শনিবার ,৬ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 486

কোটিপতি বেজোসের প্রমোদতরীর জন্য ভাঙতে হচ্ছে ব্রিজ!

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি আমেরিকান ব্যবসায়ী জেফ বেজোসের জন্য একটি বিশাল প্রমোদতরী তৈরি করেছে নেদারল্যান্ডসের ওসেনাকো নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

এটি তৈরি করা হয়েছে দেশটির পোর্ট সিটি রোটারডামে।

প্রমোদতরীটি এতটাই বড় যে এখন এটি ডক থেকে বের করে সমূদ্রে নিয়ে আসার জন্য ভেঙে ফেলতে হবে একটি ব্রিজ।

গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, জেফ বেজোসের ৪৫০ মিলিয়ন ইউরোর দানবাকৃতির এই প্রমোদতরীটি আসবে ঐতিহাসিক কোনিংসাভেন ব্রিজের নিচ দিয়ে। কিন্তু এটি এতোটাই বড় যে সেটি ব্রিজের নিচ দিয়ে আসতে পারবে না।

ফলে এটির নির্মাতা ওসেনাকো কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করেছে যেন কোনিংসাভেন ব্রিজেরে মাঝের অংশটি ভেঙে ফেলার অনুমতি দেওয়া হয়।

কোনিংসাভেন ব্রিজটি প্রথমে তৈরি করা হয় ১৮৭৮ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ সালে নাজিরা বোমা মেরে ব্রিজটি উড়িয়ে দেয়। এরপর নতুন করে তৈরি করা হয় এটি।

এখন জেফ বেজোসের জন্য ব্রিজটি ভেঙে ফেলা হবে। এ বিষয়টি মানতে পারছেন না নেদারল্যান্ডসের অনেক মানুষ। তারা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তবে প্রতিবাদ জানালেও ব্রিজটি ভাঙা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কারণ সমূদ্রে প্রমোদতরীটিকে নিয়ে যেতে হলে অন্য কোনো বা বিকল্প পথই নেই।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পণ্য রপ্তানিতে ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

পণ্য রপ্তানিতে সুবাতাস বইছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও ধারাবাহিকভাবে আয় ও প্রবৃদ্ধি দুটোই বাড়ছে। সর্বশেষ জানুয়ারি মাসে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪০৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে তুলনায় আয় বেশি হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ ছাড়া গত বছর একই সময় আয় হয়েছে ৩৪৩ কেটি ৬৭ লাখ ডলার। সেক্ষেত্রে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় ৪১ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে।

এদিকে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২৫৪৩ কোটি ৫০ রাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ২৯৫৪ কোটি ৮৯ রাখ ডলার। সেক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় ১৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি হয়েছে। এ ছাড়া গত অর্থবছরের একই সময় আয় হয়েছিল ২২৬৭ কোটি ডলার। সেক্ষেত্রে গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেশি হয়েছে ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রোববার প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হিমায়িত খাদ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্রকৌশল ও রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। বড় খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে।

ইপিবি বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৫৪ কোটি ৯১ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ২ হাজার ৩৯৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় ১৬ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩০ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

হিমায়িত খাদ্য খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। আয় বেড়েছে ২৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২২ দশমিক ৬ শতাংশ।

কৃষি পণ্য রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ৭৪ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

উৎপাদিত পণ্য খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৪৮ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ২ হাজার ৮৪২ কোটি ডলার। এ খাতে আয় বেড়েছে ১৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩০ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬০ কোটি ২৮ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ৬৮ কোটি ২৭ লাখ ডলার। আয় বেশি হয়েছে ১৩ দশিক ২৫ শতাংশ। প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

অন্যদিকে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ের লক্ষমাত্র অর্জন হয়নি। এ খাতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮৩ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৬৯ কোটি ডলার। আয় কম হয়েছে ১৬ দশমিক ২১ শতাংশ। পাশাপাশি গত বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়েছে।

গভর্নর ফজলে কবির করোনা আক্রান্ত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি গত রোববার থেকে হোম অফিস করছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, গভর্নরসহ তার বাসায় একাধিক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি গত রোববার থেকে হোম অফিস করছেন। করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত তিনি বাসায়ই অবস্থান করবেন।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামালও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি গত সপ্তাহ থেকে হোম অফিস করছেন। তবে করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসলে তারা আগামী রোববার থেকে অফিস করবেন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের শুধু গভর্নর, ডেপুটি গভর্নর নয়, বর্তমানে প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে হোম অফিস করছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংক পরিদর্শনে গঠন করা হয়েছে একাধিক টিম। সে টিমেও কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিস্তার রোধে অর্ধেক জনবল দিয়ে ব্যাংক চালাতে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড-১৯-এর বিস্তার রোধে সরকারের দেয়া বিধি-নিষেধের মধ্যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে রোস্টারিংয়ের মাধ্যমে অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে আবশ্যকীয় ব্যাংকিং সেবা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনের নিরিখে স্বীয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি সম্পন্ন করবেন। ব্যাংকে সেবা নিতে আসা আগত গ্রাহকদের আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে।

গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারের পতন করতে চান আসম রব

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় সরকারের অনিবার্যতার ওপর গুরুত্বারোপ করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, কর্তৃত্ববাদী সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করে সরকার পতনের মাধ্যমে জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এই জাতীয় সরকারই রাষ্ট্রীয় সংস্কার সাধনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করবে।

জেএসডির স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে আ স ম রব এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার আবদুর রবের উত্তরার বাসায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন- জেএসডির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, মো. সিরাজ মিয়া, তানিয়া রব এবং শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।

আ স ম রব বলেন, আইনের শাসনের অনুপস্থিতি, নির্বাচনহীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বিশ্বে রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়ে এখন তলানিতে। এই অবস্থা বিদ্যমান থাকলে ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ বড় ধরনের সংকটে নিপতিত হবে।

তিনি বলেন, দেশের ভেতরে মানুষের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, ভয়ের সংস্কৃতিতে মানুষ কথা বলতে পারছে না। দুর্নীতিতে সারা দেশ আচ্ছন্ন, উন্নয়নের ডামাঢোলে সমাজে প্রতিনিয়ত বেকারত্ব ও বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, লুটপাটের মাধ্যমে দেশের সম্পদ পাচার হয়ে যাচ্ছে। এসব চলতে দেওয়া যায় না।

আ স ম রব বলেন, সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার ভেতর দিয়েই গণমুখী রাজনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে। বাঙালির তৃতীয় জাগরণের এ পর্যায়ে দেশ পরিচালনায় সব অংশীজনের ভূমিকা নিশ্চিত করলেই জাতীয়তাবাদের বিকাশ সুনিশ্চিত হবে।

‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি অপরাজনীতি করেছে’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি এতদিন দেশে অপরাজনীতি করেছে। তারা এতদিন মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি তৈরি করে ষড়যন্ত্র করেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি নেতারা এতদিন বলেছেন খালেদা জিয়াকে বিদেশ না নিয়ে গেলে তিনি মারা যাবেন। শেষ পর্যন্ত আমরা দেখলাম তিনি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। বাংলাদেশে তার ভালো চিকিৎসা হয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি কতটা মিথ্যাচার ও অপপ্রচার করেছে তা দেশের মানুষ দেখেছে। তারা মূলত চেয়েছে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে দেশে অস্থিতীশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে।’

