বুধবার ,১৩ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 596

আফগান শরণার্থী শিশুটি এখন ব্রিটেনের নামকরা ব্যারিস্টার

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান থেকে বাবা-মায়ের হাত ধরে পালিয়ে আসা শরণার্থী শিশুটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা ব্যারিস্টার।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রথম আফগান নারী ব্যারিস্টার রেহানা পোপাল এখন তার দেশের নারীদের কাছে ভরসার প্রতীক। খবর বিবিসির।

যে কোনো আইনি সহায়তার জন্য ৩১ বছর বয়সি এ আফগান ব্যারিস্টার নিঃস্বার্থভাবে তার দেশের মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন।

তার শিশুকালে আরও তিন ভাইবোনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে আসেন রেহানা। মেধাবী এ আফগান নারী এখন বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায়।

সমাজ, সংস্কৃতি ও বিশ্বকে নতুন করে সাজাতে যে নারীরা ভূমিকা রেখেছেন, এ তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এবারের তালিকায় নাম থাকা ১০০ নারীর মধ্যে অর্ধেকই আফগানিস্তানের নাগরিক। আফগানিস্তানে কাজ করতে গিয়ে দমন-পীড়নের শিকার হওয়া নারীদের উৎসর্গ করে এবারের তালিকায় ৫০ জন আফগান নারীকে রাখা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এবং ছবি দেননি।

এ ছাড়া তালিকায় স্থান পেয়েছেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই, সামোয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ফিয়ামে নাওমি মাতাফা, ভারতের আইনজীবী ও অধিকারকর্মী মঞ্জুলা প্রদীপ, সাবেক আফগান নারী পুলিশ সদস্য মোমেনা ইব্রাহিমি, আফগানিস্তানের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের প্রথম নারী পাইলট মহাদেসি মিরজায়ির মতো নারীরাও।

প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি থিমের ভিত্তিতে প্রভাবশালী নারী বাছাই করা হয়। এ বছরের থিম হলো- ‘পৃথিবীর বদলে নারী’।

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির কারণে অনেক মানুষই তাদের জীবনযাপনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জীবনযাপনে পরিবর্তন ও যাপনের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে যে নারীরা ভূমিকা রেখেছেন, তারা তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বিবিসির একটি দল ১০০ প্রভাবশালী নারীকে বাছাই করার জন্য কাজ করে থাকে। এ দলের সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী নারীদের নামের তালিকা জমা দেন।

এর পর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নেটওয়ার্কের ভাষা নিয়ে কাজ করা দলের পরামর্শ অনুযায়ী ছোট একটি তালিকা তৈরি করা হয়। যেসব প্রার্থী গত এক বছরে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন, কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন কিংবা সমাজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছেন; তাদেরই মূলত নির্বাচন করা হয়।

