বুধবার ,৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 641

বিএনপির দেড় মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু আজ

কেরোসিন, ডিজেল, এলজিপি গ্যাসের দাম ও যানবাহনের ভাড়া বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সারা দেশে দেড় মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে আজ থেকে।

সোমবার থেকে লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করছে দলটি। এদিন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হবে।

এতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এ কর্মসূচি পালন করা হবে দেশব্যাপী।

ইউনিয়ন থেকে জেলা, মহানগর ও রাজধানীতে প্রাথমিক পর্যায়ে ছয় কোটি লিফলেট বিতরণ করবে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। পর্যায়ক্রমে একই ইস্যুতে আরও কর্মসূচি করার চিন্তা করছে দলটি।

বৃহস্পতিবার দলের যৌথসভায় এ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গত মাস থেকে ২০ দিন ধরে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি করছে বিএনপি ও তার অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, জনসম্পৃক্ত এসব কর্মসূচি করে কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের ভূমিকা, সক্ষমতা এবং সাংগঠনিক শক্তিসহ নানা দিক বিচার করতে চায় দলটির নীতিনির্ধারকরা।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত যৌথ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ৫ দিন সারা দেশে লিফলেট বিতরণ করবে বিএনপি।

এছাড়া ২৪ নভেম্বর থেকে তিন দিন যুবদল, ২৬ নভেম্বর থেকে তিন দিন কৃষক দল, ২৯ নভেম্বর থেকে তিন দিন স্বেচ্ছাসেবক দল, ৩ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন ছাত্রদল, ৫ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন মুক্তিযোদ্ধা দল, ৮ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন ওলামা দল, ১১ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন মৎস্যজীবী দল, ১৭ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন জাসাস, ২০ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন তাঁতী দল, ২৩ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন মহিলা দল ও ২৬ ডিসেম্বর থেকে তিন দিন শ্রমিক দল সারা দেশে লিফলেট বিতরণ করবে।

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সরকারবিরোধী আন্দোলনকে তীব্র থেকে তীব্রতর করা হবে।

হারুনের ওয়াকআউটের পর যা বললেন বিএনপির রুমিন ফারহানা

‘বর্তমান সংসদে অনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা রয়েছেন’- এমন মন্তব্য করায় সরকারদলীয় সদস্যদের তোপের মুখে পড়ে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হারুনুর রশীদ তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করলেও দলটির আরেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদেই ছিলেন।

পয়েন্ট অব অর্ডারের বক্তব্যে এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ওয়াকআউট করে সংসদটাকে খালি করে ফেললে বোধহয় সরকারি দলের সদস্যদের সুবিধা হতো। তবে এত বেশি সুবিধা আমরা দেব না।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। কিন্তু একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। গত ৯ বছরের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর তিন হাজার ৯৭০টি হামলা হয়েছে। সরকারি দলের কিছু সংসদ সদস্য প্রায়ই বলছেন হিন্দুরা দেশত্যাগ করছে, এজন্য তারা রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে দায়ী করছেন। অথচ সংবিধানে সব ধর্মের সমান অধিকারের কথা বলা আছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের পাশাপাশি অন্য ধর্মের সমান অধিকার দেওয়া আছে। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে সংখ্যালঘু কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে যখন সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হচ্ছে, তখন কেন সংখ্যালঘু নির্যাতন হয়। যে সরকার ক্ষমতায় আছে তারা দাবি করে- তারা ছাড়া আর কেউ সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেয় না। তাহলে তাদের সময় কেন এটা হচ্ছে, কেন এ ধরনের রিপোর্ট আসছে। বাস্তবতা হলো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে, অথচ একটি ঘটনারও বিচার হয়নি।’

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘নাসিরনগরে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আওয়ামী লীগ ইউনিয়ন পরিষদে মনোনয়ন দিয়েছিল। পত্র-পত্রিকায় সমালোচনা ওঠার পর বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু কেন মনোনয়ন দেওয়া হলো, এতেই সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়।’

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘কুমিল্লায় মূর্তির পাশে কুরআন শরিফ রাখার ঘটনার পর পুলিশের ওসির সামনে ফেসবুক লাইভ দেওয়া হয়। অথচ ওসি বাধা দেয়নি। চাঁদপুর, রংপুরে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের কর্মীদের নাম এসেছে। প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলছে, সংখ্যালঘুদের ওপর এসব হামলার সময় প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ছিল।’

১৬ ডিসেম্বর ঢাকা আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি

আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারতের রাষ্ট্রপতি এবং ভুটানের সাবেক রাজাকে ১৬ ডিসেম্বরের জন্য দাওয়াত দিয়েছি। ইতোমধ্যে ভারত দেশটির রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করলেও ভুটান থেকে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ভারতের রাষ্ট্রপতির ১৫ ডিসেম্বর তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। এজন্য ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবসে ভারতে এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে-দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ঘিরে প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র জানায়, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল নিকট প্রতিবেশী ভারত।

দিনটিকে স্মরণীয় করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করেন।

৬ ডিসেম্বর দিনটিতে ভারত আয়োজিত মৈত্রী দিবসের অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট কন্যা শেখ রেহানাকে অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারত মহাসাগরে একক আধিপত্য দেখতে চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘আইওরা-ঢাকা ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (আইওরা-ডিডিআই) প্রস্তাব করবে।

বুধবার ঢাকায় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওরা) কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের ২১তম বৈঠক আয়োজনের প্রাক্কালে রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আইওরা-ডিডিআইকে এ অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা আমাদের সংলাপ অংশীদারদের সহায়তা চাইব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইওরা-ডিডিআইর লক্ষ্য যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষিকরণ এবং দক্ষতা রয়েছে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, ‘ভারত মহাসাগর একটি বিশাল বিষয়… ভারতে আমাদের একটি নীতি আছে যে মহাসাগর উন্মুক্ত, অবাধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে এবং আমরা এখানে একক আধিপত্য দেখতে চাই না।’

ড. মোমেন বলেন, ঢাকা আশা করে যে আইওরা আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে এবং সবার জন্য অভিন্ন সমৃদ্ধির ভিত্তিতে একটি উন্মুক্ত, অবাধ, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তুলতে ইন্দো-প্যাসিফিক সম্পর্কের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি গঠন করবে। তিনি যোগ করেন, ‘এতে আমরা এই অঞ্চলে টেকসই সামুদ্রিক অর্থনীতির উৎসাহিত করতে পারব।’

আইওরা ২৩টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তঃসরকার আঞ্চলিক সংস্থা, যার ৯টি সংলাপ অংশীদার রয়েছে। এর লক্ষ্য হলো, ভারত মহাসাগর অঞ্চলের ভেতরে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়ন জোরদার। আইওরার সদস্য রাষ্ট্রের ১১ জনের বেশি মন্ত্রী পর্যায়েরসহ ১৫টিরও বেশি প্রতিনিধি দল ব্যক্তিগতভাবে এবং আট থেকে দশজন মন্ত্রী বা জুনিয়র মন্ত্রী এতে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন।

ড. মোমেন বলেন, ‘মোট প্রায় ৮০ জন প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন এবং তারা সবাই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আইওরা’র শীর্ষ সংস্থা কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের বার্ষিক ২১তম বৈঠকের আগে ১৫-২৬ নভেম্বর সিনিয়র কর্মকর্তাদের কমিটির ২৩তম সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মন্ত্রী পর্যায়ের ১২ প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বৈঠকে বাংলাদেশের আতিথেয়তা প্রদর্শন এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও মেরিন অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন। আলম বলেন, সম্মেলনে ২০২২-২৭ এর জন্য আইওরা’র একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, ছয়টি প্রধান ইস্যু ছাড়াও কোভিড-১৯ এর ওপর একটি ইন্টারেক্টিভ সংলাপ এবং টিকা চ্যালেঞ্জ নিয়েও মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

প্যারিস থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিসে দুই সপ্তাহের সরকারি সফর শেষে রোববার দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট রোববার সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

৩১ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের বন্দরনগরী গ্লাসগোয় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে কপ২৬ বিশ্বনেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে এবং অন্যান্য ইভেন্টে তিনি যোগদান করেন। গ্লাসগোয় অবস্থানকালে ১ নভেম্বর সকালে স্কটিশ ইভেন্ট ক্যাম্পাসে (এসইসি) কমনওয়েলথ প্যাভিলিয়নে ‘সিভিএফ-কমনওয়েলথ হাই লেভেল প্যানেল ডিসকাশন অন ক্লাইমেট প্রসপারিটি পার্টনারশিপ’ শীর্ষক একটি সাইড ইভেন্টে তিনি যোগ দেন। কমনওয়েলথের মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসির সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি কপ২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং একই অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। একই দিন বিকালে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যায় স্কটল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

২ নভেম্বর সকালে স্কটিশ প্যাভিলিয়নে ‘ওমেন অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করেন। স্কটল্যান্ডের ফাস্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জনের সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে কমনওয়েলথ সংবর্ধনায় তিনি যোগ দেন। বিকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রিন্স চার্লস সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর ইউকে মিটিং রুমে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বুথে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সঙ্গে তিনি পৃথকভাবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। সভাকক্ষ ৪-এ ‘ফোর্জিং এ সিভিএফ কপ২৬ ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি প্যাক্ট’ শীর্ষক সাইড ইভেন্টে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ‘ওয়ার্ল্ড লিডার্স সামিট’-এর সমাপনী পর্বেও তিনি অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় স্কটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার অ্যালিসন জনস্টোন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন। স্কটিশ পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ‘এ বাংলাদেশ ভিশন ফর গ্লোবাল ক্লাইমেট প্রসপারিটি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

৩ নভেম্বর দুপুরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে গ্লাসগো ত্যাগ করেন। ওইদিন লন্ডনে পৌঁছার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোইলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১ : বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ, বঙ্গবন্ধুর ওপর সিক্রেট ডকুমেন্টের আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এবং লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের নাগরিক সংবর্ধনাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন।

৯ নভেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে প্যারিসের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেন। একই দিন ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে পৌঁছার পরপরই শেখ হাসিনা এলিসি প্যালেসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেদিনই তিনি ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী জিন কাস্টেক্সের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন ম্যাটিগননে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

ইউনেস্কো সদর দপ্তরে ‘ইউনেস্কো-বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর দ্য ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ইউনেস্কোর ৪১তম সাধারণ সম্মেলন, প্যারিস শান্তি ফোরাম এবং ইউনেস্কোর ৭৫তম বার্ষিকী উদ্যাপনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন।

সফরের শেষ মুহূর্তে শেখ হাসিনা ১৩ নভেম্বর ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের নাগরিক সংবর্ধনায় ভার্চুয়ালি যোগদান করেন।

মাত্র ৪ মাসে কুরআনের হাফেজ হলেন চট্টগ্রামের স্কুলছাত্র

বাবার চাকরির সুবাদে থাকত চট্টগ্রামের পাহাড়তলি উপজেলায়। পড়ত পাশেই অবস্থিত পাহাড়তলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে। কিন্তু করোনা মহামারিতে স্কুলের দীর্ঘ বিরতি। সময়টি কাজে লাগানোর চিন্তা এলো মাথায়। পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে ঠিক করল অলস বসে না থেকে বিরতিতে পবিত্র কুরআন মুখস্থ করবে, হাফেজ হবে।

এতদিনে পাহাড়তলি ছেড়ে চলে আসা হয়েছে জন্মস্থান আনোয়ারায়। হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হল আনোয়ারার আল জামেয়া আরবিয়া ইয়াহইয়াউল উলুম (বোয়ালিয়া হোসাইনিয়া নতুন মাদরাসা)-এর হিফজ বিভাগে। অবাককরা বিষয় হলো-মাত্র ১২১ দিনে পুরো কুরআনে কারিম মুখস্থ করে হাফেজ হল এই কিশোর।

বলছিলাম চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার অন্তর্গত ধোয়ালিয়া গ্রামের মুহাম্মদ ইদ্রিসের ছেলে সফওয়ানের (১৩) কথা। গত ৮ নভেম্বর তার হিফজ সম্পন্ন হয়।

মেধাবী এ কিশোর সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম তার বড় ভাই হাফেজ মুহাম্মদ সুলাইমানের কাছে।
যুগান্তরকে তিনি বলেন, আমরা চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে সফওয়ান সবার ছোট। খুবই নরম প্রকৃতির ও। স্কুলে পড়তে চাইত। কিন্তু এক্ষেত্রে বলা যায়-করোনা আমাদের জন্য ‘কল্যাণ’ নিয়ে এসেছে। করোনার বিরতিতে ও হিফজ পড়তে আগ্রহ প্রকাশ করে। পরে আমরা পরিবারের সবাই ওকে মাদরাসায় ভর্তি করাই এবং বিস্ময়করভাবে মাত্র ১২১ দিনে হিফজ শেষ করল আলহামদুলিল্লাহ! ওর এই কীর্তিতে আব্বু-আম্মু এতটাই খুশি হয়েছে যে, গতকাল দুজনের চোখেই আনন্দাশ্রু ছিল।

সফওয়ান কি এখন মাদরাসায়-ই পড়বে নাকি স্কুলে ফিরে যাবে-বড় ভাইকে এ প্রশ্ন করলে তার উত্তর, ‘ও এখন দুটিই চালিয়ে যাবে; সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সফওয়ান ধর্মীয় শিক্ষাও অর্জন করতে চায়। সবার কাছে তার সফলতার জন্য দোয়া চাই।’

সফওয়ানের হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ আত ত্বলহা বলেন, ‘আমাদের এখানে ভর্তি হবার পর থেকেই দেখি-ও খুব মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছেলে। প্রতিদিন সে পবিত্র কোরআনের ৫ থেকে ৭ পৃষ্ঠা মুখস্থ শোনাত। আমরা এরকম মেধাবী খুব কম ছাত্রই পাই। ওকে নিয়ে আমরা গর্বিত। আল্লাহ ওকে অনেক বড় বানাবেন-এই দোয়া করি।’

এদিকে স্কুল পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ১২১ দিনে (চার মাসে) হাফেজ হওয়ার প্রেরণার উৎস সম্পর্কে সফওয়ান বলেন, আমার শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা আমাকে খুব সাহায্য করেছে। আর আব্বু-আম্মুর দোয়া তো ছিলই। তবে আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ সামর্থ দিয়েছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমি তার অসংখ্য শুকরিয়া আদায় করছি।

মৃত ব্যক্তির ছুটে যাওয়া নামাজের জন্য কি কাফফারা দিতে হবে?

কোনো ব্যক্তির জীবদ্দশায় নামাজ ছুটে গিয়ে থাকলে যদি মৃত ব্যক্তি তার সম্পদ থেকে তার নামাজের কাফফারা আদায়ের জন্য ওসিয়ত করে যায়, আর তার নিজের মালও থাকে, তাহলে তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকে কাফফারা আদায় করতে হবে।

আর যদি তার কোনো সম্পদ না থাকে, বা সে মাল রেখে গেছে কিন্তু কোনো কাফফারা আদায়ের ওসিয়ত করে যায়নি। তাহলে মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কাফফারা আদায় করা আত্মীয়দের ওপর জরুরী নয়। তবে স্বজনদের কাফফারা আদায় করে দেওয়াই উত্তম। এর দ্বারা মৃত ব্যক্তি শান্তি পায়।

কাফফারার পরিমাণ হল, প্রতিদিন বিতরসহ ছয় ওয়াক্ত নামাজ হিসেব করে প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য পৌনে দুই সের গম বা আটা অথবা এর বাজার মূল্য গরীব মিসকিনকে মালিক বানিয়ে দিতে হবে। অথবা প্রতি ওয়াক্তের বদলে একজন গরীবকে দুই বেলা তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়াতে হবে।

সূত্র: ফাতাওয়া শামী-২/৭২

হৃদরোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় হাঁটাচলা

সচেতন হতে হবে খাওয়া-দাওয়া আর খানিকটা চালচলনে। বড় ধরনের পরিবর্তন না এনেই সুস্থ থাকা যায়। শারীরিক নানা ধরনের ব্যায়াম করে শরীরকে বশে রাখা যায়। কষ্টের ব্যায়াম না করে সহজ উপায় হল হাঁটা। টানা ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটলে রক্তে চলমান চর্বি ফুরিয়ে আসে। তাই অফিস থেকে বাড়িতে ফেরার পথে খানিকটা পথ হেঁটেই ফিরুন। শারীরিক সক্ষমতা থাকলে অফিস কিংবা বাড়িতে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়িতেই চড়ুন। হাড় ও হার্ট দুটিই ভালো থাকবে।

হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুকি কমাতে হাঁটাহাটির ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ।