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি এক দফা আন্দোলনের নামে ১৩ বছর ধরে দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের জন্য সারাজীবন লড়াই করেছেন। তিনি সব সময় চেয়েছেন, এ দেশের মানুষ খেয়ে পরে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকুক, শান্তিতে থাকুক। কিন্তু জিয়া-মোশতাক গংরা জাতির পিতাকে বাঁচতে দেয়নি। তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট অমানবিকভাবে তাকে হত্যা করে। সেই জিয়া-মোশতাক গংদের দোষ হলো বিএনপি-জামায়াত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কখনও চায় না বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হোক। তারা চায় দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় গিয়ে সবকিছু লুটপাট করতে। আবারও হাওয়া ভবন তৈরি করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার করতে চায় তারা। তাদের এখন একটাই আফসোস তারা দেশকে পাকিস্তানের আদলে বানাতে পারেনি।’

আওয়ামী লীগের এ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি সব সময় বিদেশিদের কাছে গিয়ে ধরনা দেয়।তারা পরাশক্তির কাছে নালিশ করে। লবিস্ট নিয়োগ করে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। বিদেশিদের টাকা দেয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য। অর্থনীতিকে বাধাগ্রস্থ করতে তারা মূলত বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে। এর আগে খালেদা জিয়াও নিবন্ধ লিখে জিএসপি সুবিধা নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন, যা আমরিকার বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছে। বিএনপির কাজ হলো অপরাজনীতি করা, তারা কখনো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা সব সময় চায় বাংলাদেশ ধ্বংস হোক।’

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আজ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। অতীতের মতো আমরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাব। ’

বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থিত শ্রমিক লীগ অফিস উদ্বোধন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কেএম আযম খসরুর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আ.লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, জাতীয় শ্রমিক লীগের সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদ, মো. শাহাবউদ্দিন, মহসিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক এটিএম ফজলুল হক, প্রচার সম্পাদক মেহেদি হাসান, অর্থবিষয়ক সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষা ও সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক শহীদ ডাকুয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিসেস প্রমিলা পোদ্দার, শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান, ট্রেড সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক মো. ফিরোজ হোসাইন প্রমুখ।

‘যুক্তরাষ্ট্র আর নিষেধাজ্ঞা দেবে না’

বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আর বাড়াবার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর নিষেধাজ্ঞা দেবে না। অন্য কোথাও এর প্রভাব পড়বে না। গত ১০ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে আমরা যে সাড়া পেয়েছি তাতে আর নিষেধাজ্ঞার কোনো আশঙ্কা দেখি না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যখন র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তখন থেকেই আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও ট্রেজারি বিভাগের কাছে চিঠি দিয়ে কারণ জানতে চেয়েছি। তারা আমাদের চিঠির উত্তর দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বন্ধু দেশের কাছে প্রত্যাশা করতেই পারি, তারা এর বিস্তারিত কারণ আমাদের জানাবে। এজন্য আমরা তাদের অনুরোধ করেছি।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের উত্তরে শাহরিয়ার আলম বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কেউ কেউ সস্তা রাজনীতি করতে চাইছেন। বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল বলছেন, ‘এবার জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা দেবে’। কেউ বলছেন- ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা দেবে’। এভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা আর বাড়াবে না বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের আলাপ হয়েছে। রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টের একজন সদস্য, যিনি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন, সেটা তার ব্যক্তিগত মতামত। শাহরিয়ার আলম বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে না, টিপিক্যাল লবিস্টের প্রয়োজন আছে। বিএনপির মতো লুকিয়ে কিছু করব না। জনগণের কাছে সম্পূর্ণ জবাবদিহিতা থাকবে। গোপন এজেন্ডা থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। পৃথকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ও পররাষ্ট্র দপ্তর।

এই নিষেধাজ্ঞার পর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে র‍্যাবকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়ের ল্যাকোঁয়ারকে চিঠি দেয় আন্তর্জাতিক ১২টি মানবাধিকার সংস্থা।

র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ অসন্তোষ জানিয়েছে। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে গত ১১ ডিসেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে ঢাকার অসন্তোষের কথা জানানো হয়।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন ড. মোমেন। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনকে ফোন করে এ বিষয়ে কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

‘বাধ্য হয়ে ঘুস দেন ডিআইজি মিজান, এটি অপরাধের মধ্যে পড়ে না’

পুলিশের বরখাস্তকৃত বিতর্কিত ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান বাধ্য হয়ে দুদকের পরিচালক (বরখাস্ত হওয়া) খন্দকার এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দেন বলে আদালতে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে ডিআইজি মিজানের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্কে মিজানের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী একথা জানান।

এহসানুল হক সমাজী বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদন, কল রেকর্ড ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য থেকে এটা প্রমাণিত যে, ডিআইজি মিজান বাধ্য হয়ে খন্দকার এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দিয়েছেন। তাই চাপের মুখে বাধ্য হয়ে ঘুস দেওয়াটা অপরাধের মধ্যে পড়ে না। এ ছাড়া এই ৪০ লাখ টাকার বৈধতা সম্পর্কেও কোনো প্রশ্ন উঠেনি। তাই তিনি খালাস পাওয়ার যোগ্য। আমরা বিজ্ঞ আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।’

এরপর দুদকের এনামুল বাছিরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি বাছিরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০২০ সালের বছরের ১৯ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। এরপর ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে এ চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। একই বছরের ১৮ মার্চ এ মামলার চার্জ (অভিযোগ) গঠনের আদেশ দেন আদালত। ওই বছরের ১৯ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এ মামলায় গত ২৪ জানুয়ারি দুদকের পক্ষে দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়।

চার্জশিটে বলা হয়, দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কমিশনে দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে, নিজে লাভবান হওয়ার আশায়, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ডিআইজি মো. মিজানুর রহমানকে অবৈধভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার হীনউদ্দেশ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুস গ্রহণ করেন।

অপরদিকে মিজানুর রহমান সরকারি কর্মকর্তা হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনীত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য অর্থাৎ অনুসন্ধানের ফলাফল নিজের পক্ষে নেওয়ার জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে এনামুল বাছিরকে অবৈধভাবে প্রভাবিক করার লক্ষ্যে ৪০ লাখ টাকা ঘুস দিয়ে পরস্পর যোগসাজশে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

২০১৯ সালের ১৭ জুলাই ৪০ লাখ টাকা ঘুস লেনদেনের অভিযোগে ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নতুন কমিটি

যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ড. নুরুন নবীকে পুনরায় সভাপতি এবং ক্যালিফোর্নিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রানা হাসান মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি (শনিবার) অনলাইন জুম কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এক সাংগঠনিক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের নতুন কমিটিতে আছেন- সভাপতি ড. নুরুন নবী (নিউজার্সি), সহ-সভাপতি রাফায়েত চৌধুরী (নিউইয়র্ক), ফাহিম রেজা নূর (নিউইয়র্ক), সফেদা বসু বিন্ধু (বোস্টন), ইঞ্জিনিয়ার আহাদ আহমেদ (মিশিগান), আবু তাহের বীরপ্রতীক (পেন্সিলভেনিয়া), ড. আবু নাসের রাজীব (ক্যালিফোর্নিয়া), নজরুল আলম (ক্যালিফোর্নিয়া), মঞ্জুরুল রুমি কবির (আটলান্টা), আব্দুর রহীম বাদশা (নিউইয়র্ক), জাকারিয়া চৌধুরী (নিউইয়র্ক)।

সম্পাদকমণ্ডলী- সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রানা হাসান মাহমুদ (ক্যালিফোর্নিয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়া (নিউইয়র্ক), কোষাধ্যক্ষ মাহাবুবুর রহমান ভুইয়া (আটলান্টা), সাংগঠনিক সম্পাদক দস্তগীর জাহাঙ্গীর (ওয়াসিংটন), বিশেষ প্রকল্প সম্পাদক শাখাওয়াত আলী (নিউইয়র্ক), আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাবুল (নিউইয়র্ক), মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মতিউর রহমান সিমু (মিশিগান), কমিউনিটি বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান টুকু, (নিউইয়র্ক), সোশাল ওয়েলফেয়ার সম্পাদক সিরাজুদ্দিন আহমেদ সোহাগ (নিউইয়র্ক), সংস্কৃতি সম্পাদক অজন্তা সিদ্দিকি (নিউজার্সি), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন আহমেদ মুন্না (ওয়াসিংটন), যুব বিষয়ক সম্পাদক আরেফিন চৌধুরী পিয়াল (আটলান্টা), সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন উদ্দিন টিপু (মিশিগান) ও নুরুননবী চৌধুরী শামিম (নিউজার্সি)।

উপদেষ্টামণ্ডলী- সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ (নিউইয়র্ক), বেলাল বেগ (নিউইয়র্ক), কবির আনোয়ার (নিউইয়র্ক), ড. বামন দাস বসু (বোস্টন), ড. মহসিন আলী (নিউইয়র্ক), মোরশেদ আলম (নিউইয়র্ক), রথীন্দ্রনাথ রায় (নিউইয়র্ক), শহীদ হাসান (নিউইয়র্ক), ড. সিদ্দিকুর রহমান (নিউজার্সি), দারা বিল্লাহ (ক্যালিফোর্নিয়া), মমিনুল হক বাচ্চু,(ক্যালিফোর্নিয়া), ড. মিজান আর মিয়া (শিকাগো), ড. জামিল তালুকদার (উইসকন্সিন), অধ্যাপক সাহদাত হাসান (নিউইয়র্ক), অধ্যাপক হাসান মাহমুদ (নিউজার্সি), ড. হাসান মামুন (নিউজার্সি), আব্দুস সালাম (নিউজার্সি), ড. মোহাম্মেদ দেলোয়ার হোসেন (আলাবামা), ড. সৈয়দ আশরাফ আহমেদ (ম্যারিল্যান্ড), তাজুল ইমাম (নিউজার্সি), গোলাম মোস্তফা মিরাজ (নিউইয়র্ক), জাহেদুল মাহমুদ জামি (ক্যালিফোর্নিয়া), রাশেদ আহমেদ (নিউইয়র্ক), কৌশিক আহমেদ (নিউইয়র্ক), আতিকুর রহমান (ফ্লোরিডা), ফারুক ভুইয়া (নিউজার্সি), মীর চৌধুরী (নিউজার্সি), নাহিদ চৌধুরী মামুন (নিউজার্সি), বেদারুল ইসলাম বাবলা (নিউইয়র্ক), ড. মোহাম্মদ আলী মানিক (আটলান্টা), সাজ্জাদ জহীর (নর্থ ক্যারোলিনা), ড. মাসুদ হাসান (নিউইয়র্ক), ড. সজিদ কামাল (ম্যাচাসুচেস্ট), নিনি ওয়াহেদ (নিউইয়র্ক), অধ্যাপিকা হোসনে আরা (নিউইয়র্ক), শীতাংশু গুহ (নিউইয়র্ক), হেলালুর করিম (ক্যানেক্টিকাট), হাকিকুল ইসলাম খোকন (নিউইয়র্ক), হাবিব আহমেদ টিয়া (ক্যালিফোর্নিয়া), আফরোজা জামিল কঙ্কা (ক্যালিফোর্নিয়া), মতিন চৌধুরী (ক্যালিফোর্নিয়া), ইঞ্জিনিয়ার ভুইয়ান (ফ্লোরিডা)।