শিল্পঋণ বিতরণ বাড়ল ১২.৩৯ শতাংশ

চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তবে এ সময় ঋণ আদায় কমেছে ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার ধাক্কা সামলে নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এখনো পুরোপুরি ভয় কাটিয়ে উঠতে পারছেন না উদ্যোক্তারা। ইতোমধ্যে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে শঙ্কিত বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব। এ কারণে এখন হাতে টাকা জমা রাখতে চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। করোনার তৃতীয় ধাক্কায় লকডাউনের মতো কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ব্যবসা পরিচালনা খুবই কঠিন হবে। তাই ব্যাংকের কিস্তি পরিশোধে গড়িমসি করছেন অনেক উদ্যোক্তা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে প্রায় এক লাখ ছয় হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালের একই সময়ে ছিল প্রায় ৯৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১১ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা বা ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এদিকে শিল্পঋণ বিতরণের বিপরীতে আদায়ের হার ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ কম হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিল্প খাতে ঋণ আদায় হয়েছে প্রায় ৮২ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালের একই সময়ে ছিল প্রায় ৮৪ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শিল্প খাতে ঋণ আদায় কমেছে এক হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিতরণ করা শিল্পঋণের মধ্যে ছয় লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এই অঙ্ক আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বকেয়া ছিল পাঁচ লাখ ৭১ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা। শিল্প খাতে বিতরণ করা ঋণের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণের অঙ্ক ৮৪ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালের একই সময়ে ছিল ৮৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত বছর জুনে দেশে করোনার সংক্রমণ ও প্রাদুর্ভাবের কারণে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ কমেছিল, তবে সরকারের বিশেষ প্রণোদনার ঋণপ্রবাহ বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে খুব বেশি উন্নতি হয়নি। গত অক্টোবর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে শিল্প খাতের মেয়াদি ঋণ বিতরণ ৪ শতাংশ বা ৬১৮ কোটি টাকা কমেছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিল্প খাতে মেয়াদি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালের একই সময়ে ছিল ১৫ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা। বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পে মেয়াদি ঋণ বিতরণের অঙ্ক যথাক্রমে ০.৬০ ও ৯.৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও মাঝারি শিল্পে ৩৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। চলতি মূলধন ঋণ বিতরণের পরিমাণ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ছিল ৭৯ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা। তবে এক বছর পর ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯১ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পে চলতি মূলধন ঋণ বিতরণের অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে যথাক্রমে ১৪.৩৪, ১৯.৬৫ ও ২৪.৩০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ছয় হাজার ৫৯৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার শিল্পঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। এর মধ্যে বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পে যথাক্রমে ১২.২৬, ৬.৭৮ ও ২১.২৮ শতাংশ বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বিতরণ করা ঋণের মধ্যে শিল্পের আকার অনুযায়ী বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের হার যথাক্রমে ৮১.৮৬, ৯.৮২ ও ৮.৩১ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, করোনা মহামারি পরিস্থিতির কিছু উন্নতি হওয়ায় শিল্পঋণের চাহিদা বেড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে শিল্প খাত উল্লেখযোগ্য অবস্থানে চলে আসবে।

পুঁজিবাজার উন্নয়নে শিগগির দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত

আগামী এক মাসের মধ্যে পুঁজিবাজার উন্নয়নে দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত দেখা যাবে-এমন মন্তব্য করেছেন পুঁজিবাজার সমন্বয় ও তদারকি কমিটির প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দীন আহমেদ।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

এদিন সকাল সোয়া এগারোটায় বৈঠক শুরু হয়ে চলে প্রায় দুটা পর্যন্ত। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে একটি প্রতিনিধি দল এবং বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেন অংশগ্রহণ করেন।

পুঁজিবাজার সমন্বয় ও তদারকি কমিটির প্রধান মফিজ উদ্দীন বলেন, গত ২০১৯ সালে এই কমিটি একটি বৈঠক করেছিল। এরপর করোনার কারণে আর কোনো বৈঠক করা হয়নি। দীর্ঘদিন পর এ কমিটি বৈঠক করেছে। তবে আজকের (মঙ্গলবার) বৈঠকে কমিটির ‘ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। ২০১৯ সালে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যেসব আলোচনা হয়েছিল, তার বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে কথা হয়েছে। কিছু তথ্যের ঘাটতি পাওয়া গেছে। সে তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির কাছে। এ কমিটি আরও একটি বৈঠক চলতি মাসের শেষ অথবা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে করবে। ওই বৈঠকে দৃশ্যমান সিদ্ধান্ত আসবে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে যেসব বিষয় সিদ্ধান্ত ছিল কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাড়াতে কর প্রণোদনা দেওয়া, অনেক শিল্প কোম্পানি ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণ বাড়ছে-এক্ষেত্রে শিল্পের অর্থায়নের জন্য পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে কাজে লাগানো, ভালো মৌল ভিত্তি শেয়ার বাজারে নিয়ে আসা। এছাড়া বাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং পুঁজি বাজার যাতে সঠিক আচরণ করে এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব পালন করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য বন্ড মার্কেটকে আরও উন্নত, পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিশেষ তহবিল গঠন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের বিনিয়োগ পুঁজিবাজার এক্সপোজারের বাইরে রাখা নিয়ে আলোচনা হয়।

