যানজটে অলিগলি, প্রধান সড়ক সব জায়গায় স্থবিরতা। তীব্র গরমে এমন অসহনীয় যানজটে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। এক প্রকার যুদ্ধক্ষেত্র জয় করে তাদের যেতে হয় কর্মক্ষেত্রে। এ থেকে সহজে মুক্তি পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও দেখছেন না রাজধানীবাসী।

রাজধানীবাসীর জন্য আরেকটি আতঙ্কের নাম সড়ক দুর্ঘটনা। ঘর থেকে বেরোনোর পর আবার সুস্থ শরীরে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নই সবার মধ্যে। স্কুলগামী ছেলেমেয়ের হাত থেকে ঘাতকরা কখনো মা, কখনো বাবাকে কেড়ে নিচ্ছে। কেউ নিরাপদ নয়। রাজধানীতে মাসে গড়ে ১৫ থেকে ১৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে ঘাতক পরিবহণ।

কোথাও নিরাপদ নয় রাজধানীবাসী। সড়কে ওতপেতে থাকেন ভয়ানক ছিনতাইচক্র। জীবন সংসার চালাতে ভোরে বাসা থেকে বের হয়ে অনেকেই পড়ছেন ছিনতাইয়ের কবলে। সবকিছু কেড়ে নিচ্ছেন তারা। অনেককে আবার দিতে হচ্ছে জীবনও। শুধু ছিনতাইকারী নয়, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগে সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন নিরীহ মানুষ। গত ছয় মাসে রাজধানীতে ২০-এর অধিক মানুষ খুন হয়েছেন।

সংকট যেন মানুষের পিছু ছাড়ছেই না। করোনার মহামারি নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন করে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া। প্রতিদিন হাজারের বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে ভয়ের সৃষ্টি করেছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে চিন্তিত প্রতিটি পরিবার।

ঘরে-বাইরে এমন নানা সংকট আর অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করে বাঁচতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে। দুর্বিষহ জীবন থেকে মুক্তি পেতে সবাই প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন। সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপেই এ সংকট থেকে মুক্তি পেতে পারেন তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত মেরামতের নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর

ঈদ ও বর্ষা সামনে রেখে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও মহাসড়কগুলো দ্রুত মেরামত করে যানচলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি সোমবার সকালে সচিবালয়ে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনাসভায় এ নির্দেশ দেন।

দায়সারাভাবে কাজ না করে নিজ নিজ জায়গা থেকে সবাইকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা দিয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়কে কোথাও যেন যানজট না হয়, সেদিকে কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে।

বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) এলাকায় যানচলাচলে জনগণের যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সেদিকে নজরদারি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।