শুক্রবার ,১২ জুন, ২০২৬
sbacbank
Home Blog Page 310

উচ্চ রক্তচাপ কেন হয়, কী করবেন?

উচ্চ রক্তচাপ একটি জটিল সমস্যা। এটি বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। বিশেষ করে হৃদপিণ্ড, যকৃত, চোখ ও কিডনি ঝুঁকিতে থাকে হাই প্রেশারে।

উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় বংশগত কারণেও হয়ে থাকে। আবার বদঅভ্যাসের কারণেও হয়ে থাকে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমিরেটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ।

অধিকাংশ সময় রক্তচাপটা স্বাভাবিক মাত্রার ভেতরই থাকে। সাধারণত বয়স যত কম, রক্তচাপও তত কম হয়। যদি কারো রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামকালীনও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে, তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

উচ্চ রক্তচাপ কি কোনো জটিল ব্যাধি

উচ্চ রক্তচাপ ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় না। নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চ রক্তচাপকে ‘নীরব ঘাতক’ বলা যেতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত এবং চিকিৎসাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাÍক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী কী জটিলতা হতে পারে

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ চারটি অঙ্গে মারাত্মক ধরনের জটিলতা হতে পারে। যেমন- হৃৎপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক ও চোখ।

কী কী কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়

৯০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না, একে প্রাইমারি বা অ্যাসেন্সিয়াল রক্তচাপ বলে। কিছু কিছু বিষয় উচ্চ রক্তচাপের আশংকা বাড়ায়, যা নিম্নরূপ-

বংশানুক্রমিক

উচ্চ রক্তচাপের বংশগত ধারাবাহিকতা আছে, যদি বাবা-মায়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকে, তবে সন্তানেরও উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশংকা থাকে।

ধূমপান :

ধূমপায়ীদের শরীরে তামাকের নানারকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনি, শিরার নানারকম রোগ ও হৃদরাগ দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ :

খাওয়ার লবণে সোডিয়াম থাকে, যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের আয়তন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপও বেড়ে যায়।

অধিক ওজন এবং অলস জীবনযাত্রা :

যথেষ্ট পরিমাণে ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম না করলে শরীরে ওজন বেড়ে যেতে পারে।এতে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় এবং এর ফলে অধিক ওজনসম্পন্ন লোকদের উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকে।

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস :

অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার, যেমন- মাংস, মাখন ও ডুবোতেলে ভাজা খাবার খেলে ওজন বাড়বে। ডিমের হলুদ অংশ এবং কলিজা, গুর্দা, মগজ এসব খেলে রক্তে কলেস্টেরল বেড়ে যায়। রক্তে অতিরিক্ত কলেস্টেরল হলে রক্তনালির দেয়াল মোটা ও শক্ত হয়ে যায়। ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত মদ পান :

যারা নিয়মিত অত্যধিক পরিমাণে মদপান করে, তাদের উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয়।

ডায়াবেটিস :

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়।

অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা :

অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি এবং মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে। কিছু কিছু রোগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া গেলে একে বলা হয় সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন। এ কারণগুলোর মধ্যে কয়েকটি হল-

কিডনির রোগ, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ও পিটুইটারি গ্রন্থির টিউমার, ধমনির বংশগত রোগ, গর্ভধারণ অবস্থায় অ্যাকলাম্পসিয়া ও প্রি-অ্যাকলাম্পসিয়া হলে, অনেক দিন ধরে

জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির ব্যবহার, স্টেরয়েডজাতীয় হরমোন গ্রহণ এবং ব্যথানাশক কিছু কিছু ওষুধ খেলে।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে কী করা উচিত

জীবনযাত্রার পরিবর্তন এনে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে :

খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ও নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। একবার লক্ষ্য অনুযায়ী ওজনে পৌঁছলে সীমিত আহার করা উচিত এবং ব্যায়াম অব্যাহত রাখতে হবে। ওষুধ খেয়ে ওজন কমানো বিপজ্জনক। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওজন কমানোর ওষুধ না খাওয়াই ভালো।

খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা :

কম চর্বি ও কম কলেস্টেরলযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন- খাসি বা গরুর মাংস, কলিজা, মগজ, গিলা, গুর্দা, ডিম কম খেতে হবে। বেশি আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা ভালো।