পুঁজিবাজার প্রতিনিয়ত অস্থিরতা আচরণ করছে, আজকের বৈঠকে বাজারের বা গ্রাহকের জন্য ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কিনা-জানতে চাইলে কমিটির প্রধান বলেন, পুঁজিবাজার যাতে আগামীতে ভালো হয় সেজন্যই আজকের বৈঠকে বসা। বাজার খারাপের জন্য বৈঠক করা হয়নি। সরকার সব সময় বাজার উন্নয়নে কাজ করছে। তবে পুঁজিবাজার নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। যেসব বিষয় নিয়ে মতভেদ, সেগুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে আরও একটি বৈঠক করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, সেই বৈঠকের পরই ‘দৃশ্যমান কিছু দেখা যাবে।’

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিট গণনা পদ্ধতি আর বন্ডে বিনিয়োগ এই সীমার বাইরে থাকবে কিনা-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো খুবই সেনসিটিভ ইস্যু। এ ব্যাপারে এখনই কোনো কথা বলতে চাইছি না। এর জন্য আপনাদের পরবর্তী বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী বৈঠক হবে।

খালেদা জিয়া এত অসুস্থ বর্ণনা করতে পারব না

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। এত অসুস্থ যে আমি বর্ণনা করতে পারব না। তার চিকিৎসকরা সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার আশু প্রয়োজন বিদেশে উন্নত সেন্টারে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা। ৪০১ ধারায় পরিষ্কার বলা আছে, শুধু সরকারই পারে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে। এখানে আইন কোনো বাধা নয়। বাধা হচ্ছে সরকার যারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। যারা জনগণকে প্রতারণা, ভুল বুঝিয়ে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে।

মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আইনজীবীদের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে এই সমাবেশ হয়। এতে শনিবারের মধ্যে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে না পাঠালে ‘সর্বাত্মক আন্দোলনে’ যাওয়ার ঘোষণা দেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, এই সরকারকে তিন দিন সময় দিলাম। এর মধ্যে যদি বিদেশে পাঠানো না হয় রোববার আইনজীবীরা বাংলাদেশব্যাপী অনশন ধর্মঘট করবেন। এরপরও যদি সরকার সোজা না হয় জানি না কী হবে। এমন সময় আসবে আন্দোলনে আন্দোলনে রাজপথে আগুন জ্বলবে, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলবে। সেই দিনটা বেশি দূরে নয়। ঢাকা বারসহ দেশের বারগুলো থেকে সহস্রাধিক আইনজীবী এ সমাবেশে অংশ নেন। এ সময় খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তরুণ আইনজীবীদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী ও অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, অ্যাডভোকেট মীর নাসির উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট আবদুল গাফফার মিয়া, অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আইনজীবীদের সমাবেশের মধ্য দিয়ে আমাদের মধ্যে একটা আশার সঞ্চার হলো। আজকে সারা দেশ থেকে আইনজীবীরা এসে আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে উজ্জীবিত করেছেন। বাংলাদেশের সব জনগণকে সঙ্গে নিয়ে, গণতন্ত্রকামী শক্তিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দুর্বার গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠাতে সক্ষম হব। এ ভয়াবহ দানবীয় সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হব।

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর চিকিৎসকরা বলেছেন, আমাদের যা কিছু সম্ভব করেছি। আমাদের কাছে সেই প্রযুক্তি নেই যা নিয়ে পরবর্তীতে আরও উন্নতভাবে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করাতে পারি। সরকার শুধু প্রতিহিংসায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বন্দি করে রেখেছে। তাকে তিলে তিলে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকারকে বলব, যদি খালেদা জিয়ার মৃত্যু দেখতে না চান, মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নেত্রীকে মুক্তি দেওয়ার কোনো আইনগত বাধা নেই। আমি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী হিসাবে বলছি, যদি কোনো বাধা হয় তাহলে একমাত্র সরকারই বাধা।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান আইনমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আপনার সঙ্গে দেখা করে বলেছিলাম আপনি শুধু আইনমন্ত্রী নন, একজন আইনজীবীর সন্তান। আপনার পিতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। একথাটি আজকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চাই, আপনার অমর পিতার মুখকে স্মরণ করে, তাকে ছোট না করে আপনি খুঁজে বের করুন আইনের পথ কোনটি। আইনের পথ খুঁজে বের করতে হবে। মানুষের জীবনের চেয়ে আইন বড় নয়।

ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী ও অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, অ্যাডভোকেট মীর নাসির উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট আবদুল গাফফার মিয়া, অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলও উপস্থিত ছিলেন।

আলালের ভিডিও ভাইরাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বক্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে আলালের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন মোল্লা সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির একটি সভায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। সে বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে। এতে প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করা হয়। এই বক্তব্যে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ করেছেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম জানান, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বিরুদ্ধে জেলা ছাত্রলীগের অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে একই ঘটনায় আলালের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন ঢাবির পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগে শিক্ষার্থী নূরউদ্দীন আহমেদ। তিনি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে থাকেন।

শাহবাগ থানার ওসি মওদুদ হাওলাদার বলেন, অভিযোগটি আমরা জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছি। এখন সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠাব এটি পাঠানো হবে।

র‍্যাব সদর দপ্তরে যা ঘটল, জানালেন ইমন

চিত্রনায়িকা নায়িকা মাহিয়া মাহি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার বিষয়ে ঢালিউডের নায়ক মামনুন হাসান ইমন থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় র‌্যাব সদর দপ্তরে হাজির হন ইমন। রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই ৫ ঘণ্টার র‌্যাবের কর্মকর্তারা তার কাছে কি কি জানতে চেয়েছেন তা এক গণমাধ্যমকে জানান ইমন।

র‍্যাব কর্মকর্তাদের ব্যবহারে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান ‘লালটিপ’ খ্যাত এই অভিনেতা।

র‍্যাব কার্যালয়ে কেন নেওয়া হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে ইমন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বলেন, ‘র‍্যাব ইন্টিলিজেন্সের ব্যবহারে আমি বেশ মুগ্ধ হয়েছি। তারা আমার সঙ্গে বেশ ভালো ব্যবহার করেছেন। তারা আমাকে মূলত জিজ্ঞাসাবাদ করেন ফোনালাপটি ফাঁস হওয়ার বিষয়ে। আমার ফোন থেকেই এটি ছড়িয়েছে কি না কিংবা আমার মাধ্যমে সেটা ফাঁস হয়েছে কি না- এসব জানতে চান তারা। আমি তাদের যা সত্য তা-ই বলেছি। আমার কথা যাচাইয়ের জন্য তারা দীর্ঘ সময় আমার মোবাইল ফোনটি নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করেন। এরপর তারা আমার সহযোগিতার কারণে ধন্যবাদ জানান। পরবর্তীতে সযোগিতা প্রয়োজন হলে করব কি না জানতে চান। আমি বলেছি যে কোনো সময় প্রয়োজন হলেই আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করব।’

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অডিও ক্লিপ ফাঁসের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিত্রনায়ক মামনুন হাসান ইমনকে র‍্যাব সদরদপ্তরে ডাকা হয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকে টানা ৫ ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইমন জানিয়েছেন তার জ্ঞাতসারে অডিওটি ফাঁস হয়নি। গোটা ঘটনার বিষয়ে তদন্তে র‍্যাবকে সহয়তা করার কথা জানিয়েছেন ইমন।

এর আগে ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাতে মিন্টু রোডে অবস্থিত গোয়েন্দা কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ।

সোমবার রাত ১১টার দিকে তিনি যুগান্তরকে বলেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান এবং চিত্রনায়িকা মাহির যে ফোনালাপের সঙ্গে অভিনেতা ইমনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী যখন ফোন করেন তখন ফোন রিসিভ করেন ইমন। তারপর প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইমন এবং মাহির কথোপকথন হয়। এই কথোপকথন ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে নায়িকা মাহি ও ডা. মুরাদ হাসানের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। মুরাদ মূলত ইমনের ফোন নম্বরে কল দিয়ে মাহিকে চান। মাহি ফোন ধরলে অশ্লীল-আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন মুরাদ। তিনি মাহিকে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন ও না দেখা করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। এছাড়া নিজের অনৈতিক ইচ্ছার কথা জানান।

৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ইমন

চিত্রনায়িকা নায়িকা মাহিয়া মাহি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার বিষয়ে ঢালিউডের নায়ক মামনুন হাসান ইমন থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় এ নায়ক র‌্যাব সদর দপ্তরে হাজির হন। তাকে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার বিষয়ে ৫ ঘণ্টার বেশি সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রাত ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

৫ ঘণ্টার জিজ্ঞাসবাদে ইমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অডিও ক্লিপ ফাঁসের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিত্রনায়ক মামনুন হাসান ইমনকে র‍্যাব সদরদপ্তরে ডাকা হয়। সন্ধ্যা ৬টা থেকে টানা ৫ ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইমন জানিয়েছেন তার জ্ঞাতসারে অডিওটি ফাঁস হয়নি। গোটা ঘটনার বিষয়ে তদন্তে র‍্যাবকে সহয়তা করার কথা জানিয়েছেন ইমন।

এর আগে ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাতে মিন্টু রোডে অবস্থিত গোয়েন্দা কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ।

সোমবার রাত ১১টার দিকে তিনি যুগান্তরকে বলেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান এবং চিত্রনায়িকা মাহির যে ফোনালাপের সঙ্গে অভিনেতা ইমনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী যখন ফোন করেন তখন ফোন রিসিভ করেন ইমন। তারপর প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ইমন এবং মাহির কথোপকথন হয়। এই কথোপকথন ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে নায়িকা মাহি ও ডা. মুরাদ হাসানের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। মুরাদ মূলত ইমনের ফোন নম্বরে কল দিয়ে মাহিকে চান। মাহি ফোন ধরলে অশ্লীল-আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন মুরাদ। তিনি মাহিকে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন ও না দেখা করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। এছাড়া নিজের অনৈতিক ইচ্ছার কথা জানান।

কুমিল্লার বিজরাবাজারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ১৯৭তম শাখার উদ্বোধন

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বিজরাবাজারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১৯৭তম শাখার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর, রবিবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু নাছের মোঃ ইয়াহিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে শাখাটি উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল মালেক মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর. চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. জাফর, শাব্বির আহমেদ, মোঃ শফিকুর রহমান, সৈয়দ মাসুদুল বারী, মোঃ মাহমুদুর রহমানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের সিলেট জোনের প্রধান একেএম আমজাদ হোসেন, বিজরাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, বিজরা নাজেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক গ্রাহক-শুভানুধ্যায়ীর সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবীব উল্লাহ্। নতুন শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, শুধু আর্থিক লাভের জন্য এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। তিনি নতুন শাখাসহ ব্যাংকের সকল শাখায় শরীয়াহ্ সম্মতভাবে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবার নিশ্চয়তা দেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে হালালভাবে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব। দেশের ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা এরই মধ্যে তা প্রমাণে সফল হয়েছে। সর্বাধুনিক সকল ব্যাংকিং পরিষেবা নিয়ে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক এই এলাকার উন্নয়নে সহযোগী হবে, ইনশাহ-আল্লাহ।

চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন বাজারে সাউথ বাংলা ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক লিঃ এর উপশাখা গত ৫ ডিসেম্বর ২০২১ রবিবার, চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন বাজারে উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং এসবিএসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আইয়ুব, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার জনাব আব্দুস সালাম মাসুম এবং সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম. শামসুল আরেফিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী, পিআর এন্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্স ডিভিশনের প্রধান জনাব মোহাম্মদ শফিউল আজম, তত্ত¡াবধায়ক শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ ইকরাম পাশা, সংশ্লিষ্ঠ উপশাখার প্রধান জনাব ইনামুল হক সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকবৃন্দ, এছাড়াও রেয়াজুদ্দিন বাজারের তামাকুমন্ডিলেন বনিক সমিতির নেত্রীবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ সহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এ নিয়ে এসবিএসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার সংখ্যা ১০২ টিতে উন্নীত হলো।

বিজ্ঞান বলছে এই মহাবিশ্ব একজন বুদ্ধিমান নকশাকারের সৃষ্টি

নিজের একটি গল্প দিয়ে শুরু করি। আমি একদিন গোসল করছিলাম। আমার সামনে পানির বালতি। এক হাতে মগ, আরেক হাতে সাবান। তো আমি মাথায় সাবান লাগাচ্ছিলাম, হঠাৎ হাত থেকে সাবান পিছলে গিয়ে একেবারে বালতিতে গিয়ে পড়ল।

আমি তখন এই চিন্তা করে কাঁদতে শুরু করলাম— আল্লাহ গো, আমি কত অসহায়। আমার মাথার ওপর কোটি কোটি বেশি গ্রহ-নক্ষত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে, যদি এর কোনো আমার হাত সাবান পিছলে যাওয়ার মতো নিজ অক্ষপথ থেকে সরে যায়, তার পর যদি আমাদের ওপর ভেঙে পড়ে? এত এত গ্রহ-নক্ষত্র, যদি একটা নক্ষত্র ভেঙে সমুদ্রে পড়ে, তা হলে আমাদের কী হবে?

এই মহাবিশ্ব এমন চমৎকার নিয়ম ও কানুনে সাজানো, প্রত্যেকটা জিনিস এমনভাবে আটকানো, কোনো কিছু একটুও এদিক-ওদিক হতে পারে না। আমাদের চেয়ে লাখ লাখ বেশিবার একজন বিজ্ঞানীর মনে এই প্রশ্ন জাগে, তারা ভাবে এমন কেন হয়।

তো, বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানের সর্বশেষ আবিষ্কার, যা ফ্রেড হয়েলের বই ‘দি ইন্টেলিজেন্ট ইউনিভার্স’-এ লেখা হয়েছে।

স্যার জেমস জিনস বলেন, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির পেছনে এক গাণিতিক মন আছে। (দ্য মিস্টিরিয়াস ইউনিভার্স, পৃষ্ঠা ১২৩)।

ফ্রেড হয়েল বলেন, একটি ইন্টেলিজেন্ট মাইন্ড কাজ করছে। তিনি বইয়ের নামও রেখেছেন এই নামে। তো এখন বিজ্ঞানের উৎকর্ষতা নতুন একপর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। নিউটনের সময়ে ভাবা হতো পদার্থ মহাবিশ্ব সৃষ্টির মূল উপাদান।

আইনস্টাইনের সময় নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, এর পর স্বীকৃত হয় মহাবিশ্ব সৃষ্টির মূল উপাদান এনার্জি বা শক্তি। এখন ফ্রেড হয়েলের জমানায় এসে বলা হচ্ছে— মহাবিশ্ব সৃষ্টির মূল উপাদান বুদ্ধিমত্তা। এবার দেখুন জ্ঞানের নদী কোন দিকে বয়ে যায়।

আস্তিকতা থেকে নাস্তিকতার দিকে নয় (নাউজু বিল্লাহ), বরং বিজ্ঞান খোদার ধারণাকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলছে। যখন বিজ্ঞান নিজেই আবিষ্কার করেছে যে এই মহাবিশ্ব একজন বুদ্ধিমানের নকশা করা। তা হলে নিশ্চয়ই একজন বুদ্ধিমান নকশাকারও আছেন। যখন বুদ্ধিমানের নকশা প্রমাণিত, তখন আপনা-আপনিই প্রমাণ হয়ে যায় বুদ্ধিমান নকশাকারের ব্যাপারটি। কর্ম যখন আছে, তার কর্তা অবশ্যই আছেন।

আল্লাহ ঠিক এই কথাটিই কুরআনে বলেছেন। সুরা হা-মিম সাজদায় ৫৩ নম্বর আয়াত বলা হয়েছে :

سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ

আমি অচিরেই আমার নিদর্শন দেখাব, সারা জগৎ ও মানুষের মধ্যে, যতক্ষণ না মানুষের সামনে স্পষ্ট হয়ে যায় এটিই হক (চূড়ান্ত সত্য)।

তো, বিজ্ঞান যতই গবেষণা করছে, মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে আল্লাহ তাআলাই বাণীই সত্য। এর পর একটি সময় আসবে যখন অস্বীকার করার কোনো কিছুই পাবে না।