যে কোনো বয়সের মানুষের শরীর ঠিক রাখতে হলে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সব ব্যায়াম সব বয়সের জন্য উপযোগী নয় এবং সব ব্যায়াম করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম, যা সব বয়সের জন্য মানানসই। সহজে করা যায়। হাঁটার উপকারিতাও অনেক। এর চেয়ে সহজ ব্যায়াম আর নেই। সব বয়সের মানুষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এ ব্যায়াম কম খরচে শরীর ভালো রাখা যায়। ঘরে-বাইরে যে কোনো জায়গায় করা যায়। ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতা অনুযায়ী এর তীব্রতা বাড়ানো-কমানো যায়। উপযুক্ত পোশাক এবং এক জোড়া ভালো জুতা ছাড়া কোনো অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন পড়ে না।

ডায়াবেটিস রোগীর উপকার

ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত হাঁটাচলা, হাট-বাজারে কোথাও গেলে অল্প দূরত্বে রিকশা বা গাড়ি ব্যবহার না করা। অল্প কয়েক তলার জন্য লিফট ব্যবহার না করে হেঁটে ওঠা বা নামার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন বা সপ্তাহে মোট ১৫০ মিনিট হাঁটলে এবং শরীরে ওজন সাত শতাংশ কমালে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা কমে প্রায় ৫৮ ভাগ। যদি ডায়াবেটিস হয়েই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও হাঁটা বিশেষ কার্যকর। হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং রক্তের সুগার কমে, ওষুধ কম লাগে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের অন্যতম একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হচ্ছে অলস জীবনযাপন করা, স্থূলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া। হাঁটাচলা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমে যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসে। দৈনিক এক ঘণ্টা করে সপ্তাহে পাঁচ দিন হাঁটার মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ

অনেকেই শরীরের ওজন কমাতে শুধু ডায়েটিং করেন। কিন্তু হাঁটাহাঁটি না করে বা অলস জীবনযাপন করে শুধু ডায়েট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব নয়। দীর্ঘ মেয়াদি ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মূল চাবিকাঠি স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার এবং নিয়মিত হাঁটাচলা।

হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা

নিয়মিত হাঁটার ফলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। হৃদযন্ত্র স্বল্প চেষ্টায় শরীরে বেশি পরিমাণে রক্ত সরবরাহ করতে পারে এবং ধমনির ওপরও চাপ কম পড়ে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশংকা কম থাকে। হাঁটার মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত হাঁটলে শরীরে জমে থাকা মেদ কমে। রক্তে মন্দ কোলেস্টেরল বা লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন কমে যায়। এই মন্দ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ধমনির গায়ে জমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। যারা সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা অথবা দৈনিক আধা ঘণ্টা করে হাঁটেন, তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম। হাঁটার ফলে ভালো কোলেস্টেরল বা হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন বাড়ে। ফলে রক্তনালিতে ব্লক সহজেই হয় না। রক্তনালির দেয়াল শক্ত হয়ে যায় না। তাই হৃদরোগের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি কমে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

হাঁটা ও কর্মক্ষমতা

হাঁটার সময় হৃৎস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি এবং রক্ত সরবরাহ বাড়ে। এগুলো বেশি কর্মক্ষম থাকে। হাঁটার ফলে পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে ফলে পেশির শক্তি বাড়ে। শরীরের ওজন কমে। শরীর থাকে ফিট। নিজেকে বেশি শক্তিশালী মনে হয়। সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটাচলা অনেকটা উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের মতো কাজ করে। হাঁটার ফলে উচ্চরক্তচাপ হয় না এবং আগে থেকেই উচ্চরক্তচাপ থাকলে তা কমিয়ে রাখে।

টিপস

* হাঁটা শুরু করার প্রথম ৫-১০ মিনিট এবং শেষের ৫-১০ মিনিট আস্তে হেঁটে শরীরকে ওয়ার্ম আপ এবং ওয়ার্ম ডাউন করুন।

* হাঁটার আগে এবং পরে একটু পানি পান করুন।

* খাওয়ার পরপরই হাঁটবেন না। ৪৫ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

* দুপুরে রোদে হাঁটবেন না। সকাল বা বিকালের একটি সময় বেছে নিন।

* হাঁটা শেষ করে এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে কিছু খেয়ে নিন।

* হাঁটায় উপকারিতা পেতে অবশ্যই সপ্তাহে অন্তত তিন বা চার দিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে হাঁটতে হবে। হাঁটতে হবে যথেষ্ট দ্রুত, যেন শরীরটা একটু ঘামে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে

কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি হাঁটা চলার মাধ্যমে কমানো সম্ভব বলে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে। ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সার স্টাডিতে প্রকাশিত আরেক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে হাঁটার ফলে খাদ্যনালির নিন্মাংশের ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ হ্রাস পায়। দীর্ঘমেয়াদি কোষ্টকাঠিন্য দূর হয়। কোলন বা বৃহদান্ত্রের ক্যান্সারের আশংকাও কমে যায়।

হাড়ের ক্ষয়রোগ রোধে

পোস্ট মেনপোজাল (রজঃনিবৃত্তি পরবর্তী) নারী এবং বয়স্ক পুরুষদের সাধারণ রোগ হচ্ছে অষ্টিও পোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়রোগ। এ রোগে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। সামান্য আঘাত বা অল্প উচ্চতা থেকে পড়ে গিয়ে হাড় ভেঙে যেতে পারে। নিয়মিত হাঁটাচলা এ ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, রজঃনিবৃত্তি-পরবর্তী বয়সে যেসব নারী প্রতিদিন অন্তত এক মাইল হাঁটেন, তাদের হাড়ের ঘনত্ব কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি। হাঁটার ফলে যেমন হাড় ক্ষয়ের প্রবণতা হ্রাস পায়, তেমনি আর্থ্রাইটিসসহ হাড়ের নানা রোগ হওয়ার আশংকাও কমে যায়।

মানসিক স্বাস্থ্য

হাঁটলে মস্তিষ্কে ভালো লাগার কিছু পদার্থ এনড্রফিন, ডোপামিন, সেরেটোনিন নিঃসরণ হয়। ফলে মন-মেজাজ ভালো থাকে। হাঁটার ফলে মনে ভালো লাগার অনুভূতি জাগে, মানসিক চাপ কম বোধ হয়। এনড্রফিন নামক রাসায়নিকের ক্রিয়া বেড়ে গেলে ঘুম আরামদায়ক হয়। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ দিন হাঁটার ফলে বিষণœতার উপসর্গ ৪৭ শতাংশ হ্রাস পায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা সপ্তাহে অন্তত দেড় ঘণ্টা হাঁটেন তাদের বোধশক্তি ৪০ মিনিটের কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি।

হাঁটার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। যে কোনো ধরনের হাঁটাই উপকারী।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি

জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ছয় পদে ৫৯ জনকে নিয়োগ দেবে প্রতিষ্ঠানটি। তবে শুধু কুমিল্লা জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা এতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হবে অনলাইনে।

 

পদের নাম: অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২৯ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: বেয়ারার (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ২ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: সহকারী বাবুর্চি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: মালি (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী (গ্রেড-২০)
পদ সংখ্যা: ১৪ জন
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাস।
বেতন: ৮,২৫০ থেকে ২২,৪৯০

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা https://dccumilla.teletalk.com.bd/-এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৪ ডিসম্বের ২০২১

অন্যরকম সংক্ষিপ্ত এসএসসি পরীক্ষা শুরু আজ

অবশেষে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এবং প্রতি বিভাগে তিন বিষয়ে (নৈর্ব্যক্তিক) পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথম দিন সকালে হবে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা।

আগামীকাল সকালে মানবিকের বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং বিকালে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা। এবার সর্বমোট পরীক্ষা দিচ্ছে ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ শিক্ষার্থী।

গত বছরের চেয়ে এই সংখ্যা বেড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন। গত বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন। অন্যান্য বছর পরীক্ষার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হলেও এবার ৩০ দিনে শিক্ষার্থীরা ফল পেয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেই হিসাবে সাড়ে ৯ মাস পর হচ্ছে পরীক্ষাটি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদেরকে নিজের আসনে বসতে হবে। যৌক্তিক কারণে কারও দেরি হলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্ব হওয়ার কারণ রেজিস্টারে উল্লেখ করে প্রবেশ করতে হবে। কেন্দ্রসচিব এসব পরীক্ষার্থীর তালিকা প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাবেন।

এবারে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসিতে অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৯৯৮ জন। এছাড়া দাখিলে ৩ লাখ ১ হাজার ৮৮৭ এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ১ লাখ ২৪ হাজার ২২৮ জন পরীক্ষার্থী আছে। পাশাপাশি বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ৪২৯ জন পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছে। সারা দেশে এসএসসিতে ৩ হাজার ৬৭৯টি, দাখিলে ৭১০টি এবং এসএসসি ভোকেশনালে ৭৬০টি কেন্দ্র আছে। গত বছরের চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৫১টি আর কেন্দ্র ১৬৭টি বেড়েছে।

বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, শনিবার করোনা আক্রান্ত আর হাত-পা ভাঙা রোগীরা বিশেষ অনুমতি নেওয়ার জন্য ভিড় জমাচ্ছে। ঢাকা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত একজন করোনা রোগী ও ৭-৮ জন হাত ভাঙা রোগী এসেছে, যারা বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দিতে চান। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, হাত ভাঙা রোগীরা প্রতিবন্ধীর মর্যাদায় শ্রুতিলেখক নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারছে। তবে সর্বোচ্চ অষ্টম শ্রেণি পাশ শিক্ষার্থীদের শ্রুতিলেখকের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। আর করোনা রোগীরা আইসোলেশনে থেকে পরীক্ষা দিতে পারবে।

নকলমুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে ইতঃপূর্বে ৯ দফা নির্দেশনা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রশ্নফাঁস রোধে মুদ্রিত প্রশ্নপত্রের সবকটি সেট ট্রেজারি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিতে বলা হয়।

অন্যদিকে স্বাস্থ্যবিধি সুরক্ষায় পরীক্ষাকেন্দ্রে একজনের বেশি অভিভাবক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে না যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। নির্দেশনার মধ্যে আরও আছে-যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে পরীক্ষার্থীদের; কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কেন্দ্রসচিব ছাড়া কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না; কেন্দ্রসচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে; প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিতে হবে।

ট্রেজারি বা থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশ প্রহরায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি ছাড়া প্রশ্ন বের করা যাবে না বা বহন করা যাবে না।

এবারের এই পরীক্ষা হচ্ছে সংক্ষিপ্ত (কাস্টমাইজড) সিলেবাসে। অনুরূপভাবে ১০০-এর পরিবর্তে ৫০ নম্বরে নেওয়া হচ্ছে পরীক্ষা। তবে পরীক্ষায় প্রশ্নের বিকল্পসংখ্যা আগের মতোই থাকছে।

যেমন: বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদেরকে আগে ৮টি সৃজনশীল প্রশ্নের মধ্যে ৫টির উত্তর দিতে হতো। এখন ৮টির মধ্যে ২টির উত্তর দিতে হবে। মানবিক এবং বিজনেস স্টাডিজে ১১টির মধ্যে উত্তর করতে হবে ৩টি।

এমসিকিউ-এর ক্ষেত্রে মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ৩০টির মধ্যে ১৫টি আর বিজ্ঞানে ২৫টির মধ্যে ১২টির উত্তর করতে হবে। পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টার পরিবর্তে দেড় ঘণ্টা। অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ১৫ মিনিট সময় বেশি পাচ্ছে।

বিজ্ঞানে ২৫ নম্বরের ব্যাবহারিক, ২৫ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৫০ নম্বরের সিকিউ প্রশ্ন হতো। আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ব্যাবহারিকবিহীন বিষয়ে ৭০ নম্বরে সিকিউ ও ৩০ নম্বরে এমসিকিউ পরীক্ষা হতো।

এবারও নির্ধারিত পূর্ণমানের মধ্যে শিক্ষার্থী যা পাবে, সেটা শতভাগে রূপান্তর করা হবে। প্রত্যেক বিভাগে ৩টি করে বিষয়ের পরীক্ষা হচ্ছে। বাকি বিষয়ে জেএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের প্রবণতা দেখে নম্বর দিয়ে এসএসসি ও সমমানে ফল দেওয়া হবে। ২৩ নভেম্বর শেষ হবে এই পরীক্ষা।

বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, প্রশ্নপত্রের সুরক্ষা নিশ্চিতে অন্যান্য ব্যবস্থার একটি হচ্ছে, ট্রেজারি বা থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনি প্রশ্নসহ রচনামূলক বা সৃজনশীলের সব সেটের প্রশ্নই নিতে হবে; সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে; কেন্দ্রের দয়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্রসচিব ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে; পরীক্ষা চলাকালীন এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠানের আগে বা পরে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

এসময়ে কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে; অনিবার্য কারণবশত কোনো পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সেই সময় থেকে যথারীতি প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় দিতে হবে; পরীক্ষাকেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে।