সোমবার ,১১ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 593

পর্দায় নুসরাতকে দেখে চমকে গেলেন মা-বাবা!

বলিউডের বর্তমান প্রজন্মের নায়িকা নুসরাত ভারুচা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বড়পর্দায় তাকে দেখে তার পরিবারের সদস্যরা চমকে উঠেছিলেন।

নুসরাত তার ‘সোনু কি টিটু কি সুইটি’ সিনেমা দিয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এ সিনেমার এক গানে ব্রালেট পোশাকে নেচে-গেয়ে ঝড় তুলেছিলেন নুসরাত। অভিনেত্রী নুসরাত তার মা-বাবা এবং ঠাকুমাকে নিয়ে তা দেখতে বসেছিলেন। তিন মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের গান শেষ হতেই বিস্ময় মেশানো প্রশ্ন ধেয়ে আসে তার দিকে- ‘তুমি কি ওটা অন্তর্বাস পরেছো?’

এমন প্রশ্নে প্রথমে খানিক চমকে উঠেছিলেন নুসরাত। নিজেকে সামলে উত্তর দিয়েছিলেন- ‘এটা ব্রালেট পোশাক। ফ্যাশনের ভাষায় এই পোশাককে তাই বলা হয়। এটা অনেকেই পরে।’

নুসরাতের সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে আসার আগেই জনপ্রিয় হয় গানটি। চারদিকে মেয়ের প্রশংসা শুনে খুশি হয়েছিলেন নুসরতের মা-বাবাও। তারা বুঝেছিলেন, শুধুমাত্র সিনেমার স্বার্থেই ব্রালেট পরে ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন নুসরত। মেয়ের পোশাক নিয়ে যে অভিমান ছিল, তা মিলিয়ে যেতে সময় লাগেনি তেমন।

কেবল রিল লাইফ নয় রিয়েল লাইফেও বেশ খোলামেলা পোশাকে নুসরাত মেলে ধরেন নিজেকে। তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুঁ মারলেই দেখা মেলে অসংখ্য বিকিনি পরা ও স্বল্প বসনায় তোলা তার ছবি।

ওয়ানডে ক্রিকেটেও অধিনায়কত্ব ছাড়লেন কোহলি

অবশেষে জল্পনা সত্যি হলো। ওয়ানডে ক্রিকেটের অধিনায়কত্বও ছাড়লেন বিরাট কোহলি। নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে রোহিত শর্মাকে।

বুধবার বিসিসিআই এক টুইট বার্তায়এ খবর জানিয়েছে।

 

৮৫ বছর পর প্রথম বলে উইকেট!

ব্রিসবেন টেস্টের প্রথম বলে অস্ট্রেলিয়া ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ক ফেরালেন ররি বার্নসকে। এর মাধ্যমে ইতিহাসের পাতায় ঢুকে গেলেন তিনি।

এখান থেকে ৮৫ বছর আগে এই ব্রিসবেনেই অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলার এর্নি ম্যাককরমিক অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম বলেই ইংল্যান্ডের স্টান ওয়ার্ডিংটনকে আউট করেছিলেন। সেটি ছিল কিংবদন্তি স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট।

স্টার্ক অ্যাশেজ সিরিজে সেই রেকর্ডের পুনরাবৃত্তি এমন এক দিন করলেন, যেদিন প্যাট কামিন্সের অভিষেক হলো টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে।

এমনিতে স্টার্কের জন্য টেস্টের প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নেওয়া ডালভাত। এর আগেও ম্যাচের প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। ২০১৪ সালে টেস্ট অভিষেকের পর থেকে এর আগে ১২ বার তিনি ম্যাচের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। আজ ১৩তম বার ম্যাচের প্রথম ওভারে উইকেট নিয়ে ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসনকে ছাড়িয়ে গেলেন স্টার্ক। অ্যান্ডারসন মোট ১২ বার টেস্টের প্রথম বলেই উইকেট নিয়েছেন।

স্টার্ক টেস্টে ১৩ বারের পাশাপাশি ওয়ানডে ম্যাচেও ১৯ বার প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়েছেন। ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালের প্রথম ওভারেই তুলে নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে। ওয়ানডেতে প্রথম ওভারে উইকেট নেওয়ার ঘটনাগুলোর মধ্যে স্টার্কের সবচেয়ে প্রিয় বোধ হয় সেটিই।