সদস্য- ড. জিনাত নবী (নিউজার্সি), নাজনীন হোসেন (নিউজার্সি), ইরানী আমিন (নিউজার্সি), ড. ফারুক আজম (নিউজার্সি), হাজি এনাম (নিউইয়র্ক), আবদুর রহমান (নিউইয়র্ক), মকবুল হোসেন তালুকদার (নিউইয়র্ক), দেওয়ান বজলু চৌধুরী (নিউজার্সি), গোপাল সান্যাল (নিউইয়র্ক), শুভ রায় (নিউইয়র্ক), তাহমিনা শহীদ (নিউইয়র্ক), ড. দিলীপ নাথ (নিউইয়র্ক), ফরিদা আরভি (বোস্টন), আবদুল লতিফ বিশ্বাস (নিউইয়র্ক), রুহুল ভুঁইয়া (নিউইয়র্ক), শেখ আতিকুল ইসলাম (নিউইয়র্ক), মো. মনির হোসেন (নিউইয়র্ক), অভিনাশ আচার্য (নিউইয়র্ক), ইসমাইল হোসেন স্বপন (নিউইয়র্ক), জিএইচ আরজু (নিউইয়র্ক), বি এম হোসেন হিরু ভুঁইয়া (নিউইয়র্ক), রেজাউল করিম চৌধুরী (নিউইয়র্ক), খুরশিদ আনোয়ার বাবলু (নিউইয়র্ক), স্বপন কর্মকার (নিউইয়র্ক), শিবলী সাদিক (নিউইয়র্ক), মিয়ান হেলালি (নিউজার্সি), অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত (নিউইয়র্ক), ড. টমাস দুলু রায় (নিউইয়র্ক), মিনহাজ আহমেদ (নিউইয়র্ক), মিথুন আহমেদ (নিউইয়র্ক), লুতফুন রহমান লতা (নিউইয়র্ক), ড. আবদুল বাতেন (নিউইয়র্ক), আজমল আলী (নিউজার্সি), সন্তোষ বড়ুয়া (ওয়াসিংটন), ওসমান গনী (বোস্টন), মাহফুজ রহমান (বোস্টন), মিশা রহমান (বোস্টন), জাকির হোসেন (বোস্টন), মোরশেদা খাতুন (বোস্টন), জাহিদ ওসমান মামুন (বোস্টন), মহিতোস তালুকদার তাপস (বোস্টন) ও রেজাকুল হায়দর ফরিদ (বোস্টন)।

সূচকের বড় উত্থানে চলছে পুঁজিবাজারে লেনদেন

সূচকের বড় উত্থানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন চলছে।

এ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন বেলা ১০টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স সূচক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৭ হাজার ৫০ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৫০৯ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ২৬০৭ পয়েন্টে।

এ পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬৪টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৩৯টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

অপরদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১১৯ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

আফগানিস্তানকে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ড

গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ছিটকে গেছে আগে। পাকিস্তানও হেরে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। শ্রীলংকাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে আফগানিস্তান। শেষ চারে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে ট্রফি থেকে ছিটকে গেলেন আফগানরা।

আফগানিস্তান নির্ধারিত ৪৭ ওভারে থেমে যায় ৯ উইকেটে ২১৫ রানে। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে ১৫ রানের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠেছে। আগে ইংল্যান্ড ব্যাট করে ২৩০ রান। হাদি ৬০ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ম্যাচের নায়ক ইংল্যান্ডের লেগ স্পিনার রেহান আহমেদ। ম্যাচের ৪৬ নম্বর ওভারে যখন রেহান বল করতে আসেন, তখন আফগানদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল দুই ওভারে ১৯ রান, হাতে ছিল ৪ উইকেট। রেহান সব কিছু উলোটপালট করে দেন। মাত্র এক রান দিয়ে নুর, ইজহারউল হক নাভিদ এবং বিলাল সামির উইকেট নিয়ে দলকে জয় এনে দেন রেহান।

ম্যাচে ৪১ রানের বিনিময়ে রেহান ৪ উইকেট নেন। এর সঙ্গে সঙ্গে এক অনন্য নজির গড়ে ফেলেন তরুণ ইংল্যান্ড স্পিনার।

৬৭ বলে অপরাজিত ৫৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলা ইংল্যান্ডের জর্জ বেল ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন।