শনিবার ,১৬ মে, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 529

নতুন বছর পুঁজিবাজারের সম্ভাবনার

নতুন বছর অর্থাৎ ২০২২ সাল হবে পুঁজিবাজারসহ ব্যবসা বাণিজ্যের সম্ভাবনার। এ সময়ে বাজারে ভালো কিছু কোম্পানি তালিকাভুক্তির পাশাপাশি নতুন পুঁজিও আসবে। আসবে নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি। যা বাজারকে সমৃদ্ধ করবে।

 

শেয়ারবাজারের রিপোর্টারদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিষ্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) নতুন কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, মো. আবদুল হালিম, সিএমজেএফ সভাপতি জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু আলী এবং সাবেক সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল প্রমুখ।

বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য ভালো পরিবেশ জরুরি। আমরা সেই পরিবেশ তৈরির জন্য কাজ করছি। শিগগিরই এর সুফল মিলবে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বেশ কিছু ভালো কোম্পানি বাজারে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু কোম্পানি সম্পদ মূল্যায়নসহ আর্থিক রিপোর্ট তৈরি করছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে কোম্পানির গুনগতমান ভালো না হলে আমরা অনুমোদন দেবো না।

তিনি আরও বলেন, কোম্পানি ভালো না হলে, দুর্বল কোম্পানি দিয়ে শুধু সংখ্যা বাড়িয়ে লাভ নেই। এই বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, শুধু সিকিউরিটিজ নয়, আমরা পণ্যের বহুমূখীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছি। এছাড়াও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আমরা বিভিন্ন দেশে রোডশো করছি। এতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপারে বিদেশিদের ধারনা পাল্টে যাচ্ছে। বিনিয়োগের জন্য ইতিমধ্যে দুই একটি বাংলাদেশি কোম্পানির সঙ্গে বিদেশিরা যোগাযোগ করেছে। এক্ষেত্রে সরকারের ব্যবসাবান্ধব পলিসি সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। সবকিছু মিলে আমরা এই বাজারের জন্য সম্ভাবনা দেখছি। এ সময়ে আর্থিক রিপোর্টের গুনগতমান আরও বাড়াতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের উপর জোর দেন তিনি।

ড. শেখ শামসুদ্দিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারের রিপোর্টের গুনগতমান বেড়েছে। এটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে হবে। বিশেষ শেয়ারবাজারের রিপোর্ট আন্তর্জাতিক মানে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কমিশন সব ধরনের সহায়তা দেবে।

জিয়াউর রহমান বলেন, বাজারের মূল সমস্যা ভালো কোম্পানির সংখ্যা কম। এই সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে। দেশি বিদেশি অনেক কোম্পানি রয়েছে, যারা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়। এক্ষেত্রে অনেক বহুজাতিক কোম্পানি রয়েছে, যারা বিশ্বের অন্যান্য দেশে তালিকাভুক্ত হলেও বাংলাদেশে এখনও তারা শেয়ারবাজারের বাইরে রয়েছে। এদেরকে বাজারে আনতে হবে। তিনি বলেন, ভালো কোম্পানির সংখ্যা বাড়লেই বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা আসবে। এতে কারসাজি কমে আসবে।

হাসান ইমাম রুবেল বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে রির্পোটিংয়ের মান বাড়াতে গত দুই বছরে আমরাও বেশ কিছু প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিলাম। আগামীতে এই প্রশিক্ষণ আরও বাড়াতে হবে।

ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালকের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লুটপাটের ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যানে এমএ খালেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

৭জন শেয়ার হোল্ডারের মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের একক বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী একেএম বদরুদ্দোজা যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বতর্মানে এমএ খালেক দেশে থাকলেও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে।

এ ব্যাপারে এমএ খালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে প্রতিবেদনের বিষয়ে তাকে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হলেও জবাব পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ফারইস্টের দুর্নীতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মামলা দায়ের করেন কোম্পানির ৭জন শেয়ার হোল্ডার। এরা হলেন- মো. ফখরুল ইসলাম, হেলাল মিয়া, কামরুল হাসান, শামসুল হক, মুসলিমা শিরিন, নাজনীন হোসেন এবং আয়শা হুসনে জামান। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিভিন্ন সময়ে কোম্পানিটির পরিচালক ছিলেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, দেশের বীমাখাতে বহুল সমালোচিত ঘটনা ফারইষ্ট লাইফের লুটপাট। বোর্ড মিটিংয়ের পর নজরুল ইসলাম ও এমএ খালেক এমনভাবে সারসংক্ষেপ তৈরি করতেন, যার সঙ্গে পর্ষদের সিদ্ধান্তের কোনো মিল ছিল না। এই সারসংক্ষেপ দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ থেকে নিয়েছেন। আর এই ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় সব শেয়ার হোল্ডারদের এর দায় নিতে হচ্ছে। যা একেবারে জালিয়াতি এবং প্রতারণা।

মঙ্গলবার মামলাটি শুনানীর জন্য গ্রহন করেছেন উচ্চ আদালত। এক্ষেত্রে অভিযুক্তরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ফারইস্ট লাইফের দুর্নীতির বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে বীমাখাতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গত দশ বছরে ফারইস্ট লাইফে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি)সহ বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে।

এক্ষেত্রে মূল লুটপাট হয় ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে। এ সময়ে কোম্পানির লাইফ ফান্ড ও এফডিআর ভেঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বিশাল সম্রাজ্য গড়েছেন ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বহিস্কৃত চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। নিজের ও স্ত্রীর নামে প্রসাদ সমান বাড়ি ও তিনটি ব্যবসা খুলেছেন। দুটি জমি ক্রয় দেখিয়ে সাড়ে ৩শ কোটি টাকা আত্বসাৎ করা হয়েছে। কিন্তু বীমার টাকা না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির হাজার হাজার গ্রাহক নিয়ন্ত্রকসংস্থার দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।

এর সঙ্গে সাবেক অডিট কোম্পানির চেয়ারম্যান এমএ খালেকের সম্পৃক্ততা পেয়েছে এখাতের নিয়ন্ত্রকসংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এছাড়াও লুটপাটের সময় অর্থাৎ ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটির স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে আইডিআরের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোশাররফ হোসেন।

বিষয়টি নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলে বীমাখাতে তোলপাড় শুরু হয়। কোম্পানির পর্ষদ ভেঙ্গে দেয় বিএসইসি।

‘স্বামী কোথায় এটাও কি জানার অধিকার নেই?’

বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদী লুনার প্রশ্ন- আমার স্বামী ইলিয়াস আলী কোথায় আছেন সেটা জানার অধিকারও কি নেই আমার? অথচ গুমের ১০ বছর অতিবাহিত হয়েছে। তাকে ফিরে পেতে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বাসও দিয়েছিলেন কিন্তু ইলিয়াস আলীর কোনো কূল-কিনারা এমনকি উনার অবস্থানটা পর্যন্ত জানতে পারিনি।

মঙ্গলবার বিকালে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাহসিনা রুশদী লুনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের চুনোপুঁটি নেতারা বিদেশে চিকিৎসা নিলেও, সরকার তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তার মৌলিক অধিকার চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। সময় আর বেশি নয়। আমরা সুড়ঙ্গের ভেতর আলো দেখতে পাচ্ছি। জালিম সরকারের পতন নিশ্চিত হবেই।

বিশ্বনাথ পৌর বিএনপির আহবায়ক তালেব আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য আহেম নূর উদ্দিনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, সাবেক এমপি ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি কলিম উদ্দিন আমহদ মিলন, সিলেট জেলা বিএনপি আহবায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার, সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, আবদুল মন্নান, অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট হাসান পাটোয়ারী রিপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবদুল আহাদ খান জামাল, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোজাহিদ আলী ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য জালাল উদ্দিন।

আই অ্যাম আ ম্যান

‘আমাকে ব্রাদার, ফাদার, গড ফাদার- যা কিছু ইচ্ছে বলেন। কিন্তু দয়া করে গডমাদার ডাকবেন না। আই অ্যাম আ ম্যান।’

তৈমুর আলম খন্দকারকে ‘গডফাদারের প্রার্থী’ বলে অভিহিত করেছিলেন সেলিনা হায়াত আইভী। সোমবার নারায়ণগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভির বক্তব্যের জবাবে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে বলে সেলিনা হায়াত আইভীর হয়ে নাসিক নির্বাচনের প্রচারণায় মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন শামীম ওসমান। তিনি বলেন, অন্ততপক্ষে আল্লাহর কাছে মাফ চান, এতদিন সেভাবে নামিনি, আজ নামলাম।

শামীম ওসমান বলেন, মাত্র সোয়া পাঁচ লাখ ভোটারের একটা নির্বাচন এটি। আর এই নির্বাচন এলেই যেন কীসব হয়ে যায়! গরিবের সুন্দরী বউ যেমন সবার ভাবি হয়, আমার হয়েছে সে দশা। সবাই আমাকে একে অপরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি সত্য কথা বলতে পছন্দ করি। আমি এ ক’দিন চুপ ছিলাম, কারণ এ নিয়ে কথা বলা আমার কাজ না। তবে এই চুপ থাকায় আমার দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন চুপ করে গেলে অসত্য করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, সেক্রেটারি খোকন সাহা, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি হাসান ফেরদাউস জুয়েল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহসিন মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল, সেক্রেটারি শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি মানু, এনায়েতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, বিলুপ্ত মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ গাজী সালাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ৮ জানুয়ারি গণসংযোগকালে ডা. আইভী কোনো গডফাদারের দিকে তাকিয়ে নির্বাচন করেন না বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বন্দরে তৈমুর প্রচারণা চালিয়েছেন, সেলিম ওসমানের জাতীয় পার্টির চারজন চেয়ারম্যান তার সঙ্গে ছিলেন। এতে প্রমাণিত হয় নারায়ণগঞ্জে যে গুঞ্জন ছিল তৈমুর আলম খন্দকার গডফাদার শামীম ওসমানের ক্যান্ডিডেট, তা প্রমাণিত হয়েছে।

 

কোম্পানির গাড়িতে চড়ে বাড়ি ফেরা হলো না ২ গার্মেন্ট কর্মীর

মিল ছুটি হওয়ার পর কোম্পানির গাড়িতে চড়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না দুই গার্মেন্ট কর্মীর। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তারা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আড়াইহাজারে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বিনাইরচর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে, কোম্পানির গাড়িতে চেপে গার্মেন্ট কর্মীরা তাদের বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই ২ নারী গার্মেন্ট কর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত ১১জন নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৬জনের অবস্থা আশংকাজানক। তাদের ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ওসি আনিসুর রহমান ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন – উপজেলা শ্রনীনিবাসদী গ্রামের হাজেরা (৩০) ও খাসেরকান্দি গ্রামের নাসিমা (২০)। তারা দুজনই উজান গোপিন্দী স্পিনিং মিলের শ্রমিক। আহতদের বেশিরভাগের বাড়ি উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।

সারা দেশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির আভাস, বাড়বে শীত

ঢাকা, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট এবং ময়মনসিংহ বিভাগের দু’এক জায়গায় থেমে থেমে হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। তবে এ সময়ের শেষের দিকে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। খবর বাসসের।

মঙ্গলবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়। দেশের অন্যত্র মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

তেঁতুলিয়ায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৩, ময়মনসিংহে ১৬ দশমিক ২, চট্টগ্রামে ১৭ দশমিক ২, সিলেটে ১৫ দশমিক ৮, রাজশাহী ১৬ দশমিক ৩, রংপুরে ১৩, খুলনায় ১৬ দশমিক ৫ এবং বরিশালে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্বের ব্যস্ততম দুবাই বিমানবন্দর

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাই বিমানবন্দর যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম বিমানবন্দর লন্ডন হিথরোকে পেছনে ফেলে গত বছরের ডিসেম্বরে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে স্থান লাভ করেছে। ৩.৫৪ মিলিয়ন আসন নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে তারা। এ সংখ্যা দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিথরো থেকে প্রায় ১০ লাখ বেশি।

ছুটির মৌসুমে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় জমে যাত্রীদের। বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ তথ্য সরবরাহকারী সংস্থা ওএজি মাসভিত্তিতে এয়ারলাইন্সের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের আসন সক্ষমতা ও ফ্লাইটের সংখ্যা দিয়ে নির্ধারণ করে। ওএজির ওয়ার্ল্ডস বিজিয়েস্ট এয়ারপোর্টস শীর্ষক প্রতিবেদনে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম প্রথম উঠে আসে।

কাতারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সংস্থাটির কাতার অফিসে স্থানীয় সময় রোববার (৯ জানুয়ারি) রাতে কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।

কাতারের রাজধানী দোহার ওল্ড সালাতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে আগত অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কাতারের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ম্যানেজার আবু কায়সার মাহমুদ ইলিয়াস।

এ সময় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কাতারের নেতারা ও কাতারের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মালিক এবং কাতারের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিমানের সেবার মান আরও উন্নত করা ও কাতার থেকে বাংলাদেশে যাতায়াতে বিমানের ভাড়া কমানোর জন্য অনুরোধ জানান অতিথিরা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কাতারের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ম্যানেজার আবু কায়সার মাহমুদ ইলিয়াস বলেন, বিমানের সেবার মান আরও উন্নত ও বাড়াতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। কয়েক দিন আগে বিমানের ভাড়া বেড়েছিল, তবে আমরা একধাপ কমিয়ে এনেছি। শিগগির আমরা যাত্রীদের ভ্রমণ সেবা সহজ করার চেষ্টা করব।

১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র একটি ডিসি ও ৩টি উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করা রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানটির বহরে বর্তমানে ২১টি এয়ারক্রাফট রয়েছে।

কুরআন না বুঝে পড়লে কি সওয়াব হবে?

ইসলামের প্রতিটি নির্দেশনা তার অনুসারীদের জন্যে কল্যাণবান্ধব। ফলে, যে কুরআন মানুষের জীবনবিধান, তা পাঠ করলেও সওয়াব হয়। দুনিয়ার আর কোনো বিতাব অথবা বই নেই, যা শুধু পড়লেও পাঠকের সওয়াব হয়।

হাদিসে এসেছ, হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন: মানুষের মধ্যে আল্লাহর কিছু পরিবারভুক্ত লোক আছে।

সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, তারা কারা? তিনি বললেন, যারা কুরআনওয়ালা: এরা আল্লাহর পরিবারভুক্ত ও তার বিশেষ লোক। (তারগিব ওয়া তারহিব: ০২/৩০৩)

জিকির, কুরআন তেলাওয়াত ও এর আয়াতগুলো নিয়ে চিন্তা করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। আল্লাহর ভালোবাসার মাধ্যমকে অবলম্বন করে যারা তার নৈকট্য লাভ করে, তারা তার পরিবারভুক্ত ও বিশেষ লোক। আল্লাহও তাদেরকে ভালোবাসেন এবং তারাও তাকে ভালোবাসে।

তিরমিজিতে হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) এর বর্ণনায় এসেছে- যে আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পড়বে, সে একটি নেকি পাবে। আর প্রতিটি নেকি দশগুণের সমান। আমি বলি না: ‘আলিফ লাম মিম’ একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মিম একটি হরফ। (তিরমিজি, হা. ২৯১০)

কুরআন তেলাওয়াতের যেমন সওয়াব রয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে কুরআনের অর্থ ও মর্মাথ অনুধাবন করাও কুরআন-হাদিসেরই নির্দেশনা। এমন নয় যে, একজন সারাজীবন শুধু কুরআন তেলাওয়াতই করে যাবে বা শুধু কুরআন মুখস্ত করেই বসে থাকবে। বরং কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার জন্যেও চেষ্টা করতে হবে।

যেমন ইরশাদ হয়েছে- “আমি আপনার প্রতি এ বরকতপূর্ণ কিতাব নামিয়েছি; তারা যেন এর আয়াতগুলো অনুধাবন করে এবং জ্ঞানীরা উপদেশ গ্রহণ করে।” (সুরা সোয়াদ: ২৯)

আরেক আয়াতে এসেছে, “তারা কি কুরআন নিয়ে চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তকরণ বন্ধ?” (সুরা মোহাম্মাদ: ০৪)

আরেক আয়াতে এসেছে, “উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে আমি কোরআনকে সহজ করেছি; অতএব, কেউ কি আছে চিন্তা করবে?” (সুরা কামার: ১৭) তবে, এর অর্থ এই নয় যে, কুরআন না বুঝে পড়লে কোনো সওয়াব হবে না। কেননা, কুরআন তেলাওয়াত একটি স্বতন্ত্র ইবাদত।

আমরা জানি, নফল নামাজে কুরআন তেলাওয়াত করার অনেক ফজিলতের কথা কুরআন-হাদিসে এসেছে। আচ্ছা, এই ফজিলত কারা লাভ করবে? যারা কুরআনের আরবি ভাষা জানে, শুধু তারাই? নাকি যারা অনারবি, তারাও?

নিশ্চয়ই এই ফজিলত আরবি-অনারবি, সবার জন্যেই অবারিত। এখন যদি কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াবকে এর অর্থ বুঝে পড়ার সাথে শর্তযুক্ত করা হয়, তাহলে দুনিয়ার অসংখ্য মানুষ যারা আরবি জানে না, তাদের তেলাওয়াতের কী হবে?

আল্লাহর অনুগ্রহ কি এতটাই সংকীর্ণ যে, তারা সওয়াব পাবে না? তা ছাড়া যেসব আয়াত বা হাদিসে কুরআন পড়ার ফজিলতের কথা এসেছে, সেসব জায়গায় কুরআন বুঝে পড়ার কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি।

বরং, সাধারণভাবে বলা হয়েছে, কুরআন তেলাওয়াত করলে প্রতি হরফে দশ নেকি। এখানে বুঝে না বুঝে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

কুরআন তেলাওয়াতের সওয়াব আর কুরআন বুঝে পড়ার গুরুত্ব; দু’টি আলাদা বিষয়। একটিকে আরেকটির সাথে সাংঘর্ষিক মনে করা ঠিক নয়।

শুধু তেলাওয়াত করলে যেমন সওয়াবের কথা বর্ণিত আছে, তেমনি কুরআন বুঝে পড়াও শরিয়তের নির্দেশ। হ্যাঁ, আপনি যদি কুরআন বুঝে পড়েন, তাহলে এর প্রতি আমল করার গুরুত্ব আপনার কাছে বেড়ে যাবে।

এবং এটা খুব দরকারি একটা কাজ। আর এটাই হচ্ছে মূল কথা। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বোঝার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: অনুবাদক, প্রাবন্ধিক

সব নির্দেশনা মেনে সময়মতো বইমেলা

সরকারি সব ধরনের নির্দেশনা মেনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা শুরু হতে যাচ্ছে। তবে করোনাভাইরাসের আগ্রাসী ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়া এবং করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। চিরায়ত নিয়মে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে বইমেলা শুরুর বিষয়ে প্রকাশকরা মতামত দিয়েছেন। তবে তারা ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের তাগিদ দিয়েছেন। ওমিক্রন সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে বাংলা একাডেমি বইমেলা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতোমধ্যে মেলার দুই অংশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমিতে কাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

 

রোববার অমর একুশে বইমেলা-২০২২ আয়োজন প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা যুগান্তরকে বলেন, সরকারের সব নির্দেশনা মেনে অমর একুশে গ্রন্থমেলা অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত নির্দেশনা অনুযায়ী বইমেলা চিরায়ত নিয়মে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। সে অনুযায়ী আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। এর মধ্যে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা এলে সে অনুযায়ী সব জায়গায় আলোচনা করে যেটা সবার জন্য মঙ্গলজনক সেটাই করা হবে।

কবি নূরুল হুদা আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে চিরায়ত নিয়মে মেলা শুরু করার বিষয়ে প্রকাশকরাও মতামত দিয়েছেন। গত বছরের বইমেলার আলোকে দেখা যায়, মার্চ-এপ্রিলে করোনার প্রকোপ আরও বেড়ে যায়। সেদিক থেকে মেলা ফেব্রুয়ারিতে আয়োজন করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তারা। ওমিক্রনের আক্রমণ বাড়ছে, সেটি আমরাও খেয়াল রাখছি। তবে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সুন্দরভাবে মেলার আয়োজন হতে পারে।

এদিকে বিশ্বব্যাপী ওমিক্রনের সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে গত কয়েকদিনে করোনা শনাক্তের হার বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ডাবল ডোজ টিকা নেওয়ার সনদ ছাড়া রেস্টুরেন্ট, শপিংমল ও মেলায় যাওয়া অথবা বিমান ও ট্রেনে কেউ উঠতে পারবে না। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া এমন সিদ্ধান্ত আয়োজকদের ভাবনায় ফেলেছে। এ বিষয়ে বাংলা একাডেমি কী সিদ্ধান্ত নেবে জানতে চাইলে কবি নূরুল হুদা বলেন, সরকারি নির্দেশনাকে আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাব। পাশাপাশি মেলার প্রবেশের সময় আর কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে বিষয়গুলো নিয়েও ভাবা হচ্ছে।

অমর একুশে বইমেলা আয়োজন প্রসঙ্গে জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, প্রকাশকরা বইমেলা আয়োজনের পক্ষে। মেলা হলে সেটা ফেব্রুয়ারিতেই হওয়া উচিত। বাংলা একাডেমি ও আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বইমেলা আয়োজনের বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। তবে করোনা পরিস্থিতি এবং সরকারের নির্দেশনা আমাদের ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যাতে আমরা কোনো পক্ষই বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে না পড়ি। ২০২১ সালে বইমেলা আয়োজন নিয়ে সরকার, বাংলা একাডেমি ও আমরা সবাই বিব্রতকর অবস্থায় ছিলাম। এবার হাতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় আছে। তাই আমরা ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করতে পারি।

বাংলা একাডেমির একটি সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির আলোকে বড় ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা না এলে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু হবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। চিরায়ত নিয়মে তিনি অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন। এবারের অমর একুশে বইমেলার থিম ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’। এ থিমে বইমেলার সময়টাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ সাজবে। গত কয়েক বছরের মতো এবারও বইমেলার নকশাকার হিসাবে আছেন স্থপতি এনামুল করিম নির্ঝর।

জানা গেছে, এবার বইমেলার আয়তন গত বছরের তুলনায় কিছুটা বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে নতুন ১০টি প্রতিষ্ঠানকে বইমেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এবার সাংস্কৃতিক আয়োজনগুলোও থাকবে। অমর একুশে বইমেলা-২০২২ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ওমিক্রনের আশঙ্কা সত্ত্বেও গতবারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বইমেলা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনায় লালিত অমর একুশে বইমেলা সুপরিকল্পিত ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করছি।

ওমিক্রন বিস্তারের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সরকারের আরোপিত বিধি-নিষেধ সম্পর্কে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক নূরুল হুদা যুগান্তরকে বলেন, সভা-সমাবেশ আর বইমেলার বিষয়টি এক নয়। অনেক বিধি-নিষেধ বইমেলায় এমনিতেই থাকবে। আজ কাউন্সিল সভায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। আলোচনায় নতুন কোনো সিদ্ধান্ত এলে সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।