ওয়ানডে ক্রিকেটেও তিনি সবচেয়ে বেশিবার প্রথম ওভারে উইকেট নিয়েছেন। এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক ফাস্ট বোলার লাসিথ মালিঙ্গা। তিনি ১২ বার এ কীর্তি গড়েছেন।

বুধবার ব্রিসবেনে স্টার্ক ১২ ওভার বোলিং করে ৩৫ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। অথচ কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন আজ এই স্টার্ককেই না নেওয়ার পক্ষে কথা বলেছিলেন। তার মনে হয়েছিল, ব্রিসবেনে ইংলিশ ব্যাটিংকে নাড়া দেওয়ার জন্য স্টার্ক যথেষ্ট ফর্মে নেই। স্টার্কের জায়গায় তিনি ঝাই রিচার্ডসনকে খেলানোর কথা বলেছিলেন।

টেস্টের প্রথম বলেই উইকেট নিয়ে স্টার্ক যেন ওয়ার্নকে মোক্ষম এক জবাবই দিলেন। সঙ্গে ঢুকে গেলেন ইতিহাসেও।

 

কলেজ ছাত্র মিসবাহ হত্যা মামলার রায় আজ

২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন সিলেট কমার্স কলেজের ছাত্র মিসবাহ উদ্দিন তাহার (২১)।

এ ঘটনায় তার মা নাজমা বেগম বাদি হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জড়িত আসামিরা। বর্তমানে দুই আসামি জামিনে থাকলেও, ঘটনার মূল হোতা কবির এখনো সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে।

অবশেষে ৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার সেই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আলাউদ্দিন।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা জার্মানী প্রবাসী রহমত উল্লাহর একমাত্র ছেলে মিসবাহ উদ্দিন মিসবাহ তার মা ও দুই বোনের সঙ্গে সিলেট নগরীর মজুমদারী কোনাপাড়া এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন।

সিলেট কমার্স কলেজ থেকে ২০১৫ সালে এইচএসসি পাস করে সে বছর পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স না পাওয়ায় দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মিসবাহ। তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় তাহাকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তার বন্ধু কবির আহমদ, রুমেল, রানাসহ আরো কয়েকজন।

এ ঘটনার পরদিন মিসবাহ’র মা নাজমা বেগম বাদি হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা (নম্বর-৩০) দায়ের করেন। ওই বছর ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থেকে মূল আসামি কবির আহমদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন ৯ ডিসেম্বর বন্দরবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরো দুই যুবক রুমেল ও রানাকে। তিনজনই দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা।

২০১৭ সালর ২০ এপ্রিল ঘাতক কবির, রুমেল ও রানার নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার তৎকালীন এসআই মো. ফয়েজ উদ্দিন ফায়াজ। ঘটনায় জড়িত রাব্বির নাম ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

দীর্ঘ শুনানি, স্বাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা হবে মিসবাহ হত্যা মামলার। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে ৫ বছর ধরে আদালতের কাছে সুবিচারের আশায় বুক বেঁধে আছেন নিহত মিসবাহ’র পরিবার। তাদের অপেক্ষার অবসান হবে আজ।

এ ব্যাপারে বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন বুধবার রাতে জানান, আজ বৃহস্পতিবার সিলেটের চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র মিসবাহ উদ্দিন মিসবাহ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট সারোয়ার আবদাল জানান, বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করতে পারেন দ্রুত বিচার ট্রইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক। তিনি ওই দিন ছুটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেক্ষেত্রে তারিখ পেছাতেও পারে। এ ঘটনার মূল আসামি কারাগারে রয়েছে, বাকিরা জামিনে বাইরে। তবে, আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আমি আশাবাদী।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি ও মিসবাহ উদ্দিন তাহার মা নাজমা বেগম বলেন, আমার একমাত্র ছেলেকে যারা খুন করেছে আমি তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানাচ্ছি। যাতে আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

কারা পরিকল্পনাকারী, অর্থ ও অস্ত্রের জোগানদাতা

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলসহ দুজনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার নেপথ্যে কারা অর্থ ও অস্ত্রের জোগানদাতা। কারা চালিয়ে গেলেন এই কিলিং মিশন। খুনিরা তো এত অর্থবিত্তের মালিক না। তাহলে কোথায় পেল এত অস্ত্র এবং কিলিং মিশন সম্পন্ন করার অর্থ। কাদের ইন্ধনে তারা দলবেঁধে সংগঠিত হলো-এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে। এসব প্রশ্ন সামনে রেখে তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছে মামলার তদন্ত সংস্থা জেলা গোয়েন্দা বিভাগ। আসামিদের রিমান্ড চলাবস্থায় নগরীর ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুলকে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। যদিও শুরু থেকে পুলিশ জানিয়ে আসছে, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে সোহেলকে হত্যার পরিকল্পনা করে প্রধান আসামি শাহ আলম।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের তিন দিন আগে মামলার প্রধান আসামি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত শাহ আলম সাব্বির, সাজেন এবং রিমান্ডে থাকা ১০ নম্বর আসামি সায়মন হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। এরই মধ্যে পরিকল্পনার বিষয়গুলো জেল সোহেলকে জানানো হয়। কারণ জেল সোহেল দেড় বছর আগে শাহ আলমের সঙ্গে কারাগারে থাকা অবস্থায় কাউন্সিলর সোহেলকে হত্যার মিশন চালালে প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও অর্থ জোগানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর অস্ত্রের জন্য জেল সোহেলের কাছে ধরনা দেন শাহ আলম। এ সময় তার কাছে আগের একটি অস্ত্র থাকলেও কিলিং মিশন সফল করতে আরও তিনটি অস্ত্র লাগবে বলে জানান শাহ আলম। অস্ত্র সংগ্রহ করতে শাহ আলমকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা এনে দেয় জেল সোহেল। শাহ আলম তার বন্ধু ফেনীর নিশাতের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি থেকে আরও তিনটি অস্ত্র সংগ্রহ করেন।

হত্যাকাণ্ডে একটি রিভলবার ও তিনটি পিস্তল ব্যবহার করা হয়। তিনটি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। কিলিং মিশন সম্পন্ন করতে কে এই অর্থ এবং অস্ত্রের জোগানদাতা-এ নিয়ে চলছে গোয়েন্দা বিভাগের তদন্ত। মঙ্গলবার মামলার তদন্তভার পেয়ে ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে ডিবি। বাবুলের ছোট ভাই জুয়েল জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ডিবি পুলিশের কয়েকজন এসে আমার ভাইকে নিয়ে যায়। তবে কী কারণে তাকে নিয়ে গেছে, তা আমাদের জানানো হয়নি। সন্ধ্যায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সেখানে তাকে ঠিক কী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, এ সম্পর্কে মুখ খুলছে না কাউন্সিলর বাবুল ও তার পরিবার।

মামলার বাদী ও নিহত কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বলেন, যারা ধরা পড়েছে, তারা ভাড়াটে খুনি, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে প্রভাবশালী চক্র। তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। ঘটনার মাস্টারমাইন্ড অস্ত্র ও অর্থের জোগানদাতাকে শনাক্ত এবং গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

কুমিল্লা ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, প্রধান ঘাতক শাহ আলমকে অস্ত্রের জোগানদাতা হিসাবে একজনের নাম এবং মোবাইল নম্বর আমাদের হাতে এসেছে। যে কোনো সময় ওই অস্ত্রের জোগানদাতা গ্রেফতার হতে পারে বলে জানান ডিবির ওই কর্মকর্তা। এছাড়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে অন্য কোনো নাম এলেও গ্রেফতারের আওতায় আনা হবে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, কাউন্সিলর হত্যা মামলায় এজাহারের বাইরে আর কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গুরুত্বসহকারে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। কোনো ব্যক্তি বা মহলের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেলে অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এজাহারনামীয় ৬ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট আরও ২ জন আসামিকে গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া বন্দুকযুদ্ধে আরও ৩ আসামি নিহত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, তদন্তের স্বার্থে কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ মামলায় আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

২২ নভেম্বর সন্ত্রাসীদের অতর্কিত গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সৈয়দ সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা। এছাড়া আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।

বিয়ের আসরে গণপিটুনি খেলেন বর

জামাই আদর বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। জামাইরা শ্বশুরবাড়িতে বরাবরই একটু বেশিই আদর-আপ্যায়ন পেয়ে থাকেন। সেই আদর-আপ্যায়ন শুরু হয় বিয়ের দিন থেকেই।

বিয়ে করতে কনের বাড়িতে পৌঁছানো মাত্র এই আদর আপ্যায়ন শুরু হয়। কিন্তু এই বরের ভাগ্য বোধহয় একটু বেশিই খারাপ। জামাই আদর তো জুটলই না উল্টো গণপিটুনি খেলেন তিনি।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম ডেইলি নিউজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই যুবক প্রথম বিয়ের কথা চেপে গিয়ে দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে বর আসার আগেই তার প্রথম স্ত্রী তাদের চার বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে কনের বাড়িতে হাজির হন।

এদিকে বিয়ে করতে এসে প্রথম স্ত্রীকে কনের বাড়িতে দেখামাত্র চম্পট দেন বর। কিন্তু বিয়েতে আসা অতিথিরা তাকে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেন। এরপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ওই যুবকের পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু প্রথম স্ত্রীকে লুকিয়ে রীতিমতো ধুমধাম করে দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাচ্ছিলেন তিনি। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে প্রমাণ পাওয়ায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘুসি দিয়ে কুমিরের কবল থেকে তরুণীকে বাঁচলেন বন্ধুরা

কয়েক বন্ধু মিলে নদীতে নৌকা চালাতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ ১০ ফুট লম্বা এক কুমির নৌকায় থাকা এক তরুণীকে আক্রমণ করে বসে।

টেনে নিয়ে যায় পানির নিচে। কিন্তু নৌকায় থাকা ওই তরুণীর অসীম সাহসী বন্ধুরা তাকে বাঁচাতে কুমিরের পিছু নিয়ে ডুব দেয় পানিতে।

ওই তরুণীকে না ছাড়া পর‌্যন্ত কুমিরটিকেক ঘুসি দিতে থাকেন তারা। এ সময় বাধ্য হয়ে ওই তরুণীকে ছেড়ে দেয় কুমির।

বিবিসির বরাত দিয়ে বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ সংবাদ জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারের বাসিন্দা অ্যামেলি অসবর্ন-স্মিথ (১৮) গত মঙ্গলবার জাম্বিয়ার জাম্বেজি নদীতে নৌকা চালানোর সময় কুমিরের আক্রমণের শিকার হন।

এ ব্যাপারে অ্যামেলির বাবা ব্রেন্ট অসবর্ন-স্মিথ জানান, কুমিরটি তার মেয়েকে শিকার হিসেবে পানিতে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। তবে নৌকার থাকা অন্যদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপে তার মেয়ে প্রাণে বেঁচে যান।

কুমিরের আক্রমণে তার ডান পায়ের নিচের অংশ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার হিপ জয়েন্টের হাড় সরে গেছে।

ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন অ্যামেলি এতো কিছুর পরও প্রাণ রক্ষা পাওয়ায় নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে করছেন এই তরুণী।

পাচারের তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয়

বিদেশে অর্থ পাচারসহ ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতির প্রতিবেদন চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এটি তৈরি করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের কাছেই চেয়েছে প্রতিবেদনটি।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারসহ ৩৬৮৭ কোটি টাকার দুনীতির রিপোর্ট পেশ করেছে আইডিআর। সাবেক সাসপেন্ডেড পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। আইডিআর এই বিমা কোম্পানির ওপর নিরীক্ষা করলে প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের তথ্য বেরিয়ে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ হারুন পাশা যুগান্তরকে জানান, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ওপর প্রাথমিক অডিট হয়েছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পক্ষ থেকে এটা জানানো হয়েছে। আমরা পুরো রিপোর্টের সারাংশ আইডিআরএর কাছে চেয়েছি। এরপর তা পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত সারাংশ রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ব্যাংক ও বিমা খাতে অনিয়ম বেড়েছে। এর সমাধান দরকার। এসব বন্ধ করতে হলে সমাধান বের করতে হবে। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স থেকে বিদেশে অর্থ পাচার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। আইডিআরএ পরিচালক মো. শাহ আলম প্রতিবেদন নোট দেন।

এতে বলেন, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে নিয়োগকৃত অডিট ফার্ম মেসার্স একনবীন চার্টার্ড অ্যাকাউটেন্ট একটি প্রভিশনাল ইনট্রিম রিপোর্ট তৈরি করে আইডিআরএর কাছে পাঠায়। ওই রিপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কোম্পানিটি প্রাথমিকভাবে ৩৬৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও দুর্নীতি এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্ষতি করেছে। এই প্রতিবেদনে মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।

এসব অপরাধ করেছে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির স্থগিত পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত পহেলা ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেখানে আরও বলা হয়, এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। সেটিও আইডিআরএর পক্ষ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুর শহিদের সঙ্গে যুগান্তরের কথা হয়। তিনি বলেন, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অর্থ পাচার ও আত্মসাতের ঘটনার প্রতিবেদনটি কমিটির পক্ষ থেকে আরও বিশদভাবে খতিয়ে দেখা হবে। ব্যাংক-বিমাসহ আর্থিক খাতে যেসব অনিময় প্রকাশ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে এর আগেও কয়েক দফা অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। এ বিষয়টিও দেখা হবে।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের গাড়ি খাতে সাবেক চেয়ারম্যান ও সিইও এবং পরিচালকরা তছরুপ করেছে আরও ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা। গাড়ি মেরামত বাবদ ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা তছরুপ হয়। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সিইও-এর মৌখিক নির্দেশে কর অফিসের খরচের জন্য ৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। ভুয়া আইনি খরচ দেখিয়ে কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে ৯২ লাখ টাকা তোলা হয়।

এছাড়া কোম্পানির খুলনা, বগুড়া ও রাজধানীর গুলশানে ডক্টরস ও ডিএলআই টাওয়ারের ফ্লোর ভাড়ার নামে কৌশলে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। আরও দেখা গেছে, চটগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে প্রায় ৩৮ লাখ টাকার খাবারের ভুয়া বিল বানানো হয়। এছাড়া ভুয়া বিমার পলিসি তৈরি করে প্রথমে ২ লাখ টাকা, পরে ১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন সাবেক পরিচালক মো. সাইদুর রহমান।

এছাড়া দরপত্রের যথাযথ প্রক্রিয়া ও শর্ত অনুসরণ না করেই বিদেশি কোম্পানি হানসা সলিউশনস থেকে ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের আই-ওয়ান সফটওয়্যার কেনা হয়। একইভাবে কেনা হয় প্রায় ৭৮ লাখ টাকা মূল্যের ভি এমওয়্যার ভিএসপেয়ার সফটওয়্যার। এক্ষেত্রে তথ্যের গরমিল ও কেনায় অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দুর্নীতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির হিসাব থেকে প্রায় ১৯ কোটি টাকা দিয়ে পুঁজি বাজার থেকে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশের শেয়ার কেনা হয়। পরে ওই শেয়ার লেনদেনে টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। পাশাপাশি ২০১২ সাল থেকে অদ্যাবধি সরকারের ভ্যাট বাবদ ৩৫ কোটি টাকা এবং ট্যাক্স বাবদ ৩৩০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি। এভাবে নানা কৌশলে এসব অর্থ লুটপাট করা হয়।

গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্নের অভিযোগ তুলে চলতি বছরের অর্থাৎ ২০২১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদকে চার মাসের জন্য স্থগিত করে আইডিআরএ। তারপর ১০ জুন ডেল্টা লাইফের পরিচালনা পর্ষদের স্থগিতাদেশের মেয়াদ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত রাখার আদেশ জারি করে আইডিআরএ।

প্যানডোরা পেপারস নিয়ে মন্তব্য করা যুক্তিযুক্ত হবে না: অর্থমন্ত্রী

অর্থ পাচারের অভিযোগে প্যানডোরা পেপারসে আসা ব্যক্তির নাম নিয়ে মন্তব্য করা যুক্তিযুক্ত হবে না। এখন বিষয়টি উচ্চ আদালতের এখতিয়ারে আছে। মামলাটি চলমান। যেহেতু বিষয়টি একটি মামলার আওতায় চলে গেছে এবং প্রক্রিয়াধীন। ফলে আমার মতামত না দেওয়া উত্তম।

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ওই বৈঠকে ‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ প্রকল্প পিপিপিতে বাস্তবায়নের নীতিগতসহ ২২ হাজার কোটি টাকার ১৬ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিষয় এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন।

এদিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের বালিয়াপুর থেকে নিমতলী-কেরানীগঞ্জ-ফতুল্লা-বন্দর হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দ পর্যন্ত হবে এই এক্সপ্রেসওয়ে। প্রায় ১৬ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৩৯ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে।

সভাশেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন। অতিরিক্ত সচিব বলেন, ৩০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানি করা হবে। ব্যয় হবে ২১৫ কোটি টাকা। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানি হবে। মোট ব্যয় হবে ২৪৮ কোটি টাকা। ২৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে কাতার থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার আনা হবে। সৌদি আরব থেকে আসবে ৩০ হাজার টন। ব্যয় হবে ২৪৮ কোটি টাকা।

‘কুমিল্লা (টমছম ব্রিজ)-নোয়াখালী (বেগমগঞ্জ) আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের একটি প্যাকেজের পূর্ত কাজের ঠিকাদার নির্মাতা সংস্থা হাসান টেকনো বিল্ডার্স লিমিটেডকে নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ব্যয় হবে ৩৫ কোটি টাকা। রেলওয়ের ৫৮০টি মিটারগেজ ওয়াগন সংগ্রহ করা হবে। ব্যয় হবে ৩৯৮ কোটি টাকা। এর বাইরে ৪২০টি ব্রডগেজ ওয়াগন সংগ্রহের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এজন্য ব্যয় হবে ২৮৯ কোটি টাকা।

এছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪২.৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। বিদ্যুৎ কেনা হবে ২৫ বছর মেয়াদে। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১৭.২০ টাকা হিসাবে আনুমানিক ১৪ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া পাবনা সুজানগর সাগরকান্দি ইউনিয়নে ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার পার্ক প্রকল্প স্থাপন করা হবে। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৮.৪৮ টাকা হিসাবে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা।

পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলাধীন কৃষ্ণপুর মৌজায় ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ কেনা হবে ২০ বছর মেয়াদে। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৮.১৬ টাকা হিসাবে ১ হাজার ৩২২ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ভোলা মনপুরা দ্বীপে ৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার-ব্যাটারি-ডিজেল সংবলিত হাইব্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ ক্রয় করা হবে ২০ বছর মেয়াদে।

প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ২১.২৫ টাকা হিসাবে ৪৫৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ‘সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ৬৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার পার্ক প্রকল্প স্থাপনের দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড দরপ্রস্তাব দাখিল করে।

প্রস্তাবটি আর্থিক ও কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ক্রয় করা হলে ২০ বছর মেয়াদে ওই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৮.১৬ টাকা হিসাবে আনুমানিক ১,৭৯৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

‘মোয়াজ্জেম হোসেন বিদেশে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বিদেশের একটি হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। অথচ তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন এক ছাত্রলীগ নেতা।

ফখরুল বলেছেন, মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার থাকেন। সে জন্যই সরকার তাকে টার্গেট করে ছাত্রলীগ নেতাকে দিয়ে শাহবাগ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করিয়েছে। অথচ মোয়াজ্জেম হোসেন বর্তমানে বিদেশে একটি হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

সরকারের বিরুদ্ধে ন্যায়সংগত তীব্র সমালোচনা করার জন্যই মোয়াজ্জেমকে হয়রানি করতে এই মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব।

বুধবার এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেনকে হত্যা, ফেনীতে সাংগঠনিক সফরে যাওয়া জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও তার সঙ্গীদের কোনো হোটেলে থাকতে না দেওয়ার প্রতিবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, চারদিকে পতন ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে বলেই জনবিচ্ছিন্ন সরকার জ্ঞানশূন্য হয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা তারই বহিঃপ্রকাশ। আমি অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের হত্যা, খুন, জখমসহ রক্তাক্ত সহিংসতার কারণে দেশে এক ভয়াবহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দল দমনের জন্যই সরকার এক মরণখেলায় অবতীর্ণ হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে জয়পুরহাটে ছাত্রদল নেতা ফারুক হোসেনকে হত্যা করেছে যুবলীগের সন্ত্রাসীরা।

পুলিশ ফারুক হোসেনকে কৌশলে থানায় ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে হত্যার সুযোগ করে দিয়েছে। ছাত্রদল নেতা ফারুক হোসেন হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল।