শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 474

গণপরিবহণে ভোগান্তি কমাবে জবি শিক্ষার্থীদের তৈরি অ্যাপ

দেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে ‘গো বাংলাদেশ’ নামে একটি অ্যাপের উদ্বোধন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি যেটি বর্তমান সিস্টেমের বিকল্প, নির্ভুল, নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী।

কিউআর কোড, ডিজিটাল ওয়ালেট, মোবাইল ব্যাংকিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল এপ্লিকেশন ভিত্তিক একটি আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা প্রকল্পের উদ্ভাবন করেছেন। এতে যাত্রীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই দিতে পারবেন ভাড়া।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অ্যাপটির সঠিক ব্যবহার করা গেলে গণপরিবহণের নিত্যদিনের সব ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী। আসবে গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলাও।

ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি বাস্তবায়নের জন্য উদ্ভাবন ডিজাইন ও উদ্যোক্তা একাডেমি ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিইএ) থেকে ১০ লাখ টাকার ফান্ড পেয়েছে প্রকল্পটি।

‘গো বাংলাদেশ’ নামের অ্যাপ্লিকেশনের সদস্যরা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান সৌরভ, ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম এবং ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসাইন ও নিশাত মাহমুদ।

এ অ্যাপ উদ্ভাবনে শিক্ষার্থী টিমকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ, সাবেক শিক্ষক এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট জাহিদুর রহমান।

এ বিষয়ে তারা বলেন, অনিবন্ধিত বাস ও ড্রাইভার এ সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবে না। বাসের প্রতিটি সিটের পেছনে একটি করে কিউআর কোড লাগানো থাকবে। যাত্রী যে সিটে বসে আছে, তার সামনের সিটের পেছনে সে সিটের কোডটি থাকবে। যাত্রীরা তার সামনের কোডটি স্ক্যান করার মাধ্যমে শুধু গন্তব্য সিলেক্ট করে ভাড়া দিয়ে দিতে পারবেন। ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা কেটে নিবে। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ভ্রমণের জন্য অগ্রিম টিকিটও বুক করে রাখা যাবে। জার্নির বিপরীতে কোনো মন্তব্য বা অভিযোগ থাকলে যাত্রীরা তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিতে পারবেন ও সেবার মান নির্ধারণ করতে পারবেন। আর এসব কার্যক্রম সরাসরি পরিবহন মালিক দেখতে পারবেন।

এছাড়াও কোনো যাত্রী ডিজিটালি ভাড়া দিতে না পারলে ক্যাশ টাকার মাধ্যমেও ভাড়া নিতে পারবেন। ডিজিটালি দেওয়া ভাড়া সরাসরি মালিকের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে যোগ হবে। এছাড়া টাকার মাধ্যমে নেওয়া ভাড়া ড্রাইভার মালিককে দেবেন। বাসমালিক বাসের অবস্থান, ড্রাইভারের বিস্তারিত, যাত্রীর তথ্য এবং যাত্রীর অভিযোগগুলোও দেখতে পারবেন।

জানা যায়, উদ্ভাবিত প্রজেক্টটি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগিতায় ৩০তম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া সিটি ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘সিএসই ফেস্টিভ্যাল ২০২১’ এ আইডিয়া ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, তাদের এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের পরিবহন খাতকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

গরু পাচার মামলায় দেবকে সিবিআইয়ের তলব

গরু পাচার মামলায় অভিনেতা ও তৃণমূল সংসদ সদস্য দেবকে নোটিস পাঠিয়েছে সিবিআই। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে।

ভারতীয় সাংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাক্ষীদের বয়ানে দেবের নাম উঠে এসেছে। একাধিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দেবকে তলব করা হয়েছে।

এর আগে গরু পাচার মামলার অন্যতম হোতা এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে দেবের নাকি যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু ঠিক কীভাবে পরিচয় হল দুজনের। কবে থেকেই বা এই পরিচয়, সেসব জানার জন্যই দেবকে তলব করা হয়েছে।

সিবিআই কর্মকর্তারা জানান, গরু পাচার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে একাধিক সাক্ষীর বয়ানে উঠে এসেছে দেবের নাম। আর সেই কারণেই নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দেবকে।

কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭-১৮ সালে এনামুলের থেকে নাকি নগদ বেশ কয়েক লক্ষ টাকা ও ঘড়িসহ বহুমূল্য উপহার নিয়েছিলেন দেব। এনামুল হক নিজে একথা স্বীকার করেছেন তদন্তকারীদের কাছে। সে সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই দেবকে সিবিআই তলব।

আদালতের রায়ের পর যা বললেন নিপুণ

জায়েদ খানকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেখে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। একইসঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থিতাবস্থা জারি করা হয়।

বুধবার চেম্বার আদালতের এই আদেশের পরপরই বিএফডিসি প্রাঙ্গণে হাজির হন নিপুণ।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি জয়ী কি না, এ বিষয়টা একটু বেশি সেনসিটিভ। কারণ, আদালতের বিষয়। আমি শুধু এতটুকুই বলব, হ্যাঁ, আপনারা বলতে পারেন আমি জয়ী। আর ১৩ তারিখ যেটা হবে, সেটা হলো, যে রিট করেছে, সে-ই রিটটা পুরো বেঞ্চ শুনবে। আমার আপিল দুইটা ছিল। আর বাকি সব আইনের কথা, এগুলো বোঝাটা কঠিন বিষয়।

তিনি কবে চেয়ারে বসছেন- এমন প্রশ্নে নিপুণ বলেন, এখন চেয়ারে বসতে আর কোনো বাধা নেই। কিন্তু আমি ফুল বেঞ্চের জন্য অপেক্ষা করতে চাই। শুধু একটা কথাই বলব- আপিল বোর্ড থেকে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি, আদালত থেকেও ন্যায়বিচার পেয়েছি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হওয়া জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেছে শিল্পী সমিতির নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আপিল বিভাগ। এর ফলে তিনি হারিয়েছেন পদ। শনিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান এক সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে নায়িকা নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়।

এরই মধ্যে শপথগ্রহণ করেছে নিপুনসহ নতুন কমিটি। শপথ অনুষ্ঠানে মিশা-জায়েদ প্যানেলের বিজয়ী কেউ না এলেও উপস্থিত হয়েছেন মিশা সওদাগর। তিনি নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে শপথ পাঠ করিয়েছেন।

খুলনাকে উড়িয়ে দিল ঢাকা

খুলনা টাইগার্সকে উড়িয়ে দিয়ে এক ম্যাচ পর জয়ে ফিরল ঢাকা। ৯ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় পজিশনে আছে তামিম-মাশরাফি-মাহমুদউল্লাহদের দলটি।

বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে খুলনা।

দলের এমন কঠিন পরিস্থিতে একাই লড়াই করে যান জিম্বাবুয়ের তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দর রাজা। তার ৫০ বলের ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় গড়া ৬৪ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান করে খুলনা।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১২ রানেই দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরান উজ্জামানের উইকেট হারায় ঢাকা। দলীয় ৬৯ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন জহুরুল ইসলাম অমি (৩০)।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ফেরেন ৩৪ রান করে। ২৫ রান করেন শামসুর রহমান শুভ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ঢাকার প্রয়োজন ছিল ১১ রান। থিসেরা পেরেরার করা ওভারের প্রথম দুই বলে পরপর ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন শুভাগত হোম। তিনি ৯ বলে দুই ছক্কার সাহায্যে ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেনন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

খুলনা: ২০ ওভারে ১২৯/৮ রান (সিকান্দার রাজা ৬৪, মেহেদি হাসান ১৭, মুশফিক ১২;আরাফাত সানি ২/১৫, আজমতউল্লাহ ২/২৫)।

ঢাকা: ১৯.২ ওভারে ১৩১/৫ রান (মাহমুদউল্লাহ ৩৪, জহুরুল ইসলাম ৩০, শামসুর রহমান ২৫, শুভাগত ১৮*)।

ফল: ঢাকা ৫ উইকেটে জয়ী।

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ‘কাপুরুষ’

বিরাট কোহলির সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় প্রধান কোচের চাকরি হারান ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে।

কোহলির মতো নাকি একই কাণ্ড ঘটিয়েছেন প্যাট কামিন্স। প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের পদত্যাগে নাকি অধিনায়ক কামিন্সের ভূমিকা রয়েছে। এমন অভিযোগই তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকারা।

গত শনিবারই অস্ট্রেলিয়ার কোচের চাকরি থেকে সেচ্ছায় পদত্যাগ করেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার। তার অধীনে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পাশপাশি, ল্যাঙ্গারের অধীনে দুইবার অ্যাশেজ সিরিজ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে ল্যাঙ্গারের অত্যাধিক কড়া শাসন নাকি অজি ক্রিকেটাররা সেভাবে মেনে নিতে পারেননি। এমন অভিযোগ রয়েছে।

কোচ ল্যাঙ্গার সম্পর্কে অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে একাধিকবার জিজ্ঞেস করা হলেও তিনি প্রকাশ্যে ল্যাঙ্গারের বিপক্ষে না হলেও, স্বপক্ষেও কিছু বলেননি। যে কারণে কামিন্সের তীব্র সমালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ও সফল সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং।

দ্যা ওয়েস্ট অস্ট্রেলিয়ানে নিজের কলামে জাতীয় দলের সাবেক তারকা পেসার মিচেল জনসন রীতিমতো ধুইয়ে দিয়ছেন বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে।

তিনি লেখেন, কামিন্সের জন্য ল্যাঙ্গারের পক্ষে কথা বলার প্রচুর সুযোগ ছিল, কিন্তু ও কিছুই করেনি। যা স্পষ্ট করে দেয় ও চায়নি ল্যাঙ্গার কোচ থাকুক। কামিন্স যথেষ্ট ক্ষমতাশালী। ও স্পষ্টতই নিজের পছন্দের কোচ চায়। ওর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারগুলো একেবারেই কাপুরুষর মতো ছিল এবং ও নিজের কোচকে সম্মান জানায়নি।

জনসনের সমালোচনার জবাবে বুধবার কামিন্স এক বিবৃতিতে বলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, যে আরেকজন ফাস্ট বোলার আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে।

কামিন্স আরও বলেন, জনসন নিজের সতীর্থের স্বপক্ষে কথা বলছে। আমি ওর সঙ্গে একেবারেই সহমত নই। ও তো আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও করেনি। ওর নিজের মতামত রাখার অধিকার আছে এবং ও নিজের বন্ধুর কথা বলছে। তবে আমিও গর্বের সঙ্গে নিজের মাথা উঁচু করতে পারি, কোনো সমস্যা নেই।

৫১ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল আবছার হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে মামলার বাদী গোলাম কিবরিয়ার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ শাহ মো. কায়সার। এ সময় আদালতে তিন আসামি উপস্থিত ছিলেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম নান্টু বলেন, চাঞ্চল্যকর ও ঐতিহাসিক এ মামলার বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল আবছার হত্যার বিষয়ে আসামিদের উপস্থিতিতে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় সোনাগাজী থানার ভেতরে রাজাকার শাহজাহান আকবরের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেন এফএফ কমান্ডার নুরুল আবছার। রাজাকার শাহজাহানকে বাঁচাতে তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সৈয়দ নাছির উদ্দিন ও মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন আবছারকে হত্যার নির্দেশ দেন। ওই সময় দক্ষিণ চর ছান্দিয়ার মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্য মনির আহমদ ও তুলাতুলির মাহবুবুল হক জোরপূর্বক নুরুল আবছারের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। পরে সুজাপুরের আবুল কাশেম কাজি ৮ রাউন্ড গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কমান্ডার নুরুল আবছার নিহত হন।

এর আগে আমলী আদালতে বিভিন্ন সময়ে ১৬৪ ধারায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার আজিজুল হক চাষী, মফিজুল হক পাটোয়ারি, কেএম খুরশিদ আলম, ডেপুটি কমান্ডার দুলাল আহমেদ, আবু তাহের তানু, মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) মো. ছাদেক, আবদুল হালিম ও মো. হোসেন আহম্মদ।

উল্লেখ্য, রাজাকার শাহজাহান আকবারকে রক্ষা করতে ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর সোনাগাজী থানার ভেতরে গুলি করে হত্যা করা হয় এফএফ ফোর্সের কমান্ডার নুরুল আবছারকে। ২০১৭ সালে ফেব্রুয়ারিতে সাংবাদিক সৈয়দ মনির আহমদ সম্পাদিত ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল আবছার স্মরনিকা’ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নজরে পড়লে তারই পরামর্শে গত ১৩ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে ৪ আসামির নাম উল্লেখ করে, ফেনীর আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন শহীদ কমান্ডার নুরুল আবছারের ছোট ভাই গোলাম কিবরিয়া।

মামলায় নাছির উদ্দিন (৭৮), মোশারফ হোসেন (৭৭) ও আবুল কাশেম কাজি (৭৩) জামিনে আছেন এবং অপর আসামি রাজাকার শাহজাহান আকবর (৭২) পলাতক রয়েছেন।

গ্রাহকের শতকোটি টাকা হাতিয়ে উধাও ২০ বছরের সমিতি

চাঁদপুরের শাহরাস্তি শোরসাক বাজারে অবস্থিত প্রান্তিক বহুমুখী সমবায় সমিতির যাত্রা শুরু হয় প্রায় ২০ বছর আগে। যদিও ২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর তার সমবায় অফিস থেকে অনুমতি পান।

শাহরাস্তি উপজেলার শোরসাক এলাকার মো. জসিম উদ্দিনের পরিচালনায় প্রান্তিক বহুমুখী সমবায় সমিতি একে একে এলাকায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকে। এলাকার সাধারণ জনগণকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে সমিতির অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

শাহরাস্তি উপজেলার অনেকেই অধিক মুনাফার আশায় প্রান্তিকের ছায়াতলে সামিল হন। বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয় প্রান্তিক। গ্রাহকরা লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে থাকে। বিগত দুবছর যাবত প্রান্তিকের কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হতে থাকে।

সর্বশেষ বছর খানেকের মাথায় তারা নিজেদের গুটিয়ে সমিতির কার্যক্রম বন্ধ করে রাখে। গ্রাহকরা তাদের টাকা প্রাপ্তির আশায় শোরসাক বাজারে অবস্থিত প্রান্তিকের বন্ধ অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন। মুখ খুলে কোনো প্রতিবাদ করতেও সাহস পাননি তারা।

সমিতির নিয়ন্ত্রণে থাকা কর্তাব্যক্তিরা বিভিন্ন উপায়ে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার ফলে তারা কোনো অভিযোগ না করেই টাকা আদায়ের অপেক্ষায় দিন পার করছেন।

সম্প্রতি সময়ে এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা টাকা না পেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশাল এলাকাজুড়ে প্রান্তিকের এ কার্যক্রমে প্রায় হাজার গ্রাহকের শতকোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে প্রান্তিক সমবায় সমিতি।

চেড়িয়ারা গ্রামের মো. হারুনুর রশিদের ১৭ লাখ টাকা, চেড়িয়ার গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী ফৌজিয়া বেগমের ১০ লাখ টাকা, হাড়াইপাড়া গ্রামের এনায়েত হোসেনের মেয়ে জেসমিন আক্তার কেয়ার ১৯ লাখ টাকা, চেড়িয়ারা গ্রামের হাফেজ আহম্মদের ৭ লাখ টাকা, রাগৈ গ্রামের শহীদ উল্লাহর ১০ লাখ টাকা, হাড়াইপাড়া গ্রামের আ. হাকিমের ৯ লাখ টাকা, দশনাপাড়া গ্রামের রওশনআরার ৪ লাখ টাকা, শোরসাক গ্রামের মো. মনির ফরাজীর ৭ লাখ টাকা ছিল ওই সমিতিতে।

এভাবে প্রায় হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রান্তিক সমবায় সমিতি। প্রান্তিক বহুমুখী সমবায় সমিতির ভুক্তভোগী গ্রাহকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও সদয় অবগতির জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অবহিত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহক মো. হারুনুর রশিদ জানান, তিনি সেনা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি। পেনশনের ১৭ লাখ টাকা তিনি তিন বছর পূর্বে প্রান্তিকে জমা রাখেন। এক বছর লাখ প্রতি মাসে এক থেকে ১ হাজার ২শ টাকা করে দিয়ে আসছিল। কিন্তু বিগত দুই বছর যাবত তারা কোনো টাকা দিচ্ছে না । সমিতির কার্যালয় বন্ধ থাকায় কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়না। কোনোভাবে কাউকে পেলে তারা একে অপরের উপর দায় চাপিয়ে কেটে পড়েন।

তিনি বলেন, তার ফুফুও উক্ত সমিতিতে এক লাখ টাকা জমা রেখেছে।

তিনি আরও জানান, পরিচালক জসিম উদ্দিন, মতিন সর্দার ও হায়দার মজুমদার গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

হাড়াইপাড়া গ্রামের এনায়েত হোসেন জানান, তার মেয়ের ১৯ লাখ টাকা প্রান্তিকে জমা রেখেছেন। বর্তমানের তারা টাকা ফেরত না দিয়ে শুধু তারিখ দিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে শাহরাস্তি উপজেলার বহু গ্রাহক প্রান্তিকে টাকা জমা দিয়ে নিঃস্ব হওয়ার পথে। টাকা ফিরে পেতে কর্তাব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো আশার আলো দেখছেন না তারা। টাকা উদ্ধারে এলাকার কেউ কেউ এগিয়ে আসলেও প্রভাবশালীদের তোপের মুখে পিছু হটছেন।

শাহরাস্তি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোতালেব খান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, প্রায় এক মাস পূর্বে সমিতির মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির বিষয়ে নোটিশ প্রেরণ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রান্তিকের সাবেক এক মহিলা কর্মীর মাধ্যমে নোটিশ দিয়ে আসা হয়। তারা লোক মারফতে নোটিশের উত্তর পাঠান তাতে কমিটি ঘটনের ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের তাদের টাকা ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নিতে হবে।

ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে: জাতিসংঘ

জাতিসংঘ বলেছে, ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে ফুরিয়ে আসছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থাটির প্রধান অ্যান্তনিও গুতেরেস মঙ্গলবার এ মন্তব্য করেন। খবর আনাদোলুর।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেন, দ্বি-রাষ্ট্র নীতির মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা থেকে আমরা শেষ মুহুর্তে ফিরে আসতে চাই না।

ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার বিষয়ে একটি সভা শেষে মঙ্গলবার এ কথা বলেন জাতিসংঘের মহাসচিব।

গুতেরেজ বলেন, দিন দিন পশ্চিম জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনের ইসরাইলঅধিকৃত এলাকাগুলোর পরিস্তিতি ভয়ানক হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ্যে এ অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে পর্যন্ত এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না। এটা খুব দ্রুত করতে হবে। নইলে সহিংশতা আরও ছড়িয়ে পড়বে।

ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকার ফিরিয়ে দিতে জাতিসংঘ প্রতিম্রুতিবদ্ধ।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস সব পক্ষকে দ্রুত আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধানের তাগিদ দেন।

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে ইসরাইলেও শান্তি আসবে না।

কঠিন চ্যালেঞ্জে এনবিআর

চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়বে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রতিবার বাজেটে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্থবছরের মাঝামাঝি সময়ে সংশোধনের রেওয়াজ থাকলেও এবার ব্যতিক্রম।

ওমিক্রনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই ৮ অর্থবছর পর এবার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়নি। যদিও অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আশার আলো দেখাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ২২ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বাজেট মনিটরিং ও সম্পদ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অর্থনীতির সার্বিক সূচক নিয়ে আলোচনার পর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত সপ্তাহে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে এনবিআরকে রাজস্ব আদায়ের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

তথ্যমতে, বাজেটে ঘোষিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্থবছরের মাঝপথে এসে কমানো হয়। এটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এনবিআরও সে অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০১২-১৩ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়নি। তার আগে ২০০১-০২ এবং ২০০২-০৩ অর্থবছরে কমানো হয়নি। এরপর প্রতি অর্থবছরেই লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে।

এনবিআরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিবছরই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা চাপিয়ে দেওয়া হয়। বাস্তবতার নিরিখে কখনোই এটি নির্ধারণ করা হয় না। ক্রমবর্ধমান এ লক্ষ্যমাত্রা আদায়ে কর্মকর্তাদের হিমশিম খেতে হয়। বাধ্য হয়েই ব্যবসায়ীদের চাপ দিতে হয়। এতেই বাধে বিপত্তি। তখন ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন মহলে হয়রানির অভিযোগ করা শুরু করেন। ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব কাঠামো নির্ধারণ করতে চাইলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে এনবিআরের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, বছরের মাঝপথে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কমানো একটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা কমানো হোক বা অপরিবর্তিত রাখা হোক-এনবিআর কখনোই সেটা অর্জন করতে পারবে না। এবার অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, এনবিআরের বর্তমান কাঠামো দিয়ে এত বিশাল লক্ষ্যমাত্রা কখনোই পূরণ সম্ভব নয়। এনবিআরের সে সক্ষমতা নেই। বড় লক্ষ্য পূরণে যে ধরনের সংস্কার প্রয়োজন সেটা করা হচ্ছে না বলে মনে করেন তিনি।

পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে পদ্ধতিগত দুর্বলতা আছে। কখনোই অর্থনীতিকে বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় না।

যার কারণে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা পূরণও করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি আছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে মনে হয়। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি শুল্ক আদায় বাড়তে পারে। কিন্তু করজাল বৃদ্ধি করতে না পারলে ভ্যাট ও আয়কর আদায় দুরূহ হবে।

প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক : ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে ১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশার আলো দেখাচ্ছে। এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ে ঢিলেঢালা ভাব থাকে। অর্থবছরের শেষ তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) সেটা বৃদ্ধি পায়। এবার ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়ে গেলেও অর্থনীতি স্বাভাবিক থাকায় ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তথ্যমতে, অর্থবছরের প্রথমার্ধে এক লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে এক লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। লক্ষ্য পূরণ না হলেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। ৫২ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা লক্ষ্যের বিপরীতে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৪৮ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন ও বিপণন কমে যাওয়ায় ভ্যাট আদায়ে এর প্রভাব পড়ে। আলোচ্য সময়ে আয়কর আদায় হয়েছে ৩৯ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। এ সময় লক্ষ্য ছিল ৪৩ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আদায় সবচেয়ে বেশি কমেছে। ৪৭ হাজার ২৯৭ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৪১ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা।

প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট এক লাখ ২৭ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা, আয়কর এক লাখ ৮ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা, শুল্ক ৯৬ হাজার ২৫৩ কোটি টাকা এবং অন্যান্য কর বাবদ এক হাজার ৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে পুঁজিবাজার

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন।

এ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিন বেলা ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্সের লেনদেনে ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৭ হাজার ৮০ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক কোনো পয়েন্ট না বেড়ে ১৫১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ২৬০৫ পয়েন্টে।

এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৮ কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ১০২টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টির।

অন্যদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ২১ পয়েন্ট বেড়ে ২০ হাজার ৭৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।v