শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 569

ইনুর নেতৃত্বে আজ বঙ্গভবনে যাচ্ছে জাসদ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আজ বুধবার সংলাপে বসবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ।

দলটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপির নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে যাবে। দলের বাকি সদস্যরা হলেন-জাসদের কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম, সহসভাপতি মীর হোসাইন আখতার, স্থায়ী কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন, শাহ জিকরুল আহমেদ এবং রেজাউল করিম তানসেন।

বিচারপতি সিনহার মামলায় খালাস পাওয়া ২ জনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার দুর্নীতির মামলায় খালাস পাওয়া শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের খালাসের রায় বাতিল করে কেন সাজা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে মঙ্গলবার সিনহার ঋণ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় সহযোগিতার দায়ে অভিযুক্ত এ দুই আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান জানান, ফারমার্স ব্যাংকের চার কোটি টাকার ঋণ আত্মসাতে এ দুজন হলেন সহযোগী। বিচারিক আদালতে সেটি প্রমাণও হয়েছে। কিন্তু বিচারক বলেছেন— তারা সহযোগীও না, সুবিধাভোগীও না।

তিনি বলেন, আপিলে আমরা বলেছি— ‘তারা সুবিধাভোগী না’ বিচারকের এই পযবেক্ষণের সঙ্গে আমরা একমত। কিন্তু তারা সহযোগী, তারা ঋণ আবেদন না করলে অপরাধটা ঘটত না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার দিনই তারা ঋণের আবেদনটা করেছিলেন। কাজেই এ দুজনকে খালাস দেওয়াটা ঠিক হয়নি।

দুদকের এ মামলার দুটি ধারায় গত ৯ নভেম্বর এসকে সিনহাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এর মধ্যে ঋণ জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চার বছর এবং মানিলন্ডারিং ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এসকে সিনহাসহ এ মামলার মোট আসামি ১১ জন। এর মধ্যে আট আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এ ছাড়া দুই আসামি খালাস পেয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন— ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীমকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী— এই ছয় আসামির প্রত্যেকের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মামলার অপর দুই আসামি টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান ও একই এলাকার বাসিন্দা নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা খালাস পেয়েছেন।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় পলাতক রয়েছেন।

 

মালদ্বীপের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর আমন্ত্রণে ছয় দিনের সরকারি সফরে মালদ্বীপের রাজধানী মালের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।

বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

রাসুলের (সা.) সামরিক কৌশল যেমন ছিল

মহানবীর (সা.) সামরিক কৌশলের মূল বিষয় ছিল, শত্রুর রক্ত ঝরানোর চেয়ে তাকে অসহায় ও দুর্বল করে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দান, যতক্ষণ না সে সাহায্য সহযোগিতা করে অথবা প্রতিরোধ ত্যাগ করে।

মোটকথা মহানবী (সা.) ধ্বংস করার পরিবর্তে বাধ্য করা পছন্দ করতেন। এখান থেকে বোঝা যায় মহানবীর (সা.) রাজনীতির লক্ষ্য কোরাইশদের সমূলে ধ্বংস করা ছিল না, বরং সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন রেখে দুর্বল ও পরাজিত করা ছিল তার লক্ষ্য।

মহানবীর (সা.) সংগ্রামী জীবনে অনেক কৌশল রয়েছে তার কিছু নমুনা নিম্নে তুলে ধরা হলো——

মহানবী (সা.) নিজের প্রতিরক্ষা শক্তিকে সংখ্যা, সংঘবদ্ধতা, পরিশ্রম সামরিক প্রস্তুতি ও চারিত্রিক প্রশিক্ষণের দিক দিয়ে দ্রুত বিকশিত করেছেন, এটিকে যন্ত্রের মতো সর্বদা সক্রিয় রেখেছেন এবং এর দ্বারা তিনি বিরোধীদের ভীতসন্ত্রস্ত করে রেখেছেন।

মক্কাবাসীর বাণিজ্য পথকে অবরোধ করে তাদের নিঃশেষ করে দিয়েছেন। সমঝোতা ও চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে অনেক গোত্রকে পর্যায়ক্রমে শত্রুর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের সঙ্গে নিয়েছেন।

তিনি সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক রকমের কৌশল অবলম্বন করেছেন। কখনও তিনি শত্রুকে প্রস্তুতি গ্রহণ করার সুযোগ না দিয়ে অতর্কিত হামলার পন্থা অবলম্বন করেছেন। (যেমন মক্কা বিজয়)

কখনও অভিযানের ঠিকানা গোপন রেখে শত্রু পক্ষকে বিপদে ফেলে রাখতেন। (যেমন বনু মুস্তালিক যুদ্ধ)।

কখনও যুদ্ধের ফল আগে থেকে নিজের পক্ষে করে রেখেছেন (বদরের যুদ্ধ)। আবার কখনও এমন প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণ করেছেন, যার সম্পর্কে শত্রুপক্ষের পূর্ব থেকে কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। (যেমন খন্দক যুদ্ধ)

তাই আমরা যদি আমাদের দেশকে সামরিক শক্তিতে সমৃদ্ধ করতে চাই, তা হলে সফল রাষ্ট্রনায়ক রাসুলের (সা.) অনুসৃত কৌশল অবলম্বন করা ছাড়া কোন বিকল্প নাই।

লেখক: শিক্ষার্থী, মা’হাদুল ইকতিসাদ ওয়াল ফিকহীল ইসলামী, ঢাকা।

রাসুলকে (সা.) স্বপ্নে দেখলে কি জান্নাত ওয়াজিব?

প্রশ্ন: জনমুখে প্রচলিত যে, যদি কেউ আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে স্বপ্নে দেখে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। একথা ঠিক কিনা, জানিয়ে বাধিত করবেন?

উত্তর: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে স্বপ্নে দেখা বড় সৌভাগ্যের বিষয়।

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল সে আমাকেই দেখল। কেননা শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬০৫৬)

কিন্তু কেউ শুধু আল্লাহর রাসুলকে (সা.) স্বপ্নে দেখলেই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, এমন কথা ঠিক নয়।
হ্যাঁ, এমন স্বপ্নের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করার আশা অবশ্যই করা যেতে পারে। বাকি নিশ্চিত করে বলা যায় না।

সূত্র: সহিহ বুখারি ও মুসলিম

স্পেনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত

বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের উদ্যোগে “আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস” উদযাপিত হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল“ শতবর্ষে জাতির পিতা, সুবর্ণে স্বাধীনতা অভিবাসনে আনবো মর্যাদা ও নৈতিকতা”।

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের মিলনায়তনে একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন বেলা ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানের সূত্রপাত হয়।

উক্ত দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, সভাপতি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সচিব প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বাণীসমূহ পড়ে শোনানো হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রবাসী সংগঠন ভ্যালিয়েন্তে বাংলাসহ স্পেন আওয়ামী লীগ নেতারা অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পেনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ এনডিসি স্পেন প্রবাসী অভিবাসী কর্মী, তাদের সুহৃদ ও পরিবারের সদস্যসহ অভিবাসন কার্যক্রম ও কল্যাণে যুক্ত সব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

স্পেনে বসবাসরত প্রায় ৫০ হাজার প্রবাসী তাদের প্রেরিত রেমিটেন্সের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছেন। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে দূতাবাস সব সময় সচেষ্ট রয়েছে মর্মে মন্তব্য করেন এবং স্পেনে নিরাপদ অভিবাসনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন “সোনার বাংলা” গড়ে তোলার। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি উন্নত দেশ গড়ার “রূপকল্প ২০২১” বাস্তবায়নে। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সবাইকে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আপ্যায়িত করা হয়।

হার্ট সুস্থ রাখার উপায়

দিন দিন হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জীবন পদ্ধতির পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসে বদল ও কায়িক শ্রমের অভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। সময়মতো সচেতন না হলে যেকোনো সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

হার্ট ভালো রাখার ঘরোয়া উপায় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. সামিয়া তাসনীম।

১. খাবার বিষয়ে সচেতন হতে হবে

* শর্করা এবং চর্বিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

* আমিষের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।

২. সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন আধা-ঘণ্টা হাঁটতে হবে

* লিফটে চড়া এড়াতে হবে।

* একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।

৩. ধূমপান ত্যাগ করতে হবে

* ওজন, রক্তচাপ ও সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৪. নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খাওয়ার মাধ্যমে কোলেস্টরলও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

হৃদরোগের জন্য ভালো খাবার ফল ও সবজি। তৈলাক্ত খাবার হৃদরোগের জন্য বেশি ক্ষতিকারক। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।

হার্ট অ্যাটাক হলে : রোগীদের প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহ্বার নিচে একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি পাওয়া যায় তবে এ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেট রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই হার্টের মাংসপেশির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।

শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

শীতকালে সাধারণত তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকে এবং আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। আর এ সময়টায় দেখা দেওয়া সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে— ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

এ সময়টায় অনেকের উজ্জ্বল ত্বকও গ্রীষ্মের রোদের মতো শুকনো ও খিটখিটে ত্বকে রূপান্তরিত হয়। আর এমন ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাতে চুলকানি এবং লালভাবও দেখা দিতে পারে।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু শুধু এটুকুতেই যথেষ্ট নয়। ত্বককে ভালো রাখতে জানুন কেন ত্বক শুষ্ক হয় আর সেই অনুযায়ী কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনেই আপনার ত্বক আরও ভালো থাকতে পারে। শীতকালে যে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক তা নিয়েই রইল আজকের টিপস—

১. অতিরিক্ত ত্বক ধোয়ার কারণে
আপনার মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে ধোয়ার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর হারিয়ে যায়। আর এটি পরবর্তী ছয় ঘণ্টা ত্বকে আর ফিরে আসে না। ত্বক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়, তা হলে আপনার ত্বক তার সব প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে ফেলতে পারে, যা এটিকে টানটান ও শুষ্ক করে তোলে।

তাই আপনার যখন প্রয়োজন শুধু তখনই ত্বক পরিষ্কার করুন। আর ত্বক পরিষ্কারের পরে অবশ্যই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে।

২. গরম পনি দিয়ে গোসল করলে
শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করা আরামদায়ক হলেও এটির একটি খারাপ দিক রয়েছে। আর তা হচ্ছে অত্যধিক গরম পানি আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং শীতকালে ত্বক শুষ্ক রাখতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার ত্বককে লাল, ফ্ল্যাকি এবং সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

৩. ত্বকে রাসায়নিকের ব্যবহার
ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা দূর করতে এক্সফোলিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেশি পরিমাণে স্ক্রাব বা রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই ত্বকে যতটা সম্ভব কম রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে আর স্ক্রাব বা পরিষ্কার করার পরেই ময়শ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।

৪. পর্যাপ্ত পানির অভাবে
শীতকালে আপনি কী পরিমাণে পানি পান করছেন তার ওপর নজর রাখতে হবে। কারণ সঠিক হাইড্রেশন না হলেও ত্বকের শুষ্কতা বেশি দেখা দিতে পারে ও ত্বক ক্র্যাক করতে থাকে। তাই ত্বকের সুরক্ষার জন্য হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৫. ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং
শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অনেক সময় কমে যেতে পারে। তাই এ সময় ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ময়শ্চারাইজিং করলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে লক করতে সাহায্য করতে পারে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে পারে।

তথ্যসূত্র: স্টাইলক্রেজ ডটকম

আমার কোনো বিষয়ে ওই ভদ্রলোককে টানবেন না: শবনম ফারিয়া

আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে আলোচনা হচ্ছে। ওই পোস্টে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন তিনি।
সাবেক স্বামী হারুনুর রশীদ অপুর বিরুদ্ধে শবনম ফারিয়ার অভিযোগ— তিনি তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। রাগারাগির একপর্যায়ে হাতাহাতিও হয় দুজনের মধ্যে। এতে শবনমের হাতের আঙুল ভেঙে যায়। নায়িকার এই পোস্টের পর তোলপাড় শুরু হয়। শবনমের ভক্ত-শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীরা এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং তার সাবেক স্বামীর বিচার দাবি করেন।

অপু অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, শবনমের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।

অপুর এ বক্তব্য প্রচার হওয়ার পর সাংবাদিকরা শবনম ফারিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাচ্ছিলেন না।

রোববার রাতে হঠাৎ শবনম ফারিয়া তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ একটি পোস্ট দেন। যেখানে তিনি নিজের সম্মান রক্ষার্থে বিষয়টি নিয়ে আর এগোতে চান না বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তার জীবনের কোনো বিষয়ের সঙ্গে অপুকে না টানার অনুরোধ করেছেন শবনম।

শবনম ফারিয়ার পোস্টটি হবহু তুলে ধরা হলো—

‘এতদিন পর এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলা আমার জন্য বিব্রতকর। কিন্তু এত সংবাদকর্মী ভাইদের কল। কয়দিন ফোন বন্ধ করে রাখব? তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু কথা বলতে হচ্ছে…
প্রথমত আমি একটা পোস্ট শেয়ার করেছিলাম, যেখানে আমি কিছুটা আবেগের বসে ব্যক্তিগত একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম। শেয়ার করাটা সমস্যা না, সমস্যা হলো— আমার পর্দার বাইরের জীবন এত সাধারণ কিংবা আমার পরিবার এবং চারপাশের মানুষ আমাকে এতই সাধারণভাবে ট্রিট করে আমি হয়তো বুঝি না যে, আমিও সম্ভবত ‘তারকা তালিকায়’ পড়ি এবং আমার একটা কথা নিয়ে আলোচনা হয়! সম্ভবত সে জন্যই প্রায়ই কিছুটা ব্যক্তিগত কথা লিখে ফেলি।

মূল কথায় আসি— আমি আমার সেই পোস্টে কোনোভাবেই কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে অভিযোগ করিনি। সম্পূর্ণ অভিযোগ ছিল আমাদের সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির দিকে! ডিভোর্স জিনিসটা এত নোংরাভাবে না দেখলে হয়তো অনেক মেয়ের এভাবে জীবন দিতে হতো না!
আমার পয়েন্ট ছিল, যেদিন হাতের আঙুল ভাঙে, সেদিনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম এই বিয়ে অলরেডি টক্সিক হয়ে গেছে! কিন্তু আমরা আমাদের জীবনের প্রায় আড়াই বছর একটা মরা গাছে পানি দিয়ে গেছি শুধু ‘মানুষ কি বলবে’ এটি ভেবে!

দ্বিতীয়ত আমি বিবাহ বিচ্ছেদের পর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আমার জীবনে যিনি ছিলেন তাকে সম্মান দেখাতে। যদিও ওনার প্রতি আমার অভিযোগ রাগ-ক্ষোভ কোনোটারই অভাব নেই। আমি শিওর ওনারও একই অনুভূতি! আমার বিশ্বাস তবু উনিও সর্বোচ্চ সম্মান দেখাতেই চেষ্টা করেছেন!

এখন আঙুল ভাঙার বিষয়টি— এটি অবশ্যই সত্যি, কিন্তু এমন না যে বিষয়টি ও ইচ্ছে করেই করেছে! রাগারাগির একপর্যায় হাতাহাতিও হয়, তার পর আমার আঙুল ভেঙে যায়। তা হলে এখন উনি অস্বীকার কেন করছেন?
হঠাৎ এমন পাবলিক প্রতিক্রিয়া হলে আপনি কি করবেন?
আপনিও ডিনাই করবেন!

তৃতীয়ত নিউজে আমার নামের সঙ্গে যার নাম বারবার আসছে, তিনি বিষয়টি অস্বীকার করছেন; আর এত বছর পর যেহেতু কথা উঠছে, তখন বিষয়টি প্রমাণ করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য। কিন্তু হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ কিংবা বিল কার্ড থেকে পরিশোধ হয়েছে সেগুলো বের করার সুযোগ এখনও আছে। কিন্তু যেহেতু সেই ব্যক্তির মা কল করলে আমি তাকে এখনও ‘মা’ ছাড়া অন্য কিছু ডাকতে পারি না। তাই মা এবং আমার নিজের সম্মান রক্ষার্থে বিষয়টি এখানেই শেষ করতে চাই!

পুরনো বিষয় ঘেঁটে কিচ্ছু পাব না আমরা দুজন।
এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা থাকলে বিচ্ছেদের সময়ই আমি এত প্রেম না দেখিয়ে এসবই বলতাম। হয়তো তখন আমি যেসব সমালোচনা হজম করেছি তা করতে হতো না। লাভটা আমারই হতো।

চতুর্থত কোথায় যেন সংবাদ দেখলাম এতদিন পর জানা গেল কি কারণে বিচ্ছেদ হয়েছে আমাদের, এ ঘটনাই নাকি কারণ। বুঝলাম এখনও সবার খুব জানার আগ্রহ আমাদের বিচ্ছেদের কারণ কী!

আমাদের আসলে সে অর্থে কখনও সংসারই করা হয়নি। কারণ আমাদের নিজেদের কখনও কোনো বাসা ছিল না! ওদের তিন বেডের বাসায় ওর মা, ওরা চার ভাই, ভাবি, ভাতিজি এবং দুজন বুয়া থাকত! সেখানে আমার থাকার জন্য যে ঘর বরাদ্দ ছিল, সেটির সঙ্গে এটাচড কোনো ওয়াশরুম ছিল না। ওর মায়ের বেডরুমে সাতজনের সঙ্গে ওয়াশরুম শেয়ার করতে হতো। তাই আমি খুব বেশি দিন সেই বাসায় থাকিনি। আমরা তিন বোন, এত ছেলেদের ঘরে অ্যাডজাস্ট করতে সমস্যা হতো। তা ছাড়া আমার শুটিংয়ের জন্য অনেক কস্টিউম/প্রপ্স অনেক কিছু থাকে। আলাদা একটা কস্টিউম রুমই লাগে! তা ছাড়া আমার মায়ের বাসা আর তাদের বাসা কাছাকাছি হওয়ায় এবং দুজনেরই বাবা না থাকায় আমরা দুজন দুজনের মায়ের সঙ্গে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম! ফলে স্বাভাবিক ম্যারিড কাপলের মধ্যে যেসব ইন্টিমেসি থাকে তা আমাদের মধ্যে ছিল না! মূলত এ কারণেই আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তে আসি। অবশ্যই এর বাইরে আরও হাজারটা কারণ তো আছেই! সেগুলোও পাবলিক প্লাটফরমে লিখে আর আলোচনা চাই না।

পঞ্চমত এতদিন পর এ কথা উঠল কেন?
উত্তর ‘আমার দোষ!’
আমি অতি আবেগী হয়ে ঘরের কথা পরকে জানিয়েছি। এভাবে একটা পাবলিক প্ল্যাটফরমে লেখার আগে এইটার ফলাফলগুলো আমার ভাবার দরকার ছিল! কিন্তু একটা বিষয় না বললেই নয়, অনেকের মন্তব্য আমার সেই বিচারপতির মতো লাগছে, যিনি বলেছিলেন— রেপ হওয়ার তিন দিন পর কেন কেইস করেছে? আরও আগে করা উচিত ছিল।
তবে এ বিষয়টি নিয়ে তখনও আমি আমার ব্যক্তিগত ফেসবুকে লিখেছিলাম, যেখানে আমাদের দুই পরিবারের সদস্যরাই ছিল। কিন্তু পাবলিক প্রোফাইলে এসব লিখলে কি হয় তা তো এবার দেখলামই!

 

জোর করে একজনকে ভিলেন বানাতে হবেই!
অথচ এখান থেকে শিক্ষণীয় হতে পারত, আমাদের মতো যেন কেউ জীবনের মূল্যবান সময় এভাবে নষ্ট না করে।
এবার আশা করি সবাই সবার সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। যেহেতু শুরুটা আমাকে দিয়ে শেষটিও আমি টানতে চাই। সবার দোয়া চাই। আমাদের প্রতি একটু সহনশীল হোন। আমরা দুজনই আমাদের জীবনে অনেকখানি এগিয়ে নিয়েছি। দুজনই নতুন করে জীবন শুরু করার মানসিকতার মধ্য যাচ্ছি! আমার কোনো বিষয়ে দয়া করে ওই ভদ্রলোককে টানবেন না! শুনেছি উনি এখন ভালো আছেন। শান্তি মতো ঘুমাচ্ছেন। ওনাকে শান্তিমতো ঘুমাতে দিন।

প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ অপু। এর আগে ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এর পর বন্ধুত্ব ও প্রেম। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটি বদল হয় তাদের।
বিয়ের ঠিক এক বছর ৯ মাসের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটেছে অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার। অপুকে ২৭ নভেম্বর ডিভোর্স দেন তিনি। দুজনের সম্মতিতেই এই বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

বিরাট-আনুশকার প্রতিবেশী হলেন ক্যাটরিনা

বিয়ের পর ১০ দিন কেটে গেলেও এখনও আলোচনায় ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল। নবদম্পতির বিয়ের রিসেপশন ও মধুচন্দ্রিমা কবে হবে এদিকে দৃষ্টি নিবন্ধ ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের।

রোববার ক্যাট-ভিকি নতুন বাড়িতে উঠেছেন। এ বাড়িতে শ্বশুর শ্যাম কৌশল ও শাশুড়ি ভিনা কৌশলও ক্যাটরিনার সঙ্গে থাকবেন। নতুন বাড়িতে ওঠা উপলক্ষ্যে পূজা অর্চনার আয়োজন করা হয়।

ভারতের জনপ্রিয় বিনোদনভিত্তিক ওয়েবসাইট বলিউড বাবলের সোমবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— জুহুর এই অ্যাপার্টমেন্টে বিরাট কোহলি ও আনুশকা দম্পতির প্রতিবেশী হয়েছেন ক্যাটরিনা।
জুহুর নতুন ফ্ল্যাটের সামনে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়েন নবদম্পতি। আগেই শোনা গিয়েছিল নবদম্পতি নিজেদের জন্য জুহুতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। পাঁচ বছরের জন্য ভাড়া নেওয়া সেই ফ্ল্যাটটি আটতলায় অবস্থিত। বিয়ের আগে ভিকিকে নিয়ে প্রায়ই ওই বাসায় যেতেন ক্যাটরিনা। সেখানে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা।

রাজকীয় বহুতল ভবনটি সমুদ্রের একেবারে মুখোমুখি। বাড়ির বিলাসবহুল বারান্দায় দাঁড়ালেই সামনে আরব সাগর। সেই বাড়িতেই খুব তাড়াতাড়ি নিজেদের নতুন সংসার পাতবেন ভিকি-ক্যাটরিনা।

এদিকে রোববার ক্যাটরিনা কাইফ তার মেহেদীর ছবি টুইটারে শেয়ার করেন। যেখানে তিন হার্টের ইমোজি দেন। ছবিতে লাইক-কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। একজন প্রশ্ন করেছেন— মেহেদি রাঙা হাতে ভিকির নাম কোথায়? এর জবাব দিয়েছেন আরেকজন; লিখেছেন— আমার আশাহত রোমান্টিক বন্ধু, ক্যাটরিনার হাতে ভিকিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। আরেকজন লিখেছেন— আমার নাম আবার ক্যাটরিনার হাতে খুঁজে বেড়িও না।

অন্যদিকে নবদম্পতি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এখন কাজে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভিকি ইতোমধ্যে শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন। ক্যাটরিনা অভিনয় করবেন সালমানের সঙ্গে।