রবিবার ,১৬ আগ, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 406

মাশরাফিকে টপকে গেলেন সাকিব

ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে গেলেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দেশের হয়ে ২১৯তম ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন।

এই ম্যাচ দিয়ে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে গেলেন সাকিব। দেশের হয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২১৮টি ম্যাচ খেলেছেন মাশরাফি।

দেশের পক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার নজির গড়লেন সাকিব। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। ২৩১টি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ২২৩টি ম্যাচ খেলেছেন তামিম।

শুক্রবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৩৮ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে।

ঐতিহাসিক এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৯ ম্যাচ খেলেও কোন জয় পায়নি টাইগাররা। ২০তম ম্যাচে এসে অবশেষে অধরা জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে লিটন দাস-সাকিব আল হাসান ও ইয়াসির আলির হাফ-সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৪ রান করে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান বাংলাদেশের। জবাবে প্রোটিয়াদের ২৭৬ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা।

‘আমাকে বল দেন, আমি খেলা বদলে দেব’

বাংলাদেশের ছোড়া ৩১৫ রানের টার্গেটে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল প্রোটিয়ারা। শেষ ১১ ওভারে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ১১৫ রান। ক্রিজে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ডেভিড মিলার।

৩৯ বলে ৫১ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি। কী করে এ প্রোটিয়া হার্ডহিটারকে থামাবেন সেই চিন্তায় মাথা চুলকাচ্ছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

বোলিং অস্ত্র তো সব ব্যবহার করে ফেলেছেন, শুধু স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বেশি ওভার বাকি ছিল। কারণ মিরাজ তার প্রথম ৪ ওভারে সাফল্য পাননি। কোনো উইকেট না পেয়ে ৩৪ রান দেন। যে কারণে মিরাজকে বিরতিতে রেখে বাকিদের দিয়ে বোলিং করান তামিম।

কিন্তু ৪০তম ওভারের আগে তাকে বোলিংয়ে আনতে তামিমকে অনুরোধ করেন মিরাজ নিজেই। ম্যাচ জিতিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে শরিফুল ইসলামের চোট ও বাকি বোলারদের ব্যবহার করে ফেলায় মিরাজের বিকল্পও খুঁজে পাচ্ছিলেন না তামিম।

অনন্যোপায় হয়ে মিরাজের হাতেই বল তুলে দিলেন তামিম। ্আর স্পিনার দারুণ বল করলেন। প্রথম ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে কোনো উইকেট না পাওয়া সেই মিরাজেই কুপোকাত হলো প্রোটিয়ারা। পরের ৫ ওভারে ২৭ রান দিয়ে বিধ্বংসী মিলারসহ ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি।

মিরাজের এমন দুর্দান্ত বোলিংয়ের কল্যাণে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদের বিপক্ষে প্রথমবার কোনো ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ দল।

ম্যাচ শেষে মিরাজের ভূয়সী প্রশংসা করে অধিনায়ক তামিম বলেন, ‘সব দলে মিরাজের মতো ক্যারেক্টার প্রয়োজন আছে। কারণ, প্রথম ৪ ওভারে ৩৪ রান দেওয়ার পর সে আমার কাছে এসে বলে, আমাকে বল দেন, আমি খেলা বদলে দেব। সে খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিল। এটি অধিনায়কের কাজ সহজ করে দেয়, যখন আপনার খেলোয়াড়রা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী থাকে। সবসময় হয়তো ফল আমাদের পক্ষে আসবে না, কখনো কখনো আমাদের বিপক্ষেও যেতে পারে। তবে আমি খুব খুশি যে আত্মবিশ্বাসটা তার মধ্যে আছে। এমন চাপের মধ্যে ডানহাতির সামনে ছোট বাউন্ডারিতে বোলিং করা, উইকেট এনে দেওয়া, আমার মতে, সেও আমার ম্যান অব দ্য ম্যাচ।’

নবাগত ইয়াসিরের প্রশংসাও করলেন তামিম। বললেন, ‘ছেলেদের নিয়ে অনেক গর্বিত, সবাই যেভাবে খেলেছে। শুরুতে লিটন ও আমি ভালো একটা ভিত গড়ে দিয়েছি। সাকিব ও ইয়াসির অবিশ্বাস্য খেলেছে। আমার মতে, ইয়াসিরের ইনিংস স্পেশাল ছিল। যেভাবে সে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের সামলেছে। শেষে মিরাজের দুই ছক্কা, আফিফের একটি করে চার-ছক্কা, রিয়াদ ভাইয়ের ২৫ রান সবকিছুই গুরুত্ব বহন করে। অবশ্যই এটি অনেক বড় জয় আমাদের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকায় (দ্বিপাক্ষিক সিরিজে) আগে কখনও জিতিনি, তাই এটি বিশেষ জয়। ’

বৈদ্যুতিক ফাঁদে আটকা পড়ে ধীরে ধীরে মারা যায় চিতাবাঘটি

নীলফামারী সদর উপজেলায় বৈদ্যুতিক ফাঁদে আটকা পড়ে ধীরে ধীরে মারা যায় একটি চিতাবাঘ।

শুক্রবার ভোরে নীলসাগর এলাকার ভবানীগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। তবে আরেকটি চিতাবাঘ পাশের ভুট্টা ক্ষেতে লুকিয়ে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, এলাকায় খামারে শিয়ালের হাত থেকে মুরগি বাঁচাতে বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করে রাখেন খামারিরা। কখনো এখানে চিতাবাঘ আসতে দেখা যায়নি। তবে উপজেলার নীলসাগর এলাকার কাছেই ভবানীগঞ্জ এলাকা; সেখানে ভোরে আহত একটি চিতা বাঘ দেখতে পান স্থানীয় আব্দুর রহিম। পরে বৈদ্যুতিক ফাঁদে আটকা পড়ে ধীরে ধীরে মারা যায় বাঘটি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন নাহার জানান, বনবিভাগ থেকে তাদের নিশ্চিত করা হয়েছে যে মৃত প্রাণীটি একটি চিতাবাঘ। এটি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে।

শবে বরাতে মসজিদে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগকর্মী গুলিবিদ্ধ

শবে বরাতের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাচ্ছিলেন শিহাব হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক কর্মী। এ সময় কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা শিহাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিহাব মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার মসজিদ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ শিহাব ওই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, কিশোর গ্যাংয়ের একটি চক্র চারটি মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়িভাবে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয় শিহাব। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। শিহাব হোসেন উপজেলা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী।

ওই এলাকার বাসিন্দা মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ছাত্রলীগকর্মী মো. শিহাব নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যাচ্ছিলেন। এ সময় চারটি মোটরসাইকেল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এসে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। একটি গুলি শিহাবের বুকে বিদ্ধ হয়।

স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর আলী আজগর বলেন, গুলিবিদ্ধ শিহাবকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে কাজ করছে পুলিশ।

স্থলে ‘যুদ্ধ’, আকাশে এখনও একসঙ্গে কাজ করছে আমেরিকা-রাশিয়া!

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। ২৪তম দিনে গড়িয়েছে রুশ বাহিনী অভিযান। এরই মধ্যে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগরী দখলে নিয়েছে রাশিয়া।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার এ সামরিক অভিযানকে ঘিরে সম্পর্কের চরম অবনতি হয়েছে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে। রাশিয়ার ওপর অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা। সেইসঙ্গে রুশ বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে ইউক্রেনকে অস্ত্রও সরবরাহ করছে আমেরিকা ও তার মিত্র রাষ্ট্রগুলো। সুতরাং বলা যায়, স্থলভাগে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত না হলেও পরোক্ষভাবে এতে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও আকাশে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। দুনিয়ায় শান্তির পথে হাঁটতে না পারলেও আকাশে হাত হাত রেখে একসঙ্গে কাজ করছে এই দুই বৃহৎ পরাশক্তি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সুন্দরভাবে আগের মতোই একসঙ্গে কাজ করছে রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবারও তিন রুশ মহাকাশচারী- কমান্ডার ওলেগ আর্টেমিয়েভ, ডেনিস মাতভিভ এবং সের্গেই করসাকভ- সাড়ে ছয় মাসের মিশনে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিরাপদে ডক (অবতরণ) করেছেন।

আর ওই তিন নভোচারীকে উষ্ণ স্বাগত জানিয়েছেন এক দল ক্রু, যাদের মধ্যে রয়েছেন- চার আমেরিকান, অন্য দুই রাশিয়ান এবং একজন জার্মান নভোচারী।

আর এই ঘটনা ঘটল মার্কিন মহাকাশচারী মার্ক ভান্দে হেই কক্ষপথে ৩৫৫ দিন অবস্থান করে নতুন রেকর্ড করে কাজাখস্তানে একটি রুশ ক্যাপসুলের মাধ্যমে অবতরণের মাত্র কয়েক দিন পরেই।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে একত্রে সহযোগিতা ও কাজ করার জন্য ২৩ বছরের চুক্তি রয়েছে।

১১ বছর পর মধ্যপ্রাচ্য সফরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ

১১ বছর পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ।

রাষ্ট্রীয় সফরে গত শুক্রবার সিরিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত গেছেন তিনি। ২০১১ সালের পর এটাই তার প্রথম মধ্যপ্রাচ্য সফর। খবর সানা ও আল-জাজিরার।

আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে পৌঁছানোর পর তিনি দেশটির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় জায়েদ আল-নাহিয়ান বলেন, সিরিয়া হচ্ছে আরব নিরাপত্তার মৌলিক স্তম্ভ।

তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সিরিয়ার জনগণ হচ্ছে ভ্রাতৃপ্রতীম জাতি এবং আবুধাবি দামেস্কের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা ব্যাপারে বিশেষভাবে আগ্রহী।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ আরব অঞ্চলকে রক্ষার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের নীতি, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং আমাদের জনগণের স্বার্থের প্রতি অনুগত থাকতে হবে।

আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান কয়েক মাস আগে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক সফর করেছিলেন।

এরপর প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করলেন। এ সফরের প্রেক্ষাপটে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, শিগগিরই আরব লীগে ফিরে আসবে দামেস্ক।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সানার খবরে বলা হয়, ২০১১ সালে বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সহিংসতা শুরু করলে আরব অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশ উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে।

দেশে কোটিপতি বাড়ছে

দেশে কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে। গত এক বছরে কোটিপতি আমানতকারী ৮ হাজারের বেশি বেড়ে ১ লাখ ১ হাজার ৯৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর দেশে করোনার ২১ মাসে (মার্চ-২০২০ থেকে ডিসেম্বর-২০২১) এমন আমানতকারী বেড়েছে ১৯ হাজার ৩৫১ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব (অ্যাকাউন্ট) ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ এক হাজার ৯৭৬টিতে। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাব (অ্যাকাউন্ট) বেড়েছে ৮ হাজার ৮৬টি।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ২০২০ সালের মার্চে দেশে যখন করোনা ছড়িয়ে পড়ে তখন ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের (অ্যাকাউন্ট) সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। মহামারি চলাকালে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরেই কোটিপতি হিসাবের ওই অংক ১ লাখ ছাড়ায়। ২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে তা দাঁড়ায় এক লাখ এক হাজার ৯৭৬ টিতে। সে হিসাবে মহামারির ২১ মাসে দেশে কোটিপতি হিসাব (অ্যাকাউন্ট) বেড়েছে ১৯ হাজার ৩৫১টি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩৪টি ব্যাংক হিসাব (অ্যাকাউন্ট) খোলা হয়। যেখানে জমা ছিল ১৫ লাখ ১২ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে কোটি টাকার বেশি হিসাবে (অ্যাকাউন্ট) জমা ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোটিপতি ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা ছিল ৫ লাখ ৯৫ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা। ওই সময় মোট আমানতের স্থিতি ছিল ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৯ হাজার ৮৮৩টি। যাদের হিসাবে জমা টাকার অংক এক লাখ ৬৬ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে রয়েছে ১৭ হাজার ৯টি অ্যাকাউন্ট। তাদের অ্যাকাউন্টে টাকার অংক এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া ২০ কোটি থেকে ৫০ কোটির উপরে মোট হিসাবধারীর সংখ্যা ৫ হাজার ৮৪টি। এই হিসাবগুলোতে জমার অংক তিন লাখ ২৮ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা।

ব্যাংকাররা জানান, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব নয়। কারণ ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার তালিকায় ব্যক্তি ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। আবার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফলে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি। ২০২০ সালে ডিসেম্বর শেষে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টিতে।

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

সেচনির্ভর কৃষি খাত এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা এক লাখ ৭০ হাজার দরিদ্র মানুষের আয় বাড়াতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ১২ কোটি ডলার বা প্রায় ১ হাজার ২০ কোটি টাকা দিচ্ছে সংস্থাটি (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

‘ক্লাইমেট-স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে এই অর্থ দেওয়া হবে। এক বিবৃতিতে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

প্রকল্পটি খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিষ্কাশন এবং সেচ অবকাঠামোর আধুনিকায়নের মাধ্যমে জলবায়ু সহিষ্ণুতা বাড়াবে বলে জানায় বিশ্বব্যাংক। বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও ভুটানে

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অর্জনের কথা উল্লেখ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষি খাতে বাংলাদেশের সফলতার শেকড় অনেক গভীরে। বড় একটি জনসংখ্যা এবং আবাদি জমির স্বল্পতার মধ্যে দেশটির খাদ্য উৎপাদন এমন মাত্রায় রয়েছে, যা বড় একটি অর্জন। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাওয়ার কারণে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়েছে।

ড্যান ড্যান চেন বলেন, প্রকল্পটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নত বন্যা ব্যবস্থাপনা, সেচ এবং নালা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাদ্যশস্য এবং মৎস্যসম্পদের সুরক্ষা দিয়ে বাংলাদেশকে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করবে। এক্ষেত্রে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি এবং বর্ষা-পরবর্তী সময়ে পানিস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ১৯টি বন্যা ব্যবস্থাপনা, সেচ ও নিষ্কাশন পরিকল্পনাকে আবারও সচল করা হবে বলে বিবৃতিতে জানায় বিশ্বব্যাংক।

ক্লাইমেট-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, ফসলের বৈচিত্র্য এবং ফসল তোলার পর সেসবের ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক লাখ কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া ধান, মাছ ও চিংড়ি চাষ এবং সংরক্ষণের জন্য হিমাগার তৈরি করা হবে এবং স্থানীয় বাজারের উন্নয়নের চেষ্টা করা হবে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাছের উৎপাদন প্রায় ৩৭ শতাংশ, সবজি ১০ শতাংশ এবং চালের উৎপাদন ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে। বিশ্বব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে নেওয়া এই ঋণ ৫ বছরের রেয়াতসহ ৩৫ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

এজন্য রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে মঙ্গলবার চুক্তি সই হয়েছে। ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন এতে সই করেন।

অনতিবিলম্ব মানে কী, নেতাদের কাছে জানতে চেয়েছেন গয়েশ্বর

বিএনপি নেতাদের দেওয়া অনতিবিলম্বে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি?- এর মানে কী জানতে চেয়েছেন দলের প্রভাবশালী নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে যে দলের নেতারা বক্তব্য দেন, আসলে এর ব্যাপ্তি কত- তাও জানতে চেয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দল শাহবাগ থানার ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড আয়োজিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, আপনারা অনেকেই বক্তব্যে বলেছেন- অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। এ অনতিবিলম্ব মানে কী? ইতোমধ্যেই পাঁচ বছর পার হয়ে গেছে। আর কত বছর পার হলে এই অনতিবিলম্বের মেয়াদ শেষ হবে?

বিএনপি স্থায়ী কমিটির এ সদস্য এ সময় বলেন, যে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় সে দেশে দ্রব্যের দাম বাড়বে না কেন? আজ বিশ্ববাজারে তেলের দাম কম, অথচ আমাদের দেশে তেলের দাম বাড়ানো হয়। বিদ্যুৎ আর তেলের দাম বাড়লে মানুষ ছাড়া সব কিছুরই দাম বাড়ে। দেশটা এখন রসাতলের শেষ প্রান্তে। বিশেষ করে নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত যারা কাউকে কিছু বলতে পারেন না, তারা খুবই কষ্টে আছেন।

সবাইকে এক হয়ে সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করার ডাক দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যত পরিমাণ বাসা ভাড়া দেওয়া লাগে, তা আমেরিকাতেও দেওয়া লাগে না। ইউরোপ-আমেরিকায় খাবারের দাম সবচেয়ে কম আর আমাদের এখানে সবচেয়ে বেশি। এভাবে দেশ চলতে পারে না। আমরা নিজেরা রাখার ব্যবস্থা না করলে এ সরকার ক্ষমতায় থাকতেই পারে না।

জাফরুল্লাহ-কলিমউল্লাহসহ ৮ ব্যক্তি পাচ্ছেন ‘পল্লীবন্ধু পদক’

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতিরক্ষায় প্রতি বছর ‘পল্লীবন্ধু পদক’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তার হাতে গড়া দল জাতীয় পার্টি।প্রতি বছর এরশাদের জন্মদিনে এই পদক দেওয়া হবে।গত বছর এই পদক দেওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে সেটি দিতে পারেনি দলটি।

তবে আগামী ২০ মার্চ এরশাদের জন্মদিনে স্বাস্থ্য, সাহিত্য, কৃষি, সংগীত, শিক্ষা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রীড়া এবং শিল্প খাতে অবদান রাখার জন্য দেশের আট ব্যক্তিকে ‘পল্লীবন্ধু পদক-২০২১’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পার্টি।এই পদকে যে আটজন মনোনীত হয়েছেন, তাদের নাম প্রকাশ করেছে দলটি।

যে আটজন মনোনীত হলেন- স্বাস্থ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সাহিত্যে কবি ফজল শাহাবুদ্দিন (মরণোত্তর), কৃষিতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, সংগীতে প্রখ্যাত এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শিক্ষায় অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার কামরুল ইসলাম সিদ্দিক (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ গোলাম সারওয়ার টিপু, শিল্পে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুল ওয়াহেদ বাবুল।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব নাম ঘোষণা করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের।

জিএম কাদের বলেন, আগামী ২০ মার্চ আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা জাতীয় পার্টির মহান প্রতিষ্ঠাতা, নয় বছরের সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মদিন। গত বছর ২০ মার্চ যথাযথ সম্মানের সঙ্গে পল্লীবন্ধুর জন্মদিন পালন এবং পল্লীবন্ধু পদক-২০২১ দেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি সংবলিত নিষেধাজ্ঞার জন্য তখন সেটি সম্ভব হয়নি। সে কারণে আগামী ২০ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ অনুষ্ঠানটি উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আমাদের জন্য রেখে গেছেন তার অমর কীর্তি ও অসামান্য কর্ম। দেশকে নিয়ে তার ছিল অনেক স্বপ্ন। এখনো বাকি অনেক অসম্পূর্ণ কর্মসূচি। সামনের দিনগুলোতে সেসব বাস্তবায়নের প্রয়াস থাকবে আমাদের।

জিএম কাদের বলেন, পল্লীবন্ধু জাতীয় পার্টি নামের একটি রাজনৈতিক সংগঠন সৃষ্টি করে আমাদের মতো কর্মীদের রাজনীতির আশ্রয়স্থল করে দিয়ে গেছেন। তার বিনিময়ে আমরা হয়ত পল্লীবন্ধুর জন্য কিছুই করতে পারিনি। সেই আত্মোপলব্ধি থেকে এবার আমরা মহান রাষ্ট্রনায়ক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতিরক্ষার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবে ‘পল্লীবন্ধু পদক’ প্রবর্তন করেছি। প্রতিটি পদকের সঙ্গে একটি উত্তরীয়, একটি ক্রেস্ট, একটি সম্মাননাপত্র এবং এক লাখ টাকা সম্মানি দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সংস্কার ও সার্বিক উন্নয়ন থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সংস্কারের সুবিধা সম্প্রসারিত করেছিলেন। পল্লীবন্ধুর কর্মকাণ্ড এতই বিস্তৃত যে, সব ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা পদক দিতে পারলাম না। এবার আটটি বিষয়ে পদক ঘোষণা করেছি। এর মধ্যে আছে স্বাস্থ্য, সাহিত্য, কৃষি, সংগীত, শিক্ষা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রীড়া এবং শিল্প। এসব ক্ষেত্রে রয়েছে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অসামান্য কৃতিত্ব ও সাফল্য। আগামীতে এ পুরস্কারের পরিধি আরও প্রসারিত করার ইচ্ছে রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এসএম ফয়সাল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরীফা কাদের এমপি, এমএম নিয়াজ উদ্দিন, ড. মেহজেবুন নেসা টুম্পা, হেনা খান পন্নী, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান এমপি, মোস্তফা আল মাহমুদ, তারেক এ আদেল, যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন তাপস, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাখন সরকার, এমএ রাজ্জাক খান, ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, অ্যাডভোকেট সাকিব রহমান, মিজানুর রহমান মিরু, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সারা শাওলিন দিশা।