লবণ নিয়ন্ত্রণ :

তরকারিতে প্রয়োজনীয় লবণের বাইরে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে।

মদপান :

মদপান পরিহার করতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম :

সকাল-সন্ধ্যা হাঁটাচলা, সম্ভব হলে দৌড়ানো, হালকা ব্যায়াম, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার ইত্যাদি।

ধূমপান বর্জন :

ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্দা, গুল লাগানো ইত্যাদিও পরিহার করতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ :

যাদের ডায়াবেটিস আছে, তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবে :

নিয়মিত বিশ্রাম, সময়মতো ঘুমানো, শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতে হবে।

রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা :

নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী চিকিৎসা করাতেই হবে

উচ্চ রক্তচাপ সারে না, একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত ওষুধপত্র সেবন করতে হবে। কোনোক্রমেই চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না। অনেকেই আবার উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত জানার পরও ওষুধ খেতে অনীহা প্রকাশ করেন।

কেউ কেউ এমনও ভাবেন যে উচ্চ রক্তচাপ তার দৈনন্দিন জীবনপ্রবাহে কোনো সমস্যা করছে না বা রোগের কোনো লক্ষণ নেই, তাই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেতে চান না। এ ধারণাটাও সম্পূর্ণ ভুল। এ ধরনের রোগীরাই হঠাৎ হৃদরাগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, এমনকি মৃত্যুও হয়ে থাকে।

দেশের সব মাদ্রাসায় নামফলক ঝোলানোর নির্দেশ

দেশের সব মাদ্রাসায় নামফলক ঝোলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে এম রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দেশের অনেক মাদ্রাসা ভবনে নাম-ঠিকানা সম্বলিত কোনো নামফলক না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানতে বা পরিদর্শনে সমস্যা হয়। যে কারণে এমন নির্দেশনা এলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিক-নির্দেশক বা সাইনবোর্ড দৃশ্যমান স্থানে থাকলেও অধিকাংশ মাদ্রাসায় তা দেখা যায় না। নামফলক না থাকা এসব মাদ্রাসায়পরিদর্শন অথবা দাপ্তরিক প্রয়োজনে সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়ে সরকারি নির্দেশনাও রয়েছে।

একারণে দেশের সব কামিল/ফাজিল/আলিম/দাখিল/এবতেদায়ী মাদরাসার মূলভবন ও প্রবেশপথে নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড ঝোলাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বড় রাস্তার পাশে কিংবা দৃশ্যমান স্থানে দিক-নির্দেশক চিহ্নসহ মাদরাসার নাম-ঠিকানা সম্বলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গরু-ছাগলের মাংসে যক্ষ্মার জীবাণু: বাকৃবির গবেষণা

প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ এবং শক্তির উৎস্যের জন্য বাজারে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে গরু ও ছাগলের মাংসের। মানুষের খাদ্য তালিকায় জনপ্রিয় গরু ও ছাগলের মাংস। সম্প্রতি বাজারে বিক্রয় করা গরু ও ছাগলের মাংসে যক্ষ্মার জীবাণুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

শতকরা ৩ ভাগ গরু ও ১৫ ভাগ ছাগলের মাংসে যক্ষ্মার জীবাণু পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খানের গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।

জানা যায়, বিআরসির সহায়তায় গবেষণাটি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়। এরপর কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) অধীনেও গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জীবন্ত গরুর আড়াই হাজার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। একই সঙ্গে সংরক্ষিত উৎস থেকে পাঁচ শতাধিক নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। প্রাপ্ত নমুনায় গরু থেকে শতকরা ৩ ভাগ ও ছাগল থেকে শতকরা ১৫ ভাগ যক্ষ্মার জীবানুর উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

গরুর মাংসে যক্ষ্মার জীবানুটি হচ্ছে মাইকোব্যাক্টেরিয়াম বোভিস। এ ছাড়া ছাগলের মাংসে মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকুলোসিস, সিউডোটিউবারকুলোসিসসহ কয়েক ধরনের যক্ষ্মার জীবানু শনাক্ত করা হয়।

গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান জানান, গরু ও ছাগলের মাংসে উপস্থিত যক্ষ্মার জীবাণু মানুষের শরীরে আক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে চিড়িয়াখানা, কসাইখানা, ডেইরি ফার্মে কর্মরত ব্যক্তিদের সংক্রমণের ঝুঁকি রেশি রয়েছে। তবে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। মাংস সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রান্নার সময় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শও দেন এই গবেষক।

জেলা সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম বলেন, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা, তাদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ ছাড়া উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা মাংসে তেমন কোনো ঝুঁকি থাকে না। তবে পশু জবাইয়ের পূর্বে পশু চিকিৎসকের কাছে ছাড়পত্র নিলে তা সবচেয়ে ভালো হবে।

বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন মালাইকা

প্রেমের দিন শেষ, এবার নাকি সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন মালাইকা অরোরা-অর্জুন কাপুর জুটি। বুধবার এমন খবর শোনা গেছে যে, নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ বিয়ে হতে পারে এই অসম জুটির। তার পরই বেসুর বেজেছে অর্জুনের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি। এবার কি একই পথে হাঁটলেন মালাইকা নিজেও?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে মালাইকা বলেন, কোথাও বাঁধা না পড়া একলা জীবনই আমার কাছে অনেক বেশি স্বস্তির। আর পাঁচজনের মতো জীবনযাপনের মান বাড়াতে আমিও পছন্দ করি। কিন্তু এখন বুঝি বৃহত্তর ক্ষেত্রে সে সবের তেমন মূল্য নেই। বরং বুঝেছি নিজেকে নিয়ে বাঁচা, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিজের উন্নতি ও বৃদ্ধির স্বার্থে নিজের জন্য এ সময়টাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি মূল্য দিচ্ছি এখন।

আর এই পাল্টে যাওয়া জীবনদর্শনই কেমন যেন অন্য রকম ঠেকছে অনুরাগীদের। তবে কি বিয়ে হচ্ছে না মালাইকা-অর্জুনের? নাকি ভেঙে যেতে পারে সম্পর্কটাই?

কেউ কেউ বলেন, বিয়ের খবরকে ধামাচাপা দিতে পরিকল্পনামাফিকও হয়তো এমন করতে পারেন। যেমনটি করেছেন অর্জুনও।

বুধবার অর্জুনের ইনস্টাগ্রামে জানান, আমার জীবন নিয়ে অনেকেই দেখছি আমার চেয়েও বেশি জানেন। বেশ লাগছে।

অনুরাগীদের ধারণা, বিয়ের গুঞ্জন প্রসঙ্গেই এমন লিখেছেন বনি কাপুরপুত্র। এসব কথা গুজব বলে উড়িয়ে দিতে চাইছেন।

সূত্র: জিনিউজ।

এবার বেআইনি অর্থ লেনদেনে অভিযুক্ত শিল্পার স্বামী রাজ

পর্নো ভিডিও তৈরির মামলায় বেশ কিছু দিন কারাভোগ করেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজকুন্দ্রা।

এ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি ভারতে। স্বামীর এই পর্নোকাণ্ডে আদালত আর থানায় চক্কর কাটতে কাটতে নাজেহাল হন শিল্পাও।

সেই ধকল যেতে না যেতেই এবার বেআইনি অর্থ লেনদেনের অভিযোগের মুখে পড়লেন রাজকুন্দ্রা।

ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) শিল্পার স্বামীর নামে মামলা করেছে।

ব্যবসায়ী রাজের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ইডি এ মামলা করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই।

ইডির দাবি, পর্নো ব্যবসায় অবৈধভাবে বহু অর্থ লেনদেনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন রাজকুন্দ্রা। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে রাজের বিরুদ্ধে এক হাজার ৫০০ পাতার একটি চার্জশিট পেশ করেছে মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ।

গত বছরের জুলাই মাসে পর্নো ছবি বানানোর অভিযোগে রাজকে গ্রেফতার করেছিল মুম্বাই পুলিশ। সেই মামলার সূত্রেই এসেছে বেআইনি অর্থ লেনদেনের এই অভিযোগ।

রাজের বিরুদ্ধে সে মামলায় অভিযোগ, পর্নো ছবি বানানোর পাশাপাশি তিনি তা বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতেন মোবাইল ফোনে।

পর্নো ছবি বানানোর মামলায় রাজ জামিনে মুক্তি পেয়ে জেলের বাইরে আছেন।

চট্টগ্রাম টেস্টে টাইগার শিবিরে দুঃসংবাদ

চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ। শ্রীলংকার বিপক্ষে একজন বোলার কম নিয়ে খেলতে হচ্ছে টাইগারদের। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে একজন ব্যাটারও কম নিয়ে মাঠে নামতে হবে!

দলের অন্যতম পেসার শরিফুল ইসলাম ছিটকে গেছেন ম্যাচ থেকে। এ ম্যাচ তো বটেই, সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও পাওয়া যাবে না বাঁহাতি পেসারকে। হাতে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে এ পেসারের, অন্তত ২১ দিন মাঠে নামতে পারবেন না শরিফুল। এদিকে চলমান টেস্টে তার বদলি হিসেবে কেবল ফিল্ডার পেয়েছে বাংলাদেশ।

শরিফুলের জায়গায় ফিল্ডিং করছেন ইয়াসির আলি রাব্বি। আইসিসির নিয়মের কারণেই এমনটি মানতে হচ্ছে বাংলাদেশের।

বিশ্বের অনেক তরুণ ক্রিকেটার মুশফিককে অনুসরণ করেন: ভারতীয় তারকা

শ্রীলংকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে সেঞ্চুরি করার ম্যাচে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে ইতিহাসে আরেকবার নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখলেন তিনি।

বুধবার পাঁচ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে সাগরিকায় বড়পর্দায় ভেসে উঠে মুশিকে অভিনন্দনের দৃশ্য। ড্রেসিংরুমের বাইরে এসে হাততালি দেন এই দৌড়ে পিছিয়ে পড়া তামিম ইকবাল।

অসাধারণ এই অর্জনে মুশফিক প্রশংসা কুড়িয়েছেন দেশের বাইরের আন্তর্জাতিক তারকাদের থেকেও। বিশেষ করে ভারতের জাতীয় তারকা ব্যাটার দিনেশ কার্তিক উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন মুশফিকের।

তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বের অনেক তরুণ ক্রিকেটার মুশফিককে অনুসরণ করে।

আইসিসির সর্বশেষ ক্রিকেট রিভিউ প্রোগ্রামে উপস্থিত হয়ে মুশফিক সম্পর্কে এ ভারতীয় তারকা বলেন, ‘যে কোনো ব্যাটারের জন্য ৫ হাজার টেস্ট রান দারুণ অর্জন এবং সে যা অর্জন করেছে তা দুর্দান্ত। আপনি যখন পতাকাবাহী অথবা মশালবাহী কিংবা প্রথমে কিছু করেন তখন সর্বদা আপনাকে সম্মানের সঙ্গে দেখা হয়। এটি মুশফিকুর রহিমের ক্ষেত্রেও।’

মুশফিকের প্রশংসায় কার্তিক আরও বলেন, ‘বিশ্বের অনেক তরুণ ক্রিকেটার তাকে (মুশফিক) অনুসরণ করে এবং একজন খেলোয়াড় হিসেবে তাকে সত্যিই উপভোগ করে। সে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরে ধারাবাহিকভাবে রান করেছে। মুশফিক দীর্ঘ সময় দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং তার ঝুলিতে অনেক প্রাপ্তি আছে। আমার মনে হয় সে নিজেকে নিয়ে গর্বিত হতে পারে।’

মুশফিকের দীর্ঘ টেস্ট ক্যারিয়ার নিয়েও প্রশংসা করেন দিনেশ কার্তিক।

তিনি বলেন, ‘যখন আপনি ১৭ বছর খেলবেন, বিশেষ করে উইকেটরক্ষক এবং ব্যাটার হিসেবে— এটি অবশ্যই আপনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বলবে। তিনি নিশ্চয়ই জানেন, তার শরীর অনেক ভালো। না হয় নিশ্চিত এত লম্বা সময় ধরে খেলে যাওয়া খুবই কঠিন।’

প্রসঙ্গত এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় মুশফিক। ২০০৫ সালে টেস্টে অভিষেক ঘটে তার। এর পর থেকে এ নিয়ে ৮১তম টেস্ট খেলছেন। ১৭ বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে ৩৪ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি।

কক্সবাজারে আরও এক পর্যটক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু

কক্সবাজারের ইনানীতে তারকা হোটেল রয়েল টিউলিপ সি পার্লে এক পর্যটক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী পরিচয় দেওয়া যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হলে এ তরুণীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা রেজাউল বলেন, হোটেল রয়েল টিউলিপের একটি কক্ষে অবস্থান নেওয়া যুবকের সঙ্গে থাকা তরুণীটি বিকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়েল টিউলিপের এক কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুপুরে মারফুয়া খানম (২৩) ও নাছির উদ্দিন (২৬) নামে দুজন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রয়েল টিউলিপে উঠেন। তাদের ৫১০১ নম্বর রুম বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর পর তারা ব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র হোটেল কক্ষে রেখে সমুদ্রসৈকতে নামেন। ফিরে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে নিজেদের কক্ষে অবস্থান নেন দুজন। এর কিছুক্ষণ পর তরুণীর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কথা অবহিত করা হলে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই তরুণীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বামী পরিচয় দেওয়া নাছির উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রেমিক-প্রেমিকা বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ওই তরুণীর অভিভাবকদের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে। তারা কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই তরুণীর বাড়ি ঢাকার পল্লবী বলে জানা গেছে।

এর আগে বুধবার দুপুরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার চার দিনের মাথা লাবণী আকতার নামে আরেক পর্যটক তরুণীর মৃত্যু হয়। গত ১১ মে ঢাকা থেকে চার বন্ধুর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসে হোটেল বিচ হলিডে-তে উঠেন ওই তরুণী। গত ১৪ মে সকালে সেখানে তরুণীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বন্ধুরা তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এ ঘটনায় তরুণীর সঙ্গে আসা চার বন্ধুর মধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন— ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে কামরুল আলম (২০) ও আবদুর রহমানের ছেলে আরিফ রহমান নিলু (২১)। লাবণী আকতার নামে ওই তরুণীও যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকতেন। অতিরিক্ত মদপানে লিভারসহ শরীরের নানা অংশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অসুস্থ হওয়ায় ব্যাপক চেষ্টার পরও তাকে সুস্থ করতে পারেনি বলে উল্লেখ করেছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা।

আলমসাধুর সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের পাতিবিলা নামক স্থানে শ্যালো ইঞ্চিনচালিত আলমসাধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ইমন হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন উপজেলার বড় ঘিঘাটি গ্রামের মুলাম হোসেনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কালীগঞ্জ শহর থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিল ইমন। পথিমধ্যে কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের সাদিয়া ফিলিং স্টেশনের কাছে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা আলমসাধুর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরসাইকেলের সামনের চাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে ইমন রাস্তার পাশে ছিটকে পড়েন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। যশোর নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভীর ইসলাম জানান, গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে যশোরে রেফার্ড করা হয়।

কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ জানান, আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর যশোরে রেফার্ড করা হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

‘ইরাক আগ্রাসন সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’, মুখ ফসকে বলে ফেললেন বুশ

‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের’ নাম করে ইরাকে নৃশংস আগ্রাসন চালানো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশই কিনা বললেন, ইরাকে আগ্রাসন চালানো সম্পূর্ণ ভুল। তার মুখে এই কথা শুনে উপস্থিত দর্শকদের চোখ ছানাবড়া।

বুধবার ডালাসে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন বুশ। সেখানে তিনি রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করছিলেন। একপর্যায়ে ইউক্রেনে রুশ হামলা নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ ফসকে বলে ওঠেন— ইরাকে আগ্রাসন এক ধরনের নৃশংসতা ও অযৌক্তিক। এর পরই তিনি ভুল শোধরে বলে ওঠেন— ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ’।

পুতিন সরকারের সমালোচনা করে বুশ বলেন, রাশিয়া সরকারের কোনো জবাবদিহি নেই। সেখানকার একনায়কের ইরাকে হামলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও নিষ্ঠুরতা। পর পরই তিনি নিজের বক্তব্য শোধরান।
এর পরই ভুলের দায় কাঁধে তুলে বুশ দোষ চাপান নিজের বয়সের ঘাড়ে।